<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | মো.মাহমুদুল হাসান | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/md-mahmudulhasan/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/md-mahmudulhasan/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for মো.মাহমুদুল হাসান.</description>
	<lastBuildDate>Sat, 05 Sep 2026 12:49:26 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">04af01a04ba87d2c6859d01495181277</guid>
				<title>স্বপ্ন 
লেখনঃ হাসান মুরাদ

ফুলের আভায় তোমায়
মিলিয়ে ছিলাম 
কোনো এক, স্বপ্নচুড়ার দেশে
ভেবেছিলাম পাবো তোমায়
হয়তো পেয়েছিলাম 
কোনো স্বপ্নলোকের মাঝে।

ছিল না কোনো মিথ্যে স্বপন
ছিল না কোনো মিথ্যে বচন
ছিল শুধু মনের সুপ্ত সাধন।

জানো,
আজো স্বপ্নের মাঝে
খুঁজে ফিরি 
সেই-তোমাকে, 
ইচ্ছে ছিল বলবো কথা 
মনের শত গুপ্ত ব্যাথা।
আর নিরবে 
দেখে যাবো শুধু তোমায়
এক পলকে ।

কিন্তু কি হায়! 
হলো না বলা
হলো না পুরণ,
মনের শত কথন।
রয়ে গেলো হৃদয় জুঁড়ে
না বলা সব কথার-মালা।

তবে আজও খুব নিরবে 
একা একা, বলি কথা।
তুমি কি শোনো,
আমার এ কথপো কথন?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/252482/</link>
				<pubDate>Sat, 30 May 2026 12:58:01 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>স্বপ্ন<br />
লেখনঃ হাসান মুরাদ</p>
<p>ফুলের আভায় তোমায়<br />
মিলিয়ে ছিলাম<br />
কোনো এক, স্বপ্নচুড়ার দেশে<br />
ভেবেছিলাম পাবো তোমায়<br />
হয়তো পেয়েছিলাম<br />
কোনো স্বপ্নলোকের মাঝে।</p>
<p>ছিল না কোনো মিথ্যে স্বপন<br />
ছিল না কোনো মিথ্যে বচন<br />
ছিল শুধু মনের সুপ্ত সাধন।</p>
<p>জানো,<br />
আজো স্বপ্নের মাঝে<br />
খুঁজে ফিরি<br />
সেই-তোমাকে,<br />
ইচ্ছে ছিল বলবো কথা<br />
মনের শত গুপ্ত ব্যাথা।<br />
আর নির&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-252482"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/252482/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">efdad7162dd68bd6647a9e79fed09ac0</guid>
				<title>কবিতা
হাসান মুরাদ


আঁধার যখন হবি
তবে কেনো রাগ করিস?
মেঘের আঁড়াল হবি যদি
কেনো তবে ফিরে তাকাস?
মিস করলে কি
তুই আমার হবি?
তবে হাত বাড়ালে 
আমায় পাবি।।
তবে 
আয় ছুঁটে 
এই বুকে
রাখবো যতন করে
এই পাজরে.....
মিথ্যে নয়
যদি সত্যিই হয় 
পাবি খুঁজে এই আমায়...
এ মন জানে 
তুই কে আমার 
এই মন জানে
তুই শুধু আমার.........</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/252105/</link>
				<pubDate>Wed, 27 May 2026 16:46:03 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কবিতা<br />
হাসান মুরাদ</p>
<p>আঁধার যখন হবি<br />
তবে কেনো রাগ করিস?<br />
মেঘের আঁড়াল হবি যদি<br />
কেনো তবে ফিরে তাকাস?<br />
মিস করলে কি<br />
তুই আমার হবি?<br />
তবে হাত বাড়ালে<br />
আমায় পাবি।।<br />
তবে<br />
আয় ছুঁটে<br />
এই বুকে<br />
রাখবো যতন করে<br />
এই পাজরে&#8230;..<br />
মিথ্যে নয়<br />
যদি সত্যিই হয়<br />
পাবি খুঁজে এই আমায়&#8230;<br />
এ মন জানে<br />
তুই কে আমার<br />
এই মন জানে<br />
তুই শুধু আমার&#8230;&#8230;&#8230;</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">35b629d2113b6203f7942fbb82eb87d9</guid>
				<title>ফ্যান্টাসি এ দুনিয়ায় সবই লাগে চমৎকার
হায় রে কি দুনিয়া চলতাছে কোন তরিকায়।
আগে শুনতাম বিবাদে মরে
শয়তানের ফাঁদে।
এখন শুনি শয়তানে লারে 
টিক টকের ফাঁদে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/252104/</link>
				<pubDate>Wed, 27 May 2026 16:44:03 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ফ্যান্টাসি এ দুনিয়ায় সবই লাগে চমৎকার<br />
হায় রে কি দুনিয়া চলতাছে কোন তরিকায়।<br />
আগে শুনতাম বিবাদে মরে<br />
শয়তানের ফাঁদে।<br />
এখন শুনি শয়তানে লারে<br />
টিক টকের ফাঁদে।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">075031856480a8d9fd098130414aac8d</guid>
				<title>মো.মাহমুদুল হাসান and Alock are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/250565/</link>
				<pubDate>Sat, 23 May 2026 08:04:12 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a37f0616b051bbc6e576833709f09685</guid>
				<title>তওবা 
লেখকঃ হাসান মুরাদ

হৃদয়ের লরজিশে যদি থাকে আল্লাহ নাম
তবে তুমি যব করো “হে রহিম, রহমান”
খৌফ করো, 
হে ইনসান মাঝের ওয়াক্ত
এহসাস করো আঁখি মুদে,
নীরব রুহের গান।
কি এমন ভজনে ডুবেছো তুমি
নিছক হয়েছো দ্বায়।

গত হয়েছে যা, ফিরে পাবে না আর।
যা হতে পারে তার
খেয়ানত করো না আবার।

বাজিমাত করতে গিয়ে 
হয়েছ কুপোকাত 
তবু হৃদয় দিয়ে তারে ডাকো
“হে রহিম, রহমান”

কত ওয়াক্ত গেছে
গেছে কত সাল 
হিসেবের পাল্লা হয়েছে ভার
বিপাকে পড়েছো 
আমল করেছ, নিয়াছো বুক ভরে নির্যাস
তাতেো কি হয় নি 
নিঃশ্বেষ অবসান?
তবে 
হৃদয় দিয়ে আজো ডাকো,”হে রহিম,রহমান”।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/250421/</link>
				<pubDate>Fri, 22 May 2026 19:41:45 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তওবা<br />
লেখকঃ হাসান মুরাদ</p>
<p>হৃদয়ের লরজিশে যদি থাকে আল্লাহ নাম<br />
তবে তুমি যব করো “হে রহিম, রহমান”<br />
খৌফ করো,<br />
হে ইনসান মাঝের ওয়াক্ত<br />
এহসাস করো আঁখি মুদে,<br />
নীরব রুহের গান।<br />
কি এমন ভজনে ডুবেছো তুমি<br />
নিছক হয়েছো দ্বায়।</p>
<p>গত হয়েছে যা, ফিরে পাবে না আর।<br />
যা হতে পারে তার<br />
খেয়ানত করো না আবার।</p>
<p>বাজিমাত করতে গিয়ে<br />
হয়েছ কুপোকাত<br />
তবু হৃদয় দিয়ে তারে ডাকো&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-250421"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/250421/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">978d87ea6628e36e2accb882bfb9f687</guid>
				<title>ছায়া 
হাসান মুরাদ

৩য় ও অন্তিম পর্ব



একদিন বিকেলের প্রায় সন্ধ্যা হবো হবো অবস্থায় কালো মেঘে হঠাৎ কালো মেঘ থেকে   শুরু হয় ঝুম বৃষ্টি ।
সঙ্গে তীব্র বাতাস। 
মনে হচ্ছে আকাশের ভেতর জমে থাকা সব অস্থিরতা একসঙ্গে নেমে এসেছে পৃথিবীর বুকে ।
অনুপম দাঁড়িয়ে আছে উঠোনের ঠিক মাঝখানে।
বৃষ্টি তার শরীর ভিজিয়ে দিচ্ছে। কাপড়, চুল, মুখ—সব ভেজা।
কিন্তু সে যেন তা টেরই পাচ্ছে না।
হঠাৎ পাশে এসে দাঁড়াল ভিমরুল।
“কাকু…”
অনুপম তাকায় 
ভিমরুল খুব শান্ত গলায় বলল—
“তুমি কাঁদছো কেন?”
অনুপম চমকে উঠল।
“আমি কাঁদছি?”,কে বলল তোকে
চোখে হাত দিতেই অনুপম বুঝতে পারলো তার পুরো শরীর ভেজ্
ভিমরুল মাথা নাড়ল।
“হ্যাঁ… তুমি তো প্রায়ই কাঁদো।”
অথচ অনুপম বুঝতেই পারেনি কতক্ষণ ধরে এখানে সে দাঁড়িয়ে আছে।
চারদিকে ঝাপসা। বৃষ্টি আর প্রবল বাতাসের জন্য দূরের  কিছুই দেখা যাচ্ছে না প্রায় । বাতাসের বাড়ির জানালার কপাট গুলো পর্যন্ত টিকে থাকা যেনো দ্বায় হয়ে দাড়িয়েছে।

কিন্তু একটা জিনিস অনুপমকে  হঠাৎ থমকে দেয়।
তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ভিমরুলের গায়ে বৃষ্টির এক ফোঁটাও লাগছে না দেখে
অদ্ভুত।
তবু প্রথমে অনুপম বিচলিত হয় না।
বিচলিত হয় তখন—
যখন সে ভিমরুলের কাঁধে হাত রাখতে যায়।

তার হাত যেন বাতাস ভেদ করে চলে গেল।
কোনো স্পর্শ নেই।
কোনো উষ্ণতা নেই।
অনুপম স্তব্ধ।

আবার চেষ্টা করল।
আবারও ব্যর্থ।

তার বুকের ভেতর ধীরে ধীরে শঙ্কা জমতে শুরু করে
কাঁপা গলায় বলল—
“তোকে… আমি ছুঁতে পারছি না কেন ভিমরুল&quot;?
বৃষ্টি তখনও থামেনি।
চারপাশে কেবল ঝাপসা জল আর বাতাসের হাহাকার।

ভিমরুল কোনো উত্তর দিল না।

শুধু তাকিয়ে রইল।

অনুপম হঠাৎ চারদিকে তাকাল।
অনুপম কণ্ঠে আতঙ্ক ছাপ ভেসে 
“ভিমরুল তোর কাকিমা কোথায়?পার্বতী  তুমি কোথায়?”চিৎকার দিয়ে ওঠে অনুপম
ভিমরুল চুপ।
কয়েক মুহূর্ত পর খুব ধীরে বলল—
“কাকু…”
“তুমি তো এখানে একাই থাকো।”
অনুপমের বুকের ভেতর ধক করে উঠল।

ভিমরুল আবার বলল—
“তবে আমরা থাকি তোমার সঙ্গে… সবসময়।”

কথাটা শুনেই অনুপমের মাথার ভেতর যেন কিছু ভেঙে পড়ল।
ছিন্নভিন্ন স্মৃতিগুলো একে একে জেগে উঠতে লাগল।

মাঝ রাত 
ঘরের ভেতর অদ্ভুত নীরবতা।
শিলু এসে দাঁড়াল।
অনুপম বিছানার কিনারায় বসে।
শিলু অনেকক্ষণ চুপ থেকে বলল—
“অনু… তুই কি আবার সব কিছু ভুলে যাচ্ছিস।”

অনুপম ধীরে মুখ তুলল দাদার দিকে 
“আমি, কি সব ভুলে যাচ্ছি দাদা?”

শিলু দীর্ঘশ্বাস ফেলল।
তারপর নিচু স্বরে বলল—
“তিন বছর আগে তুই একটা ভয়ংকর দুর্ঘটনায় আহত হয়েছিলি।”

অনুপম নিথর হয়ে শুনছে তার দাদার কথা গুলো
শিলুর গলা আরও ভারী হয়ে উঠল।
“সেদিন… তোর স্ত্রী পার্বতী…”কথাগুলো বলতে গিয়ে কান্না জড়িয়ে আসছিল শিলুর কথা
সে থেমে যায়।
“আর তোর ছোট বোন…টাও। ওরা সবায় 
এর পর সব চুপ।

“কেউ আর বেঁচে নেই, অনু।”
অনুপমের চোখে কোনো প্রতিক্রিয়া নেই।
শুধু নিঃশব্দ শূন্যতা।
কিছুক্ষণ পর সে জিজ্ঞেস করল—
“আর… ভিমরুল?”
শিলু চোখ নামিয়ে নিল।
“গত বছর… তোকে দেখতে হাসপাতালে এসেছিল।”
“লিফটে আটকে পড়েছিল ও।”
শিলুর গলা কেঁপে উঠল।
“ভয় পেয়ে হার্ট ফেল করে… সেখানেই মারা যায়।”
অনুপমের ঘর টা যনো আরো নিস্তব্ধ হয়ে উঠলো।

অনুপম ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়াল।
তার চোখ ফাঁকা।

শুধু একটা প্রশ্ন—
“তাহলে… আমি এখন কোথায় আছি?” দাদা?
শিলু উত্তর দিল না।
শুধু মাথা নিচু করে বসে রইল।

বৃষ্টি থেমে গেছে।
জানালার পাশে দাঁড়িয়ে অনুপম।
বাইরে অস্বাভাবিক শান্ত পৃথিবী।
হঠাৎ ভিমরুল এসে তার পাশে দাঁড়ায়।
আজ সে হাসছে না।
শান্ত তার মুখ।
“কাকু…”
অনুপম তাকাল।
ভিমরুল ধীরে বলল—
“তুমি এখনো বুঝোনি?”
“কি বুঝব?”
ভিমরুল জানালার বাইরে তাকাল।
“তুমি যে বাড়িটা দেখছো…”
ভিমরুল কথাটি বলে থেমে গেল।

“সেটা অনেক আগেই হারিয়ে গেছে।”
অনুপমের শরীর ঠান্ডা হয়ে এলো।

ভিমরুল আবার বলল—
“তুমি শুধু স্মৃতির ভেতর হাঁটছো,কাকু”

অনুপমের চোখ ভিজে উঠল।
ঠিক তখন—
দূরে সে দেখতে পেল কয়েকটা অবয়ব।
শিলু, পার্বতী সাথে ছোট বোন টা দাঁড়িয়ে।

সবাই নীরবে তাকিয়ে আছে তার দিকে।
কেউ ডাকছে না, অনু বলে
কেউ এগিয়েও আসছে না।
শুধু দাঁড়িয়ে আছে। 

অনুপম কাঁপা গলায় চিৎকার দিয়ে বলল—
“তোমরা… সবাই বেঁচে আছো?”
কেউ উত্তর দিল না।
শুধু ভিমরুল বলল—
“আমরা ছিলাম…কাকু”
“এখন শুধু তুমি আছো।”


পরদিন সকাল।
একজন সাদা কাপড় পরিহিত মেয়ে অনুপমের কাঁধে হাত রাখল।
“স্যার… 
অনুপম মাথাটা ঘুড়িয়ে দেখে 

ওষুধটা খেতে হবে।”

জানালার বাইরে বড় একটি বাড়ি।
নেম প্মালেটে লেখা মানসিক চিকিৎসা কেন্দ্র।
অনুপম জানালার পাশে বসে আছে।
চোখ বাইরে।
মুখে অদ্ভুত নীরবতা।
ভয় নেই। আবার শান্তিও নেই।
শুধু দীর্ঘ এক অপেক্ষা।
তার পাশে রাখা ডায়েরির পাতা বাতাসে নড়ে উঠল।

সেখানে কাঁপা হাতে লেখা—
“আমি যদি সত্যিই একা হই…
তবে যাদের হারিয়েছি,
তারা কি শুধু স্মৃতি ছিল—
নাকি আমিই কারও স্মৃতির ভেতর বেঁচে আছি?”

হঠাৎ জানালার বাইরে হালকা বাতাসেই জানালার কপাট ধাক্কায় 
ডায়েরির একটি পাতা উল্টে যায়।
আর ঠিক তখন—
অনুপম অনুভব করল, কেউ যেন তার পাশেই বসে আছে।
সে ধীরে মাথা ঘুরিয়ে তাকাল কিন্ত 
কেউ নেই।
তবু—
ডায়েরির শেষ পাতায় নতুন একটা বাক্য লেখা।
যেটা সে আগে কখনও দেখেনি।

“কাকু… তোমার পাশে আমি আছি 
অনুপমের চোখ স্থির হয়ে রইল।
আর জানালার কাঁচে খুব ক্ষণিকের জন্য দেখা গেল একজনকে—
ফোকলা দাঁতের ছোট্ট মুখটি হাসি দিয়ে অনুপমের পাশেই ভিমরুল দাড়িয়ে আছে 
তবে এখন আর খুব কাছে নেই ও শুধু কাঁচের আবডালে একটি ছায়া হয়ে অনুপমের পাশে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/250342/</link>
				<pubDate>Fri, 22 May 2026 13:40:23 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ছায়া<br />
হাসান মুরাদ</p>
<p>৩য় ও অন্তিম পর্ব</p>
<p>একদিন বিকেলের প্রায় সন্ধ্যা হবো হবো অবস্থায় কালো মেঘে হঠাৎ কালো মেঘ থেকে   শুরু হয় ঝুম বৃষ্টি ।<br />
সঙ্গে তীব্র বাতাস।<br />
মনে হচ্ছে আকাশের ভেতর জমে থাকা সব অস্থিরতা একসঙ্গে নেমে এসেছে পৃথিবীর বুকে ।<br />
অনুপম দাঁড়িয়ে আছে উঠোনের ঠিক মাঝখানে।<br />
বৃষ্টি তার শরীর ভিজিয়ে দিচ্ছে। কাপড়, চুল, মুখ—সব ভেজা।<br />
কিন্তু সে য&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-250342"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/250342/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1eebdfd99071c27623827b2d020e5c36</guid>
				<title>খেলা

সকাল গড়িয়ে বিকেল
আর বিকেলের পর সন্ধ্যা
পরক্ষণেই নামে বিরাট আঁধার।
সবার মনে যেনো রঙ লেগেছে
চোখে মুখে হলদেটে ছাপ।
আঁধার নামলেই 
সুখ পাখিদের শুরু হয় আনা গোনা
তখনো বসে থাকে কিছু বাদাম ছোলার অভিশাপ।
বাতাসে গুমোট হাওয়ায়
সুখী মানুষের ভীর 
ফুচকা আর চামচ বাটির ঘন্টা বাজে চারিধার।
এমন একটা রাত দেখা হয় না কেনো
যেখানে নেই কোনো অভিশাপ।
সে দিন না হয় 
নামবে না আঁধার 
হবে না কোনো কলোরব
জমবে না কোনো বেঞ্চের আরাম গদি,
বিস্বাদের জন্মাবে স্বাদ
সব কিছুই সেদিন না হয় 
মিলবে খাপে খাপ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/250009/</link>
				<pubDate>Thu, 21 May 2026 09:59:17 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>খেলা</p>
<p>সকাল গড়িয়ে বিকেল<br />
আর বিকেলের পর সন্ধ্যা<br />
পরক্ষণেই নামে বিরাট আঁধার।<br />
সবার মনে যেনো রঙ লেগেছে<br />
চোখে মুখে হলদেটে ছাপ।<br />
আঁধার নামলেই<br />
সুখ পাখিদের শুরু হয় আনা গোনা<br />
তখনো বসে থাকে কিছু বাদাম ছোলার অভিশাপ।<br />
বাতাসে গুমোট হাওয়ায়<br />
সুখী মানুষের ভীর<br />
ফুচকা আর চামচ বাটির ঘন্টা বাজে চারিধার।<br />
এমন একটা রাত দেখা হয় না কেনো<br />
যেখানে নেই&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-250009"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/250009/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">01b284c1ba323f5d6153a24196727651</guid>
				<title>ছায়া 
হাসান মুরাদ

২য় পর্ব

পরদিন সকাল।
ঘরের জানালা দিয়ে আলো ঢুকছে।

পার্বতী কাপড় গুছাতে গুছাতে হালকা হাসির সুরে বলল—
“তুমি আবার গত রাতে আগের মতো ঘুমের মধ্যে কাউকে ডাকছিলে।”
অনুপম চমকে তাকাল।
পার্বতী কথাটা একটু  মজা ছলেই বলল—
“কে গো সে?”

অনুপম কিছু বলল না।
চুপ করে বসে রইল।
তার মুখে এমন এক নীরবতা নেমে এলো, যেন কথাটা তাকে অস্বস্তিতে ফেলে দিয়েছে।

পার্বতী আর কথা বাড়িয়ে। নিজের ঘর ছেড়ে রান্নাঘরের দিকে চলে গেল।
ঠিক তখনই—
হঠাৎ অনুপমের শরীর কেঁপে উঠল।
মুহূর্তের মধ্যে তার হাত-পা শক্ত হয়ে উঠছিল। সারা শরীরে খিঁচুনি শুরু হলো।
ঠোঁট কাঁপতে কাঁপতে সে অস্পষ্ট স্বরে বলতে লাগল—
“আমাকে ছেড়ে দাও… আমাকে ছেড়ে দাও…”
তার চোখ দুটো যেন অন্য কোথাও তাকিয়ে আছে।
অন্য এক জগতে।
অনুপম দেখতে পেল—
সে দাঁড়িয়ে আছে তাদের বাড়ির উঠোনের একটি বড় আমগাছের নিচে।
কিন্তু উঠোনটা যেন আগের মতো নয়।

ঘন ছায়া চারদিকে ছড়িয়ে আছে।
হঠাৎ পেছন দিক থেকে কারও কণ্ঠ ভেসে এলো—
“ভাইয়া…”
কণ্ঠটা অদ্ভুত পরিচিত।
কিন্তু মুখটা দেখতে পেল না অনুপম।

অনুপম ফিরে তাকানোর আগেই দৃশ্যটা কুয়াশার মতো মিলিয়ে গেল।
আর সঙ্গে সঙ্গে তার শরীর নিস্তেজ হয়ে পড়ল।

পার্বতীর হাতে থাকা গ্লাস বাটির পড়ে যাওয়ার শব্দ শুনে শিলু ছুটে এলো তার ঘর থেকে
অনুপমের অবস্থা দেখে তার মুখ ফ্যাকাশে হয়ে যায়
“অনুকে এখনই হাসপাতালে নিতে হবে!”
চল চল আর দেরি করা ঠিক হবে না পার্বতী 

পার্বতী আর কিছু ভাবার সময় পেল না। তাড়াহুড়ো করে প্রয়োজনীয় দু-একটা জিনিস গুছিয়ে অনুপমকে নিয়ে হাসপাতালে রওনা দিল তারা।
হাসপাতালের করিডোর।

নীরব, ঠান্ডা একটা পরিবেশ।

শিলু আর পার্বতী ডাক্তার দেখানোর অপেক্ষায় বসে আছে।
পার্বতীর চোখ ভেজা।
সে কাঁপা হাতে শিলুর হাত চেপে ধরে বলল—
“দাদা… অনুপমের কিছু হবে না তো?”
শিলু কিছুক্ষণ চুপ করে রইল।
তারপর নিচু স্বরে বলল—
“অনুর আজ যা হয়েছে… বাড়ির আর কাউকে বলো না।”
একটু থেমে আবার বলল—
“বিশেষ করে মাকে না। তিনি শুনলে খুব কষ্ট পাবেন।”

পার্বতী কোনো উত্তর দিল না।

শুধু মাথা নিচু করে বসে রইল।

সময়ের সঙ্গে অনুপম ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরল।

কয়েক দিন কেটে গেল।

এক বিকেলে বাড়ির ছাদে ইজি চেয়ারে বসে শিলু পত্রিকা পড়ছিল।

আকাশে মেঘের ছায়া ভাসছে।
অনুপম সিড়ি বেয়ে ধীরে ধীরে ছাদে এসে শিলুর পাশে দাঁড়াল।
শিলু পত্রিকা থেকে চোখ না সরিয়েই বলল—
“কিরে অনু… এখন কেমন আছিস?”

তারপর একটু থেমে—
“ওষুধগুলো ঠিকমতো খাচ্ছিস তো?”
অনুপম অবাক হয়ে তাকাল।
“কোন ওষুধ দাদা?”

শিলু কথা থামিয়ে দিল।

পত্রিকার পাতা আর উল্টাল না সে।
শান্ত গলায় বলল—
“ডাক্তার যে ওষুধগুলো দিয়েছিল…”

অনুপম এবার আরও বিস্মিত কন্ঠে
“ডাক্তার?”

“কোন ডাক্তার?”

শিলু ধীরে ধীরে মুখ তুলে তাকাল অনুপমের দিকে
অনুপমের চোখে কোনো অভিনয় নেই।
বরং এমন এক বিস্ময় ভঙ্গিতে তার দাদাকে তথানগুলো বলছিল 
যেন সে সত্যিই কিছু জানে না।
অনুপম হালকা হেসে শান্ত স্বরে বলল—
“দাদা, আমার আবার কী হয়েছিল যে, ওষুধ খেতে হবে?”
মুহূর্তের জন্য চারপাশটা অদ্ভুত নীরব হয়ে গেল।
শিলু কোনো উত্তর দিল না।
ধীরে ধীরে পত্রিকাটা ভাঁজ করল।
তারপর একবারও অনুপমের দিকে না তাকিয়ে সিঁড়ির দিকে হাঁটতে শুরু করল।
নিচে নামার আগে শুধু একবার থামল।
কিন্তু কিছু বলল না।

শুধু মুখের ভেতর জমে থাকা অদ্ভুত এক দুশ্চিন্তা নিয়ে ধীরে ধীরে নিচে নেমে গেল।

আর ছাদের ওপর দাঁড়িয়ে রইল অনুপম।

কিন্তু তার বুকের ভেতর হঠাৎ আবার সেই অচেনা অস্থিরতা ফিরে এলো।
যেন কেউ খুব কাছ থেকে তাকে দেখছে…
কিংবা—
কেউ এখনও তার নাম ধরে ডাকছে।

অনুপম পিছনফিরে তাকাতেই দেখে</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/250003/</link>
				<pubDate>Thu, 21 May 2026 09:25:11 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ছায়া<br />
হাসান মুরাদ</p>
<p>২য় পর্ব</p>
<p>পরদিন সকাল।<br />
ঘরের জানালা দিয়ে আলো ঢুকছে।</p>
<p>পার্বতী কাপড় গুছাতে গুছাতে হালকা হাসির সুরে বলল—<br />
“তুমি আবার গত রাতে আগের মতো ঘুমের মধ্যে কাউকে ডাকছিলে।”<br />
অনুপম চমকে তাকাল।<br />
পার্বতী কথাটা একটু  মজা ছলেই বলল—<br />
“কে গো সে?”</p>
<p>অনুপম কিছু বলল না।<br />
চুপ করে বসে রইল।<br />
তার মুখে এমন এক নীরবতা নেমে এলো, যেন কথাটা তাকে অস্ব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-250003"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/250003/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4e07bbbe0a24f32c1bfcbb79f9a87c0b</guid>
				<title>ছায়া
হাসান মুরাদ

সকালটা  আজ অদ্ভুত সুন্দর।
অনুপম জানালার পাশে বসে আছে। বাইরে উঠোনে অল্প অল্প রোদ পড়েছে। পাতাগুলো হালকা বাতাসে ধীর গতিতে নড়ছে। খুব পরিচিত একটা সকাল মনে হচ্ছে অনুপমের কাছে। কিন্তু কেন জানি মনে হচ্ছে—আজকের এই সকালটা আর অন্য সব সকালের চেয়ে আলাদা।

“অনু, চা খাবি?”
পেছন থেকে শিলুর কণ্ঠ ভেসে এলো।
শিলু অনুপমের বড় দাদা।

অনুপম তাকিয়ে হালকা হেসে।
“হ্যাঁ রে দাদা…”
শিলু চায়ের কাপটা এগিয়ে দিল। 

শিলুর মুখে সেই চিরচেনা শান্ত হাসি। 
হাসিটা দেখে অনুপম বেশ খানিকক্ষণ নীরবে তাকিয়ে রইল শিলুর দিকে।

কিছু একটা মনে করার চেষ্টা করল অনুপম,
কিন্তু ঠিক মনে করতে পারল না।

বাড়ির ভেতর অনুপমের স্ত্রী পার্বতী রান্নাঘরে রান্না নিয়ে ব্যস্ত। অনুপম চায়ের কাপটা রান্নাঘরে রাখতে আসতেই পার্বতী মিষ্টি হেসে বলল—
“কি গো, আজ আবার দেরি করে উঠলে যে?”

কথাটা শুনে অনুপম হালকা লজ্জা পেল।
হেসে বলল—
“ঘুমটা ভালো হয়নি মনে হয়…”

কথাটা বলেই সে চুপচাপ রান্নাঘর থেকে বেরিয়ে গেল।

অনুপমের এমন নিঃশব্দ আচরণ দেখে পার্বতী কিছু বলল না।শুধু অনুপমের দিকে কিছুক্ষন তাকিয়ে রইল।

বাইরে উঠোনে ছোট্ট ছেলেটা খেলছে।
একা একাই খেলছে।
ওর নাম ভিমরুল।

যেখানে মুখভর্তি দাঁত থাকার কথা, সেখানে ওর সামনের কয়েকটা দাঁতই নেই। তবু ফোকলা মুখে অনর্গল হেসেই চলেছে । 
কিছুতেই যেন ওর হাসি থামছেই না।

উঠোনের এক পাশে দাঁড়িয়ে অনুপম ভিমরুলকে দেখছিল।
ভিমরুল একটা ঘাসফড়িং নিয়ে খেলছে আর আপনমনে হাসছে।

হঠাৎ সে অনুপমকে দেখতে পেয়ে এক দৌড়ে কাছে এসে বলল—
“কাকু, তুমি আবার লেখো না কেন?”

অনুপম হেসে শান্ত স্বরে বলল—
“লিখব… পরে।”

তারপর একটা দীর্ঘ শ্বাষ ফেলে বলল থেমে নিজের মনেই বলল—
“সবকিছু স্বাভাবিক হোক… তারপর লিখব।”

কি স্বাভাবিক হবে, তা ভিমরুল বুঝতে পারল না।

তার কিছুক্ষন পর আবার হঠাৎ অনুপমের ভেতরে একটা অস্থিরতা কাজ করতে শুরু করল।

যেন কিছু একটা সে ভুলে যাচ্ছে।
একটা গুরুত্বপূর্ণ কিছু।

উঠোন ছেড়ে সে নিজের ঘরে এসে বিছানায় শুয়ে পড়ে।

দুপুরে খাওয়ার টেবিলে সবাই একসঙ্গে বসেছে।
খেতে খেতে শিলু  অনুপমকে উদ্দেশ করে বলল—
“তুই গত রাতে উঠোনে একা একা হাঁটছিলি কেন বল তো, অনু?”

অনুপম অবাক হয়ে তাকাল শিলুর দিকে
তবে স্বাভাবিক ভাবেই বলল—
আশ্চর্য ভঙ্গিতে “রাতে?”

শিলু একটু থেমে বলল—
“হ্যাঁ… গতকাল রাতেই তো।”

অনুপম হাসতে হাসতে ।
“না তো… আমি তো কাল ঘুমিয়েছিলাম।”

অনুপম ভিমরুলের দিকে তাকিয়ে বলল—
“কিরে ভিমরুল, ঠিক বলছি না?”

ভিমরুল ফোকলা দাঁতে হাসতে হাসতে বলল—
“হ্যাঁ তো! কাকু তো কাল আমার সাথেই ঘুমিয়েছিল। গলা জড়িয়ে।”

শিলু আর কিছু বলল না।
কিন্তু তার মুখের ভেতরে যেন একটুখানি সন্দেহ রয়ে গেল।

রাত।
অনুপম জানালার পাশে বসে আছে।
আকাশভরা জ্যোৎস্না। উঠোনজুড়ে রূপালি আলো ছড়িয়ে পড়েছে। চারপাশটা যেন এক অদ্ভুত নরম আলোয় ভেসে আছে পুরো উঠোন জুঁড়ে
মনে হচ্ছে যেন কোনো নীরব দৃশ্যের শুটিং চলছে।
আশপাশে।

হঠাৎ ভিমরুল এসে অনুপমের বিছানায় এসে বসল।
“কাকু, তুমি কি আবার সেই গল্পটা লিখবে?”

অনুপম অবাক হয়ে ভিমরুলের দিকে তাকাল।

“কোন গল্প রে?”

ভিমরুল বলল—
“ওই যে… গাছটার গল্প।”

অনুপম কপাল কুঁচকাল।
“কোন গাছ?”

ভিমরুল হেসে বলল—
ওমা “তুমি তো সবসময় ওই গাছটার নিচে দাঁড়িয়ে কার সঙ্গে যেন কথা বলো…”
কথাটা শুনে অনুপম ধীর চোখে উঠোনের দিকে তাকাল।

তারপরই বুকের ভেতর কেমন যেন ধক করে উঠল অনুপমের 

অনুপম উঠোনের দিকে জানালা দিয়ে তাকাল  কোনো গাছ নেই তো

একটাও না।

মুহূর্তের মধ্যে চারপাশটা যেন অচেনা হয়ে উঠল তার কাছে।
অনুপমের ভেতরের অস্থিরতা আবার বাড়তে লাগল।

যেন স্মৃতির আড়ালে লুকিয়ে থাকা কোনো ছায়া ধীরে ধীরে জেগে উঠছে অনুপমের ভেতর।
চলবে.........</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/249803/</link>
				<pubDate>Wed, 20 May 2026 19:39:14 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ছায়া<br />
হাসান মুরাদ</p>
<p>সকালটা  আজ অদ্ভুত সুন্দর।<br />
অনুপম জানালার পাশে বসে আছে। বাইরে উঠোনে অল্প অল্প রোদ পড়েছে। পাতাগুলো হালকা বাতাসে ধীর গতিতে নড়ছে। খুব পরিচিত একটা সকাল মনে হচ্ছে অনুপমের কাছে। কিন্তু কেন জানি মনে হচ্ছে—আজকের এই সকালটা আর অন্য সব সকালের চেয়ে আলাদা।</p>
<p>“অনু, চা খাবি?”<br />
পেছন থেকে শিলুর কণ্ঠ ভেসে এলো।<br />
শিলু অনুপমের বড় দাদা।</p>
<p>অনুপম ত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-249803"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/249803/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d539215cc56b8cf65deb9334900ed197</guid>
				<title>অভিমান
হাসান মুরাদ

মনে করো হেড়ে গেছো
জীবন রেখে লাভ কি?
আচমকা কোন দমকা হাওয়ায়
উড়ে যেতে পারবে কি?

জানতেও তুমি পারবে না 
এ আকাশ কতটা নির্ভয়
আকাশ থেকে বজ্র পাতের মত 
আমি যে কতটা অটল।

হিমালয়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে আমি
দেখেছি পুরো বিশ্বকে
তোমার চোখে দেখেছি আমি 
আমার শত কষ্টকে।

শতবার ভেঙেছি 
শতবার গড়িয়েছি
কষ্টে ভরা এ মনটাকে
তবু তুমি বুঝোনি আমায়
ভুলে গেছো এই অধমকে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/249570/</link>
				<pubDate>Wed, 20 May 2026 05:52:02 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অভিমান<br />
হাসান মুরাদ</p>
<p>মনে করো হেড়ে গেছো<br />
জীবন রেখে লাভ কি?<br />
আচমকা কোন দমকা হাওয়ায়<br />
উড়ে যেতে পারবে কি?</p>
<p>জানতেও তুমি পারবে না<br />
এ আকাশ কতটা নির্ভয়<br />
আকাশ থেকে বজ্র পাতের মত<br />
আমি যে কতটা অটল।</p>
<p>হিমালয়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে আমি<br />
দেখেছি পুরো বিশ্বকে<br />
তোমার চোখে দেখেছি আমি<br />
আমার শত কষ্টকে।</p>
<p>শতবার ভেঙেছি<br />
শতবার গড়িয়েছি<br />
কষ্টে ভরা এ মনটাকে<br />
তবু ত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-249570"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/249570/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5e26f9e82cafa0cb44fa61386b54f5d4</guid>
				<title>আশা করাটাই যেনো ভুল হয়েছিল
মিথ্যে স্বপ্নের খোঁজে, 
তাই ভেবে নেয়াই উচিত
মিথ্যের পরিনাম
শুধু মিথ্যে দিয়েই বুঝিয়ে দেয়া 
নচেৎ সত্যের সাথে অবিচার হবে। 
                                                হাসান মুরাদ</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/249377/</link>
				<pubDate>Tue, 19 May 2026 17:37:09 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আশা করাটাই যেনো ভুল হয়েছিল<br />
মিথ্যে স্বপ্নের খোঁজে,<br />
তাই ভেবে নেয়াই উচিত<br />
মিথ্যের পরিনাম<br />
শুধু মিথ্যে দিয়েই বুঝিয়ে দেয়া<br />
নচেৎ সত্যের সাথে অবিচার হবে।<br />
                                                হাসান মুরাদ</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">cbaf0c1b654c09ef25194296a6b0d5fa</guid>
				<title>কষ্ট
হাসান মুরাদ

তুমি কি কষ্টের অর্থ বোঝো?
কতটা নির্মম সে বেদনা
যে সহে, সে তার অর্থ বুঝে। 
তোমার কি আর জানার, সেটা দরকার আছে?

এসেছিলে তো আলেয়া হয়ে 
চলে গেছ তেমনি করে।
স্বপ্ন দেখিয়ে চলে গেছো দূরে
কি বলবো তোমায়,
কি আর বলার আছে!

খুব করে বলেছিলে, থাকবে এ আকাশ জুঁড়ে
সবই যদি তোমার মিথ্যে ছিল 
তবে কেনো, 
শুণ্য আকাশের জোছনা হলে?

একটু স্পর্শ 
একটু খানি ছোঁয়া
তাতেই কি তুমি মিটাতে চাইলে
কষ্ট দিয়ে? 

কি অবাক তোমার লেনাদেনা
কি অবাক তোমার বিষ্ময়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/249327/</link>
				<pubDate>Tue, 19 May 2026 10:54:20 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কষ্ট<br />
হাসান মুরাদ</p>
<p>তুমি কি কষ্টের অর্থ বোঝো?<br />
কতটা নির্মম সে বেদনা<br />
যে সহে, সে তার অর্থ বুঝে।<br />
তোমার কি আর জানার, সেটা দরকার আছে?</p>
<p>এসেছিলে তো আলেয়া হয়ে<br />
চলে গেছ তেমনি করে।<br />
স্বপ্ন দেখিয়ে চলে গেছো দূরে<br />
কি বলবো তোমায়,<br />
কি আর বলার আছে!</p>
<p>খুব করে বলেছিলে, থাকবে এ আকাশ জুঁড়ে<br />
সবই যদি তোমার মিথ্যে ছিল<br />
তবে কেনো,<br />
শুণ্য আকাশের জোছনা হলে?</p>
<p>একট&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-249327"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/249327/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0f22f26b34486e7868c016f30193fc3e</guid>
				<title>ভালোবাসি তোমাকে
হাসান মুরাদ

বারান্দায় একা দাঁড়িয়ে
খুব একা জড়িয়ে
নিঝুম হাওয়া মাখিয়ে
নিলো মন ছুঁইয়ে 
আবারো আসবো ফিরে 
তোমার এ কায়ার মাঝে
তোমাকে ছুঁয়ে যাবো
কোনো এক জোস্না রাতে
ভালোবাসি তোমাকে। 

কি এক মাঝ রাতে
একাকি জীবনটাতে
তুমি এলে রঙিন হয়ে
গেছো তেমনি আধাঁর করে
কেনো আলো দেখিয়েছিলে
মিছে ভালো বেসে ছিলে
অন্ধ কোনো মায়াজালে
নিজেকে তুমি আড়াল করে
ভালোবাসি তোমাকে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/248606/</link>
				<pubDate>Sun, 17 May 2026 12:10:24 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ভালোবাসি তোমাকে<br />
হাসান মুরাদ</p>
<p>বারান্দায় একা দাঁড়িয়ে<br />
খুব একা জড়িয়ে<br />
নিঝুম হাওয়া মাখিয়ে<br />
নিলো মন ছুঁইয়ে<br />
আবারো আসবো ফিরে<br />
তোমার এ কায়ার মাঝে<br />
তোমাকে ছুঁয়ে যাবো<br />
কোনো এক জোস্না রাতে<br />
ভালোবাসি তোমাকে। </p>
<p>কি এক মাঝ রাতে<br />
একাকি জীবনটাতে<br />
তুমি এলে রঙিন হয়ে<br />
গেছো তেমনি আধাঁর করে<br />
কেনো আলো দেখিয়েছিলে<br />
মিছে ভালো বেসে ছিলে<br />
অন্ধ কোনো মায়&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-248606"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/248606/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7a2f834e33e0400fae36128af917a84d</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/248603/</link>
				<pubDate>Sun, 17 May 2026 11:58:53 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3b6f4df7da4c205c7b2eec8fbf93686a</guid>
				<title>কথন                        
হাসান মুরাদ

বেলা পড়ল সবে
এক বেলা
তাতেই কি, 
যায় ভোলা?
কত দিন কেঁটেছে তোমায় নিয়ে
পুড়ি আর রঙ চায়ের সাথে।
কতো দিন কেটেছে কত কথা  
এপিঠ ওপিঠ নিয়ে
তাও যেনো ফুরাতো না একটি প্রহর।

কিন্তু কি যে হলো 
আজকের রাতে 
ঘুম যে চোখে আসছেই না
আকাশের দিকে তাকিয়ে
দেখি ভরা জোছনা ।
সাথে কিছু মেঘ জমে আছে
চাঁদের বামে ডানে।

বসে আছি শুধুই আমি  ,
আনমনে ভাসছে মনে তোমার ছবি
যদি দেখা পাই তোমায়
কি বলবো 
ভাবছি সে কথাটাই।
প্রথম লাইনটির কিছুটা হলেও মিলিয়েছি
তবে পরের লাইনটি 
কিছুতেই মিলাতে পারছি না।

জানো আজোও, সেদিনের মত করে
তোমায় মনে করি
কিছু না পেয়ে
খুঁজে বেড়াই জোঁনাই পোকা
না হয় খুঁজে বেড়াই 
আধাঁর রাতের 
তোমা আমার সাথে চলার সেই পথটা।

যখন তুমি হাসতে ভারী
ছিলো না কোনো কারন বিশেষ
ছুঁয়েছিলে তখন তুমি  
আমার এ মন। 
সেদিন ছিল না তোমার অনেক বারণ
তাই হয়তো হইনি সেদিন
তোমার রাগের কোনোই কারন।
অথচ আজ তুমি হীনা আমি এখন 
সঙ্গী হয়েছে ওই আকাশ গগণ।
  
হঠাৎ সেদিন কি মনে করে 
হেসেই বলেছিলাম 
ধড়লাম, তোমার শাড়ির আচঁল?
তুমি হেসে ছিলে 
কিন্তু তখনো  
করোনি এমন শাসন
তবে কেন করছো 
এখন কঠোর বাড়ন?
কি করেছি এমন? 
প্লিজ বলবে কি…?

এখন কিসের বারন?
না শুধুই ছিল তখন 
তোমার এমন মিথ্যে ছলনার বদন।
এখনও বিকেল যায় গড়িয়ে
নুয়ে পড়ে সন্ধ্যা গগণ।
তবে আমি সত্যি ছিলাম
তাতে ছিলো না কিঞ্চিৎ মাত্র 
মিথ্যের বচন।

বুঝে নিলাম যা হবার ছিল, হচ্ছে এখন?
হবেই যদি হয়ে যাক  
দেবো না হয় দোষের মরন।
কি বা কি,
কি করা যায়?
মাঝে মাঝে মনে হয়
হতে পারে তোমার ছুঁয়ে যাওয়াটাই 
ছিল আসল কারন।

কেনো জানি মনে হয় 
শূণ্য মনে কানে কানে 
কে যেনো কথা বলে 
কানের পাশে ফিস ফিসিয়ে
বলে, আছো কেমন? 

ধ্যাত 
কি বলছি এমন আবল তাবল?
তবে তুমি ছিলে আমার
এই মনো জগতে
যা ছিল মায়া 
অন্যটি
সুখের শাসন। 
গেছো তো ভুলে
বুঝে নিয়েছি
হারিয়েও গেছো। 
কি বা হবে আর ভেবে?
মিথ্যেই রয়ে গেলো 
সাথে তোমার মিথ্যে কথোকথন।

তবে এখন আর ভাবি না এমন করে
আসবে ফিরে সেই তুমি  যখন তখন
ভাবছিও না আর সে জমবে মেলা
জ্বলবে না আর রঙিন আলো।
হাটঁবোই যখন একা একা
কি হবে ভেবে এটা সেটা?
বলি আজ একা মনে
প্রেমে পড়েছিলাম এক মিথ্যের সনে । 

বেসে ছিলাম একদিন ভালো তোমায়
মিথ্যে ছিল না ভালোবাসা তখন।
মনে জাগে 
এ শুধুই আমার এ মনের কথন
তবে ছিল না তা আমার কোনো মিথ্যে ভুবন
ভালোবেসেছিলাম সত্যি যেমন 
ভালোবাসবো আজীবন।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/248601/</link>
				<pubDate>Sun, 17 May 2026 11:49:54 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কথন<br />
হাসান মুরাদ</p>
<p>বেলা পড়ল সবে<br />
এক বেলা<br />
তাতেই কি,<br />
যায় ভোলা?<br />
কত দিন কেঁটেছে তোমায় নিয়ে<br />
পুড়ি আর রঙ চায়ের সাথে।<br />
কতো দিন কেটেছে কত কথা<br />
এপিঠ ওপিঠ নিয়ে<br />
তাও যেনো ফুরাতো না একটি প্রহর।</p>
<p>কিন্তু কি যে হলো<br />
আজকের রাতে<br />
ঘুম যে চোখে আসছেই না<br />
আকাশের দিকে তাকিয়ে<br />
দেখি ভরা জোছনা ।<br />
সাথে কিছু মেঘ জমে আছে<br />
চাঁদের বামে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-248601"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/248601/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9f7112a91d73ffc0da72195733fabbb1</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/248173/</link>
				<pubDate>Sat, 16 May 2026 08:06:57 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">202c10d3fef06f457554ce03a5ce321f</guid>
				<title>মো.মাহমুদুল হাসান changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/248170/</link>
				<pubDate>Sat, 16 May 2026 07:52:43 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>