<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Mohammad Raisuddin | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/mohammadraisuddin/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/mohammadraisuddin/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Mohammad Raisuddin.</description>
	<lastBuildDate>Sun, 11 Oct 2026 13:18:13 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">a392ec7d1302209ce50410ff2c459f03</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/279855/</link>
				<pubDate>Mon, 28 Sep 2026 16:11:59 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2704da37caa6fab4f458b44c055fa54e</guid>
				<title>মিষ্টি মেয়ে মিনাঃ

ছোট্ট মেয়ে মিনা
নাচে তাক্ ধিন ধিন ধিনা
নাচের তালে ঢোলক বাজে
বাজে মাদল বীনা।

ময়ূর নাচে ঝুমুর পায়ে
ময়না ধরে গান
তাই না দেখে হুতুম পেঁচা
করছে অভিমান।

মিষ্টি চোখে দৃষ্টি মেলে
বন বণানীর হরিণ
ঝর্ণা বহে আপন মনে
করো না মন মলিন।

বাঁচতে হলে হাসতে হবে
সারা জীবন ভর
দুঃখ সুখের তান পুরাতে
মিলিয়ে নাও সুর।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/275169/</link>
				<pubDate>Thu, 17 Sep 2026 09:09:44 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মিষ্টি মেয়ে মিনাঃ</p>
<p>ছোট্ট মেয়ে মিনা<br />
নাচে তাক্ ধিন ধিন ধিনা<br />
নাচের তালে ঢোলক বাজে<br />
বাজে মাদল বীনা।</p>
<p>ময়ূর নাচে ঝুমুর পায়ে<br />
ময়না ধরে গান<br />
তাই না দেখে হুতুম পেঁচা<br />
করছে অভিমান।</p>
<p>মিষ্টি চোখে দৃষ্টি মেলে<br />
বন বণানীর হরিণ<br />
ঝর্ণা বহে আপন মনে<br />
করো না মন মলিন।</p>
<p>বাঁচতে হলে হাসতে হবে<br />
সারা জীবন ভর<br />
দুঃখ সুখের তান পুরাতে<br />
মিলিয়ে নাও সুর।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8b711f3e9236bf6e75f66b65611a3b15</guid>
				<title>(ছোট গল্প )

দুটি গোলাপের বিলাপ.

মুহাম্মদ রাইস উদ্দীন

এক

শিশিরের টুপটাপ শব্দশোনা যায় এ যেন ভোরের আগমন বার্তা । মুয়াজ্জীনের আজানের পূর্বেই রহিমা খালার মোরগটা আজান দিয়ে দিল । কনকনে বাঘ কাপানো শীতে হয়তো মুয়াজ্জীন অলসতা করে এখনো উঠেনি। ভোর হওয়ার পূর্বেই গাছি গাছ থেকে রসের হাড়ি গুলি নামিয়ে নিয়ে চলে যায় । সপ্তাহ খানেক হল খেজুর গাছগুলো ছন্দু গাছি এসে জুড়েগেছে &#039;সারা রাত ঘুমায়নি সুলতানা ! গাছিকে ধরে আজ সে রস খাবেই । -একি! এখনো আজান হয়না কেন ? ভাবছে সুলতানা ।

আল্লাহর বড়ত্ ঘোষনা করে হঠাৎ মুয়াজ্জীন আজান ফুঁকাচ্ছে আল্লাহু আকবার ধ্বনিতে চারদিক মুখরিত হয়ে গেল । বিছানা ছেড়ে হুড়মুড় করে উঠেগেলেন আসরাফ তালুকদার পিতার পিছনে পিছনে সুলতানাও উঠে গেল ।

-কি ব্যাপার মা ! তুমি এই শীতের মধ্যে উঠেছ কেন? -রস খাব !

দেখ পাগলীর কান্ড ! প্রথম পনের দিনের রস গাছি নিজেই নিবে যে, পরের পনের দিন

আমাদেরকে দিবে । হেসে বললেন তালুকদার । -এক সপ্তাহ ধরে গাছি ভোর নাহতেই রস নিয়ে চলে যায়। আমার বুঝি রস খেতে ইচ্ছে

করে না ?

ঠিক আছে তুমি লক্ষী মেয়ের মত শুয়ে থাক। আমি গাছিকে তোমার জন্য এক হাড়ি রস

রেখে যেতে বলবো। -সত্যি বলছো তো বাবা ?

হ্যা সত্যি বলছি, আমি কি কখনো মিথ্যে বলেছি ? এবার তালুকদার ঘর থেকে বেরিয়ে আঙ্গিনায় গিয়ে দাঁড়ালো । কুঁয়াশায় কিছুই দৃষ্টি গোচর হচ্ছে না ঠাহর করে করে মসজিদের দিকে এগুচ্ছে । এমনিতেই শীতের প্রকোপ তার পর হিমেল হাওয়া এসে শরীরে লাগছে &#039;হঠাৎ সামনে কিসের যেন আওয়াজ । ধমকে দাড়ালেন আসরাফ তালুকদার । -কে?

আমি ইছহাক। আচ্ছালাম ওয়ালাইকুম ! সালামের জবাব দিয়ে তালুকদার ভালকরে তাকালেন । তখন কুঁয়াশা ক্রমেই কমে আসছিল । সাথে ইছহাক মৃধার একমাত্র ছেলে সৃজনকে দেখে তার হৃদয় বিগলিত হয়ে গেল । কাঁধে হাত রেখে তালুকদার
বললেন &quot;সাবাস্ বেটা। তোমার যদি সারাদেশের ছেলেরা নামাযী হয়ে যেত তাহলে আল্লাহর

রহমত বরকত ও নেয়ামতে দেশটা ভরপুর হয়ে যেত। -সব আপনাদের দোয়া ভাই সাহেব। ইছহাক মৃধা বললেন ।

সরু রাস্তা দুপাশে সরষে ক্ষেত। দুব্বা ঘাসের উপর শবনম । পায়ে চটি জুতা । শিশিরের পানি আর কাঁদা মাটিতে হোচট খেতে খেতে সকলে মসজিদে গিয়ে উপস্থিত । প্লাসটিকের অনেক গুলি অজুর বদনা টিউবওয়েলের সামনে সারি বদ্ধকরে সাজিয়ে রাখা হয়েছে । ওখান থেকে বদনা নিয়ে তালুকদার সাহেব টিউবওয়েলের কাছে পানি ভরতে

গেলেন। -আমাকে দিন আমি ভরে দিচ্ছি । সৃজন টিউবওয়েলে চাপদিতে চাইলো।

না না বাবা! তুমি ছোট মানুষ পারবেনা বরং তোমার বদনাটা নিচে ধর আমি চাপ দিচ্ছি ।

তালুকদার সৃজনের সহানুভূতি ও শ্রদ্ধা দেখে বেশ খুশি হলেন ।

-এই শীতের মধ্যে ঠান্ডা পানি দিয়া অজু কইরা নামায পড়তাছি শেষকালে যদি বেহেস্তডা না পাই তাইলে খাইলাম নি একটা ধরা ? ঐ মুসুল্লির মূখে এমন কথা শোনে তাজ্জব বনে গেলেন তালুকদার সাহেব -নামায যদিও বেহেস্তের চাবিকাঠি &quot;কিন্তু নামাযের সাথে সাথে সকল যায়গায় সকল কাজে

যদি আমরা আল্লাহকে মেনে চলি তবে অবশ্য অবশ্যই বেহেস্ত পাব ! মসুল্লির মুখ থেকে আর একটি কথাও বের হলোনা সুন্নত পড়ার তাগিদে সবাই তারাতারি অজুকরে মসজিদে ঢুকলেন । অন্ধকার এখনো কেটে যায়নি কুঁয়াশা একটু একটু রয়েছে । মসজিদের সীমানা জুড়ে রয়েছে আম জাম লিচুগাছ আরও রয়েছে নানা ফলের গাছ । মসজিদের সামনে রয়েছ ফুলে বাগান &#039;তাতে ফুটেছে হাসনা হেনা বকুলশেফালী গোলাপ বেলী ও আরও অসংখ্য সৃগন্ধি ফুলের সুবাসে সকল মুসুল্লিদের মন ভরে যায় &#039;এ যেন এক বেহেস্তী পরিবেশ ।

দু7ই

মসজিদের পিছনে ঘাট বাঁধানো পুকুর। মসজিদের পাশেই রয়েছে মক্তব ভোর বিহানে গ্রামের সকল ছেলে মেয়েরা মক্তবে আসে আরবী শিখার জন্য । পুকুরে অজুকরতে গিয়ে সুলতানা কাপড় ভিজিয়ে ফেলেছে ।

-তোকে কতবার বলেছি ছিপারা খানা মক্তবে রেখে যেতে এখন ভিজে গেলতো ? উত্ত দিজীর বেত খেলে বুঝবে কতমজা ? সৃজনের রাগ দেখে সুলতানা একটু অভিমানের সূরে বললো &quot;উস্তাদজী মারলে আমাকে মারবেন &#039;ব্যাথা পেলে আমি পাব ! তু qমি রাগকরছ কেন ? -তুমাকে মারলে আমার ভিষন খারাপ লাগে তাই । -তাই বুঝি ?
আলিফ, বা, তা, ছা, আলিফ যবর আ- বা যবর বা-তাবের তা- সকল ছাত্রছাত্রীর একসাথে পড়ার শব্দে মক্তব মুখরিত হয়ে উঠেছে । উস্তাদজীর হাতে একটা শক্ত নিমের ঢাল ওটা দিয়ে পড়া না শিখলে পিটুনি দেন । এবার ধমক দিয়ে সবাইকে চুপকরতে বললেন । বেগম এদিকে এস। পড়া শিখেছ ? গ্রামের অতিসহজ সরল মেয়ে বেগম । বয়স পনের ষোল মাথায় কিচ্ছু নেই একেবারে গুবর &#039;তবে পড়ায় বেশ আগ্রহী হস্তাদজী আবার প্রশ্ন করলেন &quot;পড়া হয়েছে ?

-জী-না উস্তাদ!

-কেন?

-মনে থাহেনা কি করমু উস্তাদ

-খাইতে মনে থাকে ? আজকে আবার পড়া বলে দিচ্ছি কাল শিখে না আসলে দশ বেত

খেতে হবে । বল আলিফ

বেগমঃ বল আলিফ&#039; উস্তাদজী : আরে পাগলী বল বলতে হবেনা শুধু বল আলিফ বেগম : আরে পাগলী বল বলতে হবেনা শুধু বল আলিফ ! উস্তাদজী যা বলে বেগমও তাই বলে ।মকলে এক সঙ্গে খিল খিল করে হেসে উঠলো। উস্তাদজী এবার যারা ছিপারা এবং কোরআন তালিম নিচ্ছে তাদেরকে রেখে বাকি সবাইকে ছুটিদিয়ে দিলেন ।সুলতানা আজ ছিপারা রেখে কোরআন হাতে নিবে &#039;তাই তালুকদার সাহেব বাজার থেকে মিষ্টি আর বাড়ি থেকে বিন্নিধানের খই নিয়ে এসেছেন। সুলতানার পড়ার উন্নতিতে সব চেয়ে বেশি খুশি যেন সৃজন ! কিশোর মন তার আনন্দে উৎফুল্লিত! মক্তব ছুটি হয়ে গেল উভয়েএকত্রে দৌড়াতে দৌড়াতে বাড়ীর দিকে ছুটলো । ঘন্টা খানেক পর সকালের নাস্তা খেয়ে আবার স্কুলে রওয়ানা হতে হবে । স্কুল থেকে কলেজ পর্যন্ত একই সাথে লেখাপড়াকরে আসছে ওরা । দুজনের মধ্যে একটা গভির সম্পর্ক গড়ে উঠেছে &#039;ওরা যেন নিঃস্পাপ মানব মানবী! মনে কোন পাপ নেই, নেই কোন পঙ্কিলতা । ইতি মধ্যে কিছু কানাঘুষা ও করতে শুরু করে দিয়েছে লোক জনে কার কথা কে শোনে ? ওসব গুজবের তোয়াক্কা করেনা ওরা। স্কুলে যেমন মেধা তালিকায় ছিল ওরা প্রথম এবং দ্বিতীয় তেমনী কলেজেও ওরা একে অপরের সাথে পাল্লা দিয়ে লেখা পড়া করে যাচ্ছে। দেখতে দেখতে প্রথম বর্ষ শেষ হয়ে গেল । লোকজনের মুখে বিষ ছড়া ছড়িও দিন দিন বেড়ে চললো সুলতানা সত্যিই যেন বেহেস্তী হুর নাহয় গুলেমান ।তার গোলাপের মত ঠোট মুক্তার মত দাঁতের হাসি যে কোন যুবকের ঈর্ষার কারন। সৃজনও কম সুন্দর নয় &#039;এমন সুদর্শন যবককে ঘিরে দুচার জন যুবতী স্বপ্ন দেখেনা এমন হতেই পারেনা । তার পর লেখা পড়ায় তাদের সমকক্ষ কেউ নেই । এসকল কারনে কিছু যুবক যারা সুলতানার পাগল । পির দিকে কিছু মেয়েও যারা সৃজনের আশেকী এই উভয় দল মিলে কুৎসা রটানো শুরু করলো । সৃজন এবং সুলতানার সূরাহা কিভাবে করা যায় তা নিয়ে জল্পনা কল্পনা শুরু করে দিলো

(তিন)

সকালে এক পশলা বৃষ্টি হয়ে গিয়েছে আকাশটা স্বচ্ছ আয়নার মত পরিস্কিার নীল আকাশে একটা বকের ঝাঁক উত্তর থেকে দক্ষিণে উড়ে যাচ্ছে হয়তো ঝর হওয়ার সম্ভাবনা -আজ কলেজে যাওয়ার দরকার নেই

-কেন বাবা ? প্রশ্ন করে সুলতানা। তালুকদার সাহেব দরদ কন্ঠে বলেন &quot; মা&#039; আজ ঝড় তুফান হতে পারে ।

-তাতে কি হয়েছে? পথের সবকটা বাড়িঘরতো আমার নিজের বাড়ি ঘরের মত। তাছাড়া আমিতো একা নই বাবা। সুলতানার কথা শোনে তালুকদার সাহেব বুঝতে পারলেন মেয়ে তার কলেজ মিছ করতে রাজি নয়। বইখাতা গুলো গুছিয়ে নিয়ে কলেজের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলো সুলতানা। বাড়ি থেকে কলেজ প্রায় সাড়ে তিন মাইলের পথ ।নদীর পাড় ঘেষে রাস্তা বর্ষা কালে স্কুলে যেতে খুব অসুবিধে হয়। নদীর নাম কালি গঙ্গা ধলেশ্বরী বুড়িগঙ্গার শাখা এসে মিসেছে যেখানে, সেখানেই খেয়া পারাপার হতে হয়। অন্যেরা সকলে খেয়া পার হয়ে ওপারে চলে গিয়েছে। একটি মাত্র খেয়া তাই এপার থেকে ওপারে যেতে এবং আসতে প্রায় এক ঘন্টার ফের নদীর পাড় কাশ ফুলে ফুলে ভরা এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রয়েছে সুলতানা কাশ ফুলের অনিন্দ সুন্দর্য্যের দিকে আর ভাবছে অনাগত ভবিশ্যতের কথা হঠাৎ কার যেন মৃদু স্পর্শ! কে ? ও তুমি ? আমাকেতো ভয়ই পাইয়ে দিয়েছিলে। সৃজন সাইকেলটা স্ট্যান্ডের উপর ভর করিয়ে দাড় করালো ।

—জানো আজ ঘুমটা একটু বেশি হওয়াতে দেরি হয়েগেছে -সকালে য়ে সুন্দর বৃষ্টি হলো তাতে ঘুম একটু বেশি হওয়াটাই সাভাবিক বললো সৃজন । অনেক দিন যাবৎ কিছু কথা মনের ভিতর জমা হয়ে রয়েছে সময় ও সুযোগের অভাবে শত চেষ্টায়ওবলা হয়নি। আজ সুলতানাকে কাছে পেয়ে সৃজনের হৃদয় একবারে খুশিতে গদ গদ ভালকরে সুলতানার দিকে তাকলো সৃজন! কিছু একটা বলতে চায়সে ! কিন্তু কি যেনো ভেবে আবার নিরব হয়ে গেল ।

-কি ব্যাপার ? কি যেনো বলতে গিয়ে থেমে গেলে যে ? সৃজনের চোখে দিকে তাকায় সুলতানা ! দ্বীপ্ত ডাগর চোখ চেহারায় যেনো অসংখ্য অনুচ্চরিত কথা ।সুলতানা তীব্র উদগ্রীব হয়ে অপেক্ষা করছে সৃজনের মুখথেকে সেই অব্যাক্ত কথামালা থেকে কিছু কথা শুনার জন্য। হৃদয়ে তার উত্তাল ঢেউ তন্ত্রীতে ঝর উঠেছে । বুকের ভিতর টা যেন নতুন এক অনুভূতির ছোঁয়া পেতে চায়। কিছুটা নিরবতা তারপর ইস্ততা করে বলেই ফেললো সৃজন ।-তুমি এত সুন্দরী আমি এই মাত্র লক্ষ্য করলাম ।স্রষ্টার প্রশংসা করে শেষ করা যাবেনা যিনি তোমাকে এত অপূর্ব করে সৃষ্টি করেছেন ।

- তুমি আমাকে কোন দিন ভাল করে দেখেছ বলতো ? একটু অভিমান করে বললো সুলতানা । একজন সুন্দরী যুবতী মেয়ে কাছে পেয়ে এমন কোন পুরুষ আছে কি? যে তার আপাদ মস্তক ভাল করে তাকিয়ে দেখেনা ?
-এই তো আমি রয়েছি। যার সাথে কৈশর থেকে যৌবন পর্যন্ত বেড়ে উঠলাম তাকে কোন দিন ভাল করে একবারও দেখলামনা তার মধ্যে এতটা বছরে কতটা পরিবর্তন পরিবর্ধন হলো। জানো? তোমাকে নিয়ে অনেক দিন ধরে ভাবছি। মনে হয় তোমার আর আমার মধ্যে মনের অজান্তেই একটা সেতু বন্ধনের সৃষ্টি হয়েগেছে । একলা যখন বিছানায় শুয়ে পড়া পড়ি করি, কিষের যেন একটা অভাব অনুভব করি &#039;বারংবার মনে পরে শুধু তোমার কথা। কথা গুলো তখন সুলতানার হৃদয়ে গভির ভাবে নাড়া দেয়। তারও ঐ একই অবস্থা। কিন্তু সে চেপে যাচ্ছে অতিকষ্টে কথায় আছে&#039; নারীদের বুকফাঁটে তো মুখফোটেনা । এতক্ষনে ঘেঁয়া এসে গেছে এপারে ।উভয়েই তাড়াতাড়ি খেয়া নৌকায় উঠে বসলো । পরান মাঝি বাঁশের লগিদিয়ে খোঁচা মেরে নৌকা ভাসিয়ে দিল । পায়ের তালে তালে বৈঠায় চাড় দিচ্ছে আস্তে আস্তে যেন ভব নদী পাড়ি দিচ্ছে । মূখেতার কোন কথা নেই চুল গুলো পেঁকে সাদা ধব ধবে ।কালী গঙ্গার ভাঙ্গন গড়ন সে প্রতক্ষ ভাবে দেখে আসছে কত ঝড় তুফানে এই খেয়া নৌকাটি এপার থেকে ওপারে নিয়েছে। এখন শরীরে বার্ধক্যের ছাপ বিশাল এ দেহে আগের মত আর শক্তি নেই। তবু চলছে জীবন প্রবাহ !

খেয়া নৌকা থেকে নেমে ওরা হাটছে একহাতে সাইকেলের হ্যান্ডেল আর এক হাতে সুলতানার কোমল হাতের স্পর্শ সৃজনের সমগ্র শরীরে যেন শিহরন জাগে । দু পাশে ঘন পাম গাছ অদুরে সবুজ ধান ক্ষেত মাঝেমধ্যে দুএকটা তালগাছ দৈত্যের মত দাড়িয়ে রয়েছে । সড়কের এপাশ থেকে একটা খরগোশ ওপাশে দ্রুত চলে গেল সুলতানার চোখ খরগোশের গতি লক্ষ্য করলো সুলতানা সৃজনকে উদ্দেশ্য করে বললো ” এই ! তুমি সাইকেল চালিয়ে যাওনা! অন্ততো তোমার ক্লাশটাতো মিছ হতোনা -কেন! আমার কথা কি তোমার পছন্দনীয় নয় ?

-আমি কি তাই বললাম ? -তাহলে কি আমাকে তোমার অপছন্দ ?

-আমাকে দেখে কি তোমার তাই মনে হয় ?

-না কিন্তু ভয় হয় !

-কেন কিসের ভয়?

-তোমাকে হারানোর ভয় ! জানো তোমাকে আমি কোনকিছুর বিনিময়েও হারাতে চাইনা । এবার সুলতানা গম্ভির কন্ঠে বললো ” আমিও তোমাকে না পেলে বাঁচবোনা সৃজন! তুমি আমার হৃদয় জুড়ে রয়েছো জীবন মরনে তুমি আমার । আমার ভালবাসা যেন তোমার জীবনকে সমস্ত ভয়ভীতি থেকে নিরাপদ রাখে । সৃজনের চোখ দুটোতে আশার আলো জ্বল জ্বল করে জ্বলেউঠলো । মনের অজান্তে দুজনের হাত একত্রিত হয়ে গেল একটু হালকা পরশ তার পর মৃদু চাপ ! ওরা ধীরে চলছে কলেজের পথে ! শান্ত পকৃতি ।
(চলবে)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/274412/</link>
				<pubDate>Tue, 15 Sep 2026 13:44:08 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>(ছোট গল্প )</p>
<p>দুটি গোলাপের বিলাপ.</p>
<p>মুহাম্মদ রাইস উদ্দীন</p>
<p>এক</p>
<p>শিশিরের টুপটাপ শব্দশোনা যায় এ যেন ভোরের আগমন বার্তা । মুয়াজ্জীনের আজানের পূর্বেই রহিমা খালার মোরগটা আজান দিয়ে দিল । কনকনে বাঘ কাপানো শীতে হয়তো মুয়াজ্জীন অলসতা করে এখনো উঠেনি। ভোর হওয়ার পূর্বেই গাছি গাছ থেকে রসের হাড়ি গুলি নামিয়ে নিয়ে চলে যায় । সপ্তাহ খানেক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-274412"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/274412/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">572580f38c7420476ff0356f2d7dfc67</guid>
				<title>ধ্বংসের মহাপ্রলয়
মুহাম্মদ রাইস উদ্দিন

লক্ষ কোটি মসজিদ আছে
মাদ্রাসাও কম নয়
মুসল্লিরা করে ছলচাতুরী 
মনে নেই রবের ভয়।

অসংখ্য মন্দির, গির্জা, মঠ 
শান্তির বার্তা আজ কোথা?
গরিব-দুঃখীরা অনাহারে মরে
বলছ তোমরা নীতি কথা।

ভিক্ষুরা আজ কামে মত্ত,
মৌলভি করে জিনা
লজ্জিত হয়ে হাসে শয়তান,
পশুও করে ঘৃণা।

নারীরা তাই সম্ভ্রম হারা,
ন্যায়নীতি গেছে উঠে
বুদ্ধিজীবী নিশ্চুপ তাই
মিথ্যে রটনা রটে।

এভাবে যদি চলতে থাকে
সৃষ্টির হবে ক্ষয়,
কখন যেন আসবে ধেয়ে
ধ্বংস মহাপ্রলয়!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/273537/</link>
				<pubDate>Sun, 13 Sep 2026 07:31:23 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ধ্বংসের মহাপ্রলয়<br />
মুহাম্মদ রাইস উদ্দিন</p>
<p>লক্ষ কোটি মসজিদ আছে<br />
মাদ্রাসাও কম নয়<br />
মুসল্লিরা করে ছলচাতুরী<br />
মনে নেই রবের ভয়।</p>
<p>অসংখ্য মন্দির, গির্জা, মঠ<br />
শান্তির বার্তা আজ কোথা?<br />
গরিব-দুঃখীরা অনাহারে মরে<br />
বলছ তোমরা নীতি কথা।</p>
<p>ভিক্ষুরা আজ কামে মত্ত,<br />
মৌলভি করে জিনা<br />
লজ্জিত হয়ে হাসে শয়তান,<br />
পশুও করে ঘৃণা।</p>
<p>নারীরা তাই সম্ভ্রম হারা,&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-273537"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/273537/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">630ba676d026dc1a2a3f5c2476f4d43e</guid>
				<title>স্বপ্ন যখন ভাঙে-
মুহাম্মদ রাইস উদ্দিন -

স্বপ্ন ভাঙার কষ্ট কত
সবাই কি তা জানে?
সেই কথাটা জানাব আজ
সবার কানে কানে।

স্বপ্নগুলোই বাঁচিয়ে রাখে,
আশা জাগায় চোখে,
প্রশান্তি আর স্বস্তিগুলো
বাসা বাঁধে বুকে।

আশাহত মানুষগুলো
স্বপ্ন দেখেই বাঁচে,
নিরাশার মেঘ মাথার ওপর
তা ধিন ধিন নাচে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/272452/</link>
				<pubDate>Thu, 10 Sep 2026 10:51:32 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>স্বপ্ন যখন ভাঙে-<br />
মুহাম্মদ রাইস উদ্দিন &#8211;</p>
<p>স্বপ্ন ভাঙার কষ্ট কত<br />
সবাই কি তা জানে?<br />
সেই কথাটা জানাব আজ<br />
সবার কানে কানে।</p>
<p>স্বপ্নগুলোই বাঁচিয়ে রাখে,<br />
আশা জাগায় চোখে,<br />
প্রশান্তি আর স্বস্তিগুলো<br />
বাসা বাঁধে বুকে।</p>
<p>আশাহত মানুষগুলো<br />
স্বপ্ন দেখেই বাঁচে,<br />
নিরাশার মেঘ মাথার ওপর<br />
তা ধিন ধিন নাচে।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">420ea7a4f7c1203a8432294c128e1314</guid>
				<title>ঋতুপর্ণা -
ঋতুপর্ণা, তুমি কি আমার কথা এখনো ভাবো?
হৃদয়ের কোথাও কি আমি আজও আছি?
আমার হিয়ায়ের কোণে তুমি নিভৃতে বাস করো,
এখনো ভালোবাসি তোমার সেই মিষ্টি হাসি।

কতগুলো যুগ কেটে গেছে তোমায় ভেবে ভেবে,
তুমি সাতসমুদ্র পাড়ি দিয়েছো অন্য কারো জাহাজে।
আমার তো ছিলো এক ছোট্ট ডিঙি নৌকা,
তাই হয়তো ভেবেছিলে—দুঃখের সাগর পাড়ি দিতে জাহাজই শ্রেয়।

ঋতুপর্ণা, তুমি একসময় বলতে—
আমার মন নাকি শরতের সফেত আকাশ!
তাই শরৎ ঋতু ছিলো তোমার সবচেয়ে প্রিয়।
কত শরৎ চলে গেল, তুমি নেই...
তাই শরতের ফল আজ স্বাদহীন,
শিউলি ফুল রঙ ও গন্ধহীন, একদম ফিকে।

শারদীয় পুজোও এখন আমার কাছে বড্ড আনন্দহীন।
তবুও এই একলা ডিঙিতে বসে তোমাকেই ডেকে যাই,
আমার শরতের নীল গগনে শুধু তোমার ছায়াই পাই।
জাহাজ হয়তো তোমায় পৌঁছে দেবে নতুন কোনো তীরে,
আমার ভাঙা ডিঙি কিন্তু থমকে আছে সেই পুরোনো নীড়ে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/270678/</link>
				<pubDate>Sun, 06 Sep 2026 12:51:14 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ঋতুপর্ণা &#8211;<br />
ঋতুপর্ণা, তুমি কি আমার কথা এখনো ভাবো?<br />
হৃদয়ের কোথাও কি আমি আজও আছি?<br />
আমার হিয়ায়ের কোণে তুমি নিভৃতে বাস করো,<br />
এখনো ভালোবাসি তোমার সেই মিষ্টি হাসি।</p>
<p>কতগুলো যুগ কেটে গেছে তোমায় ভেবে ভেবে,<br />
তুমি সাতসমুদ্র পাড়ি দিয়েছো অন্য কারো জাহাজে।<br />
আমার তো ছিলো এক ছোট্ট ডিঙি নৌকা,<br />
তাই হয়তো ভেবেছিলে—দুঃখের সাগর পাড়ি দিতে জাহাজই শ্রেয়।</p>
<p>ঋ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-270678"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/270678/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c6f4edd5e56c7510a594a7f793aea5cd</guid>
				<title>খুকি ও পাখীরমেলা
মুহাম্মদ রাইস উদ্দিন -

ছোট্ট খুকি মিষ্টি ভারি
স্বচ্ছ তাহার মন,
নিষ্পাপ তার দু&#039;টি আঁখি
চঞ্চল সারাক্ষণ।

পাখপাখালি বন্ধু যে তার
ফড়িং তার মিত্র,
রং-তুলিতে খাতায় আঁকে
নানান ফুলের চিত্র।

ভাতশালিকও ভাত খেয়ে যায়
সখ্যতা তার সনে,
তিনটি করে শব্দ শেখে
দিন গুণে গুণে।

দুষ্টুমি আর মিষ্টি কথন
খুনসুটি হয় কত,
শালিক, চড়াই, খুকির সাথী
পায়রা নাচে রত।

খুকির হাসিতে ভোরের আলো
ঝিলমিলিয়ে ফোটে,
তার সাথে যে হাজারো সুখ
সারা ঘরে ছোটে।

পাখির ডানা, রঙের খাতা
নতুন শব্দের গান,
খুকির ছন্দে ভরে উঠুক
সব শিশুদের প্রাণ!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/269275/</link>
				<pubDate>Thu, 03 Sep 2026 16:21:56 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>খুকি ও পাখীরমেলা<br />
মুহাম্মদ রাইস উদ্দিন &#8211;</p>
<p>ছোট্ট খুকি মিষ্টি ভারি<br />
স্বচ্ছ তাহার মন,<br />
নিষ্পাপ তার দু&#8217;টি আঁখি<br />
চঞ্চল সারাক্ষণ।</p>
<p>পাখপাখালি বন্ধু যে তার<br />
ফড়িং তার মিত্র,<br />
রং-তুলিতে খাতায় আঁকে<br />
নানান ফুলের চিত্র।</p>
<p>ভাতশালিকও ভাত খেয়ে যায়<br />
সখ্যতা তার সনে,<br />
তিনটি করে শব্দ শেখে<br />
দিন গুণে গুণে।</p>
<p>দুষ্টুমি আর মিষ্টি কথন<br />
খুনসুটি হয় কত,<br />
শালিক, চড&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-269275"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/269275/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7cbbebc0a0e9c4afea508315b5110218</guid>
				<title>Mohammad Raisuddin and Fatema-Kasem are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/268775/</link>
				<pubDate>Wed, 02 Sep 2026 14:53:17 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">16f6f34bfb6a5832815fc4fbc98971e5</guid>
				<title>প্রবাসীদের রক্তের জল ও সোনা চাচার অভিজ্ঞতা
কলমে-মুহাম্মদ রাইস উদ্দিন -

মরুভূমির বিষাক্ত তপ্ত বাতাস আর খাঁ খাঁ করা নিঃসঙ্গতার মধ্যে প্রবাস জীবনের প্রতিটি দিন কাটে এক পরম অনিশ্চয়তায়। চারপাশের এত ঝলমলে আলো আর ধনসম্পদের ভীড়ে প্রবাসীদের অন্তরটা কেবল জন্মভূমির এক চিলতে মাটির জন্যই হাহাকার করে। কাজ শেষে ক্লান্ত শরীরে যখন সবাই নিজের ঘরে ফেরে, তখনো অনেকে মনের ভেতরের জমাট বাঁধা কান্নার আওয়াজ বাইরে আসতে দেয় না। এমনই এক বিষণ্ণ সন্ধ্যায় কারখানার এক কোণে মন খারাপ করে বসে ছিল তরুণ মোশাররফ।

তাকে ওভাবে মনমরা হয়ে বসে থাকতে দেখে এগিয়ে এলেন বয়োজ্যেষ্ঠ সোনা চাচা। প্রবাসে দীর্ঘ চার দশকের অভিজ্ঞতা তার চুলে পাক ধরিয়েছে, মুখে এঁকে দিয়েছে কষ্টের নানা বলিরেখা।

মমতার সুরে সোনা চাচা জিজ্ঞেস করলেন, “—মোশাররফ, বাবা মনডা কি কারণে খারাপ? কোনো বিপদ-আপদ হইছে নাকি?”

মোশাররফ একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে চোখ মোছার চেষ্টা করল। নরসিংদির আঞ্চলিক টানে বুকভাঙা কষ্ট চেপে বলল, “—হ চাচা, বড় ভাই বিয়া কইরা বউ লইয়া ঢাকায় সুখে আছে, মা-বাবার কোনো খোঁজখবর লয় না। আর ছোট ভাইরে কত কষ্ট কইরা লন্ডনে পাঠাইলাম, হ্যায়ও ঐখানে যাইয়া বিয়া কইরা বইসা আছে, অথচ পরালেখাই এখনো শেষ হয় নাই!”

সোনা চাচা একটু তিক্ত হাসি হেসে মাথা নাড়লেন। ময়মনসিংহ অঞ্চলের আঞ্চলিক ভাষার টানে বললেন, “—এমনডা যে হইবো, তোমার এই সোনা চাচা হেই আগেই জানতো। পরবাসে চল্লিশ বছরের অভিজ্ঞতা, বুঝলা ভাতিজা?”

মোশাররফের চোখে তখন বারো বছরের জমানো কষ্ট আর আফসোসের জল। সে বলল, “—হ চাচা, অহন সব হারাইয়া হাড়ে হাড়ে বুঝতাছি। আপনার কথা হেইদিন শুনলে আজকে আমার ব্যাংকে অন্তত ত্রিশ-পঁয়ত্রিশ লাখ টাকা জমা থাকতো! আমার এই দশ-বারো বছরের রক্তপানি করা কামাই—সব পানিতে গেল! লগে কাজ করা কত সহকর্মীরা দ্যাশে নিজের নামে কত সুন্দর সুন্দর বিল্ডিং তুললো, আর আমি সব বিলানি দিয়া অহন খালি হাতে দাঁড়ায়া আছি!”

সোনা চাচা মোশাররফের কাঁধে সান্ত্বনার হাত রেখে বললেন, “—তুই ছোট ভাই হইয়া নিজের রক্তের পানি করা টাকায় বড় ভাইরে লেহাপড়া করাইয়া ইঞ্জিনিয়ার বানাইলি, ছোট ভাইরে কত আশা লইয়া লন্ডনে পাঠাইলি... আমি দশ বছর আগেই কইছিলাম, &#039;নিজের নামে একটা আলাদা একাউন্ট খোল, নিজের ভবিষ্যতের লিগা কিছু ট্যাকা জমাইয়া রাখ।&#039; অহন বুঝলি তো? সোনা চাচার কথা বাসি হইলেও অক্ষরে অক্ষরে ফলে!”

মোশাররফের কণ্ঠ রুদ্ধ হয়ে এল। সে যেন প্রবাসীদের চিরন্তন ট্র্যাজেডির এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। ভেঙে পড়ে সে বলল, “—বাবাডা গতবছর তিল তিল কইরা কষ্ট পাইয়া মারা গেল, সারাটা জীবন একটু সুখের মুখ দেইখা যাইতে পারলো না। মা’র বয়স হইছে, অহন তার একটু সেবা-যত্ন দরকার। দুইডা বইনরে কত শখ কইরা বিয়া দিলাম, হ্যারাও শ্বশুড়বাড়িতে খুব একটা সুখে নাই। অহন আমি কোনদিকে যামু, কি করুম—কিছুই বুইঝা উঠতে পারতাছিনা...”

সোনা চাচা অভিজ্ঞতা আর বাস্তবতার চরম শিক্ষা দিয়ে বললেন, “—অহন এক কাজ কর, সোজাসুজি ছুটিতে বাড়ি যা। ভালো ঘর দেইখা একটা লক্ষ্মী বউ বুইঝা আন। তারপর নিজের ভবিষ্যতের কথা ভাইবা সুন্দর, ছিমছাম একটা ঘর তোল। এহন থাইকা অন্তত নিজের লিগা সচেতন হও—মন সামাজিক হইলেও মনে রাইখো, &#039;ভাই ভাই ঠাঁই ঠাঁই&#039;, বিপদে এই স্বার্থের যুগে কেউ কারও পাশে দাঁড়ায় না!”

অন্ধকারের দিকে তাকিয়ে মোশাররফ আত্মোপলব্ধির সুরে বলল, “—বাবা এতদিন বাইচা আছিল, সংসারের সবাইরে বড্ড আপন মনে হইতো। তাই হ্যাদের সব আবদার মিটাইতে গিয়া নিজেরে একদম উজার কইরা দিছি। অহন নিজের স্বার্থ গুছানো শেষ, সবাই যার যার পথ ধইরা চইলা গেছে... আসলেই আমি বড্ড বোকা আছিলাম, তাই না চাচা?”

সোনা চাচা এক গভীর দীর্ঘশ্বাস ফেললেন। এই দীর্ঘশ্বাসে যেন জড়িয়ে আছে লাখো প্রবাসীর না-বলা বেদনা। তিনি নিজের বুকের গভীর থেকে বেরিয়ে আসা কষ্টের কথাগুলো উচ্চারণ করলেন, “—আমি দীর্ঘ ত্রিশ বছর ধইরা এই পরবাসে সংসারের বোঝা টানতাছি ভাতিজা, আজও স্বদেশের মাটিতে চিরতরে ফিরা যাইতে পারলাম না! কিসের সংসার, আর কিসের আপনজন? সমস্যার কোনো শেষ নাই... আমাগো মতো প্রবাসীদের এই বুকভাঙা কষ্ট, একা রাইতের কান্না আর ত্যাগের খবর কেউ রাখে না, বুঝতেও চায় না। আমাগো রক্ত জল করা পরিশ্রমের বিনিময়ে সবাই ভালো থাকে, অথচ আমাগোরে খালি ট্যাকা বানানোর এক-একটা মেসিন মনে করে!”

ঠিক তখনই দূর থেকে ভেসে এল এশার আজানের মধুর সুর। প্রবাসের নিঃসঙ্গতায় এই আজানের সুর যেন প্রতিটি ব্যথিত হৃদয়ে কিছুটা প্রশান্তি এনে দেয়।

আজানের সুর শুনে মোশাররফ নিজেকে সামলে নিয়ে দাঁড়িয়ে বলল, “—চাচা! এশার আজান তো অনেক আগেই দিছে। চলেন, অযু কইরা নামাজটা পইড়া আসি। পরম করুণাময় আল্লাহ আমাগো এই নিরব আত্মত্যাগ আর কষ্ট কখনো বৃথা যাইতে দিব না। আর যারা আমাদের সরলতার সুযোগ নিয়া অন্যায়ভাবে ঠকাইছে, হ্যারা হ্যাদের কৃতকর্মের বিচার একদিন ঠিকই পাইবো।”

সোনা চাচাও উঠে দাঁড়ালেন। মোশাররফের পিঠে হাত রেখে মোনাজাতের ঢঙে বললেন, “—হ চলো বাবা, চল... আল্লার দরবার ছাড়া আমাগো তো আর কেউ নাই!”

দুই প্রবাসী পথচলা শুরু করেন মসজিদের দিকে। চোখের জল আর মনের জমানো ক্ষোভগুলো হয়তো নামাজের সেজদায় গিয়ে ঝরে পড়বে, আর আগামীকালের নতুন সকালে আবার শুরু হবে পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর এক অসীম, নির্দয় লড়াই।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/268774/</link>
				<pubDate>Wed, 02 Sep 2026 14:50:20 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রবাসীদের রক্তের জল ও সোনা চাচার অভিজ্ঞতা<br />
কলমে-মুহাম্মদ রাইস উদ্দিন &#8211;</p>
<p>মরুভূমির বিষাক্ত তপ্ত বাতাস আর খাঁ খাঁ করা নিঃসঙ্গতার মধ্যে প্রবাস জীবনের প্রতিটি দিন কাটে এক পরম অনিশ্চয়তায়। চারপাশের এত ঝলমলে আলো আর ধনসম্পদের ভীড়ে প্রবাসীদের অন্তরটা কেবল জন্মভূমির এক চিলতে মাটির জন্যই হাহাকার করে। কাজ শেষে ক্লান্ত শরীরে যখন সবাই নিজের ঘরে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-268774"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/268774/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">06a699074285f90399b917698251ac5c</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/268665/</link>
				<pubDate>Wed, 02 Sep 2026 08:11:05 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c047559cc32707681d9154e92067702b</guid>
				<title>শরতের রঙ
— মুহাম্মদ রাইস উদ্দিন

শান্ত কোমল কি মনোরম
শরত এলো ভাই
শিউলি ফুলের সুবাস ভরা
যার তুলনা নাই।

নদী তীরে কাশফুল
বাতাসে খায় দোল
পল্লীবালা কানে পরে
কলমী ফুলের দুল।

নীল আকাশে সাদা মেঘ
উড়ে উড়ে যায়
ভোরের হাওয়া মিষ্টি বড়ো
যখন লাগে গায়।

শরত রানী শ্রেষ্ঠ ঋতু
ফুলে ফলে ভরা
বাংলা মায়ে ছয়টি ঋতু
পরাণ পাগল করা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/268659/</link>
				<pubDate>Wed, 02 Sep 2026 08:09:03 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শরতের রঙ<br />
— মুহাম্মদ রাইস উদ্দিন</p>
<p>শান্ত কোমল কি মনোরম<br />
শরত এলো ভাই<br />
শিউলি ফুলের সুবাস ভরা<br />
যার তুলনা নাই।</p>
<p>নদী তীরে কাশফুল<br />
বাতাসে খায় দোল<br />
পল্লীবালা কানে পরে<br />
কলমী ফুলের দুল।</p>
<p>নীল আকাশে সাদা মেঘ<br />
উড়ে উড়ে যায়<br />
ভোরের হাওয়া মিষ্টি বড়ো<br />
যখন লাগে গায়।</p>
<p>শরত রানী শ্রেষ্ঠ ঋতু<br />
ফুলে ফলে ভরা<br />
বাংলা মায়ে ছয়টি ঋতু<br />
পরাণ পাগল করা।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">05512d84a0dc7a34ca70545133fb63a8</guid>
				<title>মনের গহীনে অচেনা এক অভাবের হাহাকার
মুহাম্মদ রাইস উদ্দিন -

মনের গহীনে সারাক্ষণ এক অচেনা অভাব অনুভূত হয়। কিন্তু শত ভেবেও বুঝতে পারি না
—সেটি ঠিক কীসের অভাব? 
জীবনের অপ্রাপ্তি, অধরা আকাঙ্ক্ষা আর পরিবারের চাহিদা পূরণে ব্যর্থতা সারাক্ষণ আমাকে ভাবিয়ে তোলে। চাওয়া-পাওয়ার এই দোলাচালে আজ আমি পুরোপুরি পিষ্ট।

কন্যাদায়গ্রস্ত এক পিতা কি কখনো সত্যিই স্বস্তির নিশ্বাস ফেলতে পারে? স্বপ্নের সুউচ্চ ইমারত এভাবে ভেঙে দুমড়ে-মুচড়ে মাটির সাথে মিশে যাবে, তা কখনো স্বপ্নেও ভাবিনি। নিজের জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষাটি আজ মর্মান্তিকভাবে উপলব্ধি করছি
—আমি আমার কন্যাপক্ষকে, আমার সন্তানদের সঠিক পথপ্রদর্শন ও দিকনির্দেশনা (কাউন্সেলিং) দিতে পারিনি। আজ সব পিতামাতার প্রতি আমার আকুল আবেদন
—সন্তানদের শুধু বড় করলেই হয় না, শৈশব ও কৈশোরে তাদের সঠিক মানসিক দিকনির্দেশনা দিন, তাদের জীবনের সিদ্ধান্তগুলোতে সঠিক অভিভাবকত্ব দিন। তা না হলে জীবনের শেষভাগে এসে আমার মতো করুণ ও দিশেহারা পরিণতি ভোগ করতেই হবে
—তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

এরই মধ্যে শারীরিক অসুস্থতাগুলো পিছু ছাড়ছে না। দেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো ধীরে ধীরে যেন অসার ও শক্তিহীন হয়ে পড়ছে। এই দেহ যখন সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে পড়ে, আত্মার ভার বহনে অক্ষম হয়, ঠিক তখনই সে নিথর হয়ে অসীমের পানে পাড়ি জমায়। সীমানা পেরিয়ে অসীম জগতে হয় তার চিরন্তন নিবাস। সময় দিন দিন ফুরিয়ে আসছে, তাই আমার ভাবনাগুলো এখন সেই অসীমকেই কেন্দ্র করে ঘোরপাক খাচ্ছে। 
কী হবে আমার শেষ পরিণতি?

জীবনের সঠিক-বেঠিক আর অজস্র ভুল-ভ্রান্তির কথা ভাবি। এই পৃথিবী থেকে সারা জীবন কত কী নিলাম, অথচ বিনিময়ে রত্তি পরিমাণও ফিরিয়ে দিতে পারলাম না! এতসব অনুশোচনা আর ভাবনার অতল সাগরে আজ আমি সাঁতরে চলেছি, কিন্তু কূল-কিনারা কিছুই খুঁজে পাচ্ছি না।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/268385/</link>
				<pubDate>Tue, 01 Sep 2026 16:36:08 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মনের গহীনে অচেনা এক অভাবের হাহাকার<br />
মুহাম্মদ রাইস উদ্দিন &#8211;</p>
<p>মনের গহীনে সারাক্ষণ এক অচেনা অভাব অনুভূত হয়। কিন্তু শত ভেবেও বুঝতে পারি না<br />
—সেটি ঠিক কীসের অভাব?<br />
জীবনের অপ্রাপ্তি, অধরা আকাঙ্ক্ষা আর পরিবারের চাহিদা পূরণে ব্যর্থতা সারাক্ষণ আমাকে ভাবিয়ে তোলে। চাওয়া-পাওয়ার এই দোলাচালে আজ আমি পুরোপুরি পিষ্ট।</p>
<p>কন্যাদায়গ্রস্ত এক পিতা কি কখনো সত্য&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-268385"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/268385/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">80b4e63a05d7d7a872f42bc969b190c0</guid>
				<title>অকৃতজ্ঞ পাখি 
মুহাম্মদ রাইস উদ্দিন -

যে পাখি ছেড়ে গেছে 
বুকের খাঁচা ভেঙে -
তারে মনে রেখে কি লাভ?

সব স্মৃতি মুছে দিয়ে এতটা 
পর হয়ে যাবে ভাবিনি।
গতকাল হঠাৎ স্বপ্নে দেখে ঘুম ভেঙে যায়,
সেই হাসি মুখ।
এমন মিষ্টি হাসির আড়ালে যে&#039;
একজন&#039; স্বার্থপর মানুষ লুকিয়ে ছিলো 
বুঝতে পারিনি।
ভাবছি তোমার সাথে কোন দিন যদি 
দেখাই না হতো!
খুব বেশি আশ্চর্য হলাম তোমার বিয়ের 
গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান দেখে।
কি অপরূপ মিষ্টি হাসি!
মানুষ এমনও পারে? কতটা নির্মম আর 
হৃদয়হীনা হলে এমনটা করতে পারে।
আমি পৃথিবীর মানুষ গুলোকে হয়তো 
আর বিশ্বাস করতে পারবোনা।
হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয় নিরন্তর। 
সারাক্ষণ ভাবনায় ডুবে থাকি।
আমার জীবনতো এমন হওয়ার 
কথা ছিলো না!যাকে বারটি বছর আশ্রয়-
প্রশ্রয়ে রেখেছি অমার্জনীয় অপরাধ 
ক্ষমা করে ভালোবেসে আগলে রেখেছি
 সে যে,এতটা অকৃতজ্ঞ হবে বুঝতেই পারিনি। 
আমার বিশ্বাস-অনুসূচনার আগুনে 
পুড়ে পুড়ে দগ্ধ হবে একদিন।
প্রায়শ্চিত্ত করতে চাইবে কিন্তু সেদিন 
বড্ড দেড়ি হয়ে যাবে।
ভালো থেকো সুখে থেকো অভিসাপ দেবনা।
আল্লাহ প্রত্যেকের কর্ম ফল অবশ্যই দিবেন 
আমি তার ব্যাতিক্রম নই।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/267017/</link>
				<pubDate>Sat, 29 Aug 2026 13:13:40 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অকৃতজ্ঞ পাখি<br />
মুহাম্মদ রাইস উদ্দিন &#8211;</p>
<p>যে পাখি ছেড়ে গেছে<br />
বুকের খাঁচা ভেঙে &#8211;<br />
তারে মনে রেখে কি লাভ?</p>
<p>সব স্মৃতি মুছে দিয়ে এতটা<br />
পর হয়ে যাবে ভাবিনি।<br />
গতকাল হঠাৎ স্বপ্নে দেখে ঘুম ভেঙে যায়,<br />
সেই হাসি মুখ।<br />
এমন মিষ্টি হাসির আড়ালে যে&#8217;<br />
একজন&#8217; স্বার্থপর মানুষ লুকিয়ে ছিলো<br />
বুঝতে পারিনি।<br />
ভাবছি তোমার সাথে কোন দিন যদি<br />
দেখাই না হতো!<br />
খুব বেশি আশ্চর্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-267017"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/267017/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a9e3b3a6de9a51baf5d3d2dac82b0144</guid>
				<title>খাটাশ ও শিয়ালের পাঠ
— মুহাম্মদ রাইস উদ্দিন

খাটাশ বলে শিয়ালকে—
&quot;কেমন আছো দোস্ত?
অনেক দিন হয়ে গেল
পাই না খেতে গোশত।&quot;

শিয়াল বলে খাটাশকে—
&quot;বেশ তো আছি মস্ত!
গরু-মহিষ মারা গেলে
পুঁতে ফেলে আস্ত।

হাঁস-মুরগির খোয়াড়
তৈরি এখন লোহার,
ভাগ্য খারাপ, তাই জোটে না
তাজা গোশতের আহার।&quot;

খাটাশ বলে— &quot;ফটকা!
মগডালে ঐ শালিক বসা,
ঐটা ধরে মটকা!&quot;

ঝটকা খেয়ে শিয়াল বলে—
&quot;বাঁধলো মনে খটকা!
যা না গিয়ে শালিকটাকে
ঝপাৎ করে আটকা!&quot;

খাটাশ বলে শিয়াল মশাই
আমি কি আর ডড়াই?
গাছে উঠাই আমার স্বভাব
করছি নাকো বড়াই।

ঝপাৎ করে চড়লো গাছে
শালিক দিল উড়া,
হঠাৎ খাটাশ পড়লো নিচে
হাত-পা হলো খোঁড়া।

শিয়াল বলে খাটাশ ভাইরে
তুই তো বড় বোকা,
কথার ছলে কেমন তোকে
দিলাম আমি ধোকা।

বললো খাটাশ, ওরে শিয়াল
করলি ধোঁকাবাজি,
তোর সাথে আর নেই যে খাতির
বুঝেছি কারসাজি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/266738/</link>
				<pubDate>Fri, 28 Aug 2026 14:23:08 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>খাটাশ ও শিয়ালের পাঠ<br />
— মুহাম্মদ রাইস উদ্দিন</p>
<p>খাটাশ বলে শিয়ালকে—<br />
&#8220;কেমন আছো দোস্ত?<br />
অনেক দিন হয়ে গেল<br />
পাই না খেতে গোশত।&#8221;</p>
<p>শিয়াল বলে খাটাশকে—<br />
&#8220;বেশ তো আছি মস্ত!<br />
গরু-মহিষ মারা গেলে<br />
পুঁতে ফেলে আস্ত।</p>
<p>হাঁস-মুরগির খোয়াড়<br />
তৈরি এখন লোহার,<br />
ভাগ্য খারাপ, তাই জোটে না<br />
তাজা গোশতের আহার।&#8221;</p>
<p>খাটাশ বলে— &#8220;ফটকা!<br />
মগডালে ঐ শালিক বসা,<br />
ঐট&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-266738"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/266738/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">39b0052ed1ef717a83cf2ff4c1c634d6</guid>
				<title>দেহ ঘড়ি
মুহাম্মদ রাইস উদ্দিন

স্বয়ংক্রিয় দেহ-ঘড়ি
বানালেন যিনি,
অচল হলে যত্ন করে
শোধরেও দেন তিনি।

টিকটিক করে চলছে ঘড়ি
একটু যত্ন নিয়ো,
শরীর নামের যন্ত্রটাকে
নিয়ম বেঁধে  দিয়ো।

আস্তেধীরে সঠিক পথে
চলবে যত দিন,
সুস্থ দেহে কাটবে জীবন
বইবে সময় লীন।

আহা! যদি নিজের ঘড়ির
যত্ন নিতাম ঠিক,
দেহ-ঘড়ি থাকতো ভালো
চলতো টিকটিক!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/266361/</link>
				<pubDate>Thu, 27 Aug 2026 15:14:14 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দেহ ঘড়ি<br />
মুহাম্মদ রাইস উদ্দিন</p>
<p>স্বয়ংক্রিয় দেহ-ঘড়ি<br />
বানালেন যিনি,<br />
অচল হলে যত্ন করে<br />
শোধরেও দেন তিনি।</p>
<p>টিকটিক করে চলছে ঘড়ি<br />
একটু যত্ন নিয়ো,<br />
শরীর নামের যন্ত্রটাকে<br />
নিয়ম বেঁধে  দিয়ো।</p>
<p>আস্তেধীরে সঠিক পথে<br />
চলবে যত দিন,<br />
সুস্থ দেহে কাটবে জীবন<br />
বইবে সময় লীন।</p>
<p>আহা! যদি নিজের ঘড়ির<br />
যত্ন নিতাম ঠিক,<br />
দেহ-ঘড়ি থাকতো ভালো<br />
চলতো টিকটিক!</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">abda70407c74e090d96e121359c88fbe</guid>
				<title>Mohammad Raisuddin changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/266042/</link>
				<pubDate>Wed, 26 Aug 2026 17:36:52 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">eb26602c397db557b67b933d88901582</guid>
				<title>জীবনের উপলব্ধি -
মুহাম্মদ রাইস উদ্দিন 

জীবন খাতার পাতায় পাতায় যা কিছু ভুল জমে আছে, তার সবই একসময় নিখুঁত ভেবেই করেছিলাম।

তখন কে জানত, আলো ভেবে যাকে আঁকড়ে ধরছি, তা কেবলই মরিচীকার রূপকথা! মনকে আজও বোঝাই—তোমার এই দীর্ঘ শ্রম, আত্মত্যাগ আর আকুল সাধনা... সবই কি তবে অকাতরে জল ঢালা?

কেউ কখনো হিসাব রাখেনি সেই কষ্টগুলোর। অন্যের মুখে একটুখানি সুখের হাসি ফোটাব বলে নিঃশেষে বিলিয়ে দিয়েছিলাম নিজের সবটুকু। কিন্তু বিনিময়ে পাওয়ার খাতায় রইল কেবল মহাশূন্যতা।

আজ বয়স নেমে এসেছে চোখের কোণে। ক্লান্তির এক অদৃশ্য ভার চেপে বসেছে জীর্ণ শরীরে। রোগ-ব্যাধি চারপাশ থেকে ঘিরে ধরেছে আষ্টেপৃষ্টে। একসময় যাদের জন্য পথ হেঁটেছি, তারা আজ বহুদূরে। কেবল এই একাকিত্বটুকু আঁকড়ে ধরে আছে আমাকে; প্রতিদিন, প্রতিটা মুহূর্তে তিলে তিলে কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে।

কালের এক অসীম, অন্ধকার গহ্বরে দ্রুত হারিয়ে যাচ্ছি আমি। জীবনের এই শেষ সাঁঝবেলায় এসে স্পষ্ট বুঝতে পারছি—যার ভিত্তিটাই গড়ে উঠেছিল ভুলের বালুচরে, সেখানে নির্মল আর নিশ্চিন্ত প্রশান্তি আসবে কোত্থেকে? সুখ পাখিটা তাই কখনো ধরা দেয়নি হাত বাড়িয়ে... সর্বদাই রয়ে গেল এক নিরাপদ, অধরা দূরত্বে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/266040/</link>
				<pubDate>Wed, 26 Aug 2026 17:35:07 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>জীবনের উপলব্ধি &#8211;<br />
মুহাম্মদ রাইস উদ্দিন </p>
<p>জীবন খাতার পাতায় পাতায় যা কিছু ভুল জমে আছে, তার সবই একসময় নিখুঁত ভেবেই করেছিলাম।</p>
<p>তখন কে জানত, আলো ভেবে যাকে আঁকড়ে ধরছি, তা কেবলই মরিচীকার রূপকথা! মনকে আজও বোঝাই—তোমার এই দীর্ঘ শ্রম, আত্মত্যাগ আর আকুল সাধনা&#8230; সবই কি তবে অকাতরে জল ঢালা?</p>
<p>কেউ কখনো হিসাব রাখেনি সেই কষ্টগুলোর। অন্যের মুখে একটুখান&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-266040"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/266040/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>