<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Arabi Alvi | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/arabialvi/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/arabialvi/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Arabi Alvi.</description>
	<lastBuildDate>Thu, 24 Sep 2026 19:55:05 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">8152158734fe823cde8a043fbf597fbb</guid>
				<title>একটি শব্দের উষ্ণতা


আজ বাসায় ফেরার পথে রিকশায় উঠেছিলাম। রিকশা চালাচ্ছিলেন একজন বয়স্ক মানুষ—ঠিক যেন আমার দাদার বয়সী। রিকশায় উঠেই অজান্তে তাকে “দাদা” বলে ডাকলাম এবং বললাম, “রিকশার হুকটা তুলে দিন।”

তিনি একটু অবাক হয়ে আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, “তুমি আমাকে কি বলে ডাকলে?”
আমি একটু লজ্জা পেয়ে বললাম, “দাদা বলেছি। আপনি আসলে আমার দাদার বয়সী। আর সত্যি বলতে আমার দাদা মারা গেছেন। আজ আপনাকে দেখে হঠাৎ দাদার কথা মনে পড়ে গেল। তাই আপনাকে দাদা বলে ডাকতে ইচ্ছে করলো। কেন, আপনি কি রাগ করেছেন?”
তিনি একটু আবেগভরা কণ্ঠে বললেন, “না, মোটেও না। তুমি আমাকে দাদা বলেছো, এতে আমি খুব খুশি হয়েছি।”

তিনি যখন কথাটা বলছিলেন, তার চোখ-মুখে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিলো তিনি খুব আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছেন।
এরপর তিনি রিকশা চালাতে চালাতে নিজের জীবনের কিছু কথা বলতে শুরু করলেন। জানালেন, তার মেরুদণ্ডে অপারেশন হয়েছিল। বয়সের ভার আর শরীরের কষ্ট নিয়েও তাকে এখনো রিকশা চালাতে হয়, কারণ তার সন্তানরা আর তার খোঁজ নেয় না। এমনকি তার নাতি-নাতনিরাও কখনো তাকে “দাদা” বলে ডাকেনি।
কথাগুলো শুনে বুকটা একটু ভারী হয়ে উঠল। তিনি বললেন, মাঝে মাঝে পিঠে খুব ব্যথা করে, তবুও পেটের দায়ে তাকে রিকশা চালাতেই হয়।

তিনি আরও বললেন, “আজ আমার খুব স্বার্থক লাগছে। কারণ আজ তুমি আমাকে দাদা বলে ডেকেছো। এভাবে আপন করে আগে কখনো কেউ ডাকেনি।”
রিকশা চালানোর সময় বারবার তিনি মেরুদণ্ডের কাছে হাত দিচ্ছিলেন। বোঝা যাচ্ছিলো, রিকশা চালানো তার জন্য কতটা কষ্টকর।

বাসার সামনে এসে যখন রিকশা থেকে নামছিলাম, অসাবধানতায় আমার হাতে একটু আঘাত লাগল। তিনি সঙ্গে সঙ্গে মাথায় হাত বুলিয়ে বললেন, “ব্যথা লেগেছে নাকি, দাদা?”
আমি হেসে বললাম, “না, কিছু হয়নি।”

আমি তাকে ভাড়া দিলাম। তারপর আরও কিছু টাকা দিলাম এবং তাকে কিছু খেতে দিলাম। তিনি যখন সেটা নিলেন, দেখলাম তার চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়ছে।

সেই মুহূর্তে আমার মনে এক অদ্ভুত শান্তি নেমে এলো। মনে হলো, মানুষকে খুশি করতে সব সময় বড় কিছু লাগে না—কখনো কখনো একটু সম্মান, একটু ভালো ব্যবহার আর সামান্য ভালোবাসাই যথেষ্ট।
হয়তো আর কোনোদিন তার সাথে দেখা হবে না। হয়তো হবে। জানি না।
তবে আজ কিছু সময়ের জন্য একজন অচেনা মানুষের সাথে আমি জীবনের একটা ছোট মুহূর্ত ভাগ করে নিয়েছিলাম।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/278087/</link>
				<pubDate>Thu, 24 Sep 2026 17:50:11 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>একটি শব্দের উষ্ণতা</p>
<p>আজ বাসায় ফেরার পথে রিকশায় উঠেছিলাম। রিকশা চালাচ্ছিলেন একজন বয়স্ক মানুষ—ঠিক যেন আমার দাদার বয়সী। রিকশায় উঠেই অজান্তে তাকে “দাদা” বলে ডাকলাম এবং বললাম, “রিকশার হুকটা তুলে দিন।”</p>
<p>তিনি একটু অবাক হয়ে আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, “তুমি আমাকে কি বলে ডাকলে?”<br />
আমি একটু লজ্জা পেয়ে বললাম, “দাদা বলেছি। আপনি আসলে আমার দাদার বয়সী। আর সত্যি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-278087"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/278087/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>