<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | মামুনর রশীদ রাজু | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/mamunorrashidrazzu/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/mamunorrashidrazzu/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for মামুনর রশীদ রাজু.</description>
	<lastBuildDate>Tue, 29 Sep 2026 00:06:14 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">a3ca18c6036e10f2fe7e7ec9c0ff06b4</guid>
				<title>ফিফা সেঞ্চুরি ফ্যান ট্রফি ও নতুন দুশ্চিন্তা

জুরিখের ফিফা হেডকোয়ার্টারে বইসা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো যখন দামি চুরুটে টান দিতেছিলেন, তখন তার মাথায় একটা খটকা লাগল। তিনি ভাবিলেন—দুনিয়ার তাবৎ ক্লাব আর খেলোয়াড়রা তো গোল দিয়াই কোটি কোটি টাকা কামাইতেছে। কিন্তু যারা রাইত জাইগা, না খাইয়া, টিভির সামনে চিল্লাইয়া গলা ফাটায় আর ইন্টারনেটে যুদ্ধ করে, সেই ভক্তদের কপালে কী জোটে? শুধু একটা বিশ্বসেরা দল কাপ পাইয়া চইলা যাইব আর কোটি কোটি ভক্ত খালি চোখে ঘরে ফিরব, এইটা তো কোনো ইনসাফ হইলো না!

ইনফান্তিনো সাহেব ফাইলপত্র ছুড়ে ফিয়া টেবিল চাপড়াইয়া মনে মনে সিদ্ধান্ত লইলেন—না, এবার ফুটবলের ১০০ বছর পূর্তির বিশ্বকাপে শুধু বিশ্বসেরা দল নয়, তাদের ভক্তদের জন্যও মেগা পুরস্কার চাই!

তিনি খসড়া খাতায় বড় বড় অক্ষরে লিখিলেন—গ্যালারি, অনএয়ার আর অনলাইনের পারফরম্যান্স ট্র্যাক কইরা এবার প্রতি বিশ্বকাপে নিয়মিত দেওয়া হইব ‘ফিফা সেঞ্চুরি ফ্যান ট্রফি’। পুরস্কারের অঙ্কটাও ছোটখাটো না, পুরো ৫০ লক্ষ মার্কিন ডলার (৫ মিলিয়ন ইউএসডি)! কোনো ফ্যান ক্লাব বা চামচামি না, বিশ্বজুড়ে ফিফা অ্যাপের অফিশিয়াল অনলাইন রেজিস্ট্রেশনের ডেটা অ্যানালিটিক্স থিকা এআই (AI) দিয়া খুঁইজা বের করা হইব ১ জন ‘সেরা সমর্থক’ আর ১টি ‘সেরা সমর্থক দেশ’।

ফিফা থিকা এই নতুন নিয়ম বাজারে ছাড়ার আগেই নোয়াখালীর চাটখিলের এক প্রত্যন্ত অঞ্চলের পোলা সুলতান বিছানায় চিত হইয়া শুইয়া মোবাইলে ফিফা অ্যাপের ফর্মটা দেখতেছিল। সে কোনো মারপ্যাঁচ না ভাইবা নিজের নাম রেজিস্ট্রি করাইয়া দিল ‘আর্জেন্টিনা সমর্থক’ হিসেবে।

সুলতান তখন চোখ বন্ধ কইরা ভাবিতে ছিল—আর্জেন্টিনা দল তো মাঠে খেলবই, কিন্তু বিশ্বজুড়ে ছড়াইয়া থাকা ভক্তদের ভেতর সেরা হওয়ার কামটা নোয়াখালী থিকাই সারতে হইব। সে মনে মনে একটা ছক কষিল। কোয়ার্টার ফাইনালে বা ফাইনালে আর্জেন্টিনা যদি কোনো ম্যাচে এক গোল খাইয়া গ্যাঁড়াকলে পড়ে, তবে সে ফেসবুকে বইসা গালিগালাজ বা কাদা ছোড়াছুড়ি করব না। উল্টা সে তার ইউনিক আইডি থিকা এমন এক পজিটিভ অ্যানিমেশন আর সৌহার্দ্যের আন্তর্জাতিক ক্যাম্পেইন ছাইড়া দিবে, যা দেইখা অনএয়ার আর অনলাইনের লাখ লাখ মানুষ লাইভ রিয়্যাক্ট করতে বাধ্য হইব। মিশরের আর্জেন্টিনা সমর্থক কিংবা জাপানের ব্রাজিল সমর্থকরা যখন চিল্লাচিল্লি করব, বাঙালি তখন দেখাইয়া দেবে ডিজিটাল ভদ্রতা কারে কয়!

সুলতান একা একা ভাবিতে লাগিল, যদি কপাল গুনে সেই ভক্তদের জন্য বরাদ্দ করা মেগা পুরস্কারের ৫০ লক্ষ ডলার তার ডিজিটাল আইডি ট্র্যাক কইরা তার হাতে চইলা আসে? টাকাটা তো আর নিজের পকেটে ভরা যাইব না। সে মনে মনে একটা মাস্টারপ্ল্যান বানাইয়া ফেলিল—পুরো টাকাটা বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সাথে মিল্লা নোয়াখালীতে একটা আন্তর্জাতিক মানের স্পোর্টস অ্যাকাডেমি বানানোর কাজে দান কইরা দিবে, যাতে দেশের গরিব ঘরের পোলাপানও একদিন বিশ্বকাপে লাথি মারতে পারে।

তখনো আন্তর্জাতিক মঞ্চের জায়ান্ট স্ক্রিন লাল-সবুজ আলোয় ঝলমল করিয়া ওঠে নাই, আকাশে ড্রোন উড়া শুরু করে নাই, এমনকি ফিফা সভাপতি মাইক্রোফোন হাতে নিয়া ডায়াসেও খাড়ান নাই।

নোয়াখালীর চাটখিলে নিজের অন্ধকার ঘরে বইসা সুলতান জাস্ট একটা মুচকি হাসি দিল। তার এই ভাবনার মানে পরিষ্কার—বলটা লাথি দিয়া জালে জড়ানোই শেষ কথা না, আসল খেলাটা হইলো দুনিয়ার মানুষের মন জয় করা। ফিফা যখন আগামী সপ্তাহে ভক্তদের জন্য এই ৫০ লক্ষ ডলারের পুরস্কারের কথা দুনিয়ারে জানাইবে, সুলতান তখন তার ডিজিটাল কায়দাকানুন লইয়া অলরেডি রেডি! &#x2764;&#xfe0f;&#x1f389;
১১ জুলাই ২০২৬</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/264480/</link>
				<pubDate>Sat, 22 Aug 2026 05:15:44 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ফিফা সেঞ্চুরি ফ্যান ট্রফি ও নতুন দুশ্চিন্তা</p>
<p>জুরিখের ফিফা হেডকোয়ার্টারে বইসা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো যখন দামি চুরুটে টান দিতেছিলেন, তখন তার মাথায় একটা খটকা লাগল। তিনি ভাবিলেন—দুনিয়ার তাবৎ ক্লাব আর খেলোয়াড়রা তো গোল দিয়াই কোটি কোটি টাকা কামাইতেছে। কিন্তু যারা রাইত জাইগা, না খাইয়া, টিভির সামনে চিল্লাইয়া গলা ফাটায় আর ইন্টারনেটে যুদ্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-264480"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/264480/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bdf39c50f3f8928d59a1e2744f4ad5ef</guid>
				<title>ট্রেন নিষ্পাপ?
~~~~~~~~
লোহার বুকের গহীন খাঁজে
কীসের অত ক্ষোভ?
ট্রেনের মগজে লুকিয়ে কি থাকে
রক্ত চোষার লোভ?
কালো চাকার ওই তাণ্ডব নাচে
লাইন ভিজে যায় শোকে,
অসংখ্য প্রাণ গুঁড়িয়ে দিয়ে সে
কী আনন্দ দেখে চোখে!
হুইসেল যেন পৈশাচিক এক
ভয়ঙ্কর উল্লাস,
গতির মোহে অন্ধ ধাতুর
প্রাণহীন এক শ্বাস।
নাকি ওটা কোনো নেশা নয় তার—
কেবলই এক ভুল?
কিসের মাসুল গুনে
ঝরে যায় কত ফুল?
নাকি
ট্রেন নিষ্পাপ,
লাইন ধইরা হাঁটতে ভালোবাসে।
আমরাই মাঝখান থিকা
মগজ আর নেশা আবিষ্কার কইরা
কবিতা বানাই।
মানুষ কেন যে লোহার ওপর শুইয়া থাকে?
২৬ জুলাই ২০২৬</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/262570/</link>
				<pubDate>Mon, 17 Aug 2026 07:01:53 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ট্রেন নিষ্পাপ?<br />
~~~~~~~~<br />
লোহার বুকের গহীন খাঁজে<br />
কীসের অত ক্ষোভ?<br />
ট্রেনের মগজে লুকিয়ে কি থাকে<br />
রক্ত চোষার লোভ?<br />
কালো চাকার ওই তাণ্ডব নাচে<br />
লাইন ভিজে যায় শোকে,<br />
অসংখ্য প্রাণ গুঁড়িয়ে দিয়ে সে<br />
কী আনন্দ দেখে চোখে!<br />
হুইসেল যেন পৈশাচিক এক<br />
ভয়ঙ্কর উল্লাস,<br />
গতির মোহে অন্ধ ধাতুর<br />
প্রাণহীন এক শ্বাস।<br />
নাকি ওটা কোনো নেশা নয় তার—<br />
কে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-262570"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/262570/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">451b0315e5f6e30a2cecd034c16760c0</guid>
				<title>মামুনর রশীদ রাজু and Prithula Zaman are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/262133/</link>
				<pubDate>Sun, 16 Aug 2026 04:29:20 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">76566343588d469d44b800cfaeb75e54</guid>
				<title>‘নারী বন্ধু’

প্রাকৃতিকভাবেই শক্তি পরীক্ষায় জয়ী আমি পুরুষ যখন শিকারের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিলাম গহীন থেকে গহীন জঙ্গলে; নারী, তখন তুমি কোথায় ছিলে?

যখন তুমি-আমি সভ্যতার সেই আদিতে, তখন গুহা বা ঘর ছেড়ে কতই বা দূরে যেতে তুমি। হয়তো ফল-ফুল-লতা কুড়াতে কিংবা আগুন জ্বালানোর চেষ্টায় শুকনো কাঠের খোঁজে সময় কাটাতে। আর আমি ছুটে যাওয়া শিকারের পেছনে, আমার মতোন দিনের পর দিন পার করে ঘরে ফিরতে কি তুমি?

নিয়ম করেই নিয়মিত তোমার সুস্থতা যখন কমে, তখন তো তুমি বিশ্রাম নাও অবিরত। দিন-রাত গুহা বা ঘর থাকে তোমার দখলে। মনে পড়ে কত রাত কেটেছে আমার, ফেরা হয়নি তোমার কাছে। তুমি বাচ্চা পাড়তে, পড়াতে; তোমার যত্নে ওরা বড় হতো। তোমার হাতের সেবায় আমিও আরাম পেতাম খুব। নারী বন্ধু, তুমিই ছিলে ওদের-আমাদের প্রথম সেবিকা, প্রথম ডাক্তার।

গুহাটাকে সংসার বানিয়ে ফেলতে তুমি, প্রয়োজনের সবকিছু সাজাতে হাতের নাগালে। আজও তুমি তেমনি সংসার নামের খেলায় মগ্ন থেকে নিজেকে রূপান্তর করো পরিবারে। চুলচেরা হিসেবে গড়ো তুমি ঘর-বাড়ি। এ বাড়ির ধুলোবালি, আলো-বাতাস, কীটপতঙ্গ কেউ তোমার নজরের বাইরের নয়। তুমি বাড়ির প্রধান, মালিক। আমি তোমার ঘর ছেড়ে যাই অফিসে, ফিরে আসি আবার তোমার বাড়িতে।

তোমার নিজের বাড়ি নাই—‘বাবার বাড়ি, শ্বশুরের বাড়ি, স্বামীর বাড়ি’ করেই তোমার জীবন কেটে যায়। নারী বন্ধু, এমন মিথ্যে আর বলো না, আসলে তুমি নিজেই একটা বাড়ি। বাড়ি তোমারই; তুমি যেমন গড়ো, ভাঙতেও তেমন পারো। তুমি চালাকি করে নিজের বাড়িকেই অন্যের নামে করো।

কিছুই নাই আমার, সম্পত্তি কারো ব্যক্তিগতও হতে পারে না। শুধু এদিক থেকে ওদিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টায় মগ্ন থাকি আমরা। তবে শক্তির জোরটা আদি থেকে আজ অবধি আমার, তা কিন্তু মিথ্যে নয়। আজও ক্ষমতা আমার—আমি দখলদার। দখল করে আমিও বলি ‘আমার বাড়ি, বাবার বাড়ি, দাদার বাড়ি’।

(২০ ডিসেম্বর ২০১৯)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/261815/</link>
				<pubDate>Sat, 15 Aug 2026 07:06:06 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>‘নারী বন্ধু’</p>
<p>প্রাকৃতিকভাবেই শক্তি পরীক্ষায় জয়ী আমি পুরুষ যখন শিকারের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিলাম গহীন থেকে গহীন জঙ্গলে; নারী, তখন তুমি কোথায় ছিলে?</p>
<p>যখন তুমি-আমি সভ্যতার সেই আদিতে, তখন গুহা বা ঘর ছেড়ে কতই বা দূরে যেতে তুমি। হয়তো ফল-ফুল-লতা কুড়াতে কিংবা আগুন জ্বালানোর চেষ্টায় শুকনো কাঠের খোঁজে সময় কাটাতে। আর আমি ছুটে যাওয়া শিকারের পেছন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-261815"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/261815/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b69779fc5d88ace4f3793b4b69a5e68d</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/261496/</link>
				<pubDate>Fri, 14 Aug 2026 14:01:32 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">40612a6515d96b3f3c382d21d1461597</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/261489/</link>
				<pubDate>Fri, 14 Aug 2026 13:32:37 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">493e97a60de26bcc7c47257e17f58785</guid>
				<title>মামুনর রশীদ রাজু changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/261485/</link>
				<pubDate>Fri, 14 Aug 2026 13:04:56 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">59d6314a168c2d405a00f89f3c04076f</guid>
				<title>### নোটবুকে &#039;৫ আগস্ট ২৪&#039;

সেদিন সকাল থেকেই স্তব্ধ চারপাশ,
হাতে গোনা কয়েকজন পথে—
যাঁরা কোনোমতে ঘরে টিকে থাকতে পারেন না;
বলছি এক মফস্বলি অভিজ্ঞতার কথা।

‘পানি লাগবে কারো পানি?’
সেই করুণ ধ্বনি বুকে নিয়ে
ঘরবন্দী নারী, শিশু আর সজ্জন
অপেক্ষায় রাষ্ট্রপ্রধানের—
জাতীয় মাধ্যমে কিছু বলবেন তিনি।

চিহ্নিত কালো মানুষের মিছিলে উলঙ্গ অস্ত্র;
ভদ্রপাড়ার নবীন তরুণও সেই উন্মাদনায় শামিল।
তাদের হাতে চকচকে মারণাস্ত্র,
তবু চোখে এক ধোঁয়াটে দ্যুতি—
পুরোপুরি নিভে যায়নি তখনও।

দু-হাত দূরের আমরা নীরব দর্শক,
নাকি পাপের ভয়ে দৃষ্টি আড়ালের ছদ্মবেশী?

খবর ছড়ায়— রাষ্ট্রপ্রধান নন,
কথা বলবেন সেনাপ্রধান।
বিকেলের আগেই দেশ নেতৃত্বহীন, অভিভাবকশূন্য।

ফের এক মিছিল,
তবে এবার ঘন অদ্ভুতুড়ে অন্ধকার!
এক বাড়ি গুঁড়িয়ে লুটপাট শেষে
উন্মত্ত দল ছুটে যায় অন্য বাড়ির পানে।
তখন আর নীরব বৃক্ষ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা গেল না।
দুচাকার যান নিয়ে বের হলাম শহর ভ্রমণে।

কী বীভৎস দৃশ্য!
মোড় ঘুরলেই শত শত মানুষ—
ভাঙচুর আর আগুনের খেলায় মাতোয়ারা।
প্রাণভয় চেপে এগোলাম ধীরে,
যেন মস্তিষ্কের সূক্ষ্ম অস্ত্রোপচার করছি পরম সাবধানে।

পথের ফাঁকায়—
উঁচু ছাদ থেকে হাত নাড়ে এক হাস্যোজ্জ্বল তরুণী!
যেন কী এক মুক্তির বার্তায় চঞ্চল মুখ,
কারারুদ্ধ অতীত পেরিয়ে
চোখে তার সদ্যমুক্ত আলোর ঝিলিক!

পরক্ষণেই রাজপথে মোড় বদলায় চিত্র;
আগুন বাড়ছে, পথ রুদ্ধ।
পাহাড়প্রমাণ আগুনের গ্রাসে রেডিও ভবন,
তার সামনে মানুষগুলো
কেবলই ক্ষুদ্র পিপীলিকা।
উত্তাপে চামড়া ঝলসানোর ভয়ে ছটফট করে জমাট ভিড়।

ফেরার পথ বন্ধ।
অসহায় ফায়ার সার্ভিসের পাশ কাটিয়ে এগোতেই—
জাহাজঘাটে মুখোমুখি
দখল যুদ্ধে পক্ষ-বিপক্ষ।

বাস্তবের রক্তক্ষয়ী আগুনে
তলিয়ে যাচ্ছে শহর, মানচিত্র, চেনা দেশ—
আমার জীবনের প্রথম যুদ্ধক্ষেত্র।

*(০৫ আগস্ট, ২০২৬)*
মামুনর রশীদ রাজু</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/261467/</link>
				<pubDate>Fri, 14 Aug 2026 12:30:49 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>### নোটবুকে &#8216;৫ আগস্ট ২৪&#8217;</p>
<p>সেদিন সকাল থেকেই স্তব্ধ চারপাশ,<br />
হাতে গোনা কয়েকজন পথে—<br />
যাঁরা কোনোমতে ঘরে টিকে থাকতে পারেন না;<br />
বলছি এক মফস্বলি অভিজ্ঞতার কথা।</p>
<p>‘পানি লাগবে কারো পানি?’<br />
সেই করুণ ধ্বনি বুকে নিয়ে<br />
ঘরবন্দী নারী, শিশু আর সজ্জন<br />
অপেক্ষায় রাষ্ট্রপ্রধানের—<br />
জাতীয় মাধ্যমে কিছু বলবেন তিনি।</p>
<p>চিহ্নিত কালো মানুষের মিছিলে উলঙ্গ অস্ত্র;<br />
ভদ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-261467"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/261467/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>