<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | শায়লা এ্যামিন | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/shaylaaemin945gmail-com/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/shaylaaemin945gmail-com/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for শায়লা এ্যামিন.</description>
	<lastBuildDate>Wed, 28 Oct 2026 21:39:13 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">fa1368d55407f7d9eb749e7d29fc944e</guid>
				<title>সায়মার জন্ম হয় একটি নিম্নবিত্ত পরিবারে। একটি প্রাণ পৃথিবীতে আসলে সবাই খুশি হয়, কিন্তু সায়মার ক্ষেত্রে ঘটলো উলটো। তার জন্মের পর তার জন্মদাত্রী মা যখন নানু কে জিজ্ঞেস করলো আমার কি সন্তান হয়েছে? তখন নানু বললো মেয়ে। সাথে সাথে সায়মার মা এর মুখ কালো হয়ে গেল। কচু হইসে!! 

সায়মারা ৪ ভাই বোন এর আগে  ২ বোন আর একটি ভাই আছে। সায়মার মা চেয়েছিল আরেকটি ছেলে। কিন্তু কপাল পোড়া হলে যা হয়,  সায়মা একটি মেয়ে হয়ে জন্ম নিলো। অনাদরে অবহেলায় সায়মা বড় হতে লাগলো। সায়মার চেহারা ও অন্য ভাই বোন দের মতো মায়া নেই। কেমন যেন ছেলে ছেলে ভাব। আবার ছেলে ও না। কেউ তাকে তেমন একটা আদর করে না। সায়মার ভাই বাসার সবার মধ্যমণি। সবাই তাকে নিয়েই ব্যস্ত। 

সায়মা ধীরে ধীরে বড় যত বড় হচ্ছে তত আশেপাশের মানুষের হিংস্রতা ক্রমশ তাকে কেমন যেন ভেতর থেকে শেষ করে দিতে লাগলো। শিশু বয়সের পর সায়মা কৈশোরে পা দিল। তারপর সে  আরেকটি কঠিন সত্যের মুখোমুখি হলো।আশেপাশের সব মেয়ে কে বড় ভাইয়া রা খুব এটেনশন দিচ্ছে, তার সব কাজে উৎসাহ দিচ্ছে। কেউ কেউ প্রেমপত্র পাচ্ছে। কিন্তু সায়মা কখনো প্রেমপত্র পায় না। এর মধ্যে সায়মার একটা ছেলে কে ভালো লেগে যায়।  কিন্তু সেই ছেলে সায়মার দিকে ফিরে ও তাকায় না।  সায়মা নানা ভাবে তাকে আকর্ষণ করার চেষ্টা করে।কিন্তু সব চেষ্টায় বিফল হয়ে যায়।
সায়মা রাতে বালিশ চাপা দিয়ে কাদে। তার বুক ফেটে যায়। 

এভাবে সায়মা এসএসসি পাশ করে। তখন একটা ছেলের সাথে মুঠোফোনে পরিচয় হয়। লং ডিস্ট্যান্স ছিল। এরপর যখন সামনাসামনি দেখা হয় ছেলে টা কিছুক্ষণ কথা বলে চলে গেল। এরপর থেকেই আর কখনো যোগাযোগ করেনা। সায়মা অনেক চেষ্টা করলো তার সাথে সম্পর্ক ঠিক করার। কিন্তু সব চেষ্টা বিফলে গেল।  

এইচ এস সি পাশ করার পর সায়মার বিয়ে দেওয়া হয়। ছেলে দেখতে শুনতে ভালো ছিল। সব ঠিকঠাক ছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই সায়মা আবিষ্কার করলো এতদিন ওদের পরিবার যে মেন্টালিটি নিয়ে চলতো এই ছেলের পরিবার সম্পূর্ণ বিপরীত। পরিবারের কর্তার কথাই শেষ কথা। সায়মা কে নানাভাবে শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার করা হতে লাগলো। এর মধ্যে সায়মার পেটে বাচ্চা এসে যায়। বাচ্চা হওয়ার পরে পরিস্থিতি আরো করুণ হয়। সায়মাকে নানাভাবে অপদস্ত করা হচ্ছে। সায়মা যাই করে তাতেই তারা নানা ভাবে সায়মা কে হেয় প্রতিপন্ন করছে। 

এইসব প্রতিকূলতার মাঝেও সায়মা পড়াশোনা চালিয়ে যায়। স্বামীর বাড়ি থেকে সব সহযোগিতা না পেলেও সে বাপের বাড়ির সহায়তায় পোস্ট গ্র&#x200d;্যাজুয়েশন সম্পন্ন করে।এর মধ্যে অত্যাচার এর মাত্রা দিন দিন মাত্রাছাড়া হয়ে যায়। সায়মা শেষ পর্যন্ত বাপের বাড়ি চলে আসে। তারপর একদিন সায়মা ঠিক করে এই লোকের সাথে আর সংসার করবেনা।  সে আত্মনির্ভরশীল হবে। 

শেষ পর্যন্ত লোক টা কে ডিভোর্স দিয়ে সায়মা একটা জবে জয়েন করে। এবং নিজের কাজ চালিয়ে যায়। সায়মা চায় একদিন সে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবে। এবং মেয়েদের উন্নতির জন্য এমন একটি সংস্থা বানাবে যারা অসহায় মেয়েদের নিয়ে কাজ করে এবং তাদের আত্মকর্মসংস্থান এ সহায়তা করে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/287057/</link>
				<pubDate>Tue, 27 Oct 2026 16:51:13 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সায়মার জন্ম হয় একটি নিম্নবিত্ত পরিবারে। একটি প্রাণ পৃথিবীতে আসলে সবাই খুশি হয়, কিন্তু সায়মার ক্ষেত্রে ঘটলো উলটো। তার জন্মের পর তার জন্মদাত্রী মা যখন নানু কে জিজ্ঞেস করলো আমার কি সন্তান হয়েছে? তখন নানু বললো মেয়ে। সাথে সাথে সায়মার মা এর মুখ কালো হয়ে গেল। কচু হইসে!! </p>
<p>সায়মারা ৪ ভাই বোন এর আগে  ২ বোন আর একটি ভাই আছে। সায়মার মা চেয়েছিল আরেকটি ছেলে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-287057"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/287057/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b880ee323e0d87c50ccd11d57332bce6</guid>
				<title>ফাতিয়া একটি কর্পোরেট অফিসে জব করে। খুব পর্দাশীল। হাতে মোজা, পায়ে মোজা না পড়ে সে চলাফেরা করেনা। অফিসে যখন খাবার খায় তখন নেকাব এর  ফাঁক দিয়ে খাবার পেটে চালান করে। অফিসের কেউ এই পর্যন্ত ফাতিয়ার চেহারা দেখেনি। অফিসে কঠিন শিফট চলা অবস্থাতে ও সে এক ওয়াক্ত নামাজ ও মিস দেয় না। মাঝে মাঝে রান্না করে নিয়ে আসে বাসা থেকে টিমলিডার কে লাঞ্চে আলাদা করে ডেকে নিয়ে সে খাবার খাওয়ায়। একটা অফিসেই সে প্রায় তিন বছর ধরে জব করছে। যদি ও সে পর্দাশীল তবুও সে অফিসের ছেলে কলিগদের সাথে কথা বলতেই বেশি কম্ফোর্ট ফিল করে৷ কাজের ফাঁকে ফাঁকে গিয়ে ভাইয়াদের খোঁজ খবর নিয়ে আসে। একে তো পর্দাশীল তার উপর খাওয়ায়। এজন্য টিমলিডার রা তারে পছন্দই করে।

নওশিন অফিসে নতুন জয়েন করেছে। সে আবার পর্দার ধার ধারেনা। তার পরনে হালের ওয়েস্টার্ন থাকে। নিত্যনতুন ড্রেস পরতে সে খুব পছন্দ করে৷ওর চুল ডিপ শাইনিং করা এবং গোল্ডেন ব্লন্ড করা। চেহারা ও ভালোই।  শরীরের গড়ন মিডিয়াম। নওশিনকে দেখে যেকোন ছেলে এমনিতেই কথা বলতে চায়। অফিসে নতুন জয়েন করেই নওশিন টিমলিডারদের মনোযোগ আকর্ষণ করে নিয়েছে। এছাড়া অন্য কলিগ রা ও বিভিন্নভাবে তার সাথে কথা বলার ছুতো খুঁজে।  নওশিন যেহেতু জবে একেবারে নতুন সে এখনো ভাইয়াদের তেল দেওয়া রপ্ত করতে পারেনি। চেষ্টা করে যে নম্র ভাবে কথা বলতে। এবং কাজ শিখে নিতে। 

নওশিন আসার পর থেকেই ফাতিয়ার রাতের ঘুম হারাম হয়ে যায়। আগে ফাতিয়ার সাথে যে ভাইয়ারা কথা বলতো তারা ও এখন তেমন একটা বলে না। সবাই নওশিনের সাথেই কথা বলতে আগ্রহী।  টিমলিডার ভাইয়াদের ও এখন আর তেমন ভাবে পাওয়া যায় না। ফাতিয়া নিত্যনতুন খাবার রান্না করে আনতে থাকে তবুও কারো মন পায় না। 

ফাতিয়ার মনে হলো যেভাবেই হোক নওশিন কে সরিয়ে দিতে হবে। এভাবে চলতে থাকলে কেউ আর তাকে এটেনশন দিবে না। তাই সে সারাক্ষন নওশিন কে ফলো করতে থাকে। নওশিনের ছোটখাটো ভুল পেলে সাথে সাথে নোট করে নেয়।  আর ইচ্ছেকৃত নওশিন কে  খোঁচা দিয়ে কথা বলে। নওশিন যেহেতু এখনো জব সেক্টরে নতুন তাই সে কিছু না বুঝেই রিয়েক্ট করে ফেলে। আর সুযোগ বুঝে ফাতিয়া টিমলিডার দের বোঝাতে সক্ষম হয় নওশিন খুব আনপ্রফেশনাল।  সে অফিসের নিয়ম কানুন এর ধার ধারে না। 

ওইদিকে ভাইয়ারা যখন নওশিন কে বকা দেয়, তখন নওশিনের মন খারাপ দেখে আবার তাকে টিমলিডারদের নামে কান ভাঙানি দেয়। এভাবে দিন যত যায় নওশিনের অফিসের ওয়েদার চূড়ান্ত টক্সিক মনে হয়। একসময় নওশিন মনে করে এই অফিসে সবার সামনে এভাবে অপমানিত হওয়ার চেয়ে বেকার থাকা ভালো। তারপর একদিন নওশিন অফিস থেকে রিজাইন দেয়। 

ফাতিয়ার সুদিন আবার ফিরে আসে। সে আবার আগের মতো রান্না করে ভাইয়াদের খাওয়ায়। আর ওয়েল ম্যাসাজ করতে থাকে। এভাবেই সে অফিস টাকেই শ্বশুরবাড়ি বানিয়ে সুখে শান্তিতে বসবাস করতে থাকে।

The end.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/287051/</link>
				<pubDate>Tue, 27 Oct 2026 16:41:03 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ফাতিয়া একটি কর্পোরেট অফিসে জব করে। খুব পর্দাশীল। হাতে মোজা, পায়ে মোজা না পড়ে সে চলাফেরা করেনা। অফিসে যখন খাবার খায় তখন নেকাব এর  ফাঁক দিয়ে খাবার পেটে চালান করে। অফিসের কেউ এই পর্যন্ত ফাতিয়ার চেহারা দেখেনি। অফিসে কঠিন শিফট চলা অবস্থাতে ও সে এক ওয়াক্ত নামাজ ও মিস দেয় না। মাঝে মাঝে রান্না করে নিয়ে আসে বাসা থেকে টিমলিডার কে লাঞ্চে আলাদা করে ডেকে নিয়&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-287051"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/287051/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">05a9b59b6607d48cdbf73255f63accd4</guid>
				<title>ছোটবেলার একটা প্রিয় খেলনা কিংবা একটা দামী চকোলেট না পাওয়ার বেদনার কাছে বড়বেলার সকল দু:খ কষ্ট ম্লান হয়ে যায়। ওই বয়স টা তো সুখের,শান্তির!! তখন কেন কষ্ট থাকবে, হাহাকার থাকবে। কেন চোখের জল গোপনে লুকাতে হবে।

 আশেপাশে অনেকেই আছে যাদের ছোটবেলা টা কাটে না পাওয়ার বেদনায়। আজ তারা হয়তো অনেক প্রতিষ্ঠিত কিংবা লড়াই করছে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য। ওই মানুষ গুলো কে আমার অনেক আপন লাগে। আত্মীয় ফিল হয়। মনে হয় ও তো আমার-ই স্বজন। অনেক দিনের জমে থাকা রাগ- অভিমান গুলো নিমিষেই কেমন জল হয়ে যায় যখন শুনি তার ছোটবেলাতে ও একটা গোপন কষ্ট ছিল। অব্যক্ত দু:খ ছিল। তারা ও তো পারতো অন্য আট দশজনের মতো দু:খ গুলোকে সুখের মোড়কে ঢেকে রাখতে। সমাজে নিজেকে খুব কেউকেটা হিসেবে প্রকাশ করতে, চাইলেই পারে তবু করে না কারণ তারা জানে তাদের শেকড় কোথায়!! 

আর এই বোধ টাই তাকে অমানুষ করেনা। কখনো অন্যের ক্ষতির কারণ হতে দেয় না। কখনো অন্যের চোখের জল হয় না সে। নিজে দু:খ পাবে, জ্বলে পুড়ে মরবে, তবু ও অন্য কে বিপদে ফেলবে না। এটাই মনুষ্যত্ব। এটাই বিবেক। আর এই বোধ যার নেই তার যত বড় ডিগ্রি, যত বড় যোগ্যতাই থাকুক না কেন সে কখনো একজন ভালো মানুষ নয়। হতে পারে সে ক্যারিয়ারে সফল। একটা সুখী ফ্যামিলি তে বিলং করছে কিন্তু এই দুনিয়ার পরে ও যে আরেকটা দুনিয়া আছে সে আপাতত তা ভুলে বসে আছে। যাই হোক, এরকম মানুষ এর ও আশেপাশে অভাব নেই।

@Shayla Aemin</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/274602/</link>
				<pubDate>Wed, 16 Sep 2026 00:36:22 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ছোটবেলার একটা প্রিয় খেলনা কিংবা একটা দামী চকোলেট না পাওয়ার বেদনার কাছে বড়বেলার সকল দু:খ কষ্ট ম্লান হয়ে যায়। ওই বয়স টা তো সুখের,শান্তির!! তখন কেন কষ্ট থাকবে, হাহাকার থাকবে। কেন চোখের জল গোপনে লুকাতে হবে।</p>
<p> আশেপাশে অনেকেই আছে যাদের ছোটবেলা টা কাটে না পাওয়ার বেদনায়। আজ তারা হয়তো অনেক প্রতিষ্ঠিত কিংবা লড়াই করছে প্র&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-274602"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/274602/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4a254bb5104e80bba3e29ca840ddaf5e</guid>
				<title>লোকাল বাসে প্রেম::

অফিস শেষে বের হলাম। বাসে উঠেছি। যথারীতি বাসে অনেক ভীড়। এক চুল ও নড়বার জায়গা নেই। তো আমি যেখানে দাঁড়িয়েছি সেখানেই এক জোড়া নিব্বা-নিব্বি বসে খুনসুটি করছিল। আমি কেয়ার না করে জানালা দিয়ে বাহিরে তাকিয়ে ছিলাম। মেয়েটা জানালার পাশে ছিল আর ছেলেটার পাশেই আমি দাঁড়িয়ে ছিলাম। হঠাৎ করে মেয়েটা বলে উঠলো,&quot;আপু আপনি কি একটু সরে দাঁড়াবেন?&quot; আমি বললাম, আপু সরে দাঁড়ানোর তো কোন জায়গা নেই। কি নিয়ে সমস্যা হচ্ছে? কিছু বলে না। ফিসফিস করে ছেলেটা কে কি যেন বললো। তো আমি বললাম আপু আপনার পাশের ভাইয়া টা কে বলুন উঠে দাঁড়িয়ে আমাকে বসার সুযোগ দিতে। তাহলে হয়তো আপনার আর সমস্যা হবে না। তারপর দুইজনে মিলে যুক্তি-পরামর্শ করে দেখলো এটাই সঠিক সমাধান। মেয়েটা জানালার পাশ থেকে সরে এসে এই পাশের সিটে বসলো। আমাকে বললো জানালার পাশের সিটে বসতে। যাই হোক ওদের পেয়ার-মোহাব্বত এর দরুন একটু বসার জায়গা পেলাম এতেই আমি খুশি।

এতক্ষণ এদেরকে তেমন একটা খেয়াল করিনি। এবার কৌতুহলবশত দুজনকে চোখ ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখলাম। বড়জোর ইন্টার পড়ুয়া হবে। মেয়েটি যেই দেখলো আমি ওদের দেখছি। ওর মনে ভয় হলো বাপরে আমার বয়ফ্রেন্ড কে নিয়ে যাবে মনে হয়। এই কুত্তামরা গরমে, বাসভর্তি গিজগিজ করা মানুষের ভীড়ে হঠাৎ করে ওর ম্যাথ সলুশন করা ভীষণ জরুরি হয়ে পড়লো। বলদা প্রেমিক ও হড়বড় করে অংকের জটিল ধাধা গুলো ওর বিদ্যাসাগর প্রেমিকার গোবরভর্তি মাথায় ঢুকানোর জন্য বদ্ধপরিকর হলো।

যাই হোক বাস আমার গন্তব্যে পৌঁছালো। মেয়েটা ও নামবে। তো যেহেতু সে আমার আগের সিটে বসেছে তার তো আগে নামবার কথা তা না করে সে দাঁড়িয়ে আছে আমি নামলে সে আমার পিছন পিছন আসছিল ওর বয়ফ্রেন্ড কে আড়াল করে। ছেলে নামে নাই। বাস থেকে নামলাম। মেয়েটি ও নামলো। নামার পরে ও সে আমার সামনে এসে দাঁড়িয়ে আছে, আমাকে আড়াল করে বাসের জানালা দিয়ে তাকিয়ে দেখলো বয়ফ্রেন্ড তাকিয়ে আছে কিনা। বাস চলে গেল। তারপর সে আমার সামনে দিয়ে যাচ্ছিল।এবার আমি তাকে দেখে হা হা হা করে অট্টহাসি দিয়ে একটা গান ধরলাম,
&quot;প্রেমের মড়া জলে ডোবে না.......................................!!!!!!&quot;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/274429/</link>
				<pubDate>Tue, 15 Sep 2026 15:31:28 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>লোকাল বাসে প্রেম::</p>
<p>অফিস শেষে বের হলাম। বাসে উঠেছি। যথারীতি বাসে অনেক ভীড়। এক চুল ও নড়বার জায়গা নেই। তো আমি যেখানে দাঁড়িয়েছি সেখানেই এক জোড়া নিব্বা-নিব্বি বসে খুনসুটি করছিল। আমি কেয়ার না করে জানালা দিয়ে বাহিরে তাকিয়ে ছিলাম। মেয়েটা জানালার পাশে ছিল আর ছেলেটার পাশেই আমি দাঁড়িয়ে ছিলাম। হঠাৎ করে মেয়েটা বলে উঠলো,&#8221;আপু আপনি কি একটু সরে দাঁড়াবেন?&#8221; আম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-274429"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/274429/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>15</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">aae70900377385e1aa4e4ed244068a24</guid>
				<title>আমার লাইফের সবচেয়ে ডেঞ্জারাস আর মেমোরেবল হয়ে থাকবে এবারের নাফাখুম - আমিয়াখুম ট্যুর।প্রায় মরতে মরতে  বেঁচে ফিরে এসেছি।আমি প্রায় দীর্ঘদিন যাবৎ ট্যুর দিই। এটা আমার প্যাশন। ইতিমধ্যে বাংলাদেশের অনেক পপুলার দর্শনীয় স্থান আমার দেখা হয়েছে। অনেকদিন থেকেই আমার নাফাখুম আমিয়াখুম যাওয়ার ইচ্ছে ছিল। কিন্তু যেহেতু এটা ট্রেকিং ট্যুর আর এক্সপেন্সিভ (অন্তত আমার কাছে)তাই ব্যাটে বলে মিলছিল না। কিন্তু এবারের রোজার ইদে সব কিছু মন মতো হয়ে যাওয়াতে বেরিয়ে পড়লাম নাফাখুম এর উদ্দেশ্যে। 


রাত ৮ টায় আমরা সায়েদাবাদ থেকে বান্দরবান এর বাসে একটা ট্যুর গ্রুপ এর সাথে উঠে পড়ি। সেখানে আরো কয়েকটা ট্যুর গ্রুপ ছিল। সব মিলে প্রায় ৩৫ জন। বাস ছেড়ে দিল,তারপর রাতের ঠান্ডা হাওয়া উপভোগ করতে করতে পৌছে গেলাম চকোরিয়া। সেখান থেকে আরেকটা বাসে আলীকদম।  আলীকদম থেকে চান্দের গাড়ি করে থানচি। থানচি থেকে ট্রলারে করে 

পদ্মঝিরি।


থানচি থেকেই মূলত নো নেটওয়ার্ক এর আওতায় পড়ে। কোন নেট নেই এরপর আর।আর এখানেই আমাদের দুর্ভোগ এর সূচনা।কথা ছিল আমাদের রেমাক্রি পর্যন্ত ট্রলারে করে নিয়ে যাওয়া হবে। তারপর সেখান থেকে ৪-৫ ঘণ্টা হেঁটে থুইসা পাড়ায় পৌঁছে যাব। কিন্তু বিধি বাম!! ট্রেকিং যেহেতু করতে এসেছি প্রকৃতি আমাদের ট্রেকিং এর আদ্যোপান্ত শিখিয়ে দিল। বলা হলো তেল সংকট এর কারণে ট্রলার আর সামনে যাবে না আমাদের এখান থেকেই ট্রেকিং শুরু করতে হবে।পদ্মঝিরি থেকে আমাদের ট্রেকিং এর শুরু হলো বেলা ১ টায়।


প্রথমে ভালোই লাগছিল ঝিরিপথ ধরে হাঁটছিলাম,পাহাড়ি দৃশ্য উপভোগ করতে করতে। লাঞ্চ করে নিলাম। তারপর আবার ঝিরি ধরে হাঁটা। আসল খেলা শুরু হলো বিকাল ৪ টার পর।একের পর এক পাহাড় চলে আসছিল সামনে। ওগুলো বেয়ে বেয়ে উপরে উঠি। সন্ধ্যা নেমে গেলে আমাদের বলা হলো দোকানে বসে কিছুক্ষণ রেস্ট নিতে।আর আধা ঘণ্টা হাঁটলেই আমরা থুনচি পাড়ায় পৌঁছে যাব। কিন্তু দেখা গেল আধা ঘণ্টার স্থানে ২ ঘন্টা পার হয়ে গেলেও পাড়ার দেখা মিলছে না। একে তো ক্লান্ত শরীর তার উপর উঁচু উঁচু খাড়া পাহাড়ের ঢাল। এর মধ্যে আবার রাত নেমে এসেছে। টর্চ জ্বালিয়ে সবাই হাঁটছিলাম। আমাদের গ্রুপে বেশ কয়েকজন লোক ছিল প্রায় পঞ্চাশোর্ধ। তারা আগে তেমন ট্যুর করেনি।এটা যে ট্রেকিং ট্যুর তারা এটাও জানতো না&#x1f923; জাস্ট আমিয়াখুম এর ভিউ দেখে আর হুজুগে পড়ে চলে এসেছে। তাদের সবার অবস্থা খারাপ। হাঁটছে আর হোস্ট কে গালি দিচ্ছে। ইয়াং যারা তারা ও হতাশ। এরকম ট্যুর হবে কেউ প্রত্যাশাই করেনি। সবার শরীর টালমাটাল জাস্ট মনের জোরে হাঁটছে সবাই। পথ যেন শেষ ই হয় না। 


অন্ধকারে একবার পাহাড়ে উঠি আবার নেমে ঝিরিপথ দিয়ে হেঁটে আবার আরেকটা পাহাড়। আমার মনে হয় ৭-৮ টা পাহাড় অন্ধকারে আমরা অতিক্রম করেছিলাম। রাত প্রায় ১০:৩০ এ আমরা পাড়ায় পৌঁছে গেলাম।আমি লিটারেলি শুয়ে পড়লাম পাড়ার উঠানে। শরীরে আর এক বিন্দু শক্তি নেই। আধা ঘণ্টা এভাবে শুয়ে থাকার পর আমাদের জুমঘরে রুম ঠিক হলো।৫ জন মেয়ের জন্য একটা রুম যেখানে আবার রান্না ও হচ্ছে। ফ্লোরে চাটাই বিছিয়ে শোয়ার ব্যবস্থা। না খেয়েই শুয়ে পড়লাম। আমি ভেবেছিলাম আমিয়াখুম বোধ হয় আর যেতে পারবো না। শরীর এ এত ব্যথা ছিল। ১২ টা নাগাদ রাতের খাবার দিল। কোনরকম মুখে গুজে তারপর কিছু ঔষধ খেয়ে নিলাম। 


পরদিন সকালে ও শরীর খুব ব্যথা তবুও মনের জোরে বের হয়ে পড়লাম আমিয়াখুম এর উদ্দেশ্যে। আমাদের টিমের ৩৫ জনের মধ্যে আমিয়াখুম রওনা দিল মাত্র ১০ জন। তার মধ্যে আবার আমরা ২ জন মেয়ে।আঙ্কেল সমাজ বেশ ট্রল করলো আমাদের নিয়ে &quot;দেখ, আমরা পারিনা আর বাচ্চা বাচ্চা মেয়ের কি সাহস!!


যাই হোক ২ ঘন্টা হাঁটার পর সেই কাঙ্ক্ষিত দেবতা পাহাড়। যা কিনা আমিয়াখুম যাওয়ার পথে সবচেয়ে ডেঞ্জারাস পাহাড়। কারণ এর উচ্চতা প্রায় ১৯০০ ফুট আর সবচেয়ে বড় কথা এটি প্রায় ৯০° খাড়া।দড়ি বেয়ে প্রাণ হাতে নিয়ে নামলাম।একটু এদিক সেদিক হলেই খাদে পড়ে আর কোন অস্তিত্ব থাকবে না। 


দেবতা পাহাড় থেকে নেমে ভেলাখুম তারপর আমার স্বপ্নের আমিয়াখুম চলে আসলাম। ২ দিন যা কষ্ট করেছিলাম, সব মুহূর্তেই পানি হয়ে গেল।এত্ত সুন্দর..!!!

 আমিয়াখুম এ ছবি তুলে গোসল করে আবার দেবতা পাহাড়ের কাছে চলে আসলাম। আরেক অ্যাডভেঞ্চার।  কখনো হেঁটে, কখনো বসে,কখনো হামাগুড়ি দিয়ে তারপর চূড়ায় উঠলাম।।সেখান থেকে নেমে পাড়ায়। 


পরেরদিন আবার তল্পিতল্পা গুটিয়ে নাফাখুম যাত্রা।কথা ছিল সেখান থেকে রেমাক্রি গিয়ে তারপর বোটে করে থানচি, তারপর চান্দের গাড়ি, তারপর বাসে করে ঢাকা।নাফাখুম দেখে রেমাক্রি আসলাম। এই পর্যন্ত সব ঠিক ছিল। রেমাক্রি আসার পর আর নৌকার দেখা নেই। সকাল থেকে দুপুর, দুপুর গড়িয়ে বিকেল। হোস্ট গেছে নৌকা আনতে। তার আসার খবর নেই। এদিকে নো নেটওয়ার্ক এর কারণে তার সাথে যোগাযোগ ও করা যাচ্ছে না। আমাদের প্যাকেজ এ লাঞ্চ আছে সেটা ও করানো হচ্ছে না। আমরা সবাই টুকটাক খেয়ে নিলাম।


হোস্ট আসলো প্রায় সন্ধ্যায়। এই রাতের বেলায় আমাদের সাঙ্গু নদী দিয়ে যেতে হবে।যেখানে সাঙ্গু নদী হচ্ছে পাহাড়ি নদী। চলতি পথে সব বড় বড় পাথর।দিনের আলোতেই ওখানে চলা যায় না। আর রাত। তবুও বুকে সাহস নিয়ে উঠে পড়লাম। গ্রীষ্মকাল হওয়া তে পানি কম। কিছুদূর গিয়ে সবাই নৌকা থেকে নেমে নৌকা ঠেলতে লাগলো।এক জায়গায় গিয়ে নৌকা আর চলেইনা, তারপর আমরা নেমে কিছুদূর পাড় ধরে হাঁটলাম। মাঝি নৌকা ঠেলে নিয়ে আসলো। তারপর নৌকায় উঠার সময় আমরা নদীর উপর দিয়ে হেঁটে ট্রলারে উঠতে হবে কারণ পানি কম।কিছুদূর গেলাম। মাঝ নদী তে গিয়ে দেখি তীব্র স্রোত। প্রায় ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। কোনমতে গাইড কে ধরে বাঁচলাম। এরপর নৌকা চলতে শুরু করল বড় বড় পাথরের মাঝখান দিয়ে। এক জায়গায় এসে প্রায় উল্টে  গিয়েছিল। আল্লাহ বাঁচিয়ে দিলেন আবার। 


তিন্দু এসে পৌছালাম। মাথায় এখনো টেনশন এই রাতে কীভাবে থানচি যাব। পাহাড়ি উঁচু খাড়া পথ। অন্ধকারে চান্দের গাড়ি তো চলতে পারবে না। এক ঘন্টা ওয়েট করার পর হোস্ট বললো অনেক দেরি হয়ে গেছে। এ সময় চান্দের গাড়ি চলবে না।আর আমরা যে বাসে উঠব তা রাতে না গেলে আর যাওয়া যাবে না আমাদেরকে নিজের টাকায় তিন্দু তে থাকতে হবে তারপর নিজের টাকায় ঢাকা পৌছাতে হবে। ওরা লাঞ্চ এর পরিবর্তে সকালে নাশতা করাবে। এই কথা শুনে সবাই তো অবাক।  এত টাকা দিয়েছি, এত কষ্ট করে এই পর্যন্ত এসে এখন এই কথা তাছাড়া নো নেটওয়ার্ক এর কারণে কেউ চাইলে ও বিকাশ বা ব্যাংক থেকে টাকা উঠাতে পারবে না।তারপর সবাই মিলে বুঝিয়ে শুনিয়ে হোস্ট কে তিন্দু থাকার খরচ আর অন্যান্য খরচে রাজি করালো। 


সকাল হলে আমরা ট্রলারে করে থানচি, তারপর চান্দের গাড়ি করে চকোরিয়া আসলাম। এখানে এসে আরেক বিপদ। ইদের কারণে ঢাকাগামী কোন ডিরেক্ট বাস নেই। হোস্ট কিছুক্ষণ চেষ্টা করে তারপর আমাদেরকে বাস ভাড়া দিয়ে দিল। চকোরিয়া থেকে চট্টগ্রাম আসলাম। সেখান থেকে আবার বাসে করে ঢাকায় পৌছালাম ভোর ৫ টায়। তারপর স্বস্তির নি:শ্বাস ছাড়লাম।যত দিন বেঁচে থাকব এই ট্যুর এর কথা আমি কখনোই ভুলব না।


আর যারা আমিয়াখুম যাবেন ভালো করে খোঁজ খবর নিয়ে যাবেন।আর সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হবেন।  ট্যুরিজম সেক্টর কে রক্ষা করতে আমাদের এক হতে হবে&#x270a;&#x270a;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/274126/</link>
				<pubDate>Mon, 14 Sep 2026 19:54:04 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমার লাইফের সবচেয়ে ডেঞ্জারাস আর মেমোরেবল হয়ে থাকবে এবারের নাফাখুম &#8211; আমিয়াখুম ট্যুর।প্রায় মরতে মরতে  বেঁচে ফিরে এসেছি।আমি প্রায় দীর্ঘদিন যাবৎ ট্যুর দিই। এটা আমার প্যাশন। ইতিমধ্যে বাংলাদেশের অনেক পপুলার দর্শনীয় স্থান আমার দেখা হয়েছে। অনেকদিন থেকেই আমার নাফাখুম আমিয়াখুম যাওয়ার ইচ্ছে ছিল। কিন্তু যেহেতু এটা ট্রেকিং ট্যুর আর এক্সপেন্সিভ (অন্ত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-274126"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/274126/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>10</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a53d1351de63d7c40c5090a0179a1028</guid>
				<title>আমার খালাতো বোন সুইসাইড করে মারা গেছে। ওর হাজব্যান্ড ওকে অনেক নির্যাতন করতো। বিভিন্ন রকম অপবাদ দিতো। কথায় কথায় মারধোর করতো। সে পড়াশোনা ও করেনি যে কোন জব করবে। বাপের বাড়িতে সৎ মা।  তিন টা বাচ্চা তার। ওই বাচ্চা গুলোকে এখন দেখার মতো কেউ নেই।বাপ বিদেশ। এখন আর ভয়ে ও আসবে না। এই দেশের মিডল ক্লাস মেয়েরা যে কত টা অসহায় তা ও চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল।

 আসলে কি করার ছিল ওর? এই দেশের মেয়েরা প্রতিদিন মরে। শুধু তার জীবিত দেহ টি সবাই দেখতে পায়।  তার আত্মা হয়তো বিয়ের পরেই মরে যায়। একটা মানুষ কত টা অসহায় হলে নিজেকে শেষ করে দেয়?

 অথচ লোকটি কে সে ভালোবেসে বিয়ে করেছিল। কত স্বপ্ন দেখেছিল একসাথে পথ চলার। মৃত্যু পর্যন্ত এক সাথে সংসার করবে। কিন্তু হলো এর বিপরীত। অনেক মেয়ে অনেক কষ্টে সংসারে টিকে থাকে। যারা পারেনা তারা হয় ডিভোর্স দেয় নয়তো স্বেচ্ছা মৃত্যু কে বেছে নেয়। আর এই যে বাচ্চা নিলো এই বাচ্চা গুলো সারাটাজীবন দু:খ কষ্ট সহ্য করে থাকতে হবে। ওর মা যেমন সারা জীবন জ্বলে পুড়ে গেল, ওদের দশা ও তাই হবে।কোন পরিকল্পনা নেই কিচ্ছু নেই। বিয়ে করো,বাচ্চা ফুটাও।

 ওর এতগুলো বাচ্চার পিছনে আমি শিউর পাড়ার কাকিমা জেঠিমার হাত ছিল।একটা ছেলে হইছে আরেকটা নে। ও দুইটা ছেলে। এবার তো একটা মেয়ে দরকার। হলো তিন ছেলে। মা গেল পরপারে।এখন সমাজ বলবে আহারে মেয়ে টা কত ভালো ছিল। বাট এই মেয়ে যদি ডিভোর্স দিয়ে স্বাবলম্বী হওয়ার ট্রাই করতো তখন এই সমাজ আবার ছি ছি করতো।

একটা নষ্ট সমাজ! নষ্ট দেশ!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/273802/</link>
				<pubDate>Mon, 14 Sep 2026 01:08:04 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমার খালাতো বোন সুইসাইড করে মারা গেছে। ওর হাজব্যান্ড ওকে অনেক নির্যাতন করতো। বিভিন্ন রকম অপবাদ দিতো। কথায় কথায় মারধোর করতো। সে পড়াশোনা ও করেনি যে কোন জব করবে। বাপের বাড়িতে সৎ মা।  তিন টা বাচ্চা তার। ওই বাচ্চা গুলোকে এখন দেখার মতো কেউ নেই।বাপ বিদেশ। এখন আর ভয়ে ও আসবে না। এই দেশের মিডল ক্লাস মেয়েরা যে কত টা অসহায় তা ও চোখে আঙুল দিয়ে দেখ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-273802"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/273802/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2a412383b8c7a7e48ea87b02be77fbfb</guid>
				<title>না পাওয়ার মাঝেই পূর্ণতা:

খুব বেশি কাছে চলে গেলে,
সস্তা হয়ে ফিরে আসতে হয়!
তারচেয়ে বরং দূরে দূরেই থাকি!
দূর থেকেই তাকে অনুভব করি।
সকাল সন্ধ্যা টেক্সট, ফোনকল
কথার ফুলঝুরি তে না ভেসে,
অপরিচিতই থাকি।
আর আট-দশজনের মতো
সে ও থাকুক নিত্যদিনের সোশ্যাল মিডিয়ার অভ্যস্ততায়।
খুব কাছে আর না যাই।
কথা হবেনা,দেখা হবেনা, থাকবে না কোন চাওয়া পাওয়া।
সে আছে কোথাও,
সুখেই আছে হয়তো কিংবা হঠাৎ মন খারাপ;
তবু তো আছে।
থাকুক এভাবেই।
আর কোন দ্বন্দ্ব নয়, নয় কোন অভিযোগ।
এখন নীরবতাই ঢের বেশি শ্রেয়।
যে পবিত্র অনুভূতি বেঁচে আছে,
তা ধ্বংস না হোক সম্পর্কের গভীরতায়।
আর এভাবেই দিনগুলো কেটে যাক,
কলুষিত পৃথিবীর বুকে রয়ে যাক শুদ্ধতার প্রতিচ্ছবি হয়ে।
এভাবেই হয়তো পূর্ণতা পাবে।
না পাওয়ার মাঝেই খুঁজে পেলাম
এক পরিপূর্ন ভালোবাসা।

© শায়লা এ্যামিন</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/272290/</link>
				<pubDate>Wed, 09 Sep 2026 22:57:39 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> না পাওয়ার মাঝেই পূর্ণতা:</p>
<p>খুব বেশি কাছে চলে গেলে,<br />
সস্তা হয়ে ফিরে আসতে হয়!<br />
তারচেয়ে বরং দূরে দূরেই থাকি!<br />
দূর থেকেই তাকে অনুভব করি।<br />
সকাল সন্ধ্যা টেক্সট, ফোনকল<br />
কথার ফুলঝুরি তে না ভেসে,<br />
অপরিচিতই থাকি।<br />
আর আট-দশজনের মতো<br />
সে ও থাকুক নিত্যদিনের সোশ্যাল মিডিয়ার অভ্যস্ততায়।<br />
খুব কাছে আর না যাই।<br />
কথা হবেনা,দেখা হবেনা, থাকবে না কোন চাওয়া পাওয়া।<br />
সে আছে কোথ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-272290"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/272290/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3fc9b5c0056dcabd63e9dd306b6d9e1d</guid>
				<title>শায়লা এ্যামিন changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/271855/</link>
				<pubDate>Tue, 08 Sep 2026 22:54:49 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c9982c68744b8f5777d14d334ac2af87</guid>
				<title>আমার না হওয়া প্রিয় মানুষ
তোমার সাথে আমার প্রায় সব কিছুতেই মিলে যায়, 
তুমি ও খেতে ভালোবাসো আমি ও খেতে ভালোবাসি।
ট্যুর টা ও তোমার ভীষণ প্রিয় আমি জানি সেটা।
বিস্তীর্ণ আকাশ,পাহাড়, সমুদ্র তোমার মন কে ও চঞ্চল করে।
প্রতি টা মুহূর্ত ক্যামেরায় বন্দী করে নিতে ও দেরী হয় না আমাদের।
তবু ও কোথাও কেন এত টানাপোড়েন?
আমরা ও তো পারতাম এক সাথে বৃষ্টি তে ভিজতে।
ছুটির দিনে হাতে হাত রেখে দুজনের ভীষণ প্রিয় কোন মুভি দেখতে!!
নাহ প্রকৃতি তা চায় না। আর চায় না বলেই আজ এত দূরত্ব।
একই শহরে হয়তো একই রাস্তায় দুজনেই হেঁটে যাই প্রতিনিয়ত।
তবু কারো সাথে কারো দেখা হয় না।
যান্ত্রিকতা এক হতে দেয় না আমাদের।
হয়তো আর কখনোই দেখা হবেনা, পাশাপাশি বসে সময় কাটানো হবে না। কখনোই হয়তো আর চোখে চোখ রাখা হবে না।
তবু ও তুমি ভালো থেকো।
আমার না হওয়া প্রিয় মানুষ&#x1f494;

©Aemin</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/271853/</link>
				<pubDate>Tue, 08 Sep 2026 22:50:21 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমার না হওয়া প্রিয় মানুষ<br />
তোমার সাথে আমার প্রায় সব কিছুতেই মিলে যায়,<br />
তুমি ও খেতে ভালোবাসো আমি ও খেতে ভালোবাসি।<br />
ট্যুর টা ও তোমার ভীষণ প্রিয় আমি জানি সেটা।<br />
বিস্তীর্ণ আকাশ,পাহাড়, সমুদ্র তোমার মন কে ও চঞ্চল করে।<br />
প্রতি টা মুহূর্ত ক্যামেরায় বন্দী করে নিতে ও দেরী হয় না আমাদের।<br />
তবু ও কোথাও কেন এত টানাপোড়েন?<br />
আমরা ও তো পারতাম এক সাথে বৃষ্টি তে ভি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-271853"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/271853/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>