<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | rurah_rutba | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/rutba/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/rutba/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for rurah_rutba.</description>
	<lastBuildDate>Mon, 15 Jun 2026 05:42:54 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">e7c3b4068d1f03e3e94819d18ecb688b</guid>
				<title>rurah_rutba and G M Harun Rashid are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/144439/</link>
				<pubDate>Thu, 08 Sep 2022 10:22:50 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d3c246f37525191a83d8252f3061cbfc</guid>
				<title>rurah_rutba changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/142822/</link>
				<pubDate>Sun, 04 Sep 2022 19:16:59 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4ecaa92d67dc29b1679e25e7af0a9c8b</guid>
				<title>★ সংশয় ★

সিট নম্বর C1, একটুর জন্য জানালার পাশের সিটখানা হাত থেকে ফসকে গেলো। তবে আমার পাশের সিট তখনও খালি। তাই বেশ আরাম করে জানালার পাশের সিটটাতেই বসে পড়লাম। বাস ছাড়তে আর বেশি দেরি নেই। সিট ছাড়তে হবে না ভেবে মনে মনে খুশিই হলাম..

বাস প্রায় চলতে শুরু করেছে, হঠাৎ এক তরুণ হন্তদন্ত হয়ে ব্যাগ কাঁধে বাসে উঠে পড়লো। সবাই উদ্বেগ প্রকাশ করার চেয়ে বিরক্তই বেশি হলো, আমি নিজেও! সময়ানুবর্তিতা না থাকলে যা হয় আর কি!

মহাশয় হাঁপাচ্ছেন আর সিট খুঁজছেন..
মহাশয়ের প্রতি বিরক্তি আরও বেড়ে গেলো যখন জানতে পারলাম তার সিট নম্বর C2!

জানার পরও চুপচাপ বসে রইলাম। একসময় মহাশয় আমার সিটের সামনে এসে দাঁড়ালেন। মনে দুঃখ আর মুখে হাসি নিয়ে তাকে অভ্যর্থনা জানালাম, সিটটা আমার ছাড়তেই হলো!

গন্তব্য পাঁচ-ছয় ঘন্টা দূরত্বের। পাশের সিটের মহাশয় নিরবতা ভেঙে হঠাৎ প্রশ্ন করলো,
-আপনি কি চট্টগ্রাম যাচ্ছেন?

আমি আমার চশমার কোণা দিয়ে তাকিয়ে এই মহাশয়ের নির্বুদ্ধিতা মাপার চেষ্টা করলাম, কারণ এই বাস সরাসরি চট্টগ্রাম যায়, অন্য কোথাও যাওয়ার প্রশ্নই আসে না.. তারপরও মুখে কৃত্রিম হাসি নিয়ে জবাব দিলাম, 
-জ্বি, চট্টগ্রাম যাচ্ছি..
ভারসাম্য রক্ষার্থে আমিও নির্বুদ্ধিতা প্রকাশ ঘটালাম.. উল্টো প্রশ্ন করে বসলাম..
-আপনি?
-জ্বি, আমিও..আমার খুব কাছের একজন বন্ধুর এক্সিডেন্ট হয়েছে, অবস্থা খুব একটা ভালো নয়, তাই তাড়াহুড়ো করে যাওয়া.. 
-আহা রে.. এক্সিডেন্ট কিভাবে হলো?
-অটোরিকশা তে ছিলো বন্ধু..উল্টো পাশ থেকে আসা নিয়ন্ত্রণ হারানো ট্রাক দুমড়ে মুচড়ে দেয় সবকিছু.. 
-সরাসরি হাসপাতালেই যাবেন? 
-হ্যাঁ.. 
-কোন হাসপাতালে?
-চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে.. 

আমাদের কথার ফুলঝুরি যেন খুলে গেলো, পরিবেশের নিরবতা ভেঙে টুকরো টুকরো। কথা বলতে বলতে জানলাম মহাশয় ঢাকাতেই থাকেন, সেখানেই পড়াশোনা করছেন।
এদিকে আমি চট্টগ্রামের মেয়ে..
ঢাকা চট্টগ্রাম নিয়ে বাসের ভিতরেই যেন বিতর্ক মঞ্চ গড়ে উঠলো। এরমধ্যে বাস থামলো, এত দ্রুত কুমিল্লা পৌঁছে যাবো তা ঘুণাক্ষরেও টের পাইনি। গল্পে শক্তি আছে বটে। মহাশয় বাস থেকে নেমে যাচ্ছে, আমাকে নামতে না দেখে জিজ্ঞেস করলো,
-যাবেন না?
না সূচক মাথা নাড়ালাম। তিনি একা নেমে গেলেন।

অল্প কিছুক্ষণ পরই মহাশয় ফিরে এলো, হাতে চিপসের প্যাকেট। প্যাকেট আমার দিকে বাড়িয়ে দিতেই আমি বলে দিলাম,
-বাবার বারণ, বাসে কেউ কিছু খেতে দিলে, খেতে হয় না..

মহাশয় ফিক করে হেসে দিলেন। নিরবে চিপস খাওয়ার অপচেষ্টা চালাতে লাগলেন।

বাস আবার চলছে, আগের চেয়ে দ্রুতবেগে। জানালার ঠান্ডা হাওয়া তীব্র হচ্ছে.. আমাদের গল্পরাও যেন ছুটছিলো তার চেয়ে দ্রুত গতিতে.. 

এদিকে রাস্তা খারাপ হওয়ার কারণে জ্যামে আটকে থাকতে হয়েছে বেশ কিছুক্ষণ। পৌঁছাতে পৌঁছাতে আমার ক্লাসের সময় ঘনিয়ে আসছে দেখে আমি হাঁসফাঁস করছি। আমার অস্থিরতা দেখে মহাশয় নিজের চশমা ঘুরিয়ে জিজ্ঞেস করলো, 
-কোনো অসুবিধা?
-আসলে হাতে সময় নিয়েই বেরিয়েছিলাম, কিন্তু এখন মনে হচ্ছে পৌঁছাতে পৌঁছাতে ক্লাসের সময় হয়ে যাবে..
-আচ্ছা..আচ্ছা.. লাশ কাটতে দেরি হয়ে যাচ্ছে তাহলে..
বলেই হাসতে লাগলেন তিনি। 

ভ্রু কুঁচকে তাকালাম আমি, 
-আপনি কিভাবে জানলেন?
-সঙ্গে বিশাল সাইজের বই, ব্যাগ থেকে বেরিয়ে যাওয়া স্টেথোস্কোপ.. আর কি হতে পারে?
খেয়াল হলো আমার হাতব্যাগ থেকে ভুলক্রমে স্টেথোস্কোপ পড়েই যাচ্ছিলো।
আমি হেসে দিলাম.. মেডিকেলে পড়ি এই কথাটি বলা হয়নি, অথচ উনি কিভাবে যেন বুঝে গেলো.. 
-আপনার কথার মধ্যে কিন্তু ভুল আছে, লাশ কাটতে যাচ্ছি না, কিভাবে কাটবে তা দেখতে যাচ্ছি..
-কথা কিন্তু একই; এটা বলেই খিলখিল করে হাসতে লাগলেন তিনি।
-কিভাবে বুঝলেন লাশঘরে যাচ্ছি?

প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে উল্টো প্রশ্ন ছুড়ে দিলো..
আমরা তো তাহলে একসাথেই যেতে পারি.. তাই না?

সম্মতি প্রকাশ করলাম.. কথা বলতে বলতে খেয়াল হলো আমরা অনেকটাই পৌঁছে গেছি।

ক্লাস শুরু হওয়ার আগেই এসে পড়লাম। মহাশয়ও নেমে পড়লো সাথে। রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে, বিদায় জানাতে গিয়ে বললাম,
-আপনার সাথে কথা বলে ভালো লাগলো..
হেসে উত্তর দিলেন তিনি,
-আমাদের তো আবার দেখা হবে.. 
অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলাম,
-কিভাবে?
-পৃথিবীটা তো গোল, কোনো না কোনোভাবে দেখা হয়েও যেতে পারে..
-তা অবশ্য ঠিক.. 
-আসি তাহলে.. ভালো থাকবেন..
-আপনিও ভালো থাকবেন..

বিদায় নিয়ে উল্টো দিকে ফিরে যেতেই খেয়াল হলো এই মহাশয়ের নামটা জানা হয়নি..

পেছন ফিরে দু&#039;জনেই একসাথে জিজ্ঞেস করে বসলাম,
-আপনার নামটা..?
হেসে দিলাম দু&#039;জনেই.. 

-হিমেল.. হিমেল চৌধুরী..
-অনুশী.. 

ক্লান্ত শরীরে &#039;অটোপসি&#039; ক্লাসে প্রবেশ করলাম। জরুরী কাজে ঢাকা যেতে হয়েছিলো, তাই বলে ক্লাস তো মিস দেয়া যায় না। বন্ধুবান্ধবদের দেখে সজীবতা ফিরে পেলাম.. 
লাশ নেই আপাতত..  ক্লান্ত শরীরে অপেক্ষা করলাম বেশ কিছুক্ষণ। হাল ছেড়ে দিবো ভাবতেই লাশ এসে হাজির। খাকি রঙের প্যাকেট মুড়োনো একটা লাশ। উৎসুক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকলাম সবাই। স্যারও এসে হাজির.. 

এদিকে ডোম ছুরি কাঁচি নিয়ে তৈরি, যেন মানুষ নয়, অপার্থিব কোনো কিছু ব্যবচ্ছেদ করবে।

নিয়ম অনুযায়ী ডোম লাশ কাটতে থাকা অবস্থায় স্যার এই মৃতব্যক্তির আদ্যোপান্ত পড়বেন। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো আমাদেরকে টুকে রাখতে হবে।

ডোম এসে খাকি রঙের প্যাকেট টা খুললো৷ মৃত ব্যক্তির চেহারা রক্তাক্ত কিন্তু তারপরও খুব পরিচিত মনে হচ্ছে। সংশয় এড়াতে সাহস করে সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম আমি। কালশিটে রক্তের দাগ ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে পুরো শরীরে। চশমার কাঁচ ভেঙে গেঁথে আছে কপালে। মুখে মুচকি হাসি। নিজের চোখ দু&#039;টোকে যেন বিশ্বাস করাতে পারছিলাম না। ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে আছি আমি। আমার দৃষ্টি ক্রমশ ঝাপসা হয়ে আসছে.. স্যার বলা শুরু করলো..

&quot; গতকাল রাত ১২টায় অটোরিকশায় থাকা অবস্থায় নিয়ন্ত্রণবিহীন ট্রাকের চাপায় নিহত হয়েছেন তিনি.. 
বয়স পঁচিশ, নাম হিমেল চৌ..ধু..রী..  বা..বা..র   না..ম.......&quot;

স্যার বলেই যাচ্ছে..
আবছা চোখে ভেসে উঠছে এই মহাশয়ের হাসিমুখে বলা &quot;ভালো থাকবেন&quot;.. 
বাকিটুকু আর শোনা হলো না.. আমার চোখে যেন রাজ্যের অন্ধকার নেমে এলো..

&#x1f940;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/142820/</link>
				<pubDate>Sun, 04 Sep 2022 19:13:55 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>★ সংশয় ★</p>
<p>সিট নম্বর C1, একটুর জন্য জানালার পাশের সিটখানা হাত থেকে ফসকে গেলো। তবে আমার পাশের সিট তখনও খালি। তাই বেশ আরাম করে জানালার পাশের সিটটাতেই বসে পড়লাম। বাস ছাড়তে আর বেশি দেরি নেই। সিট ছাড়তে হবে না ভেবে মনে মনে খুশিই হলাম..</p>
<p>বাস প্রায় চলতে শুরু করেছে, হঠাৎ এক তরুণ হন্তদন্ত হয়ে ব্যাগ কাঁধে বাসে উঠে পড়লো। সবাই উদ্বেগ প্রকাশ করার&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-142820"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/142820/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>