<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | রাইহান খালিদার | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/rayhan-30/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/rayhan-30/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for রাইহান খালিদার.</description>
	<lastBuildDate>Wed, 10 Jun 2026 11:17:44 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">a513884ec273803822a2c5b62182301d</guid>
				<title>• আরবের সাবা-সাম্রাজ্যের দাস্তান
জাজিরাতুল আরবের দক্ষিণ দিগন্ত তখন সাবা-বংশের শৌর্য-বীর্যে প্রকম্পিত। খ্রিষ্টপূর্ব নবম শতাব্দীর সেই সুবর্ণলগন থেকে শুরু করে প্রায় আটশত বছর এই ভূখণ্ডে তাদের আধিপত্য কায়েম ছিল। এই প্রতাপশালী রাজবংশের গোড়াপত্তন করেছিলেন কাহতান বিন আবির—যিনি নূহ আলাইহিস সালামের বংশধরদের মধ্যে সর্বপ্রথম ইয়ামেনের তপ্ত বালুকাধারে সভ্যতার বনিয়াদ গড়ে নিজের নেতৃত্বের ঝাণ্ডা উড্ডীন করেন। কালক্রমে তাঁরই প্রপৌত্র মহাবীর &#039;সাহাবা&#039; দিগ্বিজয়ের নেশায় মত্ত হয়ে এক বিশাল সাম্রাজ্যের পত্তন ঘটালেন। জনপদকে শস্য-শ্যামল করতে তিনি &#039;মাআরিব&#039; নামক এক বিস্ময়কর বাঁধ নির্মাণ করেন, যার বুক চিরে সত্তরটি নহর প্রবাহমান হয়ে মরুপ্রান্তরকে কানন-কুঞ্জে পরিণত করেছিল। ফলত, সাবা-রাজ্য উন্নতির শিখরে আরোহণ করে সমৃদ্ধির জোয়ারে ভাসতে থাকে।
সাবার পর তাঁর তনয় হিময়ার মসনদে আসীন হন। তাঁরই ঔরসে জন্ম নেন সাবার প্রখ্যাত সব শাহানশাহ। তাঁদেরই একজন তুব্বা হারেস, যাঁর খ্যাতি দিগন্ত বিস্তৃত হয়েছিল। হারেসের পুত্র সুআব তো পূর্ব থেকে পশ্চিমের তাবৎ সাম্রাজ্য পদানত করে &#039;যুলকারনাইন&#039; উপাধিতে ভূষিত হন। কোনো কোনো তাফসীরকারকের মতে, এই সেই পুণ্যবান নৃপতি, যাঁর কথা পবিত্র কুরআনের পাতায় বিধৃত হয়েছে।
সময়ের আবর্তনে কওমে সাবার নবজাগরণ বা রেনেসাঁ এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে। কৃষিকাজের লহর ছাড়িয়ে তাদের বাণিজ্য-তরী দরিয়ায় দরিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। হিন্দুস্তান আর প্রাচ্যের ধন-রত্ন ইয়ামেনের উপকূলে ভিড়ত, আর সেখান থেকে শামের বাজার পর্যন্ত তাদের কাফেলা অবিরাম যাতায়াত করত। কিন্তু বিত্ত-বৈভবের এই মোহিনী মায়া তাদের অকৃতজ্ঞতার অতলে তলিয়ে দিল। আরাম-আয়েশের আতিশয্যে তারা খোদাতাআলার নেয়ামতের না-শোকরি শুরু করল। পরিণামে আসমানি গজব নাজিল হলো—সেই প্রখ্যাত মাআরিব বাঁধ চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে গেল। প্রলয়ংকরী বন্যায় তছনছ হয়ে গেল জনপদ, ক্ষেত-খামার আর সাজানো বাগান। সাবার সেই দোর্দণ্ড প্রতাপ ইতিহাসের পাতায় বিলীন হয়ে গেল।
সাবার পতনের পর ইয়ামেনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সরদাররা নিজেদের দুর্গে স্বাতন্ত্র্য ঘোষণা করলেও হিময়ারী বা তাবাবিয়া গোষ্ঠী ক্রমে শক্তিশালী হয়ে ওঠে। লোহিত সাগর থেকে হাদরামাউত, এমনকি পারস্য ও মধ্য-এশিয়া পর্যন্ত তাদের অশ্বক্ষুরধ্বনি অনুরণিত হতো। সাবার রাজারা কৃষিতে মনোযোগী থাকলেও তাবাবিয়া রাজগণ ছিলেন রণক্লান্ত যোদ্ধা—যাঁদের ধ্যান-জ্ঞান ছিল রাজ্য বিস্তার।
এই বংশের রাজাদের মধ্যে তুব্বা বিন হাসসান ও হারিস বিন আমর ছিলেন ইতিহাসের আলোচিত চরিত্র। হারিস বিন আমর ইহুদি ধর্ম গ্রহণ করলে গোটা রাজ্যে তার প্রভাব পড়ে। পরবর্তীতে তাঁরই বংশধর ইউসুফ যু-নাওয়াস ঈমানদার নাজরানবাসীদের আগুনের পরিখায় নিক্ষেপ করে এক নৃশংস অধ্যায় রচনা করেন। এই জুলুমই তাদের পতন ত্বরান্বিত করে। অবশেষে হাবশিদের প্রচণ্ড আক্রমণে হিময়ার রাজবংশের তখ্ত উল্টে যায়।
যে জাজিরাতুল আরবে একদা মাআরিব ছিল সাবার শৌর্য-বীর্যের কেন্দ্রবিন্দু, হিময়ারীরা ক্ষমতা দখলের পর তাদের তখ্ত-তাউস স্থানান্তর করল &#039;যাফারে&#039;। ইতিহাসের এই উত্থান-পত্তনের গল্প হাহাকার হয়ে আজও আরবের মরুবালুতে মিশে আছে।

• রাইহান খালিদার / Rayhan Khalidar 
   —২৪/০৪/২০২৬</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/245789/</link>
				<pubDate>Fri, 24 Apr 2026 08:46:07 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>• আরবের সাবা-সাম্রাজ্যের দাস্তান<br />
জাজিরাতুল আরবের দক্ষিণ দিগন্ত তখন সাবা-বংশের শৌর্য-বীর্যে প্রকম্পিত। খ্রিষ্টপূর্ব নবম শতাব্দীর সেই সুবর্ণলগন থেকে শুরু করে প্রায় আটশত বছর এই ভূখণ্ডে তাদের আধিপত্য কায়েম ছিল। এই প্রতাপশালী রাজবংশের গোড়াপত্তন করেছিলেন কাহতান বিন আবির—যিনি নূহ আলাইহিস সালামের বংশধরদের মধ্যে সর্বপ্রথম ইয়ামেনের তপ্ত বালুকাধারে সভ্যতার&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-245789"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/245789/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1b0b2dff6172a18a1b4940b52fe18b3e</guid>
				<title>• ভূমধ্যসাগরের নীল মণি সিসিলি আমিরাতের দাস্তান:
• ইতিহাসের ধুলো ঝেড়ে তাকালে দেখা মেলে, ৮২৭ ঈসব্দের এক সোনালী মহেন্দ্রনগরের। উত্তর আফ্রিকার তিউনিসিয়া থেকে আমির জিয়াদাতুল্লাহর নির্দেশে দশ হাজার জানবাজ সিপাহি নিয়ে জাহাজে চড়েছিলেন সত্তর বছর বয়সী প্রাজ্ঞ আলেম সেনাপতি শাইখ আসাদ ইবনে আল-ফুরাত। লক্ষ্য ভূমধ্যসাগরের বুক চিরে জেগে থাকা অপরূপ দ্বীপ সিসিলি। যদিও এদ্বীপ জয়ের পরিকল্পনা অনেক আগে থেকেই ছিল তবে চূড়ান্ত অভিযান শুরু হয় মূলত তখনই, যাহোক
এর শুরুটা অবশ্য তেমন সহজ ছিল না। মাজারাদেলভালো-তে পা রাখার পর একের পর এক বাধা ডিঙাতে হয়েছে প্রতিনিয়ত। অতঃপর ৮৩১সে যখন পালেরমো বিজিত হলো, তখন মুসলিমরা সেখানে তাদের শক্ত ভিত খুঁজে পায়। তবে পুরো সিসিলিকে বশ করতে সময় লেগেছিল প্রায় দীর্ঘ ৭৫ বৎসর। অবশেষে ৯০২ ঈসব্দে তাওরমিনা শহরের পতনের মধ্য দিয়ে দ্বীপের আকাশ-বাতাসে মুসলিমদের বিজয় কেতান ওড়ে।
বিজয়ের পর এ সময়টাতে ক্ষমতা তিউনিসিয়ার আঘলাবিদের অধীনে থাকলেও, সিসিলির আসল ভাগ্য ফেরে কালবি রাজবংশের হাত ধরে। ৯৪৮ ঈসব্দে আমির হাসান আল-কালবি যখন শাসনভার নিলেন, সিসিলি তখন এক স্বতন্ত্র স্বর্গে পরিণত হলো। রাজধানী পালেরমো হয়ে উঠল পৃথিবীর এক অন্যতম শ্রেষ্ঠ মহানগরি। মানুষ তখন পালেরমোকে তুলনা করত দোর্দণ্ড প্রতাপশালী বাগদাদ কিংবা কর্ডোভার সাথে। চারিদিকে শত শত মসজিদের মিনার আর মাদ্রাসার কলকাকলিতে মুখর থাকত দ্বীপের বাতাস। সে-ই সাথে মুসলিম শাসকরা সিসিলির রুক্ষ জমিতে এনেছিলেন &#039;কানাত&#039; বা জাদুকরী ভূমধ্যস্থ সেচ ব্যবস্থা। মরুর অভিজ্ঞতা দিয়ে তারা সিসিলির মাটিকে উর্বর করে তুললেন। ফলশ্রুতিতে দ্বীপের চারপাশ ভরে উঠল মিষ্টি কমলা আর লেবুর সুগন্ধে, আখ আর তুলার শ্বেত শুভ্রতায়, আর পেস্তা ও রেশম চাষের নতুন ছোঁয়ায়। এদ্বীপ হয়ে উঠল ভূমধ্যসাগরের প্রধান বাণিজ্যিক হৃৎপিণ্ড।
আরো মজার বিষয় হলো সেখানে মসজিদ আর গির্জা পাশাপাশিই ছিল। খ্রিস্টান ও ইহুদিরা &#039;জিম্মি&#039; হিসেবে পূর্ণ ধর্মীয় স্বাধীনতা পেত। তাইতো পরবর্তীতে এই উদারতায় মুগ্ধ হয়ে অনেক গ্রীক ও ল্যাটিন ভাষী মানুষ স্বেচ্ছাতেই ইসলাম গ্ৰহণ করেন। সিসিলির রাজদরবার ধন্য হয়েছিলো ইবনে হাওকাল আর ইদ্রিসির মতো বিশ্বখ্যাত ভূগোলবিদদের পদচারণায়। যারপরনায় স্থাপত্যের গায়ে ফুটে উঠল আরব্য জ্যামিতিক নকশা আর মোটিফ যা আজও মানুষের নয়ন জুড়ায়।
কিন্তু ইতিহাসের নিষ্ঠুর নিয়ম হলো, উত্থানের পর পতন আসেই। ১০৪৪ ঈসব্দের দিকে কালবিদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে সিসিলি ছোট ছোট ক্ষুদ্র আমিরাতে ভেঙে পড়েছিল। যা একতার অভাবে শিকড় প্রচন্ড রকমের দুর্বল হয়ে গিয়েছিল। আর এই সুযোগটাই নিল উত্তর ইউরোপের নরম্যানরা। রজার-১ এর নেতৃত্বে শুরু হলো আক্রমণ আর দখল। অতঃপর একে একে পতন হলো পালেরমোর। সবশেষে ১০৯১ ঈসব্দে নটো শহর পতনের মধ্যদিয়ে সিসিলির আকাশ থেকে প্রায় আড়াইশ বছরের মুসলিম শাসনের সূর্য আনুষ্ঠানিকভাবে পাটে বসল।
তবে অবাক করা তথ্য হলো মুসলিম শাসন শেষ হলেও সিসিলির মাটি  তাঁদের সংস্কৃতি মুছতে পারিনি। তাইতো বিজয়ী নরম্যান রাজা দ্বিতীয় রজার এতটাই মুগ্ধতা ছিলো যে, তিনি তার দরবারে আরবি ভাষা ও মুসলিম পণ্ডিতদের উচ্চপদে বসিয়ে রেখেছিলেন। তবু একে হারিয়ে গেছে সবকিছু….

&#x270d;&#xfe0f; Rayhan Khalidar</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/239414/</link>
				<pubDate>Thu, 19 Mar 2026 13:39:32 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>• ভূমধ্যসাগরের নীল মণি সিসিলি আমিরাতের দাস্তান:<br />
• ইতিহাসের ধুলো ঝেড়ে তাকালে দেখা মেলে, ৮২৭ ঈসব্দের এক সোনালী মহেন্দ্রনগরের। উত্তর আফ্রিকার তিউনিসিয়া থেকে আমির জিয়াদাতুল্লাহর নির্দেশে দশ হাজার জানবাজ সিপাহি নিয়ে জাহাজে চড়েছিলেন সত্তর বছর বয়সী প্রাজ্ঞ আলেম সেনাপতি শাইখ আসাদ ইবনে আল-ফুরাত। লক্ষ্য ভূমধ্যসাগরের বুক চিরে জেগে থাকা অপরূপ দ্বীপ সিসিলি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-239414"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/239414/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b3df73c5e04006ce4519d2ae73961d90</guid>
				<title>রাইহান খালিদার changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/239412/</link>
				<pubDate>Thu, 19 Mar 2026 13:23:52 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>