<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | মোহাম্মদ এরশাদ রিকাবদার | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/ershad/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/ershad/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for মোহাম্মদ এরশাদ রিকাবদার.</description>
	<lastBuildDate>Sat, 24 Oct 2026 20:22:18 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">92b1dcaf54e3e8c5b0a38b8f674f32e3</guid>
				<title>মোহাম্মদ এরশাদ রিকাবদার and Prithula Zaman are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/243501/</link>
				<pubDate>Mon, 06 Apr 2026 07:10:36 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">902779ad040f9ac510e99505fba69fc5</guid>
				<title>মোহাম্মদ এরশাদ রিকাবদার changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/243366/</link>
				<pubDate>Sun, 05 Apr 2026 11:19:54 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4bbe5da97631f8b4352df7b5d84f88c8</guid>
				<title>মোহাম্মদ এরশাদ রিকাবদার and মেহেদী হাসান are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/243243/</link>
				<pubDate>Sun, 05 Apr 2026 05:27:14 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">26f3ddeeffcb00992780b935fac31414</guid>
				<title>আমিত্তি 
শিবপুর পাইলট হাইস্কুলের একজন স্বনামধন্য শিক্ষকের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ছিল সেদিন। হাইস্কুলের মাঠে অনুষ্ঠান। আমার সে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার সৌভাগ্য হয়েছিল। যদিও আমার থাকার কথা না। কারণ আমি মাত্র তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ি। চাচাতো ভাই শহীদ আমাকে নিয়ে গেছেন। তিনি তখন এই স্কুলে ক্লাস এইটে পড়তেন। বড় ভাইদের কাছে শিবপুর হাইস্কুলের কত গল্প শুনেছি। স্যারদের কত কাহিনি শুনি।  ভাবতাম কবে সিক্সে ওঠব। কবে হাইস্কুলে ভর্তি হব। তবে শহীদ ভাই সেদিন আমিত্তির লোভ দেখিয়ে আমাকে সেই অনুষ্ঠান নিয়ে গেছিলেন। বলেছেন অনুষ্ঠানের শেষে আমিত্তি দেওয়া হবে। আমরা প্রায় সবাই আমিত্তির সঙ্গে কমবেশি পরিচিত । তারপরও বলি আমিতি বা আমিত্তি হচ্ছে জিলাপির মত প্যাঁচানো গোল আকৃতির এক ধরনের মিষ্টি। অমৃত থেকে সম্ভবত আমিত্তি শব্দটা এসেছে।

একদা এক বড়লোক বলেছিলেন, &quot;আমি যখন গরীব ছিলাম তখন মনে হতো গুড়ের চেয়ে মজাদার আর কোন খাবার নেই। &quot; আমিত্তিও আমার কাছে তখন সবচেয়ে  লোভনীয় খাদ্য ছিল। যদিও ধনী হতে পারিনি তবু জানি এই দুনিয়ায় আমিত্তির চেয়ে মজাদার অনেক খাবার রয়েছে।

যাক সে কথা। দুপুরের পর থেকে  আমরা হাইস্কুলের মাঠে। তারপর শুরু হলো ম্যারাথন বক্তৃতা। আমি বক্তব্য শুনছি আর ভাবছি, &quot;মাইনষের চাপায় এত জোর! ব্যাডারা এতো কথা কইতো পারে!&quot; এক একজন বক্তৃতা শেষ করেন তখন মনে হয় অনুষ্ঠান শেষ হবে। কিন্তু না। আরেক জন আসেন। ছেলেবেলায় টিভিতে ক্রিকেট খেলা দেখতাম। কিন্তু কিছুই বুঝতাম না। একজন ব্যাটসম্যান আউট হয়ে চলে গেলে ভাবতাম এই বুঝি খেলা শেষ হলো কিন্তু না, আরেক জন এসে খেলা শুরু করতেন।

মাগরিবের নামাজের আগে আলোচনা সভা শেষ হলো। মাইকে ঘোষণা করা হলো &quot;বাদ মাগরিব আপনারদের জন্য সামান্য মিষ্টির ব্যবস্থা করা হয়েছে। নিয়ে যাবেন ইনশাল্লাহ।&quot; স্কুলের ছাত্রদের বলা হলো, &quot;তোমরা দোতলায় চলে যাও। প্রথমে বাইরের অতিথিদের মিষ্টি দেওয়া হবে। পরে তোমাদেরকে।  নামার সময় আমিতি নিয়ে নামবে।&quot;

আমরা পূর্বদিকের দোতলার বারান্দা থেকে মিষ্টি বিতরণের দৃশ্য দেখছি। কারেন্টের আলোয় সব ফকফকা দেখা যাচ্ছে। কিছুক্ষণ শান্তিপূর্ণ ভাবেই সব কিছু চলছিল। এরপর কেন জানি পাবলিকের মধ্যে ক্ষোভ দানা বাঁধতে শুরু করলো। শুরু হলো হাঙ্গামা। লোকজন চিল্লাচিল্লি শুরু করলেন। বিতরণ সিস্টেমের সমস্যা নাকি যারা বিতরণ করছেন তারা ঘোড়ার বন্টন করছেন বুঝা যাচ্ছে না। আমি ভাবছি এত মানুষ কোত্থেকে আসলো? মিটিংয়ের সময় মাঠে তেমন লোকজন ছিল না। ছাত্ররা ছিল আর সামনে দিকে ছিল কিছু সংখ্যক মানুষ। আমিত্তির লোভে সবাই জড়ো হলো? মানুষের কথা কী বলব। নিজেও তো কম না। সামান্য মিষ্টির জন্য সেই দুপুর থেকে বসে রয়েছি। 

অবস্থা সুবিধাজনক না দেখে ছাত্ররা সব নীচে নেমে পড়লো। দেখাদেখি আমরাও নামলাম। এখন হট্টগোল আরও বেড়ে গেছে। তখন স্যারেরা আমাদেরকে ধাওয়া দিয়ে দোতলায় ওঠিয়ে দিলেন। কিছুক্ষণ কার্যক্রম স্থগিত থাকলো। মিষ্টি দেওয়া আবার শুরু হলো। কিন্তু পাবলিকের মনে অস্থিরতা রয়ে গেছে। আমরা অপেক্ষায় রয়েছি কখন ছাত্রদের দেওয়া শুরু হবে। এমন সময় দেখি বাঁশের তৈরি বড় খাঁচায় আমিত্তির বোঝা মাথায় নিয়ে একজন লোক মাঠে ঢুকলেন। ঠিক তখনই লোকজন তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়লেন। লোকটা খাঁচা নিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন। তারপর শুরু হলো আমিত্তির জন্য কাড়াকাড়ি। এরপর আরেক জন ঢুকলেন। একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হলো। দোতলা থেকে এহেন নয়নাভিরাম দৃশ্য দেখে আমাদের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেলো। এভাবে অপেক্ষা করলে কেয়ামত পর্যন্ত করা যাবে। কিন্তু আমিত্তি কপালে জুটবে না। ছাত্ররা আবার নীচে নেমে আসলো। তারাও চেষ্টা করছে মিষ্টির খাঁচায় ঝাঁপিয়ে পড়তে। কিন্তু বড়দের ঠেলে ওখানে পৌঁছানো কঠিন। এ যেন এক যুদ্ধক্ষেত্র। এই মুহূর্তে আমিত্তি জয় করার চেয়ে মহৎ কোন কাজ নেই। স্যারেরা এবার আরও কঠোর হয়ে গেলেন। হাতে বেত নিয়ে ধাওয়া দিয়ে ছাত্রদের ওপরে ওঠাতে চাইলেন। ছাত্ররা ছত্রভঙ্গ হয়ে গেলো। কেউ ওপরে ওঠলো, কেউ মাঠে রয়ে গেল। আবার কেউ মাঠে বাইরে ছিটকে পড়লো। আমরা এবার মাঠে বাইরে। আমাদের দোতলায় ওঠার ধৈর্য ও শক্তি কোনটাই আর অবশিষ্ট নেই। নিরুপায় হয়ে চরম হতাশা নিয়ে বাড়ির দিকে রওনা দিলাম। তারপর কী হলো জানি না। হয়তো পরে ঠিকঠাক মতো আমিত্তি বিতরণ হয়েছে। হয়তো যারা মিষ্টির খাঁচা বয়ে আনছিলেন তাদের ঘাড় ভেঙেছে। ভাঙলে ভাঙুক,ফাটলে ফাটুক। যাই ঘটুক না কেন তাদের অবস্থা আমাদের মিষ্টি না পাওয়ার কষ্টের চেয়ে মর্মান্তিক নয়।

কী নিদারুণ দুঃখ নিয়ে বাড়ি ফিরছিলাম লিখে বোঝানোর মতো এলেম আমার নেই। আমাদের পকেটে টাকা থাকলে দোকান থেকে আমিত্তি খেয়ে বাড়ি ফিরতাম। শহীদ ভাইয়ের কষ্টটা আমার চেয়ে বেশি।  তিনি একা থাকলে এতোটা দুঃখ পেতেন না। ছোট ভাইকে আশা দিয়ে নিয়ে এসেছেন। সেদিন মনে হয় অমাবস্যার রাত ছিল। এত অন্ধকার কখনো দেখিনি। আঁধার থাকাতে ভালোই হয়েছে। আমার করুণ মুখটা তার দেখতে হচ্ছে না। নিবিড় তমসায় দুই ভাই বাড়ি ফিরছি। কারও মুখে কোন কথা নেই। 

এই ঘটনার আগে ও পরে জীবনে বহু  আমিত্তি খেয়েছি, বেঁচে থাকলে আগামীতেও খাব কিন্তু সেদিনের অতৃপ্তি কোনদিন পূরণ হবে না।

এরশাদ 
২৩/১০/২০২৫</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/243111/</link>
				<pubDate>Sat, 04 Apr 2026 02:42:54 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> আমিত্তি<br />
শিবপুর পাইলট হাইস্কুলের একজন স্বনামধন্য শিক্ষকের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ছিল সেদিন। হাইস্কুলের মাঠে অনুষ্ঠান। আমার সে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার সৌভাগ্য হয়েছিল। যদিও আমার থাকার কথা না। কারণ আমি মাত্র তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ি। চাচাতো ভাই শহীদ আমাকে নিয়ে গেছেন। তিনি তখন এই স্কুলে ক্লাস এইটে পড়তেন। বড় ভাইদের কাছে শিবপুর হাইস্কুলের কত গল্প শুনেছি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-243111"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/243111/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>