<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | md alam | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/mdalam/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/mdalam/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for md alam.</description>
	<lastBuildDate>Wed, 14 Oct 2026 12:21:35 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">7789e978e51e9e785ba711ba8028aced</guid>
				<title>রাজার স্বপ্ন 
জাহাঙ্গীর আলম শিমুল 

‘স্বপ্ন মঙ্গল’ বা ‘হিং টিং ছট’ কবিতায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একজন রাজার কথা বলেন যিনি ঘুমের ভিতর স্বপ্ন দেখেন। আর ঘুম ভেঙ্গে গেলে উন্মাদের মতো তার অর্থ খোঁজেন। 
রাজা হবু চন্দ্র স্বপ্ন দেখেন। দৃশ্যটি এমন:
শিয়রে বসে তিনটি বানর উকুন বাঁচছে। রাজা নড়তে পারছেন না। নড়তে গেলেই চড়। বানরগুলোর তীক্ষ্ণ ধারালো নখ। রাজার চোখে-মুখে সেই নোখের আঁচড়। বানরগুলো হঠাৎ মিলিয়ে যায়। এবার রাজার স্বপ্নে আবির্ভূত হয় এক বেদে। বেদের পোষা পাখিটি খাঁচায় নেই। উড়ে গেছে। বেদে কাঁদতে থাকে। হঠাৎ রাজাকে সামনে পেয়ে কোলে তুলে নেয়। রাজা হয়তো নিজেকে ছাড়িয়ে নিতে চান। হাত-পা ছোড়েন। তখন তার ঘুম ভেঙ্গে যায়। পরদিন তিনি রাজ দরবারে গিয়ে রাতের স্বপ্নের অর্থ জানতে চান। সভাসদদের ডেকে পাঠান। গবু চন্দ্র, রাজার মন্ত্রী, রাজস্বপ্নের কোন অর্থ খুঁজে পাননা। তিনি ভেবে ভেবে চুপ হয়ে যান।

রাজ্যময় অচলাবস্থা। ছয়-সাত দিন কারো চোখে ঘুম নেই। পেটে ভাত নেই। রাজ্যের সবাই ভেবে অস্থির। ছেলে-বৃদ্ধ, মেয়ে-পুরুষ কেউ স্বপ্নের অর্থ ভেবে পায়না। সবাই সারি সারি বসে আছে। মুখে কথা নেই। কবির ভাষায়:
“সারি সারি বসে গেছে, কথা নাহি মুখে
চিন্তা যত ভারী হয় মাথা পড়ে ঝুঁকে।”

রাজা সভায় পন্ডিতদের মেলা বসে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পন্ডিতগণ শাস্ত্র দেখেন, পাতা উল্টান, কিন্তু রাজার স্বপ্নের অর্থ খুঁজে পাননা। রাজা হতাশ। তিনি সভাসদদের ম্লেছ দেশের খবর নিতে বলেন। যদি সেদেশে পন্ডিত সমাজ বলে কিছু থাকে তবে তাদের সভায় হাজির করার হুকুম দেন। ঢাকঢোল বাজিয়ে এক যবন পন্ডিত আসেন। চোখ নীল। চুল ও কপোল পিঙ্গল বর্ণের। তিনি ভূমিকা করার ধার ধারেন না। রাজকীয় শিষ্টাচার যেন তার স্বভাবে নেই। পন্ডিত রাজসভাকে ঘড়ি দেখে সময় বেঁধে দেন। অতঃপর রাজার স্বপ্নের বর্ণনা শুনে রেগে যান। বাম করতলে ডান হাতের মুষ্টি হেনে বলেন, “ডেকে এনে পরিহাস।”

এক ফরাসি পন্ডিত। সদা হাস্যোজ্জ্বল বিদেশি। মাথা নুয়ে বলেন, স্বপ্ন স্বপ্নই। এর কোন অর্থ হয় না। কথা শুনে সবাই ‘ধিক ধিক’ করে ওঠেন। পন্ডিতদ্বয়কে ‘গন্ডমুর্খ পাষন্ড নাস্তিক’ বলে গাল দেন। নিষ্ঠুরতার এখানেই শেষ নয়। রাজা হবু চন্দ্র চোখ লাল করে হুকুম করেন:
“হেঁটোয় কন্টক দাও, উপরে কন্টক
ডাল কুত্তাদের মাঝে করহ বন্টন।”

এবার মঞ্চে আসেন এক ক্ষীণকায় বাঙ্গালী। নিতান্তই খর্বাকৃতি। সাজ-সজ্জাও সাধারণ। তিনি অভিবাদন করতে জানেন না। কুশল জিজ্ঞেস করেন না। কিন্তু কথায় পারঙ্গম। বাঙ্গালী পন্ডিতের কথা শুনে সভাসদ বিস্মিত হয়। রবীন্দ্রনাথের ভাষায়:
“এতটুকু যন্ত্র হতে এত শব্দ হয়
দেখিয়া বিশ্বের লাগে বিষয় বিস্ময়।”

গৌড় দেশীয় পন্ডিত সাহসী মানুষ। রাজার স্বপ্নের কথা শুনে মুখ গম্ভীর করে বলেন, স্বপ্নের অর্থ নিতান্তই সরল। তিনি ভগবান শিবের ত্রিনয়ন, জীবশক্তির সাথে শিব শক্তির দ্বন্দ্ব, আনবিক শক্তির সাথে চুম্বক শক্তির সম্পর্ক, জীবাত্মার সাথে জীবের চিন্তা এবং পরমাত্মার মায়ারূপে জগতে বিরাজমান থাকার মধ্যে রাজস্বপ্নের অর্থ খুঁজে পান। সভায় ‘সাধু’ ‘সাধু’ রব পড়ে যায়।
কবিতার শেষাংশে কবির সিদ্ধান্ত এমন: ‘স্বপ্ন মঙ্গলের কথা অমৃত সমান।’ এই স্বপ্ন কথা আমাদের সকল ভুল ঘুচিয়ে দেবে। আমরা হয়তো সত্যকে মিথ্যা; আর মিথ্যাকে সত্য বলে বুঝাতে পারবো। কারণ, কবিতার ভাষায়, ‘ আমাদের যা আছে তা নেই। আর যা নেই তা আছে।’ অতএব জগৎ মিথ্যা আর মায়াময়। তবু মানুষ স্বপ্ন দেখে। আর স্বপ্নই সত্য।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282681/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 17:20:49 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>রাজার স্বপ্ন<br />
জাহাঙ্গীর আলম শিমুল </p>
<p>‘স্বপ্ন মঙ্গল’ বা ‘হিং টিং ছট’ কবিতায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একজন রাজার কথা বলেন যিনি ঘুমের ভিতর স্বপ্ন দেখেন। আর ঘুম ভেঙ্গে গেলে উন্মাদের মতো তার অর্থ খোঁজেন।<br />
রাজা হবু চন্দ্র স্বপ্ন দেখেন। দৃশ্যটি এমন:<br />
শিয়রে বসে তিনটি বানর উকুন বাঁচছে। রাজা নড়তে পারছেন না। নড়তে গেলেই চড়। বানরগুলোর তীক্ষ্ণ ধারালো ন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-282681"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/282681/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">13b6cb76c6f034118fa550b51ecb40ca</guid>
				<title>বলাকা’র ঐশ্বরিক বাণী 
জাহাঙ্গীর আলম শিমুল 

সূর্য অস্ত গেছে। সোনালী আভায় জল ঝিলমিল করছে। সন্ধ্যার অন্ধকারে ঝিলম নদীর স্রোত এখন মলিন। যুদ্ধ শেষে রাজপুত্র তলোয়ার খানা খাপে পুড়লে সেটি যেমন অদৃশ্য হয়ে যায়, তেমনি। দিনের বেলায় ভাটা ছিল। এখন রাত। তাই নক্ষত্রের টানে নদীতে জোয়ার এসেছে। চাঁদের আলোয় নদীর কালো জলে ঢেউয়ের বুদবুদ তারা ফুল হয়ে ফুটে উঠে। ঝিলম নদীর পাড়ে পাহাড়ের ধারে অন্ধকার উপত্যকায় সারি সারি দেবদারু। একে অন্যের খুব কাছাকাছি- ঝিরঝির করছে। রবীন্দ্রনাথের মনে হল, স্রষ্টার সকল সৃষ্টি যেন স্বপ্নের ভিতর কথা বলতে চায়। কিন্তু ভাষা নেই। তাই মনের কথা স্পষ্ট করে উচ্চারণ করতে পারেনা। বুকের ভেতর অব্যক্ত ধ্বনির পুঞ্জ গুমরে গুমরে উঠে। তখন হঠাৎ ঝিলমের তটে সন্ধ্যার আকাশ হতে শব্দের বিদ্যুৎচ্ছটা ভেসে আসে। শূণ্য প্রান্তর হতে ধ্বনির পুঞ্জ মূহুর্তের মধ্যে দূর দূরান্তে ছড়িয়ে পড়ে। আবছা অন্ধকার। কবি ভাল দেখতে পাননা। এক ঝাঁক হংসবলাকা জলমগ্ন প্রান্তর হতে আকাশে উড়ে যায়। তাদের দেহ প্রাণ রসে পরিপূর্ণ। তাদের পাখার পিস্টনে ঝড় ওঠে। রাশি রাশি হংস বলাকা যেন আনন্দে অট্রহাসি দিয়ে উড়ে চলে। উড়ন্ত পাখির ধ্বনি-তরঙ্গে আকাশ বিস্মিত হয়ে জেগে ওঠে।
অপ্সরা রমণীরা যেমন ঋষিদের তপস্যায় বিঘ্ন ঘটাতো, তেমনি অসংখ্য পাখির পক্ষধ্বনি রাত্রির স্তব্দতাকে ধ্বংস করে দেয়। আর সেই শব্দে অন্ধকারে ডুবে যাওয়া পাহাড় আর দেবদারু শিহরিত হয়। পাখির পক্ষধ্বনি মূহুর্তের জন্য কবির মনে ভাষা পায়। তার স্থবির নিশ্চল মন আনন্দে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে। এক ঝাঁক হংসবলাকার উড়ে যাওয়া এখন আর অর্থহীন ধ্বনি মাত্র নয়। কবির মৃত আত্মাকে প্রাণবান আর গতিশীল করার মতো শব্দময় ঐশ্বরিক বাণী।
গোধূলির স্তব্দতা ভেদ করে রাশি রাশি বলাকার পাখার ধ্বনি প্রকৃতির প্রাণ ফিরিয়ে দেয়। স্থবির প্রকৃতি গতি ফিরে পায়। কবিতা-পুরুষের মনে গতিশীল হবার আকাঙ্ক্ষা জাগে। বৈশাখ মাসের মেঘ যেমন নিরুদ্দেশ উড়ে যায়, তেমনি উড়ে যাবার আকাঙ্ক্ষা জাগে পাহাড়ের মনে। বৃক্ষরাজি মাটির বন্ধন ছিন্ন করে পাখির পক্ষধ্বনি অনুসরণ করে আকাশে উড়ে যেতে চায়। প্রকৃতি যেন স্বপ্ন ভেঙ্গে জেগে ওঠে। অজানা অচেনা সূদুর কোন দেশের জন্য তার মনে বেদনার ঢেউ জাগে। পৃথিবী তখন আপন বন্ধন ছিন্ন করে আর কোথাও উড়ে যেতে চায়। তার মনে এক ব্যাকুল বাণী বেজে ওঠে:
“হেথা নয়, হোথা নয়, আর কোনখানে।”</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/276879/</link>
				<pubDate>Tue, 22 Sep 2026 02:51:13 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বলাকা’র ঐশ্বরিক বাণী<br />
জাহাঙ্গীর আলম শিমুল </p>
<p>সূর্য অস্ত গেছে। সোনালী আভায় জল ঝিলমিল করছে। সন্ধ্যার অন্ধকারে ঝিলম নদীর স্রোত এখন মলিন। যুদ্ধ শেষে রাজপুত্র তলোয়ার খানা খাপে পুড়লে সেটি যেমন অদৃশ্য হয়ে যায়, তেমনি। দিনের বেলায় ভাটা ছিল। এখন রাত। তাই নক্ষত্রের টানে নদীতে জোয়ার এসেছে। চাঁদের আলোয় নদীর কালো জলে ঢেউয়ের বুদবুদ তারা ফুল হ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-276879"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/276879/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2061ccd0e2eab92ec4e9d6c015dcc192</guid>
				<title>ঝড়
জাহাঙ্গীর আলম শিমুল 

বৃদ্ধ ঝড়ের দিকে মুখ করে দাঁড়ালেন-
ভাবলেন,  মুখোমুখি হবেন তার।
তিনি ঝড়ের শব্দ শুনতে পেলন
প্রবাহমান হাওয়ার প্রবল আর্তনাদ।

তিনি চোখ তুলে তাকালেন-
ভাবলেন, দেখবেন আরো।
অথচ,  উড়ে আসা ধুলো ঝড়ে
তার চোখ অন্ধ হয়ে গেল।

ঝড় বাড়লো, বাড়লো আরো
উড়ন্ত নুড়ি ঠোকর বসালো।
বৃদ্ধ রক্তাক্ত হলেন
যতক্ষন পারলেন দাঁড়িয়ে রইলেন
তারপর শুয়ে পড়লেন মাটিতে।

ঝড় থেমে গেলে ধুলোর কবর ভেঙ্গে
প্রতিবেশিরা উদ্ধার করলো তাকে।

ঝড়ের দিকে পিঠ দাও, বললেন তিনি 
কাধের চাদর জড়িয়ে নাও দেহে।
হাওয়া তীব্র হলে আনত হও
তান্ডব বয়ে যাবে পিঠের উপরে।

ঝড় থেমে গেলে 
কপালের ধুলো ঝেড়ে আবার হাঁটো।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/272828/</link>
				<pubDate>Fri, 11 Sep 2026 08:29:29 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ঝড়<br />
জাহাঙ্গীর আলম শিমুল </p>
<p>বৃদ্ধ ঝড়ের দিকে মুখ করে দাঁড়ালেন-<br />
ভাবলেন,  মুখোমুখি হবেন তার।<br />
তিনি ঝড়ের শব্দ শুনতে পেলন<br />
প্রবাহমান হাওয়ার প্রবল আর্তনাদ।</p>
<p>তিনি চোখ তুলে তাকালেন-<br />
ভাবলেন, দেখবেন আরো।<br />
অথচ,  উড়ে আসা ধুলো ঝড়ে<br />
তার চোখ অন্ধ হয়ে গেল।</p>
<p>ঝড় বাড়লো, বাড়লো আরো<br />
উড়ন্ত নুড়ি ঠোকর বসালো।<br />
বৃদ্ধ রক্তাক্ত হলেন<br />
যতক্ষন পার&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-272828"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/272828/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f02d13ec123e489d486fe2af95e21ff4</guid>
				<title>অপরিচিত
জাহাঙ্গীর আলম শিমুল 

দুমিনিট বসতেই লোকটি আপন হয়ে যায় 
সাপের মতো- কুণ্ডলি পাকানো নয়, টান টান 
হাত পা সমেত- ঢুকে পড়ে বুকের মধ্যে।

তিনি আমার বুকের ভিতর কথা বলেন
তিনি আমার ওষ্ঠে বসে কথা বলেন;
আত্মার ভিতর লুকানো অদৃশ্য ছুড়ি দিয়ে 
আমাকে টুকরো টুকরো করে কাটেন।

ট্রেন থেকে নেমে আমি বুকে হাত রাখি-
হৃদয়ের চারপাশ খুঁজি; 
অথচ আমার হৃদস্পন্দন চুরি করে
তিনি নেমে পড়েছেন আগের স্টেশনে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/271220/</link>
				<pubDate>Mon, 07 Sep 2026 15:05:49 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অপরিচিত<br />
জাহাঙ্গীর আলম শিমুল </p>
<p>দুমিনিট বসতেই লোকটি আপন হয়ে যায়<br />
সাপের মতো- কুণ্ডলি পাকানো নয়, টান টান<br />
হাত পা সমেত- ঢুকে পড়ে বুকের মধ্যে।</p>
<p>তিনি আমার বুকের ভিতর কথা বলেন<br />
তিনি আমার ওষ্ঠে বসে কথা বলেন;<br />
আত্মার ভিতর লুকানো অদৃশ্য ছুড়ি দিয়ে<br />
আমাকে টুকরো টুকরো করে কাটেন।</p>
<p>ট্রেন থেকে নেমে আমি বুকে হাত রাখি-<br />
হৃদয়ের চারপাশ খুঁজি;<br />
অথচ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-271220"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/271220/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">45f6f02a78e72631b7d8824ac29f8073</guid>
				<title>md alam changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/271168/</link>
				<pubDate>Mon, 07 Sep 2026 13:23:21 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9358149a161aeb5451387eeec9ecd7a6</guid>
				<title>একটি কবিতা 
জাহাঙ্গীর আলম শিমুল 

একটি কবিতা লিখবো বলে
আমি ভর দুপুরে ঘর ছাড়ি-
মানুষ স্নান করে, ভাত রাঁধে
মানুষ কাজ করে, মসজিদে যায়-
আমি উদ্ভট রোদে পথ হাঁটি।

একটি কবিতা দাও, হে ঈশ্বর 
আমার কথা নেই, ভাষা নেই, চিন্তা নেই।
আমাকে একটি কবিতা দাও, হে ঈশ্বর 
আমার কেবল দীর্ঘশ্বাস আছে।

তোমার দীর্ঘশ্বাস তোমার কবিতা হোক-
পরম পুরুষ বলে- 
মানুষের দীর্ঘশ্বাস একটি সুন্দর কবিতা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/268809/</link>
				<pubDate>Wed, 02 Sep 2026 15:27:30 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>একটি কবিতা<br />
জাহাঙ্গীর আলম শিমুল </p>
<p>একটি কবিতা লিখবো বলে<br />
আমি ভর দুপুরে ঘর ছাড়ি-<br />
মানুষ স্নান করে, ভাত রাঁধে<br />
মানুষ কাজ করে, মসজিদে যায়-<br />
আমি উদ্ভট রোদে পথ হাঁটি।</p>
<p>একটি কবিতা দাও, হে ঈশ্বর<br />
আমার কথা নেই, ভাষা নেই, চিন্তা নেই।<br />
আমাকে একটি কবিতা দাও, হে ঈশ্বর<br />
আমার কেবল দীর্ঘশ্বাস আছে।</p>
<p>তোমার দীর্ঘশ্বাস তোমার কবিতা হোক-<br />
প&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-268809"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/268809/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>