<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Tanmoy Roy | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/tanmoy/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/tanmoy/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Tanmoy Roy.</description>
	<lastBuildDate>Tue, 08 Sep 2026 03:30:08 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">dd446c6d62f3bf14edaa82632cef0277</guid>
				<title>//প্রস্থান //

নবনীতা, চলে গেলে?
দেখো আকাশ ভেঙে কি ভীষন বৃষ্টি এসে আমাদের কৃষ্ণচূড়া গাছটাকে ভিজিয়ে দিয়ে গেলো!
লজ্জায় আরক্তিম যে বৃক্ষ তোমার পদশব্দের অপেক্ষায় ছিল হাজার বছর, 
তাকে ভেজা কাক আর অপরাধী দেখতে ভালো লাগছে না তো! 

তুমি হয়তো দেখলেও না, 
কিংবা দেখে ছোট একটা দীর্ঘশ্বাস গোপন করে শক্ত করে ধরলে কারো হাত! 
নবনীতা, এই মরা বৃষ্টি আমি একা দেখছি কেন? 

পাষানপ্রতীম প্রানহীন শহরে বৃষ্টি এলে কি আসে যায় বলো!
যেন দেবীশূন্য জীর্ন প্রাচীন মন্দিরে পাক খেয়ে বেড়ায় পূজারির দীর্ঘশ্বাস! 
দেবী চলে গেছে, দেবী আসে নি, দেবী আসবে না।
যেমন করে তুমি চলে গেলে, তুমি আর আসবে না।

জানো নবনীতা, আজও আমি আমাদের তৈরি পথগুলোতে হেঁটে বেড়াই,
ক্লান্ত আমি, ক্লান্ত পথ-
ভালোবাসাহীন, রুক্ষ, অবাস্তব! 

পাপহীন যে হাত তোমার আঙুলের স্পর্শে পবিত্র হয়,
সেই হাতে আজ বিষাক্ত পাপ!
প্রায়শ্চিত্তের ঋনের মত এই প্রানহীন শহরটাকে বুকে নিয়ে আমি হেঁটে বেড়াই!

ঝরে পড়া বৃষ্টিতে ঈশ্বরের কথা আর শুনতে পাই না,
ঈশ্বর তোমার মতই এই অবিশ্বাসীকে ত্যাগ করেছেন হয়ত!
Fri, Jun 9</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/201845/</link>
				<pubDate>Sat, 10 Jun 2023 17:57:59 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>//প্রস্থান //</p>
<p>নবনীতা, চলে গেলে?<br />
দেখো আকাশ ভেঙে কি ভীষন বৃষ্টি এসে আমাদের কৃষ্ণচূড়া গাছটাকে ভিজিয়ে দিয়ে গেলো!<br />
লজ্জায় আরক্তিম যে বৃক্ষ তোমার পদশব্দের অপেক্ষায় ছিল হাজার বছর,<br />
তাকে ভেজা কাক আর অপরাধী দেখতে ভালো লাগছে না তো! </p>
<p>তুমি হয়তো দেখলেও না,<br />
কিংবা দেখে ছোট একটা দীর্ঘশ্বাস গোপন করে শক্ত করে ধরলে কারো হাত!<br />
নবনীতা, এই মরা বৃষ্টি আ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-201845"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/201845/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3466d797424062649bdb7abb7ae7676f</guid>
				<title>//অপেক্ষা //


তুমি এলে না তাই এ শহরে বৃষ্টি এলো না,
মেঘেরা মুখ লুকালো কি ভীষন অভিমানে!

তুমি এলে না বলে আমার কলম থেমে গেলো,
কবিতারা লুকালো কোন অন্ধকারে কে জানে! 

আমার প্রতিদিনের কবিতা লেখার ব্যার্থ চেষ্টা, 
যেখানে ফুল-লতা-পাতা, অসংখ্যবার তোমার নাম আর হিজিবিজি এঁকে আমি উঠে যাই!
শিরা-উপশিরা প্লাবিত করে দেই তরল ক্যাফেইনে!

আমার সস্তা জীবনবোধ?
কার্ল মার্কস? অ্যাবসার্ডিজম? - ধুর ছাই!
নিকোটিনের ধোঁয়ায় উড়িয়ে দেই এদের!
নিজের সত্তাকে বেঁচে দিয়ে আর্দ্র চোখে আমি বৃষ্টির অপেক্ষা করি!

তোমার ও কি করি না?
তুমি আসবে না, শুনবে না,  জানবে না জেনেও
অনন্তকাল তোমার অপেক্ষা! 
রৌদ্রকরোটিতে তোমার স্পর্শে ফুল ফুটবে না জেনেও,
অনন্তকাল কিংবা তারও বেশি তোমার অপেক্ষা!
 May 18, 2023</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/201191/</link>
				<pubDate>Fri, 26 May 2023 06:07:13 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>//অপেক্ষা //</p>
<p>তুমি এলে না তাই এ শহরে বৃষ্টি এলো না,<br />
মেঘেরা মুখ লুকালো কি ভীষন অভিমানে!</p>
<p>তুমি এলে না বলে আমার কলম থেমে গেলো,<br />
কবিতারা লুকালো কোন অন্ধকারে কে জানে! </p>
<p>আমার প্রতিদিনের কবিতা লেখার ব্যার্থ চেষ্টা,<br />
যেখানে ফুল-লতা-পাতা, অসংখ্যবার তোমার নাম আর হিজিবিজি এঁকে আমি উঠে যাই!<br />
শিরা-উপশিরা প্লাবিত করে দেই তরল ক্যাফেইনে!&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-201191"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/201191/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0af555b3a5ed8d63797a7088a0e35440</guid>
				<title>অতিপ্রিয় অনধিকার!


খুব কাছে এসো না , প্রিয়তমা!
দূর থেকে তোমায় দেখি এইত ভালো।


ধরো কোন এক ঘোর বর্ষায় কাক ভেজা হয়ে চায়ের ঝুপড়িতে,
কিংবা সারাদিনের ব্যর্থ ক্লান্তির পর ঘুমুতে যাবার ঠিক আগে –
তোমার চুল , তোমার চোখ, ভাববো হয়ত।


পরক্ষনে সচেতন অপরাধেরা জানি এসে কড়া নাড়বে সজোড়ে!
ভবিতব্যের মত মস্তিষ্কের গহীন থেকে ভেসে আসে হাহাকার,
চালের বাজার দর মনে আছে তো?
মনে আছে তো কাল আবার যেতে হবে অবধারিত যুদ্ধে?


দস্যু বর্গীর মত ধেয়ে আসে অভাব-
ভালোবাসাকে কোথায় জায়গা দেব ?
হৃদয়? সে তো কবেই পুড়ে খাক হয়ে গেছে !
মস্তিষ্ক ? সে তো যাপিত জীবনের দাসত্বকে স্বীকার করে নিয়েছে সেই কবেই!



প্রবল যান্ত্রিক জলোচ্ছ্বাসে ঘোর কেটে যাবে আমার, 
তোমায় মনে হবে ভ্রম!
ছেলেবেলার মায়ের বলা দুঃখী রাজকুমারীর গল্প-
যাকে উদ্ধারের জন্য পাড়ি দিতাম সাত সমুদ্র!
তুমিই কি সেই কল্পনা? 


তবু তুমি কত কাছে – হাত বাড়ালেই যেন ছোঁয়া যাবে তোমার হাত!
কিন্তু পারি না যে-
আমার হাত টেনে ধরে অজস্র শেকল,
আমার পথ রুদ্ধ করে দেয় হাজারো অনধিকার!
যে অনধিকার তোমার হাত ছুঁতে দেবে না,
যে অনধিকার তোমার কাছে আসতে দেবে না কোনদিন,
যে অনধিকারের চোখ রাঙানীতে আমি ভীত হব,
যে অনধিকারের ভয়ে আমায় লুকিয়ে ভাবতে হবে,
তোমার কথা, তোমার স্বর , তোমার স্বপ্ন!
তবু এই অনধিকার আমার মধ্যে লালিত হয় পরম মমতায়।
তবু দিনশেষে ঘুমের ঘোরে নিজেকে বলতে হয়,
বেশি কাছে এসো না প্রিয়া,
পুড়ে যাওয়া হৃদয়ভূমিতে শ্রাবন-বর্ষন আর এনো না! 
10:34 PM.
5 March, 2023.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/195502/</link>
				<pubDate>Sun, 05 Mar 2023 17:42:43 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অতিপ্রিয় অনধিকার!</p>
<p>খুব কাছে এসো না , প্রিয়তমা!<br />
দূর থেকে তোমায় দেখি এইত ভালো।</p>
<p>ধরো কোন এক ঘোর বর্ষায় কাক ভেজা হয়ে চায়ের ঝুপড়িতে,<br />
কিংবা সারাদিনের ব্যর্থ ক্লান্তির পর ঘুমুতে যাবার ঠিক আগে –<br />
তোমার চুল , তোমার চোখ, ভাববো হয়ত।</p>
<p>পরক্ষনে সচেতন অপরাধেরা জানি এসে কড়া নাড়বে সজোড়ে!<br />
ভবিতব্যের মত মস্তিষ্কের গহীন থেকে ভেসে আসে হাহাকার,<br />
চালের বাজ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-195502"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/195502/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1627bdfe9ded120cff4ea91166fb93ed</guid>
				<title>মৃত্যু কিংবা কবিতা


তোমার কাছে একটি কবিতা ভিক্ষা চাইছি-
সম্পদ নয়, শৌর্য নয় – কেবল একটি কবিতা প্রভু।

এমন একটি কবিতা দাও-
যার শানিত শব্দস্রোত যেন ওদের বুকে গিয়ে বেঁধে,
যাদের কাছে বেঁচে দিতে বাধ্য হয়েছি ঘাসের মত সবুজ আমার স্বপ্নগুলোকে।

এমন একটি কবিতা দাও-
যার পদ্যময় শোনিতস্রোতে ওদের ভাসিয়ে নিয়ে যেতে পারি
বানের জলে ভাসা পিপড়ের মত।

কিংবা পদদলিত করতে পারি –
যেভাবে আমি এবং আমার রুগ্ন চেহারার পূর্বপুরুষেরা হয়েছিলেন
হাজার বছর ধরে।

আমার পূর্বপুরুষের লোহিত রক্তে ওদের হাত রঞ্জিত যে-
সেই হাত , যে হাত অসীম ঘৃনার আগুনে পুড়িয়ে ফেলে প্যালেস্টাইন-
অশীতিপর বৃদ্ধ খরা হয়ে যাওয়া চোখে দেখে পুড়ে যাওয়া তারই মাতৃভূমি,
আর দেখে দগ্ধ হওয়া জোয়ান ছেলের বিকৃ্ত লাশ।

সেই হতভাগ্য বৃ্দ্ধের কসম কেটে বলছি ,
আমার কবিতা দাবানল হয়ে জ্বালিয়ে দিক সেই সব হাত।
ওদের কফিনের শেষ পেরেকের উপর ,
আমার কবিতা ঝাঁপিয়ে পড়ুক অসীম আক্রোশে ।

অতঃপর আমি শান্তি চাই,
এই ঘৃনার বলয় থেকে বের হতে চাই প্রভু!
যেদিন সেই প্যালেস্টাইনিয়ান বৃ্দ্ধ –
ঐ ঘৃনায় ভরা চোখগুলোর দিকে তাকিয়ে বলবে,
“তোরা পশু – দূর হ হতভাগার দল-“
যেদিন কোন পিতা আবর্জনার স্তুপে তার অপহৃতা মেয়েটির লাশ খুঁজে বেড়াবে না-
কিংবা সেই টোকাই ছেলেটি,
যার বাস চাপা পড়ে মরে যাওয়ার কথা ছিলো অনেক আগেই,
সেও অন্তত একবেলা খেয়ে এক মূহুর্তের জন্য ভাববে,
আসলে জীবনটা খারাপ না!
সেই দিন- প্রভু – সেইদিন আমি আনন্দের গান গাইব,
আমার কবিতায় টিনের চালে বৃষ্টির অপূর্ব সেতার সংগীতের মত ঝড়ে পড়বে ভালোবাসা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/165745/</link>
				<pubDate>Sat, 22 Oct 2022 12:14:30 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মৃত্যু কিংবা কবিতা</p>
<p>তোমার কাছে একটি কবিতা ভিক্ষা চাইছি-<br />
সম্পদ নয়, শৌর্য নয় – কেবল একটি কবিতা প্রভু।</p>
<p>এমন একটি কবিতা দাও-<br />
যার শানিত শব্দস্রোত যেন ওদের বুকে গিয়ে বেঁধে,<br />
যাদের কাছে বেঁচে দিতে বাধ্য হয়েছি ঘাসের মত সবুজ আমার স্বপ্নগুলোকে।</p>
<p>এমন একটি কবিতা দাও-<br />
যার পদ্যময় শোনিতস্রোতে ওদের ভাসিয়ে নিয়ে যেতে পারি<br />
বানের জলে ভাসা পিপড়ের মত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-165745"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/165745/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>12</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">17a9cfa9ea55ad9717c88d7a43ccc33c</guid>
				<title>ইতি, নবনীতা তোমার প্রতি



এখানে আকাশ রক্তের মত লাল,
ভুখা লোক সব হেঁটে চলে ওই, কাঁধে তোলা মহাকাল.


নবনীতা এখনো জেগে আছো ? 
রক্তিম আসমান থেকে নেমে আসা সফেদ বৃষ্টি এখনো তোমায় বিষণ্ন করে? 
বারান্দায় খাঁচায় থাকা পাখিরা এখনো তোমাকে গান শোনায়? 
তোমার ডায়েরীতে কি তবু জমা হয় আরো ভালোবাসার গল্প?
 

সে গল্প আজ থাক, অন্য গল্প শোনো! 
যে গল্পে রাস্তার ধারে সদ্য জন্মানো শিশুটিকে ফেলে মা চলে যায়, 
যে গল্পে এক বৃদ্ধ পিতা নিজের কাধে তার অনাহারে মরা শিশুর লাশ বয়,
যে গল্পে কোন মাতার আদরের কন্যা শিয়াল শকুনের খাদ্য হয়, 
যার মৃতদেহ পড়ে থাকে নর্দমার জঞ্জালে,
যে গল্পে মৃত মানুষের লাশের স্তুপে জমা হয় আরও লাশ,
নারী, শিশু, বৃদ্ধ কত নাম না জানা রহিম, করিম, জয়নব, হরিদাশের শব,
যে চোখগুলো একসময় স্বপ্ন দেখত গোলাভরা ধানের,
দুর্ভিক্ষের হাহাকার নিয়ে স্থির সেই চোখগুলো তাকিয়ে থাকে তপ্ত নীল আকাশের দিকে!


তারপর  তমশাময় কোন এক রাত্রিতে লাশের স্তুপে হামলে পড়ে শিয়ালের দল,
লালায়িত দাত, আর তাদের লাল চোখের মাঝে লাশগুলো দেখে তোমাদের সমাজের আসল রূপ!
সেখানে কি ওরা তোমাকে দেখতে পায় নবনীতা? 


বাসি লাশগুলো শিয়ালের আনন্দভোজের শব্দ তোমার কানে পৌছায় না,
আনহারে মরা শিশুটির মাতার ক্রন্দন তুমি শুনতে পাও না,
ধর্ষিতা কিশোরীর কাতর আর্তনাদ -
ভুখা মানুষের চিৎকার,  জনতার স্লোগান কিংবা গুলির শব্দ-
তোমার গানের সুরে সবকিছু ঢাকা পড়ে যায়।

তবু বয়সের ভারে ঝুঁকে পড়া মাঝি করিম আলীর অশক্ত হাত এখনও বৈঠা বায়,
সহসা সভ্যতার বিষবাষ্পে হিরোশিমার বিষ্ফোরন থেকে উঠে আসা দানবের হুংকারে তার হাত এখনও কাঁপে না,
বৃদ্ধ কন্ঠে বজ্রনিনাদ &quot;হুশিয়ার মাঝি, ভয় নাই&quot;
সেই ডাকে ঘুম ভাঙে তোমার, 
ঘুমের রেশ কেটে যাওয়া আয়ত নয়ন দুটি মুছে 
শোবার ঘরের জানালা দিয়ে মুখ বাড়িয়ে তুমি বল
&quot; কি হলো?&quot;
উত্তর আসে না! 
তবু এই নীলাভ আকাশ, সফেদ বেডরূম আর পাখিদের গান নিয়ে তুমি ভালো  থেকো নবনীতা।
আমি মিশে যাব ঐ ভুখা মানুষের দলে,
হাঁটব সূর্যদয়ের পথে, কাধেঁ তুলে নেবো মহাকাল!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/165075/</link>
				<pubDate>Thu, 20 Oct 2022 14:24:58 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ইতি, নবনীতা তোমার প্রতি</p>
<p>এখানে আকাশ রক্তের মত লাল,<br />
ভুখা লোক সব হেঁটে চলে ওই, কাঁধে তোলা মহাকাল.</p>
<p>নবনীতা এখনো জেগে আছো ?<br />
রক্তিম আসমান থেকে নেমে আসা সফেদ বৃষ্টি এখনো তোমায় বিষণ্ন করে?<br />
বারান্দায় খাঁচায় থাকা পাখিরা এখনো তোমাকে গান শোনায়?<br />
তোমার ডায়েরীতে কি তবু জমা হয় আরো ভালোবাসার গল্প?</p>
<p>সে গল্প আজ থাক, অন্য গল্প শোনো!<br />
যে গল্প&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-165075"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/165075/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ad156fa5cf12c7dac718c12b415c3ccc</guid>
				<title>অতঃপর নবজন্ম

শোনা গেল আমরা নাকি মরে গিয়েছি-
প্রস্তরময় কবর, চিতাভশ্ম কিংবা ক্রসের মিছিলে আমরা মিশে গেছি মাটিতে,
উষ্ণ কিংবা শীতল মাটি, মায়ের স্পর্শের মত নরম কাদামাটি-
যে মাটিতে তপ্ত রদ্দুর জন্ম দেয় ধানের ভ্রুন।
ধুঁকে ধুঁকে মরে আমরা সেই ফসল তুলে দেই মহাজনের ঘরে,
সর্বনাশের মত নেমে আসা ঈশ্বরের অশ্রু ধুয়ে নিয়ে যায় আমাদের বসত-
ক্লিষ্ট মুখে তাকানো বধূর ক্ষয়ে যাওয়া চেহারা,
ক্ষুধার্ত মৃতপ্রায় সন্তানের কান্না মস্তিষ্কে নিয়ে আমরা ফিরে যাই জমিতে,
দৃঢ় হাতে ধরি আমাদেরই আস্থি দিয়ে তৈরি লাঙলের হাল-
পৃথিবী সুজলা হয়,
পৃথিবী সুফলা হয়,
কেবল আমাদের হাড় মিশে যায় মাটিতে,
কেবল আমাদের সন্তান খাদ্য হয় শকুনের,
কেবল ধর্ষিতা হয় আমাদের স্ত্রীরা-
শুধু ক্ষনিকে অতি দূর হতে ভেসে আসা ফিসফিসে শোনা যায় 
আমরা নাকি মরে গিয়েছি ।
পর্দার আড়াল হতে তোমাদের সমাজের ঈশ্বরেরা সুরা পাত্রে চুমুক দিয়ে বলেন-
ওরা কারা?
মরে যাক যত জঞ্জালের দল,
পৃথিবী পবিত্র হোক।
খবরের কাগজ ভরে যায় উন্নয়নের গল্পে-
শুভ্র দেয়ালে লেপ্টে থাকে সিনেমার পোস্টার-
আর লাল নীল বাতিতে ছেয়ে যায় বিপণী বিতান।
শুধু রাস্তার পাশে জীর্ন বস্ত্রে পড়ে থাকা বুড়ি মা টা জানে 
তার সন্তানের কথা-
যার পাথর কুঁদে বানানো দেহ ফসল তুলতো গুদামঘরে-
কিংবা সেই ভিখারী ছেলেটি,
যার বাবাও ছিলো মরে যাওয়া মানুষের দলে।
সব ঢাকা পরে যায়, সব মুছে যায়-
শুধু ক্ষনিকে অতি দূর হতে ভেসে আসা ফিসফিসে শোনা যায়
আমরা নাকি মরে গিয়েছি।
তবু আবার বর্ষা আসে,
মাতাল হাওয়ায় সাইরেনের মত বাজে আমাদের নবজন্মের কান্না।
হাড় মিশে যাওয়া মাটি থেকে জীবনের জয়গানে উত্থিত হয় হাজার রঙিন ফুল-
শুধু সেই ফুল জানে আমরা মরি নাই,
শুধু এই মাটি জানে আমরা মরি নাই,
হাজার বছর ধরে ঝড়ে পড়া বর্ষা জানে আমরা মরি নাই।
যুগে যুগে আমরা ফিরে আসি ক্ষুদিরাম, তিতুমীর কিংবা নুরুলদীন হয়ে,
শোনো সমাজের ঈশ্বরেরা,
আমরা আবার ফিরে আসব-
এই ভূমিতে আমাদের পবিত্র পা ফেলে শুদ্ধ করব পৃথিবীকে,
সেদিন তোমরা পালাবার পথ পাবে না।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/163881/</link>
				<pubDate>Mon, 17 Oct 2022 13:37:33 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অতঃপর নবজন্ম</p>
<p>শোনা গেল আমরা নাকি মরে গিয়েছি-<br />
প্রস্তরময় কবর, চিতাভশ্ম কিংবা ক্রসের মিছিলে আমরা মিশে গেছি মাটিতে,<br />
উষ্ণ কিংবা শীতল মাটি, মায়ের স্পর্শের মত নরম কাদামাটি-<br />
যে মাটিতে তপ্ত রদ্দুর জন্ম দেয় ধানের ভ্রুন।<br />
ধুঁকে ধুঁকে মরে আমরা সেই ফসল তুলে দেই মহাজনের ঘরে,<br />
সর্বনাশের মত নেমে আসা ঈশ্বরের অশ্রু ধুয়ে নিয়ে যায় আমাদের বসত-<br />
ক্লিষ্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-163881"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/163881/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>