<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | পুজন রায় | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/pujan132/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/pujan132/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for পুজন রায়.</description>
	<lastBuildDate>Thu, 25 Jun 2026 16:52:40 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">23797d4598c33d1a44b346676987228a</guid>
				<title>পুজন রায় and অভিমানী মন are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/9231/</link>
				<pubDate>Tue, 27 Apr 2021 07:02:20 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9e14737a48be0f0918bf12a1347c1c81</guid>
				<title>★ছোটগল্প★
~~আমি হাঁটছি~~

নতুন কিছু লেখার আশায় সুন্দর মলাট করার খাতায় প্রথম পৃষ্ঠায় লিখলাম, &quot;আমি হাটছি..&quot;
এ মুহুর্তেই মা দরজায় এসে ব্যস্ত হাতে বললো, &quot;শোন্ দীপ্ত, দৌড়ে বাজার থেকে গিয়ে ধইন্যা গুড়া,মরিচের গুড়ার প্যাকেট নিয়ে আয় তো। রান্না চুলোতে বসানো; ঢিমানি শুরু করলে রান্না পুড়বে, তোমাদের দুপুরের গলযোগও ঘুঁচবে, এই বলে দিলুম!&quot; যাস্ শালা! দৌড়াবো কেন ; আমি তো হাঁটছি, মানে লিখতে বসলাম মাএ। শান্তি নেই রে একদম! বাসার ছোট ছেলেদের এই হচ্ছে এক জ্বালা। কথা নেই, বার্তা নেই,  যখন খুশি এই এখানে যা, এই এটা নিয়ে আয়,এটা কর ওটা কর। না করলে তুই ছোট না তো কে করবে! আমার লেখার বারোটা বেজে গিয়েছে। দুপুরের কড়া রোদে বাসা থেকে বের হলে চেহারার ও তেরোটা বাজার উপায় থাকবে না! অবশ্য বাজার বাসা থেকে ৫ মিনিটেরই পথ। আমি হাটছি.. ; না এবার সত্যি সত্যিই হাটছি। ১৪ মিনিটের মাথায় বাসায় ফিরে মার কথামতো সব জিনিস মাকে বুঝিয়ে দিলাম।

&quot;আমি হাঁটছি&quot; লেখার ধরনটা পছন্দ হলো না; তাই  কেটে নতুন করে লিখলাম আরেকটু মার্জিতভাবে লিখলাম, &quot;আমি হাঁটছি&quot;। কথাটি লিখতে লিখতে কল্পনার জগতে হারানো শুরু করবো, আমার বাপজান মানে বাবা পিছন থেকে পিঠে এক ঘা বসিয়ে বললো, &quot;শোন্ দীপ্ত, মোড়ের দোকান থেকে এক দৌড় দিয়ে আমার জন্য একটা শার্প ব্লেড কিনে নিয়ে আয়। আমি শেভড্ হবো; আর এই নে দুই টাকা, এক টাকার ব্লেড কিনবি আর বাকি টাকার লজেন্স খাবি বুঝলি?&quot; আমি বুঝলাম!  শুধু বুঝলাম না দৌড় দিবো কেন! মোড়েই তো দোকান! হেঁটেই যাওয়া যাবে। অতএব আমি এখন হাঁটছি। ১৫-১৬ মিনিট দেরি না করে সোজা ব্লেড নিয়ে বাসায় এসে বাবাকে দিয়ে দিয়েছি। দোকানাদার আর আমাকে কোন বাকি টাকা দেয়নি! আবারো নিজের লেখার দিকে তাকালাম, শরীরের ঘাম হাত দিয়ে পড়ে লেখাটাকে ভিজিয়ে দিলো। ব্যস!  খাতায় লেখার অংশটুকু এখন চপচপ করছে।  এই পেইজ বাদ দিয়ে এখন ময়লার ঝুড়িতে ঠাই নিবে।

এবেলা আর কিছু লেখা হয়নি। দুপুরে ভরপেট খাওয়া শেষে বিছানায় গড়াগড়ি দিলাম। বিকেলের এলার্ম সেটিংসে দেওয়া ছিলো।  ঠিক সময়ে বেজে আমাকে মনে করিয়ে দিলো যে আমার হাঁটা এখনো শেষ হয়নি। লিখতে বসে গেলাম নতুন পেইজ এ, আমি হাঁটছি। খুব ভালো,  এরপরে কী লাইন লেখা যায় তাও মাথায় চলে আসলো, &quot;আমি হাঁটতে হাঁটতে প্রেমিকাকে কেবল ভাবছি।&quot; যেই ভাবা সেই কাজ। প্রেমিকা ন তে নগদ ফোন দিয়ে ব তে ব্যালেন্স বেশি নেই বলে আমাকে কল ব্যাক করতে বললো। প্রেমিকার কথা মাথা দিয়ে ভাবতে নেই, সঙ্গে সঙ্গে কাজ করতে হয়। ফোন দিলাম, প্রেমিকা বলে উঠলো, &quot;শোন, আমি নর্দান পার্কে তোমার জন্য অপেক্ষা করবো। বেশিক্ষণ লাগবে না আমার। তুমি আমার জন্য তাড়াতাড়ি বাদাম নিয়ে এসো। আর শোন দেরি করবা না, দরকার হলে দৌড়ে দৌড়ে আসবা।&quot; ও এই এককথা প্রায়ই বলে, দৌড়ে আসবা, দেরি করবা না। আমি বুঝি না দৌড়ে কেন যাবো! নর্দান পার্ক আমার বাসা থেকে ৩০-৪০ মিনিট দূরে হেঁটে গেলে, আমি বাসে গিয়ে পয়সা কেনো খরচ করবো! সুতরাং আমি হাঁটছি। আমার প্রেমিকা আবার বাদাম খুব পছন্দ করে। ওর সাথে দেখা করতে যাওয়া মানেই বাদাম নেওয়া বাধ্যতামূলক। কিন্তু কেনো যেনো ও মাএ দুখানা বাদাম নিয়ে বাকি সব আমায় দিয়ে দেয়। আমিও অত্যন্ত ক্লান্ত শরীরে দেদারসে বাদাম খেতে থাকি। মজাই লাগে! এমন প্রেমিকা সবার থাকা চাই! তার সাথে দেখা করতে গেলাম প্রায় পৌনে এক ঘন্টা পর। আমি হাঁপিয়ে ক্লান্ত। সে আমার চেহারা দেখে বললো, যাক আজকে  অন্তত তুমি তোমার দেরি করার বেঞ্চমার্ক ৫ মিনিট কমালে। আমি এই কথা শুনে খুব খুশি, সেও খুশি। হা..হা..হা.. দুজনেই খুব হাসলাম।  প্রেমিকার সাথে হাঁটতে  হাঁটতে গল্প-গুজব করে, কত প্রতিশ্রুতি, কত প্রণয় ভাব তৈরি করে বাসায় ফিরলাম হেঁটে হেঁটেই।

শরীর এখন অবসাদগ্রস্ত।  একটু ঘুমোতে পারলেই শান্তি। বিছানার পাশে পড়ার টেবিলে সেই খাতা এখনো খোলা। তাতে লেখা, &quot;আমি হাঁটছি। আমি হাঁটতে হাঁটতে কেবল প্রেমিকাকে ভাবছি।&quot; আরে দূরর..! সারাদিন তো হেঁটেই আসলাম। মনে মনে বললাম, &quot;মাফ করো, আমি এখন ঘুমোতে যাচ্ছি।&quot;

আমি হাঁটছি। চারপাশে আমার মতো  অনেক মানুষ হাঁটছে। মাথা নিচু, হাত সামনে এগুচ্ছে আর সাথে পা ও চলছে। ( দীপ্ত স্বপ্ন দেখছে..)

পরিশিষ্টঃ দীপ্ত এখনো হাঁটছে। তার সেই প্রেমিকা আর নেই। সময়ের পরিক্রমায় দীপ্ত বিয়ে করেছে । ২ বাচ্ছা সহ বউ নিয়ে সুখে-শান্তিতে থাকলেও এখনও হাঁটা কেই লক্ষ্য করে ফেলেছে। চর্বিযুক্ত মাংস আর কাঁটাযুক্ত মাছ দুটোই শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/7169/</link>
				<pubDate>Thu, 15 Apr 2021 13:43:55 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>★ছোটগল্প★<br />
~~আমি হাঁটছি~~</p>
<p>নতুন কিছু লেখার আশায় সুন্দর মলাট করার খাতায় প্রথম পৃষ্ঠায় লিখলাম, &#8220;আমি হাটছি..&#8221;<br />
এ মুহুর্তেই মা দরজায় এসে ব্যস্ত হাতে বললো, &#8220;শোন্ দীপ্ত, দৌড়ে বাজার থেকে গিয়ে ধইন্যা গুড়া,মরিচের গুড়ার প্যাকেট নিয়ে আয় তো। রান্না চুলোতে বসানো; ঢিমানি শুরু করলে রান্না পুড়বে, তোমাদের দুপুরের গলযোগও ঘুঁচবে, এই বলে দিলুম!&#8221; যাস্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-7169"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/7169/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>11</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2436657c59981ba2f73510dd854c6e3f</guid>
				<title>পুজন রায় changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/7168/</link>
				<pubDate>Thu, 15 Apr 2021 13:36:27 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>