<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | SUMON CHAKMA | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/sumon93/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/sumon93/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for SUMON CHAKMA.</description>
	<lastBuildDate>Thu, 11 Jun 2026 07:49:57 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">6fe32bc04e07434a6d40505a94206359</guid>
				<title>পাহাড় খেকো&quot;
&#x270d;&#xfe0f; সুমন
এই পাহাড়খেকো!!!
তোমাদের কি একটু ও লজ্জা নেই?
অন্যের পাহাড়কে নিজের করে দেখো!
তোমাদের কি একটু ও আত্মসম্মানবোধ নেই?
যে,তোমরা জন্ম হওয়া ১১ দিনের শিশুকে কষ্ট দাও!
তোমাদের কি একটু ও মনুষ্যত্ববোধ নেই?
যে, তোমরা অন্যের বেঁচে থাকার অবলম্বন কে পুড়িয়ে ছাই করে দাও।
তোমাদের কি একটু ও মায়া-মমতা নেই?
যে,পাখির ছানা থেকে মাকে কেড়ে নাও!
যদি তোমাদের মায়া-মমতা,লজ্জা,আত্মসম্মানবোধ
মনুষ্যত্ববোধ থেকে থাকে!
তাহলে,,!
আমাদের জায়গায় নিজেকে বসিয়ে দেখুন।
এরকম মানবেতর জীবন কতকষ্টের 
উপলব্ধি করতে পারবে।
উপলব্ধি করতে পারবে আমাদের বুকের জ্বালা;
মা হারা পাখির ছানার কষ্টের ব্যাথা।
উপলব্ধি করতে পারবে জুমের,
পোড়া গন্ধে দগ্ধ হওয়া বুকের ব্যথা।
কিন্তু তোমাদের!
সেই লজ্জা,সেই আত্মসম্মানবোধ,সেই মনুষ্যত্ববোধ;
সেই মায়া-মমতা কিছু নেই!!!
তোমরা হলে দানবের মতো!
তাইতো বলি,তোমাদের আমি,,,,
&quot;পাহাড় খেকো&quot;
যে পাহাড় ধ্বংস করে!!!!!!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/157730/</link>
				<pubDate>Fri, 07 Oct 2022 02:05:59 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>পাহাড় খেকো&#8221;<br />
&#x270d;&#xfe0f; সুমন<br />
এই পাহাড়খেকো!!!<br />
তোমাদের কি একটু ও লজ্জা নেই?<br />
অন্যের পাহাড়কে নিজের করে দেখো!<br />
তোমাদের কি একটু ও আত্মসম্মানবোধ নেই?<br />
যে,তোমরা জন্ম হওয়া ১১ দিনের শিশুকে কষ্ট দাও!<br />
তোমাদের কি একটু ও মনুষ্যত্ববোধ নেই?<br />
যে, তোমরা অন্যের বেঁচে থাকার অবলম্বন কে পুড়িয়ে ছাই করে দাও।<br />
তোমাদের কি একটু ও মায়া-মমতা নেই?<br />
যে,পাখির ছানা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-157730"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/157730/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a4a028157855908cc6be26b348f6c969</guid>
				<title>&quot;জেগে ওঠো আদিবাসী&quot;
____সুমন
জেগে ওঠো আদিবাসী সকলে,
মোদেরই অধিকার কাড়তে হবে।
যে যেভাবে পারো, জেগে ওঠো;
তোমরাই আদিবাসী সকলে।।

প্রতিবাদ করো লেখায় লেখায়,
অধিকারের কথা তোলো বইয়ের পাতায়।
ছড়িয়ে দাও বিশ্বব্যাপী, ছড়িয়ে দাও
আমরাই আদিবাসী,আমরাই আদিবাসী।

গলা ছেড়ে বলো অধিকারের কথা,
মোরা আদিবাসী বৈচিত্র্যে ভরা।
ভাষা, বর্ণমালা,রীতি-নীতি, সংস্কৃতি
পোশাক-আশাক আছে আমাদের সবই।
আমরাই আদিবাসী,আমরাই আদিবাসী।
____________________________________</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/157728/</link>
				<pubDate>Fri, 07 Oct 2022 02:00:54 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8220;জেগে ওঠো আদিবাসী&#8221;<br />
____সুমন<br />
জেগে ওঠো আদিবাসী সকলে,<br />
মোদেরই অধিকার কাড়তে হবে।<br />
যে যেভাবে পারো, জেগে ওঠো;<br />
তোমরাই আদিবাসী সকলে।।</p>
<p>প্রতিবাদ করো লেখায় লেখায়,<br />
অধিকারের কথা তোলো বইয়ের পাতায়।<br />
ছড়িয়ে দাও বিশ্বব্যাপী, ছড়িয়ে দাও<br />
আমরাই আদিবাসী,আমরাই আদিবাসী।</p>
<p>গলা ছেড়ে বলো অধিকারের কথা,<br />
মোরা আদিবাসী বৈচিত্র্যে ভরা।<br />
ভাষা, বর্ণমালা,রীতি-নীতি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-157728"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/157728/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a227a134354b2be4158ffc586c2b0763</guid>
				<title>একটি গল্প,,,,,,
&quot;পজ্জঙ&quot;(গল্পগুজব)
&#x270d;&#xfe0f;সুমন চাঙমা
একদিন কলেজ ছুটি পেয়ে,তাড়াতাড়ি বাসায় এসে ব্যাগ গোছাতে শুরু করলাম। তারপর ব্যাগ গোছানো শেষে,অনেক হাসি খুশি মনে আমার মাকে ফোন করলাম। মাকে ফোন করে বললাম...মা আমি আজ রাত আটটার বাসে উঠবো! আমি বাড়িতে আসবো,আমরা কলেজ ছুটি পেয়েছি।তারপর রাত সাড়ে ছয়টায় রাতের খাবার রান্না করলাম। সাতটায় খাওয়া-দাওয়া শেষ করে চার তলা থেকে লাগেস্ট হাতে নিয়ে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামছিলাম,,,ঠিক সেই সময় মোবাইলের রিং বাজতে লাগলো। মোবাইলটা বের করে দেখলাম বাবার ফোন! বাবাকে বললাম,,, বাবা আমি বেরিয়ে পড়েছি, তোমরা চিন্তা করো না!কাল সকালে বাস স্টেশনে পৌঁছলে আমি তোমাদের ফোন করবো। তারপর রওনা দিলাম ঢাকার গুলশান থেকে আমার জন্মভূমি খাগড়াছড়িতে। তারপর কিছুক্ষণ পর বাস স্টেশনে পৌঁছালাম। রাত 8 টা 10 মিনিটে বাসে উঠলাম।বাসে জানালার পাশে একটি সিটে বসে পড়লাম তারপর কিছুক্ষণ মোবাইল ঘাটাঘাটি করে , ব্যাগ থেকে এয়ার ফোন বের করে গান শুনতে লাগলাম। গান শুনতে শুনতে আমার মনে শুধু একটাই চিন্তা ভাবনা যে,, কখন বাড়িতে পৌঁছাবো!এসব চিন্তা করতে করতে কখন যে কুমিল্লা বাস স্টেশনে এসে পৌছালাম টের,,ই পেলাম না। তারপর ওখান থেকে বাস ছেড়ে আবারও এসব ভাবনা আমার মনে বাজনা বাজতে লাগলো!কখন যে ঘুমিয়ে পড়লাম টের ই পেলাম না।তারপর সকালে চোখ মেলে দেখলাম খাগড়াছড়ি বাস স্টেশনে।বাস থেকে নেমে প্রায় 30 মিনিট পর আমার নিজের বাড়িতে পৌঁছালাম। আমার বাবা-মা, দাদা-দাদি আর আমার বোন আমার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। আমি প্রথমে বাবা-মা, দাদা-দাদী কে প্রণাম করলাম। সেদিন অনেক দিন পর বাড়িতে গিয়েছিলাম তাই অনেক খুশি হয়েছিলেন আমার মা-বাবা ও পরিবারের সবাই। আমাদের দুই ভাই বোনের একটা অভ্যাস ছিল যে আমরা দাদির কাছ থেকে বিকেলে গল্পগুজব শুনতাম। তাই সেদিন  রাতেও খাবার খেয়ে আমি আর আমার বোন দাদা-দাদীর কাছে বায়না করতে লাগলাম যে,আমাদের পজ্জঙ(গল্প) শোনাতে।তারপর দাদা আর দাদি আমাদের শোনাতে লাগলো সেই,,,১৯৫৮থেকে১৯৬২ সালের &quot;বড়গাঙ মু&quot;(কাপ্তাই মুখ) এ বাঁধ দেওয়ার কথা। তারপর কিছুক্ষণ পর যখন বাঁধ দেওয়ার ফলে,,, নিজের ভিটা ছেড়ে চলে যাওয়া, ঘরবাড়ি ডুবে যাওয়ার কথা, কোথায় যাবো?কি খেয়ে বেঁচে থাকব? দেশ সেরে যেতে হবে, থাকতে হবে অন্য দেশে শরণার্থী হয়ে। এসব কথা শুনতে-শুনতে কখন যে,,চোখ দিয়ে পানি ঝর ঝর করে পড়ে গেল আমি কিছুই বুঝতে পারেনি। তারপর পজ্জঙ শেষ করে দিয়ে দাদা আর দাদি ও আমার বোন ঘুমাতে গেল। সেদিন রাতে চাঁদের আলোয় নিঝুম রাতের দৃশ্যটা ছিল বেশ ভালো। তারপর আমি আবার বাইরে একা বসে বসে ভাবতে লাগলাম ১৯৫৮ সালে কাপ্তাই বাঁধ দেওয়ার কথা। সেসময় আমাদের পাহাড়ি মানুষদের কষ্টগুলো যেন অন্যরকম।সেসব কথা ভাবতে ভাবতে কখন যে,,রাত গভীর হলো বুঝতেও পারিনি।যখন মোবাইলটা দেখলাম তখন দেখলাম রাত ১২টা বাজার আর ও ১৫ মিনিট বাকি। তারপর আর কিছু না ভেবে ঘুমাতে গেলাম।
সেদিনের অনুভূতিটা ছিল যেন শত শত রাশির বেদনার।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/157726/</link>
				<pubDate>Fri, 07 Oct 2022 01:58:54 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>একটি গল্প,,,,,,<br />
&#8220;পজ্জঙ&#8221;(গল্পগুজব)<br />
&#x270d;&#xfe0f;সুমন চাঙমা<br />
একদিন কলেজ ছুটি পেয়ে,তাড়াতাড়ি বাসায় এসে ব্যাগ গোছাতে শুরু করলাম। তারপর ব্যাগ গোছানো শেষে,অনেক হাসি খুশি মনে আমার মাকে ফোন করলাম। মাকে ফোন করে বললাম&#8230;মা আমি আজ রাত আটটার বাসে উঠবো! আমি বাড়িতে আসবো,আমরা কলেজ ছুটি পেয়েছি।তারপর রাত সাড়ে ছয়টায় রাতের খাবার রান্না করলাম। সাতটায় খাওয়া-দাওয়&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-157726"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/157726/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0699201810dc0589ea6b86241a837169</guid>
				<title>নীরব কান্না
লেখা সুমন চাকমা
আজ ঢাকা থেকে রাঙ্গামাটি ফিরলাম।পাহাড়ে আমার জন্ম,তাই আমি মনে করি পাহাড় আমার অহংকার,পাহাড় আমার গর্ব,পাহাড় আমার অস্তিত্ব।ঢাকায় পড়াশোনার ব্যস্ততায় কতদিন পাহাড়ে ওঠা ও দেখা হয়নি।তাই খাওয়া-দাওয়া শেষে বিকেলে খুব আনন্দে পাহাড়ের উঁচু পথ বেয়ে উপরে উঠতে লাগলাম।

আমার মা বাড়ির উঠানে আমাদের চাকমা জাতির ঐতিহ্যবাহী ড্রেস পিনোন বুনন করছিলেন।

আর উঠানের এককোণে আমার বাবা বাঁশ-বেত দিয়ে তৈরি করেছিলেন নানা ধরনের আসবাবপত্র অর্থাৎ মারাল্লে,হাল্লোঙ।  পাহাড়ের প্রতি আমার মুগ্ধতা ও ভালবাসা দেখে মা ও বাবা যেন অবাক চোখে তাকিয়ে থাকে এবং মুচকি মুচকি হাসে ও আনন্দ 
পায়।

তারপর প্রায় ৩০ মিনিট পর পাহাড়ের চূড়ায় পৌছালাম আমি। পাহাড়ের মলয় বাতাস,পাহাড়ের সুন্দর দৃশ্য আমায় আরো মুগ্ধ  করে তোলে। পাহাড়ের চূড়া থেকে দূরের পাহাড়ের ভাঁজগুলোকে দেখতে খুবই ভালো লাগছিলো। আর পাহাড়ের ভাঁজে দেখা যাচ্ছে আমাদের অর্থাৎ চাকমাদের মাচার(মাটি থেকে কিছুটা উপরে) ঘরগুলো। দেখতে খুবই ভালো লাগছে। আর পাহাড়ের এক্ককোণে দেখা যাচ্ছে জুম্ম ধানের শীষ, সারি সারি করে দাঁড়িয়ে থাকা কলাগাছ।

কিছুক্ষণ পর হঠাৎ করে বিনা মেঘে  গুড়ি গুড়ি করে বৃষ্টি পড়তে লাগলো।তাই আমি পাহাড়ের চূড়ায় থাকা একটি ছোট জুম ঘরে ঢুকে পড়ি। আমাদের জুমঘর গুলো খুবই সুন্দর,,কারণ এই ঘরগুলো মাটি থেকে উপরে হয় আর সন দিয়ে তৈরি। সেখানে বসে বৃষ্টির ফোঁটা দেখতে আমার খুবই ভালো লাগছিল। বৃষ্টিটা মোটেই থামছিল না,, তাই আমি কিছুটা আলস্য বোধ করলাম,, আলস্য বোধটা কাটানোর জন্য আমি পকেট থেকে ইয়ারফোন বের করে গান শুনতে শুরু করলাম।,,
কিছুক্ষণ পর গান শোনা বন্ধ করে,,
বসে বসে চিন্তা করছিলাম, সময়ের সাথে সাথে সবকিছু বদলে যাচ্ছে,বদলে যাচ্ছে পোশাক-আশাক,বদলে যাচ্ছে রীতিনীতি, বদলে যাচ্ছে ঘরবাড়ি, বদলে যাচ্ছে কথাবার্তা,বদলে যাচ্ছে সবকিছু। তারপর ভেবে দেখলাম, আমাদের চাকমা জাতির রীতিনীতি,ঘরবাড়ি, পোশাক-আশাক ও একটু একটু করে কোথায় যেন হারিয়ে যাচ্ছে। নিজ জাতের পোশাক-আশাক ছেড়ে আমাদের চাকমা আদিবাসীর তরুণ-তরুণীরা যুগের সাথে তালে তাল মিলিয়ে যেন কেমন হয়ে যাচ্ছে অন্য জাতির মতো।

তারপর দেখলাম পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ে পাহাড়ে নির্মিত হচ্ছে পর্যটন কেন্দ্র,, আমার মনটা কেমন জানি করে উঠলো। কারণ পাহাড়ে পর্যটন কেন্দ্র নির্মিত হওয়া মানে তো একটু একটু করে নিজের ভিটাকে হারিয়ে ফেলা। আর যেখানে সেনাবাহিনীর ক্যাম্প, সেখানকার আশেপাশের জায়গা গুলো কেড়ে নিচ্ছে সেটেলাররা। সত্যি আগের মত আর এই পাহাড়ে কোন শান্তি নেই,সুখ নেই। সেই কবে ১৯৯৭ সালের ২রা ডিসেম্বর,,, বাংলাদেশ সরকার যে চুক্তি করেছিল যে এই পাহাড়ে আবার শান্তি ফিরে আসবে! কিন্তু কবে? আমার মনে বিশাল প্রশ্ন জাগে,,যে কবে ফিরে আসবে সেই শান্তি? কবে বাস্তবায়ন হবে সে শান্তি চুক্তি? পাহাড়ি মা-বাবার কবে শেষ হবে সেই শান্তির অপেক্ষায় থাকা দিনগুলো? কবে নিস্তব্ধ হবে পাহাড়ি মায়ের নীরব কান্না? আদৌ কি বাস্তবায়ন হবে সেই চুক্তি?

আমাদের চাকমা জাতির ছোট ছোট ভাই বোনেরা শিখছে, অন্য জাতির ভাষা, জানছে শুধুই অন্য জাতির ইতিহাস, অন্য জাতির স্বাধীনতার ইতিহাস,,! কবে পড়বে চাকমাদের ইতিহাস?কবে পড়বে চাকমা ভাষা?সেগুলো ভেবে ভেবে আমার মনটা যেন দুকরে কেঁদে ওঠে,,,, মনে মনে বলি যেন, এইতো আমরা সবকিছু হারিয়ে ফেললাম! হারিয়ে ফেললাম আমাদের ভাষা, ইতিহাস,রীতিনীতি,পোশাক-আশাক, ধর্ম সবকিছু!

তাই আমিও যেন নীরবে কোথায় হারিয়ে যায়, মনটা যেন দুকড়ে দুকড়ে কেঁদে ওটে। কিন্তু না এভাবে কেঁদে কেঁদে থাকলে তো কিছুই হবে না,মনে মনে ভেঙে পড়লে তো কিছু হবে না! এগোতে হবে, আমাদের জানাতে হবে সবকিছু,,, শেখাতে হবে সবকিছু ছোট ছোট ভাই-বোন,তরুণ-তরুণী নতুন প্রজন্মকে। আমরা যদি এভাবে আগেভাগে সচেতন হয়ে উঠি! তাহলে আমাদের জাতকে,আমাদের ইতিহাস কে বাঁচিয়ে রাখতে পারব! 
লিখে লিখে, যে যেভাবে পারে ছিটিয়ে দিতে হবে আমাদের চাকমা ইতিহাস, চাকমা ভাষা সম্পর্কে। আর এভাবেই পাহাড়ি মা-বোনের,পাহাড়ি বাবা-ভাইয়ের নীরব কান্না থামাতে হবে।
এই চেতনা নিয়ে দৌড়ে ছুটে নেমে আছি পাহাড় বেয়ে।
                                 সমাপ্ত</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/157605/</link>
				<pubDate>Thu, 06 Oct 2022 16:51:34 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নীরব কান্না<br />
লেখা সুমন চাকমা<br />
আজ ঢাকা থেকে রাঙ্গামাটি ফিরলাম।পাহাড়ে আমার জন্ম,তাই আমি মনে করি পাহাড় আমার অহংকার,পাহাড় আমার গর্ব,পাহাড় আমার অস্তিত্ব।ঢাকায় পড়াশোনার ব্যস্ততায় কতদিন পাহাড়ে ওঠা ও দেখা হয়নি।তাই খাওয়া-দাওয়া শেষে বিকেলে খুব আনন্দে পাহাড়ের উঁচু পথ বেয়ে উপরে উঠতে লাগলাম।</p>
<p>আমার মা বাড়ির উঠানে আমাদের চাকমা জ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-157605"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/157605/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4c4679a2ced37e99632650e363606bf4</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/157583/</link>
				<pubDate>Thu, 06 Oct 2022 16:48:47 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8066927affdb88d78b5f3fc4a0622fcd</guid>
				<title>SUMON CHAKMA changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/157560/</link>
				<pubDate>Thu, 06 Oct 2022 16:42:31 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>