<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | মোঃ মোসাদ্দেক হোসেন খান (পিন্টু) | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/mosaddeque/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/mosaddeque/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for মোঃ মোসাদ্দেক হোসেন খান (পিন্টু).</description>
	<lastBuildDate>Wed, 14 Oct 2026 12:09:37 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">b843975076fd3121a76c0ddbfd4b64ec</guid>
				<title>বিচিত্র জীবন ( দ্বিতীয় পর্ব )


এরপর  যখন  বাসায় এলাম আমার মা আমাকে জড়িয়ে ধরে কি কান্না, আমার বড় বোনটাও খুব কান্না করছিল, আর আমার ছোট বোনটার বয়স তখন মাত্র তিন বছর, ও কিছূ না বুঝে আমাদের দেখছিল।  আমরা দোতালায় থাকতাম, নিচে রাস্তা দিয়ে সব্জি ওয়ালা, মাছওয়ালা , ফলওয়ালারা সব সাইকেলে বা ছোট ঠেলাগাড়ী করে ডাকা ডাকি করে যাওয়া আসা করত। আমার মা দোতালার রেলিং থেকে ওদের ডেকে কেনা কাটা করে
, রশি বেধে ব্যাগে জিনিষ কিনতেন, আবার একি ভাবে টাকা দিতেন। করাচির ফেডারেল এরিয়ার কলোনিতে বহু বাংলাদেশী থাকতেন। আমার মা একদিন ঐ মহীলাকে সপরিবারে দাওয়াত করলেন, যিনি আমাকে এত আদর যত্ন করে নিরাপদে থানায় পৌঁছে দিয়েছিলেন, ঐ মহীলাকে আমি জীবনে কোনোদিন ভুলবনা। উনারও আমার বয়সি একটা ছেলে ছিল। এরপর অনেক বার আমাদের যাওয়া আসা হয়েছিল । আমি ঢাকায় ফিরে এসে উনাদের অনেক খূজেছি, আর পাইনি। তখনতো এতো ফেইসবুক , হোয়াটস এপ ছিলনা। আমি ছোটবেলায় খূব পেটুক ছিলাম। আমাদের বিল্ডিং এর তিন তলায় একটি নব বিবাহিত পরিবার ছিল, মহীলার স্বামী আর্মিতে ছিলেন, তাই মাঝে মাঝে বাড়ী ফিরতেন না, তখন ঐ মহীলা একা ভয় পেতেন বলে আমার মাকে বলে আমাকে মাঝে মাঝে নিয়ে যেতেন, উনার ছেলেমেয়ে ছিল না তাই বাচ্চাদের খুব আদর করতেন। আমি যেতে চাইতামনা বলে, উনি পোলাও মাংস রান্না করে রাখতেন, আমাকে  খাইনে খুব আনন্দ পেতেন, কারন আমিও খুব ভালো ভালো খাবার খেতে চাইতাম, কিন্তু আমার বাবা ডায়েট ফূড পছন্দ করতেন, তবে প্রচুর ফল আনতেন। ঐ মহীলা নিজে বেশী খেতেন না, তাই আমার মা&#039; কে বলতেন , তার বাসায় খাবার লোক নেই, তাই আমাকে খাইয়ে আনন্দ পেতেন । আমার ডাক নাম ছিল পিন্টু , উনি ডাকতেন পিনু বলে, পরে আমার মা&#039; ও আমাকে পিনু বলে ডাকতেন। তাকেও আমি আজ পর্যন্ত ভুলিনি। 
কিছূদিন পর ছিল কোরবানির ঈদ, ঈদের দিন আমাদের পাশের বিল্ডিং এ একটা অঘটন ঘটে গেল, এক বিহারির একটা ছেলে ও একটা মেয়ে ছিল, ৭/৮ বছর বয়সের, ওরা কসাইকে গরু জবাই করতে দেখে একজন আরেকজনকে ছুরি দিয়ে যখম করে ফেলল, মারা যায়নি কেউ যদিও, কান্নাকাটি , হাউকাউ চেচামেচি, ঈদের আনন্দটা অনেক টা মাটি হয়ে গেল। আরেকটা ঘটনা আজও ভুলি নাই, আমরা সপরিবারে করাচির চিড়িয়াখানা গিয়েছিলাম। সেখানে কয়েকটা কুমিরকে একটা কুপের মত পানি ভরা চৌবাচ্চায় রেখেছিল। এক মা ছোট বাচ্চা কোলে নিয়ে উপুর হয়ে দেখতে গিয়ে ঝটকা দিয়ে বাচ্চাটা কুপে পরে যায়, সে কি হূড়াহূড়ী, বাচ্চা টাকে বাচাবে কি, সবাই দেখার জন্য অস্থির । আমার মা&#039;ও দেখলাম কেদেঁ ফেললেন । এসব ঘটনা আজও ভুলি নাই।

মোঃ মোসাদ্দেক হোসেন খান (পিন্টু )
৪১/৪, চান মিয়া  হাউজিং , রোড নাম্বার.. ১, মোহাম্মদপুর , ঢাকা-১২০৭. 
মোবাইল 01816803753 










,,.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/272490/</link>
				<pubDate>Thu, 10 Sep 2026 16:18:15 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বিচিত্র জীবন ( দ্বিতীয় পর্ব )</p>
<p>এরপর  যখন  বাসায় এলাম আমার মা আমাকে জড়িয়ে ধরে কি কান্না, আমার বড় বোনটাও খুব কান্না করছিল, আর আমার ছোট বোনটার বয়স তখন মাত্র তিন বছর, ও কিছূ না বুঝে আমাদের দেখছিল।  আমরা দোতালায় থাকতাম, নিচে রাস্তা দিয়ে সব্জি ওয়ালা, মাছওয়ালা , ফলওয়ালারা সব সাইকেলে বা ছোট ঠেলাগাড়ী করে ডাকা ডাকি করে যাওয়া আসা করত। আমার মা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-272490"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/272490/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d15d1d2ffc85f0c63e75c17ce9502366</guid>
				<title>মোঃ মোসাদ্দেক হোসেন খান (পিন্টু) changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/272465/</link>
				<pubDate>Thu, 10 Sep 2026 13:27:58 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3bb2f0528d2493eee27a3e5752ec0da1</guid>
				<title>বিচিত্র জীবন.. 
ধারাবাহীক প্রথম পত্র

আমার জন্ম পুরান ঢাকার লালবাগে ১৯৫৪ সনে, বাবা তৎকালিন পুর্ব পাকিস্তানের মিলিটারি একাউনটেন্ড অফিসে তখন জুনিয়র একাউন্টেন্ড। আমার দুই বছর বয়সে বাবা করাচি বদলি হয়ে গেলেন, তখন আমরা চার ভাইবোন, দুই ভাই দুই বোন। আমার ভালোভাবে বোধবুদ্ধি হয় নাই। একদিন গাট্ঠি পেটরা বেঁধে ঘোড়ার গাড়ী চড়ে তেজগাঁও পুরানো এয়ারপোর্টে রওয়ানা হোলাম। প্লেনে ঐ বয়সে প্রথম চড়লাম, তবে কিছুই মনে নেই। মায়ের কাছে শুনেছিলাম ,করাচি এয়ারপোর্ট থেকে ও একটা টম টম নামক ঘোড়ার গাড়ীতে ফেডারেল এরিয়ার একটা তিনতলা সরকারী কোয়ার্টারের দোতালায় উঠলাম। ঘোড়ার গাড়ীতে অনেক মালপত্র নেয়া যেত, আমাদের সংসারের প্রচুর মাল পত্র ছিল।
    আমার যখন পাচঁ বছর বয়স তখনকার কিছু স্মৃতি মনে আছে। একদিন আব্বার হাত ধরে স্কুলের পথে রওয়ানা হোলাম, বড় ভাইও ওই স্কুলে পড়তো ক্লাস থ্রিতে, আর আমার বড় বোন মেয়েদের আলাদা স্কুলে ক্লাস ওয়ানে পড়তো, আমাকে কেজি ওয়ানে ভর্তি করানো হোলো। বাংলা মিডিয়াম একটাই স্কুল ছিল। স্কুলের দ্বিতীয় দিন একটা কান্ড করলাম, আমার ছূটী আগে হোতো , স্কুল এর বাড়ান্দায় বসে বড় ভাইয়ের জন্য অপেক্ষা করতাম, সেদিন আমার খুব বাথরুম পেল, স্কুলে টয়লেট থাকে জানতাম না, তাই স্কুল” ছেড়ে বাড়ীর দিকে দৌড় দিলাম, বাড়ী চিনি না, পথেই হাফ প্যান্ট নষ্ট করলাম। ছুটছিলাম, এমন সময় একটা বিল্ডিং এর একতলায় একজন বাংগালী মহীলা নিজের ছেলের ফেরার অপেক্ষায় দাড়িয়ে ছিলেন.,  আমাকে দেখতে পেয়ে ছুটে এসে আমার হাত চেপে ধরে জিজ্ঞাসা  করলেন, &#039;কি হয়েছে খোকা?&#039; আমি কাঁদতে কাঁদতে প্যান্ট দেখালাম, মহীলা একজন মায়াময়ী মা ছিলেন , আমাকে পরম যত্নে পরিস্কার করলেন, গোছল করিয়ে তার ছেলের কাপড় চোপড় পরালেন, আদর করে খাওয়ালেন। আমি আবার ছোটবেলায় কেউ আদর করলে ভূলে যেতাম। উনি আমাকে কোথাও যেতে দিলেননা, উনার স্বামী ছেলেকে নিয়ে ফিরলে সব খূলে বললেন। ভদ্রলোক আমাকে নিয়ে সেখানকার থানায় গেলেন, তখনকার আমলে পুলিশ খুব ভালো ছিল, তখনি খোজ শূরু করলো। ওদিকে আমার মা-বাবা কান্নাকাটি খোজাখূজি শূরু করছেন, বাবা থানায় গেলেন , আর আমাকে দেখে জড়িয়ে ধরলেন। আমার বাবা খুব রাগী ছিলেন , কিন্তু সেদিন তার চোখে পানি দেখলাম।

মোঃ মোসাদ্দেক হোসেন খান (পিন্টু )
৪১/৪, চান মিয়া  হাউজিং , রোড নাম্বার.. ১, মোহাম্মদপুর , ঢাকা-১২০৭. 
মোবাইল 01816803753</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/272463/</link>
				<pubDate>Thu, 10 Sep 2026 13:22:14 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বিচিত্র জীবন..<br />
ধারাবাহীক প্রথম পত্র</p>
<p>আমার জন্ম পুরান ঢাকার লালবাগে ১৯৫৪ সনে, বাবা তৎকালিন পুর্ব পাকিস্তানের মিলিটারি একাউনটেন্ড অফিসে তখন জুনিয়র একাউন্টেন্ড। আমার দুই বছর বয়সে বাবা করাচি বদলি হয়ে গেলেন, তখন আমরা চার ভাইবোন, দুই ভাই দুই বোন। আমার ভালোভাবে বোধবুদ্ধি হয় নাই। একদিন গাট্ঠি পেটরা বেঁধে ঘোড়ার গাড়ী চড়ে তেজগাঁও পুরানো এয়ারপোর্টে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-272463"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/272463/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>