<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | KHAN Television | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/khantelevision/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/khantelevision/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for KHAN Television.</description>
	<lastBuildDate>Tue, 25 Aug 2026 03:30:07 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">9b9980b65bd1ce307332e30f47ffbac6</guid>
				<title>KHAN Television changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/265335/</link>
				<pubDate>Mon, 24 Aug 2026 17:34:12 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">cc887974f03513e65197d5449a3e6ae2</guid>
				<title>KHAN Television changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/265261/</link>
				<pubDate>Mon, 24 Aug 2026 14:34:41 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bad305455e6e7407424c2f797fae2a45</guid>
				<title>&quot;মুহাম্মদ সা এর আগমন মাসে তাঁর স্মরণে&quot;
মহানবি সা.-এর আগমন কোনো আকস্মিক বিষয় ছিল না; বরং সৃষ্টির সূচনা থেকে মহাজগৎ তাঁর আগমনের অপেক্ষায় ছিল। আল্লাহ তাআলা সব নবির কাছ থেকে তাঁর প্রতি আনুগত্যের অঙ্গীকার গ্রহণ করেছেন।
‘স্মরণ করো, যখন আল্লাহ নবিদের অঙ্গীকার নিয়েছিলেন যে তোমাদের কিতাব ও হিকমত যা কিছু দান করেছি, অতঃপর তোমাদের কাছে যা আছে তার সমর্থকস্বরূপ যখন একজন রাসুল আসবেন, তখন তোমরা তার প্রতি ঈমান আনবে এবং তাকে সাহায্য করবে।’ -সুরা আলে ইমরান, আয়াত : ৮১
মহানবি সা. অন্য কোনো নবির সমসাময়িক ছিলেন না। তার পরও এ অঙ্গীকার গ্রহণের অর্থ হলো তারা যেন নিজেদের অনুসারীদের এই নবির আগমনের সুসংবাদ এবং তাদের আনুগত্যের নির্দেশ দেন। ফলে পৃথিবীর প্রধান প্রধান ধর্মগ্রন্থে মহানবি সা.-এর আগমনের সুসংবাদ খুঁজে পাওয়া যায়।

১. তাওরাত : মুসা আ. তাঁর অনুসারীদের বলেন, ‘নিশ্চয়ই তোমাদের প্রতিপালক ও ইলাহ আমার মতো একজন নবি প্রেরণ করবেন ইবরাহিম আ.-এর বংশধর তোমাদের ভাইদের মধ্য থেকে।’- আল মারজাউ ফি সিরাতুন-নাবাবিয়্যা, পৃষ্ঠা ৬৬
নবি ইয়াকুব আ. যিনি &#039;ইসরায়েল&#039; নামেও পরিচিত, তিনি মৃত্যুর আগে তার ১২ পুত্রকে একত্রিত করে উপদেশ দেন এবং ভবিষ্যতের কিছু ঘটনা সম্পর্কে অবহিত করেন। তিনি তাদের জানিয়ে দিলেন যে,
যতক্ষণ না &#039;শীলোআহ&#039; (মুহাম্মদ স.)আসবেন, ততক্ষণ পর্যন্ত ইহুদিদের থেকে নবুয়ত ও হিকমাহ থাকবে, আর যখন তিনি আসবেন, তখন আল্লাহর সামনে ইহুদি ও অন্যান্যদের জন্য তার আনুগত্য করা বাধ্যতামূলক।
২. ইঞ্জিল : বাইবেলে মহানবি সা.-কে ‘ফারাক্লিত’ নামে অবহিত করা হয়েছে। সুরয়ানি এ শব্দের অর্থ প্রশংসিত। ঈসা আ. মহানবি সা.-এর ব্যাপারে বলেন, ‘তোমাদের বলার আমার আরো অনেক কথা আছে। কিন্তু তোমরা এখন তা সহ্য করতে পারবে না। যখন সে সত্য-আত্মা আসবেন, তখন তিনি তোমাদের সত্যের সন্ধান দেবেন। তিনি নিজ থেকে কিছু বলবেন না। যা যা শুনবেন তাই বলবেন এবং ভবিষ্যতরেও জানাবেন।’-প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা ৬৮
৩. দিঘা-নিকায়া : সাইয়েদ মানাজির আহসান গিলানি রহ. বলেন, গৌতম বুদ্ধ আল্লাহর প্রেরিত পুরুষ হওয়ার সম্ভাবনা উল্লেখ করে গৌতম বুদ্ধ ও তার ঘনিষ্ঠ শিষ্য নন্দের ভাষ্যে উল্লেখ করেছেন—‘হে আমার মুনিব, আপনি চলে যাওয়ার পর দুনিয়াকে কোন শিক্ষা দেবো? গৌতম বুদ্ধ তার উত্তরে বললেন, ‘নন্দ, আমি দুনিয়ায় আগত প্রথম বৌদ্ধও নই এবং শেষ বৌদ্ধও নই।
যথাসময়ে দুনিয়াতে আরেকজন বৌদ্ধ আসবেন। তিনি হবেন পবিত্র ও আলোকিত অন্তরের অধিকারী। যিনি অনিবার্য বাস্তবতায় প্রকাশ পাবেন।’-আন-নাবিয়্যুল খাতিম, পৃষ্ঠা ৩০ 
৪. বেদ-পুরাণ : কোনো কোনো ঐতিহাসিক দাবি—বেদ, পুরাণ ও উপনিষদ ভবিষ্যতে ‘কল্কি অবতার’ আগমনের সে ভবিষ্যদ্বাণী এসেছে তার উদ্দেশ্য মুহাম্মদ সা.। যেমন ভাগবত পুরাণের ১২ খণ্ডের দ্বিতীয় অধ্যায়ে ১৮-২০ শ্লোকে বলা হয়েছে, ‘বিষ্ণুয়াস নামে একজন ঘরে যে মহৎ হৃদয়ের ব্রাহ্মণ এবং সাম্বালা নামের একটি গ্রামের প্রধান, তাঁর ঘরে জন্মাবেন কল্কি।’ এখানে বলা হয়েছে, কল্কির বাবার নাম বিষ্ণুয়াস। বিষ্ণু কথার অর্থ ইশ্বর এবং ইয়াস কথার অর্থ দাস। অর্থাৎ ইশ্বরের দাস। যার আরবি অর্থ আবদুল্লাহ। এটা রাসুল সা.-এর পিতার নাম। কল্কির জন্ম সাম্বালা গ্রামে। সাম্বালা শব্দের অর্থ প্রশান্ত। রাসুল সা.-এর জন্মভূমি মক্কাকে দারুল আমান বা শান্তির জায়গা বলা হয়। মহানবী সা. মক্কার নেতৃস্থানীয় পরিবারেই জন্মগ্রহণ করেন।

মহানবি হযরত মুহাম্মদ সা.অন্যান্য সাধারণ মানুষের মতো মাতৃগর্ভে স্বাভাবিক ৯ মাস অবস্থান করেছেন। তবে তাঁর গর্ভকালীন সময় ও তাঁর মা হযরত আমিনা রা. কোনো ধরনের কষ্ট, বেদনা বা গর্ভকালীন সাধারণ শারীরিক জটিলতার সম্মুখীন হননি বলে বিভিন্ন সিরাত ও ঐতিহাসিকভাবে বর্ণিত হয়েছে। তিনি সাধারণ মানব-ভ্রূণের মধ্য দিয়েই মায়ের গর্ভে তিলে তিলে সৃষ্টি ও বিকশিত হয়েছেন। ভ্রূণ সৃষ্টির সাধারণ বৈজ্ঞানিক ও তাত্ত্বিক পরিক্রমা তাঁর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য ছিল
জগদ্বাসীর জন্য প্রশান্তির বার্তা নিয়ে এই মাটির পৃথিবীতে শুভাগমন করেন মহানবি হজরত মুহাম্মদ সা.। সূর্য যেমন বিশ্বলোক আলোকিত করে, তেমনি বিশ্বনবি হজরত মুহাম্মদ সা.ও বিশ্বকে আপন মহিমায় অলোকিত করেছেন। সূর্যের আলোকরশ্মি দ্বারা যেমন সব বস্তু শক্তি লাভ করে, তেমনি মহানবী হজরত মুহাম্মদ সা.-এর সৌজন্যে সৃষ্টিকুল রহমত ও করুণাপ্রাপ্ত হয়।

৫৭০ খ্রিষ্টাব্দের হজরত মুহাম্মদ সা. এই ধূলির ধরায় আগমন করেন। তখন চলছিল আইয়ামে জাহেলিয়াত, অর্থাৎ অন্ধকার যুগ। অজ্ঞানতা, মূর্খতা, কুসংস্কার ও দুর্নীতি-পাপাচারে লিপ্ত ছিল আরববাসী। এ সময় জ্ঞানের আলো নিয়ে, মুক্তির বাণী নিয়ে স্বর্গ থেকে মর্ত্যে নেমে এলেন মানবতার মহান শিক্ষক হজরত মুহাম্মদ সা.। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেন: ‘তোমাদের কাছে আল্লাহর পক্ষ থেকে আলোকজ্যোতি ও মহাগ্রন্থ এসেছে।’-সুরা-৫ আল মায়িদাহ, আয়াত: ১৫। 
মহানবী এলেন পূর্ণিমা শশীর পূর্ণ আলোক আভা নিয়ে আলোকিত করতে বিশ্বজগৎকে। সেই দিনটি ছিল সোমবার। সপ্তাহের মধ্যদিবস।  করুণার নবী হজরত মুহাম্মদ সা. পিতা খাজা আবদুল্লাহ রা.–এর পৃষ্ঠ থেকে মা আমিনা রা.-র উদরে আগমন করেন। বনু হাশিম ও কুরাইশকুলে জন্ম বলে তিনি হাশিমি ও কুরাইশি, তা সত্বেও তিনি মানবতার নবি। আল্লাহ তাআলা বলেন: ‘মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তোমাদের মধ্যে কোনো পুরুষের পিতা নন; বরং তিনি আল্লাহর রাসুল ও সর্বশেষ নবী। আল্লাহ সর্ববিষয়ে সর্বজ্ঞ।’ -সুরা-৩৩ আহজাব, আয়াত: ৪০।
এসেছেন তিনি প্রভাতে। সেই বর্বর যুগের পশুসুলভ জীবনাচার ও জুলুম, নিপীড়ন, নির্যাতনের সামাজিক অন্যায়, অবিচার ও অত্যাচারের তমসা থেকে মানবতাকে সভ্যতার আলোর দিকে এগিয়ে নিতে; তিনি ভোরের সমীরণপ্রবাহ সঙ্গে নিয়ে প্রভাত–রবির রক্তিম আভায়, সকালের সূর্যের হাসি হয়ে উষার আকাশে উদিত হলেন মুক্তির দূতরূপে।
কোরআন করিমে ঘোষণা হয়েছে এভাবে: ‘অবশ্যই তোমাদের মধ্য হতেই তোমাদের নিকট এক রাসুল এসেছেন। তোমাদের যা বিপন্ন করে তা তাঁর জন্য কষ্টদায়ক। তিনি তোমাদের মঙ্গলকামী, মোমিনদের প্রতি তিনি দয়ার্দ্র ও পরম দয়ালু এবং বৈষম্যের অবসানকারী।
রাসুলুল্লাহ সা.-এর আগমন মানবজাতির জন্য অন্ধকার যুগ বা আইয়ামে জাহিলিয়াতের সেই বর্বর সমাজের  অবসান ঘটিয়ে সত্য, ন্যায় ও মুক্তি এবং মানবতার এক নতুন সূর্যোদয়ের মতো। তাঁর পদাঙ্ক অনুসরণ করে মানুষ লাভ করেছে সঠিক পথের সন্ধান এবং আত্মিক প্রশান্তি।
তিনি অজ্ঞতা, কুসংস্কার ও অন্যায়ের ঘনঘটা দূর করে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার এক আলোর ঝলক ।  মানুষকে এক আল্লাহর ইবাদত ও নৈতিকতার সুমহান শিক্ষা দেওয়ার এক মহান আলোক বর্তিকা।  বিশ্ববাসীর রাহমাতাল্লিল আলামীন তথা করুণার এক উৎস আলোর রশ্মি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/265258/</link>
				<pubDate>Mon, 24 Aug 2026 14:30:24 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8220;মুহাম্মদ সা এর আগমন মাসে তাঁর স্মরণে&#8221;<br />
মহানবি সা.-এর আগমন কোনো আকস্মিক বিষয় ছিল না; বরং সৃষ্টির সূচনা থেকে মহাজগৎ তাঁর আগমনের অপেক্ষায় ছিল। আল্লাহ তাআলা সব নবির কাছ থেকে তাঁর প্রতি আনুগত্যের অঙ্গীকার গ্রহণ করেছেন।<br />
‘স্মরণ করো, যখন আল্লাহ নবিদের অঙ্গীকার নিয়েছিলেন যে তোমাদের কিতাব ও হিকমত যা কিছু দান করেছি, অতঃপর তোমাদের কাছে যা আছে তার সমর্থকস্বর&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-265258"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/265258/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>