<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Arian Alamin | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/arian06/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/arian06/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Arian Alamin.</description>
	<lastBuildDate>Wed, 04 Nov 2026 18:27:15 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">f1103a806e7eda91eef067f28c37d830</guid>
				<title>কেউ থাকে সুখে জগতের বুকে
গড়িয়া টাকার পাহাড়,
কাঁদে কেউ দু:খে হাসি নেই মুখে
ঘুরে মানুষের দ্বার।

কারো মন কাঁদে কেউ হাসে সাধে
কেউ র্নিমম নিষ্ঠুর,
কারো ভাঙ্গা মন তবু হাসে সারা¶ণ
হৃদয় যে ব্যথাতুর।

মোর মন কেঁদে বলে নয়নের জলে
কোথা পাবো সুখ,
হাসিতে যে নাহি পাই পুড়ে মন ছাই
দেখিনা সুখের মুখ।

নিরুপায় এ মন পায়না যে এখন
মন বাসনায় শান্তি ,
জয়ের মুখখানি দেখিতে পারিনি
নাহি পারি করিতে জয়ন্তী ।

ভাবি খনেখনে হবে যে মরণ
মিছে জগতের মায়া,
রহিয়াছি বেঁচে হাসি গানে নেচে
নিয়ে কষ্টের অপছায়া।

থাকিবনা আর যাবো যে ওপার
বিধি ডাকিবে যেদিন মোরে,
পরায়ে কাফন করিবে দাফন
কাঁদিবে সৃতি খুড়ে খুড়ে।

র্পাথিব এ সুখ কষ্ট কিবা দু:খ
কেউ সুখি কেউ দু:খি,
এ যে জগতের রিতি রেখে যাবো সৃতি
কাঁদায়ে দু”টি আঁখি

                                  [{(
                                                        মিছে জগতের মায়া

                                                 মোঃ মিজানুর রহমান তুহিন        )}]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/191201/</link>
				<pubDate>Fri, 27 Jan 2023 15:54:10 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কেউ থাকে সুখে জগতের বুকে<br />
গড়িয়া টাকার পাহাড়,<br />
কাঁদে কেউ দু:খে হাসি নেই মুখে<br />
ঘুরে মানুষের দ্বার।</p>
<p>কারো মন কাঁদে কেউ হাসে সাধে<br />
কেউ র্নিমম নিষ্ঠুর,<br />
কারো ভাঙ্গা মন তবু হাসে সারা¶ণ<br />
হৃদয় যে ব্যথাতুর।</p>
<p>মোর মন কেঁদে বলে নয়নের জলে<br />
কোথা পাবো সুখ,<br />
হাসিতে যে নাহি পাই পুড়ে মন ছাই<br />
দেখিনা সুখের মুখ।</p>
<p>নিরুপায় এ মন পায়না যে এখন<br />
মন বাস&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-191201"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/191201/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4840f0593c0fb9e9340e41f4af1d6a7c</guid>
				<title>অনেক ছিল বলার

অনেক ছিল বলার, যদি সেদিন ভালোবাসতে
পথ ছিল গো চলার, যদি দুদিন আগে আসতে
আজকে মহাসাগর স্রোতে চলেছি দূর পারের পথে
ঝরা পাতা হারায় যথা, সেই আঁধারে ভাসতে
যাই সেই আঁধারে ভাসতে।

গহন রাতি ডাকে আমায়, এসে তুমি আজকে
কাঁদিয়ে গেলে হায় গো আমার বিদায় বেলার সাঁঝকে
আসতে যদি হে অতিথি, ছিল যখন শুক্লা তিথি
ফুটতো চাঁপা, সেদিন যদি চৈতালী চাঁদ হাসতে।।


                                                                &quot; কাজী নজরুল ইসলাম&quot;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/182244/</link>
				<pubDate>Mon, 05 Dec 2022 12:41:14 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অনেক ছিল বলার</p>
<p>অনেক ছিল বলার, যদি সেদিন ভালোবাসতে<br />
পথ ছিল গো চলার, যদি দুদিন আগে আসতে<br />
আজকে মহাসাগর স্রোতে চলেছি দূর পারের পথে<br />
ঝরা পাতা হারায় যথা, সেই আঁধারে ভাসতে<br />
যাই সেই আঁধারে ভাসতে।</p>
<p>গহন রাতি ডাকে আমায়, এসে তুমি আজকে<br />
কাঁদিয়ে গেলে হায় গো আমার বিদায় বেলার সাঁঝকে<br />
আসতে যদি হে অতিথি, ছিল যখন শুক্লা তিথি<br />
ফুটতো চাঁপা, সেদিন যদি চৈতালী চাঁদ হ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-182244"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/182244/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e39d0739850c970ec422fddf63455ac5</guid>
				<title>Arian Alamin changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/181997/</link>
				<pubDate>Sun, 04 Dec 2022 14:27:10 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">353b34f358be609e40a5b5ccf177838a</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/181996/</link>
				<pubDate>Sun, 04 Dec 2022 14:24:53 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7039d59b897f379376195b78c5a82078</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/181995/</link>
				<pubDate>Sun, 04 Dec 2022 14:21:06 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">cb948aa97ecf8e79443168683db677d0</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/181994/</link>
				<pubDate>Sun, 04 Dec 2022 14:12:00 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9a4b174c14a8efa67cc11905fa16c998</guid>
				<title>এলোকেশী মেয়ে কার পথ চেয়ে, মেলেছিলে ঐ কেশ?
পথ চাওয়া শেষে, এসেছিল কী সে? ছুয়ে মেঘ অনিমেষ।
এলোকেশী মেয়ে, মেঘবেলা ধেয়ে, এসেছে কী তার ঢল?
তুমি কার জলে, তোমার ভেজালে? ভাসালেই প্রেমাচল!
দেখেনিতো চেয়ে, এলোকেশী মেয়ে, আর কেউ ছিল তার
কী বিষাদে পুড়ে, তার বুক জুড়ে, কেঁদেছে বিরহী সেতার।

                                                                                      _–_ অজানা লেখক!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/172402/</link>
				<pubDate>Sun, 06 Nov 2022 15:53:26 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>এলোকেশী মেয়ে কার পথ চেয়ে, মেলেছিলে ঐ কেশ?<br />
পথ চাওয়া শেষে, এসেছিল কী সে? ছুয়ে মেঘ অনিমেষ।<br />
এলোকেশী মেয়ে, মেঘবেলা ধেয়ে, এসেছে কী তার ঢল?<br />
তুমি কার জলে, তোমার ভেজালে? ভাসালেই প্রেমাচল!<br />
দেখেনিতো চেয়ে, এলোকেশী মেয়ে, আর কেউ ছিল তার<br />
কী বিষাদে পুড়ে, তার বুক জুড়ে, কেঁদেছে বিরহী সেতার।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-172402"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/172402/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1daa4e3ddc3ada4ab37e4da9c116f4a7</guid>
				<title>এই জীবনে সব পেয়েছি,
পাইনি কারো মন। জানিনা
এই জীবনে কে হবে আপন,
মনের মত চাই তারে চাই তার মন
তুমি কি হবে? আমার কাছের একজন।

                                                           _--_ অজানা লেখক!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/172401/</link>
				<pubDate>Sun, 06 Nov 2022 15:52:31 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>এই জীবনে সব পেয়েছি,<br />
পাইনি কারো মন। জানিনা<br />
এই জীবনে কে হবে আপন,<br />
মনের মত চাই তারে চাই তার মন<br />
তুমি কি হবে? আমার কাছের একজন।</p>
<p>                                                           _&#8211;_ অজানা লেখক!</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7dda812a3dc8da6bae6a91607ca21cac</guid>
				<title>আবার আকাশে অন্ধকার ঘন হয়ে উঠেছে:
আলোর রহস্যময়ী সহোদরার মতো এই অন্ধকার।

যে আমাকে চিরদিন ভালোবেসেছে
অথচ যার মুখ আমি কোনাদিন দেখিনি,
সেই নারীর মতো
ফাল্গুন আকাশে অন্ধকার নিবিড় হয়ে উঠেছে।

মনে হয় কোনো বিলুপ্ত নগরীর কথা
সেই নগরীর এক ধুসর প্রাসাদের রূপ জাগে হৃদয়ে।

ভারতসমুদ্রের তীরে
কিংবা ভূমধ্যসাগরের কিনারে
অথবা টায়ার সিন্ধুর পারে
আজ নেই, কোনা এক নগরী ছিল একদিন,
কোন এক প্রাসাদ ছিল;
মূল্যবান আসবাবে ভরা এক প্রাসাদ;
পারস্য গালিচা, কাশ্মিরী শাল, বেরিন তরঙ্গের নিটোল মুক্তা প্রবাল,
আমার বিলুপ্ত হৃদয়, আমার মৃত চোখ, আমার বিলীন স্বপ্ন আকাঙ্খা,
আর তুমি নারী-
এই সব ছিল সেই জগতে একদিন।

অনেক কমলা রঙের রোদ ছিল,
অনেক কাকাতুয়া পায়রা ছিল,
মেহগনির ছায়াঘর পল্লব ছিল অনেক;
অনেক কমলা রঙের রোদ ছিল;
অনেক কমলা রঙের রোদ;
আর তুমি ছিলে;
তোমার মুখের রূপ কত শত শতাব্দী আমি দেখি না,
খুঁজি না।

ফাল্গুনের অন্ধকার নিয়ে আসে সেই সমুদ্রপারের কাহিনী,
অপরূপ খিলানও গম্বুজের বেদনাময় রেখা,
লুপ্ত নাশপারিত গন্ধ,
অজস্র হরিণ ও সিংহের ছালের ধুসর পান্ডুলিপি,
রামধনু রঙের কাচের জানালা,
ময়ুরের পেখমের মতো রঙিন পর্দায় পর্দায়
কক্ষ ও কক্ষান্তর থেকে আরো দূর কক্ষ ও কক্ষান্তরের
ক্ষণিক আভাস-
আয়ুহীন স্তব্ধতা ও বিস্ময়।

পর্দায়, গালিচায় রক্তাভ রৌদ্রের বিচ্ছুরিত স্বেদ,
রক্তিম গেলাসে তরমুজ মদ!
তোমর নগ্ন নির্জন হাত;

তোমার নগ্ন নির্জন হাত।


                   নগ্ন নির্জন হাত
- জীবনানন্দ দাশ---বনলতা সেন</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/164731/</link>
				<pubDate>Wed, 19 Oct 2022 16:40:07 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আবার আকাশে অন্ধকার ঘন হয়ে উঠেছে:<br />
আলোর রহস্যময়ী সহোদরার মতো এই অন্ধকার।</p>
<p>যে আমাকে চিরদিন ভালোবেসেছে<br />
অথচ যার মুখ আমি কোনাদিন দেখিনি,<br />
সেই নারীর মতো<br />
ফাল্গুন আকাশে অন্ধকার নিবিড় হয়ে উঠেছে।</p>
<p>মনে হয় কোনো বিলুপ্ত নগরীর কথা<br />
সেই নগরীর এক ধুসর প্রাসাদের রূপ জাগে হৃদয়ে।</p>
<p>ভারতসমুদ্রের তীরে<br />
কিংবা ভূমধ্যসাগরের কিনারে<br />
অথবা টায়া&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-164731"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/164731/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2aa36e4c3b6212e952d5e5a33278d981</guid>
				<title>তোমায় আমি দেখেছিলাম ব’লে
তুমি আমার পদ্মপাতা হলে;
শিশির কণার মতন শূন্যে ঘুরে
শুনেছিলাম পদ্মপত্র আছে অনেক দূরে
খুঁজে খুঁজে পেলাম তাকে শেষে।

নদী সাগর কোথায় চলে ব’য়ে
পদ্মপাতায় জলের বিন্দু হ’য়ে
জানি না কিছু-দেখি না কিছু আর
এতদিনে মিল হয়েছে তোমার আমার
পদ্মপাতার বুকের ভিতর এসে।

তোমায় ভালোবেসেছি আমি, তাই
শিশির হয়ে থাকতে যে ভয় পাই,
তোমার কোলে জলের বিন্দু পেতে
চাই যে তোমার মধ্যে মিশে যেতে
শরীর যেমন মনের সঙ্গে মেশে।

জানি আমি তুমি রবে-আমার হবে ক্ষয়
পদ্মপাতা একটি শুধু জলের বিন্দু নয়।
এই আছে, নেই-এই আছে নেই-জীবন চঞ্চল;
তা তাকাতেই ফুরিয়ে যায় রে পদ্মপাতার জল
বুঝেছি আমি তোমায় ভালোবেসে।



 জীবনানন্দ দাশ---সংকলিত</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/150458/</link>
				<pubDate>Fri, 23 Sep 2022 14:29:15 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তোমায় আমি দেখেছিলাম ব’লে<br />
তুমি আমার পদ্মপাতা হলে;<br />
শিশির কণার মতন শূন্যে ঘুরে<br />
শুনেছিলাম পদ্মপত্র আছে অনেক দূরে<br />
খুঁজে খুঁজে পেলাম তাকে শেষে।</p>
<p>নদী সাগর কোথায় চলে ব’য়ে<br />
পদ্মপাতায় জলের বিন্দু হ’য়ে<br />
জানি না কিছু-দেখি না কিছু আর<br />
এতদিনে মিল হয়েছে তোমার আমার<br />
পদ্মপাতার বুকের ভিতর এসে।</p>
<p>তোমায় ভালোবেসেছি আমি, তাই<br />
শিশির হয়ে থাকতে যে ভয়&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-150458"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/150458/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">feaeee6c4189eb90829876847e232ed0</guid>
				<title>Arian Alamin changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/147539/</link>
				<pubDate>Thu, 15 Sep 2022 15:42:00 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">aff75ea33fed0d2a65955370616e5a77</guid>
				<title>&quot; বাবা বালতি টা একটু ছাঁদে নিয়ে দিবি?  কাপড় গুলো শুকাতে দিবো।  
&quot; আমি পারবো না।  আমি ব্যাস্ত আছি।  
&quot; তুই তো মোবাইল টিপছিস ।  
&quot; হ্যাঁ ,  যাও তো নিজের কাজ নিজেই করো ।  একটু দেখলেই এটা নয়তো ওটা কাজের কথা বলো শুধু ।  
আম্মুকে ঝাড়ি দিয়ে এসে রুমের দরজা আটকে শুয়ে ফেসবুকিং করতে লাগলাম ।  দরজা খোলা রাখলে যখন তখন এসে আবার কাজের কথা বলবে ।  
সন্ধ্যায় ছাঁদে বসে বসে চারপাশ টা একটু নজর বুলিয়ে নিচ্ছি ।  হঠাৎই মোবাইলটা বেজে উঠলো।  আম্মু!  
&quot; হ্যালো 
&quot; কই আছিস বাবা?  
&quot; আমি তো বলেই আসলাম আমি ছাঁদে যাচ্ছি  তারপর ও বাসায় থেকেই ফোন দেওয়ার কোনো মানে হয়?  
&quot; বাসায় একা একা ভালো লাগছে না।  আয় না একটু বাসায়।  
&quot; ধূর কোথাও গিয়ে একটু শান্তি নেই।  যাচ্ছি,  তবে কোনো কাজের কথা বলা যাবে না।  
মুচকি একটা হাসি দিয়ে বললো-  আচ্ছা  আয়।  
বাসায় আসলাম ।  
আম্মু রান্না ঘরে  রান্না করছে  আর আমি ড্রয়িং রুমে বসে টিভি দেখছি।  একটু পরেই আবার আম্মু রান্না ঘর থেকে আমার কাছে আসলো- বাবা 
&quot; কিছু বলবা?  
&quot; রান্নাঘরের ট্যাবে পানি আসছে না।  একটু পানি এনে দিবি ঐ ট্যাব থেকে?  
&quot; আমি আগেই বলেছি আমায় কোনো কাজের কথা বলা যাবে না।  এগুলো রান্না বান্না করা মেয়েদের কাজ আমি ওসব করতে পারবো না।  তুমি যাও তো  আমায় কার্টুন দেখতে দাও।  
ভার ভার মুখ করে চলে গেলো।  
প্রায় ২০ মিনিট চলে গেলো।  টিভির সাউন্ড একটু বেশিই দেওয়া ছিলো ।  হঠাৎই নজর পড়লো ট্যাবের কাছে বালতি পড়ে আছে ছিপছিপে পানিও দেখা যাচ্ছে - এক বালতি পানি নিয়ে আসতে পুরো রুম পানি দিয়ে ভিজিয়ে দিছো। - কথা গুলো বলছি আর রান্না ঘরের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি ।  কিন্তু রান্না ঘরে উঁকি দিয়ে দেখলাম কেউ নেই ।  
&quot; আম্মু!আম্মু! 
কোথাও কোনো সাড়াশব্দ নেই ।  
বাইরের ট্যাবের কাছে এগোলাম ।  একটু এগোতেই আমার চক্ষু কপালে উঠলো ।  আম্মু মেঝেতে পড়ে আছে ।  চারদিকে রক্তে লাল হয়ে আছে ।  
দৌড়ে আসলাম আম্মুর কাছে - আম্মু! এই আম্মু!  কি হইছে তোমার?  আম্মু কথা বলো!  
কি করবো মাথায় ঠিক কিছুই আসছে না।  কোলে করে নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে একটা সিএনজি নিয়ে পাশের হাসপাতালে নিয়ে আসলাম ।  বাবার বন্ধু এই হাসপাতালের ডাক্তার ।  
আম্মুকে নিয়ে আসতেই তাকে ওটি তে নেওয়া হলো।  
নিজের উপর আজ খুবই রাগ হচ্ছে ।  এক বালতি পানি নিয়ে এসে দিলে কি এমন ক্ষতি হতো?   আম্মুর কিছু হয়ে গেলে নিজেকে কখনোই ক্ষমা করতে পারবো না।  
একটু পরেই একজন নার্স এসে একটা কাগজ হাতে ধরিয়ে দিয়ে বললো- এগুলো নিয়ে আসুন ।  তাড়াতাড়ি ।  
আমি দৌড়ে ডিসপেনসারিতে গিয়ে ঔষধ গুলো নিয়ে আসলাম ।  আমি আসে দেখি ওবায়দুল আংকেল ওটির বাইরে দাঁড়িয়ে আছেন ।  
- আংকেল আম্মুর অবস্থা কেমন এখন?  
&quot; তোমার আম্মুর অবস্থা খুবই খারাপ ।  তোমার আম্মুকে আমি গত সপ্তাহেও বলেছি ভারী কাজ না করতে কিন্তু কে শোনে কার কথা।  শরীর একেবারেই দূর্বল।  ভারী কাজ থেকে দূরে থাকতে হতো তাকে।  
&quot; এখন সে কেমন আছে?  
&quot; পড়ে যাওয়ার জন্য অনেক রক্ত বেড়িয়ে গেছে ।  
&quot; যত রক্ত দরকার আমার শরীর থেকে নেন।  আমার সব রক্ত বের করে নেন।  
&quot; আমাদের ব্যাংকে কিছু রক্ত ছিলো সেগুলো দিয়েছি।  কিন্তু শরীর রক্ত নিচ্ছে না।  তুমি নিয়ে আসতে অনেক দেরী করে ফেলছো।  কষ্ট হলেও বলতে হচ্ছে এখন সব কিছু উপরওয়ালার হাতে ।  আমাদের করার কিছুই নেই ।  তবুও ডাক্তাররা শেষ চেষ্টা করছে ।  
&quot; প্লিজ আংকেল এমন বলবেন না।  আমার আম্মুকে বাচিয়ে দিন।  
আমি ওনার সাথে কথা বলছি এর মাঝেই সাদা কাপড়ে মুড়িয়ে একটা নিথর দেহ নিয়ে নার্স বেরিয়ে আসলো।। একজন ডাক্তার এসে আমার কাঁধে হাত রেখে বললো - তুমি নিয়ে আসতে অনেকটা দেরি করছো নয়তো তাকে হয়তো বাঁচানো যেতো।  
আমার পুরো পৃথিবী আজ থমকে গেছে।  যাকে আমি এত অবহেলা করতাম আজ তার নিথর দেহ আমার শরীরের সমস্ত শক্তি কেঁড়ে নিয়েছে ।  দুচোখ দিয়ে অঝোরে পানি ঝড়ছে।  
কাঁপা কাঁপা হাতে মুখ থেকে কাপড় সরালাম।  কোনো দিন ভালো করে এই মায়া মুখটা দেখা হয় নি।  পৃথিবীর সমস্ত মায়া যেন এই মুখে - আম্মু!  এই আম্মু!  আম্মু!  দেখো না আমি আজ কোথাও যাই নি।  তোমার কাছেই বসে আছি ।  চলো গল্প করি।  কি হলো?  গল্প করবে না?  আমি আজ তোমার সব গল্প শুনবো।  কোথায় কার কি হয়েছে?  কোন দিন তুমি স্কুলে স্যারের বকা শুনেছো সব শুনবো।  বলো আম্মু প্লিজ বলো।  আমি ! আমি তোমার সব কাজ করে দিবো।  একবার কথা বলো না আম্মু।  তুমি ছাড়া আমায় বাবা কে বলবে বলো?  আম্মু! এই আম্মু!  তুমি না আমার মেয়ে!  এভাবে অভিমান করে না মা।  চোখ খুলো না।  দেখো আমি কোথাও যাই নি।  আমি তোমায় ফেসবুক চালা শেখাবো তো।  এই আম্মু কথা বলো না একবার।  এভাবে কেন চুপ করে আছো।  প্লিজ আম্মু।  আমার কষ্ট হয় তো আম্মু!  ও আম্মু।  তুমি না বলতে আমার চোখের পানি দেখবে?  আমি নাকি পাষাণ।  এই দেখো আম্মু আমার চোখ আজ বাঁধা মানছে না।  একবার কথা বলো আম্মু ।  আমি তোমায় রাণী করে রাখবো।  সব কিছু আমি করবো তুমি শুধু একবার বাবা বলো।  প্লিজ আম্মু আমায় ছেড়ে যেও না।  
সেদিন আম্মু আর কথা বলে নি।! 
ভার্চুয়াল জগতের মাঝে আমরা এতটাই ডুবে থাকি যে পরিবারের কথা ভুলে যাই।  তারাও চায় আমাদের সাথে সময় কাটাতে আমাদের সঙ্গ পেতে ।  তাই সবাই নিজেদের পরিবারকে সময় দিন।  তাদের সাথে যেটুকু সময় থাকবেন সেটুকুই আপনার হৃদয় কে প্রশমিত করবে ।  মনে রাখবেন পরিবারের এক একটা সদস্য একবার হারিয়ে গেলে পৃথিবীর কোনো কিছুর বিনিময়ে আর ফিরে পাবেন না।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/147538/</link>
				<pubDate>Thu, 15 Sep 2022 15:38:48 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8221; বাবা বালতি টা একটু ছাঁদে নিয়ে দিবি?  কাপড় গুলো শুকাতে দিবো।<br />
&#8221; আমি পারবো না।  আমি ব্যাস্ত আছি।<br />
&#8221; তুই তো মোবাইল টিপছিস ।<br />
&#8221; হ্যাঁ ,  যাও তো নিজের কাজ নিজেই করো ।  একটু দেখলেই এটা নয়তো ওটা কাজের কথা বলো শুধু ।<br />
আম্মুকে ঝাড়ি দিয়ে এসে রুমের দরজা আটকে শুয়ে ফেসবুকিং করতে লাগলাম ।  দরজা খোলা রাখলে যখন তখন এসে আবার কাজের কথা বলবে ।<br />
সন্ধ্যা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-147538"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/147538/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>