<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | UMAR FARUK AKANDO MUNNA | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/munna-jms/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/munna-jms/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for UMAR FARUK AKANDO MUNNA.</description>
	<lastBuildDate>Sun, 16 Aug 2026 23:17:43 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">c5397f3630ca415e1c6e8d65c91037c3</guid>
				<title>কষ্ট 

মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। এই জীবের কিছু বাহ্যিক ও আত্মিক কিছু বৈশিষ্ট্য আছে।মানুষ জন্মের পর থেকে মৃত্যু অবধি অনেক কিছুর সম্মুখীন হয়। মানুষের এই জীবনঅযাত্রা বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে বিভিন্নরকম হয়। আমাদের জীবনে যেমন সুখ,কষ্ট,দুঃখ,ভালবাসা,আনন্দ,শান্তি,জরাজীর্ণতা ইত্যাদি থাকে।তেমনি আমদের নিজস্ব কিছু কৃষ্টি, কালচার আছে। কেউ গান শুনে আনন্দ পায়, কেউ কবিতা আবৃত্তি করে কেউবা আবার নৃত্য করে। কিন্তু মানুষের অধিকাংশ সংস্কৃতি চর্চাতেই দেখা যায় কষ্টের সংগীত,আবৃত্তি,গানের পরিমাণ বেশি এবং মানুষ তা শুনতে বেশি পছন্দ করে। কারণ আমরা দুঃখকে বয়ে নিয়ে বেড়াতেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি।এই দুনিয়ায় এমন কাউকে খুজে খুবই দুষ্কর যার কোনো দুঃখ নেই,কষ্ট নেই।মানুষ একে অপরকে প্রতিনিয়ত কষ্ট দিয়ে চলছে।সেটার না বুঝতে পেরে কিংবা ইচ্ছাকৃতভাবে।পুজিবাদী রক্তচোষাদের থেকে কষ্ট পাচ্ছে সাধারণ জনতা। রক্তচুষে খাওয়ার ফলে তাদের শরীরে আবার বাসা বাধছে মরণব্যাধির ন্যায় নানাবিধ রোগ। জগতের নিয়ম এটাই একে অপরের থেকে কষ্ট পেতেই হবে।মানুষভেদে কষ্টের ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়।
কোন বড়লোকের আদুরে দুলালী তার সম্ভান্ত্র বাবাকে বারংবার তাগদা দেয়ার পরেও মার্সেডিজ এর আপডেট ভার্সনটা কেন নিয়ে দিচ্ছে না !এটা নিয়ে তার আফসোসের সীমা নেই। 
ঢাকা কলেজে পড়ুয়া এক ছেলে আড়ং থেকে একটা পাঞ্জাবি কিনতে গিয়ে টাকা স্বল্পতার কারনে নিজ কলেজের ফুটপাত থেকে একটা পাঞ্জাবি খরিদ করে।ছুটির দিনে তার বন্ধুরা সবাই ব্রান্ডের পাঞ্জাবি পরে ঘুরতে বের হবে এটা ভেবে তার কষ্টের সীমা নেই। 

ফুটপাতের মানুষগুলোর কাছে সিগারেট বিক্রি করা রহিম চাচার দুঃখ একটাই এই ঊর্ধগতির বাজারে তার পরিবারকে আজ রাতে দুমুঠো ডাল-ভাত মুখে তুলে দিতে পারবো তো! 
শহরের সবচেয়ে ধনী মানুষগুলোর কষ্ট হয় এটা ভেবে হার্টে যে রিং পরানো সেটা ঠিকঠাক কাজ করছে তো। কিছুদিন থেকে কেন জানি শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে প্রচুর কষ্ট হচ্ছে।এই বুঝি সময় ঘনিয়ে এলো। মাদ্রাজের চিকিৎসায় হবে না এবার সিঙ্গাপুর যেতে হবে। 
পেটের দায়ে দেহবন্টন করে দেয়া মেয়েটার যখন বাচ্চা প্রসব করে ডাস্টবিনের পাশে পরে থাকতে দেখা যায়। তখন আমাদের চেতনার দুঃখ হয়।পুরো সমাজ হুংকার দিয়ে উঠে ফেসবুকে দুয়েকদিন সহানুভূতিশীল স্টাটাস শেয়ার দেয়।
হাসপাতালে ক্যান্সারের সাথে যুদ্ধ করা ছেলেটার দুঃখগুলো বোধহয় এরকম হয়।যদি অল্প কিছুদিনের জন্য হলেও স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারতাম,বন্ধুদের সাথে আড্ডাবাজী করতে পারতাম,পুরা ঢাকা শহর রিক্সায় করে প্রেমিকার সাথে ঘুরতে পারতাম,রাস্তায় হাটতে হাটতে বন্ধুদের সাথে আকাশের তারা গুনতাম,রাত জেগে বাসায় ফিরে বাবা-মায়ের বকবকানি শুনতাম।ইশ!যদি পারতাম।

ফার্মগেটের ফুটপাতে আজন্ম অন্ধ চাচাকে একদিন আকাশের পানে তাকিয়ে কি যেন বিড়বিড় করতে দেখেছিলাম। তার কথাগুলো বোধহয় এরকমঃইশ!ঈশ্বর যদি আমারে একবার এই পৃথিবীর আলো দুচোখ ভরে দেখার সুযোগ করে দিতেন৷
ন্যাংড়া মানুষটা লাঠি ছাড়া চলতে পারে না এটা তার কষ্ট। বোবা মানুষটা কথা বলতে পারে না এটা তার কষ্ট। প্রত্যেককে প্রত্যেকের দিক থেকে আমরা কেউই ভাল নেই।আসলে আমরা দুঃখ পুষে রাখা মানুষ। আমাদের প্রতিনিয়ত এত শত সুখের মুহূর্ত আসে সেগুলো আমরা মনে রাখি না বা মনে রাখতে চাই না, বোধহয় দুঃখ আমাদের সুখগুলো মনে রাখতে দেয় না। 

এই জগৎ সংসারে একমাত্র দুঃখবিহীন মানুষ হচ্ছে পাগলেরা। কি দারুণ;স্বাধীন জীবন যাপন করছে ওরা!যখন যেখানে মন চাচ্চগে সেখানেই যাচ্ছে একজায়গা থেকে অন্যত্রে,এক জেলা থেকে অন্য জেলায়। ওরা চাইলে এক দেশ থেকে অন্য দেশেও খুব সাবলীলভাবে চলে যেতে পারবে।রাস্তার অলিতে গলিতে,ফুটওভার ব্রিজে তপ্ত দুপুরের রোদে,ঝুম বৃষ্টিতে কিংবা সাইক্লোনের ঝড়ের দিনে কি নিদারুণ ভাবে কুকুরের সাথে ওদের শুয়ে থাকতে দেখা যায়।ওদের কোন জ্বর বাধার ভয় নেই,শ্বাসকষ্টের চিন্তা নেই,জলাতঙ্ক হওয়ার বিন্দু মাত্র দুশ্চিন্তা নেই।
আচ্ছা!পাগলেরা কি কষ্ট পায় স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার জন্য। ওরা কি সত্যি ভাবে যে স্বাভাবিক মানুষের জীবনে ফিরে আসলে ওদের সব কষ্ট লাঘব হবে৷ ওদেরকে কি ঈশ্বর এজন্যই স্বাভাবিক সুস্থতায় ফিরিয়ে দেয় না! নাকি ওরা শান্তির ভং ধরে ঘুরে বেড়ায়। 

পাগলের ন্যায় এই দুঃখবোধ, কষ্ট,জরাজীর্ণতা থেকে মুক্তি প্রয়োজন আমার, আপনার,সকলের তথা পুরো মানবজাতির৷</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/118270/</link>
				<pubDate>Sat, 04 Jun 2022 08:26:54 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কষ্ট </p>
<p>মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। এই জীবের কিছু বাহ্যিক ও আত্মিক কিছু বৈশিষ্ট্য আছে।মানুষ জন্মের পর থেকে মৃত্যু অবধি অনেক কিছুর সম্মুখীন হয়। মানুষের এই জীবনঅযাত্রা বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে বিভিন্নরকম হয়। আমাদের জীবনে যেমন সুখ,কষ্ট,দুঃখ,ভালবাসা,আনন্দ,শান্তি,জরাজীর্ণতা ইত্যাদি থাকে।তেমনি আমদের নিজস্ব কিছু কৃষ্টি, কালচার আছে। কেউ গান&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-118270"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/118270/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ef9c43b51f1cde29a077cfb2aaafd25f</guid>
				<title>নিজেকে নিয়ে ভাবতে ভুলে গেছি বোধহয় ডাইনোসর বিলুপ্তির কিছু যুগ আগে।সবার লগে সবকিছুর তাল মিলাইয়া চলতে গিয়ে মাঝে মাঝে নিজের অস্তিত্ব ভুইলা যেতে শুরু করেছিলাম। 
ছোটবেলায় থেকে আমার চেহারা স্বাস্থ্য মোটাগাটা থাকায় প্রচুর খাইতে চাইতাম।খাওনের প্রতি এক ধরনের মোহ কাজ করতো৷ তহন আমি দুনিয়ার অতো কিছু বুঝি না।এলাকার লোকজন দুষ্টামি কইরা ভিমরুলের বাসায় ঢিল ছুড়তে বল্লে কোন কিছু না ভেবেই সোজা ঢিল ছুইড়া দিতাম। 

সেই যুগে আম্মার কাছে আমি একদিন গরুর গোশত আর পোলাও খাওনের লাইগা জিদ ধইরা ছিলাম। প্রতিউত্তরে তিনি আমারে কইয়াছিলেন &quot;বাজান! গরুর গোশত খাইলে মানুষের শরীরের ক্যান্সারের কীট বাসা বাধে।মানুষ দুরারোগ্য ব্যধিতে ভোগে।ক্যান্সারের লাহান মরণব্যাধি এই দুনিয়ায় আর একটাও নাই।&quot;
কিন্তু সভ্যতার পরিবর্তনের লগে দুনিয়া থাইকা অনেক কিছুই হারায়া যায় কিন্তু বয়স আমার পোলাপানদের বেলুন ফুলানোর লাহান বাড়তেই ছিল,বাড়তেই ছিল।
আমি ঐদিনের আম্মার কথাটা ঠিকই বুইঝা গেছিলাম ক্যান্সার আমার শরীরে সাধবে না, কারণ ক্যান্সারের চাইতেও কোটি গুণ বেশি ক্ষতিকারক জীবাণুবাহী ভাইরাস আমাদের সংসারে বিরাজমান লোকে যেটাকে নিম্নমধ্যবিত্ত বইলা ডাকে। 

বুঝ হওনের পর থাইকা সবসময় আম্মা আমার কানে মাইকিং কইরা জানান দিতো যে &quot;বাজান!তুমি হইতাছো আশরাফুল মাখলুকাতঃসৃষ্টির সেরা জীব।একজন চল্লিশ তলা বিল্ডিংয়ের মালিক এবং বোতাম ছাড়া শার্টখানা পইরা যে ভিক্ষা করে সেও মানুষ; উভয়েই সমান।
আমার কোন স্বাধ,আহ্লাদের বস্তু কিইনা দিতে চাইয়া ব্যর্থ হইলে আম্মারে আমার বারবার খুব করে জিগাইতে মন চাইতো মানুষ যদি সবাই সমান হইতো তাইলে আমাগো এই কষ্ট,গ্লানিবোধ, দুর্দশা,জরাজীর্ণ অবস্থা কেন!আম্মার প্রতি আমার ঐদিন থাইকাই বিশ্বাস উইঠা যায়। 

একদিন স্কুল শিক্ষক আমারে মানুষের উদাহরণ দিইতা গিয়া কইয়াছিলো &quot;যার বিবেক আছে এবং যে সবাইরে সমান ভাবে মূল্যায়ন করে সেই মানুষ।&quot;
অথচ সেই দিন বিকেলে উনার ছেলের লগে আমি খেলতে গিয়েছিলাম জন্যি বেদম প্রহার করেছিলো আমার লগে মিশছে বইলা।

সেইদিন থাইকা আমি নিজেরে একটা খাচায় বন্দি পাখি মনে করতাম।কিংবা উড়ন্ত কোন শালিক/বক মনে করতে থাকি। যাদেরকে শিকার করে শিকারীরা প্রতিনিয়ত নিজের উদর ভারি করেছে।
মাঝে মাঝে নিজেরে একুরিয়ামের মাছের লাহান মনে হইতো।যার ভিতরে পানিতে নিজেরে খুব স্বচ্ছ মনে হয়।কিন্তু বাহিরের মানুষ গুলারে লাগে ঝাপসা।
যেখানে কোন কথা কইতে পারি নি,প্রতিবাদ করতে পারি নি।সবকিছুই চোখ বুজে সহ্য করতে হয়।


আমারে নির্বাক কইরা দিয়াছিলো তথাকথিত রয়াল পরিবার মিইলা সংগঠিত সমাজের মানুষজনের বহুরূপী ব্যবহার।সেদিন থাইকা আমি ঐ দূর আকাশে মিটমিট করে জ্বলতে থাকা তারা দের ন্যায় নিশ্চুপ থাকি।আমি নিজের লগে নিজেই কথা বলে চলেছি কত বছর আগে সেটা আমার মস্তিষ্ক মনে রাখতে পারে নি । 

যেদিন থেইকা আম্মা আর স্যার আমারে মানুষের সংঙা বুঝাইয়া বাস্তবের সাথে কোন কিছু আমারে মিলায়া দেখাইয়া দিতে ব্যর্থ হইয়াছিলো।সেইদিন থাইকা আমি নিজের ভিতরে নিম্নমধ্যবিত্ত ধারণ কইরা জীবনসংগ্রামের পথে চলা শুরু করি। কারণ আমি জানি আমার পরিবার আমারে মানুষের সমতার যে সংঙা শিখাইছে সেটা মায়ের আদরের শিশুকে জোর করিয়ে দুগ্ধ পান করানোর মত।বাস্তবতা তার পুরোটাই উল্টো পিঠ। 
মসজিদের হিসাব খাতায় দুই বছরের টাকা পাওনা থাকায় যেদিন থাইকা আমার আব্বারে মহল্লার লোকজন মসজিদে যাইতে নিষেধ করেছিলো।সেইদিন থাইকা আমার পুরো পৃথিবীর প্রতি অবিশ্বাস তৈরি হয়। সেই অবিশ্বাসের সবটুকুই সমতার ও জনতার প্রতি।

অবিশ্বাস তৈরি হয় মায়ের প্রতি ছেলের,স্যারের প্রতি ছাত্রের, সমাজে প্রতি সাধারণ আমজনতার মানুষের।এখন আমি শুধু একটা বিষয়িনবিশ্বাস করি এবং ধারণ করি আমাকে খুব দ্রুত রয়াল সোসাইটির একজন উচ্চপর্যায়ের সদস্য হইতে হইবে। 


 #একছয়বাইশ</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/117869/</link>
				<pubDate>Thu, 02 Jun 2022 12:43:46 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নিজেকে নিয়ে ভাবতে ভুলে গেছি বোধহয় ডাইনোসর বিলুপ্তির কিছু যুগ আগে।সবার লগে সবকিছুর তাল মিলাইয়া চলতে গিয়ে মাঝে মাঝে নিজের অস্তিত্ব ভুইলা যেতে শুরু করেছিলাম।<br />
ছোটবেলায় থেকে আমার চেহারা স্বাস্থ্য মোটাগাটা থাকায় প্রচুর খাইতে চাইতাম।খাওনের প্রতি এক ধরনের মোহ কাজ করতো৷ তহন আমি দুনিয়ার অতো কিছু বুঝি না।এলাকার লোকজন দুষ্টামি কইরা ভিমরুলের বাসায় ঢিল ছ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-117869"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/117869/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5820ecd724908f3b02224c13dc1bbfec</guid>
				<title>আমার ১০৬ তম জন্মদিনে 
সাদা কাফনে মুইড়া দিয়ে সবাই বইলা দিয়েন &quot;চির বিদায় হে জগতের বোহেমিয়ান পুরুষ&quot;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/111823/</link>
				<pubDate>Mon, 16 May 2022 19:24:25 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমার ১০৬ তম জন্মদিনে<br />
সাদা কাফনে মুইড়া দিয়ে সবাই বইলা দিয়েন &#8220;চির বিদায় হে জগতের বোহেমিয়ান পুরুষ&#8221; </p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>