<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Adif Ifsan | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/adif-ifsan/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/adif-ifsan/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Adif Ifsan.</description>
	<lastBuildDate>Fri, 19 Jun 2026 12:42:44 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">f4b07627a9c3a728f26a9b268ea99705</guid>
				<title>Adif Ifsan and ISMAT JAHAN LIPI are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/70597/</link>
				<pubDate>Tue, 07 Dec 2021 09:49:41 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a8313ae96b1ede94bfeb9dcb2c73b33d</guid>
				<title>গল্পঃ হারানোর অপেক্ষায়
লেখকঃ Adif Ifsan  (শখের লেখক)
পূর্ণিমার রাত,চাদের দিকে তাকিয়ে বেলকোনীতে একা বসে আছি। কত আলো!এতক্ষণ হাল্কা বাতাস বইছিল,কিন্তু হঠাৎ বাতাসের বেগ বেড়ে গেল। কালো মেঘ এসে চাঁদকে ঢেকে ফেলল।সময় তখন রাত ১২টা,মোবাইলে একটা মেসেজ আসলো।ঠিক তখনি ভাবীর ডাক,``আহসান,ড্রয়িং রুমে একটু আসো তো,তোমার ভাইয়া ডাকে।সাথে সাথে চলে গেলাম,মেসেজটা ইগ্নোর করে।অথচ,এমন এক সময় ছিলো যখন মেসেজ ইগ্নোর তো দূরের কথা,বরং অপেক্ষা করতাম।
যাইহোক,ড্রয়িং রুমে গিয়ে আমি তো অবাক।ভুলেই গিয়েছিলাম,আজ আমার জন্মদিন।ভাইয়া,ভাবী আর একমাত্র ভাতিজি তনু মিলে জন্মদিনের ঘরোয়া পার্টি আয়োজন করেছে।ভেবেছিলাম এবার celebration হবে না,তাই জন্মদিন নিয়ে তেমন কন ভাবনাও নেই।কেননা,গত ১৫ বছর ধরে আমার জন্মদিনের প্রথম শুভেচ্ছা আর আয়োজন ও’ই করত।কিন্তু গত আট মাস ধরে আমাদের মাঝে বিচ্ছেদ নামক এক দেয়াল দাড়িয়ে আছে। তবে,আজকের এই আয়োজনে সত্যি আমি অবাক না হয়ে পারলাম না।
সবশেষে ঘুমাতে যাবার আগে মোবাইলটা হাতে নেয়া মাত্র মেসেজটার কথা মনে পড়ল।ইনবক্স খুলতেই চমকে গেলাম,এটা ওর মেসেজ।জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছে।হয়ত,১৫ বছরের স্মৃতি এখন ভুলতে পারেনি।যাইহোক,এখন রাত ২টা বাজে;এতরাতে একটা মেয়েকে মেসেজ করাটা ঠিক হবে না ভেবে আর রিপ্লাই করলাম না(যদিও সে আমার বিবাহিত স্ত্রী,তবে সেপারেশনে আছে)।এখন আর ঘুমও আসছে না,ওর কথা মনে পড়ে গেল ।।=&#062;
***সেই SSC দিয়ে কলেজে ভর্তি হলাম,বয়েজ কলেজ।তখন কলেজের কাছেই একটা ব্যাচেলর বাসায় ভাড়া থাকতাম।বাসা কলেজের কাছে হওয়ায় হেটেই যাওয়া-আসা করতাম।এভাবেই বেশ চলছিল,কিন্তু  কয়েকমাস পরে আমার লাইফে ওর আগমন ঘটে।কয়েকদিন ধরেই আমি লক্ষ করছিলাম,কলেজে যাবার এবং আসার পথে একটা মেয়ের সাথে প্রতিদিন দেখা হয়।মেয়েটা দেখতেও ভালো,কিন্তু তখন বুঝিনি কেনো আমার দিকে প্রতিদিন তাকায়।মাঝে মাঝে দুজনের চোখে চোখ পরে যেত।কিন্তু আমি তখন ওর সাথে কথা বলারও সাহস পেতাম না।*
*একদিন কলেজ থেকে ফেরার পথে হঠাৎ বৃষ্টি।রাস্তার পাশে একতা ছাউনিতে দাড়ালাম,আশেপাশে কেউ নেই।দেখি ওই মেয়েটা,এদিকেই আসছে।বৃষ্টিতে কিছুটা গা ভিজে গেছে।এসে একটা মুচকি হাসি দিয়ে দাড়ালো,আর কোনো কথা নেই।কিছুক্ষণ এমন নিরবতা থাকলো।তারপর আমি একটু সাহস করে জিজ্ঞেস করলাম,
-আপনার নাম কি?
-আমি নাতাশা,আপনি?
-আমি আহসান।ইন্টার ১ম বর্ষ,বয়েজ কলেজ।আপনি?
-আমিও ইন্টার ১ম বর্ষ,গার্লস কলেজ।
-ওহ আচ্ছা।আপনাকে একটা প্রশ্ন করি?
-হুম্মম্মম্ম,কি প্রশ্ন?
-আপনি ওভাবে ছেলেদের দিকে তাকিয়ে থাকেন কেনো?
-ছেলেদের দিকে?কই না তো!আমি তো ছেলেদের দিকে তাকাই না,ছেলেটার দিকে তাকাই!!!
এই বলে সেদিনের মতো সে চলে গিয়েছিল।ততক্ষনে বৃষ্টিও কমে গিয়েছিল।আমিও বাসায় ফিরলাম,কিন্তু ওর কথার মানেটা সেদিন বুঝিনি।বলতে হবে মেয়েটার সাহস আছে!!!!*
*সেদিনের পর আমরা প্রায়ই একসাথে কলেজ আসা-যাওয়া করতাম।এভাবে আস্তে আস্তে আমাদের মাঝে ভালো বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে।আমাদের যোগাযোগটা তখন শুধুমাত্র ওই রাস্তাতেই সীমাবদ্ধ ছিলো।যদিও আমাদের দুজনের কাছেই সেলফোন ছিল,তবুও তখন মাত্র হাতে হাতে মোবাইলের প্রচলন হওয়ায় ব্যবহারটা তেমন হয়ে ওঠেনি।আর তখন কলরেট আর মেসেজের খরচটা এখনকার মতো কম ছিলো না।তবুও একদিন নাতাশাকে বললাম,`তোমার মোবাইল নাম্বারটা দিবে?’ সেদিন ও ওর নাম্বারটা আমাকে দেয়।তবে,নাম্বার পাওয়া মাত্র আমি ওকে কল দেইনি কিন্তু।ওর সাথে আমার প্রথম কলে কথা হয় আরো ২মাস পর।এই ২মাসে কবে যে নাতাশাকে ভালোবেসে ভেলেছিলাম,কে জানে!!*
*ওই দুই মাসের শেষের দিকে একদিন কলেজ থেকে আসার পথে নাতাশাকে বললাম,
-তোমাকে একটা কথা বলতে চাই।
-বলো,কি বলবে।
-কিভাবে যে বলি,ভয় করছে।
-আরে কিসের ভয়?
-হারাবার ভয় নাতাশা।
-আহসান,কি হয়েছে তোমার?কি বলতে চাও,নির্ভয়ে বলো।
-আমি একটা মেয়েকে ভালোবাসি নাতাশা।
-ওমা!তাই নাকি?কে সে?
-তুমি,নাতাশা।(একটু ভয়ে ভয়ে)
ও কোনো কথা না বলে শুধু একটা মুচকি হাসি দিয়ে চলে গেল।আমিও কিছু না ভেবে বাসায় গিয়েই নাতাশাকে কল দেই।কলটি রিসিভ হলো,নাতাশার কন্ঠ শুন্তে পেলাম।
-আহসান,আজ হঠাৎ কল দিলে যে?
-তখন কিছু না বলে চলে আসলে কেনো?কিছু তো বলো।
-আহসান তোমাকে আকদিন বলেছিলাম,আমি ছেলেদের দিকে তাকাই না কিন্তু আক্তা ছেলের দিকে     তাকাই।আর সেই ছেলেটাই তুমি।আমিও ভালোবাসি তোমায়।
ওর মুখে এই কথা শুনে যে আমি কতোটা খুশি চিলাম সেদিন,তা অকল্পনীয়!!এভাবেই আমাদের প্রেমের সম্পর্ক গড়ি ওঠে।আরো অনেক কেয়ারিং,শেয়ারিং,আদর,মাঝে মাঝে একটু দুষ্টু-মিষ্টি ঝগড়া সব মিলে আমাদের রিলেশন ভালোই চলছিল।*
*আমরা একই ব্যাচের হওয়ায় একসাথে আমার B.Sc ও নাতাশার B.A. শেষ হয়।দুজনে চাকরী করতে শুরু করি।এরও চার বছর পর আমাদের বিয়ে হয়,বিয়ের ব্যাপারে ভাবী অনেক সাপোর্ট করেছিল।বিয়ের পরবর্তী চার বছরও ভালভাবেই কেটেছিল।কিন্তু এরপর কয়েকদিন ধরে ওর মাঝে একটা অদ্ভুত আচরণ লক্ষ করছিলাম।কিছু ব্যাপার অনেক খারাপ লাগত কিন্তু ওকে বুঝতে দেইনি,ঐ যে হারাবার ভয়।যতদিন যাচ্ছিল ওর মোবাইলে কথা বলা,চ্যাটিং,হঠাৎ একা একা বাইরে যাওয়া বেড়ে যাচ্ছিল।নাতাশাকে শুধু বলতাম,যাই কর একটু ভেবে-চিন্তে করিয়ো।এছাড়া ওকে আর কিছু বলতাম না,সবসময় নরমাল ব্যবহার করতাম।তবে এইসব নিয়ে কোনোদিনও আমাদের ঝগড়া হয়নি।*
আরো কয়েকমাস পর,একদিন অফিস থেকে ফিরে দেখি ও ব্যাগ প্যাক করছে।
-রাতে ব্যাগ প্যাক করছো যে?কথাও যাবে?
-হ্যা,আমাদের বাসায় যাব।কয়েকদিন থাকব।
-ওহ,তাহলে চলো রেখে আসি।
-না থাক,আমি একাই যেতে পারব।
-এতরাতে একা যাওয়া ঠিক হবে না গো।
-আহা,জোর করছো কেনো?বল্লাম তো পারবো।
-ঠিক আছে,পৌছে ফোন দিয়ো।
-আচ্ছা।
কিছুক্ষণের মধ্যে ও চলে গেল।আমি ফ্রেশ হয়ে খেয়ে ওর কলের অপেক্ষায় থাক্লাম,কিন্তু কোনো কল আসলো না।পরে ওর বাসায় ফোন দিয়ে জানতে পারলাম সে বাসায় পৌছে গেছে অনেক আগে।*
*পরেরদিন আমি অনেক ব্যাস্ত থাকায় ওকে কল দেবার সুযোগ পেলাম না।কিন্তু ও নিজেও একবারো কল দেয়নি।তারপরের দিন নাতাশাকে অনেকবার কল দেই রিসিভ করেনি,মেসেজেরও রিপ্লাই করেনি।এভাবে কয়েকদিন চলে গেল কিন্তু ওর সাথে কোনো যোগাযোগ নেই।একদিন হঠাৎ কাউকে না জানিয়ে ওদের বাসায় গেলাম,নাতাশা আমাকে দেখে চমকে গেল।সেদিন ওদের বাসায় সে স্বাভাবিক আচরণ করেছিল।পরে আমি বাড়ি ফিরে কল দিলাম,কিন্তু রিসিভ করে না।আরো কয়েকদিন TRY কতি কিন্তু কোনো সাড়া নেই।পরে আমি রাগ করে আর নক দিই নাই।*
কয়েকসপ্তাহ পর,অফিস থেকে বাসায় ফিরে দেখি একটা চিঠি এসেছে,নাতাশা পাঠিয়েছে।
-আহসান,আমাদের সম্পর্ক অনেক ভালো জানি,কিন্তু অজানা এক কারণে আমি আমাদের এই সম্পর্ক আর টিকিয়ে রাখতে পারছি না,I am SORRY!আমাকে ক্ষমা করে দিয়ো।
চিঠিটার সাথে ডিভোর্স লেটারও ছিলো।আমি ডিভোর্স লেটারটা নিজের কাছে রেখে ওকে একটা ফিরতি চিঠি পাঠালাম।
-প্রিয়,জানিনা হঠাৎ কেনো এত বড় সিদ্ধান্ত।তবে,আমি সেই অজানা কারণ না জানা পর্যন্ত তোমাকে ছাড়ছি না গো!I am also SORRY!
এভাবে প্রায় আটমাস হয়ে গেল,আজও সে কারণটাও জানালোনা,আমিও ডিভোর্স পেপারে সাইন করিনি।তবে,এর মাঝে একদিনও আমাদের দেখা বা কথা কোনোটাই হয়ে ওঠেনি কারণ সে চায়নি***
হা’হা এসব ভাবতে ভাবতে যে কখন ঘুমিয়ে পড়েছি,কে জানে!!!
সকালে ঘুম ভাঙ্গা মাত্রই ওর মেসেজের রিপ্লাই দিলাম।নাতাশাও সাথে সাথে রিপ্লাই দিল।
-ধন্যবাদ,মনে রাখার জন্য।কেমন আছো নাতাশা?
-আলহামদুলিল্লাহ,ভালো।তুমি?
-আমি ভালো আছি।আজ এতদিন পরে তোমার মেসেজ?আর সেই কারণটাই বা কি?
এরপর কয়েক ঘন্টা কেটে গেল,কিন্তু ওর রিপ্লাই পেলাম না।দুপুরে হঠাৎ ওর মেসেজ &#062;বিকেলে একটা পার্কে দেখা করার জন্য ডাকলো।
আমি বিকেলে ওখানে গিয়ে দেখি সে আমার আগেই এসেছে।প্রথমে দুজনেই নিরব থাক্লাম।পরে আমি জিজ্ঞেস করলাম,কেনো আমাদের সম্পর্কটা এমন হল।কেনো সে ডিভোর্স চায়।ওর ঐ এক কথা,কারণ টা আমাকে জানেতে চায় না।শেষে জন্মদিনের উপহার দিয়ে আমাকে কিছু উপদেশ দিলো। *আহসান,আমাদের এই সম্পর্কটা রাখলে তোমারই কষ্ট হবে,তাই আমাকে ডিভোর্স দিয়ে আমার থেকে ভালো কাউকে বিয়ে করে ফেলো।আর কারণটা শুনতেই চাও,তবে অপেক্ষা করো,আগামী ১বছরের মধ্যে জেনে যাবে;আমাকে বলতে হবে না।* ওর এই উপদেশ শুনে আমি বললাম,ঠিক আছে,তাহলে ঐ অপেক্ষায় থাকব,ডিভোর্সও আগামী ১বছর পর নিয়ো।
সেদিন ওখানে আর কোনো কথা হয়নি।নাতাশাও বাসায় গিয়ে আর যোগাযোগ করেনি।আমি মাঝে মাঝে ওর বাসায় কথা বলে ওর খোজ-খবর নিতাম।এর ছয় মাস পর একদিন জানতে পারলাম,নাতাশা খুব অসুস্থ,হাসপাতালে নিয়ে গেছে।আমি হাসপাতালে গিয়ে দেখলাম এখন কিছুটা সুস্থ।পরে ডাক্তারের সাথে কথা বলে জানতে পারলাম, ওর B-Cell লিউকেমিয়া মানে ব্লাড ক্যান্সার আছে,অনেক আগে থেকেই।এটা শেষ পর্যায়ে গেছে,নাতাশা আর কয়েকমাস মাত্র থাকবে আমাদের সাথে।
বাসায় ফিরে সব উল্টা-পাল্টা লাগতেছিলো।আমি এই কয়েকমাসের ঘটনা গুলো মিলাতে লাগ্লাম।নাতাশার ফোনে কথা বলা,চ্যাটিং এসবের মাধ্যমে সে ঔষধ কিনত,আমাকে গোপন করে।আর বাইরে যেত মূলত ডাক্তারের কাছে।কিন্তু কেনো!!!আমাকে জানেলে কি হতো?তখন যদি আমাকে জানাতো,তবে ১ম পর্যায়ে ভালোভাবে চিকিৎসা করলে হয়তো সে আজ ভালো হয়ে যেতো।সে সব কিছু জানত,তাই আমাকে ডিভোর্স দিতে চেয়েছিল,আর কারণটা জানতে ১বছর অপেক্ষা করতে বলেছিল।
এখন সবকিছু জেনেও কারোর কিছু করার নেই।প্রতিদিন একবার গিয়ে ওকে দেখি,কখন ওখানেই থাকি।সেদিন ডিভোর্স পেপারে যদি সাইন করতাম,তাহলে হয়তো আজ এসব জানতামই না।আমি শুধু মাত্র অপেক্ষা করেছিলাম সেই কারণটা জানার,কিন্তু সেই অপেক্ষা থেকে আজ এখন ওকে
হারানোর অপেক্ষায়!!!! 
……………………………………………………………………………………………   
আজ এই পর্যন্তই।এটিই আমার লেখা প্রথম গল্প।আশা করি ভালো লাগবে!!!
ত্রুটি মার্জনীয়।গল্পটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ!
ধন্যবাদান্তে,
আদিফ ইফসান (শখের লেখক)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/33104/</link>
				<pubDate>Thu, 09 Sep 2021 12:39:26 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গল্পঃ হারানোর অপেক্ষায়<br />
লেখকঃ Adif Ifsan  (শখের লেখক)<br />
পূর্ণিমার রাত,চাদের দিকে তাকিয়ে বেলকোনীতে একা বসে আছি। কত আলো!এতক্ষণ হাল্কা বাতাস বইছিল,কিন্তু হঠাৎ বাতাসের বেগ বেড়ে গেল। কালো মেঘ এসে চাঁদকে ঢেকে ফেলল।সময় তখন রাত ১২টা,মোবাইলে একটা মেসেজ আসলো।ঠিক তখনি ভাবীর ডাক,&#8220;আহসান,ড্রয়িং রুমে একটু আসো তো,তোমার ভাইয়া ডাকে।সাথে সাথে চলে গেলাম,মে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-33104"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/33104/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">acefea218e080e0b4f57ec9a8b47565c</guid>
				<title>Adif Ifsan and Sharbanam Gupta are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/33102/</link>
				<pubDate>Thu, 09 Sep 2021 12:34:20 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">acefea218e080e0b4f57ec9a8b47565c</guid>
				<title>Adif Ifsan and অভিমানী মন are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/33101/</link>
				<pubDate>Thu, 09 Sep 2021 12:34:20 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">aead973bde99e720e454d47026ef444e</guid>
				<title>Adif Ifsan and মো: মাসুম মিয়া are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/33100/</link>
				<pubDate>Thu, 09 Sep 2021 12:34:19 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7f5ca27798441a38bb73a6132f1014d6</guid>
				<title>Adif Ifsan and চাঁদ সদাগর are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/33099/</link>
				<pubDate>Thu, 09 Sep 2021 12:34:18 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7f5ca27798441a38bb73a6132f1014d6</guid>
				<title>Adif Ifsan and AdabenTatali are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/33098/</link>
				<pubDate>Thu, 09 Sep 2021 12:34:18 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>