<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Kazi Akter | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/kazi-romana-akter/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/kazi-romana-akter/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Kazi Akter.</description>
	<lastBuildDate>Tue, 09 Jun 2026 09:57:57 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">687474715ff17898621bca2cbabe844d</guid>
				<title>মাঝে মাঝে নিজের থাকাকে অর্থহীন মনে হয়।তোমার মনের ভুলের কারনেই যেন আমি আছি!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/28231/</link>
				<pubDate>Thu, 26 Aug 2021 08:35:58 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মাঝে মাঝে নিজের থাকাকে অর্থহীন মনে হয়।তোমার মনের ভুলের কারনেই যেন আমি আছি! </p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d854e3e0cab39a2061466470113adb96</guid>
				<title>তোমায় ছাড়া বাঁচবো না!! 
এই জিনিসটা আমাকে অনেক গভীর ভাবনাতে মগ্ন থাকতে বাধ্য করে!
আসলেই কি বাঁচবো না?! 
নাকি আমি মুড সুইং এর শিকার?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/16530/</link>
				<pubDate>Thu, 01 Jul 2021 05:48:38 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তোমায় ছাড়া বাঁচবো না!!<br />
এই জিনিসটা আমাকে অনেক গভীর ভাবনাতে মগ্ন থাকতে বাধ্য করে!<br />
আসলেই কি বাঁচবো না?!<br />
নাকি আমি মুড সুইং এর শিকার?</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">cc769ebd89eef8a94edb29005f28d37a</guid>
				<title>#ভয় #

বৃষ্টির এক আলাদা শব্দ আছে। টুপ-টাপ আবার রিমঝিম আবার হাওয়া বইলে 
সুও উওওও.
কলির বর্ষাকাল ভীষণ পছন্দ। আকাশ থেকে শুরু অবিকলভাবে পানি পড়তে থাকে,
কি সুন্দর! 
-আজিজ, তোমার মনে আছে, এমনই এক বৃষ্টির দিনে তোমার আমার প্রথম দেখা হয়েছিল। তুমি এত বড় বলদ ছিলে!।
হাসতে হাসতে কলি কিছু বলতে পারছেনা। 
-তুমি এতটাই শর্মিলা ঠাকুর ছিলে,তুমি আমার দিকে চোখ তুলেও তাকাচ্ছিলে না, শুধু  রুমাল দিয়ে তোমার ঘামের ফোটা গুলোকে আলতোভাবে মুছে নিচ্ছিলে বারবার।তারপর আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম, তা আপনি কি করেন?
তুমি আমতা আমতা করে বলেছিলে,আমি বই পড়ি, গাছ লাগাই আর ঘাস বড় হলে ঘাস কাটি। 
হো হো করে কলি হাসতে লাগলো।
কলিং বেল বেজে উঠলো।কলি চোখ বন্ধ করে বলে দিতে পারবে তার মা এসেছে।
-আজিজ,এই মহিলাকে দরজা খুলে দিতে ইচ্ছে করছে না,রোমান্সের বারোটা বাজিয়ে দিলো।কিন্ত মা হয় আমার।আচ্ছা, একটু দাঁড়িয়ে থাকুক।
এইভাবে তাকিয়ে আছো কেনো?
উফফো,যাচ্ছি।
-কিরে,এতক্ষণ ধরে কলিং বেল দিচ্ছি,ভিজে গেছি পুরো। 
-আমি জানতাম,তুমি ছাড়া এই সময়ে আর কেউ আসবে না।
-কিভাবে বুঝলি?
-রোমান্টিক মোমেন্ট নষ্ট করার অস্কার তুমি নিয়ে রেখেছো মা,তাই বুঝে গেছি।
-মানে?
-আরেহ,কিছু না,আসো।আমি কেক বানিয়েছি।আজিজের খুব পছন্দ কেকটা।বাবাও খুব পছন্দ।বাবা নাকি ভিডিও গেমস শেষে কেক খাবেন,কি এক নতুন নেশা করেছেন ভিডিও গেমস এর।আমি তোমার জন্য গামছা আর কাপড় -
কথা শেষ হওয়ার আগেই রোজিনা বেগম বললেন,
ইয়ার্কি করিস না তো,ইয়ার্কি শুনতে একদম ভালো লাগছে না।
-মা, আমি আসছি,ডাকছে আমাকে।
-ডাকছে মানে?বাসায় কে এসেছে?
-তোমার জামাই আর আমার জামাই।
কথাটি বলে অট্টহাসিতে ভেঙে পড়লো কলি।হাসতে হাসতে রুমের দিকে গেলো।
রোজিনা বেগম নিস্তব্ধ হয়ে গেলো।হাত-পা যেনো অবশ হওয়া শুরু করেছে।নাহ,অবশ হলে চলবে না।আজ মেয়ের এইসব ইয়ার্কি বন্ধ করেই দম নিবেন।
মেয়ের পিছে পিছে রুমে গেলেন।দরজাই দাঁড়িয়ে রোজিনা বেগম আসলেই অবাক হলেন। আসলেই চেয়ারে কেউ বসে আছে।
নাহ!
এইকিভাবে সম্ভব?!তাহলে কি কলির বাবা আসলেই গেমস খেলছেন?অনেক সাহস করে উনি পাশের রুমে ঢুকলেন, আসলেই ভিডিও গেমস অন করা।পা টিপে টিপে কদম বাড়ালেন।
-কিভাবে সম্ভব?!
 রোজিনা বেগম জ্ঞান হারালেন।
কতক্ষন পর জানেনা, তবে যেনো অনেক সময় পর রোজিনা বেগমের জ্ঞান ফিরলো।চোখ খুলে কলিকে দেখতে পেলো।দীর্ঘ স্বস্তির শ্বাস ফেললো কলি।
নিরব কন্ঠে কলি কে জিজ্ঞেস করলো,কেনো করলি এইকাজ? 
-আমি ওদের ছাড়া থাকতে পারবো না। 
-তিনটা বছর পার হয়ে গেছে,শুধু তুই না,আমিও..... কান্নাই কথা আটকে গেল রোজিনা বেগমের।
-জানি,এটা সহজ না।কিন্তু তাই বলে-
- হ্যাঁ মা তাই বলে আমি এমন টা করেছি।এইকাজ অনেক আগেই করা উচিত ছিল।সুযোগ হয়ে উঠে নি।
-কখন করেছিস?
-তুমি যেদিন মামা বাড়ি গেলে, তার পরেরদিন।
-মানে একমাস ধরে তারা এখানে আছে?
কলি হাসছে,এই এক অস্বাভাবিক হ্যাঁসূচক হাসি। 
-তাহলে আমি মারা গেলে আমার লাশকেও এভাবে ঘরে এনে, সাজিয়ে গুছিয়ে রাখবি?সবার অগোচরে আমাকে কবর থেকে তুলে আনবি?
-লাশ বলবে না মা।আজিজ, বাবা কেউ লাশ হয়নি।শুধু চামড়া গলে গেছে।আর তুমি মারা যাওয়ার পর তুমি কবরে যাচ্ছো না।যে ভুল আজিজ আর বাবার সাথে করেছি তা তোমার সাথে করবো না।চামড়া ঠিক রাখার অনেক পদ্ধতি আছে।আমি সব দেখে নিয়েছি।তাই তুমি এই ঘরেই থাকবে।আমার সাথে,বাবার সাথে,আজিজের সাথে।তুমি এইসব নিয়ে ভেবো না তো।আচ্ছা,আমি উঠছি। রান্নাবান্না করতে হবে।তোমার জন্য সুপ রাধতে হবে,আর তুমি তো জানোই,আজিজের আবার ক্ষুধা সহ্য হয় না।
-বাবা,তুমি কিন্তু বেশি করছো,মায়ের এই অবস্থাতেও তুমি ভিডিও গেমস খেলছো,মাকে দেখো রাখো,আমি কাজ শেষ করে আসছি।

 নিজের পাশেই কঙ্কাল দেখতে পেলো,এইটা নিশ্চয়ই জামিল।হাতে ভিডিও গেমস এর রিমোট।সুতা নাকি দড়ি দিয়ে প্রত্যেকটি হাড্ডি জোড়া লাগানো।
রোজিনা বেগম নিরবে তাকিয়ে আছেন জামিল সাহেবের দিকে। কখনো মৃত্যুকে ভয় করেন নি তিনি।কিন্তু আজ তার ভয় হচ্ছে,ভীষণ ভয়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/16436/</link>
				<pubDate>Wed, 30 Jun 2021 17:36:10 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>  <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23ভয়" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#ভয়</a> #</p>
<p>বৃষ্টির এক আলাদা শব্দ আছে। টুপ-টাপ আবার রিমঝিম আবার হাওয়া বইলে<br />
সুও উওওও.<br />
কলির বর্ষাকাল ভীষণ পছন্দ। আকাশ থেকে শুরু অবিকলভাবে পানি পড়তে থাকে,<br />
কি সুন্দর!<br />
-আজিজ, তোমার মনে আছে, এমনই এক বৃষ্টির দিনে তোমার আমার প্রথম দেখা হয়েছিল। তুমি এত বড় বলদ ছিলে!।<br />
হাসতে হাসতে কলি কিছু বলতে পারছেনা।<br />
-তুমি এতটাই শর্মিলা ঠাকুর ছিলে,তুমি আমার দিকে চোখ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-16436"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/16436/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5930ea8f49f7563856b28badfafa1517</guid>
				<title>খন্ড খন্ড টুকরো নিয়ে গড়ে ওঠা একটি পূর্ণ খন্ড,

দেখতে আগের মত হলেও আসল খন্ডের মত হয়না।অসতর্কতাবশত সে আবার খন্ডে খন্ডে পরিণত হয়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/10743/</link>
				<pubDate>Tue, 01 Jun 2021 07:08:21 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>খন্ড খন্ড টুকরো নিয়ে গড়ে ওঠা একটি পূর্ণ খন্ড,</p>
<p>দেখতে আগের মত হলেও আসল খন্ডের মত হয়না।অসতর্কতাবশত সে আবার খন্ডে খন্ডে পরিণত হয়।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>9</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a364aed1816c97109773dedf33a61241</guid>
				<title>গল্পের নাম:হিমু হবো

10 বছর বাইরের দেশে কাটানোর পর দেশে ফিরল হাম্মাদ।বাবা ইঞ্জিনিয়ার রফিক সাহেব ভিষন বাস্তববাদী মানুষ।ছেলে দেশে ফেরার 6 মাস পূর্ণ হলো আজ।কিন্তু এখন পর্যন্ত চাকরি-বাকরি করার ব্যাপারে একদম উদাসীন হয়ে আছে।শুধু খাওয়া,ঘুম আর বই পড়া।এই তিনটি কাজ ছাড়া আর দুটো কাজ করে।মাঝে মাঝে বাইরে যাওয়া আর মোবাইলে কথোপকথন।
কাশি দিতে দিতে ঢুকলো হাম্মাদের রুমে।ঢুকেই চোখ কপালে উঠলো রফিক সাহেবের।
-কি ব্যাপার,এই রাতের বেলা কটকটে হলুদ পাঞ্জাবি পরেছিস কেন তুই?কারো গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে যাচ্ছিস?
-না বাবা,বাইরে হাঁটতে যাচ্ছি।তুমি কি কিছু বলতে এসেছিলে?
-তোর কি কথা শুনার সময় হবে?
-বলো।
-জীবন নিয়ে সামনের পরিকল্পনা কি তোর?মানে কি হতে চাস?কি করতে চাস?
-বাবা,আমি হিমু হতে চাই।
-মানে?
-ঠিক শুনেছ।আমি হিমু হতে চাই।
-হুমায়ূন আহমেদ?
-হ্যাঁ। 
-সে তো বিরাট পাগল।রাত-বিরাতে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়ায়।কোনো পরিবার নেই,পরিজন নেই,তুই কেনো এমন হতে চাস?আর হিমু হবার জন্য রাস্তা-ঘাট চেনা লাগে,যা তুই চিনিস না।রফিক সাহেব নিজের কথাতে নিজেই অনেক মজা পেলেন।যদিও হাসির কোনো কথা তিনি বলেন নি।
-প্রথমত হিমুকে পাগল বলবে না।দ্বিতীয়ত,আমি মানছি আমি চিনি না কিন্তু ইচ্ছা থাকিলে উপায় হয়।তাই আমি আজ থেকে প্রতিরাতে এক ঘন্টা রাস্তা চেনার প্র্যাকটিস করবো।
-আর রুপার কি হবে?
-কোন রুপা?
-হিমুর নায়িকার নাম রুপা ছিলো।তুই হিমু হতে চাস,তাহলে তোর নায়িকার নাম কি হবে?
-অও আচ্ছা,অর্পার কথা বলছো।তারতো ব্রেইন টিউমার।বিদেশ চলে গেছে।
রফিক সাহেব আশ্চর্য চোখে ছেলের দিকে তাকিয়ে আছে।একটা মেয়ে,যাকে কিনা তার ছেলে ভালোবাসে বলে দাবি করে,তার এতো বড় রোগের কথা এতো স্বাভাবিকভাবে বলে ফেললো!রফিক সাহেব কি করবেন বুঝতে পারল না। 
হাম্বাদের মোবাইল বাজছে।একি!অর্পার কল। তাও বাংলাদেশি নাম্বার!
-হ্যালো অর্পা,আমি এখন ব্যস্ত আছি পরে ফোন দিচ্ছি।
-তুই না বললি অর্পা বিদেশ গেছে? 
-আরে না বাবা, ওটা তো আমার দুঃস্বপ্ন ছিল।গতকাল রাতে দেখেছি অর্পার  মেডিকেল রিপোর্টে ব্রেইন টিউমার ধরা পড়েছে,তো চিকিৎসার জন্য বিদেশ চলে গেছে।বাস্তবে এমন কিছুই হয়নি।হা-হা-হা।  
রফিক সাহেব রক্তগরম দৃষ্টিতে ছেলের দিকে তাকিয়ে আছে।হাম্মাদ তার দৃষ্টিকে পুরো অগ্রাহ্য করে গেল।সে খুব মনোযোগ দিয়ে রেডি হচ্ছে।নামাজ পড়া শেষ করে মোবাইল হাতে নিয়ে বললো, বাবা তাহলে আসি।ভেবে টেস্ট শুরু করব,কিন্তু আজ আমার পুরনো জিনিস ঘাটতে গিয়ে একটা লিখা পরলো।
&quot;আজকের কাজ কালকের জন্য ফেলে রেখোনা&quot;।লেখাটা দেখার পর থেকে মাথায় ঘুরছে শুধু,যেন আল্লাহ আমাকে ইশারা দিচ্ছে আজকে থেকেই শুরু করো।যাই হোক, যাচ্ছি বাবা।
রফিক সাহেব বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছেলের চলে যাওয়া দেখছে।হাম্মাদ সত্যিসত্যি জুতাও পড়েনি।বেরিয়ে গেল।রফিক সাহেব বুঝে উঠতে পারছেন না ডিফেক্ট কোথায় ছিল।রকিক সাহেবের বাবা রাগান্বিত অবস্থায় সবসময় বলতেন,ছোট ছোট ভুল একসময় এক বিরাট ভুলের জন্ম দেয়,ছোট ছোট ভুলের কারণে একদিন তোর জীবনের কোন এক প্রসেসিং পয়েন্টে এমন গলদ দেখা দিবে যার কারনে ডাটা প্রসেসিং বন্ধ হয়ে যাবে আর সেদিন চোখে সব অন্ধকার দেখতে পাবি।তাহলে কি বাবা আজকের দিনের কথা বলছিলেন?রফিক সাহেব আসলেই সব অন্ধকার দেখছেন।এই প্রোগ্রামিং এর কোন লুপে সে ভুল করেছে তার মাথায় ঢুকছে না।
হাম্মাদ রাস্তায় হাঁটছে।খালি পায়ে আগে কখনো হাঁটেনি তাই একটু ব্যাথা লাগছে কিন্তু তাতে কি,কষ্ট করলে কেষ্ট মিলে।
মশা তাকে ঘিরে ধরেছে,ওডোমোস মাখা উচিৎ ছিলো,না নাহ,মশা তাহলে খাবে কি!
মশারা তাকে পেয়ে কতই না খুশি হয়েছে,তাদের চোখে মুখে খুশির ঝিলিক দেখছে হাম্মাদ,তারা যেনো হাম্মাদকে অভ্যর্থনা জানাচ্ছে।
হাম্মাদ মৃদু হেসে বললো,হিমু এসে গেছে,এখন তোদের চিন্তা নেই।




‌</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/8760/</link>
				<pubDate>Fri, 23 Apr 2021 10:39:24 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গল্পের নাম:হিমু হবো</p>
<p>10 বছর বাইরের দেশে কাটানোর পর দেশে ফিরল হাম্মাদ।বাবা ইঞ্জিনিয়ার রফিক সাহেব ভিষন বাস্তববাদী মানুষ।ছেলে দেশে ফেরার 6 মাস পূর্ণ হলো আজ।কিন্তু এখন পর্যন্ত চাকরি-বাকরি করার ব্যাপারে একদম উদাসীন হয়ে আছে।শুধু খাওয়া,ঘুম আর বই পড়া।এই তিনটি কাজ ছাড়া আর দুটো কাজ করে।মাঝে মাঝে বাইরে যাওয়া আর মোবাইলে কথোপকথন।<br />
কাশি দিতে দিতে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-8760"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/8760/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>15</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>