<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Smsadek__ | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/smsadek__/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/smsadek__/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Smsadek__.</description>
	<lastBuildDate>Thu, 23 Jul 2026 21:39:20 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">48e96c2cfb27d05a0c625fe4ccc84ddd</guid>
				<title>অদ্ভুত ঈদ অনুভূতি 
​গত রাতে খুব একটা ঘুম হয়নি। মনে একটাই ভাবনা জমেছিল—আকাশটা ভালো হবে কিনা, নামাজটা ঠিকঠাক মসজিদে গিয়ে আদায় করতে পারব কিনা। একঝাঁক এলোমেলো ভাবনা যেন আমার ঘুম কেড়ে নেওয়ার প্রতিযোগিতায় নেমেছিল। 
আসলে, প্রকৃতির আকাশের সাথে আমাদের মনের আকাশের এক গভীর বন্ধন আছে, তাই না? 
আর ঘুমই বা কীভাবে আসত! দুদিনের টানা বৃষ্টিতে রাতে বেশ একটা হালকা ঠান্ডা ভাব ছিল। 
মুরুব্বিদের সেই প্রবাদটাই মনে পড়ে গেল—&quot;মাঘের শীত থেকে মেঘের শীত নাকি বেশ গায়ে লাগে।&quot;
​শেষমেশ সব ভাবনার রেশ কাটিয়ে কখন যে ঘুমে বিভোর হয়ে গিয়েছিলাম, বুঝতেই পারিনি। আমার বাসার ঠিক কাছেই মসজিদ  থেকে কানে ভেসে এল ফজরের মধুর আজানের ধ্বনি—&quot;আল্লাহু আকবর...&quot;।

 এত সুন্দর আর পবিত্র সুর শোনার পর কি আর ঘুমিয়ে থাকা যায়? আলহামদুলিল্লাহ, পরিবারের সবাই মিলে তখনই নামাজের প্রস্তুতি, 
​গত শুক্রবার ইমাম হুজুর কড়া নির্দেশ দিয়েছিলেন—সকাল ঠিক ৭টায় ঈদের নামাজ শুরু হবে। ফজরের পর আর ঘুমানো যাবে না! হুজুরের সেই নিষেধাজ্ঞা যেন এক মিষ্টি ‘ইসলামিক হুমকি’র মতো কাজ করল। তাই ঘুমানোর আর কোনো সুযোগই ছিল না।

​যথারীতি নতুন পাঞ্জাবি পরে টুপি আর জায়নামাজ নিয়ে, গায়ে একটু সুগন্ধি মেখে মসজিদের দিকে পা বাড়ালাম। মুখে তখন গুঞ্জন—&quot;আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর, ওয়া লিল্লাহিল হামদ।&quot;

​মসজিদে যাওয়ার পথে তাকিয়ে দেখি, ঢাকার আকাশে আজ ঝলমলে রোদ্দুর! মেঘ কেটে গিয়ে চারপাশ শ্বেত-শুভ্র আর নীলে নীলাভ হয়ে আছে। 
 মনে মনে ভাবলাম, সত্যিই তো, এত ঝড়-বৃষ্টির কথা আকাশ কি আর মনে রাখে? প্রকৃতি আমাদের ভালোবাসে বলেই হয়তো আজ এত সুন্দর একটা সকাল উপহার দিয়েছে।
এবার ঈদের অনুভূতি রোদের আকাশে অন্ধকার বৃষ্টি, আমার চার দেয়ালের মজবুত দেয়াল, আমার ডাক্তার মেয়েটির জন্য সে বরের সঙ্গে ঈদ করছে তার নিজ গৃহে, তাই সবার মনে আজ মেঘের কালো ছায়া জমে আছে,
​তার পর ও সকালে মনের ভেতর কতশত অনুভূতি জাগছে, তা আসলে ভাষায় প্রকাশ করার মতো গুছিয়ে ওঠা কঠিন। তবু এই আলোঝলমলে দিনে, প্রিয়জনদের সাথে ফোনালাপ, ফেইসবুকে পোস্ট  আর আমার দুই রাজকন্যা পাশে থাকা মিলিয়ে মনের আকাশটাও আজ আনন্দে ভরে উঠেছে। 
সবাইকে ঈদ মোবারক! &#x1f319;&#x2728;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/252254/</link>
				<pubDate>Thu, 28 May 2026 07:25:02 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অদ্ভুত ঈদ অনুভূতি<br />
​গত রাতে খুব একটা ঘুম হয়নি। মনে একটাই ভাবনা জমেছিল—আকাশটা ভালো হবে কিনা, নামাজটা ঠিকঠাক মসজিদে গিয়ে আদায় করতে পারব কিনা। একঝাঁক এলোমেলো ভাবনা যেন আমার ঘুম কেড়ে নেওয়ার প্রতিযোগিতায় নেমেছিল।<br />
আসলে, প্রকৃতির আকাশের সাথে আমাদের মনের আকাশের এক গভীর বন্ধন আছে, তাই না?<br />
আর ঘুমই বা কীভাবে আসত! দুদিনের টানা বৃষ্টিতে রাতে বেশ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-252254"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/252254/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2a0f9be27435e483196b039c34daaf53</guid>
				<title>ঈদে ঘরে ফেরা — ঘরবিহীন মানুষের গল্প
ঈদে ঘরে ফেরা — কথাটা শুনলেই অনেকের বুকে আনন্দের ঢেউ ওঠে। কিন্তু আমার কাছে এটা যেন এক মিষ্টি দুঃস্বপ্ন।
সাতাশ বছর আগের কথা। মেয়েদের ভালো পরিবেশে মানুষ করার স্বপ্ন বুকে নিয়ে একদিন ঘর ছেড়েছিলাম। ভেবেছিলাম, একদিন ফিরব। কিন্তু সেই ফেরা আর হয়ে ওঠেনি। জীবন তার নিজের মতো করে এগিয়ে গেছে, আর আমি পেছনে ফেলে এসেছি নিজের শিকড়।
বাবার ভিটেমাটি ছিল। আস্তে আস্তে সেটাও হাতছাড়া হয়ে গেল। বাবা জীবিত থাকতেই কিছুটা বিক্রি হয়ে গেল। আর যেটুকু অবশিষ্ট রইল, সেটা ভাগ হয়ে গেল নয় ভাই-বোনের মধ্যে। এতটুকু ভাগে থাকার জায়গা নেই, তাই এখনো ভাড়া বাসায় দিন কাটাতে হয়।
তবু বলি — বাড়ি নেই বলে দুঃখ নেই। এই পৃথিবীতে কোটি মানুষ আছে যাদের নিজের বলে কোনো ছাদ নেই, তবু তারা হাসিমুখে দিন পার করে। আমিও তাদেরই একজন।
এগুলো আমার বাস্তব জীবনের গল্প, আমার বুঝার চল্লিশ বছরের টুকরো টুকরো স্মৃতি, ঈদে, ঈদগাহে দলবেঁধে নামাজ পরতে যা-ও য়া, কত পরিচিত মানুষের চেহারা, অনেক অদেখা মুখ গুলো জড়ো হয় ঈদগা ময়দানে, 
মাইকে স্থানীয় এমপি সহ মুরব্বিদের বক্তব্য, হুজুরের কোরবানির দিক নির্দেশ কানে আসে না, নামজ শেষে কোলাকুলি  হৃদয়ে আজ যন্ত্রণা শুধু। 
কোরবানি দেওয়ার ফরজ কাজটি আমার হয়ে ওঠেনি, তার পর ও ভাই-বোন আত্মীয়দের কোরবানি দেখার আনন্দ মনে মিশে আছে। 
শুধু একটাই কষ্ট মনের গভীরে চাপা পড়ে থাকে — ঈদের দিনে সবাই যখন ঘরে ফেরে, আমার ফেরার কোনো ঘর নেই।
জীবনে অনেক কিছু পাইনি, অনেক স্বপ্ন অধরাই রয়ে গেছে। কিন্তু একটি স্বপ্ন আমি আর আমার গৃহিণী মিলে বুকের গভীরে লালন করেছিলাম — তিন মেয়েকে লেখাপড়া শিখিয়ে আলোকিত ও মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা।
আজ সেই স্বপ্ন বাস্তবতা জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া। কোনো সম্পদ, কোনো বাড়িগাড়ি এই আনন্দের সমকক্ষ নয়।
নিজের ঘর নেই, ভিটেমাটি নেই — তবু মনে কোনো অভাব নেই। কারণ এই তিন মেয়ে আমার মনের ভেতর এক অটুট বাড়ি বানিয়ে রেখেছে। আর সেই বাড়িতে প্রতিটি মুহূর্ত কাটে আনন্দে, ভালোবাসায়, বেঁচে থাকার অফুরন্ত অনুপ্রেরণায়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/252078/</link>
				<pubDate>Wed, 27 May 2026 14:54:29 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ঈদে ঘরে ফেরা — ঘরবিহীন মানুষের গল্প<br />
ঈদে ঘরে ফেরা — কথাটা শুনলেই অনেকের বুকে আনন্দের ঢেউ ওঠে। কিন্তু আমার কাছে এটা যেন এক মিষ্টি দুঃস্বপ্ন।<br />
সাতাশ বছর আগের কথা। মেয়েদের ভালো পরিবেশে মানুষ করার স্বপ্ন বুকে নিয়ে একদিন ঘর ছেড়েছিলাম। ভেবেছিলাম, একদিন ফিরব। কিন্তু সেই ফেরা আর হয়ে ওঠেনি। জীবন তার নিজের মতো করে এগিয়ে গেছে, আর আমি পেছন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-252078"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/252078/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>