<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Ekramul Manik | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/ekramul-hoque-manik/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/ekramul-hoque-manik/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Ekramul Manik.</description>
	<lastBuildDate>Mon, 22 Jun 2026 16:07:38 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">ad25bcf332138e224aed2b65c289dd58</guid>
				<title>Ekramul Manik and Drako Shajib are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/8505/</link>
				<pubDate>Wed, 21 Apr 2021 19:08:05 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c4ab2c6c783940db407c644427b8373e</guid>
				<title>সজিব এখন প্যারালাল ওয়ার্ল্ডে  
                                                  প্যারানরমাল কাহিনী

সজিবের সাথে সায়মনের প্রথম দেখা একটি সেবামুলক সংগঠনে। কথা বলতে বলতে বন্ধুত্ব। তারপর যার যার কাজ শেষে একসাথে বেরিয়ে পরা। সজিব সায়মন কে বললঃ আপনি কোনদিকে যাবেন ?   
সায়মনঃ আমি নন্দন কাননের দিকে যাব । 
সজিবঃ কি আশ্চর্য ! আমিও ঐদিকে যাব। আমার বাসা যে ঐদিকেই  
সায়মনঃ তাহলেতো ভালই হল। চলেন একসাথে যাই । 
সজিবঃ Okay, lets go! আপনি নন্দনকানন কোন দিকে যাবেন? 
সায়মনঃ এইতো বৌদ্ধ মন্দিরের কাছে। আর আপনি?
সজিবঃ ভালই হল। আমিও ঐদিকে নামবো। আমার বাসা মন্দিরের কাছাকাছি।  
সায়মন রিক্সা ঠিক করল । গোল পাহাড় মোর থেকে নন্দন কানন পর্যন্ত ৩০ টাকায়। দুইজন রিক্সায় উঠে পড়ল। রিক্সা চালক মনের আনন্দে গান গেয়ে রিক্সা চালাচ্ছে । চলে আমার সাইকেল হাওয়ার বেগে উইড়া উইড়া...। এইভাবে বেশ খানিকটা পথ রিকশা পাড়ি দিল। তখন লাভলেইনের মোরে ওরা। সজিব সায়মন কে বলল , জানেন ভাইয়া যখনি লাভলেইন থেকে নন্দন কাননের দিকে এই রাস্তা দিয়ে যাই, তখনি আমার কেমন জানি একটা অনুভুতি হয়। সায়মন সজিবের দিকে আড় চোখে প্রশ্নবোধক চোখে তাকিয়ে বলল, কেমন অনুভুতি ?   
সজিবঃ এই মনে করেন এই পথটা অনেকটা ঢালু, তাইনা? রিক্সা কিন্তু ২/৩ মিনিটের মধ্যে আমাদেরকে বৌদ্ধ মন্দিরের কাছে নিয়ে যেতে পারে।কিন্তু আমি যতবারই যাই আমার কাছে কেন জানি মনে হয়, এই পথ কখনো শেষ হবে না। মনে হয় অনন্তকাল ধরে এই রাস্তা দিয়ে আমি যাচ্ছি । আমার কেমন জানি ভয় করে। তবে সবসময় না। মাঝে মধ্যে এইরকম হয় । আর যাকেই আমার এই অভিজ্ঞতার কথা বলতে যাই, সেই আমাকে বলে আমি নাকি পাগল হয়ে যাচ্ছি। আপনিই বলেন ভাইয়া আমাকে কি আপনার পাগল মনে হয়? সায়মন সজিবকে আপাদমস্তক খুব ভাল করে দেখল । ২৫/২৬ বছরের সুপুরুষ বলা যায় সজিবকে। চেহারার মধ্যেও একটা সজিবতা আছে। যেমন  নাম, তেমনই চেহারা। রিক্সা ঢালু পথ দিয়ে নামা শুরু করে দিয়েছে। কিছুক্ষন পর হটাত সায়মনের মনে হতে লাগলো একটা বিশাল ছায়া তাদের গ্রাস করছে। মনে হচ্ছে সে অনন্ত কাল ধরে এই পথ পারি দিচ্ছে। পথ যেন শেষ হচ্ছে না। হায় হায় ! এ কেমন পথ চলা। তার শরীর দিয়ে ঘাম ঝরছে। অথচ এই মাঝ নভেম্বর মাসে শীত লাগার কথা। কিছুক্ষন আগেও ঠাণ্ডা লাগছিল। আর এখন কিনা গ্রীষ্ম কালের মত গরম লাগছে। সায়মন সজিবের দিকে তাকিয়ে দেখে সেও ঘামছে। মনে হচ্ছে রিক্সাওয়ালা একই জায়গায় প্যাডেল মারছে। কিন্তু রিক্সা সামনের দিকে যাচ্ছেনা। সায়মনের মনে হতে লাগলো, সজিব ঠিকই বলেছে। অথচ কিছুক্ষন আগেও মনে মনে সজিব কে পাগল ভাবছিল।
সজিবঃ সায়মন ভাই, আপনি কি কিছু অনুভব করতে পারছেন ?   
সায়মনঃ হুম! কেমন জানি মনে হল । কিছু সময়ের জন্য জায়গাটা অন্ধকার হয়ে গেল। মনে হল একটা ছায়া  আমাদের গ্রাস করল। আর আমরা স্থির হয়ে গেলাম কিছু সময়ের জন্য।  
সজিবঃ যাক বাবা ! তাহলে আমার মত পাগল আরেকজন পাওয়া গেল।   
সায়মনঃ পাগলে পাগলে মাসতুতু ভাই। হা হা হা ...
সজিবঃ রিকশাওয়ালা ভাই আপনার কি কিছু অনুভব হইছে এই জায়গাটা পার হওয়ার সময় ?     
রিক্সাওয়ালাঃ বৌদ্ধ মন্দির আইসা পরছি । নামেন ভাইজান! আপনাদের কথা আমি শুনছিলাম। আমার মনে হয়  কিছু একটা আছে এই জায়গায়। তয় আমিও খুব ভয় পাইছি । দোয়া দরুদ পরতে পরতে আইছি। আমার মনে হইতে ছিল এই জায়গা কোনদিন পার হইতে পারুম না। আমি আর কোনদিন এই পথ দিয়া আসুম না।  
সজিব ভাড়া দিতে চাইছিল। কিন্তু সায়মন তাকে সেই সুযোগ দিলনা। ভাড়া দিয়ে রিক্সা বিদায় করে দিল। 
সজিবঃ সায়মন ভাই চলেন একটু চা খাই। 
সায়মনঃ চলেন চা খেতে খেতে কিছুক্ষন বিষয় টা নিয়ে কথা বলি। 
চৌরাস্তার মোড়ে একটা হোটেলে তারা ঢুকল । সজিব চা আর পরটার অর্ডার দিল । দুইজনেই চুপচাপ পরটা রোল করে চা দিয়ে খেতে লাগলো।  
সজিবঃ সায়মন ভাই এই বিষয়টা আসলে কি ? এর কি কোন ব্যাখ্যা আছে আপনার কাছে?    
সায়মনঃ ব্যাখ্যা আছে আবার নাই। 
সজিবঃ মানে... !
সায়মনঃ পৃথিবীতে অনেক রহস্যের কোন ব্যাখ্যা নাই। তবে আমার কাছে মনে হয় আমরা কিছু সময়ের জন্য প্যারালাল ওয়ার্ল্ডে চলে গিয়েছিলাম। 
সজিবঃ প্যারালাল ওয়ার্ল্ড? এইটা আবার কি জিনিস !? 
সায়মনঃ এই মনে করেন আমাদের পৃথিবীর মত আরেকটা পৃথিবী। যাকে ছায়া পৃথিবীও বলা যায় । পাশাপাশি একই সাথে চলে বা ঘুরে । তবে একটি দৃশ্যমান আর অন্যটি অদৃশ্যমান । পৃথিবী থেকে অনেক মানুষ অদৃশ্য হওয়ার ঘটনা আছে। জানেন কি? তারা প্যারালাল ওয়ার্ল্ডে চলে গিয়েছিলেন। পরে আর ফিরে আসে নাই। 
সজিবঃ না-তো !এমন কখনো শুনিনি আমি। আমার সত্যি কেমন ভয় করছে... !
সায়মনঃ ভয় পেলে চলবেনা । তাছাড়া বিষয়টা যে এমনই হবে তা নয় কিন্তু। আবার এমনও হতে পারে যে এলিয়েনরা আপনার উপর বিশেষ নজর রাখছেন। অথবা হতে পারে টাইম ট্রাভেল। কিছু সময়ের জন্য হয়তো আমরা টাইম ট্রাভেল করেছি। 
সজিবঃ ভাইয়া আমার মাথা ঘুরছে।এইসব কিছুই বুঝতে পারছিনা। মস্তিস্ক আর কাজ করছেনা। সায়মন ভাই আমি দক্ষিন দিকে যাব। আপনি কোন দিকে যাবেন ? 
সায়মনঃ এইতো একটু সামনে। পশ্চিমে ! 
সজিবঃ আপনাকে একটু এগিয়ে দিয়ে আসি ?
সায়মনঃ আপনাকে আর কষ্ট করতে হবে না...। 
সজিবঃ আরে চলেন। আপনাকে ছাড়তে ইচ্ছে করছেনা ভাইয়া! কেন জানি মনে হয় কোন এক কালে আমরা একই মায়ের পেটের ভাই ছিলাম । ভাইয়া আপনার যদি কোন আপত্তি না থাকে তাহলে আপনার মোবাইল নাম্বার পেতে পারি ? 
সায়মনঃ নিশ্চয়। এইদিকে সায়মন তার মোবাইল নাম্বার সজিবকে বলছে... কিন্তু সজিবের কোন সাড়া শব্দ পাচ্ছেনা সায়মন। শেষ ডিজিট বলার পর যেই পাশে ঘুরল তখনই সায়মনের রক্ত হিম হয়ে গেল। তার পা আর চলছেনা!  সজিবকে আশে পাশে কোথায়ও দেখা যাচ্ছেনা। সজিব! সজিব!! সজিব!!! এইভাবে বেশ আওয়াজ করে তিনবার ডাকল। সজিব মুহূর্তে যেন কোথায় মিলিয়ে গেলো। জলজ্যান্ত একটা মানুষ মুহূর্তেই গায়েব!নিজের গায়ে চিমটি কেটে দেখল। ভাবছে স্বপ্ন কিনা । কিন্তু না ! নিজেকে নিজে ধিক্কার দিচ্ছে। কেন সজিবের ঠিকানা আর ফোন নাম্বার নিল না। সায়মন ঠিক বুঝে গেছে । সজিব আসলে প্যারালাল ওয়ার্ল্ডে চলে গেছে। তার আর ফেরার কোন সম্ভবনা নাই। সজিব এখন অন্য জগতের বাসিন্দা হয়ে গেছে। এইদিকে সায়মন তার বন্ধুর বাসায় না গিয়ে উল্টো পথে হাঁটা শুরু করল। এলোমেলো পা ফেলতে ফেলতে কোনোভাবে একটা সি,এন,জি তে উঠে বাসায় চলে এলো। বাসায় এসে কারো সাথে কোন কথা বলছেনা। কে কি বলছে কোন আওয়াজ তার কান দিয়ে প্রবেশ করছেনা। কিছুটা অস্বাভাবিক আচরন করছে সে। মা খেতে ডাকছে। অথচ সে একেবারে নির্লিপ্ত।  

পরদিন পেপার দেখছিল সায়মন।হটাত খেয়াল করল সজিবের ছবি পত্রিকায় ছাপানো।আর তাতে লেখা, একটি হারানো বিজ্ঞপ্তিঃ সজিব নামের ২৬ বছরের এক তরুন গতকাল সকাল ১০ টায় ঘর থেকে বেরিয়ে ছিল। তার পরনে নিল রঙের জিন্স প্যান্ট আর কালো রঙের ফুল হাতা শার্ট ছিল। তার উচ্চতা ৫ ফিট ৭ ইঞ্চি । গায়ের রঙ ফর্সা। যদি কোন সহৃদয় ব্যক্তি তার সন্ধান পান তাহলে নিন্ম ঠিকানায়......।

সায়মন চাপা আর্তনাদ করে সজিবকে ডাকল । সজিব তুই ফিরে আয় ভাই ! তোর সাথে আমার অনেক কথা  আছে। ফিরে আয় ভাই ...!! সজিব... !!!  

একরামুল হক মানিক</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/8328/</link>
				<pubDate>Tue, 20 Apr 2021 06:46:54 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>                                             সজিব এখন প্যারালাল ওয়ার্ল্ডে<br />
                                                  প্যারানরমাল কাহিনী</p>
<p>সজিবের সাথে সায়মনের প্রথম দেখা একটি সেবামুলক সংগঠনে। কথা বলতে বলতে বন্ধুত্ব। তারপর যার যার কাজ শেষে একসাথে বেরিয়ে পরা। সজিব সায়মন কে বললঃ আপনি কোনদিকে যাবেন ?<br />
সায়মনঃ আমি নন্দন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-8328"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/8328/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>