<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | তাসরিন ইসলাম রিতু | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/ozana-otithi/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/ozana-otithi/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for তাসরিন ইসলাম রিতু.</description>
	<lastBuildDate>Tue, 16 Jun 2026 19:06:37 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">074ea6cb49882c46755269af1b280318</guid>
				<title>তাসরিন ইসলাম রিতু and অসীম রহমান are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/240937/</link>
				<pubDate>Thu, 26 Mar 2026 12:37:10 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">cb94514429c0a8ec8bc6f4df43a0f71a</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/240590/</link>
				<pubDate>Tue, 24 Mar 2026 06:27:32 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">080281e36e20c9eaf9b1e90708f1f6ca</guid>
				<title>তাসরিন ইসলাম রিতু changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/240587/</link>
				<pubDate>Tue, 24 Mar 2026 06:23:15 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">228358bf251f7de330d0f4dc8d106298</guid>
				<title>গল্পের নাম : মায়ের হাতের বিরিয়ানি
গল্পকার : তাসরিন ইসলাম রিতু
গল্প : 
বৃষ্টির রাত, মাঝে মাঝে গগনবিদারী আওয়াজ। কাদাময় রাস্তায় দ্রুত বাসায় ফিরছেন রাজিয়া বেগম। ঘরে তার মেয়ে একা। ঘুম থেকে জেগে গেছে কিনা কে জানে। এত রাতে বাসায় ফেরা দেখে দারোয়ান কিছু বললেন না। কেননা এটা রোজ শনিবারের ঘটনা। ফেরার সময় হাতে প্রতি শনিবার কিসের প্যাকেট থাকে যেন। আজও তার ব্যতিক্রম নয়। তাই দারোয়ান কিছু বললেন না। দ্রুত নিজের ফ্ল্যাটে ঢুকলেন তিনি। তারপর আস্তে আস্তে মেয়ের বেড রুমের দরজা খুললেন। খুলেই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন। না, মেয়েটা জাগেনি। মেয়েটির কাছে আসলেন রাজিয়া বেগম। যেন ছোট্ট একটি বাচ্চা মেয়ে ঘুমাচ্ছে। মনেই হচ্ছে না রুদ্রিকার বয়স ২২ বছর। কি নিষ্পাপ ও মায়া ভরা মুখটা। সত্যিই কী তাই ? মেয়েটির হাতের দিকে হঠাৎ চোখ গেল তার। বারংবার শক্ত করে বাধার কারণে হাতের দাগটা স্পষ্ট লাগছে। মায়া হল দেখে। হাজার হোক মায়ের মন। তারপর আর দেরি করলেন না রাজিয়া বেগম। দ্রুত রান্নাঘরে গেলেন। বাসমতি চালটা ভিজিয়েই রেখে গিয়েছিলেন। তাই বিরিয়ানিটা রাধতে দেরি হলো না। বিরিয়ানিটা পরিবেশন করতে করতে রাজিয়া বেগম ভাবছেন- সপ্তাহের বাকি ছয় দিন মেয়েটা স্বাভাবিক থাকে। কিন্তু শনিবার সন্ধ্যা থেকেই অসম্ভব বিরিয়ানির জন্য বায়না শুরু করে দেয়। চিকেন, মাটন, বিফে হয় না। তার দরকার হিউম্যান ফ্লেশ। অর্থাৎ মানুষের মাংসের বিরিয়ানি। মানুষের হাতের অংশটার মাংস বেশি পছন্দের ওর। ভাবনায় ব্যাঘাত ঘটলো চিৎকারের আওয়াজে। মেয়েটার ঘুম ভেঙে গেছে। ক্ষুধার জ্বালায় চিৎকার করছে। তাড়াতাড়ি নৈশ ভোজটা মেয়ের কাছে নিয়ে গেলেন। খাইয়ে দিতে দিতে মেয়ের নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের খবর নিচ্ছেন। 
- ভার্সিটি লাইফ কেমন লাগছে রে?
- ভালো।
- ক্যাম্পাস পছন্দ হয়েছে?
- হ্যাঁ।
- টিচাররা কেমন?
- ভালো। 
- নতুন বন্ধুবান্ধব কয়টা হল?
প্রশ্নটা শুনতে রুদ্রিকা উত্তরবিহীন হয়ে গেল। খাবার চিবানো বন্ধ করে দিল। রাজিয়া বেগম তখন আতঙ্কিত হয়ে উঠলেন। এ যেন ঝড়ের পূর্বে প্রকৃতির গভীর নিরবতা। চিৎকার করে কাঁদতে কাঁদতে রুদ্রিকা বলল,&quot;আমার বন্ধুদের উনি মেরে ফেলেছেন মা। ওরা বাঁচতে চেয়েছিল কিন্তু উনি ওদের বাঁচতে দেননি। উনি মেহেরিন কেও মেরে ফেলেছেন মা। &quot; কিছুক্ষণ কাদার পর একটু থেমে একটা রহস্যময় হাসি দিয়ে রুদ্রিকা পুনরায় বলতে লাগলো,&quot;কিন্তু ওরা আমার সাথেই বসবাস করছে মা। মেহেরিনও আমার মধ্যে বিরাজ করছে।&quot; 
-শান্ত হ, শান্ত হ।
- লায়লা ম্যামের মত যারা আছে তাদের সবাইকে আমি শেষ করে দেব, যেমন এখন দিচ্ছি।

মেয়ের এ কথার মানে সবসময়ই রাজিয়া বেগমের কাছে অস্পষ্ট। মেয়েকে শান্ত করে ঘুম পাড়িয়ে দিলেন মা। হাতের বাঁধন খুলে দিলেন। কারণ এটার আর এক সপ্তাহ প্রয়োজন নেই।
পরদিন ভার্সিটিতে লাইব্রেরীতে বসে বই পড়ছে রুদ্রিকা। একটা মেয়ে এসে ওর পাশেই বই নিয়ে বসলো। মেয়েটি রুদ্রিকার সাথে আলাপচারিতা করতে চাইছিল। কিন্তু মেয়েটি যখন দেখল অপরপক্ষের এই বিষয়ে কোন আগ্রহ নেই তখন উঠে চলে যেতে লাগলো। চলে যাওয়ার সময় মেয়েটি ভুলবশত রুদ্রিকার কলম নিচে ফেলে দেওয়ায় ভদ্রতার খাতিরে উঠিয়ে দিতে যাচ্ছিল, তখন তার অনামিকার সুন্দর ডিজাইনের একটি আংটি দৃষ্টিগোচর হলো রুদ্রিকার। তখন মাথায় কি যেন খেললো। রহস্যময়ীর মুখে রহস্যময় হাসি ফুটে উঠলো। মেয়েটি ঘাড় ঘুরিয়ে চলে যেতে নিলেই ওর হাত টেনে ধরল রুদ্রিকা। 
- বসো।
মেয়েটি ইতস্তত করলে,
-আরে বসো না। আসলে তখন ব্যস্ত ছিলাম তো তাই কথা বলছিলাম না।
- ইটস ওকে , আমি যাচ্ছি।
- আমি বলেছি আমি ব্যস্ত ছিলাম, আমি এটা বলিনি আমি এখনো ব্যস্ত আছি।

দুজনেই হেসে উঠলো। 
-আমি রুদ্রিকা।
-আমি তানিয়া।

বাসায় এসে রুদ্রিকা আজ একটু বেশিই খুশি। এতে রাজিয়া বেগম অবাক হলেন না। মাঝে মাঝে রুদ্রিকা প্রচুর খুশি থাকে। সব সময়ই নয়,এটা মাঝে মাঝে হয়। কারণ জিজ্ঞেস করলে বলে,&quot;লায়লা ম্যামকে আমি শেষ করে দেবো।&quot; এর অর্থ রাজিয়া বেগম আজও বোঝেন নি। রাত্রে মায়ের কাছে গল্প শুনতে শুনতে ঘুমাচ্ছে রুদ্রিকা। রাজিয়া বেগম মেয়ের মাথায় হাত বুলিয়ে ঘুম পাড়িয়ে দিচ্ছেন। যখন বুঝলেন মেয়ে ঘুমিয়ে গেছে তখন গল্প থামালেন। অতঃপর গভীর ভাবনায় ডুব দিলেন‌। রুদ্রিকা cannibalism এ আসক্ত। এটা কাউকে জানতে দেননি তিনি। জানাজানির ভয়ে ডাক্তারের কাছেও যান না। এ শহরের কবরস্থানগুলোতে যত বেওয়ারিশ লাশ আসে সবগুলোর খবর নিতে হয় তাকে। হাত দুটো কেটে আনতে হয় প্রতি শনিবার রাতে। কবরস্থানেররক্ষী,ডোম,পুলিশ থেকে শুরু করে সবাইকে টাকা দিয়ে মুখ বন্ধ করে রাখতে হয়। পরদিন ভার্সিটিতে চা খাচ্ছিল তানিয়া আর রুদ্রিকা। ট্রিটটা তানিয়া দিয়েছিল। চুমুক দিতে দিতে দুইজন গল্প করছিল। রুদ্রিকা বলল,
-তোমার বাসায় কে কে আছেন?
-আমার মা,বাবা,ভাই,ভাবি,আপু, দাদা,দাদী সবাই।
-জয়েন্ট ফ্যামিলি?
-হ্যাঁ,তোমার?
-আমি আর আমার মা।
-তোমার বাবা?
-আমার অনেক ছোটবেলায় তাদের ডিভোর্স হয়েছিল।
-ও,আঙ্কেলের সাথে তোমার যোগাযোগ নেই?
-আমি বাবার সাথেই থাকতাম। বাবা আমাকে বোর্ডিং স্কুলে রেখেছিলেন।
-তারপর?
-তারপর ওই বোর্ডিং স্কুলে কি যেন সমস্যা হয়েছিল। তারপর আমার মা সেই স্কুল থেকে এবং সেই শহর থেকে আমাকে নতুন জায়গায় শিফট করে নিয়ে আসেন।
-ও।
-আচ্ছা শোনো,তুমি আমায় এখন ট্রিট দিয়েছো, সন্ধ্যায় আমি তোমাকে ট্রিট দেব। ভার্সিটির সামনে এসো। তোমাকে এক জায়গায় নিয়ে যাব।
-কোথায়?
-সারপ্রাইজ।

পরদিন বিকালে টেলিভিশনে সংবাদ দেখছিলেন রাজিয়া বেগম। একটি মেয়ের অনামিকা আঙ্গুল কাটা লাশ পাওয়া গেছে। ময়না তদন্তে এসেছে, মেয়েটাকে প্রথমে বিষ খাইয়ে মারা হয়েছে, অতঃপর আঙ্গুল কাটা হয়েছে। এমন ঘটনা এ শহরে নতুন নয়। এর আগেও প্রায় ১০ বছর ধরে মোট ২৫টা খুন হয়েছে। একই প্যাটার্নে। কিন্তু আজও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এই সিরিয়াল কিলারকে খুঁজে পেতে ব্যর্থ।

- এই দেখ না, এই মেয়েটা তোদের ভার্সিটিতেই পড়ে। চিনিস নাকি একে ? কে যে এভাবে এত বছর ধরে খুন করে বেড়াচ্ছে কে জানে। তোকে নিয়ে মাঝে মাঝে খুব ভয় হয়। মাঝে মাঝে রাত্রেবেলা কোথায় বেরিয়ে যাস না বলে বুঝি না।
- আমাকে নিয়ে কোন চিন্তা করো না মা। আমি মেহেরিনের হত্যার প্রতিশোধ নিতেই থাকবো।

মেয়ের কথার অর্থ বোধগম্য হলো না রাজিয়া বেগমের।
শুক্রবার একটু বাইরে বেরিয়ে ছিলেন রাজিয়া বেগম।রুদ্রিকা ঘরে বসে বসে রিলস দেখছে। সে জানেনা মা কোথায় গেছে। কলিং বেল বাজলে দরজা খুলে দিল।
- কোথায় গিয়েছিলে, মা?
- তোর আর আমার জন্য একই ডিজাইনের আংটি বানিয়েছি, জুয়েলারি শপে গিয়েছিলাম।
- তুমি আমাকে ডিজাইন না দেখিয়েই বানাতে দিলে?
- তুই তো স্বর্ণের জিনিস পরতে চাস না , তাই জিজ্ঞেস করিনি। আরে ডিজাইন সুন্দর তোর পছন্দ হবে দেখবি।

তারপর নতুন আংটিগুলো নিজেও পরলেন এবং মেয়েকেও পরালেন রাজিয়া বেগম। নতুন কিছু কিনে দিলে যেমন খুশিতে আত্মহারা হয়ে ওঠে রুদ্রিকা এক্ষেত্রে তার ব্যতিক্রম ঘটলো। কেমন যেন এক অদ্ভুত রহস্যময় নীরবতা দৃষ্টিগোচর হচ্ছে চোখে-মুখে। শীতল এক কণ্ঠস্বরে বললো,
-আমাকে আগে ডিজাইন দেখানো উচিত ছিল তোমার ,মা। 
- আচ্ছা পছন্দমত আরেকটা বানিয়ে দেব।
- বড্ড দেরি হয়ে গেছে ,মা। মেহেরিন রাগ করবে যে।

এবারও মেয়ের কথার অর্থ বুঝতে অপারগ হলেন রাজিয়া বেগম।
পরদিন ছিল শনিবার। আজ অনেক কাজ রাজিয়া বেগমের। ফোন করে ঠিকঠাক করে নিচ্ছেন কখন কাটা হাত আনতে যাবেন,কোন সময়টা নিরাপদ হবে। মেয়ের জন্য ঘুমের ওষুধ আর দড়ি রেডি করছেন। প্রতি শনিবার রুদ্রিকা যেমন আচরণ করে আজ তা একটু আলাদা। জিনিসপত্র ভাঙচুর করে, চিৎকার করে কান্নাকাটি করে স্বজাতির মাংস ভক্ষণের ক্ষুধায়। কিন্তু আজ তেমন করছে না। মেয়েকে ঘুমের ওষুধের ইনজেকশনটা দিতে উদ্যত হলে রুদ্রিকা তাকে থামিয়ে দিয়ে বলল, &quot;আমি তো আজ অত বায়না করছি না, মা। পরে দিও ওটা।&quot; রাজিয়া বেগম তখন থামলেন। &quot;তুমি এখানে বসো। আমি চা বানিয়ে আনি। দুজনে বেলকনিতে বসে চা খাব আর বৃষ্টি দেখব।&quot; রাজিয়া বেগম তখন বেলকনিতে বসে মেয়ের জন্য অপেক্ষা করতে লাগলেন। রুদ্রিকা চা বানিয়ে নিয়ে এলো।
- কেমন হয়েছে?
- খুব সুন্দর.। 
- আচ্ছা বিরিয়ানি কিভাবে রাধে মা ?
রাজিয়া বেগম তখন বিরিয়ানি রান্নার বিস্তারিত বর্ণনা করতে লাগলেন। কিন্তু শেষ করতে পারলেন না কথাগুলো। তার আগেই মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়লেন বিষক্রিয়ায়। তার দেহবিচ্ছিন্ন অনামিকাটি স্থান পেলো মৃতদেহের পাশেই। 
রুদ্রিকার এবার পিনিক উঠেছে। আজ তো আর মা মাংস আনতে যেতে পারেননি। এবার কী হবে? ভাবতে ভাবতেই মায়ের হাতের দিকে চোখ পড়ল তার। মায়ের হাতটা কেটে মাংসগুলো টুকরো টুকরো করল। তারপর মা যেভাবে যেভাবে বলেছিলেন ততটুকু স্মরণ করে বিরিয়ানি রান্না করলো আনাড়ি হাতে। আজ মা নেই। তা সত্ত্বেও মায়ের হাতের বিরিয়ানিই খাচ্ছে সে।‌ কিন্তু নিজে রান্না করে। বিষের শিশির বাকি বিষটুকু ঢেলে দিল বিরিয়ানিতে। তারপর খাওয়া শুরু করলো। খেতে খেতে ছোটবেলার বিভীষীকাময় স্মৃতি মনে করে নিচ্ছে শেষবারের মতো।
বোর্ডিং স্কুলটায় মাঝে মাঝে বাচ্চা নিখোঁজ হচ্ছে। কেউ বলতে পারেনা তাদের কী হয়েছে। পুলিশও এখনো কিছু খুঁজে পায়নি। এরই মধ্যে একদিন অমাবস্যার রাত। চাঁদও আজ জেগে পৃথিবীকে আলোকিত করছে না। কিন্তু রুদ্রিকা জেগে আছে। ওর কেন যেন আজ ঘুম আসছে না। ভালো লাগছে না বলে কক্ষ থেকে বাইরে চলে গেল। ওদিকটার রুমে আলো জ্বলছে কেন? ওই রুম সব সময় তো তালাবদ্ধ থাকে। কৌতূহলবশত ওই রুমটার দিকে গেল রুদ্রিকা। দরজা বন্ধ, কিন্তু পাশের জানালাটায় একটা ছিদ্র আছে। সেটা দিয়ে উঁকি দিল রুদ্রিকা। এই বোর্ডিং স্কুলের প্রধান শিক্ষিকার অনামিকাটি তার দৃষ্টিগোচর হলো। যেখানে শিক্ষিকা সবসময় একটি বিশেষ ডিজাইনের আংটি পরিহিত থাকেন। চোখের সামনে লায়লা ম্যাম তার এক সহপাঠীকে খুন করলেন। এ ভয়ংকর দৃশ্য দেখে চিৎকার করে উঠল রুদ্রিকা। শিক্ষিকা দ্রুত দরজা খুলে রুদ্রিকাকে দেখে থতমতো খেলেন।
- তুমি এখানে কী করছ?
- আপনি ওকে মারলেন কেন?
- এবার তোমার পালা। তোমাকেও মারবো।
- না,আমাকে ছেড়ে দিন।
লায়লা ম্যাম ওর হাত চেপে ধরল।
-আমাকে যেতে দিন দয়া করে।
- তাহলে আমি যা বলব তা শুনতে হবে। কাউকে আজকের ঘটনা বলতে পারবে না তুমি।
- হ্যাঁ,আমি সব শুনবো।
লায়লা ম্যামের পরিকল্পনা ছিল রুদ্রিকাকে তার শিষ্য বানানোর। তারা সমগোত্রীয় করে তোলার। ওকে জোর করে মানুষের মাংস খাওয়াতে বাধ্য করে লায়লা ম্যাম। ভয়ে ভয়ে খেতেও হয় রুদ্রিকাকে। প্রথমদিকে জঘন্য লাগলেও ধীরে ধীরে তা অভ্যাসে এবং আসক্তিতে পরিণত হয়। প্রতি শনিবার লায়লা ম্যামের সাথে ডিনার না করলে ও যেন পাগল হয়ে যায়। এসব কথা কাউকেই ও জানায়নি। এমনকি ওর বেস্ট ফ্রেন্ড মেহেরিন কেও না। মেহেরিন একই বোর্ডিং স্কুলে পড়াশোনা করতো। দুজনের মধ্যে অনেক বন্ধুত্ব ছিল। একদিন মেহেরিনকে বোর্ডিং স্কুলের অন্য কিছু মেয়েরা বুলি করছিল। রুদ্রিকা বুলি করা মেয়েদের মধ্যে প্রধান যে তাকে গিয়ে হাতে একটা কামড় বসালো। এ দৃশ্য দেখে সব মেয়েরা পালিয়ে চলে গেল। দিনটি ছিল শনিবার সকাল। যখন থেকে ওই মেয়েটার হাতে রুদ্রিকা কামড়ে বসিয়েছে, তখন থেকে অদ্ভুত এক অনুভূতি হচ্ছে রুদ্রিকার মাঝে। মেয়েটির মাংসে নিশ্চয়ই অন্যরকম একটা স্বাদ পাওয়া যাবে। রুদ্রিকা তখন লায়লা ম্যামের কাছে বায়না করল ওই মেয়েটার মাংস নৈশো ভোজে আয়োজন করার জন্য।
- ওই মেয়েটা আমার অনেক প্রিয় শিক্ষার্থী। ওকে মারতে চাই না আমি।
- তাহলে আমি সবাইকে বলে দেবো সবকিছু। আমার ওই মেয়েকেই লাগবে।
- বেশ, তোমাকেও এর ফল ভোগ করতে হবে পরবর্তীতে মনে রেখো।
- যা ইচ্ছে করুন, আমার ওকে চাই।

পরবর্তী সপ্তাহের শনিবার ডিনারের সময় লায়লা ম্যাম রুদ্রিকাকে জিজ্ঞেস করলেন,
- আজ খাবারটা কেমন ছিল?
- অন্যদিনের থেকে বেস্ট।
- আজ কার মাংস খেয়েছো জানো ?
- কার?
- মেহেরিনের।
কথাটা শুনতেই থমকে গেল রুদ্রিকা। যেন সময় থেমে গেছে। অন্ধকার হয়ে গেছে পৃথিবী। চুপচাপ খাওয়া থেকে উঠে নিজের কক্ষে চলে গেল রুদ্রিকা। সারারাত কাঁদলো, আর নিজের মাথায় এক পরিকল্পনা আটল। নিজের মধ্যে যেহেতু পশুত্ব পুরোপুরি এসে গেছে, তাই কোন কাজই ওর দুঃসাধ্য নয়।
পরদিন সকালে প্রধান শিক্ষিকার কক্ষে তার লাশ পাওয়া গেল। তার সেই বিশেষ ডিজাইনের আংটি পরিহিত অনামিকা আঙুলটি কেটে রাখা ছিল। কে বা কারা এসব করেছে তার কোনো হদিস মিলল না। এছাড়াও একে একে বাচ্চা নিখোঁজ হওয়ার কারণে বোর্ডিং স্কুলটাও বন্ধ ঘোষিত হলো। তারপর মায়ের সাথে এসে রুদ্রিকা স্কুল ছেড়েছে, শহর ছেড়েছে কিন্তু অভ্যাসটা ছাড়তে পারেনি। রুদ্রিকার মা কেবল এটুকুই জানতেন লায়লা ম্যাম তার মেয়েকে cannibalism এর দিকে ধাবিত করেছেন। কিন্তু তার মেয়ে যে একজন সিরিয়াল কিলারে পরিণত হয়েছে, বিশেষ প্যাটার্ন দেখে সে খুন করে বেড়াচ্ছে এটা রাজিয়া বেগমের অজানাই থেকে গেল।
 
রুদ্রিকার শরীরে বিষের প্রভাব শুরু হয়ে গেছে। খুব কষ্ট হচ্ছে ওর। তাই তাড়াতাড়ি বটিটা হাতে নিয়েছে। সময় যে নেই আর বেশি হাতে। প্রতিশোধ পূর্ণ করতে হবে যে। নিজের বাম অনামিকাটি কেটে ফেলল। যেখানে গতকাল শোভা পাচ্ছিল বিশেষ ডিজাইনের আংটি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/240580/</link>
				<pubDate>Tue, 24 Mar 2026 06:18:06 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গল্পের নাম : মায়ের হাতের বিরিয়ানি<br />
গল্পকার : তাসরিন ইসলাম রিতু<br />
গল্প :<br />
বৃষ্টির রাত, মাঝে মাঝে গগনবিদারী আওয়াজ। কাদাময় রাস্তায় দ্রুত বাসায় ফিরছেন রাজিয়া বেগম। ঘরে তার মেয়ে একা। ঘুম থেকে জেগে গেছে কিনা কে জানে। এত রাতে বাসায় ফেরা দেখে দারোয়ান কিছু বললেন না। কেননা এটা রোজ শনিবারের ঘটনা। ফেরার সময় হাতে প্রতি শনিবার কিসের প্যাকেট&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-240580"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/240580/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">aea5448e3709a60d7f817f082ead82bb</guid>
				<title>কবিতার নাম: টরকি বন্দর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় 
                     
কবির নাম : তাসরিন ইসলাম রিতু

কবিতা:

       এই বিদ্যালয় মানে আমাদের

               স্বপ্নপূরণের সাথী

        এই বিদ্যালয় মানে আমাদের

              সাফল্যের চাবিকাঠি।

        এই বিদ্যালয় মানে প্রধান শিক্ষকের 

                   স্বপ্নের অন্বেষণ

   এই বিদ্যালয় মানে আনোয়ার স্যারের

               স্নেহশীল শাসন।

     এই বিদ্যালয় মানে রুবেল স্যারের ভয়ে

                 প্রতিদিন স্কুলে যাওয়া

      এই বিদ্যালয় মানে হুজুর স্যারের কথায়

              একটু করে ধার্মিক হওয়া।
                                                              
            এই বিদ্যালয় মানে মৃনাল স্যারের

                   উচ্চতর গণিত পড়া

            এই বিদ্যালয় মানে মিজান স্যারের

                       সাবান তৈরি করা।

           এই বিদ্যালয় মানে সেলিম স্যার কে

                   ব্যাকটেরিয়ার চিত্র দেখানো

             এই বিদ্যালয় মানে বিমল স্যারের

                    ইংরেজি ভাষা শেখানো।

                এই বিদ্যালয় মানে উত্তম স্যারের

                      অ্যাসেম্বলি এর বাঁশিতে ফুঁ

                এই বিদ্যালয় মানে শারমিন ম্যামের

                          পড়া ফাঁকি দিও না কভু।

             এই বিদ্যালয় মানে ঝরনা ম্যাডামের

                          ইংরেজ শাসন পড়ানো

                এই বিদ্যালয় মানে মঞ্জু ম্যাডামের

                ডেটাবেজ সফটওয়্যার দেখানো।

             এই বিদ্যালয় মানে সাহিদা ম্যাডামের

                          কৃষি শিক্ষা বই খোলা

               এই বিদ্যালয় মানে শিউলি ম্যামকে 

                        মঙ্গল গ্রহ সম্পর্কে বলা।

          এই বিদ্যালয় মানে শফিক স্যারের কাছে

                             বৃত্তির খবর জানা

                 এই বিদ্যালয় মানে গ্রন্থাগারিকা-

                আন্টির থেকে নতুন বই আনা ।

             এই বিদ্যালয় মানে টিফিনের সময়

                          গল্প করতে বসা

               এই বিদ্যালয় মানে প্রতি জানুয়ারি

                       পুরষ্কার জেতার আশা।

               এই বিদ্যালয় মানে শিক্ষা সফরের 

                      আরেক নাম আনন্দ ভ্রমণ

           এই বিদ্যালয় মানে একুশে ফেব্রুয়ারি

                       ভাষা শহীদদের স্মরণ।

         এই বিদ্যালয় মানে যেখানে লুকিয়ে আছে

                       শত স্মৃতি , শত আবেগ

                এই বিদ্যালয় মানে যেখানে আমরা 

                একদিন বর্তমান থেকে হব সাবেক।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/212850/</link>
				<pubDate>Sun, 21 Apr 2024 07:00:55 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কবিতার নাম: টরকি বন্দর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় </p>
<p>কবির নাম : তাসরিন ইসলাম রিতু</p>
<p>কবিতা:</p>
<p>       এই বিদ্যালয় মানে আমাদের</p>
<p>               স্বপ্নপূরণের সাথী</p>
<p>        এই বিদ্যালয় মানে আমাদের</p>
<p>              সাফল্যের চাবিকাঠি।</p>
<p>        এই বিদ্যালয় মানে প্রধান শিক্ষকের </p>
<p>                   স্বপ্নের অন্বেষণ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-212850"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/212850/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c401ec9acbf9c119da1809b14dc44cfc</guid>
				<title>তাসরিন ইসলাম রিতু and নন্দিনী are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/210421/</link>
				<pubDate>Tue, 19 Mar 2024 15:44:26 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b33b620a1f5bc03cf091f5d3ea7679b4</guid>
				<title>তাসরিন ইসলাম রিতু and শিউলি চক্রবর্তী are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/201928/</link>
				<pubDate>Tue, 13 Jun 2023 15:28:43 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">75306ebedc52fb22f41975405fafed2e</guid>
				<title>তাসরিন ইসলাম রিতু and Kabi Doctor Mohammad Zakir Hossain Biplob are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/201790/</link>
				<pubDate>Fri, 09 Jun 2023 01:03:06 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ab7bfe802b1c899e7b005cb06a2e9f9f</guid>
				<title>আসসালামুয়ালাইকুম 


কবিতার নাম: পতাকিনী
কবির নাম: তাসরিন ইসলাম রিতু 


কবিতা:

পুরো পৃথিবী ঘুমিয়ে আছে জেগে আছি নিজেই

 অমাবস্যা আজ তাই চাঁদ ও জেগে নেই,

   ক্ষুধা দিয়ে পেট ভর্তি আছে খাবার দিয়ে নাই

 শীতে কেঁপে জেগে আছি সকালের অপেক্ষায়।

 হঠাৎ শুনি আযানধ্বনি কোথা হতে যেন আসে

 গাছের দোয়েলের ডাকে বুঝি ভোর হয়ে গেছে,

 সামনে থাকা নদীতে নিলাম অজু করে  

   আধা ছেঁড়া পুরনো চটে নিলাম নামাজ পড়ে।

 সূর্যমামাজেগে উঠেছে আলো দেখায় মিটি মিটি

 একহাতেলাঠিএকহাতে বাটিঅচিনপথে হাঁটি,

 বয়স হয়েছে ৭০ দেহখানি ক্ষীণকায়  

 ভিক্ষাই তাই জীবনবৃত্তি, কাজ আমায় কে দেয়?

দু&#039;মুঠো মুড়িই আজ সকালের খাবার হয়ে উঠবে

 আল্লাহ‌ই জানে দুপুরবেলা কপালে কি জুটবে,

 হয়েছে মোটে ১০ টাকা কাজকের রোজগার

 ১প্যাকেট বিস্কুট ছাড়া কিনিনি কোন খাবার।

 একটু খানি চাল পেয়েছি ভাত রাঁধতে হবে 

  শুধু ভাত খেয়ে পেট চালাই তরকারি কে দেবে?

সন্ধ্যা শেষে ঘনিয়ে এলো রাতের আঁধার 

       বাঁকা হাসি হাসে চাঁদ , তারার সমাহার,

  দরজা ভাঙা জানালা ভাঙা ফাঁকা মাটির ঘর

   টিন নাই, পাতার ছাউনি আমার মাথার উপর


 সামনে দেখি নদীর ঢেউ আমার দিকে চায়  

  এমন সময় আগের কথা মনে পড়ে যায়,

 একদিন আমার সব ছিল ছেলে , মেয়ে , স্বামী

 ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধেই সব হারিয়েছি আমি।

 ছেলে পড়ত ঢা.বি.তে আর মেয়ে পড়ত ডাক্তারি

 ৭ই মার্চের ভাষণের পর ফিরল ওরা বাড়ি।

  রাতের বেলা স্বামী রে দেখেছি 

        যখনই মুক্তিযোদ্ধা নিয়ে আসতে,

       ঘরের যত খাবার আছে 

         সব দিয়ে দিয়েছি খেতে ।  

স্বামীর সাথে ছেলেও যেত দেশমাতার বাঁচাতে

মেয়ে থাকতো ব্যস্ত মুমূর্ষু যোদ্ধার সেবা করতে।

এক রাতে জেগে বসে আছি ছেলে-স্বামীর সবুরে

 হঠাৎ শুনি কারা যেন দরজার কড়া নাড়ে ,

দোর খুলে দেখি পাকবাহিনীর নিষ্ঠুরদের দল

 রাইফেলধরে বলেআমারে-&quot;জয়পাকিস্তান বল&quot;।

 &quot;জয়বাংলা&quot; বলতেই আমারে এক ধাক্কা মেরে

 ঘরে ঢুকে মেয়ের কাছে যায় আটকাই কি করে?

হাসতেথাকেবেয়াদবগুলোসর্বনাশ করেমেয়েটার

আল্লাহতোদেরধ্বংসকরবেস্থানপাবিনাপালাবার।

 দুঃখের সমাপ্তি নেই, মেয়ের গলা -   

   হলো ওদের ছুরির অধিনা,
 
         চোখ বুজলো মেয়েটা 

            মা হয়ে কিছুই করতে পারলাম না

    এতকিছুর পরও আমার কান্নার নাহি শেষ

  ফিরল স্বামী সঙ্গে ছেলের রক্তমাখা বেশ ,

 -তোমার ছেলেরে কবরে রেখে আসলাম আমি

  -তোমার মেয়ে চোখ খোলেনা, এসেদেখো তুমি।

 এই শুনেই পড়ল মাটিতে বুকের বাঁ পাশ ধরে

বুঝলাম,আমারজীবনসঙ্গীওগেল আমারেছেড়ে।

 সেই থেকে নিঃসঙ্গতাই সঙ্গী আর নেই কেউ

 সামনের নদীরে মনে হয় লোহিত সাগরের ঢেউ।

 ভেবো না এই লোহিত সাগর    

           ভারত মহাসাগরের অংশ,  

       এক সাগর রক্তে ধৌত মাটি

         করতে পারেনি কেউ ধ্বংস।  

      এমন পবিত্র ভূমিতেই  

           ৫ বার সেজদায় লুটাই  

                 ধ্বংসের ক্ষমতা আল্লাহরই   

             আর কারো নাই।  

        বাংলাদেশের লোহিত সাগর দিয়েছে

          ৩০ লাখ মুক্তিযোদ্ধা,  

            তাঁদের জন্যই পেয়েছি আমরা

          লাল-সবুজ ঝান্ডা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/201776/</link>
				<pubDate>Thu, 08 Jun 2023 17:43:28 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আসসালামুয়ালাইকুম </p>
<p>কবিতার নাম: পতাকিনী<br />
কবির নাম: তাসরিন ইসলাম রিতু </p>
<p>কবিতা:</p>
<p>পুরো পৃথিবী ঘুমিয়ে আছে জেগে আছি নিজেই</p>
<p> অমাবস্যা আজ তাই চাঁদ ও জেগে নেই,</p>
<p>   ক্ষুধা দিয়ে পেট ভর্তি আছে খাবার দিয়ে নাই</p>
<p> শীতে কেঁপে জেগে আছি সকালের অপেক্ষায়।</p>
<p> হঠাৎ শুনি আযানধ্বনি কোথা হতে যেন আসে</p>
<p> গাছের দোয়েলের ডাকে বুঝি ভোর হয়ে গেছে,</p>
<p> সা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-201776"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/201776/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">cc83143d2a0c05a4e1a799572a48dfcc</guid>
				<title>তাসরিন ইসলাম রিতু changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/201775/</link>
				<pubDate>Thu, 08 Jun 2023 17:35:55 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f538ef210aa717f8b3bd2386e00c5b9b</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/201774/</link>
				<pubDate>Thu, 08 Jun 2023 17:34:49 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>