<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | সেলেনা সাউথ | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/selena-south/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/selena-south/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for সেলেনা সাউথ.</description>
	<lastBuildDate>Thu, 18 Jun 2026 13:26:50 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">10a4b24c8c555a09a3769ebbc14180fa</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/141098/</link>
				<pubDate>Thu, 01 Sep 2022 10:51:12 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e429fc7c459f2521cd7943b2d3d25483</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/141095/</link>
				<pubDate>Thu, 01 Sep 2022 10:48:53 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4fbb60b7e9fa3553ac629f6ad71e667e</guid>
				<title>ছোট গল্পঃ পিপাসা
পায়ের গোড়ালী অবধি পানিতে ডুবিয়ে খুব টেরিয়ে টেরিয়ে আজ অবসর উদযাপন করছেন কাজী মেহরাব হোসেন। গতকাল অফিসের সবকিছু বুঝিয়ে দিয়ে দুটি ইসলামিক বই আর একখানা ছাতা উপহার নিয়ে বাসায় ফিরেছেন। নাহ, সরকারি বা আধা সরকারি কোন অফিস থেকে অবসর নেন নি তিনি, একখানা বহুতল ভবনের দারোয়ানের চাকরি করতেন বিগত এক দশক ধরে। বাড়িটা যখন তৈরী হয়, তখন তিনি ঠিকাদারের কেয়ারটেকার হিসাবে এখানেই কর্মরত ছিলেন। একের পর এক পরিবার উঠতে থাকে, তাদের সাথে সখ্যতা গড়ে ওঠে অল্প দিনেই। ঠিকাদারের কাজ ছেড়ে এখানেই রয়ে যান। বয়স তেমন হয়নি এখনও, অন্তত অবসর নেয়ার মত নয়ই। কিছুদিন থেকে নিজেই স্বেচ্ছা অবসরের কথা ভাবছিলেন।  সবকিছু থেকে মন উঠে গেছিল অনেকদিন আগে, প্রতিদিনের গেস্ট খাতায় নাম লেখা, আজ পানির মটর নস্ট তো আরেকদিন ইলেক্ট্রিক মিটারে গণ্ডগোল; আর ভাল লাগছিল না। মা মরা মেয়েটাকে নিয়ে দিনে একবেলা রেঁধে বেড়ে দুজনের সংসারটা বেশ চলছিল। বছর দুই হল মেয়েটা এলাকার এক বখাটে ছেলের সাথে পালিয়ে গেছে। মনে হচ্ছিল ওই দিনেই গলায় দড়ি দেয়। কিন্তু ছেলে মানুষের গলায় দড়ি ঠিক যেন যায় না। পত্রিকায় আসলে বেপারটা খুবই হাস্যকর হবে, এই চিন্তা করে আর সেই পথে আগায়নি হোসেন সাহেব। জি, এই নামেই এপার্টমেন্ট এর বাসিন্দারা ডাকতো তাকে। 
এক মাস হল, এক মালিক বিদেশ যাবে বলে এপার্টমেন্ট টা বিক্রি করে দিলেন। নতুন মালিককে এক পলক দেখেছিলেন পাশ থেকে। এর পর থেকেই অবসরের কথা ভাবছেন তিনি। তার মেয়ে জামাইয়ের খুব নামডাক হয়েছে শুনেছেন লোক মুখে। মেয়ে জেনে শুনে কেন এখানেই বাড়ী কেনার চিন্তা করেছে, তা আন্দাজ করতে পারেন হোসেন সাহেব। আগে ভাগেই তাই দুবছরের একক সংসারের একখানা চকি আর দুয়েকটা পাতিল বিক্রি করে দিয়ে গতকাল থেকে এই লেকের পাড়ে বসে আছেন। ছাতাটা বেশ কাজে লাগছে, রোদ পড়েছে বেশ। বই দুইটি দিয়ে দু প্যাকেট বাদাম কিনেছেন, তাই খেয়েছেন সারাদিন। পানির পিপাসা হচ্ছে অনেক, লেকের পানিটা টলটল করছে, কিন্তু খেতে কেমন অস্বস্তি হচ্ছে। বিকাল পেরিয়ে সন্ধ্যা, আরেকটু রাত বাড়ার অপেক্ষায়... খুব তেস্টা পেয়েছে। সমস্ত শরীর যেন রাতের অন্ধকারে ঝিক ঝিক করা পানির দিকে লোভাতুর চেয়ে আছে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/141093/</link>
				<pubDate>Thu, 01 Sep 2022 10:41:36 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ছোট গল্পঃ পিপাসা<br />
পায়ের গোড়ালী অবধি পানিতে ডুবিয়ে খুব টেরিয়ে টেরিয়ে আজ অবসর উদযাপন করছেন কাজী মেহরাব হোসেন। গতকাল অফিসের সবকিছু বুঝিয়ে দিয়ে দুটি ইসলামিক বই আর একখানা ছাতা উপহার নিয়ে বাসায় ফিরেছেন। নাহ, সরকারি বা আধা সরকারি কোন অফিস থেকে অবসর নেন নি তিনি, একখানা বহুতল ভবনের দারোয়ানের চাকরি করতেন বিগত এক দশক ধরে। বাড়িটা যখন তৈরী হয়, তখন তি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-141093"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/141093/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>