<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | A.T.M WALIULLAH | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/a-t-mwaliullah/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/a-t-mwaliullah/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for A.T.M WALIULLAH.</description>
	<lastBuildDate>Fri, 04 Sep 2026 08:03:21 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">40e65705a2a419551a93343098b819d0</guid>
				<title>A.T.M WALIULLAH changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/251485/</link>
				<pubDate>Mon, 25 May 2026 18:54:17 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9470049b5efae78155d349849ca3ef1c</guid>
				<title>################################

####।         থ্রি ল্যাঙ্গুয়েজ মহাকাব্য         #####

(ঘাঘট নদীর তীরে এক শহরের গল্প, প্রেমের উপন্যাস ও শিক্ষাবিপ্লবের গাথা)

---

ভূমিকা: ঘাঘট নদী ও সাদুল্লাপুরের গোড়াপত্তন

বাংলার উত্তরপ্রান্তে, গাইবান্ধা জেলার বুকে বয়ে গেছে ঘাঘট নদী – এক মৃদু স্রোতস্বিনী, শান্ত কিন্তু গভীর। যে নদীর নামে লোককথা আছে: একদা এ নদীর তীরে বসে বড় আউলিয়া শাহ ওবায়দুল্লাহ ও তাঁর পুত্র সাআদুল্লাহ দোয়া করেছিলেন, “ইলাহী, এই মাটি যেন হয় জ্ঞানের অমৃতভাণ্ডার।”

তাঁদের নামানুসারেই গড়ে ওঠে সাদুল্লাপুর শহরটি। ঘাঘট নদীর বাঁকে এই ছোট্ট শহর একসময় ছিল দীপ্তিময়। নদী যেমন বহে সৌম্য হয়ে, শহরও বয়ে নিয়ে চলত চিরায়ত শিক্ষা-তাহজীব-তামাদ্দুনের ধারা। কিন্তু কালের পরিক্রমায় ব্রিটিশ কাউন্সিলের সাংস্কৃতিক আগ্রাসনে মক্তব ম্রিয়মাণ, মসজিদ-ভিত্তিক শিক্ষা বিলুপ্তপ্রায়, আর সাদুল্লাপুর আজও নীরবে সাক্ষী সেই পতনের।

ঠিক এই প্রেক্ষাপটেই একদিন জেগে উঠলেন সেই বংশের এক কবি-দরবেশ – শাহ ওয়ালিউল্লাহ ফরহাদ ফকির মজনুশার বংশধর। তাঁর পিতা শাহ আব্দুল কাদের ছিলেন আপামর মানুষের মুরব্বি। আর তাঁর পূর্বপুরুষের মহিমা – শাহ ওবায়দুল্লাহ ও সাআদুল্লাহ – যেন ঘাঘট নদীর জলে মিশে ছিল। সেই মাটি, সেই নদী, সেই রক্ত, সেই দোয়া – সব মিলে সৃষ্টি হয়েছিল এক অপূর্ব শিক্ষা বিপ্লবের বীজমন্ত্র।

---

প্রথম অধ্যায়: ঘাঘটের কূজন ও হীরার ভিটার স্বপ্ন

ঘাঘট নদীর চরের কাছে এক টুকরো উঁচু জমি। গ্রামের মানুষ সেটাকে ডাকে ‘হীরার ভিটা’। শৈশবে শাহ ওয়ালিউল্লাহ ফরহাদ শুনেছেন:

“এ ভিটার মাটি খুঁড়লেই মিলতো হীরার টুকরো। আর যে এ ভিটায় বসে সত্যিকারের নিয়ত করে, তার ভাগ্যের ফের হয়।”

ফরহাদ সেই ভিটায় বসে কাটাতেন দিনের বড় অংশ। তাঁর হাতে থাকত খাতা, কলম। তিনি লিখতেন কবিতা – বাংলা, ইংরেজি আর আরবি মিলিয়ে। 
তিনি লিখতেন- 
সোনার চেয়েও দামি রে ভাই 
রুপার চেয়েও খাঁটি 
মোদের গায়ের উচ্চভূমি 
হীরার ভিটার মাটি।

একদিন তাঁর পিতা শাহ আব্দুল কাদের তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন:

“বাবা ফরহাদ, লেখো কী তুমি?”

ফরহাদ বললেন:

“আব্বু, আমি লিখি এক শিক্ষার স্বপ্ন – যেখানে শিশুরা ছন্দে ছন্দে শিখবে তিন ভাষা। মক্তবে ফিরে আসবে বেহেশতি তামাদ্দুন। আর ঘাঘট নদীর এই পাড় থেকে নতুন মদিনা গড়ে উঠবে।”

&quot; শিখবো ভাষা 
মনের আশা 
দেখব গোটা বিশ্ব 
বিশ্বপতি বাসলে ভালো 
সবাই হবে শিষ্য।&quot;

শাহ আব্দুল কাদের চোখ মুছলেন। বুঝলেন – তাঁর বংশের সেই দোয়া আজ ফরহাদের রক্তে জেগেছে।

---

দ্বিতীয় অধ্যায়: মাসুদা জাহানের চোখে স্বপ্নের প্রতিবিম্ব

শাহ ওয়ালিউল্লাহ ফরহাদের দাম্পত্য সঙ্গিনী মাসুদা জাহান। তিনি এক সম্ভ্রান্ত পরিবারের কন্যা, তাঁর পিতার নাম আব্দুল হামিদ মাস্টার– একজন সরল-জীবনী দিনের দায়ী ইল্লাল্লাহ। ফরহাদের সাথে যখন তাঁর সাক্ষাৎ, সেই প্রথম দর্শনেই বুঝেছিলেন, এ মানুষটি আর সবার মতো নন।

প্রথম কথা – ঘাঘট নদীর ধারে, পান্থনিবাসের ছায়ায়। মাসুদা জাহান প্রশ্ন করলেন:

“আপনি কেন এত একলা থাকেন? কেন কবিতা লেখেন সবার অলক্ষ্যে?”

ফরহাদ বললেন:

“আমি আমার পূর্বপুরুষ  ফকির মজনু শাহ ও শাহ ওবায়দুল্লাহ- সাদুল্লাদের সেই দোয়ার ফল খুঁজছি, যিনি বলেছিলেন – ‘এই মাটি থেকে জাগবে সেই শিক্ষা, যা কুরআনের আলোয় সারা দুনিয়াকে ধুয়ে দেবে।’ আর আমি চাই, আপনি হোন সেই শিক্ষার প্রথম সঙ্গী।”

মাসুদা জাহান চুপ করে রইলেন। তারপর মৃদু হেসে বললেন:

“আমার বাবা আব্দুল হামিদ মাস্টার– আমায় সবসময় শিখিয়েছেন – ‘সত্যিকারের বিপ্লব শুরু হয় ঘর থেকে।’ তাহলে ফরহাদ, আমি আপনার ঘর সাজিয়ে দেব। আর আপনি সাজিয়ে দিন পৃথিবী।”

বিয়েটা ছিল একেবারে ইসলামী সরলতায়। সাক্ষী ছিলেন মমতাময়ী মা মুহতারামা ফাতিমা খন্দকার। বড় দুলাভাই মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান। বড় ভায়রা ভাই প্রিন্সিপাল হায়দার আলী, বড় ভাই শাহ আব্দুল আউয়াল আজাদ,ঘাঘট নদী, হীরার ভিটা আর পিতা শাহ আব্দুল কাদেরের দোয়া। 

---

তৃতীয় অধ্যায়: তিন সন্তানের আগমন – বারাকা, রুহামা ও আব্দুল্লাহ

সংসার আলোকিত হতে সময় লাগল না। ঘাঘট নদীর কলধ্বনি যেন মিলন গান গায়। প্রথম কন্যা শাহ বারাকা বিনতে ওয়ালি (২০০৯), দ্বিতীয় কন্যা শাহ রুহামা বিনতে ওয়ালি (২০১১), আর পুত্র শাহ আব্দুল্লাহ ইবনে ওয়ালি (২০১৩)। তিন সন্তান, যেন হীরার ভিটার তিন টুকরো অমূল্য রত্ন।

ফরহাদ তাঁদের শেখাতে লাগলেন নিজের তৈরি পদ্ধতিতে। প্লে গ্রুপে বারাকা রপ্ত করল ৩১৩টি শব্দ তিন ভাষায়। নার্সারিতে রুহামা কুরআনের ৯০০ শব্দ শিখল ছন্দে ছন্দে। আর আব্দুল্লাহ তো কাণ্ডারির মতো – প্রথম শ্রেণিতেই বানাতে লাগল আরবি-ইংরেজি-বাংলার বাক্য। তিনজনেই শিখতে লাগলো এ্যবাকাস, এ আই টেকনোলজি। ক্রিয়েটিভ আইটি ও রোবটিক জেনেটিক ক্লোনিং ফাংশন।

একদিন আব্দুল্লাহ জিজ্ঞেস করল:

“আব্বু, তুমি বলেছিলে শাহ ওবায়দুল্লাহ ও সাআদুল্লাহ আরশে যেয়ে দোয়া করেছিলেন আমাদের জন্য। তারা কি আমাকে দেখতে পায়?”

ফরহাদ তখন তাকে কোলে তুলে নিয়ে ঘাঘট নদীর পাড়ে দাঁড়ালেন। বললেন:

“দেখ বাবা, এ নদী যেমন কখনো শুকায় না, তেমনি তাদের দোয়া কখনো ফুরায় না। তুই যদি একদিন পুরো কুরআন অর্থসহ বুঝিস, বিজ্ঞানী হইস, আর বাংলার মাটিতে কুরআনিক রাজ্য কাইম করিস – তাহলে তারা আরশ থেকে তোর দিকে তাকিয়ে হাসবে।”

আব্দুল্লাহ চোখ বড় করে বলল:

“তাহলে আমি রোবট বানাবো, যেটা শুধু ইংরেজি নয়, আরবিতেও কথা বলতে পারবে। আর তার প্রোগ্রাম করব কুরআনের ৯৯ নাম দিয়ে!”

ফরহাদ সেদিন নিজের অশ্রু চেপে রাখতে পারলেন না। তিনি মাসুদা জাহানকে ফোন করে বললেন:

“মাসুদা, আজ আমার পূর্বপুরুষের দোয়া আমার ছেলের মুখে ফিরে এলো।”

---

চতুর্থ অধ্যায়: হজের শপথ ও হীরার ভিটার দ্বিতীয় যাত্রা

২০১০ সালে হজের সময়। ফরহাদ দাঁড়িয়ে আরাফাতের ময়দানে। লাখো মানুষের দোয়ার ধ্বনি, কিন্তু তাঁর মনে জাগ্রত হলো – এই লাখো মানুষের কতজন জানেন কুরআনের অর্থ? কত হাফেজ বোঝেন আয়াতের মর্ম? ব্রিটিশ কাউন্সিল যেভাবে ইংলিশ মিডিয়ামকে পুঁজি করে বিলাসী শিক্ষা ছড়িয়ে দিয়েছে, তাতে পর্দা হারাচ্ছে, নৈতিকতা টুটছে, মক্তব বন্ধ হচ্ছে। ফরহাদ সেজদায় লুটিয়ে দোয়া করলেন:

“হে আল্লাহ, শাহ ওবায়দুল্লাহ ও সাআদুল্লাহ যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, আমাকে তার বাহক কর। আমাকে দাও সেই শিক্ষা – যাতে মক্তব ফিরে আসে, যাতে মক্তবেই রোবটিক্স ও ইংরেজি শেখানো হয়, যাতে হাফেজ হয় আধুনিক বিজ্ঞানী, আর বাংলার জমিনে কায়েম হয় মদিনার আদলে একটি রাষ্ট্র।”

সেই হজ থেকে ফিরে তিনি ১২ বছর ধরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা, কেস স্টাডি, কয়েকশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে থ্রি ল্যাঙ্গুয়েজ স্পোকেন ক্লাস নিয়েছেন। অবশেষে ২০২৩ সালে বই প্রকাশ, ২০২৪ সাল থেকে আনুষ্ঠানিক যাত্রা। প্রতিষ্ঠানের নাম ‘থ্রি ল্যাঙ্গুয়েজ কুরআনিক একাডেমী’ ও নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা টাচ মেথড ফাউন্ডেশন ও থ্রি ল্যাঙ্গুয়েজ  বোর্ড।

---

পঞ্চম অধ্যায়: ব্রিটিশ কাউন্সিলের বিপরীতে ত্রিধারার ঘোষণা

ফরহাদ এক সেমিনারে দাঁড়িয়ে স্মৃতিচারণ করলেন:

“ব্রিটিশ চলে গেছে, কিন্তু ব্রিটিশ কাউন্সিল রেখে গেছে। তাদের ইংলিশ মিডিয়ামের শিক্ষা আমাদের মা-বোনদের টু-পিস, জুয়া-সিনেমার রাস্তা দেখায়। আমরা সেটার বিপরীতে দাঁড়াব তিন ভাষার কুরআনিক শিক্ষা নিয়ে।”

সভা উত্তাল। কেউ কেউ সন্দেহ প্রকাশ করল: “আরবি, ইংরেজি, বাংলা – তিন ভাষা একসাথে শেখানো কি সম্ভব?”

ফরহাদ ডেকে আনলেন বারাকা, রুহামা ও আব্দুল্লাহকে। মঞ্চে দাঁড়িয়ে বারাকা আরবিতে সূরা ফাতিহা পাঠ করল, তারপর ইংরেজিতে অনুবাদ করল, তারপর বাংলায় ব্যাখ্যা করল। রুহামা কম্পিউটারে তিন ভাষায় বাক্য টাইপ করে দেখাল। আব্দুল্লাহ তার বানানো রোবট ‘হীরা’ নিয়ে এসে সেটার কমান্ড দিল আরবিতে, ইংরেজিতে, বাংলায়। রোবট প্রতিটি কমান্ড পালন করল।

সভাস্থল নীরব। তারপর এক লম্বা করতালি। একজন বুজুর্গ আলেম উঠে বললেন:

“আজ ঘাঘট নদীর পাড়ের সেই দোয়া ফরহাদের মাধ্যমে ফিরে এলো।”

---

ষষ্ঠ অধ্যায়: কুরআনিক রাজ্যের স্বপ্ন – ইরানের চেয়েও বড় এক বিপ্লব

ফরহাদ সর্বত্র প্রচার করেন – থ্রি ল্যাঙ্গুয়েজ শুধু একটি শিক্ষা নয়, এটি একটি কুরআনিক রাষ্ট্র গঠনের প্রথম ভিত্তি। পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত এখানকার শিশুরা যা আয়ত্ত করে:

· পুরো কুরআনের অর্থ তিন ভাষায়।
· ইংরেজি ব্যাকরণ আন্তর্জাতিক মানের (ব্রিটিশ কাউন্সিলের পাঠ্যতুলনায় শক্ত)।
· আরবি স্পোকেন ও রাইটিং।
· অ্যাবাকাস, রোবোটিকস, ক্রিয়েটিভ আইটি, তিন ভাষায় কম্পিউটার কম্পোজ।

ফরহাদ ঘোষণা দেন:

“যে শিশু আজ আমাদের ক্লাস ফাইভ শেষ করবে, সে পারবে কুরআনের ৯৯ নামের বৈজ্ঞানিক রহস্য উদ্ঘাটন করতে। ফিজিক্সের সূত্র বের করতে আরবি ক্যালিগ্রাফি থেকে। বায়োলজির জিন কোড মেলাতে ‘আল-খালিক’ নামের কন্টেম্পলেশন থেকে। আর যখন এই শিক্ষা পুরো জাতিকে ছড়িয়ে পড়বে, তখন বাংলাদেশ হয়ে যাবে বিশ্বের মডেল – একটি আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর, নৈতিক ও কুরআনভিত্তিক রাষ্ট্র। সেখানেই প্রতিষ্ঠা পাবে খেলাফতের পতাকা। সেখানেই গড়ে উঠবে কুরআনিক ব্যাংকিং, কুরআনিক বিচারব্যবস্থা, কুরআনিক গবেষণা।”

তিনি স্বপ্ন দেখান – একদিন আমেরিকার বিজ্ঞানীরা অবাক হবে দেখে যে বাংলাদেশের একটি মক্তবের শিশু কুরআনের আয়াত দিয়ে রোবটের সফটওয়্যার লিখতে পারে। আর বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পণ্ডিতরা এসে পড়বেন সাদুল্লাপুরের থ্রি ল্যাঙ্গুয়েজ রিসার্চ সেন্টারে।

---

সপ্তম অধ্যায়: বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া ত্রিধারা

ফরহাদের নির্দেশনায় তাঁর তিন সন্তান আজ তিন মহাদেশে দায়িত্ব পালন করছে।
বারাকা গেছেন আমেরিকায়। সেখানে তিন ভাষায় কুরআন বিজ্ঞান নিয়ে খুলেছেন গবেষণা কেন্দ্র। রুহামা হয়েছেন লন্ডন ও মালয়েশিয়ার কান্ট্রি ডিরেক্টর। আর আব্দুল্লাহ নিয়েছেন সৌদি আরব ও তুর্কির দায়িত্ব।

প্রতি বছর উত্তরা কেন্দ্রে বসে আন্তর্জাতিক সম্মেলন। ৩০টির বেশি দেশ থেকে প্রতিনিধি আসেন। ফরহাদ সেখানে দাঁড়িয়ে ঘোষণা করেন:

“যে পদ্ধতি ঘাঘট নদীর পাড়ে, হীরার ভিটায় শুরু হয়েছিল – আজ তা বিশ্বব্যাপী হাজার শাখায় ছড়িয়েছে। এখন আমাদের লক্ষ্য: পাঁচ হাজার ইউনিয়ন, প্রতিটি ওয়ার্ড, প্রতিটি মসজিদে থ্রি ল্যাঙ্গুয়েজ মক্তব। ফ্রিতে। বিনা পয়সায়। যাতে কোন মা-বাবা তাদের সন্তানকে তিন ভাষার কুরআনিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত না থাকেন।”

---

অষ্টম অধ্যায়: ঘাঘট নদীর কূজন – আবার ফিরে আসা

গল্পের শেষ পর্বে, ফরহাদ একদিন মাসুদা জাহানকে নিয়ে ফিরে এলেন ঘাঘট নদীর তীরে, হীরার ভিটায়। সে জমি এখন আর ফাঁকা নেই – সেখানে ছোট একটি গবেষণা কেন্দ্র, নাম ‘শাহ ওবায়দুল্লাহ ও সাআদুল্লাহ ইনস্টিটিউট’।

মাসুদা জাহান সেদিন মৃদু কণ্ঠে বললেন:

“ফরহাদ, এ যেন আমাদের প্রথম দেখা সেই দিনের মতো। ঘাঘট নদী আজও সেই কলকল ধ্বনি ছড়ায়। কিন্তু আজ এই তীরে দাঁড়িয়ে আমাদের সন্তানেরা পৃথিবী বদলে ফেলছে।”

ফরহাদ বললেন:

“মাসুদা, তুমি জানো? ব্রিটিশ কাউন্সিলের চিন্তাবিদরা কখনো কল্পনাও করেনি যে বাংলার এক ক্ষুদ্র নদীর তীর থেকে উঠে আসবে এমন শিক্ষা – যা কুরআনকে আধুনিক বিজ্ঞানের ভাষা করবে, আর বাংলার মাটিতে গড়ে তুলবে মদিনার আদলে এক নন্দিত রাষ্ট্র।”

তখন সূর্য অস্ত যাচ্ছিল ঘাঘট নদীর বুকে। সোনালী রোদ মেখে আব্দুল্লাহ ছুটে এলো, হাতে তার নতুন আবিষ্কার – ‘কুরআনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চিপ’। সে বলল:

“আব্বু, এই চিপ কম্পিউটারকে কুরআনের ৯৯ নামের মর্মার্থ অনুযায়ী প্রোগ্রাম করে। এখন পৃথিবীর যেকোনো বিজ্ঞানী চাইলে চিপটি নিয়ে গবেষণা করতে পারে। সৌদি আরবের এক দল বিজ্ঞানী আমন্ত্রণ জানিয়েছেন আমাকে।”

ফরহাদ আব্দুল্লাহকে জড়িয়ে ধরলেন। মাসুদা জাহান দোয়ার হাত তুললেন। ঘাঘট নদী তার চিরচেনা সুরে বয়ে গেল – যেন বলে গেল, শেষ কথা নয়, শুরু মাত্র।

---

উপসংহার: গাথার শেষ নেই, বিপ্লব কেবল আরম্ভ

হীরার ভিটার সেই ছোট জমি আজ বিস্তৃত হয়েছে সারা পৃথিবীর মঞ্চে। শাহ ওবায়দুল্লাহ ও সাআদুল্লাহর সেই দোয়া, শাহ আব্দুল কাদেরের তাগিদ, মাসুদা জাহানের পবিত্র সাহচর্য, আর ফরহাদের নিরলস সৃজন – সব মিলিয়ে এক বিপ্লবের জন্ম দিয়েছে থ্রি ল্যাঙ্গুয়েজ কুরআনিক একাডেমী।

ফরহাদ একদিন কবিতায় লিখেছিলেন:

“ঘাঘট নদী বয় না শুধু , 
গড়ে এক নতুন চর।
হীরার ভিটায় রয় না গোপন,
সেই মদিনার ঘর।”

এই গাথা এখন সোনালি অক্ষরে লেখা থাকবে পৃথিবীর ইতিহাসে – কিভাবে একটি ছোট্ট গ্রাম, একটি নদী, একটি ভিটা, একটি কবির মন, এক সতী-সঙ্গী ও তিন শিশু মিলে গড়ে দিয়েছিল সেই শিক্ষা, যার নাম হবে ত্রিধারার মহাকাব্য।

ইনশাআল্লাহ, এই পথ হাঁটবে প্রজন্মের পর প্রজন্ম – আর বাংলার মাটি থেকে একদিন উত্থিত হবে কুরআনিক খেলাফতের বিজয়স্তম্ভ।

সৌজন্যে: থ্রি ল্যাঙ্গুয়েজ কুরআনিক একাডেমী ও
টাচ মেথড ফাউন্ডেশন</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/251467/</link>
				<pubDate>Mon, 25 May 2026 18:42:12 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>################################</p>
<p>####।         থ্রি ল্যাঙ্গুয়েজ মহাকাব্য         #####</p>
<p>(ঘাঘট নদীর তীরে এক শহরের গল্প, প্রেমের উপন্যাস ও শিক্ষাবিপ্লবের গাথা)</p>
<p>&#8212;</p>
<p>ভূমিকা: ঘাঘট নদী ও সাদুল্লাপুরের গোড়াপত্তন</p>
<p>বাংলার উত্তরপ্রান্তে, গাইবান্ধা জেলার বুকে বয়ে গেছে ঘাঘট নদী – এক মৃদু স্রোতস্বিনী, শান্ত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-251467"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/251467/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>