<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Mozammel Hoque | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/mozammel-hoque/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/mozammel-hoque/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Mozammel Hoque.</description>
	<lastBuildDate>Mon, 15 Jun 2026 18:07:14 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">5dc230ed5f02e508bb17617100336527</guid>
				<title>Mozammel Hoque and মতিউর রহমান are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/72933/</link>
				<pubDate>Sat, 11 Dec 2021 05:38:52 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7b1edb31dff65faa3a6200c9796b6acb</guid>
				<title>Mozammel Hoque and Md.Mohsin Ali are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/72784/</link>
				<pubDate>Fri, 10 Dec 2021 17:57:55 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">070e22a8b273a27f1a2dc0692d527f87</guid>
				<title>কবিতা
ক্যান্সার আর আব্বু এক দেহে এক ঘরে

ক্যান্সার আর আব্বু এক দেহে একই ঘরে এই ভাবেই কাটছিলো-অনেকদিন ধরে  ।জানতো না কেউ অন্তর্যামী ছাড়া  ।
আর জানার পর আর কিছুদিন বেঁচে থাকার প্রয়াস এ                   আমার আব্বু টি কত যে ছটফট করে ,                          দিনগুলো কাটিয়েছেন-দোয়া কান্নাকাটি করে করে, 
বিছানায় শুয়ে বসে ইশারাতে নামাজ পড়ে পড়ে ।
সারাক্ষণ অজান্তেই  আব্বুর চোখের কিনারে 
চলতো অশ্রুর সমুদ্রে উত্তাল ঢেউয়ের খেলা ।
আমার মায়ের মুখের হাসি সেদিন হতেই শেষ ,                                                                 দেখিনি আর কোনদিন এরপরে ।

ক্যান্সার আর আব্বু এক দেহে একই ঘরে-অনেকদিন ধরে,
এ ভাবেই কাটছিলো । জানতো না কেউ অন্তর্যামী ছাড়া ।
প্রথমে আব্বুর সাথে পরিচয় হয়েছিলো আজিব এক জ্বরের
যে জ্বর দীর্ঘ এক বছর যাবত উনার সঙ্গ ছাড়ে নি ।
শরীরের সমস্ত পরীক্ষা বারবার করিয়েও কোন জীবাণু ধরা পড়েনি  ।
এক বছরে আব্বু টার ওজন পঁচাশি হতে সত্তরের নিচে নেমে গিয়েছিলো ।
বলাই হয়নি,সেই  জ্বর একা পরিচিত হতে আসেনি
সাথে কাশি, হেঁচকি,দুর্বলতা,কণ্ঠস্বরের পরিবর্তন আর   রুচিহীনতা নিয়ে এসেছিলো  ।                                                              এইযে হেঁচকি সাধারণ হেঁচকি তো নয়-
কতো ঔষধ,কতো চেষ্টা, কতো ডাক্তার                                                                                                              তবুও সে শেষ অবধি আব্বুর সঙ্গ ছাড়ে নি  ।
একটা সময় তিনি  বিছানায় পুরোপুরি শরীর ছেড়ে দেন,                               আমরা নিয়ে যায় হাসপাতাল  ।
এই হাসপাতাল ওই হাসপাতাল ,এই পরীক্ষা ওই পরীক্ষা ,               
মেরোপেনাম ছাড়া সব এন্টিবায়োটিক উনার উপর কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছিলো ।                                                                    কিছুদিন পর মেরোপেনামও কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে ।
শুধু ধৈর্য ,শুধু হাসপাতাল বদলানো 
এ ছাড়া আর কিছু করার ছিলো না  ।
সিবিএমসিবি-গ্রীনলাইফ-ইবনেসিনা-হেল্থ কেয়ারের  চিকিৎসা, পিজি আর পপুলারে সমস্ত পরীক্ষা নিরীক্ষা                                                         সব অবশেষে হয়ে যায় বৃথা  ।                             
পরিস্থিতির শিকার বাধ্য হয়ে পরিশেষে নিয়ে যায় ডেল্টা ।
এই ডেল্টার কেবিন নম্বর ছয় শত চার,
এরপর এইচ.ডি.ইউ বিছানা নম্বর চার,
ডেল্টার সেই এইচ.ডি.ইউ হতে রোজ তিন চার                      করে জলজ্যান্ত মানুষ লাশ হয়ে বের হতো  ।
সেখানে আমার আব্বুটির শেষ বেলার স্মৃতিগুলো, 
আজও চোখে উজ্জ্বল হয়ে নক্ষত্রের মতো দীপ্তিমান-
উনার শেষ কথন,শেষ ইশারা,শেষ চাহনি ,শেষ নিঃশ্বাস
মর্তের তরে শেষ বিদায় ,চিরবিদায়  ।
যেকোনো বিদায় বেলায় সেই ছোটবেলা হতেই দেখেছি,
আব্বু টা টা বলতেন আর চির বিদায়ের শেষ বেলাটায় উনার         হাত দুখানা উনাকে টা টা বলতে দেয়নি  ।                               
কি করবেন বেচারা ,&#039;আব্বু&#039;-
ততক্ষণে যে তিনি মৃত্যুর  পাষাণ পেয়ালা হতে  এক চুমুক     মরণ পথ্য পান করে ফেলেছেন  ।
ক্যান্সার,সমস্ত রিপোর্ট আর দেহখানা ডেল্টায় রেখে
নিজে চুপ্টি করে সবাইকে কাঁদিয়ে-আমায় ইয়াতিম বানিয়ে
আমার সহজ সরল মা টাকে একা ফেলে চলে গেলেন ।
চলে গেলেন চিরদিনের জন্যে না ফেরার অতল গহ্বরে ।     লোক সম্মুখে সেদিন আমি এক ফোঁটা অশ্রু বিসর্জন করিনি। 
কারণ আমি যে ছিলাম উনার বড় ছেলে-
ছোট্ট বোনটা আর মা টাকে কে সামলাবে আমি কাঁদলে ।
কিন্তু  ভেতরে  রাশি রাশি কান্নার  ফোঁটায় ফোঁটায়      
মনসমুদ্রের জোয়ারে  অন্তরটা খানখান হয়ে যাচ্ছিল ।
তবুও সেদিন কাঁদিনি ।
অসহায় মা টার  সামনে আব্বুর জন্যে আজো আমি কাঁদিনি  ।
সবার অজান্তে শুধু শেষ রাতে কেঁদে কেঁদে বালিশ ভিজিয়েছি  ।
আব্বু টার জন্যে  জায়নামাজে দোয়াতে বসলে                                    
আজও আমার  কন্ঠ নির্বাক হয়ে যায়,                                                                                                     ভোকাল কর্ড স্তব্ধ হয়ে যায়।

আমায় একলা  অনাদরে ফেলে,
কিভাবে আজ তুমি এতগুলো দিন ধরে !!
থাকছো সবার আড়ালে-
ছোট্ট একটি সারে তিন হাত  মাটির ঘরে ।

 #রচনা_কাল_10_12_2021</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/72602/</link>
				<pubDate>Fri, 10 Dec 2021 15:29:04 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কবিতা<br />
ক্যান্সার আর আব্বু এক দেহে এক ঘরে</p>
<p>ক্যান্সার আর আব্বু এক দেহে একই ঘরে এই ভাবেই কাটছিলো-অনেকদিন ধরে  ।জানতো না কেউ অন্তর্যামী ছাড়া  ।<br />
আর জানার পর আর কিছুদিন বেঁচে থাকার প্রয়াস এ                   আমার আব্বু টি কত যে ছটফট করে ,                          দিনগুলো কাটিয়েছেন-দোয়া কান্নাকাটি করে করে,<br />
বিছানায় শুয়ে বসে ইশারাতে নামাজ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-72602"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/72602/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>