<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | ডা.এম.এইচ.রহমান খান | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/drmhrahmankhan/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/drmhrahmankhan/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for ডা.এম.এইচ.রহমান খান.</description>
	<lastBuildDate>Fri, 07 Aug 2026 17:49:46 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">a63e834fd278bacbc51bbc94a441b9de</guid>
				<title>কলিজার আব্বা।              ডা.এম.এইচ.রহমানখান ।                তুমিই বাস্তব,তুমিই স্বপ্ন আসবে বলে আসনি বাস্তবে,তাতে কি! তুমি এসেছিলে ঠিকই, তবে স্বপ্নে। তুমি বলবে বলে বলনি বাস্তবে, তাতে কি! তুমি বলেছিলে ঠিকই, তবে স্বপ্নে। তুমি হাসবে বলে হাসনি বাস্তবে, তাতে কি! তুমি হেসেছিলে ঠিকই, তবে স্বপ্নে। তুমি দুঃখ লুকাতে চাইছিলে বাস্তবে, তাতে কি! তুমি দুঃখ ভাগ করেছিলে ঠিকই, তবে স্বপ্নে। তুমি কাঁদতে চেয়েছিলে বাস্তবে, তাতে কি! তুমি কেঁদেছিলে ঠিকই, তবে স্বপ্নে। তুমি ভালোবাসা পাওনি বাস্তবে, তাতে কি! তুমি ভালোবাসা পেয়েছিলে ঠিকই, তবে স্বপ্নে। তুমি সুখী ছিলেনা বাস্তবে, তাতে কি! তুমি সুখী ছিলে ঠিকই, তবে স্বপ্নে। কারন তুমিই যে বাস্তব, তুমিই যে আমার স্বপ্ন। আমার চেয়ে সুখী বলো আর কে, স্বপ্ন হলো সত্যি আমার বাস্তবতার নিরিখে।দাড়া, আমি আসতেছি.... বলেই বাজারের দিকে হাটা দিলাম। ওকে আমি অনেক খাওয়াইছি ও নিশ্চয়ই আমাকে একদিন খাওয়াতে আপত্তি করবেনা। পেটে তখন কামড় দিচ্ছিলো আমার। বাজার গিয়ে দেখলাম, ও ওর কয়েকটা বন্ধুকে নিয়ে দাড়ায় আছে। আমাকে দেখেই কিরে কেমন আছিস?? (দোস্ত)

এইতো চলছে। আজকাল যে আর দেখাই করিসনা, কি ব্যাপার?? (আমি)

আসলে ব্যাস্ত থাকি রে দোস্ত তাই। আচ্ছা যাই,

তাড়া আছে। চলে গেল। আমিও কিছুই বলতে পারলামনা ওর বন্ধুরা ওর পাশে ছিলো।

পেটে তখন আমার এত ক্ষুধা যে কেউ যদি আমার রক্তের বিনিময় খেতে দেয় তবু আমি রাজি। আমি যে হেটে মেসে যাবো, সেই শক্তি পাচ্ছিলাম না।

বসে পরলাম রাস্তার পাশে। ক্ষুদার জ্বালা যে কতটা ভয়ানক, আজ বুঝতে পারতেছি।

কত মানুষ আসছে, যাচ্ছে। কেউ একবার ও তাকিয়ে দেখেনা আমার দিকে। বলেনা, ও না খেয়ে আছে, ওকে কিছু খাওয়াই। সৃষ্টিকর্তা মহান, তিনি তো আছেন....

তিনি তো কাউকে মারেনা, রিজিকের মালিক তিনি! আমি বসে আছি, ক্ষুদার জালায় কাতরাচ্ছি। এমন সময়,অন্যায় কখনও মানিনী, মানবো না। হঠাৎ করেই আমার চাকুরীটা চলে গেল....।। বেকার হয়ে গেলাম। ভাবলাম গেছে কি হইছে? কত আত্নীয় আর বন্ধুবান্ধব আমার! কত জনকে চাকুরী দিলাম, পেয়েই যাবো আবার।

বাসায় শুয়ে বসে সময় কাটছিলো আমার। বিকেলে বসে এক এক করে সব আত্নীয় ও বন্ধুকে ১মিনিট করে ফোন দিলাম আমার জন্য চাকুরী দেখার জন্য। সবাই আশা দিলো যে খুজবে, পেলে জানাবে। একটু ভরসা পেলাম। হঠাত করে মায়া ফোন দিলো। ও হ্যা বলাই হয়নি মায়া আমার প্রেমিকা। &#124;
রিসিভ করলাম।
হ্যালো,, কোথায় তুমি?? (মায়া)
এই তো বাসায় শুয়ে আছি, কেন?? (আমি)
-তুমি যমুনা ফিউচার পার্কে এখনি আসো....টুট টুট টুট.... ফোন কেটে দিলো।

রেডি হয়ে বাসে উঠে গেলাম যমুনা ফিউচার পার্ক। মায়া গেটে দাড়ায় আছে,, আমাকে দেখেই বললো, (রেগে) এত লেট করলা কেন? কতক্ষন দাড়ায়
আছি।

রেডী হয়ে আসতে তো সময় লাগে না নাকি?? (আমি) - বাদ দাও,, চলো,, ফুচকা খাবো (মায়া)

ফচকা খেলাম. ঘরলাম. আমার ১০০০ টাকা শেষ। মায়া আছে।এত শান্তি লাগছিলো। যা ভাষায় প্রকাশ করার মতনা। মায়ার দিকে তাকালাম, মায়া আমাকে দেখে কাদতেছে। হয়তো বুঝতে পেরেছে। কারণ মায়া ভালো করেই জানে, আমি কারো কাছে চেয়ে খাওয়ার ছেলে না। মায়া বিল দিল।

তারপর বাইরে একটা একটু নির্জন জায়গায় এসে আমার হাত দুটো ধরে চোখে চোখ রেখে বললো...

তোমার কি হয়েছে,, প্লিজ আমাকে বলো, আমার কসম দিলাম, বলো?

আমার চাকুরীটা অনেক আগে চলে গেছে। তারপর থেকে বেকার।

_ মায়া রেগে আমার গালে ঠাস.... তারপর বললো, এটা আমাকে আগে কেন বলোনি? তোমাকে সত্যি ভালোবাসি। সুসময়, দুঃসময়, সবসময় ভালবাসি। জড়িয়ে ধরে কাদতে লাগলো। আমিও বুঝলাম, মায়ার ভালোবাসা। আমি আসলে হয়তো এটা দেখার জন্যই আগে ওকে জানাইনি আমি বেকার। কিন্তু আমিও বদলে গেছি। কেন যেন এই দিনগুলো মনে পড়ে যায়। চিনে নিয়েছি অনেক

মানুষকে। # খারাপ সময় গুলো থাকেনা। রাত যখন আছে, তো ভোর হবেই। কিন্তু খারাপ সময় অনেক কিছু শিখিয়ে দিয়ে যায়। দুঃসময় এসে চোখে আঙ্গুল দিয়ে চিনিয়ে দিয়ে যায়, কে আসল বন্ধু! কোথায় সেই উপকৃত মানুষগুলো! সতবে আজ ভালোই বুঝতে পারতেছি। যে বন্ধুরা সময় পেলেই আমার কাছে আসতো, এখন আমার আশেপাশে তাদের ছায়াও দেখা যায়না।

হায়রে মানুষ....... কত বহুরূপী........ দেখতে দেখতে প্রায় দু বছর হয়ে গেল, চাকুরী হচ্ছেনা। বাড়িতে বাড়ি ভাড়া ও অন্যান্য খরচ যে আমি সবার আগে দিতাম, সেই আমি বাকি রাখলাম। বললাম এ মাস ম্যানেজ কর সামনের মাসে দিবো। কেউ দিতে চায়নি টাকা, কারন আজ আমি বেকার। রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এম এস এস করা। হায়রে কপাল! অভিজ্ঞতা আছে তাও জ্বালা, নাম থাকলেও জ্বালা। মনে হয় আরও ডিগ্রি প্রয়োজন। কিন্তু ব্রোকেন পরিবারের সন্তানেরা কি পারে? সেই ছোটবেলা হতে নিজে নিজেই কোন সাহায্যে ছাড়াই স্ট্রাগল করে এ পর্যন্ত এসেছি। লজ্জা লাগে! যে হাত দিয়ে এসেছে সব সময়, সে হাত কারো কাছে চাইবে....এটা ভাবতেও লজ্জা লাগে। আমার তো কাজ নাই, শুয়ে আছি। সকাল টা না খেয়ে,, শুধু পানি খেয়ে কাটিয়ে দিলাম। পকেটে হাত দিয়ে দেখলাম ৪ টাকা আছে। দুপুর গড়িয়ে বিকেল হয়ে আসলো। ক্ষুদার জ্বালা টা ভালই টের পাচ্ছিলাম, সহ্য হচ্ছিলো না। আমার এক কাছের বন্ধুকে ফোন দিলাম.... হ্যালো দোস্ত, তুই কোথায়?? (আমি)

এই তো বাজারে, কেন?? (দোস্ত)আমি বসে আছি, ক্ষুদার জালায় কাতরাচ্ছি। এমন সময় মায়া আসলো। মায়া নাকি কি এক কাজে এদিকে আসছিলো।

মায়া আমার কাছে আসতেই চমকে উঠলাম কিন্তু চুপ করে বসে আছি। ও বললো, _ একি অবস্থা হয়েছে তোমার?? শরীরের যত্ন নাও না?

চুপ আমি কি হলো,,, চুপ করে আছো কেন (মায়ার চোখের কোনে পানি)

-খুব লজ্জা লাগছে, একটা কথা বলবো?? (আমি) বলো (মায়া)

সারাদিন কিছু খাইনি, খুব ক্ষুদা লেগেছে। আমাকে ৩০...৪০ টাকা ধার দিবা, প্লিজ??

মায়া আমাকে নিয়ে গিয়ে একটা রেস্টুরেন্ট এ বসালো। তারপর ভাত, মাংস, ডাল, ডিম, ভাজি সব অর্ডার করলো।

আমার সামনে দেয়া মাত্র গপ গপ করে গিলতে লাগলাম। এত মজা করে আর কোনদিন খাইনি আগে। কোন দিকে খেয়াল না করে ২ প্লেট ভাত, ডিম মাংস ভাজি সব সাবাড় করে যেন রাক্ষুসে পেট টা ভরলো। এত শান্তি লাগছিলো। যা ভাষায় প্রকাশ করার মতনা। মায়ার দিকে তাকালাম, মায়া আমাকে দেখে কাদতেছে। হয়তো বুঝতে পেরেছে। কারণ মায়া ভালো করেই জানে,ফুচকা খেলাম, ঘুরলাম, আমার ১০০০ টাকা শেষ। মায়া টাকা দিতে চাইছিলো বাট আমি বিল দিতে দেইনি। সবসময় দুহাতে খরচ করেছি তো, আজ ও দিব। যদিও মায়া জানেনা যে, আজ আমি বেকার। চাকুরী চলে গেছে। ওকে বিদায় দিয়ে বাসায় এসে শুয়ে পরলাম। যতই দিন যাচ্ছিলো টাকার টান পড়তেছিলো। আমার কাছে কিছু টাকাছিলো তা দিয়ে কোন রকমে চলছিলাম। তবে হ্যা মনে পরতো সেই সব দিন, যখন দুহাতে খরচ করতাম, আড্ডা দিতাম &#124; কত বন্ধু বান্ধব! অবাক হলাম, আমার ফোনে সারাক্ষন ফোন যেই আসতো বন্ধুদের, সেই বন্ধুদের ফোন আসা আস্তে আস্তে কমতে থাকে। সবমিলিয়ে কাজের অভিজ্ঞতাটা প্রায় ২০বছর। প্রায় ২ বছর হতে চললো বেকারত্বের। নিজে থেকে ফোন দিয়ে বন্ধুদের চাকুরীর কথা বললে সবাই আশাই দেয়, চাকুরীর খবর কেউ দেয়না। হয়তো আমার কপাল খারাপ। মায়ার সাথেও জগড়া চলছিলো। আগে সারাদিন ফোন দিতাম। প্রায় প্রতি সপ্তাহে ঘুরতে যেতাম। এখন তো আর তা পারিনা। এসব নিয়ে ঝগড়া, ঝগড়া চলতে চলতে হয়েই গেল ১দিন ব্রেকআপ! তখনো মায়া জানতো না যে এখন আমার চাকুরী নাই। আমি ও জানাইনি, কেন জানাইনি জানিনা। টেনেটুনে মাস চলছিলো। পকেট-হাত সব প্রায় ফাকা। আমি আসলে টাকার কষ্টটা বুঝিনি। কারন বেতন ভালোই পেতাম আর দুহাতে খরচ করতাম।ফুচকা খেলাম, ঘুরলাম, আমার ১০০০ টাকা শেষ। মায়া টাকা দিতে চাইছিলো বাট আমি বিল দিতে দেইনি। সবসময় দুহাতে খরচ করেছি তো, আজ ও দিব। যদিও মায়া জানেনা যে, আজ আমি বেকার। চাকুরী চলে গেছে। ওকে বিদায় দিয়ে বাসায় এসে শুয়ে পরলাম। যতই দিন যাচ্ছিলো টাকার টান পড়তেছিলো। আমার কাছে কিছু টাকাছিলো তা দিয়ে কোন রকমে চলছিলাম। তবে হ্যা মনে পরতো সেই সব দিন, যখন দুহাতে খরচ করতাম, আড্ডা দিতাম &#124; কত বন্ধু বান্ধব! অবাক হলাম, আমার ফোনে সারাক্ষন ফোন যেই আসতো বন্ধুদের, সেই বন্ধুদের ফোন আসা আস্তে আস্তে কমতে থাকে। সবমিলিয়ে কাজের অভিজ্ঞতাটা প্রায় ২০বছর। প্রায় ২ বছর হতে চললো বেকারত্বের। নিজে থেকে ফোন দিয়ে বন্ধুদের চাকুরীর কথা বললে সবাই আশাই দেয়, চাকুরীর খবর কেউ দেয়না। হয়তো আমার কপাল খারাপ। মায়ার সাথেও জগড়া চলছিলো। আগে সারাদিন ফোন দিতাম। প্রায় প্রতি সপ্তাহে ঘুরতে যেতাম। এখন তো আর তা পারিনা। এসব নিয়ে ঝগড়া, ঝগড়া চলতে চলতে হয়েই গেল ১দিন ব্রেকআপ! তখনো মায়া জানতো না যে এখন আমার চাকুরী নাই। আমি ও জানাইনি, কেন জানাইনি জানিনা। টেনেটুনে মাস চলছিলো। পকেট-হাত সব প্রায় ফাকা। আমি আসলে টাকার কষ্টটা বুঝিনি। কারন বেতন ভালোই পেতাম আর দুহাতে খরচ করতাম।ফুচকা খেলাম, ঘুরলাম, আমার ১০০০ টাকা শেষ। মায়া টাকা দিতে চাইছিলো বাট আমি বিল দিতে দেইনি। সবসময় দুহাতে খরচ করেছি তো, আজ ও দিব। যদিও মায়া জানেনা যে, আজ আমি বেকার। চাকুরী চলে গেছে। ওকে বিদায় দিয়ে বাসায় এসে শুয়ে পরলাম। যতই দিন যাচ্ছিলো টাকার টান পড়তেছিলো। আমার কাছে কিছু টাকাছিলো তা দিয়ে কোন রকমে চলছিলাম। তবে হ্যা মনে পরতো সেই সব দিন, যখন দুহাতে খরচ করতাম, আড্ডা দিতাম &#124; কত বন্ধু বান্ধব! অবাক হলাম, আমার ফোনে সারাক্ষন ফোন যেই আসতো বন্ধুদের, সেই বন্ধুদের ফোন আসা আস্তে আস্তে কমতে থাকে। সবমিলিয়ে কাজের অভিজ্ঞতাটা প্রায় ২০বছর। প্রায় ২ বছর হতে চললো বেকারত্বের। নিজে থেকে ফোন দিয়ে বন্ধুদের চাকুরীর কথা বললে সবাই আশাই দেয়, চাকুরীর খবর কেউ দেয়না। হয়তো আমার কপাল খারাপ। মায়ার সাথেও জগড়া চলছিলো। আগে সারাদিন ফোন দিতাম। প্রায় প্রতি সপ্তাহে ঘুরতে যেতাম। এখন তো আর তা পারিনা। এসব নিয়ে ঝগড়া, ঝগড়া চলতে চলতে হয়েই গেল ১দিন ব্রেকআপ! তখনো মায়া জানতো না যে এখন আমার চাকুরী নাই। আমি ও জানাইনি, কেন জানাইনি জানিনা। টেনেটুনে মাস চলছিলো। পকেট-হাত সব প্রায় ফাকা। আমি আসলে টাকার কষ্টটা বুঝিনি। কারন বেতন ভালোই পেতাম আর দুহাতে খরচ করতাম।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/258349/</link>
				<pubDate>Tue, 21 Jul 2026 12:23:22 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কলিজার আব্বা।              ডা.এম.এইচ.রহমানখান ।                তুমিই বাস্তব,তুমিই স্বপ্ন আসবে বলে আসনি বাস্তবে,তাতে কি! তুমি এসেছিলে ঠিকই, তবে স্বপ্নে। তুমি বলবে বলে বলনি বাস্তবে, তাতে কি! তুমি বলেছিলে ঠিকই, তবে স্বপ্নে। তুমি হাসবে বলে হাসনি বাস্তবে, তাতে কি! তুমি হেসেছিলে ঠিকই, তবে স্বপ্নে। তুমি দুঃখ লুকাতে চাইছিলে বাস্তবে,&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-258349"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/258349/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f9bfbe1b6ed5bf2c464773cf12c12921</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/254239/</link>
				<pubDate>Sun, 14 Jun 2026 06:19:29 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c1ac9416a81244464e0dfb7f53a874ca</guid>
				<title>তুমি না!!! 

ডা.এম.এইচ.রহমান খান

তুমি না!দেখতে খুব সুন্দর 

সবুজ প্রকৃতি সবুজ দৃশ্য 

সোনা রোদ মিষ্টি আলো,

হলদে বরনের পাখি

জোসনার রাত্রি 

মধুমাখা ভ্রমরের মুখমন্ডল।

তুমি না!দেখতে খুব সুন্দর

ঠিক ঐ চাঁদের মতো রুপ

নক্ষত্রের খন্ডিত ঝলকানি,

নতুন কুঁড়ির জাগরণ 

গোলাপের নম্র ত্বক

ভোরের শুভ সকাল।

তুমি না!দেখতে খুব সুন্দর 

সাগরের রুপালি ঢেউয়ের ন্যায়

মুনিয়া পাখির দুটি চোখ, 

কলির মতো ফোঁটা দেহ

অঙ্গসজ্জা উত্তাল যৌবন

নরম এক মখমল পরশ।

তুমি না!দেখতে খুব সুন্দর 

মাউন্টেনের সৌন্দর্য 

কমলা রঙের নকশা, 

পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ছবি

নীল আকাশ বসন্তের সাজ

স্বপ্নের রাজকন্যা অপরুপা পরী।

তুমি না!দেখতে খুব সুন্দর 

যেমনি আমার চাওয়া -পাওয়া, 

ঠিক তেমনি আমার মনের মতো

তুমি না!! দেখতে খুবই সুন্দর।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/254238/</link>
				<pubDate>Sun, 14 Jun 2026 06:16:16 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তুমি না!!! </p>
<p>ডা.এম.এইচ.রহমান খান</p>
<p>তুমি না!দেখতে খুব সুন্দর </p>
<p>সবুজ প্রকৃতি সবুজ দৃশ্য </p>
<p>সোনা রোদ মিষ্টি আলো,</p>
<p>হলদে বরনের পাখি</p>
<p>জোসনার রাত্রি </p>
<p>মধুমাখা ভ্রমরের মুখমন্ডল।</p>
<p>তুমি না!দেখতে খুব সুন্দর</p>
<p>ঠিক ঐ চাঁদের মতো রুপ</p>
<p>নক্ষত্রের খন্ডিত ঝলকানি,</p>
<p>নতুন কুঁড়ির জাগরণ </p>
<p>গোলাপের নম্র ত্বক</p>
<p>ভোরের শুভ সকাল।</p>
<p>তুমি না!দ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-254238"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/254238/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d28930393f236fcb0697f066b8584048</guid>
				<title>জনাব রহমান, শুনেন — কাজী নজরুল ইসলাম ২০১৪ সালে ময়মনসিংহের ত্রিশালে এসে গিয়েছিলেন টাইপের আজগুবি গল্প বলে নিজেকে হাস্যরসের চরিত্র বানানোর দরকার নাই! &#x1f926;&#x200d;&#x2642;&#xfe0f;
দেশ চালাতে হলে বাস্তবতা বুঝতে হয়, আবোলতাবোল না।

আমার একটা “রাষ্ট্রীয় উন্নয়নমূলক” বুদ্ধি আছে, মন দিয়ে শুনেন &#x1f447;

&#x1f4cc; “ভূড়ি ট্যাক্স” চালু করেন!
বিশেষ করে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সামরিক কর্মকর্তাদের জন্য। &#x1f60f;

&#x1f539; কেন চালু করবেন?

&#x2705; ১. রাষ্ট্রের আয় বাড়বে
যত বড় ভূড়ি, তত বড় ট্যাক্স! &#x1f4b0;
এই টাকায় রাস্তা হবে, হাসপাতাল হবে, জনগণের সেবা বাড়বে।

&#x2705; ২. বাধ্য হয়ে ফিটনেসে আসবে
ট্যাক্স বাঁচাতে হলেও সকালের হাঁটা, জিম, ব্যায়াম শুরু করবে। &#x1f3c3;&#x200d;&#x2642;&#xfe0f;

&#x2705; ৩. কর্মক্ষমতা বাড়বে
ফিট অফিসার মানেই দ্রুত কাজ, কম ঘুম, কম অলসতা। &#x1f634;&#x274c;

&#x2705; ৪. জনগণও অনুপ্রাণিত হবে
দেশের কর্মকর্তা যদি ফিট থাকে, জনগণও স্বাস্থ্য সচেতন হবে। &#x1f4aa;&#x1f1e7;&#x1f1e9;

&#x2705; ৫. দুর্নীতির পাশাপাশি “ভূড়িনীতিও” কমবে &#x1f92d;
ফাইলের নিচে যেমন টাকা জমে, তেমনি পেটের নিচেও চর্বি জমে!
দুটোই রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর। &#x1f60c;

&#x1f4e2; দেশের মানুষ এখন গল্প না, সমাধান চায়।
ফাঁকা বুলি দিয়ে আর কত?
দেশ বাঁচাতে হলে আগে “ভূড়ি নিয়ন্ত্রণ” করেন! &#x1f602;
এস এম নাহিদ 
Shahjahan Siraj Shamim 
#ভূড়ি_ট্যাক্স
 #ফিট_বাংলাদেশ
#ট্যাক্স_দিয়ে_ট্রেডমিল
 #রাজনৈতিক_কটাক্ষ
 #ভাইরাল_পোস্ট
 #বাংলাদেশ_রাজনীতি
 #জনগণের_টাকা
#দুর্নীতি_ও_ভূড়ি
 #FitnessFirst
 #PoliticalSatire</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/251622/</link>
				<pubDate>Tue, 26 May 2026 05:28:30 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>জনাব রহমান, শুনেন — কাজী নজরুল ইসলাম ২০১৪ সালে ময়মনসিংহের ত্রিশালে এসে গিয়েছিলেন টাইপের আজগুবি গল্প বলে নিজেকে হাস্যরসের চরিত্র বানানোর দরকার নাই! &#x1f926;&#x200d;&#x2642;&#xfe0f;<br />
দেশ চালাতে হলে বাস্তবতা বুঝতে হয়, আবোলতাবোল না।</p>
<p>আমার একটা “রাষ্ট্রীয় উন্নয়নমূলক” বুদ্ধি আছে, মন দিয়ে শুনেন &#x1f447;</p>
<p>&#x1f4cc; “ভূড়ি ট্যাক্স” চালু করেন!&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-251622"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/251622/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">91a77bc86b3ac44abb98af68e62724f4</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/251134/</link>
				<pubDate>Mon, 25 May 2026 05:31:21 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">04f23ce2b6a5799a4a6a9468762e1efb</guid>
				<title>শেকড় যেখানে (দুই)
 ডা. এম. এইচ.রহমান খান।
আমি মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব,
ছিল না আমার কোনো অস্তিত্ব,
বিধাতা আমায় দুনিয়ায় এনে
করেছেন প্রাণবন্ত সজীব।
আমার যেভাবে দিন কাটানোর কথা,
পূর্ণ করতে পারলাম না
আল্লাহর দেওয়া ওয়াদা।
সময় কমে আসছে ধীরে ধীরে,
ফিরে যেতে হবে আবার
অন্তিম অন্ধকার কবরে।
মাটির দেহ লুটাবে নীরব ঘুমে,                         সবাই জানে,সবাই মানে,
ফিরে যেতে হবে একদিন,
চিরন্তন সত্য কোরান-হাদিস 
ধরবে শেকড়ের যেখানে।
তবে কেন এই লড়াই-বড়াই?
কেন গুম, হত্যা, অসভ্য সভ্যতায়?
কচি কচি শিশু আজ
মহামারির ছোবলে প্রাণ হারায়।
নিষ্ঠুর,নষ্ট কিছু জঙ্গি-সন্ত্রাস দেশদ্রোহী                            নেশাখোর চান্দাখোর লুটতরাজ কষাই,
ধর্ষণের হাত থেকে রক্ষা পায় না
শিশু,বৃদ্ধ,কিশোরী,যুবতী কেউই।
ভোগের উন্মাদনায় ইবলিশরুপী শয়তান 
ছিন্নভিন্ন করে দেহ কামড়ে খায়
ধ্বংশ হয় মানবতার সৌন্দর্যটাই।
দেশটা আজ মবের রাজধানী,
কোথায় সেই ত্যাগী-আত্মত্যাগী বীর বাহিনী                        পাকি-পাকি বীজ হিংস্র-হায়না রাজাকার দালালী
তর্জনীর হুঙ্কারে সাড়া দেওয়া বীর বাঙালি?
গর্জে উঠো বার বার আরোও একবার,
ঠিক করতে হবে বর্তমান-চলমান 
এই অসভ্য বর্বরতার জাহেলীয় অন্ধকার 
রাষ্ট্র চলছে দেশবিরোধীদের জোকার-বোকার হাতে,
সুখের ঘরে দুঃখের আগুন জ্বালানো জনমন তা জানে
রাষ্ট্রঘর জ্বলে পুড়ে ছাই হচ্ছে নিপাতে।
কোথায় আইন? কোথায় বিচার?
দলাদলি,গালাগালি সুশিলগীরী হারিয়ে গেলি
নষ্ট হচ্ছে-পচে যাচ্ছে জেএনজি নামের শিষ্টাচার।
সংস্কারের নামে চলছে সার্কাস তলে তলে বাঁশ 
সুধীজন-মহাজন ঠকালো জনগন
জ্বালায়ে হারিকেন লুণ্ঠনের ফ্রান্স-লন্ডনে বসবাস।
যা ছিল মাথা উঁচু করে গতকালের উন্নয়নে
আজ তাই যেন জ্বালাও পোড়াও ভাঙনের পতন।
স্বাধীন দেশ একাত্তরে পেল পরাধীন হতে মুক্তি,
চব্বিশে এসে কেন ছত্রিশ আবার কিসে             দেশ বিক্রি চুক্তি?                                             ডিপ স্টেটের ডলারের লোভে করলি দালালি,     মেটিকিউলাস প্লেন তোদের সত্যি স্বীকার করলি।নোবেল খেকো এক রাক্ষুসে দেখালো কাঁচকলা, বাকি যা আছে আরেকজন শেষ করবে তলা।    দেশ ধোকার খপ্পরে আই হেব এ প্লেনে,              ভূল বুঝতে পেরে চাপরাচ্ছে কপাল,             নিজের পায়ে নিজেই তারা মেরেছে কুড়াল। 
গুনী জনের গলায় জুতা লাঞ্ছিত জাতি        প্রকৃতির বিচারে গত কেউ কেউ  আছে যারা তারা ভুয়া ভুয়া শ্লোগান শুনে খাচ্ছে পঁচা ডিম গুঁতা লাথি                             
আল্লাহ ছাড় দেন কিন্তু ছেড়ে দেন না,
ধরে ধরে ধরে কিন্তু 
ধরলে কিন্তু ছাড়েন না।
শেষ সময় যখন আসবে কাছে,
মানুষ ফিরে যাবে
চিরস্থায়ী অবস্থানে,
জান্নাত কিংবা জাহান্নামে,
সেই চিরন্তন সত্য বিচার                             আল্লাহর ধরবে শেকড় যেখানে।                               ২৫/০৫/২০২৬ রবিবার ৯:০০ পিএম।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/251132/</link>
				<pubDate>Mon, 25 May 2026 05:31:01 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শেকড় যেখানে (দুই)<br />
 ডা. এম. এইচ.রহমান খান।<br />
আমি মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব,<br />
ছিল না আমার কোনো অস্তিত্ব,<br />
বিধাতা আমায় দুনিয়ায় এনে<br />
করেছেন প্রাণবন্ত সজীব।<br />
আমার যেভাবে দিন কাটানোর কথা,<br />
পূর্ণ করতে পারলাম না<br />
আল্লাহর দেওয়া ওয়াদা।<br />
সময় কমে আসছে ধীরে ধীরে,<br />
ফিরে যেতে হবে আবার<br />
অন্তিম অন্ধকার কবরে।<br />
মাটির দেহ লুটাবে নীরব ঘুমে,&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-251132"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/251132/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a9eddc8a409ed2675baad04d2d596050</guid>
				<title>শেকড় যেখানে (দুই)
 ডা. এম. এইচ.রহমান খান।
আমি মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব,
ছিল না আমার কোনো অস্তিত্ব,
বিধাতা আমায় দুনিয়ায় এনে
করেছেন প্রাণবন্ত সজীব।
আমার যেভাবে দিন কাটানোর কথা,
পূর্ণ করতে পারলাম না
আল্লাহর দেওয়া ওয়াদা।
সময় কমে আসছে ধীরে ধীরে,
ফিরে যেতে হবে আবার
অন্তিম অন্ধকার কবরে।
মাটির দেহ লুটাবে নীরব ঘুমে,                         সবাই জানে,সবাই মানে,
ফিরে যেতে হবে একদিন,
চিরন্তন সত্য কোরান-হাদিস 
ধরবে শেকড়ের যেখানে।
তবে কেন এই লড়াই-বড়াই?
কেন গুম, হত্যা, অসভ্য সভ্যতায়?
কচি কচি শিশু আজ
মহামারির ছোবলে প্রাণ হারায়।
নিষ্ঠুর,নষ্ট কিছু জঙ্গি-সন্ত্রাস দেশদ্রোহী                            নেশাখোর চান্দাখোর লুটতরাজ কষাই,
ধর্ষণের হাত থেকে রক্ষা পায় না
শিশু,বৃদ্ধ,কিশোরী,যুবতী কেউই।
ভোগের উন্মাদনায় ইবলিশরুপী শয়তান 
ছিন্নভিন্ন করে দেহ কামড়ে খায়
ধ্বংশ হয় মানবতার সৌন্দর্যটাই।
দেশটা আজ মবের রাজধানী,
কোথায় সেই ত্যাগী-আত্মত্যাগী বীর বাহিনী                        পাকি-পাকি বীজ হিংস্র-হায়না রাজাকার দালালী
তর্জনীর হুঙ্কারে সাড়া দেওয়া বীর বাঙালি?
গর্জে উঠো বার বার আরোও একবার,
ঠিক করতে হবে বর্তমান-চলমান 
এই অসভ্য বর্বরতার জাহেলীয় অন্ধকার 
রাষ্ট্র চলছে দেশবিরোধীদের জোকার-বোকার হাতে,
সুখের ঘরে দুঃখের আগুন জ্বালানো জনমন তা জানে
রাষ্ট্রঘর জ্বলে পুড়ে ছাই হচ্ছে নিপাতে।
কোথায় আইন? কোথায় বিচার?
দলাদলি,গালাগালি সুশিলগীরী হারিয়ে গেলি
নষ্ট হচ্ছে-পচে যাচ্ছে জেএনজি নামের শিষ্টাচার।
সংস্কারের নামে চলছে সার্কাস তলে তলে বাঁশ 
সুধীজন-মহাজন ঠকালো জনগন
জ্বালায়ে হারিকেন লুণ্ঠনের ফ্রান্স-লন্ডনে বসবাস।
যা ছিল মাথা উঁচু করে গতকালের উন্নয়নে
আজ তাই যেন জ্বালাও পোড়াও ভাঙনের পতন।
স্বাধীন দেশ একাত্তরে পেল পরাধীন হতে মুক্তি,
চব্বিশে এসে কেন ছত্রিশ আবার কিসে             দেশ বিক্রি চুক্তি?                                             ডিপ স্টেটের ডলারের লোভে করলি দালালি,     মেটিকিউলাস প্লেন তোদের সত্যি স্বীকার করলি।নোবেল খেকো এক রাক্ষুসে দেখালো কাঁচকলা, বাকি যা আছে আরেকজন শেষ করবে তলা।    দেশ ধোকার খপ্পরে আই হেব এ প্লেনে,              ভূল বুঝতে পেরে চাপরাচ্ছে কপাল,             নিজের পায়ে নিজেই তারা মেরেছে কুড়াল। 
গুনী জনের গলায় জুতা লাঞ্ছিত জাতি        প্রকৃতির বিচারে গত কেউ কেউ  আছে যারা তারা ভুয়া ভুয়া শ্লোগান শুনে খাচ্ছে পঁচা ডিম গুঁতা লাথি                             
আল্লাহ ছাড় দেন কিন্তু ছেড়ে দেন না,
ধরে ধরে ধরে কিন্তু 
ধরলে কিন্তু ছাড়েন না।
শেষ সময় যখন আসবে কাছে,
মানুষ ফিরে যাবে
চিরস্থায়ী অবস্থানে,
জান্নাত কিংবা জাহান্নামে,
সেই চিরন্তন সত্য বিচার                             আল্লাহর ধরবে শেকড় যেখানে।                               ২৫/০৫/২০২৬ রবিবার ৯:০০ পিএম।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/251130/</link>
				<pubDate>Mon, 25 May 2026 05:29:33 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শেকড় যেখানে (দুই)<br />
 ডা. এম. এইচ.রহমান খান।<br />
আমি মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব,<br />
ছিল না আমার কোনো অস্তিত্ব,<br />
বিধাতা আমায় দুনিয়ায় এনে<br />
করেছেন প্রাণবন্ত সজীব।<br />
আমার যেভাবে দিন কাটানোর কথা,<br />
পূর্ণ করতে পারলাম না<br />
আল্লাহর দেওয়া ওয়াদা।<br />
সময় কমে আসছে ধীরে ধীরে,<br />
ফিরে যেতে হবে আবার<br />
অন্তিম অন্ধকার কবরে।<br />
মাটির দেহ লুটাবে নীরব ঘুমে,&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-251130"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/251130/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0cf623534e4816bba6647665c6fe5e34</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/251124/</link>
				<pubDate>Mon, 25 May 2026 01:55:33 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">768ea4bead4508522e1ce1555dce6a5c</guid>
				<title>ডা.এম.এইচ.রহমান খান changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/250967/</link>
				<pubDate>Sun, 24 May 2026 15:46:36 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">80f0a2c7e9443b8e094014b61f8c5c0a</guid>
				<title>শেকড় যেখানে
 ডা. এম. এইচ.রহমান খান।
আমি মানুষ, সৃষ্টির সেরা জীব,
ছিল না আমার কোনো অস্তিত্ব—
বিধাতা আমায় দুনিয়ায় এনে
করেছেন সজীব।
আমার যেভাবে দিন কাটানোর কথা,
পূর্ণ করতে পারলাম না
আল্লাহর দেওয়া ওয়াদা।
সময় কমে আসছে ধীরে ধীরে,
ফিরে যেতে হবে আবার
অন্তিম অন্ধকার কবরে।
মাটির দেহ লুটাবে নীরব ঘুমে,
জানে সবাই, মেনে সবাই—
ফিরে যেতে হবে একদিন
চিরন্তন সত্য
শেকড়ের যেখানে।
তবে কেন এই লড়াই-বড়াই?
কেন গুম, হত্যা, অসভ্য সভ্যতায়?
কচি কচি শিশু আজ
মহামারির ছোবলে প্রাণ হারায়।
নিষ্ঠুর, নষ্ট কিছু
জঙ্গি, নেশাখোর, কষাই—
ধর্ষণের হাত থেকে রক্ষা পায় না
শিশু, বৃদ্ধ, কিশোরী, যুবতী কেউই।
ভোগের উন্মাদনায়
ছিন্নভিন্ন করে দেয়
মানবতার সৌন্দর্যটাই।
দেশটা আজ মবের রাজধানী,
কোথায় সেই ত্যাগী
একাত্তরের বীর বাঙালি?
গর্জে উঠো আরেকবার,
ঠিক করতে হবে
এই অসভ্যতার অন্ধকার।
রাষ্ট্র চলছে দেশবিরোধীদের হাতে,
সুখের ঘরে দুঃখের আগুন
রাষ্ট্রঘর নিপাতে।
কোথায় আইন? কোথায় বিচার?
দলাদলি, গালাগালি—
নষ্ট হচ্ছে শিষ্টাচার।
সংস্কারের নামে চলছে সার্কাস,
সুধীজন-মহাজন
জ্বালায় হারিকেন লুণ্ঠনের আশ্বাস।
যা ছিল গতকালের উন্নয়ন,
আজ তা-ই যেন
পতনের ঘোষণা।
স্বাধীন দেশ একাত্তরে পেল মুক্তি,
চব্বিশে এসে কেন
পরাধীনতার চুক্তি?
এ বিশ্বধরার যিনি মালিক,
তিনি ছেড়ে দেন, কিন্তু ভোলেন না—
ধরেন যখন,
তখন আর ছাড়েন না।
শেষ সময় যখন আসবে কাছে,
মানুষ ফিরে যাবে
নিজ নিজ ঠিকানায়—
জান্নাত কিংবা জাহান্নামে,
সেই চিরন্তন
শেকড় যেখানে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/250964/</link>
				<pubDate>Sun, 24 May 2026 15:42:47 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শেকড় যেখানে<br />
 ডা. এম. এইচ.রহমান খান।<br />
আমি মানুষ, সৃষ্টির সেরা জীব,<br />
ছিল না আমার কোনো অস্তিত্ব—<br />
বিধাতা আমায় দুনিয়ায় এনে<br />
করেছেন সজীব।<br />
আমার যেভাবে দিন কাটানোর কথা,<br />
পূর্ণ করতে পারলাম না<br />
আল্লাহর দেওয়া ওয়াদা।<br />
সময় কমে আসছে ধীরে ধীরে,<br />
ফিরে যেতে হবে আবার<br />
অন্তিম অন্ধকার কবরে।<br />
মাটির দেহ লুটাবে নীরব ঘুমে,<br />
জানে সবাই, মেনে সবা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-250964"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/250964/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>