<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Swadhin Ahmed | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/ahmedswadhin/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/ahmedswadhin/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Swadhin Ahmed.</description>
	<lastBuildDate>Tue, 16 Jun 2026 03:25:42 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">94d8d7ca6acc34919fbfa213f3cd5b13</guid>
				<title>রাসূলে আরাবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মোবারক ফরমান— কোনো বান্দা তার মুখ দিয়ে এমন কথা বের করে, যার ফলাফল সম্পর্কে সে অবগত নয়। আল্লাহ তায়ালা তাঁর জন্য নিজের সন্তুষ্টি লিখে দেন। আবার কোনো বান্দা তার মুখ দিয়ে এমন কথা বের করে, যার ফলাফল সম্পর্কে সেও অবগত নয়। আল্লাহ তার জন্য নিজের অসন্তুষ্টি লিখে দেন।

মুখ। মানবদেহের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর প্রত্যেক অঙ্গ-প্রতঙ্গ তাকে লক্ষ্য করে হিফাজতে থাকার আর্জি জানায়। কারণ মুখের লাগামহীন হয়ে যাওয়া মানে, বিপদ ডেকে আনা। আর মুখের ব্যবহার আল্লাহর জিকর, দুরুদে মোস্তফায় হওয়া মানে বিনা কষ্টে সাওয়াব কিনে নেওয়া।

অনেক সময় একটি শব্দ বলে বান্দা জান্নাত কিনে নেয়। আর অনেক সময় একটি শব্দ ব্যবহার করেই বান্দা, ঈমান থেকে ফারিগ হয়ে যেতে পারে। আজকে গান, কমিডি, টিকটিক, প্রাঙ্ক এর নামে নানারকম গুণাহে ভরপুর কাজে, না-জানে কেমন কেমন শব্দ ব্যবহার হচ্ছে, যার পরিণতি সম্পর্কে আমরা অবগত না। মজায়-মজায় গাইতে থাকেন, শুনতে থাকেন, বির-বির করতে থাকেন। আরেহ! এটা এমন কি?

ওয়াল্লাহি ভাই আমার, হতে পারে এমন শব্দও আপনি উচ্চারণ করছেন, যাতে আপনার ঈমানই চলে গেছে। আপনি আর মুসলমানই নেই। আর যার ঈমানই চলে যায়, তার কি-বা মূল্য আছে?

ইয়া মুকাল্লিবাল ক্বুলুবি সাব্বিত ক্বালবি আলা দ্বীনিক।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/43768/</link>
				<pubDate>Fri, 15 Oct 2021 05:50:35 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>রাসূলে আরাবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মোবারক ফরমান— কোনো বান্দা তার মুখ দিয়ে এমন কথা বের করে, যার ফলাফল সম্পর্কে সে অবগত নয়। আল্লাহ তায়ালা তাঁর জন্য নিজের সন্তুষ্টি লিখে দেন। আবার কোনো বান্দা তার মুখ দিয়ে এমন কথা বের করে, যার ফলাফল সম্পর্কে সেও অবগত নয়। আল্লাহ তার জন্য নিজের অসন্তুষ্টি লিখে দেন।</p>
<p>মুখ। মানবদেহের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-43768"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/43768/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2721edc10173c43ae5f9543664d63b7a</guid>
				<title>Swadhin Ahmed changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/40857/</link>
				<pubDate>Wed, 06 Oct 2021 04:06:33 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c9db1ac4734b5a81cfef32cb17c273c1</guid>
				<title>ইবন হিব্বান এর বর্ণনা, রাসূলে আরাবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন— “বান্দার রিযক তাকে এমনিভাবে তালাশ করে, যেভাবে তার মৃত্যু তাকে তালাশ করে।”

পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে আপনি থাকুন না কেন, মৃত্যু আপনার নিকট পৌঁছাবেই। দুনিয়ার সকল মানুষও যদি একত্র হয়ে যায় তবুও আপনার মৃত্যুকে কেউ ঠেকাতে পারবে না। তদ্রূপ, পৃথিবীর যেখানেই আপনি থাকুন না কেন আপনার রিযক আপনার নিকট যেকোনো মূল্যে পৌঁছাবে। কেউ সেটা আটকাতে সক্ষম নয়।

তাহলে এতটাও দুশ্চিন্তা কিসের? কেন এত উদাসীন আপনি? কেন অন্যজনের ধন-দৌলত দেখে আপনার হাতাশা বাড়ছে? কেনই বা এই রিযক&#039;কে পাওয়ার জন্য হারাম পন্থা অবলম্বন? 

আপনার তাকদ্বীরে যদি মিলিনিয়ার, বিলিনিয়ার হওয়া লেখা থাকে, তবে কে আছে সেটাতে বাধা দিবে! তাই নিজের প্রচেষ্টা হালাল পন্থায় চালিয়ে যান। রবের ওপর সন্তুষ্ট থাকুন। তার ওপর ভরসা রাখুন। ফলাফল সোপর্দ করে দিন রব তায়ালার কাছে। হতাশ হবেন না।

❝যখন তোমরা কোনো কাজের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করো, তখন তোমাদের উচিত আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করা। নিশ্চিয়ই আল্লাহ তওয়াক্কুলকারীদের ভালোবাসেন।❞ [কোরআন ৩:১৫৯]

❝যদি আল্লাহ তোমাদের সাহায্য করেন, তবে কে আছে তোমাদের ওপর জয়ী হবে? আর যদি আল্লাহ তোমাদের পরিত্যাগ করেন, তবে কে আছে সাহায্য করবে?❞ [কোরআন ৩:১৬০]


~স্বাধীন আহমেদ</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/40303/</link>
				<pubDate>Sun, 03 Oct 2021 08:20:01 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ইবন হিব্বান এর বর্ণনা, রাসূলে আরাবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন— “বান্দার রিযক তাকে এমনিভাবে তালাশ করে, যেভাবে তার মৃত্যু তাকে তালাশ করে।”</p>
<p>পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে আপনি থাকুন না কেন, মৃত্যু আপনার নিকট পৌঁছাবেই। দুনিয়ার সকল মানুষও যদি একত্র হয়ে যায় তবুও আপনার মৃত্যুকে কেউ ঠেকাতে পারবে না। তদ্রূপ, পৃথিবীর যেখানেই আপনি থাকুন না কেন আপনার&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-40303"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/40303/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b7dc57469151a0dbe89e0107a14751a8</guid>
				<title>প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসাটা এতো গভীর কবে থেকে যে হয়ে গেল, তাও বুঝে ওঠতে পারলাম না। অজান্তেই খুব নিজের করে নিয়েছি। 

প্রকৃতি আমাকে বরাবরই বি-মোহিত করে। হৃদয়ের গতি-প্রকৃতিও কেমন যেন কাব্যিক হয়ে ওঠে। “প্রকৃতি-প্রেমী না হলে কবি হওয়া যায় না।” আমার মনে হয়। কতটুকু বাস্তব তা জানা নেই। কি যেন একটা খোঁজে পাই অসাধারণ এই সৃষ্টিতে! একটুখানি ভালোবাসা, অন্যরকম এক প্রশান্তির ছোঁয়া। মন খারাপের দিনে মুহুর্তেই মনটা ভালো হয়ে যায়। বোধহয় চোখের প্রশান্তিটাই, হৃদয়ের প্রশান্তি। প্রকৃতির এক এক রূপ, যেন মনে এক এক কল্পনার জন্ম দেয়। সবুজের সমারোহে কখন যে হারিয়ে যায় মন! সবুজ তো ভালোবাসা, সবুজ তো চোখের আর হৃদয়ের প্রশান্তি। সবুজ গুম্বাদে খাযরা, সবুজ মদীনা।

❝তাদের জন্য নিদর্শন একটি মৃতভূমি। আমি একে সঞ্জীবিত করি এবং তা থেকে উৎপন্ন করি শস্য, তারা তা ভক্ষণ করে। আমি তাতে উৎপন্ন করি খেজুর এবং প্রবাহিত করি ঝরনাধারা, যাতে তারা ফল খায়।❞ [সূরা ইয়াসিন: ৩৩]

সেদিনকার বিকেলেরই কথা। শরতের গোধূলি। কাশফুলের সান্নিধ্যে সময় কাটাচ্ছে প্রকৃতি-প্রেমীরা। আমার সে সুযোগটা হয়ে ওঠে নি। তবে বাইকের পিছনের সিটে বসেও খুব একটা কম উপভোগ করি নি। আসলে অনুভব করতে হয় ভিতর থেকে। তাহলে ছোট-ছোট বিষয়গুলোও আনন্দ দেয় প্রচুর। যেখানটায় ছিলাম। শরতের গোধূলি। সূয্যিমামা কতো-শত রঙের খেলা দেখাচ্ছে আকাশে। মৃদু কুয়াশাচ্ছন্ন পরিবেশ। সবুজ ঘাসগুলোতে শিশিরের কণাও বোধহয় জমেছে। রেল-লাইনে সুদূর পর্যন্ত চোখ গেল।  মূহুর্তেই কতো-শত চিত্র এঁকে নিয়েছি কল্পনার জগতে। শরতের এই গোধূলিতে রেললাইন ধরে হাঁটার স্বপ্ন। অথবা কুয়াশাচ্ছন্ন শীতের সকালে! “কল্পনা; সে-তো আমার এক নিজস্ব অনুপ্রেরণার জগৎ!”

কতো স্বপ্ন, কতো পরিকল্পনা। আল্লাহ যেন নেক মাকসাদ কবুল করেন। কোন বোকা যেন বলে কেনো যে জন্মালাম! অবাক তো; এ কেমন কথা? এ জন্মানোটা বৃথা নয়। রব অনেক দয়া করেছেন। অনেক বেশি দয়া করেছেন। এগুলো তো বান্দার অবসরকে আনন্দঘন করার জন্যই সৃষ্টি। 

❝এবং আপন রবের নি&#039;য়ামতের খুব চর্চা করুন।❞ [সূরা আদ-দুহা: ১১]

« প্রকৃতি; এক অদৃশ্য ভালোবাসার বাঁধন »
~স্বাধীন আহমেদ</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/40009/</link>
				<pubDate>Sat, 02 Oct 2021 10:56:12 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসাটা এতো গভীর কবে থেকে যে হয়ে গেল, তাও বুঝে ওঠতে পারলাম না। অজান্তেই খুব নিজের করে নিয়েছি। </p>
<p>প্রকৃতি আমাকে বরাবরই বি-মোহিত করে। হৃদয়ের গতি-প্রকৃতিও কেমন যেন কাব্যিক হয়ে ওঠে। “প্রকৃতি-প্রেমী না হলে কবি হওয়া যায় না।” আমার মনে হয়। কতটুকু বাস্তব তা জানা নেই। কি যেন একটা খোঁজে পাই অসাধারণ এই সৃষ্টিতে! একটুখানি ভালোব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-40009"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/40009/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0f123a7c5d49d091c37ac70a5e72035f</guid>
				<title>কেউ কেউ সমাজকে বিনা স্বার্থে মেধা দান করেন। কেউ কেউ মেধা বিকিয়ে দেন। এমন নজির সমাজে দেখা যায় অহরহ। এম এ রশীদ। নিভৃতচারী, প্রচার বিমুখ এ মানুষটির জন্ম ১৯৪০ সালে। শুদ্ধ ইংরেজি জানা এ মানুষটি নালুয়া চা বাগানে চাকরি করতেন। সময় পেলেই সাহিত্য চর্চা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়তেন। তিনি স্বীকৃতিহীন একজন কবি। 

১৯৮৪ সালে কাব্যগ্রন্থ &#039;কুসুমকলি&#039; (পান্ডুলিপি) রেখে গেছেন। এতে ২৮ টি কবিতা স্থান পেয়েছে। সাহিত্য ভান্ডার রেখে ২০১১ সালের ১০ ডিসেম্বর পরকালে পারি জমান তিনি। 

»লিখেছেন আমাদের গ্রামেরই কৃতি সন্তান, কয়েকটি বইয়ের লেখক নুরুল আমিন আঙ্কেল। 
.
এতক্ষণ কার কথা আলোচনা হচ্ছিল জানেন? আমার দাদাভাই। মরহুম এম এ রশীদ। যিনি ছোটবেলায়ই আমাদের একা করে রব তায়ালার সান্নিধ্যে চলে যান। আমার ছোটবেলাকার সময় ইসলাম শেখার প্রথম শিক্ষক আমার দাদাভাই। দোয়া দিতেন— আমার এই নাতিটা বড় হয়ে অনেক কিছু করতে পারবে। আল্লাহ যেন কবুল করেন।

এখনো মুরব্বিদের কাছে দাদাভাইয়ের জ্ঞান- বিচক্ষণতার প্রশংসা শুনি। ওপরে যতটুকুই লেখা আছে, তা আমার দৃষ্টিতে খুব কমই হবে আমার দাদাভাই&#039;র জন্য। এক কথায় আমার জীবনে ওনার ভূমিকা অতুলনীয়। আর &#039;কুসুমকলি&#039; কোনো যেমন-তেমন কাব্য নয় তার। আল্লাহ আর তাঁর হাবীব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর শানে কাসীদা বলা যায় এটাকে। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজী ছিলেন। সকাল বেলায় ঘুম ভাঙতো দাদাভাইয়ে&#039;র পাঠ করা দূরুদে মোস্তফায়। ফজর পরবর্তী নিত্যদিনকার আমল ছিল এটি ওনার।

আল্লাহ যেন আমার দাদাভাইকে জান্নাতে আলা মাকাম দান করেন। 

~স্বাধীন আহমেদ</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/39907/</link>
				<pubDate>Sat, 02 Oct 2021 04:01:26 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কেউ কেউ সমাজকে বিনা স্বার্থে মেধা দান করেন। কেউ কেউ মেধা বিকিয়ে দেন। এমন নজির সমাজে দেখা যায় অহরহ। এম এ রশীদ। নিভৃতচারী, প্রচার বিমুখ এ মানুষটির জন্ম ১৯৪০ সালে। শুদ্ধ ইংরেজি জানা এ মানুষটি নালুয়া চা বাগানে চাকরি করতেন। সময় পেলেই সাহিত্য চর্চা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়তেন। তিনি স্বীকৃতিহীন একজন কবি। </p>
<p>১৯৮৪ সালে কাব্যগ্রন্থ &#8216;কুসুমকলি&#8217; (পান্ডুলিপি) রেখে গ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-39907"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/39907/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9cef541b3e334e9ea8117368d0eb7721</guid>
				<title>❝দুনিয়ার মানুষ কে সন্তুষ্ট করার পিছনে সময় নষ্ট না করে,
আপনি রবকে সন্তুষ্ট করতে ব্যস্ত হয়ে যান। দুনিয়ার মানুষ আপনা আপনি আপনার প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে যাবে।❞

~স্যাম</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/39052/</link>
				<pubDate>Wed, 29 Sep 2021 08:16:24 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>❝দুনিয়ার মানুষ কে সন্তুষ্ট করার পিছনে সময় নষ্ট না করে,<br />
আপনি রবকে সন্তুষ্ট করতে ব্যস্ত হয়ে যান। দুনিয়ার মানুষ আপনা আপনি আপনার প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে যাবে।❞</p>
<p>~স্যাম</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0323a289a2edb0d201d392250a617497</guid>
				<title>গাড়িতে আমার পেছনের সিটে বসা ব্যক্তিটি ফোনে বলছে— আমি &#039;অমুক&#039; স্থানে আছি। হয়তো মোবাইলের বিপরীত পাশের ব্যক্তিটি জানতে চেয়েছিলেন সে কোথায় আছে এই মুহূর্তে। হুটহাট জবাবও পেয়ে গিয়েছিলেন।

কিন্তু অবাক করা বিষয় হলো, তিনি যে জায়গায় আছেন বলে ফোনে জানিয়েছিলেন, সে জায়গায় পৌছুতে এখনো তিনার প্রায় ১ ঘন্টার পথ বাকী ছিল! প্রতিদিন, প্রতিনিয়ত আমাদের মধ্যে এসব বিষয় ঘটছে। বিশেষ করে যারা গাড়ি চালান তাদের মধ্যে এর প্রকোপ বেশি লক্ষ্য করা যায়। যদিও সবাই এক না।

আমরাও বলি। এক বন্ধু কল করে জিজ্ঞেস করলো, আমি কোথায়? বলে দিলাম, এই তো আর ৫ মিনিট! অথচ আমি এখনো বাসা থেকে বেরই হই নি! বেচারাকে অপেক্ষা করালাম ৫ মিনিট বলে আধা ঘণ্টা। সমস্যার সমাধান হয়ে যেত, যদি অপেক্ষা করা ব্যক্তিটার জায়গায় আমরা নিজেকে চিন্তা করতাম। যদি জানতাম মিথ্যা বলার জন্য আখিরাতে আমার কি পরিণাম অপেক্ষা করছে তাহলে হয়তো আরো একটু বেশি সতর্ক থাকতাম।

রাসূলে আরাবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মজা করেও কখনো মিথ্যা বলতেন না। আমাদের মূল সমস্যা হলো— আমরা এসব বিষয়কে খুবই সাধারণভাবে নেই। এগুলোকে গুণাহ মনেই করি না। আফসোস আমাদের জন্য! যেটাকে আমরা আজ গুনাহই মনে করছি না, সেটাই হয়তো আমার লাঞ্চনার কারণ হয়ে দাঁড়াবে!

মদীনা মুনিব, প্রিয় আক্বা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আলমে বারযখ এর একটি আযাব দেখলেন। এক লোক কবরে বসে আছে, তার পাশে একজন দাঁড়িয়ে। দাঁড়িয়ে থাকা ব্যক্তিটি হাতল বিশিষ্ট লোহার রড দিয়ে বসে থাকা ব্যক্তির ঠোঁট যুগলের এক পার্শ্ব ধরে গ্রীবা পর্যন্ত ছিড়ে ফেলছে। তদ্রূপ বিপরীত দিক থেকেও ছিড়ে ফেলা হচ্ছে। সামান্য সময়ের মধ্যে ঠোঁটদ্বয় আগের মতো সুস্থ হয়ে যাচ্ছে এবং পুনঃ পুনঃ এই শাস্তি আরোপ করা হচ্ছে। রাসূলে আরাবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আল্লাহ তায়ালার বারগাহে এই শাস্তির কারণ জানতে চাইলেন। উত্তর আসল— এ হল মিথ্যাবাদী লোক, তাকে কিয়ামত পর্যন্ত এই শাস্তি দেয়া হবে। [১]

ওয়াল্লাহি! এই শাস্তি সহ্য করার ক্ষমতা আমাদের নেই। তাই আমরা যেন কোনো গুণাহকে ছোট মনে না করি। আজ আমাদের কাছে যা সামান্য, তাই হতে পারে অদূর ভবিষ্যতে বিশাল কারণ— যন্ত্রণার। আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে গুণাহ থেকে হেফাজত করুন।

Reference:
[১] সার সংক্ষেপ: বুখারী শরীফ, হাদীস নং- ১৩৮৬, ১ম খন্ড, ৪৬৭ পৃষ্ঠা। দারুল কুতুব ইলমিয়্যাহ, বৈরুত হতে প্রকাশিত। 

&#039;সত্যের নূরে কেটে যাক- মিথ্যার অন্ধকার&#039;
~স্বাধীন আহমেদ</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/39001/</link>
				<pubDate>Wed, 29 Sep 2021 04:24:07 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গাড়িতে আমার পেছনের সিটে বসা ব্যক্তিটি ফোনে বলছে— আমি &#8216;অমুক&#8217; স্থানে আছি। হয়তো মোবাইলের বিপরীত পাশের ব্যক্তিটি জানতে চেয়েছিলেন সে কোথায় আছে এই মুহূর্তে। হুটহাট জবাবও পেয়ে গিয়েছিলেন।</p>
<p>কিন্তু অবাক করা বিষয় হলো, তিনি যে জায়গায় আছেন বলে ফোনে জানিয়েছিলেন, সে জায়গায় পৌছুতে এখনো তিনার প্রায় ১ ঘন্টার পথ বাকী ছিল! প্রতিদিন, প্রতিনিয়ত আমাদের মধ্য&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-39001"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/39001/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0de70660209b6e77b1bd2a55279c1b1f</guid>
				<title>❝পঁচা ডোবা-তে জীবন কাটিয়ে দেয়া মাছ তুমি; সমুদ্রের মাহাত্ম্য তুমি বুঝার সাধ্য কই!❞

~স্বাধীন আহমেদ</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/39000/</link>
				<pubDate>Wed, 29 Sep 2021 04:22:52 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>❝পঁচা ডোবা-তে জীবন কাটিয়ে দেয়া মাছ তুমি; সমুদ্রের মাহাত্ম্য তুমি বুঝার সাধ্য কই!❞</p>
<p>~স্বাধীন আহমেদ</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e584198902290d316c6ec6a0ef364255</guid>
				<title>ভোরে স্নিগ্ধ আলো ছড়ানো সূর্যটাই, ভর-দুপুরে অসহ্যকর তাপ দাহ নিয়ে হাজির হয়। অস্ত যাওয়ার অপেক্ষায় দিন কাটায় ভোরের স্নিগ্ধতা গায়ে মেখে কবিতা লিখতে বসা ব্যক্তিটাও।

কি জানান দেয়? অনেক ক্ষেত্রে- সূচনালগ্ন সাময়িক প্রশান্তি নিয়ে উদয় হলেও সেটা সবসময় দীর্ঘস্থায়ী হয় না। এক সময় এই প্রশান্তিই তীব্র অস্থিরতায় রূপ নেয়।

আমাকে খোঁজতে হবে শীতের সকালে উদয় হওয়া সেই সূর্যটা। যার উদয় থেকে অস্তমিত হওয়া পর্যন্ত প্রতিটি মূহুর্তই সুখকর। 

~স্বাধীন আহমেদ</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/37525/</link>
				<pubDate>Wed, 22 Sep 2021 13:44:22 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ভোরে স্নিগ্ধ আলো ছড়ানো সূর্যটাই, ভর-দুপুরে অসহ্যকর তাপ দাহ নিয়ে হাজির হয়। অস্ত যাওয়ার অপেক্ষায় দিন কাটায় ভোরের স্নিগ্ধতা গায়ে মেখে কবিতা লিখতে বসা ব্যক্তিটাও।</p>
<p>কি জানান দেয়? অনেক ক্ষেত্রে- সূচনালগ্ন সাময়িক প্রশান্তি নিয়ে উদয় হলেও সেটা সবসময় দীর্ঘস্থায়ী হয় না। এক সময় এই প্রশান্তিই তীব্র অস্থিরতায় রূপ নেয়।</p>
<p>আমাকে খোঁজতে হবে শীতের সকালে উদয় হও&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-37525"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/37525/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6c8096fb4d9413798981e8982142d713</guid>
				<title>প্রতিদিন বিকেলে বাসার নিকটবর্তী একটা ঈদ মাঠের কোণে আসরের পর এসে বসে কিছু সময় কাটাই আমি। কখনো একা, কখনো দুজন বন্ধু নিয়ে। প্রাকৃতিক বিভিন্ন সৌন্দর্য মনটাকে ভালো করে দেয়। তাই জায়গাটির প্রতি এক প্রকার মায়া কাজ করে।

আমার আরেকটা সাথী আছে। আমার কুকুর। সেও জানে বোধহয় বিকেলে আমি এখানে আসবই। তাই সেও আমার সাথেই বের হয়ে যায় বাসা থেকে। তা সে যতই ব্যস্ত থাকুক। পায়ের কাছে বসে থাকে। যতক্ষণ আমি থাকি সেও থাকে। আমার সাথেই আবার বাসায় ফিরে। 

কিছুক্ষণ তার দিকে তাকালাম। ভাবছি কতটা অনুগত সে আমাদের প্রতি। অবুঝ একটি প্রাণী। কিন্তু কেন? শত অবহেলায় দুবেলা ক&#039;টা খাবারই  আমাদের কাছ থেকে হয়তো আশা করে সে। আর একটু থাকার জায়গা। মাত্র এতটুকুই। তারপরও তার এত আনুগত্য? হয়তো এটা এ জাতির একটা বিশেষ গুণ।

আহ! যদি এই গুণটাই আমার মতো একটা সুস্থ সবল মানুষের মধ্যেও থাকতো? তাহলে হয়তো এক অনন্য মর্যাদায় পৌঁছানোর সুযোগ ছিল। রবের এত দয়া, এত ভালোবাসা, এত সুযোগ শত নাফরমানির পরও! কিন্তু কই সুযোগগুলো তো আমি কাজে লাগাচ্ছি না। এত দয়ার পরও রবরে আনুগত্য করতে নফস সায় দিচ্ছে না। তার মানে কি? তার মানে এটা কুকুরের চেয়েও নিকৃষ্ট জীবন। এ জীবনের কোনো মূল্য নেই।

আমার চেয়ে তাহলে আমার কুকুরটাই আনুগত্যের দিক দিয়ে শ্রেয়তর নয় কি?

~স্বাধীন আহমেদ</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/37493/</link>
				<pubDate>Wed, 22 Sep 2021 12:24:58 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রতিদিন বিকেলে বাসার নিকটবর্তী একটা ঈদ মাঠের কোণে আসরের পর এসে বসে কিছু সময় কাটাই আমি। কখনো একা, কখনো দুজন বন্ধু নিয়ে। প্রাকৃতিক বিভিন্ন সৌন্দর্য মনটাকে ভালো করে দেয়। তাই জায়গাটির প্রতি এক প্রকার মায়া কাজ করে।</p>
<p>আমার আরেকটা সাথী আছে। আমার কুকুর। সেও জানে বোধহয় বিকেলে আমি এখানে আসবই। তাই সেও আমার সাথেই বের হয়ে যায় বাসা থেকে। তা সে যতই ব্য&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-37493"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/37493/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3d631426d5018c990400a6800f5d67b2</guid>
				<title>Lol- শব্দটি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে এক প্রকার বিভ্রান্তির উদয় দেখতে পেলাম। এক শ্রেণীর ধার্মিক এটার ফুল ফর্ম হিসেবে— &#039;Lucifer our Lord&#039; [নাউজুবিল্লাহ] শব্দটি নিয়েছেন। এবং এই শব্দটি ব্যবহারে মারাত্মকভাবে নিষেধাজ্ঞাও জারি করেছেন। এ কাজটির দ্বারা নিজেকে দ্বীনের অনেক বড় সংস্কারক বলেও ধারণা করছেন অনেকে।

আদৌও কোথাও &#039;Lol&#039; শব্দটির এই অর্থ অন্তত আমি পাই নি। জানি না তারা কোথা থেকে এটি আবিষ্কার করেছেন। হয়তো কারো টাইমলাইনে পেয়েছেন এবং সেটার প্রচার শুরু করে দিয়েছেন। এই শব্দটি সম্পর্কে &#039;গুগল ট্রান্সলেট&#039; এবং &#039;গুগল সার্চ&#039; ইঞ্জিনে সার্চ করেছিলাম।

গুগল ট্রান্সলেট বলছে:
Lol- এর বাংলা অর্থ- হাঃ হাঃ হাঃ [ha ha ha].

গুগল বলছে:
Lol is an acronym of &#039;Laugh out Loud&#039;. Lol is one of the most common slang terms in electronic communications. Even though it means laugh out loud, lol is mostly used to indicate smiling or slight amusement. 

[চাইলে আপনিও সার্চ করে দেখে নিতে পারেন।]

আমি বলছি না আপনি &#039;Lol&#039; শব্দটি ব্যবহার করুন। আমি নিজেও আজ অব্দি এটার ব্যবহার করি নি। এটা করা বা না করা আপনার একান্ত ব্যক্তিগত ব্যাপার। তবে এটিকে কেন্দ্র করে নিজেকে এবং ইসলামকে মানুষের সামনে হাসির পাত্র বানাবেন না।

~স্বাধীন আহমেদ</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/37295/</link>
				<pubDate>Tue, 21 Sep 2021 13:22:31 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>Lol- শব্দটি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে এক প্রকার বিভ্রান্তির উদয় দেখতে পেলাম। এক শ্রেণীর ধার্মিক এটার ফুল ফর্ম হিসেবে— &#8216;Lucifer our Lord&#8217; [নাউজুবিল্লাহ] শব্দটি নিয়েছেন। এবং এই শব্দটি ব্যবহারে মারাত্মকভাবে নিষেধাজ্ঞাও জারি করেছেন। এ কাজটির দ্বারা নিজেকে দ্বীনের অনেক বড় সংস্কারক বলেও ধারণা করছেন অনেকে।</p>
<p>আদৌও কোথাও &#8216;Lol&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-37295"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/37295/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">380057ebfb34d49370e2b1a47928537f</guid>
				<title>রাহমাতুল্লিল আলামীন যাচ্ছেন মদীনার গলি দিয়ে। পথে দেখলেন একটা বাড়ি তৈরী করা হচ্ছে। জিজ্ঞেস করলেন— &#039;কার বাড়ি এটা?&#039; &#039;ইয়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! অমুক আনসারী সাহাবীর বাড়ি এটি&#039;— উত্তর দিলেন কেউ একজন।

তারপর হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চলে গেলেন। যিনি উত্তর দিয়েছিলেন, তিনি ইতিমধ্যে হুযুরের চেহারা মোবারকে কিছুটা অসন্তুষ্টির ছাপ লক্ষ্য করেছিলেন। তিনি বাড়ির মালিক সেই আনসারী সাহাবীকে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত করেন। বললেন— &#039;সম্ভববত তোমার বাড়িটি হুযুরের পছন্দ হয় নি।&#039; একথা শুনার সাথে সাথে তিনি একটি কোদাল দিয়ে সেই বাড়িটি ভেঙে ফেলেন। 

কিছুদিন পর হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একই রাস্তা দিয়ে যাওয়ার পথে বাড়িটি আর দেখতে পেলেন না! ভাঙ্গা অবস্থায় ছিল। বললেন— বাড়ির মালিককে ডেকে পাঠাও। সেই আনসারী সাহাবী আসলেন। হুযুর জিজ্ঞেস করলেন— এখানে তোমার বাড়ি তৈরী হচ্ছিল। এখন এই ভাঙা অবস্থায় কেন? আনসারী সাহাবী উত্তর দিলেন— শুনেছিলাম আপনার পছন্দ হয় নি! আল্লাহু আকবার। 

এই ভালোবাসার গভীরতা আপনাকে আমি বলে বুঝাতে অক্ষম। উপলব্ধি করুন, কতটা ভালোবাসা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি হলে মানুষ এমনটা করে। তাঁরা তো নিজের চাহিদাকে পরিত্যাগ করেছিলেন। হুযুরের পছন্দকেই নিজের পছন্দ বানিয়েছেন। এজন্যই আজও হুযুরের সাহাবী পরিচয়ে তাঁরা পৃথিবীতে সমাদৃত। আজও পৃথিবীর কোণায় কোণায় তাঁদের স্মরণ করা হয়। হুযুরের প্রতি ভালোবাসা তাদেরকে কাবিলে যিকর বানিয়ে দিয়েছে। 

আর হুযুরের প্রতি আমাদের ভালোবাসা শুধু মুখে উচ্চারিত একছত্র শব্দগুচ্ছ পর্যন্তই সীমাবদ্ধ। কাজে-কর্মে বাস্তবায়ন নেই বললেও ভুল হবে না। আমরা তো আল্লাহ ও রাসূলের জন্য নিজের নফসের চাহিদা, শখ কুরবানি করতে নারাজ। তাই তো আমাদের এই অধঃপতন। ভালোবাসা তো এটাই— প্রেমাষ্পদের চাহিদাই আমার চাহিদা হয়ে যাবে। তবেই তো ভালোবাসা পূর্ণতা পাবে।

আমরা আমাদের মধ্যে পর্যবেক্ষণ করে যদি একটু দেখি— আমাদের কোন কোন কাজ হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অপছন্দনীয়? অধিকাংশ কাজই আমাদের মধ্যে পাওয়া যাবে, যা হুযুরের অপছন্দনীয়। তাহলে এই মৌখিক ভালোবাসার দাবী— বৃথা। দাবীকে পূর্ণতা দেয়ার চেষ্টা করতে হবে।

সাহাবায়ে কেরাম আমাদের আদর্শ। তাদেরকে অনুসরণ করতে পারলে আমরা সফলকাম হতে পারব ইনশাআল্লাহ। 

~স্বাধীন আহমেদ</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/36455/</link>
				<pubDate>Sat, 18 Sep 2021 00:29:12 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>রাহমাতুল্লিল আলামীন যাচ্ছেন মদীনার গলি দিয়ে। পথে দেখলেন একটা বাড়ি তৈরী করা হচ্ছে। জিজ্ঞেস করলেন— &#8216;কার বাড়ি এটা?&#8217; &#8216;ইয়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! অমুক আনসারী সাহাবীর বাড়ি এটি&#8217;— উত্তর দিলেন কেউ একজন।</p>
<p>তারপর হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চলে গেলেন। যিনি উত্তর দিয়েছিলেন, তিনি ইতিমধ্যে হুযুরের চেহারা মোবারকে কিছুটা অসন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-36455"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/36455/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f65bd84d0c7750fc175cafc01cf11437</guid>
				<title>একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবাদেরকে উদ্দেশ্য করে বললেন, &#039;তোমরা রাস্তার ওপর বসো না। সাহাবায়ে কেরাম আরজ করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যদি প্রয়োজন হয় তবে? 

নবীজি বললেন— যদি একান্ত প্রয়োজন হয়, তবে রাস্তার হক্ব আদায় করবে। তাঁরা পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাস্তার হক্ব কি? নবীজী বললেন— দৃষ্টি অবনত রাখা, কাউকে কষ্ট না দেয়া, সালাম আদান-প্রদান করা এবং সৎ কাজের আদেশ দেয়া ও অসৎ কাজ থেকে নিষেধ করা।&#039;

আমরা যদি আমাদের রাস্তায় চলাচলের পদ্ধতিতে একটু খুঁজে দেখি যে, আমাদের মধ্যে এই সুন্নাহ পদ্ধতিগুলো আছে কি না— তবে খুব কম মানুষই পাওয়া যাবে, যারা রাস্তার হক্ব আদায় করে। আমরা সকলে এটাও জানি যে রাস্তা থেকে কষ্ট দায়ক বস্তু সারিয়ে ফেলাটাও প্রিয় নবীজীর সুন্নাহ। এক কথায় বলতে গেলে— নবীজী আমাদেরকে এটা শিখিয়েছেন, আমার চলা-ফেরা যেন অন্যের কষ্টের কারণ না হয়।

আজকাল একটা কমন বিষয় সচারাচর সব জায়গাতেই দেখা যায়। অনেকেই রাস্তায় পাব্লিক প্লেসে দাঁড়িয়ে ধোঁয়া ছাড়তে ছাড়তে মনের সুখে সিগারেট খান। তিনি এটা হয়তো বুঝতে পারেন না, যারা সিগারেট অপছন্দ করে তাদের জন্য এই ধোঁয়াটা কতটা বিরক্তিকর। তিনি সিগারেট খেয়ে নিজেকে ধ্বংস করার সাথে-সাথে, আশেপাশের মানুষগুলোরও ক্ষতি করছেন। তাদেরকে কষ্ট দিচ্ছেন। মুসলমান হিসেবে এটা করা কতটুকু যৌক্তিক নিজেকে প্রশ্ন করা দরকার!

আবার কিছু লোককে রাস্তার মধ্যে দাঁড়িয়ে আড্ডা দিতে দেখা যায়। যা অনেক পথিকের চলার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। তাদেরকে কষ্ট দেয়। উল্লেখিত দুটি বৈশিষ্ট্য মানুষের ব্যক্তিত্বকে নষ্ট করে। আর এই বদ-অভ্যাসগুলো একজন মুসলিমের সাথে মানায় না। তাই সবক্ষেত্রেই আমার নবীজীর তালিমগুলো আমাদের স্মরণ রাখা উচিত এবং সেগুলো মেনে চলা আবশ্যক। 

তাহলে সমাজের দৃষ্টিতেও আমরা উত্তম মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারব।

~স্বাধীন আহমেদ</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/36024/</link>
				<pubDate>Thu, 16 Sep 2021 02:11:41 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবাদেরকে উদ্দেশ্য করে বললেন, &#8216;তোমরা রাস্তার ওপর বসো না। সাহাবায়ে কেরাম আরজ করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যদি প্রয়োজন হয় তবে? </p>
<p>নবীজি বললেন— যদি একান্ত প্রয়োজন হয়, তবে রাস্তার হক্ব আদায় করবে। তাঁরা পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-36024"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/36024/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">be0a7d9fc5c5297ed86eca76211ede44</guid>
				<title>Swadhin Ahmed and Sharbanam Gupta are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/36021/</link>
				<pubDate>Thu, 16 Sep 2021 01:55:56 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9b69538821dab7408f3d888fddc7ace4</guid>
				<title>Swadhin Ahmed and AdabenTatali are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/36020/</link>
				<pubDate>Thu, 16 Sep 2021 01:55:35 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>