<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Sabiha Taimur | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/sabihataimur/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/sabihataimur/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Sabiha Taimur.</description>
	<lastBuildDate>Sun, 27 Sep 2026 13:26:58 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">e729be1c35719b5f181f039cbb52ea42</guid>
				<title>***
কয়েক দিন ধরে পারুল বেগম খেয়াল করেছেন পায়েল রোজ রাতে কারোর সাথে মোবাইলে অনেক সময় ধরে কথা বলে।
তবে ভেবেছেন নিশ্চই ছোট বোন অথবা বোনের মেয়ের সাথে।তবু আজ জিগ্যেস ই করে বসলেন, কোন কারণ নেই শুধু মাত্র মা হিসেবে একটা মনে হলো তাই।

কানে হেডফোন লাগিয়ে খিলখিলিয়ে হাসছে পায়েল। আশপাশের কোন খবর রাখছে বলে মনে হয় না।
এই কার সাথে কথা বলো তুমি -পেছন থেকে পিঠে আলতো চড় মেরে জিগ্যেস করলেন তিনি।
ভ্রু কুঁচকে কাঁথার নিচ থেকে মাথা বের করলো পায়েল, কচ্ছপ যেমনটা খোলশ থেকে বের হয় অনেক টা অমন, অন্তত এই মুহূর্তে তার নিজেকে কচ্ছপ ই মনে হচ্ছে!!

:কি হলো? ভ্রু কুঁচকে ই মাকে জিগ্যেস করল সে ।
:কে?
: ফ্রেন্ড 
:ফ্রেন্ড! ছেলে না মেয়ে?
: মেয়ে।পায়েলের সাবলীল জবাব।
পারুল বেগমের মনে হচ্ছে মেয়ে তার সাথে মজা করছে, আবার বললেন &#039;আসলেই, নাকি মজা নিচ্ছো?
&#039;মজা নেব কেন, আসলেই &#039;পায়েলের আগের মতই স্বাভাবিক জবাব।

কিছুক্ষণ এর জন্য পারূল বেগমের মনে হলো তার দুনিয়া নড়ে উঠলো, মেয়ে বলে কি!!এক্বেত কোন ছেলের সাথে কথা বলছে আবার কোন ভাবনা ছাড়াই সাবলীল ভাবে বলেও!! 
মেয়েকে আরেক চাপড় মারলেন পেছন থেকে,&#039;এই,
&#039;হুম কি হলো, কথা বলি দেখনা! তোমার সাথে পরে কথা বলতেসি আম্মু &#039;বলে উঠে অন্য রূমে চলে গেল ও, পেছনে রেখে গেল হাক্বাবাক্বা হয়ে বসে থাকা পারুল বেগম কে!!


***
মানুষ স্বপ্ন দেখে, কিংবা বলা যায় দেখতে ভালোবাসে।
তবে পায়েলের ধারণা কিছুটা অন্যরকম,
মানুষ ওই স্বপ্ন দেখা উচিত,যা সে আসলেই বাস্তবায়ন করতে পারবে, অন্তত তার এটাই ধারণা, কারণ মানুষ ওই স্বপ্ন দেখবেই বা কেন যা সে আদৌ বাস্তবায়ন করতেই পারবনা।
তার এসব অদ্ভুত সব ভাবনা সে শেয়ার করে তার এক কাজিন এর সঙ্গে,আর কেউ তার কথা পাত্তা দিক না দিক,সে খুব পাত্তা দেয় আর বলে &#039;পায়েল তুই না একটা জিনিয়াস&#039;!!
&#039;&#039;তাই , ধূর পাগল,তুইও আবার আমার কথা শুনতেযাস কেন, আমি তো কেবল যা মনে হলো তাই বললাম, কিছুক্ষণ পর হয়তো নিজেই নিজের মতামত কে নাকচ করে দেব!!
&#039;&#039;তুই যা ই বলিস,তোর এই ভাবনা গুলো ই আমার খুব ভাল্লাগে, প্রফুল্লে বলে তার কাজিন জিনিয়া।
&#039;তুই কি জানিস তুই যে একটা পাগল?
&#039;&#039;বারেএএএ আমি পাগল হলে তুই কি,তুই &#039;আর ও বড় পাগল!!
হুম, আমরা দুজন ই পাগল।হাহা হা ।
এমনি করে কতবার যে তারা অযথা বকবক করার কারণে বকা খেয়েছে কতবার রাত পার করে ফজর করেছে তার কোন হিসাব নেই , আর এখন একজন অপর জন থেকে কতদুর- বসে বসে এসব ভাবছিল পায়েল, চাঁদের আলোয় তার কালো কেশ চিকচিক করছে, অপূর্ব সুন্দর লাগছে তাকে।
***

:তুমি না অনেক ভালো।
:তাই নাকি, আপনাকে কে বলল।
: আমার মনে হলো।
:কি দেখে আপনার আমাকে ভালো মনে হলো? কৌতুহলী পায়েল জিগ্যেস করলো দানিস কে।
:এই দেখনা তুমি আমার সাথে কথা বলছো অথচ ভাবছো তোমার বন্ধুর কথা।
:ও, এখানে ভালো মানুষির কি দেখলেন,ও জানতে পেলে খুন করবে আমাকে এবং খুব কষ্ট ও পাবে।
:সে কষ্ট পেলে তোমার কি এসে যায়, তুমি কি তাকে ভালোবাসো নাকি?
: না আমি ভালো না বাসলেও,সে তো বাসে।
: তাহলে আর কি, তুমি এত টেনশন কেন নিচ্ছো।
: জানেন তার এক গার্লফ্রেন্ড ছিল,১৬ বছরের রিলেশন ছিল, যেই বছর বিয়ে করার কথা,তার এক মাস আগেই এক্সিডেন্ট এ মারা গেল। এখন আপনি ই বলেন, আমার অবস্থাটা বুঝতে পারছেন?
:না বুঝলাম না,তার ফ্রেন্ড কে কি তুমি মেরেছে? নাকি আমি।
:ধুর পাগল, আমরা কেন মারতে যাব!!
: তাহলে আরকি, তোমার এত টেনশন করার কিছু নেই, তুমি শুধু আমার কথা ভাবো!!
পায়েল ভাবলো,এই মানুষটা কি আসলেই পাগল!!
চলবে...</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/266496/</link>
				<pubDate>Thu, 27 Aug 2026 20:43:55 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>***<br />
কয়েক দিন ধরে পারুল বেগম খেয়াল করেছেন পায়েল রোজ রাতে কারোর সাথে মোবাইলে অনেক সময় ধরে কথা বলে।<br />
তবে ভেবেছেন নিশ্চই ছোট বোন অথবা বোনের মেয়ের সাথে।তবু আজ জিগ্যেস ই করে বসলেন, কোন কারণ নেই শুধু মাত্র মা হিসেবে একটা মনে হলো তাই।</p>
<p>কানে হেডফোন লাগিয়ে খিলখিলিয়ে হাসছে পায়েল। আশপাশের কোন খবর রাখছে বলে মনে হয় না।<br />
এই কার সাথে কথা বলো তুমি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-266496"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/266496/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0e011a999335d2a1e8a0ff90ca187e52</guid>
				<title>***
একদিন খুব ভোরে মোবাইল ফোন চালাচ্ছিল পায়েল, 
তখন একটি ম্যাসেজ এল,যা দেখে ভ্রু কুঁচকে গেল তার,গাল প্রসারিত হয়ে গেল, হাসছে সে,হাসলে তার গালে টোল পড়ে,এক গালে না 
না, দুই গালে ই পড়ে, অপুর্ব সুন্দর লাগছে তাকে, আশেপাশে কেউ নেই, থাকলে তাকে এটা বলতো সম্ভবত।
মানুষ দুই কারণে হাসে, এক যখন মজার কিছু দেখতে পায়, দুই যখন খুশি হয়।
পায়েল এর সাথে দোনটায় হয়েছে,সে ম্যাসেজ টা দেখে মজাও পেয়েছে আবার খুশি ও হয়েছ। কারণ টা একটু পরে জানতে পারবেন আপনি, আগে তার কথা গুলো শুনে নিন
তার ম্যাসেজ এ প্রথমে এল -হাই!
দেখে সে অবাক, একটা মানুষ না চিনে আরেকটি মানুষ কে কিভাবে এত সাবলীল ভাবে হাই বলতে পারে ব্যাপারটা পায়েলর মাথায় ধরে না।
সে পাক্কা পাঁচ সেকেন্ড ভাবলো সে কি বলবে, কি এই লোকের রিপ্লাই করবে নাকি চুপচাপ বসে থাকবে।
তার মাথায় অদ্ভুত এক ভাবনা এলো, যদি ছেলেরা মেয়েদের ছবি দিয়ে ফেসবুক এ একাউন্ট খুলতে পারে, তাহলে হতে পারে মেয়েরাও এমনটা করতে পারে, হতে পারে এটা একটা মেয়ে!!
কি অদ্ভুত চিন্তারে বাবা,
এত কিছুর পর সে ও হ্যালো লিখলো
তারপর অনেকটা এমন হলো --
:কেমন আছো 
:জি ভালো, আলহামদুলিল্লাহ 
আপনি কেমন আছেন ?
:আলহামদুলিল্লাহ, আমিও ঠিক ।
:আপনি কি আমাকে চেনেন?
:নাহ।
:তাহলে ম্যাসেজ কেন করলেন ?
:আমার ভালো লেগেছে আপনাকে ।
:বলেন কি, আমাকে চেনেন না, তাহলে ভালো কি করে লাগলো?
:আপনার কথা শুনে ভালো লাগলো, এজন্য।
এভাবে হাই হ্যালো করতে করতে প্রায় আধঘন্টা চলে গেল, তারপর একপর্যায়ে সে জিজ্ঞেস করল 
:আচ্ছা আপনার নাম কি ?
: আমি পায়েল, আপনি?
: আমি দানিশ,
: আচ্ছা আপনি কি তুর্কি?
:হ্যাঁ, আপনি?
:ওয়াও, আমি বাংলাদেশ।
:ওহ , আচ্ছা। আপনি তুর্কি ভাষা লিখলেন কিভাবে?
: কিভাবে আর , তুর্কি ড্রামা দেখে, হেসে বলল পায়েল।
:ওহ হাহা হা । আচ্ছা তোমাকে একটা কথা জিজ্ঞেস করি?
: আবার কি কথা, জিগ্যেস করার মত আর বাকি রেখেছেন নাকি কিছু?
: হুম, তোমার কোন বয়ফ্রেন্ড আছে নাকি 
: আমার একটি ছেলে বন্ধু আছে, তবে বয়ফ্রেন্ড কিনা জানিনা,সে যা খুশি মনে করতে পারে, তবে আমি তাকে বন্ধু হিসেবে দেখি!
:হুম এখন থেকে তুমি শুধুই আমার।
:হ্যাআআআ বলে কি!!!ধূর মিয়া, আপনি আমাকে চেনেন কয় মিনিট হলো,আর বলছেন কি!!
:দেখ পায়েল, আমার কাছে তুমি এখন যা এক বছর পর ও তাই রয়ে যাবে। গম্ভীর গলায় কথাটা বললো জানিনা।
: আচ্ছা বাবা বুঝলাম, কিন্তু দেখুন, আমার ওই ছেলে বন্ধু ও এমন টা ই মনে করে,এখন আমি আপনার কথা শুনলে তার কি হবে, প্লিজ এমন টা করবেন না।
: আমি তার টা জানি না,কেবল জানি, তুমি শুধুই আমার!!
চলবে...</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/266060/</link>
				<pubDate>Wed, 26 Aug 2026 18:47:25 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>***<br />
একদিন খুব ভোরে মোবাইল ফোন চালাচ্ছিল পায়েল,<br />
তখন একটি ম্যাসেজ এল,যা দেখে ভ্রু কুঁচকে গেল তার,গাল প্রসারিত হয়ে গেল, হাসছে সে,হাসলে তার গালে টোল পড়ে,এক গালে না<br />
না, দুই গালে ই পড়ে, অপুর্ব সুন্দর লাগছে তাকে, আশেপাশে কেউ নেই, থাকলে তাকে এটা বলতো সম্ভবত।<br />
মানুষ দুই কারণে হাসে, এক যখন মজার কিছু দেখতে পায়, দুই যখন খুশি হয়।<br />
পায়েল এর সাথ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-266060"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/266060/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3c8662686f490878002fe0eeb2deb72f</guid>
				<title>আচ্ছা এখানে আর্ট সামিট করে কিভাবে,কেউ বলতে পারেন?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/250004/</link>
				<pubDate>Thu, 21 May 2026 09:41:59 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আচ্ছা এখানে আর্ট সামিট করে কিভাবে,কেউ বলতে পারেন?</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fbbfc22dc20ea484e54f18175d24608c</guid>
				<title>মানুষের জীবনে এমন অনেক সময় আসে যখন আমরা যে জিনিসটা বেছে নেই দেখা যায় ওটা বেশি দিন স্থায়ী হয় না আবার হুট করে আমরা যেটা করে ফেলি দেখা যায় ওটা আমাদের জীবনের একটি অংশ হয়ে দাঁড়ায়।
পায়েলের বেলায় ও ব্যপারটা কিছুটা এমন হলো -
প্রতিদিন এর মত সেদিন ও মোবাইলের নোটিফিকেশন থেকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট গুলো ডিলিট করছিল সে ,তখনই আরেকটি রিকোয়েস্ট নোটীফীকেশন এলো, প্রোফাইল টা দেখেই একসেপ্ট করে ফেলল, কে কী কোথায় থাকে কিছু ই না জেনে।
****
পায়েলেরা মধ্যেবিত্ত পরিবার, বাংলাদেশের আর দশটা মুসলিম পরিবারের মতই ।তার বাবা বেঁচে নেই।চার সন্তান নিয়ে স্বামীর ভিটায় থাকেন বেগম পারুল।
বড় ছেলে তারেক ছোট খাট চাকরির পাশাপাশি মসজিদে দুই ওয়াক্ত নামাজের ইমামতি করেন। বড় মেয়ে ডাগর চোখের ইলমা,তার চোখের দিকে তাকালে মনে হয় পাখি উড়ছে।
শ্যামলা বর্ণের হলেও তার বংশের এমন কেউ নেই যে ইলমা-র প্রশংসা করেনি, তাদের মতে ইলমা-র মত মায়াবী চেহারা এই বংশের আর একটিও নেই।
বাবার নেওটা ছিল বললে ভুল হবে বরং বলা ভালো -বাবা ইলমার নেওটা ছিল। যেমন -ছোট বেলায় মক্তবে যাওয়ার সময় খুব কম ই সে যেতে পারতো, সে তখনই যেতো যখন তার ভালো লাগতো,বলা বাহুল্য, তার এই ভালো-লাগাটা সপ্তাহে খুব কম ই আসতো।
তারপর যখন নূরানী মাদ্রাসায় ভর্তি হলো ওখানে শুরু হল আরেক অধ্যায়।
 প্রতিদিন যেখানে নিজেরা তৈরি হয়ে যাবে তা না, বরং ভ্যান চালক ই প্রতিদিন আল্লার দেয়া গলায় যত টুকু পারতো উচ্চ গলায় ডেকে তাদের ঘুম ভাঙতে হতো।
বেচারা তো একবার নালীশ পর্যন্ত করেছে তাদের ক্লাস টিচার এর কাছে।
 তখন থেকে চালু হলো নতুন নিয়ম, তিন বার থেমে থেমে বাঁশী বাজাবে, যদি না আসে তাহলে কোচ ফিরে যাবে।
প্রথম কিছুদিন ঠিক মতোই ছিল, পরে আবার যার যার অবস্থানে চলে আসল যেমন টা আগেই জানেন।
এত কিছুর পরও ভ্যান চালক ওদের ভালোবাসাতো, তার কারণ ও আছে।
একদিন ভ্যান চালক এর গায়ের সেনটো গেঞ্জি ছেঁড়া দেখে সাথে সাথে বাবার সামনে এসে হাজির,রাগে দুঃখে ফুঁসতে ফুঁসতে বললো -কোন কচুর টাকা দাও তুমি, ভ্যান মামার গেঞ্জি ছেঁড়া দেখনা, একশো টাকা দাও তাড়াতাড়ি।
মেয়েটার হাত থেকে বাঁচতে তাড়াতাড়ি টাকা দিয়ে দিলেন তিনি।
সঙ্গে সঙ্গে ছুটলো সে ভ্যান মামার কাছে, গিয়ে মায়াবী কন্ঠে বলল -নেন মামা একটা গেঞ্জি কিনবেন।
শুধু তাই নয় একদিন তো এক ফকিরের কাঁধে হাত রেখে মোবাইল এ কার্টুন ই দেখাতে বসিয়ে দিল , তার বাবা মেয়ের কান্ড দেখে বেগম কে দেখিয়ে বললো -তোমার মেয়ের কান্ড দেখছ!
কি আর করা দুজন ই ঠোঁট চেপে হাসলো।
ঘরে ফকিরনী এলে বেগম আবার ভাত একটু বাড়িয়ে দিতেন কারণ তার ঘরের বাচ্চারা আবার সারাদিন না খেয়ে থাকলেও ফকিরের সাথে ঠিকই খেতে বসে যাবে, বাবার প্রতিবাদ সত্যেও বেগমের এক কথা-মেয়দের পেট ভরলেই হলো। এবার বাবা আর কি বলবে -বাচচা মেয়ের সাথেই পারেন না তাদের মায়ের সাথে কিভাবে পেরে উঠবে।
এইতো হল তাদের বড় মেয়ের অবস্থা । এবার আসি গল্পের নায়িকা পায়েল এর কাছে, বড় বোনের মত এতটাও পাগল না সে আবার পুরোপুরি সহজ ও না। ভেঙেই বলি বড় বোনের মত হয়ত গরীবের জন্য পথেই বসে পড়বে না কিন্তু মা কাজের লোকদের বকাঝকা করার সময় উল্টো তাদের ই সাফাই গাইবে সে,হয়ত তাদের দোষ অতটাও না মা যতটা বকছেন, তখন তো বকাঝকা ফেলে মা বেগমের আসল কাজ হয়ে যায় মেয়ের রাগ ভাঙাতে।
এক শীতের দিনে ঢাকা থেকে খালামনিরা পায়েলের জন্য দু- সেট চমৎকার জামা পাঠালেন। একটা বান্ধবীকে দিয়ে আরেকটি নিজে রাখলো, সে দিন এক গরীব আত্মীয় এসে ছিলেন কি এক কাজে, ঠান্ডায় যিনি কাঁপছিলেন, এটা দেখে বসে থাকার পাত্রী তো সে নয়, সাথে সাথে গায়ের থেকে খুলে জামাটা দিয়ে দিল মহিলা কে,মা বেগম যার কিছুই জানেন না,এমন নয় যে তিনি কনজুস স্বভাবের,তবে মেয়েরা থামবে কেন।
আর রইল পরিবারের কনিষ্ঠ পুত্র তালহা,তার কথা তেমন বলার কিছু নেই, তবে বাবার চোখের মণি যে ছিল তা বলাই বাহুল্য, তার থেকেও বেশি, সেই ছিল বাবার আসল নেওয়া।
এমন একটি হাসিখুশি পরিবার হঠাৎ করে মিইয়ে গেল, যখন চলে গেলেন তাদের বাবা।
বড় মেয়েটা তো মানুষিক ভাবেই অসুস্থ হয়ে পড়লো,
পায়েলের বাবার কথা মনে আসলেই বাবার বলা একটি কথা তার বেশি মনে পড়ে -
তখন বাবা খুবই অসুস্থ ছিলেন কিন্তু বাচ্চাদের এটি বুঝতে দেয়নি,
রান্নাঘরে গুঁড়োদুধ চুরি করতে গিয়েছিল সে,
বাবা আসলেন, মেয়েকে প্রশ্ন করলেন -
-মা তুমি কোরআন কতটুকু পড়?
-এই ত এক পারা করে বা আধা পারা করে।
বাবা তখন তার মাথায় হাত বুলিয়ে বলেছিলেন -মারে তোর উপর ই আমার ভরসা।
সেদিন কথাটার মানে বোঝো নাই পায়েলে,
আজ বুঝতে পারছে।
বাবা যেদিন মারা যায়, সেদিন বাসায় ছিল না সে,নানার বাড়িতে ছিল।
খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মামার সাথে ফিরে এসেছে। কাঁদতে সে পারে নাই, কারণ তার মনেই হচ্ছীলনা তার বাবা আর নেই,তার বোন প্রতিবেশীনিদের সাথে বসে বসে কাঁদছিল,এত মানুষের ভিড়ে তার ছোট ভাই কোথায় ছিল তার মনে নেই,বড় ভাই তাবলীগ জামাতের সাথে ছিলেন ।সেই কাঁদা এখন পায়েল রোজ কাঁদে।তার ছোট ভাইকে একদিন কেউ জিজ্ঞেস করেছিল, বেটা কেমন আছ।
সে বলেছিল , মামা আমার তো জীবন টাই নষ্ট হয়ে গেছে।ওই লোকটা হয়ত কথা কার গুরুত্ব বোঝেনি, দূর থেকে এটি শুনে ডুকরে কেঁদেছিল পায়েল।
চলবে..</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/249632/</link>
				<pubDate>Wed, 20 May 2026 08:24:09 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মানুষের জীবনে এমন অনেক সময় আসে যখন আমরা যে জিনিসটা বেছে নেই দেখা যায় ওটা বেশি দিন স্থায়ী হয় না আবার হুট করে আমরা যেটা করে ফেলি দেখা যায় ওটা আমাদের জীবনের একটি অংশ হয়ে দাঁড়ায়।<br />
পায়েলের বেলায় ও ব্যপারটা কিছুটা এমন হলো &#8211;<br />
প্রতিদিন এর মত সেদিন ও মোবাইলের নোটিফিকেশন থেকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট গুলো ডিলিট করছিল সে ,তখনই আরেকটি রিকোয়েস্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-249632"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/249632/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">add88192dcfaaaca1483e42ffa650b5e</guid>
				<title>Sabiha Taimur changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/249095/</link>
				<pubDate>Tue, 19 May 2026 00:57:53 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>