<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | A.K.M Syedur Rahman Khan | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/syedur/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/syedur/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for A.K.M Syedur Rahman Khan.</description>
	<lastBuildDate>Sat, 01 Aug 2026 19:28:15 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">f785c65434d00303bfe39a32be62ba27</guid>
				<title>গজলের অবকাঠামো ব্যবচ্ছেদ
লিখনেঃএ,কে,এম সাঈদুর রহমান খান। 

  গজল- হাজার বছর পুরোনো এক কাব্যিক কাঠামো।আরব চারণ কবিদের হৃদয় থেকে উৎসারিত আর্তনাদের নাম গজল।গজল সৃষ্টির পেছনে কিছু উপকথা প্রচলিত আছে।সবচেয়ে প্রচলিত যে গল্প রয়েছে তা মরুচারী হরিণ গাজালাকে কেন্দ্র করে।যে গাজালা বেঁচে থাকার বুকভরা তৃষ্ণা নিয়ে ঘুরে মরেছে অথচ কোথাও তৃষ্ণা নিবারণের জল পায়নি।কোথাও মেলেনি সাধের জীবন বাঁচানোর জন্য এতটুকু ঘাস,গুল্মলতা। নিভে যাবার আগে প্রদীপ যেমন ধপ করে জ্বলে ওঠে শেষবারের মতো,ডুবে যাওয়ার আগে সূর্য যেমন তার অন্তিম আলোর বিচ্ছুরণ ঘটায় যেন বোঝাতে চায় আজকের দিনটি তার-ই ছিল,তেমনি ক্ষুধা তৃষ্ণায় কাতর গাজালা মৃত্যুর বাহুতে ধরা দেবার আগে তার অন্তিম আর্তনাদ  প্রকাশ করে এক হৃদয় বিদীর্ণ করা ডাক দিয়ে।এই আর্তনাদের অপর নাম হচ্ছে গজল।পৃথিবীর  সকল গজলেরই সারবস্তু ও ভাবসম্পদ গাজালাকে কেন্দ্র করে এ ধরণের গল্পে নিহিত আছে।বিষয়বস্তু হতে পারে বিচিত্র,বহুমাত্রিক তবু শায়েরদের উক্ত ভাবগত কাঠামোর উপরে নির্মাণ করতে হয় গজলের সৌধ।
   আসলে গজলের সূচনা সপ্তম শতাব্দীতে আরবী কবিতায় হলেও দ্বাদশ শতাব্দীতে দিল্লী সালতানাতের প্রতিষ্ঠা এবং মরমী সুফিবাদের প্রভাবে এ উপমহাদেশে গজলের প্রচলন হয়।এর আগে পারস্যের সাহিত্যে গজলের পরিপুষ্টি ঘটে।নজরুলের হাত দিয়ে বাংলাভাষায় গজল প্রচলিত হয়।

   ভাবগত অবকাঠামো ছাড়াও গজল মেনে চলে বিধিবদ্ধ নন্দনশাস্ত্রের অনুশাসন।কমপক্ষে পাঁচটি দ্বিপদী উর্ধ্বে পঁচিশটি দ্বিপদী নিয়ে রচিত হয় গজলের শরীর।শের মূলত গজলের অংশ।কিন্তু স্বতন্ত্র কবিতা হিসেবে শের রচনার প্রচলনও আছে।উর্দুতে এসব স্বতন্ত্র  শেরকে বলে ফর্দ।প্রতিটি শের দুটি মিশরা বা লাইনের সমন্বয়ে রচিত হয়।   শের এর প্রথম লাইনকে বলে মিসরা-ই-উলা আর শেষ লাইনকে বলের মিসরা-ই-সানি।শের এ অন্ত্যমিল থাকতে পারে আবার নাও থাকতে পারে।গজলের প্রতিটি শের স্বতন্ত্র ভাব বা বিষয় প্রকাশ করে।

       গজল রচনায় পাঁচটি নিয়ম অনুসরণ করা হয়।সেগুলো হলো:
   ১.গজলের সূচনা শেরকে বলে &quot;মাতলা&quot;।মাতলায় গজলের মূল সুরটি ফুটিয়ে তোলা হয়।মাতলার গঠনের সাথে অবশিষ্ট সব শের এর গঠনগত ও ছন্দ সংগতি থাকতে হয়।
   ২.মাতলার উভয় লাইনের রাদীফ (শব্দ বা শব্দগুচ্ছের মিল) বা ধুয়া পরবর্তী সকল শের এর দ্বিতীয় লাইনের রাদীফ একই থাকতে হবে।
   ৩.রাদীফের আগের শব্দাবলী বা বাগধারা যে কাফিয়া (অন্ত্যমিল) বা মিলের ধরণ তা পরবর্তী সকল শের এ বজায় রাখতে হয়।
   ৪.গজলের শেষ শেরকে বলা হয় &quot; মাকতা&quot;।মাকতায় সাধারণত:কবির তাখাললুক বা নাম/ছদ্মনাম(যেমন গালিব লিখতেন আসাদ) ব্যবহার করে সমাপনী শেরকে ঋদ্ধ করা হয়।
   ৫.সকল শের এ বিষয় বৈচিত্র্য বা স্বাতন্দ্র&#x200d;্য থাকলেও একই ছন্দ ও সমান মাত্রা ব্যবহার করতে হয়।একে বলে বাহ&#039;র বা বেহের।
    
   বিংশ শতাব্দীর মহান উর্দুকবি ফয়েজ আহমেদ ফয়েজ রচিত গজলের কয়েকটি শের বিশ্লেষণের মাধ্যমে গজল রচনার অনুশাসন সম্পর্কে কিছুটা ধারণা পাবো।গজলটির কয়েকটি শের এমন:
        গুলো মে রঙ্গ ভরে বাদে নওবাহার চলে
        চলে ভি আওকে গুলশান কা কারোবার চলে।
   
      কাফাস উদাস হ্যায় ইয়ারো সাবাসে কুছ তো কাহোঁ
      কাহিঁ তো ব্যহরে খুদা আজ জিকরে ইয়ার চলে।

      মাকাম ফয়েজ কোয়ি রাহ মে যাচা হি নেহি
      জো কুয়ে ইয়ার সে নিকলে তো সুয়ে দার চলে।
  
     উপরের গজলেএ মাতলার (সূচনা শের) দিকে খেয়াল করলে রাদীফ-কাফিয়ার রন্ধন স্পষ্ট হবে।এখানে চলে শব্দটি রাদীফ ও রাদীফের আগের শব্দের অন্তে &quot;নওবাহার&quot; এর &quot;আর&quot;,দ্বিতীয় লাইনের কারোবার এর &quot;আর&quot; কাফিয়া হিসেবে এসেছে।গজলের মাতলায় এই বন্ধন বাধ্যতামূলক।
   দ্বিতীয় শের লক্ষ্য করলে প্রথম লাইন স্বাধীনভাবে রচিত হয়েছে কিন্তু দ্বিতীয়  লাইনে রাদীফ-কাফিয়ার নিয়মিত বন্ধন দৃষ্টিগোচর হয়।গজল অবকাঠামোর আরেকটি বিশেষ দিক হলো মাতলার পরবর্তী শেরগুলোতে প্রথম লাইন বন্ধনমুক্ত থাকবে এবং পরের লাইন বরাবরের মত আবদ্ধ থাকবে।
  গজলটির মাখতার দিকে খেয়াল করলে কবির তাখাললুক বা কবিনাম দৃষ্টিগোচর হয়।যা গজলের অবকাঠামোগত অনুশাসন।

তথ্য সুত্র:মনন রেখা(ষান্মাসিক পত্রিকা)।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/93237/</link>
				<pubDate>Mon, 24 Jan 2022 07:20:39 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গজলের অবকাঠামো ব্যবচ্ছেদ<br />
লিখনেঃএ,কে,এম সাঈদুর রহমান খান। </p>
<p>  গজল- হাজার বছর পুরোনো এক কাব্যিক কাঠামো।আরব চারণ কবিদের হৃদয় থেকে উৎসারিত আর্তনাদের নাম গজল।গজল সৃষ্টির পেছনে কিছু উপকথা প্রচলিত আছে।সবচেয়ে প্রচলিত যে গল্প রয়েছে তা মরুচারী হরিণ গাজালাকে কেন্দ্র করে।যে গাজালা বেঁচে থাকার বুকভরা তৃষ্ণা নিয়ে ঘুরে মরেছে অথচ কোথাও তৃষ্ণা ন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-93237"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/93237/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">97808e7427ccb82c7bdd9b0d80f4fcde</guid>
				<title>কবিতার অনুবাদ নিয়ে দুটি  কথা

    প্লেটো বলেছেন,&quot;বিশ্বের সবকিছুই ধারণার ছায়া কিংবা কোনো মূল ধারণার অনুকরণ&quot;।ব্যাপক দৃষ্টিতে দেখলে প্রায় সবকিছুতেই— প্রকৃতিতে,জীবনে,শিল্পে সবকিছুতেই অনুকরণ বা অনুবাদের একটি প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়।একটা জীবকোষ ভেঙ্গে যখন দুটো হয় বা সন্তান যখন বাবা মা বা  পূর্বপুরুষের কারও আদল পায় তখন সেটা অনুকৃতি ছাড়া তো অন্য কিছু নয়।এমনিভাবে এক শিল্পকর্মের জন্ম হয় অন্য শিল্পকর্মের অনুকরণে বা অনুপ্রেরণায়।কবিরা বহুকার ধরে অনুকৃতির মাধ্যমে লিখতে শেখেন।প্রাকৃতিক সৌন্দর্য যত না কবিকে উদ্দীপ্ত করে তার চেয়ে বেশি অনুপ্রাণিত করে একটি কবিতা বা শিল্পকর্ম।এলিয়ট বলেছেন,&quot;এক যুগের এক সংস্কৃতির কবির কাছ থেকে কৌশল রপ্ত করেন নিজকালের উপযোগী করে প্রনোদনা,আঙ্গিক চরন এবং ধারণা ধার করেন&quot;।প্রায় সব মহান কবি যেমন:বাল্মীকি,হোমার,ভার্জিল,দান্তে,শেক্সপিয়ার,রবীন্দ্রনাথ কেউই এই বক্তব্যের বাইরে নন।
   যেকোনো অনুকরণ শিল্পের মতো অনুবাদ শিল্পও মূলত রুপান্তর ঘটায়,স্থান বিন্যাস করে।মূলকে স্থানচ্যুত করে ভিন্নতর প্রতীক ও ইঙ্গিতের আওতায় পুনরুদ্ভব করানোই অনুবাদের কাজ।অনুবাদ শিল্পের রুপান্তরের বিষয়টি এবং মূলের সঙ্গে অনুবাদের সম্পর্ককে দুটি বাদ্যযন্ত্রের যুগলবন্দীর উদাহরণ দিয়ে বোঝানো যেতে পারে।পিয়ানোয় বাজানো সুর যখন বেহালায় জবাবি দেয় তখন তারা অবিকল একই সুর সৃষ্টি করে না। যা করে তা একই স্বরের কাছাকাছি,প্রায় সমার্থ শব্দ ও সুর সৃষ্টি করে।যদিও শুনে মনে হয় শব্দযন্ত্র দুটি একই স্বর ও সুরের অনুকরণ করে চলেছে।ভাষাও সে রকম একটি যন্ত্র।এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় এই জন্যই হুবহু অনুবাদ সম্ভব নয়।পিয়ানোতে যেমন বেহালার স্বর নেই তেমনি এক ভাষায় নেই অন্য ভাষার স্বর।এ সত্য মেনে নিয়েই অনুবাদককে অনুবাদ করতে হয়।

                   
    কবিতার জন্ম ভাষার গূঢ়তম সত্তা থেকে।তাই এক ভাষার কবিতা যখন অন্য ভাষায় অনুবাদ করা হয় তখন অর্থটুকু স্থানান্তরিত হলেও যা সত্তাসার তা মূল কবিতার মধ্যে অবিচলিতভাবে জ্বলতে থাকে। কবিতার অনেক সংজ্ঞা আছে।তার মধ্যে একটা হল,যা অনুবাদ করা যায় না তাই কবিতা।রবার্ট ফ্রস্ট ঠিকই বলেছেন, &quot;কবিতা সবচেয়ে গোঁড়া জাতীয়তাবাদী শিল্প, কারণ স্ব ভাষায় সীমান্ত অতিক্রমে তার বড়ই অনিচ্ছা &quot;। বাস্তবিক কবিতার অনুবাদ হয় কিনা এ বিষয়ে তো অনেকের বদ্ধমূল সন্দেহ। কবিতার অনুবাদকে তাই কেউ কেউ বলেন &quot;a perpetual  attempt to square the circle &quot;।কবিতার অনুবাদ প্রসঙ্গে&quot; অন্যদেশের কবিতা &quot; গ্রন্হের ভূমিকায় সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় লিখেছেন, &quot;এই বইতে যারা বিশুদ্ধ কবিতার রস খুঁজতে যাবেন তাদের নিরাশ হবার সম্ভাবনাই বেশি। এই বইতে কবিতা নেই, আছে অনুবাদ কবিতা। অনুবাদ কবিতা একটা আলাদা জাত,ভুল প্রত্যাশা নিয়ে এর সম্মুখীন হওয়া বিপদজনক।..... আমার ব্যক্তিগত দৃঢ় বিশ্বাস, অনুবাদ কবিতার পক্ষে বিশুদ্ধ কবিতা হওয়া সম্ভব নয়,কখনো হয়নি&quot;। এজন্য  অনুবাদকে বলে এমব্রয়ডারির উল্টো পিঠ।ইতালীয় প্রবাদে অনুবাদককে বলা হয়েছে &quot;Traduttore,traditor&quot; অর্থাৎ&quot;Translator, traitor&quot;বাংলায় যার অর্থ অনুবাদক বিশ্বাসঘাতক।আলেকজান্ডার পোপ যিনি নিজেও অনুবাদক হিসেবে বিখ্যাত তিনিই অনুবাদককে বলেছেন &quot;saddest pack of rogues in the world&quot;।
এত ঠাট্টা বিদ্রুপ সহ্য করেও কিন্তু  অনুবাদকেরা স্বকার্য থেকে বিরত হননি। কেননা অনুবাদের সেতুবন্ধন ছাড়া সাহিত্যের বিশাল জগতে পদার্পন করা মানুষের পক্ষে সম্ভব হতো না।অনুবাদ না থাকলে বিশ্বের বিচিত্র ভাষায় বদ্ধ মনীষাকল্পনার শ্রেষ্ঠ ফসল গুলো সর্বসাধারণের আস্বাদের অতীত থেকে যেত।তাই &quot; all translation is a cratch for human incompetence &quot; বলে যতই ঠাট্টা করা হোক না কেন এই ক্র্যাচ না থাকলে ভাষার ব্যাপারে পঙ্গুদের পক্ষে ভাষা সীমার গিরিলঙ্ঘন কোনদিন সম্ভব হতো না।

অনুবাদকে থিওরি হিসেবে দাঁড় করানোর পর তাত্ত্বিকরা নানা দৃষ্টিকোন থেকে একে ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করে আসছেন। তাই  অনুবাদের প্রকারভেদ, কিভাবে বা কোন মূলনীতি অনুসরণ করে অনুবাদ করা হবে সে বিষয়ে কোন স্হির মত প্রতিষ্ঠিত হয়নি।ইংরেজ কবি জন ড্রাইডেন তার Preface of Ovid&#039;s Epistles এ অনুবাদকে ৩ শ্রেণীতে ভাগ করেছেনঃ
১.মেটাফ্রেজ বা আক্ষরিক অনুবাদ 
২.প্যারাফ্রেজ বা বিশ্বস্ত স্বাধীন অনুবাদ 
৩.ইমিটেশন
মেটাফ্রেজ হলো&quot;word for word and line by line&quot; অনুবাদ। যাকে আক্ষরিক অনুবাদ বলা যায়।প্যারাফ্রেজ এ আনুগত্য অক্ষরের প্রতি নয় অর্থের প্রতি এবং সেই অর্থ may be amplified,but not altered।একে &quot;sence for sence&quot; অনুবাদও বলা যায়। আর ইমিটেশন হলো এক ধরনের অনুকৃতি। রবীন্দ্রনাথ যাকে বলেছেন প্রতিরুপ।এ অনুবাদে শাব্দিক ও ভাবগত সাযুজ্য উভয়কে বিসর্জন দেওয়া হয়।এটা স্বাধীন অনুবাদ না অনুসরণ তা নিয়ে মতভেদ আছে। 
Eugene Onegin এর অনুবাদের ভূমিকায় ভ্লাদিমির নাবোকভ ও(রাশিয়ান-আমেরিকান লেখক) ৩ ধরনের অনুবাদের কথা বলেছেনঃ
১.Paraphrastic বা ভাবানুবাদ 
২.Lexical বা আভিধানিক 
৩.Literal বা আক্ষরিক 
Paraphrastic অনুবাদে মূলের কিছু হারায় আর কিছু নতুন  যোগ হয়।
Lexical অনুবাদে মূলের প্রাথমিক অর্থ ও বিন্যাস দেওয়া হয়।
Literal অনুবাদে অনুবাদের ভাষার প্রকৃতি ও বাক্যগঠন প্রনালী বজায় রেখে মূলের প্রতি,মূলের সঠিক প্রাসঙ্গিক অর্থের প্রতি বেশি নজর দেওয়া হয়।

তবে এই দুই বিরুদ্ধ মেরু এড়িয়ে বরং সুবর্ণমধ্যমকে গ্রহন করাই ভালো এবং অধিকাংশ সার্থক কবিতা অনুবাদক কার্যত তাই করেছেন। এরকম মধ্যপন্হী বুদ্ধদেব বসু অনুবাদ সম্পর্কে বলেছেন &quot;অনুবাদের উচ্চতম লক্ষ্য হতে পারে ১.মূলের ভাব,বক্তব্য ও সংবাদের পরিবেশন ২.চিত্রকল্প,ভাষার ভঙ্গি, ছন্দ, মিল ও স্তবকের বিন্যাস অর্থাৎ সমগ্র রূপকল্পের অনুসরণ ৩.মূল কবির দেশ ও কালের স্বাদ সঞ্চার ৪.অনুবাদের ভাষায় একটি সুন্দর -অন্তত সুখপাঠ্য -নতুন কবিতার রচনা।&quot;
ইউজিন নিডা(আমেরিকান ভাষাবিদ) কবিতা অনুবাদে করণীয় তিনটি বিষয়ের কথা বলেছেনঃ
১.অনুবাদককে মূল শব্দাবলীকে বিষয়বস্তু ও রচনাশৈলীর আলোকে অনুধাবন করতে হবে।
২.অনুবাদককে উৎস ও লক্ষ্য ভাষার কাঠামোগত বৈষম্য বুঝতে হবে।
৩.অনুবাদককে উৎস ভাষার রচনাশৈলীর ভাষিক কাঠামো লক্ষ্য বা অনুদিত ভাষায় পুননির্মাণ করতে হবে।
উপরোক্ত সকল বিচারেই স্পষ্ট হয় কবিতা অনুবাদ কোন সহজ কর্ম নয়।কবিতা অনুবাদকের জন্য অপেক্ষায় থাকে গোপন কাঁটা,চোরাবালি, ফাঁদ,পরাজয়। তবুও প্রিয় বিদেশি কবির কবিতা নিজের ভাষায় সঞ্চারিত করার লোভ অদম্য।তাছাড়া বিদেশি কবি প্রতিভা ও ভাষার সামর্থ্যের সঙ্গে দ্বৈতসমরে লিপ্ত হয়ে নিজের ও নিজের ভাষার ক্ষমতার দৌড় যাচাই করার লোভও সংবরণ করা কঠিন। তাই, যতদিন বিদেশি ভাষার কবিতা কবির সামনে চ্যালেঞ্জের মত আছে তত দিন অনুবাদ চলছে এবং চলবে।

তথ্যসূত্রঃ 
অনুবাদ, বাংলা একাডেমি পত্রিকা
আধুনিক কবিতার দিগবলয়-অশ্রুকুমার সিকদার
ইন্টারনেট এর বিভিন্ন ওয়েব সাইট</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/89372/</link>
				<pubDate>Thu, 13 Jan 2022 04:39:04 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কবিতার অনুবাদ নিয়ে দুটি  কথা</p>
<p>    প্লেটো বলেছেন,&#8221;বিশ্বের সবকিছুই ধারণার ছায়া কিংবা কোনো মূল ধারণার অনুকরণ&#8221;।ব্যাপক দৃষ্টিতে দেখলে প্রায় সবকিছুতেই— প্রকৃতিতে,জীবনে,শিল্পে সবকিছুতেই অনুকরণ বা অনুবাদের একটি প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়।একটা জীবকোষ ভেঙ্গে যখন দুটো হয় বা সন্তান যখন বাবা মা বা  পূর্বপুরুষের কারও আদল পায় তখন সেটা অনুকৃতি ছাড়া তো অন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-89372"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/89372/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>