<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Somapti Sarkar | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/somapti-sarkar/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/somapti-sarkar/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Somapti Sarkar.</description>
	<lastBuildDate>Tue, 21 Jul 2026 20:20:41 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">a09fd2471fb969e135a80fac37f97b72</guid>
				<title>What is LOVE?

Love! Love! Love! What is love?
Should it call?
Let me change, give me time
Let me heal, give me pain
Promise, I will go, never come again-

Love! Love! Love! What is love?
Should it call?
Let the word, make the rhyme
Let’s see the whole, not the prime;
Let it be Juses eternity, not certain
Never like “the second coming”- in your strain

Love! Love! Love! What is love?
Is it Eliot’s “The hollow man—&quot;
Is it Dostoevsky’s “Underground man”!!
Is it “the picture of Dorian Gray.”?
Is love the reply to the pray?

Love! Love! Love! What is love?
Let me define, 
It is like pray
In the gray
In the limbo of seriocomedy
Just like Dante’s Devine Comedy!!!!!

Let God bless you,
Let God bless you.
Let me love you, 
In my pain
Promise, I will go once, never come again-</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/165791/</link>
				<pubDate>Sat, 22 Oct 2022 15:13:51 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>What is LOVE?</p>
<p>Love! Love! Love! What is love?<br />
Should it call?<br />
Let me change, give me time<br />
Let me heal, give me pain<br />
Promise, I will go, never come again-</p>
<p>Love! Love! Love! What is love?<br />
Should it call?<br />
Let the word, make the rhyme<br />
Let’s see the whole, not the prime;<br />
Let it be Juses eternity, not certain<br />
Never like “the second com&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-165791"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/165791/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4257ad305fc080f8caf643bac2f6b616</guid>
				<title># তুমি রবে নীরবে পর্ব ১

 আকাশ অন্ধকারাচ্ছন্ন, ইলশে গুড়ি বৃষ্টিতে ভিজে একাকার পথ-ঘাট জনজীবন, গাছে কদম-কেয়া ফুলের সমারোহ, বাতাসে মাটির সোঁদা গন্ধ ভেসে বেড়াচ্ছে, প্রকৃতি যেন কিছু পুরাতন কে ধুয়ে নতুন সবুজের সাথে প্রেমলীলায় মগ্ন হবে। কদম গাছের ডালে একজোড়া কাক দম্পতির চোখে ঝিমুনি, সহসা ঝড় হাওয়া তাদের সিক্ত দেহকে দোলা দিয়ে কোথাও মিলিয়ে যাচ্ছে। সচ্ছ কাঁচের জানালা দিয়ে কাক দম্পতির দিকে কিছুক্ষণ নির্বিকার ভাবে তাকিয়ে রইলাম, বৃষ্টি বাড়ছে, চোখের সামনেও সব ঝাপসা হচ্ছে, কাক দম্পতিও বৃষ্টির তীব্রতায় মিলিয়ে যাচ্ছে, সামনে দাবার গুটি  সাজানো, হরিহরদাদুর মন্ত্রীটা আর নেই ইতমধ্যে, পাশের বাড়ির বিলাসদাদু আর আমার হরিহরদাদু দাবা খেলছেন, পাশের ঘর থেকে ঠাকুরমার পূজোর মন্ত্রের শ্বব্দ ভেসে আসছে, শাঁখের ধ্বনীও কর্ণকুহরকে মাঝেমধ্যে আন্দোলিত করছে, আমার সমস্ত শরীর শিরশির করছে, হাত পায়ে ঠাণ্ডা অনুভূত হয়ে অসাড় হয়ে যাচ্ছে, সারাঘর ধূপের গন্ধময়, আমার শ্বাস ভারী হয়ে আসছে,  শাঁখের শব্দের সাথে মনে হচ্ছে  যমদূত দূর থেকে ডাকছেন, তাঁর স্বর ক্রমশ তীব্র হচ্ছে, বাকি সব মিথ্যে, ঘোলাটে, অদৃশ্য। আমার ঝাপসা চোখে একজনের মুখাবয়ব কল্পনায় অংকিত হয়, কিন্তু তাঁকে  ছোঁয়া যায় না। তিনি অধরা মাধুরী, তিনি অসাধারণ আমার কাছে।

প্রেমের সংজ্ঞা মানুষ ভেদে বিচিত্র হয়, কবি বলেন মানুষের কল্পনা থেকে সুন্দর এর অনুভূতি। কিন্তু, প্রেম আরও অব্যক্ত, আরও  গভীর, আরও পরিনত হয় নিষিদ্ধ কোন ব্যক্তির জন্য অনুভুত হলে। লোকটির জন্য প্রেম যে বড় শক্ত করে আঁকড়ে ধরেছে আমায়, বেশ বুঝতে পেরেছি। এ নিষিদ্ধ অনুভিতি &quot;ভালোবাসা, যা কাউকে ছাড় দেয় না, এই লোকটিকে স্মরণ করার  আনন্দ আমাকে এত শক্তভাবে ধরেছিল যে, [..] এ আনন্দভূতি এখনও আমাকে ছাড়েনি&quot; যদিও শ্বাস আমায় মুক্তি দিচ্ছে। হয়তো আমার চোখের মনি সাদা হয়ে আসছে,  তাঁর মুখ আরো স্পষ্ট হচ্ছে, শুধু তার মুখায়ব এ স্বচ্ছ, সুন্দর, অন্যসব কিছুই  ঘোর অমা-নিশায়  আচ্ছাদিত। আমার কি মৃত্যু হচ্ছে? সে কি আমার মৃত্যুযন্ত্রনা উপলব্ধি করে কষ্ট ভারাক্রান্ত? আমার কল্পনায় তার মুখে হাসি নেই, তাঁকে  বড্ডো ক্ষীণকায় দেখাচ্ছে, যেন সে এখনই কেঁদে ফেলবে। তিনি আমার কাছে দেবতা। মাটির মানুষ হয়ে সূর্যের সাক্ষাৎ হবে এ আকাঙ্ক্ষা  কখনো ভাবনার সীমানায় প্রবেশ করতে দেয় নি, পাছে ভক্তের ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ হয়ে যায়।  কিন্তু ওই যে, ভবিতব্য কে আটকায় ?

 আমি বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া বড্ড ছাপোষা গোছের ছাত্রী, খুব বিপদে না পড়লে আর শিক্ষকদের বিরক্ত করি না । ইতিহাসের এক কোর্স এ প্রয়োজন পড়ল প্রজেক্ট করার, অসাধ্য কাজ করার প্রবণতা ছোট বেলা থেকেই অধিক ছিল, রিসার্চ এর বিষয় হিসেবে  নিলাম রোহিংগাদের অভিবাসন,  এর পূর্বে এ একই বিষয়ে কাজ করেছেন এমন কোনো লেখা সন্ধান করা বেশ কষ্টসাদ্ধ হয়ে উঠল, কি আর করার আছে? সাধারণ শিক্ষাবিভাগে উপস্থিত হলাম এক দয়ালু অধ্যাপকের খোঁজ নিতে, কিন্তু হতাশ হলাম জেনে আমার পিতৃতুল্য অধ্যাপক খান অবকাশ যাপন করছেন। কিন্তু আমাকে চমকে দিলেন অফিস সহকারী, জানালেন প্রফেসর খান এর পরিবর্তে  আমাকে সাহায্য করতে পারেন অধ্যাপক লুকিক। তার নাম শুনেই অদ্ভুত এক অনুভূতি হলো, সত্যি তিনি আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে? আমি কি দিবাস্বপ্ন দেখছি? কিন্তু তার অনুমতি ব্যতীত কি করে তাকে দেখার ধৃষ্টতা করব ? অন্যদিকে তাকে দেখার তীব্র নিষিদ্ধ ইচ্ছা। আমি প্রথম তাকে দেখেছিলাম প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে, কম্পিউটার স্ক্রীনে, তিনি আমার কাছে ইংরেজি সাহিত্যে বর্নিত গ্রীক দেবতা এডিনোস, যাকে অনুভব করা যায়, স্পর্শ করা যায় না। তার প্রোফাইল সবার থেকে ভিন্ন। তিনি জ্ঞানী, তিনি বিজ্ঞ, আমার অবচেতন মন অনেক আগেই এই গ্রীক দেবতার প্রেমে পড়েছিল, তা কে জানত?

কি এক নিষিদ্ধ, অশুদ্ধ অনুভূতি জন্মালো তার নাম শুনেই, কিন্তু এ অনুভুতি অন্য কারো জন্য হলে হয়তো সব থেকে পবিত্র  বলে গণ্য হতো । অধ্যাপক লুকিক আছেন আমার দেশে আমার আশেপাশে এ উপলব্ধি অন্য সমস্ত সুখানুভূতিকে  ক্ষীণ করে তুলল, তখন আমার মধ্যে আমি দুটো আলাদা সত্ত্বা আবিষ্কার করলাম, একজন খুবই অনুগত ছাত্রী, সে কখনো শিক্ষকের প্রেমে পড়তে পারে না, অন্যজন কিশোরী মতো অবুঝ প্রেমিকা, চির  অনুরক্ত ভক্ত হতে ব্যাকুল, প্রথমজন জ্ঞানী হলেও  দুর্বল, দ্বিতীয়জন মূঢ় হলেও অত্যধিক দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। প্রথমজন কে বারণ  করা যায়, দ্বিতীয়জন কে পরাজিত করা যায় না, তথাকথিত ভাবে জয় হলো কিশোরী প্রেমিকার,   বশ্যতা স্বীকার করলো অনুগত ছাত্রী। ঠিক করা হলো অনুগত ছাত্রী হয়েই প্রফেসর লুকিককে প্রথম দেখা হবে।  তাকে ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়ে দেখা করার  অনুমতি ও নিলাম। প্রফেসর লুকিক এর ইতিবাচক উত্তর পেয়ে যেন আকাশের চাদ হাতে পেলাম ।

এক সপ্তাহ আগে থেকে শুরু হলো প্রস্তুতি, কি পরে তার সামনে উপস্থিত হবো, কি বিষয় তার কাছে উপস্থাপন করবো? এ প্রস্তুতিপর্ব যেন এক বিশাল মহাযজ্ঞের ন্যায় আমার নিকট, যেখানে দেবতাকে তুষ্ট করা জীবনের একমাত্র লক্ষ্য।  চোখের পলক না পড়তেই প্রফেসর লুকিক এর সাথে দেখা করার দিন এলো, আমি উল্লসিত, অভিভূত, আয়নায় নিজের মুখ অনেকবার  দেখলাম,  এই প্রথম নিজেকে সুন্দর দেখানোর প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলাম কৃত্রিমতার সাহায্য নিয়ে, লজ্জায় হাসি পাচ্ছে, ভয় হচ্ছে উপস্থিত বুদ্ধি লোপের, এ ভীতি ও ছিল যে ইংরেজিটা সঠিকভাবে বলতে পারবো কি না ? তার কেবিনের সামনে উপস্থিত হতেই  আমার হাত পা কাঁপতে শুরু করলো, প্রফেসর অভ্যর্থনা জানালেন, হ্যালো। অবিস্বাশ্য, তিনি কথা বলছেন, আমার সামনে, আমার সাথে কথা বলছেন। প্রফেসর লুকিক হালকা জলপাই রং এর টিশার্ট পড়েছেন, চক্ষে ওভাল শেপের চশমা, চোখের মনি সবুজ পাঁশে  গোলাকার রুপালি বৃত্ত দ্বারা আবৃত, জ্ঞানদীপ্ত চোখ জ্বল-জ্বল করছে, ডান  হাতে পেন্সিল, ক্লিন শেভড মুখে আজ তাকে প্রথম দেখছি সামনাসামনি, বয়স কত হবে? পঁচিশ-ত্রিশ। তাঁর  প্রতি প্রেম হতে পারে? আমি হতভম্ব, বাক্যহারা। প্রফেসর লুকিক দু বার কেঁশে আবার বললেন, হ্যালো, আমি আপনাকে কিভাবে সাহায্য করতে পারি?  আমি  সম্মিত হয়ে বললাম, রিসার্চের বিশদ  বিবরণী, কিছুটা অবাকও হলাম,  উনি ছাত্রী হিসেবে, আমি কেমন আছি এটাও জানতে চাইলেন না, প্রফেসর লুকিক ব্যক্তিগত কোনো বিষয়েই আগ্রহী নন।  বড়  চমৎকার শিক্ষক তিনি, কিন্তু মানুষ হিসেবে অদ্ভুদ । তিনি কি হাঁসতে অভ্যস্থ নন? তিনি কি খুবই গুরু-গম্ভীর আর ঠান্ডা প্রকৃতির? ভালোবাসলে কি তিনি কি উষ্ণতার সাথে গ্রহণ করেন নাকি অপমান করে ফিরিয়ে দেন? কিশোরী সুলভ মনে কত প্রশ্নের উদ্রেক ঘটলো কিন্তু কোনো উত্তর পেলাম না।

তথাকথিত ভাবে নিজেকে সুন্দর করার প্রস্তুতি  চলছে,  প্রফেসর লুকিক এর সাথে আরো কয়েকবার সাক্ষাৎ হলো, প্রতিবার এ তা পড়ার বিষয়ের আলোচনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু, জ্ঞানী  আপনি সর্বজান্তা, অন্যদিনের মতই সাধারণ ছিল সাক্ষাৎ,  আমি আজ সাহস নিয়ে জিজ্ঞাসা করলাম আপনার পরিবারের সবাই কেমন আছেন? আপনার স্ত্রী,  সন্তানকে ছেড়ে একা  থাকতে কষ্ট হয়? তিনি নির্বিকারভাবে বললেন আমি আমার পেশাগত জীবন আর ব্যক্তিগত জীবন আলাদা রাখি, তিনি একটা মিকে হাসি দিলেন। আমি তার কেবিন থেকে বেরিয়েযাচ্ছিলাম,  হঠাৎ পিছন থেকে উনি ডাকলেন, শোনো। আমি পিছন ফিরতেই, তিনি বলতে শুরু করলেন, ছাত্রী আর শিক্ষকের সম্পর্ক এর মধ্যে একটা দেয়াল থাকে সেটা কখনো অতিক্রম করা ঠিক নয়। 

আমি অবাক হয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করলাম, 
-আমি কি আমার ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে আপনাকে কিছু বলতে পারি? আমি নিজেও একজন শিক্ষিকা, অনাথ বাচ্চাদের অবসর সময়ে পড়াই  আমার কি উচিত কোনো অসহায় ছাত্রকে আর্থিকভাবে সহায়তা করা? নাকি এখানেও দেয়াল থাকবে? 
প্রফেসর লুকিক শান্তভাবে বললেন, 
-কখনই উচিৎ নয় আর্থিকভাবে সাহায্য করা, ইতমধ্যেই তোমার  সমর্থ্যে যতটুকু আছে সে পরিমান সাহায্য করে যাচ্ছ। তোমার  কি মনে হয় আমি করিনি কখনো কোনো ছাত্রকে সাহায্য? তোমার হৃদয় ভাংবে,যখন সে তোমার আশানুরূপ ফলাফল দিতে পারবে না, আমি নিজেও এটা অনুভব করেছি, বহুবার, তাই সাবধান করছি।

আমি যতই এই মানুষটার কথা শুনি অবাক হয়ে যাই, উনি এত কঠিন কেন? এত বাস্তবমুখী কেন হতে হবে জীবনে? তিনি তাও মায়াবী,  আমার কল্পনার সুখ। আমি কল্পনায় প্রফেসর লুকিককে নিজের মতো করে সাজাতাম পাঞ্জাবীতে, হাতে সোনালী রঙের ঘড়ি, বা হাতের অনামিকা আঙুলে আমার পরানো আংটি, পায়ে নাগরাই জুতা, আরও কত কি। একদিন সত্যি থমকে গেলাম সিড়িতে আমার কল্পনাকে বাস্তবে দেখে, উনি কি মন পড়তে পারেন? আজও ওনার সাথে মিটিং আছে, আমি আজ কিছুই মুখ থেকে বের করতে পারব না বেশ বুঝতে পারছি, আমি ইংরেজি ক্লাসে যাব, হঠাৎ করে সিড়িতে ওনার সাথে দেখা, উনি হাসছেন, বেশ উচু গলায় বললেন, Hello, Ms. What are you doing? আমি সর্বদাই ওনাকে দেখে স্থবির হয়ে যাই। আমি শুধু হাত নাড়িয়ে বলতে পারলাম, ক্লাস। আমার হৃদযন্ত্রের গতি বৃদ্ধি পেয়েছে, আমি রীতিমতো কাপছি, এসির তাপমাত্রা ১৭° সেলসিয়াস তথাপি অনবরত ঘামছি, বীনাকারণে হাসছি। মনে হচ্ছে কবির কল্পনা প্রফেসর লুকিক। উনি এত হাসছেন কেন আজ? ক্লাস শেষে ক্যান্টিনে বসে এক কাপ কফি পান করলাম, কিন্তু মনের উত্তেজনা কিছুতেই কমছে না, তাকে দেখব আরেকবার, ”পাশের অডিটরিয়াম থেকে শোনা যাচ্ছে, নজরুল এর বিখ্যাত গান৷, তুমি সুন্দর তাই চেয়ে থাকি প্রিয় সে কি মোর অপরাধ। চতুর্থ তলায় প্রফেসর লুকিক এর কেবিন, সিড়ি দিয়েই ডিপার্টমেন্ট এ যাব চিন্তা করলাম, তৃতীয় তলায় উঠতেই কারো সম্মোহনী কন্ঠ শুনতে পেলাম, &#039; আমার পরাণ যাহা চায়......&#039; তিনি গান গাইছেন, উচ্চারণ কত শুদ্ধ, একবারও মনে হচ্ছে না কোন অবাংগালী গানটি গাইছেন। আরও একবার প্রফেসর লুকিককের প্রেমে পড়লাম। গান শেষ হতেই উপস্থিত হলাম ওনার সামনে, কিছুটা অপ্রস্তুত হলেন  তিনি বোধ করলাম, তিনি আজকে ভীষণ খুশী। 

-May I come in, Sir?
- Sure, what about the project? Do you get permission from RRRC (রিসার্চ কমিশন)?
- No. They replied,  there are some problems in the Rohingya Camp, so they cannot give permission to conduct interviews. Can you help me with this issue?
প্রফেসর কিছুক্ষণ চিন্তা করলেন, তারপর উত্তর দিলেন,
- Alright I will talk with Mrs. Arifa to get you permission. What about the fund for this project?
- It will be self-funded.
- No worries, I have talked with the student support office. They will provide you with the fund.
- No need.
- Ms. no need to come to me then, lead your life, please!
- okay. I will accept the fund, but then I must complete the project to fulfill their requirements. 
- No, they don&#039;t interfere with your work, trust me.
- Are you sure? 
তিনি কিছু না বলেই আমার দিকে তাকিয়ে রইলেন।, আমি তার সৌন্দর্যের প্রশংসা না করে পারলাম না।
- Professor you look stunning and handsome.
আজ লজ্জার মাথা খেয়ে বলেই দিলাম। তিনি হাসলেন, লজ্জা পেলেন কি না,  জানি না। হেসেই উত্তর দিলেন, 
-Thank you. Take care. I never have seen a student like you. 
তার কাছে আরও কিছুক্ষণ বসার অভিপ্রায় থাকলেও তিনি আর অবসর দিলেন না। 

আমার চিন্তা অবান্তর প্রফেসর লুকিককে ঘিরে। আমার চিন্তায় তিনি রোমান্টিক পুরুষ, তিনি হাসেন, প্রেমে পড়েন, আড্ডাদেন, গান করেন।  কিন্তু বাস্তবতার সাথে আমার কল্পনার কোনো মিল নেই।  তিনি যদিও আমার কল্পনার পুরুষ নন, তথাপি আমার ভীষণ প্রিয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের আশেপাশে ঘুরঘুর করার বদভ্যাসটা প্রফেসর লুকিক আসার পর থেকে ভীষণ বেড়েছে। আর যখনি সাধারণ শিক্ষা বিভাগের আশেপাশে থাকি, তখনি চতুর্থ তলায় আমার নজর দেয়াটা অবধারিত হয়ে দাঁড়িয়েছে। সন্ধ্যেয়ও একটা কেবিন এ ঠিক আলো জ্বলছে, এ বাতিটা কতক্ষণ জ্বলবে কে জানে? আমি জানি সবাই বাড়ি ফিরে গিয়েছে, কিন্তু নির্জন কেবিনে বসে প্রফেসর লুকিক রিসার্চ এর কাজ অনবরত করে যাচ্ছেন, তার বার বার কফি পান করার বাতিক আছে, কে তৈরি করে দিচ্ছে কফি? আমি ঠিক দেখেছি অফিস বয়টা বিকেল 5 টায় বাড়ি চলে গিয়েছে, এখন রাত 8 টা বেজে  10 মিনিট। আইডি কার্ডটা তো সাথেই আছে একবার কি ভিতরে গিয়ে দেখে আসব? কিন্তু তাকে কফি বানিয়ে পান করানোর অধিকার আমার নেই মনে পড়তেই ফিরে এলাম বাসায়, পরেরদিন আবার প্রফেসর লুকিককের সাথে সিড়িতে দেখা, আজ ভিষণ বিষন্ন তিনি, ঝাকড়া সাদা সোনালি চুলগুলো এলোমেলো, আমি দেখা হতেই বললাম, Hello, Professor. How are you? তিনি বাচ্চাদের মতো দুহাত দিয়ে মাথার চুল টেনে উত্তর দিলেন, I have many midterm scripts  to recheck,  it is really a burden, I am going through hectic schedule. If you have any question today kindly excuse me.

প্রফেসর লুকিক কথাগুলো বলার সময় ঠিক বাচ্চাদের মতই হাত পা নাড়াচ্ছিলেন,  কলম কামড়াচ্ছিলেন,  তার পড়া শার্ট-প্যান্ট দেখতে মলিন,   তিনি কথাগুলো খুব তাড়াতাড়ি বলে চলে গেলেন, তাকে সাহায্য করার খুব ইচ্ছা হচ্ছিল। আজ প্রজেক্টের ফান্ডিং নিয়ে শাহরিয়ার স্যারের সাথে কথা বলাটা খুব দরকারি। পিস অ্যান্ড জাস্টিস ডিপার্টমেন্ট এ গেলাম শাহরিয়ার স্যারের সাথে কথা বলতে, স্যারের পিএস বললেন বাইরে অপেক্ষা করতে, আমার আজকের সারাদিন যেন আশির্বাদ, সেখানে যাচ্ছি আমার প্রিয় মানুষটির উপস্থিতি পাচ্ছি, এ এক অন্য রকম স্বর্গ সুখ, প্রফেসর লুকিকের মুখটা চোখের সামনে ভাসছিল, তিনি সকালে খেয়ে আসেন নি এমন মনে হচ্ছিল, চোখের নিচেও কালো বলিরেখা পড়েছে, যন্ত্রের মতো কাজ করে কি হবে? লোকটার যে রাতে ঘুম হয় না তা মুখে বলার প্রয়োজন নেই আমাকে, আমি তাঁর  সব বুঝি, মাঝে মাঝে দেখি তো সামনে রাখা কফির মগ ঠান্ডা বরফ হয়ে যাচ্ছে, তিনি কাজ এ করে যাচ্ছেন। তাঁর কথা ভাবতে ভাবতেই শাহরিয়ার স্যারের রুমের সামনে রাখা সোফাতে কিচ্ছুক্ষণ বসে রইলাম, ভিতর থেকে সেই সম্মোহনী কন্ঠ শুনতে পেলাম, 
-I am in a severe problem,  Shahriar. I cannot find any barber, even my maid could not understand my language, and I cannot eat the spicy food that she cooks. Even my maid cannot organize my research file alphabetically in order to file, I am in a total mess. Can you find me a maid who can cook excellently, can understand my tongue have the knowledge of filing,  if s/he can help me in keeping research notes that would be better?
শাহরিয়ার স্যার শব্দ করে হাসছেন। শাহরিয়ার স্যার কৌতুকের ছলেই জিজ্ঞাসা করলেন, 
-Are you sure that you are searching for a maid!!
-sure (very naive tone of professor Lukic)
-No, my friend. my suggestion is for you to get married.
-Don&#039;t make fun of me Shahriar.  You never can understand my issue. By the way, I have planted the brinjal seeds, they are about to grow.......

প্রফেসর লুকিককের এতো বড় বড় সমস্যার কথা শুনে আমারও হাসি পাচ্ছিল, তখন পিএস এসে বলল, আপনি ভিতরে যেতে পারেন। ঢুকেই এমন ভাব করলাম যেন, প্রফেসর লুকিককে আমি চিনি না, কারন আমি জানি তার টুথপিক দিয়ে কেক খাওয়া দেখলে আমি হেসে ফেলব। শাহরিয়ার স্যারকে সালাম দিলাম, শাহরিয়ার স্যার বললেন উনি প্রফেসর লুকিক,  আমি তেমন একটা গুরত্ব না দিয়েই আমার ফান্ডিং এর বিষয়ে কথা শুরু করলাম। কথার মাঝেও আমার সম্পুর্ণ মোনযোগ ছিল প্রফেসর লুকিকের দিকে, তিনি সুগার ফ্রী কেক খাচ্ছেন, কেক থেকে আবার ফলের টুকরোগুলিকে আলাদা করে রাখছেন, বাচ্চাদের মতো বাহানা করে খাওয়া তাঁর, আমি আনমনেই খিল-খিল করে হেসেই চলেছি, প্রফেসর লুকিক, শাহরিয়ার দুজনেই অবাক দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে আছেন।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/165787/</link>
				<pubDate>Sat, 22 Oct 2022 14:56:21 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> # তুমি রবে নীরবে পর্ব ১</p>
<p> আকাশ অন্ধকারাচ্ছন্ন, ইলশে গুড়ি বৃষ্টিতে ভিজে একাকার পথ-ঘাট জনজীবন, গাছে কদম-কেয়া ফুলের সমারোহ, বাতাসে মাটির সোঁদা গন্ধ ভেসে বেড়াচ্ছে, প্রকৃতি যেন কিছু পুরাতন কে ধুয়ে নতুন সবুজের সাথে প্রেমলীলায় মগ্ন হবে। কদম গাছের ডালে একজোড়া কাক দম্পতির চোখে ঝিমুনি, সহসা ঝড় হাওয়া তাদের সিক্ত দেহকে দোলা দিয়ে কোথাও মিলিয়ে যাচ্ছে। সচ্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-165787"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/165787/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>