<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | mueheb samnun | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/muehebsamnun/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/muehebsamnun/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for mueheb samnun.</description>
	<lastBuildDate>Sun, 07 Jun 2026 04:59:14 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">b91acd2f2c8fba43dc7a0184315c97e0</guid>
				<title>বৃষ্টির গন্ধটা বাতাসে ছিল, কিন্তু বৃষ্টি নামেনি।  ভ্যাপসা গরম আর স্যাতসেতে আর্দ্রতা মিশে চারপাশটা যেন একটা থমথমে নাটকের মঞ্চ হয়ে উঠেছিল।

​তিনতলার ছাদ। ঠিক মাঝখানটায় পড়ে আছেন রহিম সাহেব। চোখ দুটো আধবোজা, যেন অনন্তকালের কোনো বিস্ময় দেখছেন। গলায় কালচে ফাঁসের দাগটা প্রদীপের আলোর নিচে একটা কুৎসিত শুঁয়োপোকার মতো লেপ্টে আছে। পাশে একটা কাঠের চেয়ার ওল্টানো, একটা পায়া ভাঙা। আত্মহত্যার এত নিখুঁত আয়োজন সচরাচর দেখা যায় না।

​গোয়েন্দা স্যামুয়েল হোসেন—যাকে সবাই স্যাম বলে ডাকে—ধীরে ধীরে দোতলা থেকে নেমে এলেন। দোতলার ঘরটায় ঘুটঘুটে অন্ধকার, অথচ সিন্দুকের ভারী পাল্লাটা হাঁ করে খোলা, ভেতরটা শূন্য। যেন একটা তৃষ্ণার্ত মুখ।

​নিচতলার বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিলেন রহিমের ছোট ভাই ফারুক। কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম, হাতের আঙুলগুলো অনবরত কাঁপছে। স্যামকে দেখেই ওড়না দিয়ে মুখ মোছার মতো করে হাত দিয়ে কপালটা মুছলেন। তারপর জড়ানো গলায় বললেন, &quot;দাদা... মানে, ভাইয়া তো রাতে রোজই ছাদে হাঁটতে যান। আজকেও গিয়েছিলেন। আমি ভাবলাম...&quot;

​স্যাম কোনো কথা বললেন না। তার দৃষ্টি তখন ছাদের রেলিংয়ের দিকে। স্যামের চোখে একটা উদাসীন কিন্তু তীক্ষ্ণ দৃষ্টি। তিনি নিচু হয়ে ফারুকের জুতোর সোলের দিকে তাকালেন।

​&quot;আজ সারাদিন এ শহরে এক ফোঁটা বৃষ্টি হয়নি, তাই না ফারুক সাহেব?&quot; স্যামের গলাটা অনেক শান্ত শোনাল।

​ফারুক থতমত খেয়ে গেলেন, &quot;না... মানে, মেঘ করেছিল...&quot;

​&quot;অথচ আপনার জুতোর নিচে টাটকা ভেজা কাদা লেগে আছে।&quot; স্যাম একটু হাসলেন, সেই হাসিতে  একটা রহস্যময় উদাসীনতা ছিল। &quot;ছাদের এক কোণে টবের গাছগুলোয় আজ বিকেলে জল দেওয়া হয়েছিল। মাটিগুলো এখনো থিকথিক করছে। আপনি যখন রহিম সাহেবকে পেছন থেকে এসে জড়িয়ে ধরলেন, তখন তিনি বাঁচার জন্য ছটফট করছিলেন। ধস্তাধস্তির সময় আপনার পা চলে গিয়েছিল ওই টবের মাটিতে।&quot;

​ফারুকের মুখের সমস্ত রক্ত যেন এক সেকেন্ডে কেউ শুষে নিল। তার কাঁধ দুটো ঝুলে পড়ল।

​স্যাম পকেট থেকে একটা সিগারেট বের করে না ধরিয়েই আঙুলের ফাঁকে ঘোরাতে ঘোরাতে বললেন, &quot;টাকার লোভ বড় অদ্ভুত জিনিস, ফারুক সাহেব। দোতলার সিন্দুকটা খালি করে যখন পালাচ্ছিলেন, তখন মাথায় এল আত্মহত্যার নাটক সাজানোর কথা। দড়িটা গলায় পেঁচিয়ে, চেয়ারটা উল্টে দিয়ে ভাবলেন কাজ শেষ? কিন্তু ওই যে... প্রকৃতির একটা নিজস্ব নিয়ম আছে। আপনার জুতোর ভেজা মাটি রয়ে গেল ছাদের শুকনো মেঝেতে। রহিম সাহেবকে আপনি ঠেলে ফেলেননি ঠিকই, কিন্তু তাকে ঝুলিয়ে দেওয়ার পর যখন তাড়াহুড়ো করে নামছিলেন, নিজের পায়ের ছাপগুলো মুছে যেতে ভুলে গেছেন।&quot;

​ছাদের ওপর তখন একটা রাতচরা পাখি ডেকে উঠল। ফারুকের ঠোঁট দুটো কাঁপছিল, কিন্তু কোনো শব্দ বের হলো না। অপরাধের ওজন ততক্ষণে তাকে গ্রাস করে নিয়েছে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/248978/</link>
				<pubDate>Mon, 18 May 2026 13:43:53 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বৃষ্টির গন্ধটা বাতাসে ছিল, কিন্তু বৃষ্টি নামেনি।  ভ্যাপসা গরম আর স্যাতসেতে আর্দ্রতা মিশে চারপাশটা যেন একটা থমথমে নাটকের মঞ্চ হয়ে উঠেছিল।</p>
<p>​তিনতলার ছাদ। ঠিক মাঝখানটায় পড়ে আছেন রহিম সাহেব। চোখ দুটো আধবোজা, যেন অনন্তকালের কোনো বিস্ময় দেখছেন। গলায় কালচে ফাঁসের দাগটা প্রদীপের আলোর নিচে একটা কুৎসিত শুঁয়োপোকার মতো লেপ্টে আছে। পাশে একটা কাঠের চেয়&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-248978"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/248978/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3b38c6fa8c617009c6d54b8c3fe63435</guid>
				<title>mueheb samnun changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/248976/</link>
				<pubDate>Mon, 18 May 2026 13:26:08 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f1cdd1608171dcd3b7f235b56261f063</guid>
				<title>রাত ঠিক দুটো। হঠাৎ করেই ঘুমটা ভেঙে গেল। ঘর অন্ধকার, শুধু জানলা দিয়ে বাইরের ল্যাম্পপোস্টের আবছা আলো এসে পড়েছে ঘরের কোণে। তাকিয়ে দেখি, বিছানার ঠিক পাশেই বসে আছে কুকুরটা। একদম স্থির, কোনো নড়চড় নেই। শুধু ওর চোখ দুটো অন্ধকারে অদ্ভুত একটা লালচে আভায় জ্বলছে।
​অথচ আজ সন্ধ্যায় যখন ওকে রাস্তা থেকে কুড়িয়ে আনলাম, কী নরম, কী নিরীহ লাগছিল দেখতে! একটু আদর করতেই কেমন কুণ্ঠিত হয়ে লেজ নাড়ছিল।
​গায়ে একটু কাঁটা দিল। ধড়ফড়ানিটা চেপে ফিসফিস করে বললাম, “কী রে, ঘুমা...”
​কথাটা শুনেই সে মাথাটা আলতো করে কাত করল। তারপর... তার ঠোঁটের কোণ দুটো দুপাশে প্রসারিত হতে শুরু করল। খুব ধীরে ধীরে, একটা কুৎসিত হাসি ফুটে উঠল ওর মুখে।
​বুকটা ধক করে উঠল। কুকুর তো হাসে না!
​এক মুহূর্তও আর ওই ঘরে থাকতে ইচ্ছে করল না। শরীর ঝাঁকিয়ে বিছানা থেকে নামতে গেলাম, কিন্তু পারলাম না। কোমর থেকে পা পর্যন্ত পুরো অবশ হয়ে গেছে, যেন পাথরের মতো ভারী।
​ঠিক তখনই, একদম আমার খাটের তলা থেকে একটা চেনা কণ্ঠস্বর ফিসফিস করে উঠল। আমার নিজের গলার আওয়াজ, হুবহু আমি! ভেতর থেকে কেউ একজন আতঙ্কে কাঁপতে কাঁপতে বলছে— “চুপ কর... ও এখনো ঘুমায়নি!”
​শরীরের শেষ রক্তবিন্দু যেন জমে বরফ হয়ে গেল। খাটের নিচের মানুষটা যদি আমি হই, তবে আমার সামনে বসে থাকা এই জিনিসটা কে? না, ও আমার দিকে চেয়ে হাসছে না... ও আসলে নিজের দিকেই তাকিয়ে হাসছে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/248650/</link>
				<pubDate>Sun, 17 May 2026 15:18:53 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>রাত ঠিক দুটো। হঠাৎ করেই ঘুমটা ভেঙে গেল। ঘর অন্ধকার, শুধু জানলা দিয়ে বাইরের ল্যাম্পপোস্টের আবছা আলো এসে পড়েছে ঘরের কোণে। তাকিয়ে দেখি, বিছানার ঠিক পাশেই বসে আছে কুকুরটা। একদম স্থির, কোনো নড়চড় নেই। শুধু ওর চোখ দুটো অন্ধকারে অদ্ভুত একটা লালচে আভায় জ্বলছে।<br />
​অথচ আজ সন্ধ্যায় যখন ওকে রাস্তা থেকে কুড়িয়ে আনলাম, কী নরম, কী নিরীহ লাগছিল দেখতে! একটু আদর করতে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-248650"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/248650/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>