<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | গাজিবর রহমান | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/gaziborrohman/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/gaziborrohman/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for গাজিবর রহমান.</description>
	<lastBuildDate>Mon, 21 Sep 2026 13:54:37 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">dddc0278c4fee99adcef8c7d63de9eb9</guid>
				<title>ছোট গল্প 
-------------
শেষ ট্রেনের আগে
_______ গাজিবর রহমান 
***********************************
রাত সাড়ে দশটা।
ছোট্ট স্টেশনটি প্রায় ফাঁকা। প্ল্যাটফর্মের কয়েকটি বাতি কাঁপা আলো ছড়িয়ে আছে। দূরে কোথাও একটা চায়ের দোকানের ঝাঁপ নামানোর শব্দ হলো। তারপর চারপাশে আবার নীরবতা।
অভ্র একা বসে আছে কাঠের বেঞ্চে।
তার হাতে একটি পুরোনো নীল খাম।
খামটির কাগজ বিবর্ণ, কোণগুলো ভাঁজে ভাঁজে নরম হয়ে গেছে। পাঁচ বছর ধরে এটি তার কাছে।
ভেতরে একটি চিঠি।
পাঁচ বছর আগে লেখা।
কখনো পাঠানো হয়নি।
কিছু কথা মানুষ লিখে ফেলতে পারে, কিন্তু পাঠানোর সাহস পায় না। কারণ উত্তর পাওয়ার ভয় কখনো কখনো অপেক্ষার কষ্টের চেয়েও বড় হয়ে ওঠে।

আজ সেই চিঠিটাই সঙ্গে নিয়ে অভ্র স্টেশনে এসেছে।

বিকেলে নীলার একটি বার্তা পেয়েছিল সে—

“আজ রাতের ট্রেনে ফিরছি।”

শুধু এইটুকু।

কোথা থেকে ফিরছে, কেন ফিরছে, কতদিন থাকবে—কিছুই লেখা নেই।

অভ্রও কিছু জানতে চায়নি।

পাঁচ বছর আগে এই স্টেশন থেকেই নীলা চলে গিয়েছিল।

সেদিনও রাত ছিল। যাওয়ার আগে নীলা শুধু বলেছিল,

—কখনো যদি মনে হয়, আমার সঙ্গে তোমার কিছু কথা বাকি আছে, এই স্টেশনে এসো।

অভ্র সেদিন কোনো উত্তর দেয়নি।

অভিমান ছিল। নিজের কথাকে ঠিক মনে করার এক ধরনের জেদও ছিল।

তারপর নীলা চলে গেল।

মানুষ চলে গেলে তার অনুপস্থিতিই প্রথমে চোখে পড়ে। পরে ধীরে ধীরে বোঝা যায়, সে আসলে কতটা জায়গা জুড়ে ছিল।

ট্রেন আসার ঘোষণা হলো।

অভ্র উঠে দাঁড়াল।

দূরে একটি আলো দেখা গেল। তারপর শব্দ বাড়তে লাগল। কয়েক মুহূর্ত পর ট্রেনটি প্ল্যাটফর্মে এসে থামল।

যাত্রীরা নামছে।

কেউ তাড়াহুড়ো করছে, কেউ স্বজনকে খুঁজছে, কেউ ব্যাগ টেনে নিয়ে যাচ্ছে।

অভ্রর চোখ শুধু একজনকেই খুঁজছে।

শেষ কামরার দরজায় একজন নারী এসে দাঁড়াল।

নীলা।

পাঁচ বছর তাকে বদলে দিয়েছে।

মুখে আগের চেয়ে বেশি পরিণত ভাব, চোখে ক্লান্তি, চুলে অল্প এলোমেলো ছাপ।

তবু অভ্র এক মুহূর্তেই চিনে ফেলল।

নীলাও তাকে দেখল।

দুজনের চোখে চোখ পড়ল।

কেউ এগিয়ে গেল না।

পাঁচ বছরের জমে থাকা কথাগুলো যেন হঠাৎ দুজনের মাঝখানে এসে দাঁড়াল।

শেষ পর্যন্ত নীলাই এগিয়ে এল।

—অনেকক্ষণ ধরে আছ ?

অভ্র একটু হেসে বলল,

—কিছুক্ষণ।

নীলা তাকিয়ে রইল।

—মিথ্যে বলছ।

অভ্র এবার সত্যি করে হাসল।

—হ্যাঁ। সন্ধ্যা থেকেই আছি।

নীলার চোখ চলে গেল তার হাতে থাকা নীল খামের দিকে।

—ওটা কি আমার জন্য ?

অভ্র মাথা নাড়ল।

—পাঁচ বছর ধরে রেখেছ ?

—হ্যাঁ।

নীলা ব্যাগ থেকে একটি পুরোনো নীল খাম বের করল।

—আমার কাছেও একটা আছে।

অভ্র অবাক হয়ে তাকাল।

—তুমি লিখেছিলে ?

—সেদিন রাতেই।

—পাঠাওনি কেন ?

নীলা কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বলল,

—ভেবেছিলাম, তুমি হয়তো পড়তে চাইবে না।

অভ্র ধীরে বলল,

—আমি ভেবেছিলাম, তুমি আমাকে আর মনে রাখোনি।

নীলা মৃদু হেসে বলল,

—দেখছ? আমরা দুজনেই ভুল ভেবেছিলাম।

কথাটা শুনে অভ্রর বুকের ভেতরটা কেমন যেন ফাঁকা হয়ে গেল।

সে বলল,

—তুমি সেদিন চলে গেলে কেন ?

নীলা কিছুক্ষণ রেললাইনের দিকে তাকিয়ে রইল।

—তুমি বলেছিলে, আমার জন্য তোমার জীবন থেমে থাকবে না।

অভ্র চোখ নামিয়ে ফেলল।

—রাগের মাথায় বলেছিলাম।

—জানি।

—তবু তুমি চলে গেলে ?

—কিছু কথা রাগের মাথায় বলা হলেও, শুনতে পাওয়া মানুষটা সবসময় রাগের কথাটা ভুলতে পারে না।

অভ্র দীর্ঘশ্বাস ফেলল।

—আমি তোমাকে থামাতে পারিনি।

নীলা তার দিকে তাকিয়ে বলল,

—তুমিও তো থামাওনি।

অভ্র কোনো উত্তর দিল না।

কখনো কখনো একটি বাক্যই পাঁচ বছরের সব অভিমানকে ভেঙে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।

কিছুক্ষণ পর নীলা ধীরে বলল,

—তুমি কি এখনও আমাকে ভালোবাসো?

অভ্র অনেকক্ষণ চুপ করে থাকল।

তারপর বলল,

—আগের মতো নয়।

নীলার চোখে এক মুহূর্তের জন্য বিষণ্ণতা নেমে এল।

অভ্র বলল,

—আগের মতো হলে হয়তো এখনও তোমার ওপর অভিমান থাকত। এখন আর অভিমান নেই। শুধু আফসোস হয়—আমরা দুজনেই এতগুলো বছর হারিয়ে ফেললাম।

নীলা চোখ মুছে ফেলল।

—সব ফিরিয়ে আনা যায় ?

—সময় ফিরিয়ে আনা যায় না।

—তাহলে ?

অভ্র মৃদু হেসে বলল,

—আগামীকালটা তো এখনও আমাদের হাতে আছে।

নীলা কিছু বলল না।

দূরে ট্রেনের হুইসেল শোনা গেল।

অভ্র বলল,

—তোমার ট্রেন ?

নীলা মাথা নাড়ল।

—না। এটাই আজকের শেষ ট্রেন।

—তারপর ?

—তারপর আর কোনো ট্রেন নেই।

অভ্র একটু হেসে বলল,

—তাহলে আজ আমাদের তাড়াহুড়ো করার দরকার নেই।

দুজন পাশাপাশি হাঁটতে হাঁটতে স্টেশন থেকে বেরিয়ে এল।

রাত আরও গভীর হয়েছে। রাস্তার দুপাশের দোকান বন্ধ। কোথাও কোনো কোলাহল নেই।

কিছুদূর গিয়ে নীলা থামল।

—অভ্র ?

—হুম ?

—আমরা কি আবার শুরু করতে পারি?

অভ্র তার দিকে তাকাল।

—আবার শুরু করা মানে আগের জায়গায় ফিরে যাওয়া নয়।

—তাহলে ?

—নতুন করে একে অন্যকে চিনতে হবে। এবার কোনো অভিমান জমিয়ে রাখব না। কোনো কথা মনে হলে বলব।

নীলা মৃদু হেসে বলল,

—আর যদি আবার ভুল করি ?

—তাহলে এবার চলে যেও না। বসে কথা বলবে।

নীলা মাথা নাড়ল।

তারপর তারা আবার হাঁটতে শুরু করল।

পেছনে স্টেশনটা ধীরে ধীরে অন্ধকারে মিলিয়ে গেল।

পাঁচ বছর আগে যে দুজন মানুষ কিছু না বলেই আলাদা হয়ে গিয়েছিল, তারা আজও জানে না সামনে কী অপেক্ষা করছে।

তারা জানে না, এই ফিরে আসা কতদিনের।

তবু আজ একটি পার্থক্য হয়েছে—

তারা আর নীরব নেই।

কারণ ভালোবাসা সবসময় বড় কোনো প্রতিশ্রুতির নাম নয়।

কখনো কখনো ভালোবাসা মানে শুধু—

যে মানুষটি চলে যেতে চায়, তাকে আটকে রাখা নয়;
বরং যাওয়ার আগে তার কথা মন দিয়ে শোনা।

আর যদি সে ফিরে আসে,

তবে পুরোনো হিসাব না খুলে
তার পাশে একটু হাঁটা।

হয়তো সেখান থেকেই
একটি হারিয়ে যাওয়া গল্প
আবার শুরু হয়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/276624/</link>
				<pubDate>Mon, 21 Sep 2026 09:00:31 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ছোট গল্প<br />
&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;-<br />
শেষ ট্রেনের আগে<br />
_______ গাজিবর রহমান<br />
***********************************<br />
রাত সাড়ে দশটা।<br />
ছোট্ট স্টেশনটি প্রায় ফাঁকা। প্ল্যাটফর্মের কয়েকটি বাতি কাঁপা আলো ছড়িয়ে আছে। দূরে কোথাও একটা চায়ের দোকানের ঝাঁপ নামানোর শব্দ হলো। তারপর চারপাশে আবার নীরবতা।<br />
অভ্র একা বসে আছে কাঠের বেঞ্চে।<br />
তার হাতে একটি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-276624"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/276624/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a1174fa4ae9501fa0d42023f7c96c3b3</guid>
				<title>হারিয়ে যাওয়া দিনের স্মৃতি
______ গাজিবর রহমান 
*******************************
একটি পুরোনো জিনিস কখনোই শুধু একটি জিনিস নয়। তার গায়ে লেগে থাকে একটি সময়ের গন্ধ, মানুষের হাতের স্পর্শ, সংসারের গল্প আর ফেলে আসা দিনের অসংখ্য স্মৃতি।  এই পুরোনো যন্ত্রটিও তাই আমার কাছে নিছক একটি অচল বস্তু নয়; এটি যেন হারিয়ে যাওয়া এক সময়ের নীরব সাক্ষী।

একসময় এমন অনেক জিনিসই ছিল আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তখন জীবন ছিল ধীর, সরল এবং অনেকটাই নির্ভরশীল। সংসারের ছোট-বড় কাজ করতে মানুষের হাতের পরিশ্রমই ছিল প্রধান শক্তি। আধুনিক যন্ত্রপাতির এত ছড়াছড়ি ছিল না, ছিল না মুহূর্তের মধ্যে কাজ শেষ করে ফেলার সুযোগ। তবু সেই জীবনের ভেতরে ছিল এক ধরনের আন্তরিকতা, অপেক্ষা এবং আপন করে বাঁচার আনন্দ।

আজকের প্রজন্মের কাছে এসব জিনিস হয়তো কেবল পুরোনো। কিন্তু আমাদের কাছে এগুলো স্মৃতির দরজা খুলে দেয়।

একটি পুরোনো হারিকেন দেখলেই মনে পড়ে যায় বিদ্যুৎহীন রাত।
পুরোনো রেডিও দেখলে মনে পড়ে বাবার পাশে বসে খবর শোনার কথা।
টিনের পুরোনো বাক্স দেখলে মনে পড়ে যায় শৈশবের জামাকাপড় কিংবা যত্নে রাখা চিঠির কথা।
মাটির কলসি দেখলে চোখের সামনে ভেসে ওঠে পুকুরঘাটের সকাল।
আর এমন কোনো পুরোনো গৃহস্থালি যন্ত্র চোখে পড়লে মনে হয়—এই তো, কোথাও যেন ফেলে এসেছি আমার নিজের শৈশবটাকে।

সেই সময়ে একটি জিনিস নষ্ট হয়ে গেলেই মানুষ সেটি ফেলে দিত না। মেরামত করত, যত্ন করত, আবার ব্যবহার করত। কারণ জিনিসের সঙ্গে তখন মানুষের একটা সম্পর্ক তৈরি হতো। একটি হাঁড়িতে কত বছর রান্না হয়েছে, একটি খাটে কত প্রজন্ম ঘুমিয়েছে, একটি বাক্সে কত স্মৃতি জমা হয়েছে—এসবের কোনো হিসাব বাজারদরের খাতায় লেখা থাকে না।

পুরোনো জিনিসের গায়ে থাকা আঁচড়, দাগ, মরচে কিংবা বিবর্ণতা আসলে তার দুর্বলতা নয়; এগুলো তার জীবনের চিহ্ন।

একটি পুরোনো যন্ত্র যেন বলতে চায়—
“আমার গায়ে যে দাগ দেখছ, তার প্রতিটি দাগের পেছনে একটি দিন আছে।”

হয়তো কোনো মা ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠে সেটি ব্যবহার করেছেন।
হয়তো কোনো বাবা সংসারের অভাবের মধ্যে সেটি যত্ন করে কিনে এনেছিলেন।
হয়তো কোনো শিশু মায়ের পাশে দাঁড়িয়ে কৌতূহলী চোখে তার কাজ দেখেছিল।
হয়তো সেই শিশুটিই আজ বৃদ্ধ।
আর পুরোনো জিনিসটি পড়ে আছে কোনো এক কোণে—নীরবে, অবহেলায়, অথচ স্মৃতির ভাণ্ডার হয়ে।

সময় বদলেছে। মানুষের জীবনও বদলেছে। আধুনিক প্রযুক্তি আমাদের অনেক কষ্ট কমিয়েছে। কাজ হয়েছে দ্রুত, জীবন হয়েছে আরামদায়ক। এই পরিবর্তন সভ্যতার স্বাভাবিক অগ্রযাত্রা। কিন্তু অগ্রযাত্রার পথে আমরা যেন আমাদের স্মৃতিগুলোকে পুরোপুরি ফেলে না দিই।

কারণ একটি জাতির ইতিহাস শুধু রাজা-বাদশাহ, যুদ্ধ, রাজনীতি কিংবা বড় বড় ঘটনার মধ্যে লেখা থাকে না। ইতিহাস ছড়িয়ে থাকে মানুষের ঘরেও। রান্নাঘরের পুরোনো হাঁড়িতে, উঠানের মাটিতে, পুকুরের ঘাটে, কাঠের আলমারিতে, মাটির প্রদীপে, পুরোনো কৃষিযন্ত্রে—সেখানেও লুকিয়ে থাকে মানুষের জীবনযাত্রার সত্যিকারের ইতিহাস।

আমাদের মা-দাদিদের জীবন ছিল শ্রমে ভরা। অল্প উপকরণে তারা সংসার চালিয়েছেন, অল্পতেই আনন্দ খুঁজে নিয়েছেন। বাবারা সামান্য আয়ের মধ্যে সন্তানদের ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখেছেন। প্রতিবেশী বিপদে পড়লে অন্য বাড়ির মানুষ ছুটে গেছে। একটি বাড়ির আনন্দে আশপাশের মানুষও আনন্দ করেছে। তখন বস্তু ছিল মানুষের জীবনের সহচর; আজ অনেক সময় মানুষই বস্তু ও ভোগের পেছনে ছুটছে।

তাই পুরোনো জিনিসের দিকে তাকালে শুধু নস্টালজিয়ায় ভেসে যাওয়া নয়, নিজের শিকড়ের দিকেও তাকানো দরকার।

আমরা কোথা থেকে এসেছি—এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে আমাদের ঘরের পুরোনো জিনিসগুলোর কাছেও যেতে হবে।

একদিন হয়তো এই যন্ত্রটির মতো অসংখ্য জিনিস পৃথিবী থেকে হারিয়ে যাবে। নতুন প্রজন্ম জানবেও না এগুলোর ব্যবহার কী ছিল। কিন্তু কোনো একদিন কোনো বৃদ্ধ মানুষ ছবিটির দিকে তাকিয়ে হয়তো মৃদু হেসে বলবেন—

“আহা, এই জিনিস তো আমাদের ঘরেও ছিল!”

সেই একটি বাক্যের সঙ্গে সঙ্গে ফিরে আসবে একটি উঠান, একটি ঘর, কয়েকজন প্রিয় মানুষ, মায়ের ডাক, বাবার কণ্ঠ, শৈশবের দুপুর, সন্ধ্যার আলো—ফিরে আসবে এমন এক সময়, যে সময় আর কখনো ফিরে আসবে না।

এই কারণেই পুরোনো জিনিসকে অবহেলা করার আগে একবার থেমে দেখা দরকার। হয়তো সেটি আজ আর কোনো কাজে লাগে না, কিন্তু তার ভেতরে জমে আছে আমাদের জীবনের একটি অধ্যায়।

সময় চলে যায়। মানুষ চলে যায়। ঘর বদলে যায়। ব্যবহার বদলে যায়। নতুন জিনিস পুরোনো জিনিসের জায়গা দখল করে নেয়।

তবু কিছু স্মৃতি কখনো অচল হয় না।

পুরোনো জিনিস তাই আসলে পুরোনো নয়—পুরোনো হয় শুধু সময়। আর সেই সময়ের বুকেই বেঁচে থাকে আমাদের শৈশব, আমাদের মানুষ, আমাদের ঘর এবং আমাদের হারিয়ে যাওয়া দিনগুলো।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/276246/</link>
				<pubDate>Sun, 20 Sep 2026 09:28:40 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>হারিয়ে যাওয়া দিনের স্মৃতি<br />
______ গাজিবর রহমান<br />
*******************************<br />
একটি পুরোনো জিনিস কখনোই শুধু একটি জিনিস নয়। তার গায়ে লেগে থাকে একটি সময়ের গন্ধ, মানুষের হাতের স্পর্শ, সংসারের গল্প আর ফেলে আসা দিনের অসংখ্য স্মৃতি।  এই পুরোনো যন্ত্রটিও তাই আমার কাছে নিছক একটি অচল বস্তু নয়; এটি যেন হারিয়ে যাওয়া এক সময়ের নীরব সাক্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-276246"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/276246/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7c5213f71a86df945805897129909ad4</guid>
				<title>গাজিবর রহমান changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/276245/</link>
				<pubDate>Sun, 20 Sep 2026 09:26:55 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>