<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Himu Ahmed | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/himu-ahmed/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/himu-ahmed/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Himu Ahmed.</description>
	<lastBuildDate>Thu, 29 Oct 2026 02:17:46 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">3ff78786494e4c328089a5b37a0d37e7</guid>
				<title>রণসঙ্গীত :কবি নজরুল ও জেনারেল ওসমানী

।।হিমু আহমেদ॥ আমরা জানি বাংলাদেশের রণসঙ্গীত রচনা করেছেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। নজরুলের সন্ধ্যা কাব্যগ্রন্থের ‘নতুনের গান’ কবিতার প্রথম দুই স্তবকই হচ্ছে বাংলাদেশের রণসঙ্গীত। বাংলাদেশের যে কোনো সামরিক অনুষ্ঠানে কিংবা জাতীয় পর্যায়ের কোন উৎসব বা অনুষ্ঠানে এই কবিতার প্রথম ২১ লাইন যন্ত্রসঙ্গীতে বাজানো হয়। বাজানো হয় রণসঙ্গীত হিসেবে। কিন্তু এই কবিতার দুটি স্তবক কীভাবে রণসঙ্গীত হিসেবে চূড়ান্ত হল ? কেই বা এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন? কত সালে? বাংলাদেশের জন্মের আগে নাকি পরে?
উইকিপিডিয়া হতে জানা যায়, বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম কর্তৃক ১৯২৯ খ্রিস্টাব্দে রচিত এবং সুরারোপিত সন্ধ্যা কাব্যগ্রন্থের ‘নতুনের গান’ কবিতা হতে চয়নকৃত অংশের একটি গান। দাদরা তালের এই সঙ্গীতটি ১৯৭২ সালের ১৩ই জানুয়ারি অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের তৎকালীন মন্ত্রীসভার প্রথম বৈঠকে বাংলাদেশের রণ-সঙ্গীত হিসেবে নির্বাচন করা হয়। এই গানটি ২০০৬ সালে বিবিসি বাংলার করা জরিপে সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বিশটি বাংলা গানের মধ্যে ১৮তম স্থান অধিকার করে।

কিন্তু আসল সত্য হচ্ছে, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনী ও সেনাবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন মুহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানী। তৎকালীন সময়ে তাঁকে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক হিসেবেই উল্লেখ করা হত। জেনারেল এমএজি ওসমানীই পাকিস্তান আমলে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের মার্চ সঙ্গীত হিসেবে কাজী নজরুল ইসলামের জনপ্রিয় ‘নতুনের গান’ কবিতার প্রথম দুই স্তবককে অনুমোদন করিয়েছিলেন।
আরেকটি সূত্র হতে জানা যায়, ১৯২৮ সালের ফেব্রুয়রি মাসের প্রথম সপ্তাহে নজরুল মুসলিম সাহিত্য সমাজের ২য় বার্ষিক সম্মেলনের উদ্দেশ্যে কলকাতা থেকে ঢাকায় আসেন। ঢাকায় সৈয়দ আবুল হোসেনের বাসভবনে অবস্থানকালে তিনি এই গানটি রচনা করেন। গানটি “নতুনের গান” শিরোনামে প্রথম প্রকাশিত হয় শিখা পত্রিকায়। পরে এটি সন্ধ্যা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত হয়। তবে দেওয়ান একলিমুর রাজা চৌধুরী এবং অধ্যক্ষ দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফের স্মৃতিচারণ হতে জানা যায়, ১৯২৮ সালে নজরুল দ্বিতীয়বার সিলেট সফরে আসার পথে কবিতাটি রচনা করেছিলেন। এবার আমরা সেই ‘নতুনের গান’ কবিতাটি পাঠ করি।
নতুনের গান
চল চল চল!
ঊর্দ্ধ গগনে বাজে মাদল
নিম্নে উতলা ধরণি তল,
অরুণ প্রাতের তরুণ দল
চল রে চল রে চল
চল চল চল।
ঊষার দুয়ারে হানি’ আঘাত
আমরা আনিব রাঙা প্রভাত,
আমরা টুটাব তিমির রাত,
বাধার বিন্ধ্যাচল।
নব নবীনের গাহিয়া গান
সজীব করিব মহাশ্মশান,
আমরা দানিব নতুন প্রাণ
বাহুতে নবীন বল!
চল রে নও-জোয়ান,
শোন রে পাতিয়া কান
মৃত্যু-তোরণ-দুয়ারে দুয়ারে
জীবনের আহবান।
ভাঙ রে ভাঙ আগল,
চল রে চল রে চল
চল চল চল।।
কোরাসঃ
ঊর্ধ্ব আদেশ হানিছে বাজ,
শহীদী-ঈদের সেনারা সাজ,
দিকে দিকে চলে কুচ-কাওয়াজ
খোল রে নিদ-মহল!
কবে সে খেয়ালী বাদশাহী,
সেই সে অতীতে আজো চাহি’
যাস মুসাফির গান গাহি’
ফেলিস অশ্রুজল।
যাক রে তখত-তাউস
জাগ রে জাগ বেহুঁশ।
ডুবিল রে দেখ কত পারস্য
কত রোম গ্রিক রুশ,
জাগিল তা’রা সকল,
জেগে ওঠ হীনবল!
আমরা গড়িব নতুন করিয়া
ধুলায় তাজমহল!
চল্ চল্ চল্।।
পাকিস্তান আমলে এই কবিতাটি যখন স্কুলে পড়ানো হতো, তখন পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠির কঠোর নিয়ন্ত্রণে থাকায় সরকারি স্কুল পাঠ্যপুস্তকে ‘মহাশ্মশান’- এর পরিবর্তে ‘গোরস্থান’ শব্দটি প্রতিস্থাপন করা হয়েছিল।
জেনারেল ওসমানী মাত্র ২৩ বছর বয়সে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে সর্বকনিষ্ট মেজর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ১৯৪২ সালে তিনিই ছিলেন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের সর্বকনিষ্ঠ মেজর। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান স্বাধীনতা লাভ করলে পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠি তার প্রমোশনের ব্যাপারে বিরাট টালবাহানা শুরু করে। ওসমানীর অনেক জুনিয়রকে প্রমোশন দিয়ে ওসমানীকে তারা বিরাট অপমান করে। দুর্দান্ত ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে ওসমানীকে যেখানে আলাদা করে মূল্যায়ন করা হত, সেখানে পাকিস্তানী সেনাবাহিনীতে তাঁকে মারাত্মকভাবে অবমূল্যায়ন করা হত। তবে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মুষ্টিমেয় বাঙালি সেনা কর্মকর্তা ও সৈনিকদের কাছে তিনি ছিলেন দেবতুল্য। তাকে তখনকার সময়ই ‘পাপা টাইগার’ নামে অভিহিত করা হত।

জেনারেল ওসমানী ছিলেন আজীবন গণতন্ত্রী, ধার্মিক ও খাঁটি দেশপ্রেমিক। মূলত তিনি বেঙ্গল রেজিমেন্টর সৈন্যদের বাঙালি জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধ করতে এবং মনোবল বাড়ানোর জন্য একটি উদ্দীপক সঙ্গীত নির্বাচন করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠি এটাকে তো কোনভাবেই মেনে নেবে না। এ কারণে তিনি তার নিয়ন্ত্রণে থাকা শুধুমাত্র তার রেজিমেন্টের জন্যই এ কবিতাটিকে রণসঙ্গীত হিসেবে নির্বাচিত করেছিলেন। পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে বাঙালি কর্মকর্তাদের ওপর জেনারেল ওসমানীর ছিল একচ্ছত্র প্রভাব। এ কারণে রণসঙ্গীতটিও অতি দ্রুত সবাই গ্রহণ করেছিলেন। পরে তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময়ও বিভিন্ন প্রশিক্ষণে এই রণসঙ্গীতটি ব্যবহার করেছিলেন। ওসমানীর এ সিদ্ধান্ত বাঙ্গালী সৈনিক এবং কর্মকর্তাদের উপর বিরাট প্রভাব বিস্তার করে। পরবর্তীতে মুক্তিযুদ্ধেও এ রণসঙ্গীতটি মুক্তিযোদ্ধাদের মনোবল দৃঢ়ভাবে বৃদ্ধি করেছিল। এ কারণে দাদরা তালের এই সঙ্গীতটি ১৯৭২ সালের ১৩ই জানুয়ারি অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের তৎকালীন মন্ত্রীসভার প্রথম বৈঠকেই বাংলাদেশের রণ-সঙ্গীত হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছিল।
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের সিলেট সফর ছিল সবদিক দিয়েই একটি তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়। বাংলাদেশের ইতিহাস রচনা করতে গেলেও নজরুলের এ সিলেট সফরটিকে অবশ্যই সামনে নিয়ে আসতে হবে। এ সফরে সিলেটবাসী গোঁড়ামি ও কুসংস্কারকে ঘৃনাভরে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছিলেন। মুসলিম নারীগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে পুরুষের পাশাপাশি নজরুলের অনুষ্ঠানে যোগদান করে বাংলাদেশের নারী স্বাধীনতায় বিশেষ ভূমিকা রেখেছিলেন। গ এবং এনা এগটট ধর্মীয় গোঁড়ামিকে পাশ কাটিয়ে সাংস্কৃতিক বিপ্লব ঘটিয়েছিল এবং রাজনীতিসচেতন হয়েছিলেন। সর্বোপরি জেনারেল ওসমানীর মনেও নজরুলের প্রভাব বাংলাদেশের ইতিহাসে ছিল একটি টার্নিং পয়েন্ট। এ কারণেই নজরুলের গানটিকে রণসঙ্গীত রাখা তবে টুট   সেবে প্রতিষ্ঠিত করতে ওসমানীর ভূমিকা ছিল চিরস্মরণীয়।

[হিমু আহমেদ, প্রাবন্ধিক, কলাম লেখক, শিশু সাহিত্যিক, ০১৭৪৫৯৬৪০১১]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/87732/</link>
				<pubDate>Sat, 08 Jan 2022 17:38:03 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>রণসঙ্গীত :কবি নজরুল ও জেনারেল ওসমানী</p>
<p>।।হিমু আহমেদ॥ আমরা জানি বাংলাদেশের রণসঙ্গীত রচনা করেছেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। নজরুলের সন্ধ্যা কাব্যগ্রন্থের ‘নতুনের গান’ কবিতার প্রথম দুই স্তবকই হচ্ছে বাংলাদেশের রণসঙ্গীত। বাংলাদেশের যে কোনো সামরিক অনুষ্ঠানে কিংবা জাতীয় পর্যায়ের কোন উৎসব বা অনুষ্ঠানে এই কবিতার প্রথম ২১ লাইন যন্ত্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-87732"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/87732/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">55de069690d3018b8f17c084626b60e1</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/87730/</link>
				<pubDate>Sat, 08 Jan 2022 17:36:52 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9aa149defe794c05d0c6f59814ede627</guid>
				<title>ব্রেইন হ্যাকিং প্রযুক্তি ও ভবিষ্যৎ বিশ্ব

।।হিমু আহমেদ।। 

প্রযুক্তির উৎকর্ষতার যুগে চীন তৈরি করেছে নকল সূর্য। এ কৃত্রিম সূর্যের তাপমাত্রা আসল সূর্যের চেয়ে আট গুণ বেশি। সূর্যের কেন্দ্রের উষ্ণতা যেখানে দেড় কোটি ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেখানে চীনের এই &#039;কৃত্রিম সূর্য&#039; উৎপন্ন করতে পেরেছে ১২ কোটি ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা অর্থাৎ সূর্যের কেন্দ্রের তাপমাত্রার ৮ গুণ!  অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি। 
এ যুগে মস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রণ করা তো কোন ভয়ানক স্বপ্ন নয়। বাস্তবেই তা সম্ভব হচ্ছে। মানুষের স্নায়ু-সংকেত নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ করার বিষয়টি আয়ত্তে আসায় মস্তিষ্ক হ্যাক হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষজ্ঞদের বরাতে প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট মাদারবোর্ডের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, &#039;সময় দ্রুত চলে যাচ্ছে। তাই দ্রুত নিরাপত্তা অবকাঠামো তৈরি করা প্রযোজন; যাতে আমাদের মস্তিষ্ককে আমাদের বিরুদ্ধে কেউ কাজে লাগাতে না পারে।&#039;
মানুষের মস্তিষ্ক হ্যাক করে গোপন তথ্য চুরি করা যে সম্ভব, তার প্রমাণ আগেই দিয়েছেন ইউনিভার্সিটি অব অক্সফোর্ড এবং ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার বিজ্ঞানীরা। তারা ২০১২ সালের শুরুর দিকে স্বল্পমূল্যের ইমোটিভ ব্রেইন কম্পিউটার ইন্টারফেস বা ইমোটিভ বিসিআই ব্যবহার করে মানুষের ব্রেইন হ্যাক করতে সক্ষম হন। গবেষণায় সহযোগিতা করা স্বেচ্ছাসেবকদের কয়েকজনকে ইমোটিভ বিসিআই হেডসেট পরিয়ে কম্পিউটারের সামনে বসিয়ে দেন বিজ্ঞানীরা। এরপর মস্তিষ্কের পি-৩০০ সিগন্যাল অনুসরণ করে সংগ্রহ করেন স্বেচ্ছাসেবকদের ব্যক্তিগত বিভিন্ন গোপন তথ্য।
ইমোটিভ বিসিআই ব্যবহার করে স্বেচ্ছাসেবকদের মস্তিষ্ক থেকে সংগ্রহ করা ডেটা থেকে খুব সহজেই তাদের ঠিকানা, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং কার্ড পিন নম্বর খুঁজে বের করতে সক্ষম হন বিজ্ঞানীরা। বিজ্ঞানীরা তখন আশঙ্কা করছিলেন, এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের ওপর হ্যাকিং চালাতে পারে নানা অশুভ শক্তি।
২০১৩ সালের পর থেকে ব্রেইন হ্যাকিংয়ের অভিযোগে আমেরিকার বিভিন্ন আদালতে একাধিক মামলা হয়েছে। এসব মামলার নথিপত্র পাওয়া গেলেও সর্বশেষ ফল কি হয়েছে তা জানা যায়নি।
সম্প্রতি বাংলাদেশে ঘটেছে এক অদ্ভুত ঘটনা। বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় সংবাদটি প্রচারিত হওয়ার পর ঘটনাটির সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে। যদি সত্যি সত্যিই এ ঘটনাটির বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়, তবে তাহলে আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে ভয়াবহ ভবিষ্যৎ। 
বিভিন্ন পত্রিকার সংবাদ হতে জানা যায় কক্সবাজারের কুতুবদিয়ার ৩২ বছর বয়সের টগবগে যুবক হারুনুর রশিদের  ব্রেইন হ্যাক করা হয়েছে। হারুন উপজেলার আলি আকবার ডেইল ইউনিয়নের সিকদারপাড়ার বাসিন্দা এবং ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য। হারুন নিজেই পুলিশের কাছে তার ব্রেইন হ্যাক করার কথা জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে তিনি দুজনকে অভিযুক্ত করে থানায় জিডি করেছেন। সাইবার ট্রাইব্যুনালে একটি মামলাও করেছেন।
মামলার তদন্ত করছে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। হারুনের অভিযোগ, হ্যাকাররা তার ব্যাংক হিসাব ক্লোন করে বিপুল পরিমাণ অর্থও হাতিয়ে নিয়েছে। এখন তার ওপর রাত-দিন সাইবার টর্চার চলছে। এ নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে ‘মস্তিষ্ক থেকে সব স্মৃতি মুছে ফেলা’র হুমকিও দেওয়া হচ্ছে।
হারুন জানিয়েছেন, বছর তিনেক আগে তিনি শ্বশুরবাড়িতে গিয়েছিলেন। পারিবারিক দ্বন্দ্বের জের ধরে তার শ্যালিকা আসমা উল হোসনা ষড়যন্ত্র করে  তাকে চায়ের সঙ্গে মিশিয়ে কিছু একটা খাওয়ায়। এর পর তিনি ঘুমিয়ে পড়েন। ঘুমান্ত অবস্থায় তার শ্যালিকার সহযোগিতায় হ্যাকার চক্রটি ইনজেকশন পুশ করে তাকে অচেতন করে। এরপর তার মাথায় একটি ছোট ইলেকট্রিক যন্ত্র অর্থাৎ কম্পিউটার ডিভাইস বা নিউরো চিপ স্থাপন করে। এরপর আনুমানিক ৪-৫ ঘণ্টা অচেতন অবস্থায় চলে যান তিনি। জাগার পর খেয়াল করেন মাথায় হাল্কা চিনচিনে ব্যথা অনুভব হচ্ছে। মাথায় হাত দিয়ে হালকা রক্তপিণ্ডের মতো কিছু একটার অস্তিত্ব পান। এরপরই তিনি শ্যালিকা আসমা উল হোসনাকে মাথায় কি হয়েছে দেখতে বলেন। তখন শ্যালিকা নির্বিকার চিত্তে জবাব দেন, কোনো পোকার কামড়ে বা কোনো কারণে হয়তো একটুখানি রক্তের মতো দেখা যাচ্ছে।
হারুন বলেন, ‘এ ঘটনার পরদিন আমি একজন খুব পরিচিত কণ্ঠের গায়েবি আওয়াজ শুনতে পাই। সেখানে আমাকে গালাগাল করা হচ্ছিল। ইতোমধ্যেই আমার ফেসবুক এলোমেলো হয়ে যায়। ব্যবহৃত আইফোনে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পাবজিসহ ৫টি গেমস ডাউনলোড হয়ে যায়। কয়েক দফায় আমার ব্যাংক হিসাব থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ গায়েব হয়ে যায়। এরপর ক্রমাগত মানসিকভাবে ভেঙে পড়ি। একান্ত আপনজনদের কেউই আমার এসব ভূতুড়ে বিষয় বিশ্বাস করা তো দূরের কথা হাসিঠাট্টার রসদ বানাতে থাকে আমাকে।’
তিনি বলেন, ‘পরে পরিচিত একজন আইটি বিশেষজ্ঞকে আমার আইফোনের বিচিত্র আচরণ ও ফেসবুকের ওপর আমার নিয়ন্ত্রণহীনতার বিষয়টি শেয়ার করলে তার পরামর্শ অনুযায়ী Apple, google এবং ফেসবুক কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি উল্লেখ করে বার্তা পাঠাই। একপর্যায়ে নিশ্চিত হই Apple ID হ্যাক করে আমার Phone এর আইটিউনসহ সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করছে হ্যাকাররা।’
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র থেকে আনা Low Frequency Micro-chip শনাক্তকারী উবারপব দ্বারা হারুনের মাথায় নিউরো চিপের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। এরপর বিদেশি একজন ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী একাধিকবার চেষ্টার পর এমআরআই করে হারুনের মাথায় নিউরো চিপ ধরা পড়ে। তবে ভিকটিম হারুন এতদিন মনে করতেন তার শরীরের কোনো ধরনের কম্পিউটার ডিভাইস ইমপ্ল্যান্ট না করে তার ব্রেইন কন্ট্রোল করছে হ্যাকাররা।
দেখা গেছে, হারুন কোনো অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন হাতে নিলে তার শরীর হাল্কা কেঁপে ওঠে। তার হাতের স্পর্শের পরপরই ফোনে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পাবজি গেমসসহ ৪ থেকে ৫টি ক্ষতিকর গেমস ডাউনলোড হয়ে যায়। হারুনের হাত দিয়ে স্পর্শ করা স্মার্টফোনটি মুহূর্তেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে দ্বিতীয় কোনো ব্যক্তির বা ডিভাইসের নিয়ন্ত্রণে চলে যাচ্ছে। এতে ফোনে থাকা যাবতীয় ডকুমেন্ট ও তথ্য সহজে হ্যাকাররা পেয়ে যাচ্ছে।
হারুনের দাবি, কুতুবদিয়া উপজেলার বাসিন্দা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া আতিকুর রহমান নামের একজন শিক্ষার্থী তার শ্যালিকা আসমা উল হোসনার সহযোগিতায় নিউরো চিপ স্থাপন করে তার ব্রেইন হ্যাক করেছে এবং তার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ক্লোন করে প্রায় ২০ লাখের বেশি টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছে।
হারুণের ভাষ্য, বিদেশি একটি ‘ব্রেইন হ্যাকার’ চক্র বাংলাদেশে রয়েছে। তাদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে দেশি কিছু হ্যাকার। তারা ইসরাইল ও আমেরিকা থেকে আনা ক্ষুদ্র কম্পিউটার ডিভাইস চিপ টার্গেট করা ব্যক্তিদের শরীরে স্থাপন করে এবং যাবতীয় তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি অর্থও লুটে নিচ্ছে। আতিকুর রহমান সে দলের একজন। আতিকের মাথায়ও নিউরো চিপ রয়েছে। সে হ্যাকারদের সঙ্গে ব্রেইন টু ব্রেইন কথা বলতে সক্ষম। তাদের অর্থাৎ হ্যাকারদের মধ্যে নিয়মিত কথা হয়।
হারুন জানান, সম্প্রতি তাকে এ বিষয়ে বাড়াবাড়ি না করে অপারেশন করে মাথা থেকে নিউরো চিপ ফেলে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে হ্যাকার আতিকুর রহমান। তা না হলে তার মস্তিষ্ক থেকে সবকিছু মুছে ফেলে পঙ্গু করার হুমকি দিয়েছে।
হারুন আরও জানান, থানায় জিডির পাশাপাশি ঢাকায় সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছেন তিনি। প্রথমে ভুয়া ও হাস্যকর উল্লেখ করে মামলাটি নিতে চায়নি ট্রাইব্যুনাল। পরে তার কথা শোনার পর মামলাটি গ্রহণ করে পুলিশের ঢাকার গোয়েন্দা বিভাগকে তদন্তের ভার দেওয়া হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. শামীম বলেন, &#039;বাদীর ফোনটি ফরেনসিক রিপোর্টের জন্য পাঠানোর আগ মুহূর্তে লস্ট মুডে চলে যায়। বিবাদীর একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল সেট জব্দ করা হয়েছিল। সেটিতে তেমন কিছু পাওয়া যায়নি। এ কারণে মামলাটি নিয়ে সামনে অগ্রসর হওয়া যায়নি। তবে ভিকটিমের মাথায় যেহেতু এখন চিপের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে; তাই ভিকটিম চাইলে মামলাটি আবার পুনরুজ্জীবিত করতে পারেন।&#039;
কক্সবাজার সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মো. ফয়সাল আহমেদ হারুনের কাছে সবকিছু শোনার পর বলেন, &#039;আমি সিআইডির ক্রাইম বিভাগে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করেছি। ইতোপূর্বে বাংলাদেশে এ ধরনের কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তাই এ বিষয়ে কাজ করা বেশ কঠিন এবং চ্যালেঞ্জিং। তাই সিআইডি ক্রাইম বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয় করে বিষয়টি উদ্ঘাটনের চেষ্টা করা হবে।&#039; 
তবে মূল আসামী আতিকুর রহমান এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি ইউনিভার্সিটির স্টুডেন্ট হলেও এত এক্সপার্ট নই। তাছাড়া কোনো হ্যাকার চক্রের সঙ্গে আমার সম্পর্ক নেই।’
এ প্রসঙ্গে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরো সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ শামশুল ইসলাম খান বলেন, ‘ব্রেইন হ্যাকের বিষয়টি অবিশ্বাস্য এবং হলিউড- বলিউডের মুভির কোনো গল্পের মতোই মনে হচ্ছে।’ 
এ তো গেল বাংলাদেশের একটি বিশেষ ঘটনা প্রসঙ্গ। 
বাংলাদেশে এমন অনেক ঘটনা ঘটে যা আমাদের জন্য সত্য-মিথ্যা নির্ধারণ করা দুরূহ হয়ে পড়ে। তবে এটা নিশ্চিত যে, আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই মানুষের মস্তিষ্কে ক্ষুদ্র কম্পিউটার চিপ স্থাপন করে মানুষকে আরো বুদ্ধিমান করে গড়ে তোলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন গবেষকরা। ওইসব চিপ মস্তিষ্ক ও কম্পিউটারের  মধ্যে একটি যোগসূত্র তৈরি করে মানুষের বুদ্ধিমত্তা বাড়াবে বলেই দাবি করা হচ্ছে।
উচ্চ প্রযুক্তির চিপ মানুষের মস্তিষ্কে স্থাপনের মাধ্যমে বুদ্ধিমত্তা বাড়ানোর পথ তৈরি করছেন বিজ্ঞানীরা। মানুষের মস্তিষ্ক হ্যাক করে তার কর্মক্ষমতা আরো বাড়ানোর চেষ্টায় কাজ করছেন বিশেষজ্ঞরা। নর্থওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির নিউরো সায়েন্টিস্ট ড. মোরান কার্ফ জানিয়েছেন, &#039;সাম্প্রতিক প্রযুক্তিগত উন্নয়নে মানুষের মস্তিষ্কে কম্পিউটার চিপ স্থাপন করে তার ক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়টি সম্ভব হবে আগামী ৫ বছরের মধ্যেই।&#039; মানুষের বুদ্ধিমত্তা বাড়াতে এই নিউরো সায়েন্টিস্ট এমনই একটি বিশেষ চিপ নিয়ে গবেষণা করছেন।
অন্যদিকে, মানুষের মস্তিষ্কে চিপ বসানোর এ ধরনের আইডিয়া নিয়ে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ইলন মাস্ক নিউরালিংক নামের একটি ব্রেন-কম্পিউটার ডিভাইস তৈরির কাজ করছেন। এমনকি আমেরিকান সেনাবাহিনী মানুষের মস্তিষ্ক হ্যাক করার উপায় খুঁজছে। এন থ্রি নামে আমেরিকান সেনাবাহিনী একটি প্রোগ্রাম হাতে নিয়েছে, যার লক্ষ্য ভবিষ্যতে ব্রেইন ওয়েভের মাধ্যমে প্রযুক্তিগত কাজ করা। তার মানে হলো সেনা সদস্যরা অদূর ভবিষ্যতে হয়তো তাদের মস্তিষ্কের মাধ্যমে ড্রোন ও সাইবার সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে।
বিষয়টা সায়েন্স ফিকশনের মতো মনে হলেও নন সার্জিকাল সিস্টেম হিসেবে গিলে খাওয়া, শরীরে ইনজেক্ট করা বা নাক দিয়ে শরীরের ভেতরে নেয়া কোনো ডিভাইস উদ্ভাবনের কথা ভাবছে আমেরিকান সেনা কর্তৃপক্ষ। এছাড়া আমেরিকান সেনাবাহিনী টার্গেটেড নিউরো প্লাস্টিসিটি ট্রেইনিং নামের একটি প্রোগাম হাতে নিয়েছে। এর ফলে ইলেকট্রিকাল স্টিমুলেশনের মাধ্যমে একজন মানুষ এমন অনেক জটিল কাজ সহজে করতে পারবে, যা স্বাভাবিকভাবে করতে গেলে কয়েক হাজার ঘণ্টা ব্যয় হতে পারে।
ড. মোরান বলেন, এমনভাবেই বিজ্ঞানী ও গবেষকরা মস্তিষ্কে কোনো ধরনের অপারেশন ছাড়া প্রযুক্তির সহায়তায় মস্তিষ্ককে নিয়ন্ত্রণ করার পথ খুঁজছে। এমন কিছু কি খাওয়া যায়, যা মস্তিস্কে গিয়ে জমা হবে ও সেখানে গিয়ে কাজ করতে পারবে? এই প্রশ্নের সমাধান হয়তো কয়েক বছরেই সম্ভব, বলছেন ড. মোরান।
তবে ইউরোপীয় গবেষকরা &quot;নিউরো-চিপস&quot; তৈরি করেছেন যাতে জীবিত মস্তিষ্কের কোষ এবং সিলিকন সার্কিট একসাথে মিলিত হয়।
এই অর্জনটি একদিন স্নায়ুবিক অসুস্থতার চিকিৎসা করতে বা জীবিত নিউরনের সাহায্যে সংখ্যার ক্র্যাঙ্ক করে এমন জৈব কম্পিউটারগুলির বিকাশের জন্য পরিশীলিত নিউরাল প্রোথেসিজ তৈরি করতে সক্ষম করতে পারে।
স্নায়ুজনিত ব্যাধি চিকিৎসা করার জন্য বা জীবন্ত কম্পিউটার তৈরি করার জন্য প্রযুক্তিটি যথেষ্ট উন্নত হওয়ার কয়েক দশক আগেও হতে পারে, গবেষকরা বলেছেন, তবে কাছাকাছি সময়ে, চিপস ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পের জন্য ওষুধের স্ক্রিনিংয়ের একটি উন্নত পদ্ধতি সরবরাহ করতে পারে।
&quot;ফার্মাসিউটিক্যাল সংস্থাগুলি দ্রুত গবেষণার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ উপায়গুলি আবিষ্কার করার জন্য, নিউরনে ড্রাগগুলির প্রভাব পরীক্ষা করার জন্য চিপটি ব্যবহার করতে পারে&quot;।
গবেষকরা এখন উদ্দীপনা চলাকালীন নিউরনগুলিকে ক্ষতিগ্রস্ত না করার উপায়গুলি নিয়ে কাজ করছেন। দলটি নিউরো-চিপ নিয়ন্ত্রণের জন্য নিউরনের জিনগত নির্দেশাবলী ব্যবহারের সম্ভাবনাটিও অনুসন্ধান করছে। হয়ত খুব দ্রুতই এ অনুসন্ধান পর্বের কাজেরও একটা ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া যাবে। 

গবেষকদের এ গবেষণা সফল হলে একদিকে যেমন চিকিৎসা ক্ষেত্রে অভাবনীয় সাফল্য আসবে, অপরদিকে অপরাধী চক্র এটাকে ভয়াবহ অপরাধ সংগঠনের কাজে ব্যবহার করবে। ফলশ্রুতিতে আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে ভয়াবহ ভবিষ্যৎ। ব্রেইন হ্যাকিংয়ের এ প্রযুক্তি মানবসমাজের জন্য আশীর্বাদ নাকি অভিশাপ তা সময়ই বলে দেবে। 

[হিমু আহমেদ, প্রাবন্ধিক, গল্পকার, শিশু সাহিত্যিক, কলাম লেখক। ০১৭৪৫৯৬৪০১১]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/87729/</link>
				<pubDate>Sat, 08 Jan 2022 17:36:23 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ব্রেইন হ্যাকিং প্রযুক্তি ও ভবিষ্যৎ বিশ্ব</p>
<p>।।হিমু আহমেদ।। </p>
<p>প্রযুক্তির উৎকর্ষতার যুগে চীন তৈরি করেছে নকল সূর্য। এ কৃত্রিম সূর্যের তাপমাত্রা আসল সূর্যের চেয়ে আট গুণ বেশি। সূর্যের কেন্দ্রের উষ্ণতা যেখানে দেড় কোটি ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেখানে চীনের এই &#8216;কৃত্রিম সূর্য&#8217; উৎপন্ন করতে পেরেছে ১২ কোটি ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা অর্থাৎ সূর্যের কেন্দ্রের তাপ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-87729"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/87729/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>