<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Mohammad Hossain | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/mohammad-arman-hossain/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/mohammad-arman-hossain/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Mohammad Hossain.</description>
	<lastBuildDate>Sat, 20 Jun 2026 20:41:47 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">72e058f7feb15b455adbb6864fc5003a</guid>
				<title>১-

আতিকা যেদিন জন্ম লাভ করেছিল, সেদিন অনেক বৃষ্টি হয়েছিল।তার বাবা মোহাম্মদ আফজাল খুশি হয়ে বলেছিলেন,&quot;মাইয়াডা আমার বড় ভাইগ্যবতী।আল্লাহ এক্কেবারে রহমত ঢাইল্লা দিসে&quot;।আতীকা বড় হয়েছে। কুসুমপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে নবম শ্রেনীতে পড়ে।তার মায়ের মামাতো বোনরা পুরো পরিবার শহর থেকে চলে এসেছে।তারা এখন থেকে গ্রামে থাকবে।তার উক্ত খালার একমাত্র ছেলে জাহির।সেও আতীকার সাথে একই শ্রেনীতে ভর্তি হলো।গ্রামে আসার স্বপক্ষে তার মত ছিল না।তাও নিয়তির টানে আসতে হলো।নিয়তির টান না আসলে;পরিবারের জোর।যাই হোক,গ্রামে সে কাউকে চেনে না।আত্মীয় সূত্রে পরিচয় হয় আতীকার সাথে।তাছাড়া একই শ্রেনীতে হওয়ায় তাদের মধ্যে ভালো একটা ভাব হয়।একদিন স্কুল শেষে আতিকা ও জাহির.............
2.
কদম বনে গেলো।জাহির আতিকাকে শুনিয়ে চলতে চলতে বলে, &quot;জীবন জীবনের,আমি আমার;তবে স্বপ্নটা সবার।&quot;জাহিরের কথা শুনে আতিকা মনে মনে বলে,&quot; কোন পাগলের পাল্লায় পড়লাম।কি বলে সে নিজেও মনে হয় বোঝে না।&quot; তবু্ও আতিকা হাসি মুখে মিথ্যে আগ্রহ নিয়ে শুনছে।জাহির এবার আতিকার দিকে তাকিয়ে বলে,&quot;আচ্ছা তুমি কি কাউকে মন দিয়েছো?&quot;উত্তরে আতিকা বলে,&quot;মন কিভাবে দেয়?&quot;
জাহির কিছুক্ষণ হাসার পর বললো,&quot;প্রেম!করেছো প্রেম?&quot;এরপর আতিকা কিছুটা গম্ভীর ভাবে বলে,&quot;অসম্ভব!ঘরে এসব কথা জানলে মেরেই ফেলবে।তুমি হয়তোবা দেখেছ যে আব্বু আম্মু খুবই ধার্মিক।তোমার সাথে এইভাবে ঘুরাঘুরি করছি জানলেও খবর আছে।তুমি শহর থেকে এসেছ,তাই আত্মীয় হিসেবে শুধু তোমার সাথে খুব প্রয়োজনে কথা বলার অনুমতি আছে।এর বেশি কিছু না।&quot; সব শুনে জাহির বলে,&quot;ঘরে যে দেরি করে যাচ্ছ যে সমস্যা হবে না?&quot;উত্তরে আতিকা বলে,&quot;আম্মুকে স্কুলে আসার সময় বলেছি স্কুল শেষে পড়া নোট করতে রাবেয়ার বাসায় যাবো।এখন তোমার সাথে চলে এলাম।পড়া আর আজ নোট করা হলো না আর কি।যাই হোক,আচ্ছা প্রেম জিনিসটা কিরকম?&quot;প্রায় অনেকক্ষণ চুপ করে থাকার পর জাহির বলে,&quot;প্রেম হচ্ছে খুব গরমে হিমেল হাওয়া বয়ে যাওয়ার মতো।প্রেম হলো প্রত্যেক ঋতুতে মনে বসন্তের রঙ লাগার মতো।এক অদ্ভুত স্বর্গীয়...........।&quot;আতিকা &#039;বুঝেছি বুঝেছি&#039; বলে জাহিরকে থামিয়ে দিলো এবং বললো,&quot;ঘরে দেরি হয়ে যাচ্ছে যেতে হবে।&quot;জাহির অপূর্ণ কন্ঠে বলে,&quot;হু চলো।&quot; যাওয়ার পথে............
৩.
জাহির আতিকার একদম সামনে চলে এসে হাত ধরে বলে,&quot;প্রেম করবা?&quot;আতিকা এবার খুব বিরক্ত মুখে বললো,&quot;একটু সুযোগ দিলে নিজের আত্মীয়ও ছাড়ে না।&quot;এরপর আতিকা হাঁটার গতি বাড়িয়ে দিয়ে একাই ঘরের পানে চলা শুরু করলো।জাহিরের ব্যাপারটা খুবই অপমানজনক লাগলো।সেদিনের ঘটনা সে তার মাকে বলে।তার মা ব্যাপারটা তার বাবাকে জানালে তিনি বলেন,&quot;এরজন্যেই মাইয়্যাগো বেশি বাইর হইতে দেওয়া ঠিক না।কারণ যুগটাই এখন খারাপের দখলে।বাইরে ঝড় থাকলে ঘরে থাকন কি ভালা না?আতিকা কয়ডাদিন স্কুলে না যাক।&quot;আতিকার বাবার কথাগুলো তার মা তাকে বলতেই সে বলে,&quot;বাহিরে ঝড় থাকলে অবশ্যই ঘরে থাকা ভালো।তবে এই ঝড় বেশিদিন চলতে দেওয়া কি ঠিক?&quot;আতিকা রাগ করে  নিজের রুমে চলে যায়।ঘটনাটা জাহিরের ঘর অবদি চলে গেলো।শহরে বড় হওয়া জাহির ফোনে তার শহুরে এক বন্ধুকে বলতে লাগলো,&quot;একটা ছোট ঘটনায় এত কিছু?অপমানিত হয়েছি আমি অথচ জেদটা দেখাচ্ছে তারা।এই মেয়েকে তো আমি পাত্তাই দিতাম না।এইখানে তেমন কেউ নেই বলে মজা করার জন্য তাকে আমি প্রস্তাবটা দেই।গ্রহণ করে নাই ভালো কথা এত কাহিনী করার কোন দরকার আছে?&quot;তার বন্ধুর সাথে কথা বলা শেষে তার মায়ের অনেক বকা-ঝকা হজম করলো সে।এইদিকে আতিকা কয়েকদিন ধরে স্কুলে যাচ্ছে না।তার ঘরের একমাত্র জানালা দিয়ে দুনিয়া দেখে।সে ভাবতে থাকে..........
৪.
&quot;আচ্ছা ব্যাপারটা গোপন না করে বেশি বাড়াবাড়ি করে ফেললাম না তো?হাত ধরেছে তো কি হয়েছে?আমার তো কোন অংশ কমে যায় নি।বাবা-মা মনে হয় আমাকে একটু বেশিই চাপে রাখছে।&quot;ইত্যাদি নানান গুঞ্জন শুরু হয় আতিকার মনে।পরের দিন বাবাকে অনেক অনুরোধ করে স্কুলে যাওয়ার সম্মতি পেল।যাওয়ার আগে তার বাবা বলে,&quot; পিথিবি লইড়া যাক,তুই আমার দেওয়া শিক্ষা থেইকা লড়িস না।&quot; আচ্ছা আচ্ছা! বলে চলে গেল আতিকা।ক্লাস চলাকালীন জাহিরের দিকে চোখ পড়ে আতিকার।জাহির ইশারায় ক্ষমা চাচ্ছে।আতিকা অন্যদিকে চোখ সরিয়ে নিল।স্কুল শেষে জাহির আতিকাকে বলে,&quot;আমাকে ক্ষমা করে দাও আতিকা।আমি বুঝেছি আমি ভুল করেছি।তবে আমার তোমার প্রতি আবেগ আছে বলেই ওইদিনের কাহিনীটা হলো।আবারো বলছি আমাকে ক্ষমা করে দাও।&quot;আতিকা সব শুনে বললো,&quot;আচ্ছা সব ঠিক আছে।তবে আমার প্রতি আবেগ কিভাবে জন্মালো?&quot;উত্তরে জাহির বলে,&quot;উত্তর নেই তবে ধারণা করা যায় যেভাবে গাছের পাতায় শিশির জন্মায়।&quot;আতিকা এইবার একটু হাসলো।তারা বাড়ির দিকে রওনা হচ্ছিলো।জাহির এইবার একটু আবদার রেখে বললো বিকালে বাড়ির পেছনে ফুলতলায় দেখা করতে।আতিকা বলে,&quot;না!কিছুতেই না!ঘরের কেউ জানলে আমাকে শেষ করে ফেলবে।&quot;জাহির এইবার আতিকার খুব কাছে এসে আতিকাকে বলে,&quot;আমার চোখের দিকে তাকাও।আমি নিশ্চিত তোমার চোখে আমার জন্য প্রেম দেখছি।তুমি হয়তো তোমার বাবা মায়ের ভয়ে নিজেকে গুটিয়ে রেখেছ।জীবনটা তোমার।তোমার বাবা মায়ের না।উপভোগ করো জীবনে।আর শুনো আতিকা তোমাকে সত্যিই ভালোবেসে ফেলেছি।আমি জানি আসরের পর তুমি ফুলতলায় আসবা।&quot; আতিকার জীবনের অভিধানটাই যেন পাল্টে গেছে।তারও একধরনের স্নিগ্ধ ভালোলাগা কাজ করছে।সে বলে,&quot;বাড়ির কাছাকাছি চলে এসেছি তুমি একটু পরে আসো।আমি চলে যাই।আর শুনো......আচ্ছা কিছু না।&quot;একজোড়া হাসিতে তারা বিদায় নিলো।আতিকার মনে আজ রঙ লেগেছে।সে মনে করলো জীবনের আনন্দ এইখানেই।তবুও সে বুঝতে পারছিলো না হঠাৎ করে কোথা থেকে কি হয়ে গেলো আজ।সে স্কুলে যাওয়ার সময়ও ভাবে নি ফেরার পথ এতো মধুর হবে।আসরের আজান দেয় আতিকা খুব খুশি।নামাজ পড়বে বলে নয় জাহিরের সাথে দেখা করবে বলে।সে তার মাকে শারীরিক অবসাদের কথা বলে একটু আশেপাশে ঘুরাঘুরি করবে বলে বের হলো।অবশেষে ফুলতলায় এসে জাহিরকে দেখে আতিকার  হৃদয়ের স্পন্দন বেড়ে গেলো।জাহির বললো,&quot;আজ আমাদের প্রথম প্রেম বিনিময়।তোমাকে জড়িয়ে ধরতে চাই।হৃদয়ের জোর কম্পন থামাতে চাই।&quot;আতিকা ঠিক-ভুল,ভালো-খারাপ কিছুই মাথায় না এনে জাহিরকে জড়িয়ে ধরলো।জাহির আতিকার দুই বাহুতে হাত দিয়ে জোরে একটা ধাক্কা দিলো।আতিকা কিছুই বুঝে না উঠতে তার বাবা তার সামনে হাজির।এর পর জাহির বলে,&quot;দেখেন মামা আপনার মেয়ে।এই মেয়ের কথা শুনে আপনারা আমার নামে কত কিছু ছড়াইসেন।ভালো করে দেখেন।আপনাকে আজকে না ডাকলে আপনি কখনও বিশ্বাস করতেন?আমাকে ধন্যবাদ পরে দিয়েন।আপনার মেয়েকে নিয়ে যান।&quot;আতিকা একটা শব্দও করেনি।সে নিচের দিকে তাকিয়ে রইলো।তার বাবা তাকে বাড়িতে নিয়ে গেলো।কিছুই বলে নি তার বাবা।অর্থাৎ বাকরুদ্ধ তিনি।আতিকা ঘরে ঢুকেই তার জানালার সামনে গেলো।আকাশের দিকে চোখে নোনা পানি নিয়ে তাকিয়ে তার বাবার সেই কথাটা বলতে লাগলো,&quot;বাহিরে ঝড় থাকলে ঘরে থাকা কি ভালো না?&quot;আতিকা বুঝেছে তার বাবা কেন তাকে বেশিরভাগ সময় ঘরে রাখতে চায়।সে উত্তর পেয়ে গিয়েছে যে স্রষ্টার নিষেধে কোন সুখ নেই;আছে শুধু ভয়,অপমান,পাপ আর বিষন্নতা।এত কিছুর ভীড়েও সে একটু করে হাসি দিয়ে বললো,&quot;আমার পৃথিবী হিসেবে আমার জানালাটাই থাক&quot;।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/21681/</link>
				<pubDate>Sat, 17 Jul 2021 13:41:51 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>১-</p>
<p>আতিকা যেদিন জন্ম লাভ করেছিল, সেদিন অনেক বৃষ্টি হয়েছিল।তার বাবা মোহাম্মদ আফজাল খুশি হয়ে বলেছিলেন,&#8221;মাইয়াডা আমার বড় ভাইগ্যবতী।আল্লাহ এক্কেবারে রহমত ঢাইল্লা দিসে&#8221;।আতীকা বড় হয়েছে। কুসুমপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে নবম শ্রেনীতে পড়ে।তার মায়ের মামাতো বোনরা পুরো পরিবার শহর থেকে চলে এসেছে।তারা এখন থেকে গ্রামে থাকবে।তা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-21681"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/21681/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7096228498539d5c6de34f87264957ab</guid>
				<title>Mohammad Hossain and অভিমানী মন are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/21679/</link>
				<pubDate>Sat, 17 Jul 2021 13:39:52 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7096228498539d5c6de34f87264957ab</guid>
				<title>Mohammad Hossain and Neel tripura are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/21678/</link>
				<pubDate>Sat, 17 Jul 2021 13:39:52 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7096228498539d5c6de34f87264957ab</guid>
				<title>Mohammad Hossain and Drako Shajib are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/21677/</link>
				<pubDate>Sat, 17 Jul 2021 13:39:52 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7096228498539d5c6de34f87264957ab</guid>
				<title>Mohammad Hossain and চাঁদ সদাগর are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/21676/</link>
				<pubDate>Sat, 17 Jul 2021 13:39:52 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>