<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Muhaiminul Hoque | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/muhaiminul-hoque/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/muhaiminul-hoque/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Muhaiminul Hoque.</description>
	<lastBuildDate>Sun, 07 Jun 2026 01:50:17 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">0d9c8218fec84326831fc41abb71db58</guid>
				<title>সৌদি আরব কি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে?

 গত ৫ অক্টোবর তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর জোট ওপেক ও রাশিয়া মিলে উল্লেখযোগ্য পরিমানে তেল উত্তোলন কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইউক্রেন-রাশিয়ার দীর্ঘদিনের যুদ্ধের কারনে যখন সারা বিশ্বে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে, তখন ওপেক প্লাসের এই ঘোষণায় পশ্চিমা দেশগুলো খুব চিন্তিত। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন সৌদি আরবের সাথে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তেমন কোন সাড়া পায় নাই। অবশেষে তিনি সৌদি আরবকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা এক মাসের জন্য পেছানোর অনুরোধ জানান। কিন্তু সৌদি আরব তার এই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে। বিপরীতে বাইডেন সৌদি আরবে তিন দশক ধরে মোতায়েন থাকা মার্কিন সামরিক উপস্থিতি প্রত্যাহারের হুমকি দিয়েছেন। এছাড়া সাংবাদিক জামাল খাসোগি হত্যাকান্ড, অর্থনৈতিক জোট ব্রিকসে সৌদি আরবের যোগদানের সম্ভাবনাসহ বিভিন্ন কারনে সৌদি-মার্কিন সম্পর্কের টানপোড়নে অনেকে মনে করছেন যে, সৌদি আরবের উপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে। আসলেই কি তাই? সৌদি আরব কি তাহলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব মুক্ত হয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা অর্জন করেছে?
 বিংশ শতাব্দীর শুরুতে বৃটিশ সাম্রাজ্যের সার্বিক সহায়তা ও তত্বাবধায়নে তৎকালীন উসমানীয় খিলাফতের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে জন্ম নেওয়া সৌদি আরব দীর্ঘদিন বৃটিশ প্রভাব বলয়েই ছিল। ১৯৭৪ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবের সাথে পেট্রো-ডলারের চুক্তি করে, যেখানে মার্কিন ডলার ছাড়া অন্য কোন মুদ্রায় তেল রপ্তানি করবে না বলে ঘোষনা দেয় সৌদি আরব এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবের নিরাপত্তার নিয়ন্ত্রণ লাভ করে। ১৯৯১ সালে সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর সারা বিশ্বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার করে এবং উপসাগরীয় যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে আরব দেশগুলোতে সেনা মোতায়েন শুরু করে। বর্তমানে সৌদি আরবের ভূমিতে কয়েকটি বৃহৎ সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, যেগুলোতে বিশাল সংখ্যক মার্কিন সৈন্য মোতায়েন রয়েছে। সৌদি আরবের দুই লক্ষাধিক সৈন্যের নিজস্ব সামরিক বাহিনী বলেতে যা আছে, সেটাও কার্যত মার্কিন বাহিনীর নিয়ন্ত্রণেই। তাদের বাজেট সৌদি সরকার বহন করলেও অবকাঠামো নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষন, সৈন্যদের প্রশিক্ষণ, অস্ত্র ও রসদ সরবরাহ সবকিছুর ঠিকাদার মার্কিনীরা। সৌদি আরব বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অস্ত্র আমদানিকারক রাষ্ট্র, যার সিংহভাগের যোগানদাতা লকহেড মার্টিনের মতো মার্কিন যুদ্ধশিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো। শুধু তাই নয়, ক্ষমতাসীন সৌদি রাজপরিবারের সদস্য ও গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা, জ্বালানি সম্পদের নিয়ন্ত্রণ, এমনকি প্রধান শহরগুলোর জরুরি পরিষেবা সরবরাহ সবকিছুর নিয়ন্ত্রণ মার্কিনীদের হাতে। সৌদি আরবের পুতুল শাসকগোষ্ঠীর আসলে কোন ক্ষমতাই নাই মার্কিন প্রভাব বলয়ের বাইরে গিয়ে নিজে থেকে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার। 

 প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে, ৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংসদের উভয় কক্ষের নির্বাচনকে সামনে রেখে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান উভয় দলই সম্ভাব্য সকল উপায়ে জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। এর অংশ হিসাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ন্ত্রণ করা রিপাবলিকানরা সৌদি আরবের সাথে যোগাযোগ করে তাদের তেল উত্তোলন হ্রাস করতে বলেছে, যাতে বিশ্ববাজারে ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তেলের সংকট আরো প্রকট হয়। এতে তেলের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হয়ে চাপে পড়বে প্রেসিডেন্ট বাইডেন এবং রিপাবলিকানরা নির্বাচনে এগিয়ে থাকবে। এই চ্যালেন্জ মোকাবিলায় প্রেসিডেন্ট বাইডেন যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীন তেলের মজুদ থেকে সাময়িকভাবে তেল ছাড়ের অনুমোদন দিয়েছেন, যাতে বাজারে তেলের মূল্য স্থিতিশীল থাকে এবং ডেমোক্র্যাটরা আশানুরূপ ফলাফল পেতে পারে। এতে আবার রিপাবলিকান জ্বালানি প্রতিষ্ঠানগুলোর যোগসাযশে সৌদি রাজপরিবার বাইডেনকে এই কাজ করা থেকে বিরত থাকতে সতর্ক করেছে। এ থেকে স্পষ্টতই বোঝা যাচ্ছে, সৌদি আরব মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে ডেমোক্র্যাট-রিপাবলিকান খেলায় ব্যবহৃত দাবার ঘুঁটি ছাড়া আর কিছুই না। মার্কিন প্রভাব মুক্ত হয়ে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কোন উচ্চাকাঙ্খা সৌদি রাজপরিবারের নাই।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/173625/</link>
				<pubDate>Wed, 09 Nov 2022 19:44:14 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সৌদি আরব কি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে?</p>
<p> গত ৫ অক্টোবর তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর জোট ওপেক ও রাশিয়া মিলে উল্লেখযোগ্য পরিমানে তেল উত্তোলন কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইউক্রেন-রাশিয়ার দীর্ঘদিনের যুদ্ধের কারনে যখন সারা বিশ্বে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে, তখন ওপেক প্লাসের এই ঘোষণায় পশ্চিমা দেশগুলো খুব চিন্তিত। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন স&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-173625"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/173625/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">79d8beaf1f9e0678a0811809961b4310</guid>
				<title>ঋষি সুনাকঃ সাম্রাজ্যবাদী বৃটেনের প্রথম অশ্বেতাঙ্গ প্রধানমন্ত্রী হওয়ার নেপথ্যে। 

গত ২৫ অক্টোবর বৃটেনের রাজা তৃতীয় চার্লসের সাথে তার বাকিংহাম প্যালেসে গিয়ে সাক্ষাৎ করে আনুষ্ঠানিকভাবে বৃটেনের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন ক্ষমতাসীন টোরি পার্টির নবনিযুক্ত প্রধান নেতা ঋষি সুনাক। ৪২ বছর বয়সী ঋষি সুনাক বৃটেনের ইতিহাসের সবচেয়ে কম বয়সী প্রধানমন্ত্রী এবং একইসাথে দেশটির প্রথম অশ্বেতাঙ্গ প্রধানমন্ত্রী। জানা যায়, তার জন্ম বৃটেনের সাউদাম্পটনে হলেও তার পিতা-মাতা ভারতীয় বংশোদ্ভূত। এছাড়া তার স্ত্রী অক্ষতা মূর্তি একজন ভারতীয় নাগরিক, যার পিতা নারায়ন মূর্তি ভারতের একজন বিশিষ্ট শিল্পপতি এবং ক্ষমতাসীন হিন্দুত্ববাদী বিজেপি দলের একজন পৃষ্ঠপোষক। ভারতের অনেকেই ঋষি সুনাকের বৃটেনের প্রধানমন্ত্রী হওয়ায় উল্লাস প্রকাশ করছেন। ভাবখানা অনেকটা এমন যেন বৃটিশরা ২০০ বছর ভারতীয়দের শোষন করেছে, এবার ভারতীয়দের পালা! আবার বিশ্বজুড়ে সেকুলার লিবারেলরা এটিকে বৃটেনের লিবারেল ডেমোক্রেসির চর্চা হওসাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করছেন, যেখানে দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠন করা হয়েছে। আসলেই কি তাই? এটি বিশ্বে বৃটেনের সাম্রাজ্যবাদী প্রভাব কতটুকু ক্ষতিগ্রস্ত করবে? বৃটেনের সংখ্যাগরিষ্ঠ শেতাঙ্গ জনগণ এবং চরম বর্ণবাদী লর্ডরা বিষয়টি কীভাবে নিয়েছে? নতুন সরকার কি বৃটেনের বর্তমান সমস্যাগুলো মোকাবিলা করে টিকে থাকতে পারবে? 
একসময় বলা হতো, বৃটিশ সাম্রাজ্যের সূর্য নাকি কখনো অস্ত যায় না। কারন এক প্রান্তে যখন সূর্য অস্ত যেত, ততক্ষণে অপর প্রান্তে সূর্যোদয় হয়ে যেত। পৃথিবীর দুই-তৃতীয়াংশ নিয়ন্ত্রণ করা সেই বৃটিশ সাম্রাজ্যের গৌরব-সূর্য আজ প্রায় অস্তমিত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বাধ্য হয়ে ভারতীয় উপমহাদেশে সহ সকল উপনিবেশগুলো একে একে ছাড়তে বাধ্য হলেও বিভিন্নভাবে নিয়ন্ত্রণ করে আসছিলো। কিন্তু আরেক সাম্রাজ্যেবাদী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং তৎকালীন সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত ইউনিয়নের উত্থানে ক্রমেই প্রভাব হারাতে থাকে। এভাবেই তারা বর্তমানে বিশ্বে ক্ষয়িষ্ণু অবস্থায় পৌঁছে গেছে। বিশেষ করে ২০১৬ সালের পর থেকে Brexit প্রক্রিয়ার কারনে অর্থনৈতিকভাবে খাদের কিনারায় এসে দাঁড়িয়েছে বৃটেন। যদিও শতবছর ধরে সারা বিশ্বের উপনিবেশগুলো লুটপাট করে অঢেল সম্পদ এসেছে বৃটেনে, এর ফলভোগী হয়েছে মুষ্টিমেয় পুঁজিপতি গোষ্ঠী, অভিজাতশ্রেণি লর্ডরা। পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বাস্তবায়নের কারনে যাবতীয় সম্পদ সব তাদের হাতেই কুক্ষিগত। অার সাধারণ বৃটিশ নাগরিকরা হিমশিম খাচ্ছে উচ্চ করহার, মুদ্রাস্ফীতি, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির মতো নানা সমস্যায়। সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের সুদহার দফায় দফায় বৃদ্ধির কারনে মার্কিন ডলারের বিপরীতে অন্যসব মুদ্রার মতো বৃটিশ পাউন্ডেরও উল্লেখযোগ্য দরপতন হয়েছে। সব মিলিয়ে বৃটেনের অর্থনীতি নিকট ভবিষ্যতে আরো মন্দার দিকে যাওয়ার আশঙ্কা শোনা যাচ্ছে। এমতাবস্থায় গত কয়েক বছরে কয়েকজন সরকারপ্রধান দায়িত্ব নেওয়ার পর পদত্যাগ করেছেন। সর্বশেষ প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাস দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র ৪৫ দিনের মাথায় পদত্যাগ করেছেন। ক্ষমতাসীন টোরি পার্টির প্রভাবশালী নেতা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনকে অনেক আইনপ্রনেতা ও লর্ডরা সমর্থন করলেও তিনি দায়িত্ব নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। আরেক সম্ভাব্য প্রার্থী পেনি মর্ডান্ট শেষ পর্যন্ত দায়িত্ব নিতে চাননি। তাই ঋষি সুনাক ছাড়া আর কোন বিকল্পও ছিলো না এই গুরুদায়িত্ব নেওয়ার মতো।
উল্লেখ্য যে, বৃটেনের রাজা অথবা রানী রাষ্ট্রের সর্বময় কর্তা। তাদের অনুমোদন ছাড়া কোন আইন বা সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয় না। বৃটেনের দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদের উচ্চকক্ষ হচ্ছে হাউজ অব লর্ডস, যেখানে বৃটেনের বিশিষ্ট অভিজাতশ্রেণি, পুঁজিপতি কর্পোরেট, স্থানীয় শ্বেতাঙ্গ জমিদার (লর্ড), প্রভাবশালী খ্রিস্টান ধর্মীয় নেতা, সিনিয়র রাজনীতিবিদ ও বুদ্ধিজীবিরা সদস্যপদ লাভ করে। আর নিন্মকক্ষ হচ্ছে হাউজ অব কমন্স, যেখানে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করে। বৃটেনের শ্বেতাঙ্গ লর্ডরা কেউ নিজেদের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কায় প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিতে এগিয়ে আসছে না। তাই তারা ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনাককেই প্রধানমন্ত্রী হিসাবে মেনে নিয়েছে, যেভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কর্পোরেট লর্ডরা আফ্রিকান বংশোদ্ভূত বারাক ওবামাকে প্রেসিডেন্ট মনোনিত করেছিল। ঋষি সুনাকের সামনে এখন বড় চ্যালেন্জ হবে বৃটেনের সমসাময়িক অর্থনৈতিক সমস্যাগুলোর সমাধান বের করা৷ এর উপরই নির্ভর করছে তার নতুন সরকারের স্থায়িত্ব। 
বৃটেনের সাবেক কলোনী থেকে উঠে আসা একজন অশ্বেতাঙ্গ নাগরিককে নিজেদের প্রধান নেতা হিসাবে মেনে নেওয়া একদিকে বৃটেনের রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব ও নেতৃত্ব সংকটের বহিঃপ্রকাশ। বিশ্বের উপর তাদের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামরিক ও আদর্শিক আধিপত্য আর নাই বললেই চলে। প্রতিবেশী ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে, এমনকি বিশ্বে তার সাবেক উপনিবেশগুলোর সিদ্ধান্তেও সে আর কার্যকর কোন প্রভাব বিস্তার করতে পারে না। এমন অবস্থায় সাবেক উপনিবেশগুলোতে বৃটেনের প্রভাব বৃদ্ধিতে ঋষি সুনাকের চেহারাকে কাজে লাগানোর সর্বোচ্চ সু্যোগ তারা নিবে। ইতিমধ্যে ভারতের অধিকাংশ জনগণ তাকে নিজেদের লোক ভাবতে শুরু করেছে। আবার, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতাসীন ডেমোক্র্যাটরাও ঋষি সুনাককে পছন্দ করেছে, যার ফলে উভয় রাষ্ট্রের মধ্যকার সম্পর্কে উন্নতি হতে পারে আশা করা হচ্ছে।
তবে এতে বৃটেনে বসবাসরত অভিবাসীদের অবস্থার কোন উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হবে না। বৃটেনের পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক ব্যবস্থার বাস্তবায়ন এবং সাম্রাজ্যবাদী প্রভাব বিস্তারের আকাঙ্ক্ষারও কোন পরিবর্তন হবে না। অতীতেও যখন আফ্রিকান বংশোদ্ভূত বারাক ওবামার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন, তখন সেখানের কৃষ্ণাঙ্গ নাগরিক ও অভিবাসীদের প্রতি বৈষম্য বিন্দুমাত্র কমে নাই। আবার তিনি আফ্রিকার দেশগুলোর উন্নয়নের জন্যও কোন পদক্ষেপ নেন নাই। বরং তিনি আফ্রিকাসহ সারা বিশ্বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দখলদারিত্ব আরো মজবুত করতেই দায়িত্ব পালন করেছেন। একইভাবে ঋষি সুনাকও বৃটিশ সংবিধানের প্রতি অনুগত থেকেই বৃটিশরাজের নিকট প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব বুঝে নিয়েছেন, পুঁজিপতি-লর্ডদের স্বার্থরক্ষার প্রতিশ্রুতি দিয়েই তাদের সমর্থন লাভ করেছেন। তার জন্ম, বেড়ে উঠা, কর্মজীবন, রাজনীতি সবকিছুই বৃটেনে। তিনি একজন অক্সফোর্ড গ্রাজুয়েট। তিনি অবশ্যই বৃটিশ রাষ্ট্রযন্ত্রের অংশ হিসেবেই দায়িত্ব পালন করবেন। বৃটেনের রাষ্ট্রীয় স্বার্থরক্ষায় তিনি দায়বদ্ধ থাকবেন, ভারতের নয়। বৃটেনের চলমান পরিস্থিতিতে তিনি কতদিন দায়িত্ব পালন করতে পারবেন, সেটাই এখন দেখার বিষয়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/170155/</link>
				<pubDate>Mon, 31 Oct 2022 19:48:08 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ঋষি সুনাকঃ সাম্রাজ্যবাদী বৃটেনের প্রথম অশ্বেতাঙ্গ প্রধানমন্ত্রী হওয়ার নেপথ্যে। </p>
<p>গত ২৫ অক্টোবর বৃটেনের রাজা তৃতীয় চার্লসের সাথে তার বাকিংহাম প্যালেসে গিয়ে সাক্ষাৎ করে আনুষ্ঠানিকভাবে বৃটেনের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন ক্ষমতাসীন টোরি পার্টির নবনিযুক্ত প্রধান নেতা ঋষি সুনাক। ৪২ বছর বয়সী ঋষি সুনাক বৃটেনের ইতিহাসের সবচেয়ে কম বয়স&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-170155"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/170155/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>