<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | শিবুকান্তি দাশ। | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/shibu-kanti-das/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/shibu-kanti-das/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for শিবুকান্তি দাশ।.</description>
	<lastBuildDate>Fri, 19 Jun 2026 10:30:16 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">9f13ae86183e6cab89c8e5dee0b3b37d</guid>
				<title>দেশকে ভালোবাসি
শিবুকান্তি দাশ
কোন দেশেতে আছে বলো ষড় ঋতুর ছায়া
কোন দেশেতে সবুজ শ্যামল আছে আলোর মায়া।
কোন দেশেতে আছে এমন নদীর ঢেউয়ের দোলা
মাঠে রাখাল বাজায় বাঁশি উদাস আত্মভোলা।
বটের ছায়ায় আলোর নাচন পাখির গানে সাড়া
শীতের দিনের পিঠাপুলির ঘ্রাণে জুড়াই পাড়া।
হেমন্তেরই নবান্নতে চাষির মুখে হাসি
এমন শান্তি কোথায় পাবে দেশকে ভালোবাসি।
আমাদেরই সোনার দেশে বঙ্গবন্ধু আছে
রবীন্দ্রনাথ নজরুলেরই আমরা আছি কাছে।
ভয় কি  আছে আমাদের আর ? সাহস রাখি বুকে
মিলেমিশে আছি আমরা কত শান্তি সুখে।
#
যোগাযোগ- ২২/এ তোপখানা রোড,ঢাকা- ১০০০। মুঠোফোন- ০১৮১৯৫২২৯৭৯</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/139745/</link>
				<pubDate>Mon, 29 Aug 2022 15:50:27 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দেশকে ভালোবাসি<br />
শিবুকান্তি দাশ<br />
কোন দেশেতে আছে বলো ষড় ঋতুর ছায়া<br />
কোন দেশেতে সবুজ শ্যামল আছে আলোর মায়া।<br />
কোন দেশেতে আছে এমন নদীর ঢেউয়ের দোলা<br />
মাঠে রাখাল বাজায় বাঁশি উদাস আত্মভোলা।<br />
বটের ছায়ায় আলোর নাচন পাখির গানে সাড়া<br />
শীতের দিনের পিঠাপুলির ঘ্রাণে জুড়াই পাড়া।<br />
হেমন্তেরই নবান্নতে চাষির মুখে হাসি<br />
এমন শান্তি কোথায় পাবে দেশকে ভালোব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-139745"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/139745/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ae23f810530f33fce2e5493a6cbc530d</guid>
				<title>সৈকতের বঙ্গবন্ধু
শিবুকান্তি দাশ

বঙ্গবন্ধুর ছবি। সৈকতদের ঘরে বড়ো একটা বঙ্গবন্ধুর ছবি টাঙ্গানো আছে। ছোট্ট সৈকত বঙ্গবন্ধুর ছবিটা দেখে দেখে বঙ্গবন্ধুর সাথে বন্ধুত্ব করে ফেলেছে। বঙ্গবন্ধুকে সে দেখতে পায় সবখানে। বঙ্গবন্ধু তার সাথে কথা বলে। হ্যাঁ। একদম সত্যি কিš‘। হয়ত কেউ বিশ্বাস করতে চাইবে না। কিš‘ বাস্তবতা আছে। সেই ছোট্ট বেলা থেকে বঙ্গবন্ধুকে সে দাদু বলে ডাকতো। এখনো দাদুই ডাকে। দাদু তার সাথে কত কথা বলে। সে আর দাদু জানে। তবে তার বড়ো দুঃখ। বঙ্গবন্ধুকে সে ছাড়া আর কেউ দেখতে পায় না। তা কি করে হয় ? সৈকত মাঝে মাঝে রেগে গিয়ে বলে দাদু, তুমি শুধু আমার সাথে কথা বলো অন্যদের সাথে কথা বলো না কেন ? ওরা তো বিশ্বাস করতে চায় না তুমি যে আমার সাথে কথা বলো। তখন বঙ্গবন্ধু শুধু হাসে। সৈকতও হাসে। এজন্য কেউ কেউ তাকে পাগলও বলে। মুক্তিযুদ্ধ বা বঙ্গবন্ধু বিষয়ে কেউ কোন মিথ্যা কথা বললে সৈকত সাথে সাথে তার প্রতিবাদ করে। বঙ্গবন্ধুর সাথে কথা বলে। বঙ্গবন্ধুর কাছ থেকে সত্যটা জেনে তবে সবাইকে জানায়। কি আর্শ্চয্য।
সৈকতের জন্ম সেই একাত্তরে। সারাদেশ যখন উত্তাল যুদ্ধের ডামাডোল চারদিকে, তখন সৈকত জন্ম নেয়। তারপর তো পুরো মুক্তিযুদ্ধকাল দোলনায়। একদিন মিলিটারি আসছে শুনে বাড়ির সবার সাথে সৈকতের মা ,ঠাম্মি ,পিসিমা সবাই সৈকতকে দোলনায় ফেলে পালিয়ে গিয়েছিল। অনেকক্ষণ পর যখন দেখে সৈকত কারো কোলে নেই। ওমা মায়ের সেকি চিৎকার। এদিকে মিলিটারির ভয়ে সবাইতো চুপ। এমন সময় গগন বিদারী চিৎকার সৈকতের মায়ের। সবাই পারে তো সৈকতের মাকে গলা চেপে ধরে। এমনি অব¯’ায় সৈকতের মেজ পিসিমা রতœা, বাঁশঝাড়ের ভেতর দিয়ে কাটা কুটা কত কি মাড়িয়ে নিজের জীবনকে তু”ছু করে বাড়িতে গিয়ে ভাইপোকে কোলে করে নিরাপদে নিয়ে আসে। সৈকত তখনও ঘুমে।
সৈকতের যখন একটু একটু বুদ্ধি হয়, ফুল পাখি, মা-বাবা,কাকা সবাইকে চিনতে শিখেছে তখন থেকে বঙ্গবন্ধুকেও চিনতে শিখেছে। তার মেজকাকাই তাকে ছবিটার সামনে নিয়ে গিয়ে বলতো দ্যাখ দ্যাখ বঙ্গবন্ধু। সৈকতও আধো আধো কন্ঠে বলতো বম বম বু। এভাবে বলতে বলতে একদিন ঠিকই বঙ্গবন্ধু বলতে শিখে ফেলে।
সৈকতদের  ঘরের বারান্দায় সোনালী ফ্রেমে বাধা বঙ্গবন্ধুর ছবি টাঙ্গানো ছিল। সৈকতের বাবায় সেই ছবি এনেছিল। সেই থেকে দেয়ালে টাঙ্গানো। ছোট্ট সৈকত কখনো কান্নাকাটি করলে সবাই বঙ্গবন্ধুর ছবিটার সামনে নিয়ে গিয়ে বলতে এই দাদু মারবে। তখন কান্না থামিয়ে দিয়ে ছবির দিকে তাকিয়ে থাকতো সৈকত। যখন একটু একটু বড় হ”েছ সৈকত সব সময় বঙ্গবন্ধুকে বলতো দাদু দেখো আমাকে খেতে দি”েছ না, আমাকে খেলতে দি”েছ না। বললে মা কাকা বা পিসিমারা সৈকতকে তা দিয়ে দিতো। তাতে সৈকতের মনে একটা রেখাপাত হয়ে যা”িছল। সেই রেখাপাত আজো তার ভেতর রয়ে গেলো। কিš‘ ১৯৭৫ সালের পনের আগস্ট যখন বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হলো সেদিন অন্য রকম হয়ে যায় সৈকত।

সৈকতের  বয়স তখন পাঁচ। তার স্পষ্ট মনে আছে। রেডিওতে যখন বলতে ছিল শেখ মুজিবকে হত্যা করা হয়েছে সৈকত তখন রেডিওটা বন্ধ করে দেয়। যখনই রেডিওতে বঙ্গবন্ধু হত্যার খবর বলতো সৈকত রেডিও বন্ধ করে দিত। সবার মুখে মুখে বঙ্গবন্ধু হত্যার কথা শুনতে পেয়ে সৈকত কেমন নির্বাক হয়ে যায়। সে খেলতে যায় না। কিছু খেতে চায় না। মা বাবা জোর করেও খাওয়াতে পারে না। এভাবে অনেক দিন চলে যায়। তাকে আরো আঘাত করে তাদের ঘরে বঙ্গবন্ধুর যে ছবিটি সোনালী ফ্রেমে বাধা ছিল সেটাও কবে কে যে খুলে নিয়ে গেছে কেউ বলে না। সৈকত সেই ছবির জন্য সেদিন সারাটা দিন শুধু কেঁদেছে। কারণ তখন বলা হয়েছিল বঙ্গবন্ধুর ছবি কেউ রাখতে পারবে না। রাখলে বিপদ। ভয়ে সৈকতের বাবা কাকারা বঙ্গবন্ধুর ছবিটাকে সরিয়ে রেখেছিল। তবে সৈকতের ঠাম্মিও ছিল শেখ সাহেবের ভক্ত। তিনি বললেন ছবিটাকে সুন্দর করে কাপড় দিয়ে ঢেকে ছাদের ঘরে যতেœ রাখার জন্য। 
অনেক দিন, বছর কেটে যায়।সৈকত ইশকুলে ভর্তি হয়। মা বা কাকার হাত ধরে ইশকুলে যায় সৈকত। যেতে যেতে কত কি কথা বলে। মুজিব কোট পড়া বঙ্গবন্ধুর আদলের কোন  লোক দেখলে মা বাবা কাকাকে বলতো উনি কি বঙ্গবন্ধু ? বঙ্গবন্ধুর মুখে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মতো দাড়ি নেই কেন সেটাও সৈকতের প্রশ্ন।
সৈকত এখন সব কিছু বুঝতে পারে। সেদিন ইশকুল থেকে ফেরার পথে কিছু লোক বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে নানা কথা বলে যা”িছল। একজন বলল বঙ্গবন্ধু তো পাকিস্তানিদের শর্ত মেনে প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়ে ছিল ? আরেকজন বলল না না। বঙ্গবন্ধু দেশের স্বাধীনতার দাবি থেকে কখনো সরে আসেনি। সৈকত সাথে সাথে তার বঙ্গবন্ধু দাদুকে স্মরণ করে জানতে চাই কোনটা সত্য। বঙ্গবন্ধুও সৈকতকে তার জবাব দিয়ে দেয়। আর সৈকতও গর্জে  উঠে বলে, বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের কারাগারে বন্ধি থেকে বলেছিল ‘আমি স্বাধীনতা  চায়। এ জন্য যদি আমাকে কারাগারে মরতেও হয় তাতে আমার কোন দুঃখ থাকবে না। আমার লাশটা বাংলাদেশে পাঠিয়ে দিও’। সবাই অবাক হয়ে যায়। এতটুকু শিশু এসব জানলো কি ভাবে ? এসব কথা লেখা আছে ‘বঙ্গবন্ধুর আসমাপ্ত আতœজীবনী’তে। বাবা মাকে বলে এই বইটি তোমরা পড়ে নিও। জানতে পারবে বঙ্গবন্ধুর সর্ম্পকে অনেক কিছু। এখানে তোমাদের জন্য একটি কবিতা দিলাম সেটাও একবার পড়ে নাও। ইশকুলের প্রতিযোগিতায় আবৃত্তি ও করতে পারো।

স্বাধীনতার ডাক

স্বাধীনতার ডাক দিলো কে
যোদ্ধা ছিলো কারা
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর 
বজ্রকন্ঠের সাড়া।
বাংলা মায়ের দামাল ছেলে
স্নেহময়ী বোন
স্বাধীনতার যোদ্ধা তারা
কানটা পেতে শোন
সাতই র্মাচ রেসকোর্সে
প্রথম দিলেন ডাক
পচিঁশ মার্চ মধ্যরাতে
বন্দি করে র্পাক।
তখন পিতা স্বাধীনতার
 দিলেন মহাবাণী
এ কথাটা ইতিহাসে 
আজো সঠিক জানি।
#

যোগাযোগ- ২২/এ তোপখানা রোড,ঢাকা- ১০০০। মুঠোফোন- ০১৮১৯৫২২৯৭৯</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/128929/</link>
				<pubDate>Fri, 05 Aug 2022 11:04:05 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সৈকতের বঙ্গবন্ধু<br />
শিবুকান্তি দাশ</p>
<p>বঙ্গবন্ধুর ছবি। সৈকতদের ঘরে বড়ো একটা বঙ্গবন্ধুর ছবি টাঙ্গানো আছে। ছোট্ট সৈকত বঙ্গবন্ধুর ছবিটা দেখে দেখে বঙ্গবন্ধুর সাথে বন্ধুত্ব করে ফেলেছে। বঙ্গবন্ধুকে সে দেখতে পায় সবখানে। বঙ্গবন্ধু তার সাথে কথা বলে। হ্যাঁ। একদম সত্যি কিš‘। হয়ত কেউ বিশ্বাস করতে চাইবে না। কিš‘ বাস্তবতা আছে। সেই ছোট্ট বেলা থেকে বঙ্গবন্ধুকে স&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-128929"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/128929/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>