<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Sehran-Sowaiba | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/sehran-sowaiba/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/sehran-sowaiba/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Sehran-Sowaiba.</description>
	<lastBuildDate>Sun, 14 Jun 2026 08:22:13 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">4f6715c23d605425068d06a4bae83bd3</guid>
				<title>নি*ষিদ্ধ পল্লিতে বেশ হইচই পড়ে আছে।নি*ষিদ্ধ পল্লির ২ নং বাড়িটিতে একজন আ*ত্মহ*ত্যা করেছে।সাথে চিঠিও রেখে গিয়েছে একটি। 

আজ নিষিদ্ধ পল্লির ২ নং বাড়িটিকে বেশ জাকজমকপূর্ন করে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।আর কোন বড় সাহেব আসবেন নিজেকে তৃপ্তি দেওয়ার জন্য।কোনো এক মেয়ের সাথে তার প*শু*ত্বের পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য।তাই  ২ নং বাড়ির মানুষগূলো নিজের সর্বোচ্চ প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে নিজেদের সুন্দর করে তোলার,
নিজেদের আকর্ষণীয় ভাবে ফুটিয়ে তোলার।তারা নিতান্তই এইসব এ অভ্যস্ত। কিন্তু নতুন রমনি যে মোটেও প্রস্তুত না এইসবের জন্য।কেউ ওই দিকে দৃষ্টিপাত করলো না।হঠাৎ ২ নং বাড়িটির প্রধান কর্তী,একজন কে ধমক দিয়ে বললেন,
&quot;এই মাইয়াটারে কি তোমরা চোখে দেহ না! নতুন আইছে তাই কিছু পারিতেছে না।পরে অভ্যস্ত হয় যাইবো।তোমাদের উচিত মাইয়াটারে তৈয়র করি দেওয়া।&quot;
নতুন আগমিত রমনীকে সাজিয়ে তোলা হলো মেয়েদের নিত্য সাজানোর অলঙ্কার দিয়ে।মাথায় গুজে দেওয়া হলো আকর্ষণীয় গাজরা।চোখে লেপটে দেওয়া হলো গাঢ় কাজল।পরনে লাল পাইর সাদা শাড়ি। সব মিলিয়ে যেনো এক অপ্সরা।ওই বাড়ির মেয়েগুলো কেমন ফ্যল*ফ্যল করে তাকিয়ে থাকলো অনিমার দিকে। এতো সুন্দর মেয়ে তারা এই নিষিদ্ধ পল্লি তে মনে হয় কখনো দেখে নাই।অন্য মেয়েগুলো ও একসময় অনিমার মতোই নির্বাক ছিল।নি*ষিদ্ধ পল্লির সীমানাই কেউ নিজ থেকে আসতে চায় না।তাদের নিয়ে আসা হয়।হয়তো তাদের প্রয়োজন তাদের নিয়ে আসে।না হয় আবেগ।আর না হয় ঠকানো প্রেমিক।
অনিমাকে এইখানে নিয়ে আসার পর থেকেই সে নীরবে তার অ*শ্রু বিসর্জন দিয়ে যাচ্ছে যেনো কোনো অনন্তকাল প্রবহমান ঝর্না যা নিজের অজস্রতা বজায় রাখবে চিরকাল। সে নির্বাক।সৃষ্টিকর্তা তাকে সব দিক দিয়ে সুন্দর করলেও কেন জানি তার কথা বলার ক্ষমতা দেই নি।হ্যাঁ সে বোবা।কথা বলতে পারে না বলেই হয়তো সে চিৎকার করে বলতে পারছে না যে 
&quot;আমাকে যেতে দাও, এইখানে আমার দ*ম  আ*ট*কে যাচ্ছে&quot;।
এই আর্তনাদ যদিও অই বাড়ির কেউ শুনবে না।কারন তার পাশেই একটা মেয়ে চিৎকার করে আর্তনাদ করছে মুক্তি।তাকে বোধহয় অনিমার একদিন আগে আনা হয়েছে।ওই রমনিটার চিৎকার করা আর্তনাদ তারা শুনছে না তবে তারা কেমনে শুনবে অনিমার বুকে ব*ন্দী করা চাপা আর্তনাদ গুলো।

বড় সাহেবের আসার খবর শুনে সবাই হুর মুড়  খেয়ে বেড়িয়ে পড়লো। রুমে ব*ন্দী রয়ে গেলো অনিমার চাপা আর্তনাদ আর বন্দী নি অনিমা।সামনে ওড়না আর উপরে সিলিং ফ্যান টি তাকে বরাবরই আকর্ষণীয় করতে সক্ষম হয়েছিলো বলেই সে ওড়না টা গলায় দিয়ে নিজের জীবন বিসর্জন দিয়ে ছিল সে ফ্যান এর সাথে ঝু*লে।
একজন বে*শ্যা তাকে নিতে এসে নিজে আশ্চর্য হয়ে চিৎকার দিয়ে উঠে।তার চিৎকার সবাইকে জড় করতে সক্ষম। সবাই এসে দেখে,সেই সুদর্শনী ফ্যান এর সাথে ঝুলে আছে।পাশে রাখা চিঠিটি বড় কর্তীর দৃষ্টিকোণ থেকে বাদ পড়ে নিই।অনিমা কোনো এক সুযোগে বড় কর্তির কামরা থেকে কলম এনেছিল।আর সাথে একটি পৃষ্টা।চিঠি খুলতেই অক্ষর গুলো ভেসে উঠলো বড় কর্তীর চোখে।

&quot;প্রিয়.. 
আপনাদের কে কি আদোও আমার প্রিয় বলা উচিত না কি আমি জানি না।তাই কিছু লিখলাম না।
আমার চাপা আর্তনাদ গুলো হয়তো আমি আপনাদের কে বলতে সক্ষম হয়নি।তাই লিখে না হয় বলি।
আমি তো শতজনের ছোয়া চাইনি।শত মানুষের আদর চাই নি।চেয়েছিলাম শুধু একটিমাত্র ব্যক্তিগত নিজের মানুষ যে ব্যক্তিগত ভাবেই আমার থাকবে।যে একান্তই আমার, যাকে ঘিরে আমার শত আদর।কিন্তু আমার সাথে তা হলো না।আমার ভাগ্যে পড়লো শত মানুষের ছোয়া।এই ছোয়া আমি হয়তো সহ্য করতে পারবো না তাই ভাবলাম নিজেকেই শেষ করে দেই।

আমার আম্মুর যদি মৃত্যু না হতো তবে হয়তো আমিও একান্ত নিজের মানুষটা পেতাম।হয়তো সৎ মার ষড়*যন্ত্রের শিকার আমার হতে হতো না।তার টাকার মোহের জন্য হয়তো আমাকে এইখানে আসতে হতো না।
আমি তো মায়ের আদর চেয়েছিলাম।কোনো খারাপ কিছু চাইনি।বেশি কিছু চাইনি।

মা মা*রা যাওয়ার পর যখন আব্বু দ্বিতীয় বিয়ে করে তখন হয়তো বুঝিনি যে এইটাই আমার কাল হবে।আব্বু বেচে থাকতে সৎ মা টাও আমাকে মুটামুটি দেখতে পারতো।কিন্তু যখন বাবা মা*রা যায় তখনই ঘটে বিপর্যয়। সৎ মার টাকার লোভের জন্য ফে*সে গেলাম আমি আর আমার ভবিষ্যৎ। সেই দিনের লোকটা যে আমার জন্য বড় খারাপ তাতো আমি কখনোই বুঝিনি।বুঝলে হয়তো আমাদের জিবনে তাকে আসতে দিতাম না।মা(সৎ মা) তো বলে ছিলো তিনি আমার শুভকাঙ্ক্ষী।তার সাথে থেকে আমাকে ভালো যায়গায় লিখা পড়া করাবে আমার ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হবে। কিন্তু কই!তিনি তো আমাকে অন্ধকারের রাজ্যে ঠেলে দিলো।নিয়ে এলো এই বদনাম নগরীতে।তোমরাই বলো এই বদনাম নগরী থেকে কিভাবে লিখাপড়া করবো কিভাবে আমি নিজের নাম প্রতিষ্ঠা করবো।এইখানে তো কেবল এক নামেই পরিচিত।&quot;বে-শ্যা&quot;।
যখন কৈশোরকালে ছিলাম তখন আমার ছেলেমানুষী আচরণ বেড়ে উঠে ছিলো।তখনো আমার মনে হতো আমার একান্ত একজন হোক।কিন্তু আমার ছেলে মানুষী আচরণ যে খারাপ মানুষের চোখ ভে*দ করে যেতে পারলো না তা আমি ভালো ভাবেই বুঝেছি।আমার সাথে করা খারাপ আচরণ টের পেয়ে পরক্ষণেই সরে এসেছি।সেই আমি কিভাবে কাউকে আমার গায়ে হাত দিতে দিবো!
কিভাবে নিজের সেই কল্পনার একান্ত একজন ব্যতিত অন্য কারো স্পর্শে আসবো।আমিতো কখনোই পারবো না।তোমরা আমাকে মুক্তি দিবে না তা আমি ভালো ভাবেই বুঝতে পেরেছি।আমিও যে পড়েছি,নিষিদ্ধ পল্লির নিষিদ্ধহীন ঘটনা গুলো।আমিও যে পড়েছিলাম নিষিদ্ধ পল্লির সেই চিরচেনা গল্প গুলো।ওই গল্পগুলো আমাকে  বারেবারেই কাদাতে সক্ষম হতো। মেয়েগুলোর প্রতি দরদ মার ক্রমেই বেড়ে উঠতো।তাদের প্রতি হা-হু*তাশ করতাম তাদের জিবনি পড়ে।
আমিই কিনা সেই হা হু*তাশ এর, সেই দরদের সেই চাপা আর্তনাদ এর শিকার হলাম!।আমি এটা মেনে নিতে পারবো না।
তোমরা কি জানো!আমি তোমাদের নিয়ে শত প্রতিবেদন লিখতাম।তোমাদের আর্তনাদ গুলো কে আমি ফুটিয়ে তুলতাম।কিন্তু আমিই তোমাদের মধ্যে একজন হয়ে গেলাম!
তা যে আমি মেনে নিতে পারবো না।আমি আমার জীবনকে খুব ভালো বাসি।কিন্তু এমন জীবন পেলে আমি শতবার মরতেই ভালো বাসি।
ইতি 
না হওয়া একজন বে*শ্যা&quot;

 #এক_পৃষ্টা_চাপা_আর্তনাদ 
-সোয়াইবা</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/203063/</link>
				<pubDate>Sun, 16 Jul 2023 09:34:57 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নি*ষিদ্ধ পল্লিতে বেশ হইচই পড়ে আছে।নি*ষিদ্ধ পল্লির ২ নং বাড়িটিতে একজন আ*ত্মহ*ত্যা করেছে।সাথে চিঠিও রেখে গিয়েছে একটি। </p>
<p>আজ নিষিদ্ধ পল্লির ২ নং বাড়িটিকে বেশ জাকজমকপূর্ন করে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।আর কোন বড় সাহেব আসবেন নিজেকে তৃপ্তি দেওয়ার জন্য।কোনো এক মেয়ের সাথে তার প*শু*ত্বের পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য।তাই  ২ নং বাড়ির মানুষগূলো নিজের সর্বোচ্চ প&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-203063"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/203063/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">779826b28d4160028b219f0ed5991a6e</guid>
				<title>&quot;বয়স যখন ২০ ছুয়ে ছুয়ে।তখন ই বুঝতে পারলাম আমার মষ্তিষকে কিছু স্মৃতিরা বার বার উকি দিচ্ছে। ঠিক আমার সামনেই কচি বাচ্চাদের দল খেলায় মেতে উঠলো। পরনে তাদের একই ড্রেস।নেবিব্লু স্কার্টের উপর চেক চেক শার্ট পড়েছে খুখু মনির দল।আমার মাথায় যেই স্মৃতি গুলো উকি দিচ্ছিলো স্মৃতি গুলো ছিলো আমার স্কুল লাইফের।স্কুল লাইফ ছেড়ে এসেছি এই নিয়ে চারটা বছর হলো।তবুও যেনো স্কুল লাইফের অনুভুতি টা কোথাও খুজে পাওয়া যায় না।সেই অনুভুতি গুলো যেনো রয়ে গেলো স্কুলের করিডোরে,মাঠে,টিচার রুমের বারান্দায় পাশের ঘন্টাতে।তখন যেই কিশোরী আবেগ নিয়ে স্মৃতির পাতায় নতুন পৃষ্ঠা যোগ করতাম।এখন ব্যস্ততার কাছে হার মেনে আর নতুন স্মৃতি বানাতে পারছি নে।তবুও যেই স্মৃতি বানাতে যাই মা কেনো সেই পুরোনো স্কুলের স্মৃতি গুলোই যেনো পাল্লায় ভারী হয়ে আছে।পাশ থেকে কারো ডাক শুনে ভাবনার জগৎ থেকে ফিরে এসে আবার মন দিলাম এই ব্যস্ত শহরের ব্যস্ততার মাঝে।&quot; ব্যস্ততায় ভরা শহরে আছে শুধু সপ্ন গড়ার প্রতি আক্ষেপ।নেই কোনো ভাবান্তর।নেই কোনো আবেগ। নেই কোনো স্মৃতি। স্মৃতি থাকলেও তা বিজন মুর্তি। তবে স্কুল জীবনের স্মৃতি তে নেই কোনো স্বার্থপরতা, নেই কোনো সপ্ন হয়রান ভয়।

লেখিকাঃসোয়াইবা</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/158019/</link>
				<pubDate>Fri, 07 Oct 2022 13:52:18 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8220;বয়স যখন ২০ ছুয়ে ছুয়ে।তখন ই বুঝতে পারলাম আমার মষ্তিষকে কিছু স্মৃতিরা বার বার উকি দিচ্ছে। ঠিক আমার সামনেই কচি বাচ্চাদের দল খেলায় মেতে উঠলো। পরনে তাদের একই ড্রেস।নেবিব্লু স্কার্টের উপর চেক চেক শার্ট পড়েছে খুখু মনির দল।আমার মাথায় যেই স্মৃতি গুলো উকি দিচ্ছিলো স্মৃতি গুলো ছিলো আমার স্কুল লাইফের।স্কুল লাইফ ছেড়ে এসেছি এই নিয়ে চারটা বছর হলো।তবুও যেনো স্ক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-158019"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/158019/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>