-
২১টি #কবিতা
নিয়াজ আজিজ দ্বীপ
১.মাংসরেণু
“মাংসে’ও বুঝি ফুল ফোটে—
তা’নাহলে বেল বাজিয়ে যে রিক্সাটা যাচ্ছিল—কেন গন্ধ ছড়াচ্ছিল?
পারফিউম?
নাকি ঘাম আর মাংসের রেণু ।ধুর শালা!এই বসন্তে নাকে কেমন যৌবন লেগে আছে ;
ভ্রমর মন
আর চারপাশে আকুতি ভরা রোদ।দ্বন্দ্বে পড়ে গেলাম বোধের রক্তথোকায়।
চিন্তার কোন ডালের বোটায়
মগজের সচেতন ইন্দ্রিয় ভাঁজে।এই যে, দেয়াল দেয়া— তোমার আমার আলাদা সংসার;
স্তরে স্তরে কংক্রিটহৃদয়। অবশিষ্ট যৌক্তিক কয়েন নেই পকেটে।আত্মকেন্দ্রিক শূন্যতা
অথচ স্বপ্নের পাখিরা ডানা নিয়ে ফিরে গেছে মহুয়া বনে।
বাদুড় হয়ে ফিরবে নিশ্চিত!তবুও আমরা একে অপরকে কামনা করছি প্লেটোনিক ইশারায়।
নিক্রপলিস কাঁচের প্রতিফলন চোখে —
আমাদের অনিশ্চিত ঘুম ভেঙে যায়
কর্পোরেট বিছানায়|”২.ধানপদ্য
“ধান ক্ষেতের ইঁদুর আমি।
ধান ক্ষেতের বিড়াল তুমি।দুজনেই নাদুস নুদুস ক্ষেত আমাদের বাড়ি।
ধানের রাজ্যে আমি শ্রমিক তুমি শিকারী।
খোলস ছারিয়ে ধান মারিয়ে মহা সুখেই থাকি।
মাঝে মাঝে বাড়তি সুখে তোমার পেটে আঁটি।
তুমি লম্বা ঢেকুর ছাড়ো
আমার বার-বি-কিউ-এর পর|”৩.পোড়া খড়বন
“ধানপাতার ও’পারে কাঁটাতার।
চাল ও খই।
বিকেল বয়ে গেলো—
চাতালে সেদ্ধধান;
ধানের গন্ধ
শালিকের দম
ঝুলছে চোখে।ধানপাতার ভেতরে বন
সবুজ ও সোনালী
পুড়ছে চোখে।সেই আলো রোদের নখে শালিক।
খড়ের ভঙ্গুর মন।ইস্পাত কলা।
মনের বাহিরে
আগুনের পা’বেয়ে মন;
মনে জ্বলছে মন।সেই ধোঁয়ামেঘ
ধানপাতার ফুসফুস।পোড়া পালকের ঘ্রাণ।
খসা মাংসে রোদের লালা।
কংক্রিট হাসি।মাছের হৃদয়ে নদীশিকার
বরশি ও কল।শালিকের চোখে পোড়ামাটি।
শুখনো খড়বন।
চিরহরিৎ বৃক্ষের চিৎকার।
পাখিদের আত্মার গান।
ধূসর পেঁচার বনভূমি।বৃক্ষের কঙ্কাল;
কয়লাকাঠ
হীরক খনি|”৪.একই রকম
“জীবন এক স্মৃতির বয়ান ;
মানুষ জন্ম থেকে মৃত্যু অবধি এই স্মৃতি পিঠে বহন করে
চলে যায়
অন্য আরেক স্মৃতির জাদুঘরে —
যতদিন বেঁচে থাকে ;
এই স্মৃতিকে হৃদয় কবর দিয়ে রাখে।
মাঝে মাঝে খোশমেজাজে —
দু-একটি স্মৃতি ;
স্মৃতিপাখি হয়ে উড়ে যায় ডানায়—
পালকে দিয়ে থাকে স্মৃতি বয়ান ;
অন্য স্মৃতিমানুষের বুকপকেটে।”
৫.মধ্য দুপুর
“এই মধ্যবয়সী দুপুরে প্রেমটাই ছিল রোদ—
আর তুমি হেঁটে যাচ্ছ তোমার সূর্যপুর।
যেখানে আলো এসে হাত ধরেছে পাতাগুলোর সূক্ষ্ম আঙ্গুল।
যেন অলীকের শুভ্রতায় তুমিও এক পাতাগাছ
আর আমি সেই উদ্বাস্তু পথিক।
মধ্যদুপুরে ক্লান্ত আমার সমস্ত চামড়াগুলো ছায়ার পিঠে পুড়ছে আজো অপ্রেমিকের মতো। ”
৬.ঈশ্বর হৃদপিণ্ড
“পলিথিন ভর্তি আকাশ
উড়ে যাচ্ছে সমুদ্রে;
সাদা পায়রার ডানায় মেঘছানা গুলো—
পেয়ারাবন ছেড়ে বেরিয়ে আসছে আমাদের ভাসমান তারাপটে।
নীহারিকা রেখাপথ আলোঘর নিয়ে;
সূর্যসূত্রে গাঁথা তোমাদের মুক্তোদানা অগণিত পৃথিবীর কঙ্কাল এখন—
ফুরিয়ে যায় সময়ের খাল হ’য়ে ব্ল্যাকহোলে গিয়ে।
সূর্যের ঘুমাতে যাওয়ার সময় হলে শীতল স্নায়ুযুদ্ধে চাঁদ হারিয়ে ফেলে আলোক দেবতা।
সুপার সাইক্লোন মহামারী তাবিজে যায়না বাঁধা।
ধর্মজ্ঞান ফুরিয়ে গেলে পৃথিবীর পরাজয় নিয়ে বেজে ওঠে সাইরেন।
নক্ষত্রের ওপারে নক্ষত্রে;
সূর্যের ওপারে সূর্যে;
কক্ষপথের ওপারে কক্ষপথে;
ফুরিয়ে আসে সময়ের ধারণা।
সময় এখানে শূন্যের জ্যোতি দ্বিগুণ দিয়ে
জ্যামিতির পিরামিডে
ত্রিভুজ কোণে যায় আটকে।
সময় কোন ঈশ্বর হৃদপিণ্ড।”
৭.
লেজকাটা পাখি
“বয়সটা আন্দাজ করতে পারছিনা
তবে একটা লেজকাটা পাখি ছিলো
শৈশবে
অনেক পুরাতন কথা হঠাৎ মরে গেলো
পাখিটি।”
৮.নিঃসঙ্গতা
“নিমফুলের মতো মেরুন সন্ধ্যা নিয়ে আমি ঝরে যেতে দেখেছি আমায়—
বাতাসের চোখে আমি কখন যেন চ্যুতিরেখা;
পাঁপরি হয়ে দেখেছি মৃত্যুর নিঃসঙ্গতাকে।
মৃত্যুর চেয়ে গোপন কোন নিঃসঙ্গতা নেই আমার|”
৯.কফিনে শহর
“এই নিঃসঙ্গ শহরে— বৃষ্টি আসে বেদনার পিরামিডের প্রতিকোণে;
মেঘগুলো কফিন ধরে আত্মায় ভেসে বেড়ায়—নীল বৃত্তের বিন্দু কোথাও আকাশে ফুল ফোটায়।লালহরিণ চোখে —
শব’দেহের নীরব বরফঘরে ;পাখির নীড়ে পালকে ফুটে মশা’দের ডিম-বদ্ধজলাশয়ে ভ্রূণ বেরিয়ে আসে জীবন্ত অসুখের ব্যথায়।কবরে ঘেরা সীমানার উৎসবের নতুন প্রাচীর ঘিরে ঘাসের শক্তবেড়া—
ধেয়ে আসে আগুনের চাবুক হৃদয়ের প্রতিঘাতে সময়ের লালা চাটে রোগা কুকুর।প্রতি রাতে অশরীরীর চেতনায়;বাস্তবতার কুড়াল কোপাই শাণিত মগজের শেকড়ে।
প্রশস্ত আকাশের ডানা ছেড়ে আমরা ধরে আছি জানালার গ্রিল ;দূরে আছি তবুও—
বেঁচে আছি আমাদের অজান্তে মৃত্যু’কে নিয়ে।যেনো জন্মই মৃত্যুর একমাত্র উপায়;
উড়ে যাচ্ছে ডানা মেলে চিল বাতাসে ভর দিয়ে আত্মার সংবেদনায়।মহাবিশ্ব থেকে খসে পরা কোন উজ্জলপাথর পৃথিবীর প্রাচীরে আঘাত হবার আগেই নিভে গেল সূর্যের হৃদপিণ্ড তখন—
আমরা অন্ধ হয়ে’ও মহাবিশ্বকে দেখে ফেলি কল্পনার অন্তরে —স্বপ্নদুয়ার খুলে।কোন তেজস্ক্রিয় স্বপ্ন আমাদের যুদ্ধের ময়দানে ছড়িয়ে দিচ্ছে নিষ্ক্রিয় ভালোবাসা ;
ভাইরাস লড়ছে ময়দানে ;মানুষ বন্দী হচ্ছে ঘরে ;যেনো তারা নিজেদের ঘরের বাহুডোরে তৈরি করেছে নিজেদেরই চিড়িয়াখানা;
নিজেদেরই দেখছে হাততালি দিচ্ছে এবং একে অপরকে উপহাস করে বাদাম ছুড়ে মারছে|”১০.শব্দের শোক
“আমি শব্দ আঁকি—
সুন্দর একটা মসৃণ শব্দ।একদম সাদা ক্যানভাস সংক্ষিপ্ত আলোয়।কেউ শব্দ করে।কেউ শব্দ লিখে।কেউ শব্দ বানায়।কেউ শব্দ বলে।
আমি শব্দ আঁকি—
লাইনের পর লাইন রেখা আর রেখা টানে অনুপাত।আমার বাবা দেশের চাষা।চাষবাস তার শিল্প।তবে প্রকৃত দামে তিনি শুধু—
চাষা বলে অনেক শব্দ পতন হতো তার।যেমন;
ধানের শব্দ
খড়ের শব্দ
দামের শব্দ
ঘামের শব্দ।আমার মা তিনি মস্তলেখক।কিছু না আঁকলেও সন্তানদের না খেয়ে ঘুমিয়ে যাওয়ার শব্দছবিটা বিছিয়ে রাখতেন দুয়ারে। বাবা দুয়ারে পা’রেখে শব্দটা অনুভব করে নিতেন।
মাঝে মাঝে শহর থেকে বাসায় বড় মামা আসলে আমাকে আদর করে
টাকা দিয়ে শব্দ বানিয়ে দিতেন।আমি সেই শব্দ নিয়ে খেলা করতাম
উড়ে যেতাম আরো শব্দ ধরার ইচ্ছায়
একসময় শব্দটা ভেঙ্গে যেতো।বাবা একদিন হঠাৎ একশব্দ তুলে শহরে গেলেন
দূরে বহু দূরে শব্দের সমান দূরে
ফিরে আসেনি।আমি মাঝে মাঝেই সেই শব্দটা মাটিতে
আঁকবো বলে
আমাদের দূরত্বের মাঝের শব্দটা খুঁজি|”
১১.গতানুগতিক
“প্রত্যেক দিন একই রকম কাটে—
বারান্দায় দাঁড়িয়ে
কিংবা
জানালার পাশে হাত রেখে—ইদানিং আস্ত ভোর খেয়ে নিচ্ছে ঘুম—
প্রকৃত ঘুমে যাচ্ছে কতো মানুষ
হাসপাতালে —মর্গে—চিতায় লম্বা ঘুমের লাইন
এতো ঘুম
শহরে কে ছড়ালো
মহামারি
প্রযুক্তি কারবারি।সে যেই দিক
দিয়েছে কেউ—বরং একলা ঘরে
চড়াই ডাকেরোদ গ্রিলের ছায়া মাখে—দুপুর গড়ায় শালিক গানে;
আধখাওয়া সিগারেট ঠোঁটে রেখে—পার করি বিকেল—
সন্ধ্যা নামে
সূর্যের মুখে
রাত এক —সাদাকাক
ঘুমের পরে
ডাকতে পারে—
স্বপ্নে।”১২.অবশিষ্ট মায়া
“আপেল বীজের মিহি গুড়ো গুলো সিগারেট দিয়ে ভরে গ্যাছে মগজে
হৃদয়ের প্রজাপতি ধোঁয়া গুলো উড়ে গ্যাছে প্রতি জয়েন্ট রোলে
অভিনব পাতাগুলো শুকিয়ে ক্ষারকৌশলে ঝরে গ্যালো অরক্ষিত সম্পর্কগুলো
যেন একটি গাছ প্রেমে পড়ে ধরেছিল কয়েকটি পাখিকে।
তারাও সংসার শেষে উড়ে গ্যালো
এমন পাতা ঝরা দিনে দেখে মনে হলো চিহ্নটুকুই নীড়;
অবশিষ্ট মানুষের মায়া।”১৩.
কাব্যগল্প“মেঘ ছিড়ে বৃষ্টি উড়ে উড়ে আমার বাড়ি আসে—
এসে বসে উঠানে ঝরে; মেঘ-বৃষ্টির পরিবার।
তবুও -বধূ সেজে জলের ঘোমটা মাথা’য় করে
আমার বুকে টুপটাপ শব্দ বানায়—
গুঁড়িগুঁড়ি ছিটে ফোটা আনন্দে;
আমার মৃত্তিকামন জুড়ে সোঁদাগন্ধে ভরে যৌথশামুক বেলা—
সুপারিফুলে সাদা শৈশব- কৈশোর -যৌবন-কামুক হলুদ-ব্যাঙ্গের পিঠে চরে;
অনন্ত-বর্ষার আহবানে ;
আবহমান ধান ক্ষেত জুড়ে —
আমরা সংসার করি ;
বৃষ্টি ও ধান বুনার উৎসবে|”১৪.টুথপেস্ট
“তুমি আমার মুখের ভেতরের বাসি ব্যাকটেরিয়াগুলো;
তাইতো ব্রাশ করিনা দু’সপ্তাহ হলো।
তুমি আমার দাঁতের গোড়ায় আটকে থাকা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র খাদ্যাংশ —
যার —পচা গন্ধ প্যারিসের সবচেয়ে সুগন্ধি পারফিউম;
যার —গলে যাওয়া লালাগুলো,
প্রেমিকার জিভে প্রেরিত শ্রেষ্ঠ উর্বর;
উন্মাদকলা|”১৫.শব্দছবি
“তোমার ঠোঁটের পাশে বসে আছি
—
আমি শব্দমাত্র কবি
অর্থমাত্র নেই—
ভাবনামাত্র;
রক্তফল পেকে লাল—
বসন্ত পারে নিভে যাওয়া সূর্য
তখন ডুবে—
সন্ধ্যা ক্যানভাস।
আমি আঁকিবুকি আকাশে পলাশবন।
ঝরা পাতার গাছ—
হলুদচাষ ও মৌমাছি—
কোদাল কাঁধে চাষী—
শব্দতুলিতে নারী—
যৌবনে পাওয়া নদী।
পাতাঝরা দিনে হেঁটে যাওয়া ছোটযমুনা।
কৌশলে লেপানো ঘর
মৃত্তিকাফুলে বউ ও বর।
কৃষাণীকুলা তিনমুখাচূলা
আড়ানীতে ভেজাশাড়ি।
বিদীর্ণ নির্বিকার শালিকের কলকল
বাঁশবন ও চড়ুই—
বিকেলের গুপ্ত পাখিদের ছিটানো খই।
এসব শব্দছবি।
শামুকের খোলস চিরে রেখাপাত হওয়া খড়বন
পথের জ্যামিতি—
সময়ের অনুপাতে খয়েরী ঘড়ি।
কামুক রেখাপথে-
হরিণের আমলকী কুড়িয়ে খাবো —নক্ষত্রের লাল মাংস|”
১৬.সবুজ অভিমান
“এই অভিমান, ধানপাতার ক্ষত —
রোদে পোড়া ঘাস- জৈব নালিশ।
আমাকে মুক্ত করো তুমি আকাশ;
তরুছায়া- মেঘ ধানের প্রাচুর্য-
কৃষকের গোলায়।
আমাকে মুক্ত করো মুদ্রায়- দামে- অংকে;
আমাকে সরল করো কৃষকমনে-
শুদ্ধ পাল্লায় শিখি-
ধানশিল্প।”১৭.খুনী চাঁদ
“আমি জানি, সেই রাতের পর তোমার ঠিকানার
পরিবর্তন হয়েছে।যেমন, নীল কাগজে লাল বর্ণ গুলো
বিষাদ ময় লাগে।আমি অগনিত অপেক্ষায় থেকেছি —
তারা’দের খোলসে লুকিয়ে কিছু মুক্তো —-চাঁদের কঙ্কাল;
সমান্তরালে তুমি খুনী চাঁদ।”১৮.দহন
“আকাশের হৃদয়ে আমি এক নির্বিকার পাখি;
দিক হারিয়েছি,
হারিয়েছি আমার পালকের রোদ।তবুও উড়ে চলি বিষাদের লাল মেঘ বেয়ে।
কখনো দূরবর্তী নদীকে দেখে
ভাবি তৃষ্ণার বেগে আমার প্রেমিকা।”১৯.বর্ণনা
|”তোমার স্তনের কাছাকাছি
তাকাতেই উড়ে গেল একঝাঁক সাদা পায়রা
পালকের বর্ণনা নিয়ে
আর শীতের খোলসে জড়ো হয়ে গেল আমার সমস্ত আকুল হাত
তোমাকে স্পর্শ করতে না পারার অপরাধে অভিযুক্ত এই শীত
খসে পরলো বীর্যভূমিতে
আমার নরম বিছানায়|”
২০.ঋতু
|”ঋতু নিয়ে যে মেয়েটি ফুল ফোটাতে চায়—
তার বুকের কৈটোয় একটা ভ্রমর দীর্ঘ বেড়ে ওঠে।
ভ্রমরের মনের ভেতরে-ও আরো একটা ফুলের আকুতি
জাগতে পারে!মেয়েটি এখন কি করবে?
কৈটোর মুখ খুলে দিবে।
নাকি অপেক্ষায় থাকবে আরো একটা ঋতু।
ফুলের পাশে গিয়ে দাঁড়ালে
পুরুষ মূলতো ভ্রমর হয়ে যায়|”২১.সাঁকো
|”মাথার ভেতর ছোট্ট একটা সাঁকো—
আর হৃদয় দিয়ে বয়ে যাচ্ছে সবুজনদী।কাঁচ ভাঙ্গা সময় গুলো স্মৃতি কুড়িয়ে রেখেছে।
শহরের বিষন্ন বাতাসে উড়ে যাওয়া বেলুন—
মনে হচ্ছে ঘোর জ্বরে মুখ শুকিয়ে—
প্রিয় হাতের আদর এতোটা
অবহেলার ছায়া বারান্দায়।রোদ শুকিয়ে বর্ষা নামে—
সন্ধ্যায় ঘরে ফিরতে চাওয় পাখি সব ভিজতে যাওয়া স্বপ্নের রাতে।দূরে আকাশে লাল চাঁদ—
একটি দুটি বাঁদুর—
হামাগুড়ি দিয়ে জারুল গাছটার ছায়া;
খুব ভয়ে ভয়ে কাঁপছে সেটা।একশো ঘোড়ার ধূলোমেঘ—
মেরুন তারা গুলো জ্বলছে|”1 Comment
Friends
Imamul Islam
@imamul-islam
তাওহীদ সুফিয়ান
@tawhidsufian
Atosh Biswas-
@atosh-biswas
মোঃ বায়েজীদ
@bayejid
RiyadAfrad
@riyadafrad
Hujaifa Muhammad
@hujaifa-muhammad
মোঃ সাইফুল ইসলাম
@saif007
স্মৃতি রানী রত্না
@srratna1990
নাজমুল হক জুয়েল
@nazmulhoqjewel


নিয়মিত লিখুন অভিনন্দন