<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Shusanta kumar Nath | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/shusantanath/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/shusantanath/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Shusanta kumar Nath.</description>
	<lastBuildDate>Tue, 27 Oct 2026 20:40:08 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">7eae770e3a4853e46b3a08b9b14263df</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/180134/</link>
				<pubDate>Tue, 29 Nov 2022 03:50:20 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">cdf78d80ca7cee63680e6ed0cf7d131b</guid>
				<title>প্রতীক্ষা
লেখক : সুশান্ত নাথ
&quot;আপনি আমার মুনিয়াকে আমার কাছে ফেরত এনে দেন। আমার আর কিছু চাইনা। ওকে ছাড়া  আমি বাঁচতে পারবো না।&quot; মনির হোসেন কান্না জড়িত গলায় বলল সালাম সাহেবকে।
&quot;দেখ মনির, জোর করে কাউকে দিয়ে সংসার করানো যায় না।  মুনিয়া যদি তোমার সাথে সংসার করতে না চায় তাহলে আমি কি করতে পারি?&quot; সালাম সাহেব  মনিরকে বুঝালেন।
মনির হোসেন এর বাড়ি বকুলতলায়। ছয় বছর আগে মুনিয়াকে বিয়ে করে মামুদপুরে চলে আসে। বাড়ির সাথে সম্পর্ক নেই বলতে গেলে। বাবা মা নেই,  বড় এক ভাই আছে। সে সম্পর্ক রাখতে চায় না মনিরের সাথে। মনিরও আর সে ভাইয়ের সাথে জড়িয়ে থাকতে চায় নি। বকুলতলায় দুই শতকের পৈতৃক ভিটায় তার বড় ভাই বাস করে। মনির সেখানে যায় না। নিজের অংশ ভাইকে ছেড়ে দিয়েছে। 
মামুদপুরে মনির শ্বশুরবাড়িতেই থাকে স্ত্রী মুনিয়াকে নিয়ে। সে এখানে সিএনজি অটো রিক্সার ড্রাইভার। যা আয় করে তাতে সুখেই সংসার চলে যায়।  তার শশুর আজগর আলীর বয়স প্রায় বায়ান্ন বছর। শরীর স্বাস্থ্য খুব একটা ভালো নয়।  প্রায়ই অসুখ-বিসুখে ভুগেন।
আজগর আলীর দুই মেয়ে- মমতাজ আর মুনিয়া। মমতাজের বিয়ে দিয়েছেন জুরানপুরে। সে সেখানেই থাকে। মুনিয়া ছোট মেয়ে, বড় আদরের। তাই মুনিয়াকে বিয়ে দিয়ে বাড়িতে এনে রেখেছেন নিজের কাছে।  আজগর আলী রিক্সা চালান। ইদানিং শরীর খারাপ বলে নিত্যদিন রিক্সা চালাতে পারেন না। যেদিন শরীর একটু ভালো থাকে সেদিনই রিক্সা  নিয়ে বের হন। অন্যদিন বাড়িতে থাকেন। মনিরই সংসার চালায় শ্বশুর-শাশুড়িকে নিয়ে চার জনের ।
বেশ সুখেই কাটছিল মনিরের দিন। গাড়ি চালিয়ে রাত আটটা বাজতেই ঘরে ফিরে আসত দুহাত ভরে বাজার নিয়ে। ওর বউ মুনিয়া বাজার দেখে খুশি হত। মাছ তরকারি কুটাকাটা করে রান্না চাপাতে বসতো। মনির তখন রান্না ঘরে সামনে মোড়া পেতে বসে মুনিয়ার কাজ করা দেখত, তার সাথে গল্প করতো। মুনিয়াও স্বামীর গল্প শুনে খুশি হত। খুব সহজ সরল মানুষ মনির। খুব ভালোবাসে তাকে। অন্যান্য গাড়ির ড্রাইভার এর মত মদ খায় না, নেশা করে না,  বউয়ের সাথে ঝগড়া -মারামারি করে না। এজন্য মুনিয়া মনে মনে বেশ খুশি ছিল এমন ভালো স্বামী পেয়ে। 
কিন্তু সংসারে সুখ বড় ক্ষণস্থায়ী। এমন সুখের ঘরেও দুঃখে এসে হানা দেয়। মাঝে মাঝেই দুজনের মাঝে ঝগড়া হতে লাগলো।
 মামুদপুরে একটা সেলাই কারখানা চালু হয়েছে কিছুদিন আগে। তাতে পাড়ার বউ-মেয়েরা অনেকেই চাকরি করে বাড়তি কিছু আয়ের আশায়। কিছু টাকা বাড়তি আয় করতে পারলে সংসারটা একটু ভালোমতো চালানো যাবে। মুনিয়াও একদিন রাতে খেতে বসে মনিরকে জানায় তার মনের ইচ্ছার কথা। মনির সরাসরি তাকে না করে দেয়।  &quot;তোমার চাকরি করার দরকার নাই,  আমি তো ইনকাম করছি।&quot;
&quot;কিন্তু, আব্বার অবস্থাটা দেখেছো? আগের মতো রিক্সা চালাতে পারে না। সংসার খরচ, ওষুধের খরচ- এসবও তো কম নয়। আমি মেয়ে হয়ে কিছু করতে পারলে ওনার উপকার হবে।&quot;
&quot;তুমি কেন কষ্ট করবে? খরচ যা লাগে আমি ব্যবস্থা করে দেব।  উনারা আমার বাবা মায়ের মতন। ওনাদের ভরণ-পোশনের যা কিছু লাগে তা আমি ব্যবস্থা করব,  তুমি চিন্তা করো না।&quot;
&quot;তবু ও। তোমার একার আয়ে সবাই বসে বসে খাচ্ছি। তার উপর বাড়তি খরচের টাকাটাও তোমার কাছে হাত পেতে নিতে আব্বার সংকোচে লাগে। তাই আমি ঠিক করেছি -মেয়ে হয়ে আমি কিছু করব ওদের জন্য। আমি চাকরি করব।&quot; 
&quot;আব্বা কি মত দিয়েছেন?&quot;
&quot;হ্যাঁ, ওনার মত আছে।&quot;
অগত্যা মনির হোসেন মুনিয়ার কথা মেনে নেয়, যদিও মনে মনে সে এই বিষয়টা মেনে নিতে পারছে না। সে শুনেছে- বাড়ির বউ বাইরে চাকরি করতে গেলে স্বভাব বিগড়ে যায়, চরিত্র খারাপ হয়ে যায়। তার উপর মুনিয়া দেখতে সুন্দরী, অন্য লোকের কুনজর পড়তে দেরি হবে না।
মুনিয়া চাকরিতে ঢুকে যায়। মনির সারাদিন গাড়ি চালায়। কিন্তু তার মন পড়ে থাকে মুনিয়ার কাছে। &quot;কি করছে এখন? কেউ কি তাকে উত্ত্যক্ত করছে?  কেউ কি ফাঁদ পাতছে মুনিয়াকে পেতে? মুনিয়া নিজেকে ঠিক রাখতে পারবে তো? &quot;  এইসব নানা উদ্ভট চিন্তায় মনিরের মনটা অশান্ত হয়ে থাকে।
রাতে ঘরে ফিরে আসে তাড়াতাড়ি। মুনিয়ার চোখ মুখের ভাব লক্ষ্য করে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে। সেখানে কোন চিন্তা  বা পরিবর্তনের চিহ্ন দেখা যায় কিনা?  আগের মতই খায়-দায়,  গল্প করে। মুনিয়াকে কিছু বুঝতে দেয় না,  কিন্তু তার মনে একটা সন্দেহ তৈরি হয়।
মনিরের মনের অশান্তি কিছুতেই যায় না। সে নতুন একটা ফন্দি বের করে। মুনিয়ার ছুটির সময় হলে মনির সিএনজি টা  দূরে বন্ধ করে রেখে, গেটের বাইরে একটা চা দোকানে বসে আড়াল থেকে নজর রাখে মুনিয়ার উপর। ছুটির পর মুনিয়া অন্য মেয়েদের সাথে কথা বলতে বলতে চলে যায় বাড়ির দিকে।  মনিরও নিশ্চিত হয়ে আবার গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পড়ে। 
এমনি একদিন মনির দেখল মুনিয়া একটা অচেনা যুবকের সাথে হেসে হেসে কথা বলতে বলতে বেরিয়ে আসছে। দুজনকেই খুব খুশি খুশি মনে হচ্ছিল। পাশাপাশি হাঁটতে হাঁটতে একেকবার মুনিয়া হেসে গড়িয়ে পড়ে ওই যুবকের গায়ে। নিজের চোখকে  বিশ্বাস করতে পারছে না মনির। তার আশঙ্কাই সত্যি হলো !
রাতে বাড়ি ফিরে মনির মুনিয়াকে বিষয়টা জিজ্ঞেস করে। মুনিয়া প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে মনির যখন ওই যুবকের পোশাক-আশাক থেকে নিয়ে গড়ন পর্যন্ত সব পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বলে দিল, তখন মুনিয়া স্বীকার করল যে, সে ওই যুবকটার প্রেমে পড়েছে, তাকে ভালোবাসে।
মনির আর স্হির থাকতে পারলো না।  ঠাস করে একটা চড় মেরে দিল মুনিয়ার গালে। চড় খেয়ে মুনিয়া আহত বাঘিনীর মত গর্জন করে উঠলো। &quot;কোন সাহসে তুমি আমার গায়ে হাত তোলো?&quot;
&quot;তুমি আমার বউ। আমাদের সুখের সংসারে কেন অশান্তি আনতে চাইছ? মনির প্রশ্ন করে মুনিয়াকে।
&quot;ঝাটা মারি তোমার সংসারের মুখে ! মানুষ সংসার করে কেন বলতে পারো? শুধু শরীরের সুখের জন্য কেউ সংসার করে না। বাচ্চাকাচ্চা না থাকলে সংসারের পরিপূর্ণতা আসে না। তুমি তো এই ছয় বছরের সংসার জীবনে আমাকে একটা সন্তানও দিতে পারোনি। তোমার সেই মুরোদ নেই।&quot;
মনির চুপ করে থাকে। এ কথার কি জবাব দেবে সে জানে না। মেয়ে -জামাইয়ের ঝগড়া শুনে আজগর আলী  বাইরে আসেন। &quot;কি হয়েছে রে, মা?&quot; মেয়েকে প্রশ্ন করেন।
বাবাকে দেখে মুনিয়ার আরো একটু সাহস বেড়ে গেল। সে বলল, &quot; আব্বা, ও আমাকে মেরেছে। 
&quot;কেন?&quot;
&quot;আব্বা, ও আমাকে সন্দেহ করে। ছয়টা বছর ওর সংসার করলাম। একটা সন্তানের মুখ দেখাতে পারল না। আমার ও তো মা ডাক শুনতে ইচ্ছা করে। ওর সেই ক্ষমতা নাই। ওর সাথে আর আমি সংসার করতে পারব না। ওকে এই বাড়ি থেকে চলে যেতে বল।&quot;
মনির কিছু বলতে যাচ্ছিল। কিন্তু সে সুযোগ সে পেল না। ঘটনার আকস্মিকতায় সে বিমূঢ় হয়ে গেল। আজগর আলী ক্রোধে অন্ধ হয়ে মনিরের কলার চেপে ধরে। &quot; শয়তান! বদমাইশ! আমার বাড়িতে থেকে আমার মেয়ের গায়ে হাত তোলা? যাও, এখুনি আমার বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাও। আর কোনদিন এই বাড়িতে ঢোকার চেষ্টা করলে খুব খারাপ হয়ে যাবে।&quot; আজগর আলী কলার ধরে টেনে এনে মনিরকে বাড়ি থেকে বের করে দিলেন।  মনির কাঁদতে কাঁদতে বেরিয়ে এলো।
মনির এখন গাড়ি চালায়, হোটেলে খাওয়া দাওয়া করে, গ্যারেজে এক কোনায় শুয়ে থাকে। মনিয়ার জন্য তার ভালোবাসা অসীম। সে কিছুতেই মুনিয়াকে ভুলতে পারবেনা, তাকে ছেড়ে থাকতে পারবে না। মুনিয়াকে ফিরে পেতে সে মেম্বার সালাম সাহেবের কাছে যায়, তার কাছে আর্জি জানায়। সালাম সাহেবের প্রবোধ বাক্য মনিরকে সান্তনা দিতে পারল না।
&quot;মেম্বার সাহেব, আপনি মুরুব্বি মানুষ। আপনি আমার শশুরকে একটু বুঝান। আপনি বুঝালে ওরা বুঝবে।&quot;
&quot;তোমাকে যখন বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে, তার মানে ওরা তোমার সাথে সম্পর্ক রাখতে চাইছে না। ওই মেয়ে তোমার সাথে সংসার করবে না বলেছে যখন,  তখন তুমি আর ওর আশায় থেকে কি করবে? তুমি ওকে ছেড়ে দাও,  নতুন করে সংসার করো গিয়ে।&quot;
&quot;না, মেম্বার সাহেব। আমি ওকে কিছুতেই ছাড়বো না। আমি ওর জন্য প্রতীক্ষা করবো-যতদিন ওর মোহ না কাটে। আমার বিশ্বাস সে একদিন আমার কাছে ঠিক ফিরে আসবে।&quot;
&quot;এই পাগলকে কে কি বুঝাবে?&quot; মেম্বার সালাম সাহেব একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়লেন।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/180130/</link>
				<pubDate>Tue, 29 Nov 2022 03:45:41 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> প্রতীক্ষা<br />
লেখক : সুশান্ত নাথ<br />
&#8220;আপনি আমার মুনিয়াকে আমার কাছে ফেরত এনে দেন। আমার আর কিছু চাইনা। ওকে ছাড়া  আমি বাঁচতে পারবো না।&#8221; মনির হোসেন কান্না জড়িত গলায় বলল সালাম সাহেবকে।<br />
&#8220;দেখ মনির, জোর করে কাউকে দিয়ে সংসার করানো যায় না।  মুনিয়া যদি তোমার সাথে সংসার করতে না চায় তাহলে আমি কি করতে পারি?&#8221; সালাম সাহেব  মনিরকে বুঝালেন।<br />
মনির হোসেন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-180130"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/180130/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6b6b093763a2e0e1ff63f43c9aafa5b1</guid>
				<title>অনু কাহিনী 
ভালোবেসে ভিখারী 
অনেকদিন পর নিজের হাতে বাজার করার জন্য হাঁটতে হাঁটতে বাজার দিকে চলে গেলাম। আমি নিজের হাতে বাজার করা ছেড়ে দিয়েছি। ওসব ঝামেলা গিন্নিই সামলায়।
বাজারের মুখেই এক ভিখারী কে দেখে চমকে উঠলাম।  ভিখারীটাকে চেনা চেনা মনে হচ্ছে। কাছে গিয়ে ভালো করে দেখলাম।  আরে! এতো আমার ছোট বেলার বন্ধু রাসেল। মাথায় চুলগুলো এলোমেলো হয়ে আছে, ভালো করে গোসল  করেনি মনে হয় কয়েকদিন। পরনে মলিন কাপড়, উদ্ভ্রান্ত দৃষ্টি। আমি তার কাছে গিয়ে বসলাম। তার কপালের কাছে  বাঁ চোখের  ঠিক উপরে একটা কাটা দাগ ছিল। সেই দাগটাই তাকে চিনতে দেরি করতে দিল না। ছোটবেলায় যখন স্কুলে পড়ি তখন আমার সাথে একদিন হাতাহাতি করতে গিয়ে স্কেলের আঘাতে তার কপালটা কেটে গিয়েছিল। সেই কাটাদাগ  এখনো আছে। সাথে তার বুদ্ধিদীপ্ত চোখ দুটি।
আমি জিজ্ঞেস করলাম, &quot; তুই রাসেল না ?&quot;
সে যেন একটু অবাক হলো। আমার দিকে তাকিয়ে বলল, &quot; চিনলাম না তো!&quot;
&quot;আমি তোর ছোটবেলার বন্ধু অমল। মনে আছে?  আমার স্কেলের আঘাতে তোর কপালটা কেটে গিয়েছিল?&quot;
সে কিছুক্ষণ যেন কিছু চিন্তা ভাবনা করলো। স্মৃতির পাতা উল্টে দেখছে আমার নাম কোথাও লিখা আছে কিনা।  তারপর মনে হতেই আমাকে বললো,  &quot;হ্যাঁ, এবার চিনতে পেরেছি।  কেমন আছিস?&quot;
আমি বললাম, &quot; আমি তো ভালো আছি;  তোর এই অবস্থা কেন?&quot; 
&quot;আমার কথা আর কি বলবো ভাই? সবই কপালের দোষ। ভালোবেসে আমি আজ ভিখারী।&quot;
ফিটফাট পোশাক পড়ে আমাকে একজন ভিখারীর পাশে বসে থাকতে দেখে আশেপাশে কিছু কৌতুহলী লোক দেখতে লাগলো।  তখন আমি রাসেলকে  নিয়ে কিছুটা দূরে একটা চা দোকানের পাশে গিয়ে বসলাম। তারপর জিজ্ঞেস করলাম, &quot; আমাকে একটু খুলে বল কি হয়েছে তোর?&quot;
সেখানেও কয়েকজন লোক আমাদের দেখতে লাগলো। রাসেল তার জীবন কাহিনী শোনাল। বড় দুঃখ হল তার জন্য। তার কথা অনুযায়ী যা জানলাম সেটা হচ্ছে- 
সে একটা মেয়েকে খুব ভালোবাসতো। মেয়েটা সুন্দরী, কিন্তু এতটা লোভী ছিল সে বুঝতে পারেনি। তার প্রতিদিনই কিছু না কিছু চাই উপহার হিসেবে। তার সেই চাওয়া পূরণ করত রাসেল, বিভিন্নভাবে। তার এই চাওয়া একসময় বেড়ে গেল। রাসেল ও তার প্রেমে এতটা ডুবে ছিল, ভালো মন্দ বোধ বুদ্ধি ও উধাও হয়ে গেল। একদিন তার আবদার পূরণের জন্য  রাসেল তার মায়ের গয়না গুলো সব চুরি করে নিয়ে গেল। সমস্ত গয়না সে মেয়েটার হাতে তুলে দিল।
এদিকে গয়না চুরির ব্যাপারটা জানতে পেরে বাবা-মা তাকে ত্যাজ্য পুত্র করে। পুলিশে কমপ্লেইন করে তাকে থানায় পাঠিয়ে দেয়। তার জেল হয়ে গেল। কয়েক বছর জেল খেটে বেরিয়ে সে দেখল সেই মেয়েটি আর নেই। তখন তার আর কিছুই করার ছিল না। মেয়েটি অন্য জায়গায় বিয়ে করে চলে গেছে।
 তার মত জেলখাটা আসামীকে কেউ কাজও দেয় না,  বাড়িতেও জায়গা নেই। এখন তার পথে পথে ঘুরে ভিক্ষা করা ছাড়া আর কোন উপায় নেই। সত্যিই সে ভালবেসে এখন ভিখারী। 
তার কথাগুলো শুনে খুব কষ্ট হল। আমার কিছু করার মত নেই। পকেট হাতিয়ে ৫০০ টাকার একটা নোট পেলাম। সেটা তার হাতে দিয়ে চুপিচুপি ফিরে এলাম বাড়িতে- বাজার না করেই।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/174085/</link>
				<pubDate>Fri, 11 Nov 2022 11:11:42 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অনু কাহিনী<br />
ভালোবেসে ভিখারী<br />
অনেকদিন পর নিজের হাতে বাজার করার জন্য হাঁটতে হাঁটতে বাজার দিকে চলে গেলাম। আমি নিজের হাতে বাজার করা ছেড়ে দিয়েছি। ওসব ঝামেলা গিন্নিই সামলায়।<br />
বাজারের মুখেই এক ভিখারী কে দেখে চমকে উঠলাম।  ভিখারীটাকে চেনা চেনা মনে হচ্ছে। কাছে গিয়ে ভালো করে দেখলাম।  আরে! এতো আমার ছোট বেলার বন্ধু রাসেল। মাথায় চুলগুলো এলোমেলো&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-174085"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/174085/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">73f6dbc72d2b07b77b07618247f04462</guid>
				<title>বৈদ্যনাথের প্রেসক্রিপশন    
ডাঃ সুশান্ত নাথ 
শোনো শোনো রোগী যত, শোনো দিয়া মন,
কিছু দরকারি ওষুধের কথা করিব বর্ণন।
Napa, Ace,  Expa  খেতে পারো সবে,
যখন দেখিবে গায়ে জ্বর জ্বর ভাব হবে।
জ্বর যখন বেশি হবে-  ১০২° ছাড়াবে,
Napa / Ace এর ডুস্ তখন মলদ্বারে দিবে।
বাড়াবাড়ি হলে পরে- আর দেরি নহে, 
ডাক্তারের কাছে যাও বৈদ্যনাথ কহে।
মাথা ব্যাথা হলে তোমরা Tufnil  খাও,
Imigra/ Norium খেতে পারো যদি চাও।
পেট ব্যাথা হলে  Nospa  আছে হাতে, 
Algin/ Viset খাবে তলপেটের ব্যথাতে।
সর্দি-কাশি কিংবা চুলকানি হলে,
Alcet বা Fexofen খাওয়া চলে। 
যদি দেখো বুক জ্যাম গ্যাস ভরা পেটে,
Entacyd  চুষে চুষে খাও হেঁটে হেঁটে।
চুকা ঢেঁকুর বা বুক জ্বালা হলে পরে,
Sergel  খেয়ে নাও চোখ বন্ধ করে।
যদি দেখো পেট ফাঁপা পায়খানা কষা, 
Simethicon, সাথে Magnamilk একেবারে খাসা। 
পড়ে গিয়ে, ছড়ে গিয়ে ব্যথা পায়ে হাতে,
Zeropain আছে জেনো, দন্ত শূল ও সাথে। 
উঠিতে বসিতে ব্যথা- হাঁটু -কোমর- পিঠে,
Ternilla, Flexi বা Zolfin ভালো  খাটে।
স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলো বৈদ্যনাথ কহে,
ডাক্তার ছাড়াও তুমি সুস্থ রবে তাহে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/173402/</link>
				<pubDate>Wed, 09 Nov 2022 04:05:07 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বৈদ্যনাথের প্রেসক্রিপশন<br />
ডাঃ সুশান্ত নাথ<br />
শোনো শোনো রোগী যত, শোনো দিয়া মন,<br />
কিছু দরকারি ওষুধের কথা করিব বর্ণন।<br />
Napa, Ace,  Expa  খেতে পারো সবে,<br />
যখন দেখিবে গায়ে জ্বর জ্বর ভাব হবে।<br />
জ্বর যখন বেশি হবে-  ১০২° ছাড়াবে,<br />
Napa / Ace এর ডুস্ তখন মলদ্বারে দিবে।<br />
বাড়াবাড়ি হলে পরে- আর দেরি নহে,<br />
ডাক্তারের কাছে যাও বৈদ্যনাথ কহে।<br />
মাথা ব্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-173402"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/173402/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>