<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Tahiat Sinthia | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/tahiat/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/tahiat/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Tahiat Sinthia.</description>
	<lastBuildDate>Sat, 05 Sep 2026 07:14:50 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">39f154c3339507d5082753b1ef57fb78</guid>
				<title>Tahiat Sinthia changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/219139/</link>
				<pubDate>Fri, 16 Aug 2024 15:57:08 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e02c8891c8a7f167361117b596f5dc8e</guid>
				<title>সেই মেয়েটা 
১ম পর্ব 

তাহিয়াত

সর্বদা হাসাহাসি আর দস্যিপনা করে দিন কাটত মেয়েটার। হঠাৎ কোন কারণ ছাড়াই সব দস্যিপনা কমে গেল।এক নিমিষেই সব যেন চুপ হয়ে গেল যেমন তীব্র আলোর মাঝে হঠাৎ করেই আঁধার ঘনিয়ে আসে।চারপাশের সব কিচ্ছু কেমন যেন নিশ্চুপ হয়ে গেল!!!! 
কিন্তু কেন? 
এই কেন এর উত্তর টা জানার জন্য সকলেই এখন অধীর এক আগ্রহ প্রকাশ করবে! 

২০১১ সাল
সদ্য নিজের বাবা মা কে ছেড়ে নতুন এক শহরে আসল মিহিকা। মিহিকার মনে এখন বড্ড আনন্দ কারণ সে যা যা চাচ্ছিল সব আস্তে আস্তে পাবে। নামকরা এক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সারির এক ডিপার্টমেন্টে ভর্তি হয়েছে সে।  এ কি আর এমনি এমনি!! কোন ড্রেস, কোন ব্র&#x200d;্যান্ডের মেইক আপ, কোন জুতা, কোন রেস্টুরেন্টের খাবার.... এই সমস্ত জমিয়ে রাখা জিনিস এবারে যেন সে এক মুহূর্তেই করে ফেলবে!!  আর যা ই হোক একেবারে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে এই জায়গায় সে আসেনি। এর জন্য অবশ্যই তাকে হাজার টা কঠিন পথ অতিক্রম করে তবেই আসতে হয়েছে।  তা কেউ মুখে স্বীকার করুক আর না ই করুক! কারো অস্বীকার করাতে তো আর তার স্থান বদলে যাবে না। 
মিহিকা এখন একটু একটু করে নিজেকে মানানোর চেষ্টা করবে, আস্তে আস্তে শিখবে সবকিছু। তবে সে তার শেখার যে পরিধি গড়ে তুলেছে তার বাইরেও যে আরো অজস্র কিছু তাকে শিখতে হবে এটা সে একটাবারের জন্যও ভাবেনি। ভাববেই বা কি করে কল্পনার জগত আর বাস্তবতা যে অনেক টা আলাদা এইটা সে জানে না। 
প্রথম দিন বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকেই এক অদ্ভুত শিহরণ অনুভব করল সে। কোথাও খুশি, কোথাও কষ্ট, কোথাও ভয়, সংকোচ এক অজানা মিশ্রিত অনুভূতি তার। সে অনেক বেশি এক্সট্রোভার্ট তবে তার মাঝেও আবার এক বিশেষ বৈশিষ্ট্য আছে। 
এক্সট্রোভার্ট তো একটাই এর আবার আলাদা বৈশিষ্ট্য কি??? 
এটাই হচ্ছে মিহিকার আসল বৈশিষ্ট্য। 
সে অনেক মিশুক তবে সবার সাথে সে মন খুলে মিশতে পারে না
আর যার সাথে মেশে তাকে তার জীবনের একটা অংশ বানিয়ে ফেলে! 
এমন মেয়েও আজকাল পাওয়া যায়!!!!

হঠাৎই সিড়ি দিয়ে উপরে উঠতে উঠতে সামনে এক ঝাক ছেলে মেয়েকে একসাথে বসে থাকতে দেখে মিহিকার বেশ আনন্দ লাগল। কিছুক্ষণ পর দেখল একটি মেয়ে গান গাইছে আর সবাই তাকে ঘিরে বসে আছে আর তাল মিলাচ্ছে। 
এই দৃশ্যটাও তাকে বড্ড আনন্দ দিল।বরাবরই গান মিহিকাকে অনেক টানে। গানের মাঝে যে লুকায়িত প্রাণ আছে এটা সে উপলব্ধি করতে পারে। 
এসব দেখতে দেখতেই সে নিজের সহপাঠীদের দেখতে পেয়ে গেল।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/206968/</link>
				<pubDate>Sat, 11 Nov 2023 12:42:16 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সেই মেয়েটা<br />
১ম পর্ব </p>
<p>তাহিয়াত</p>
<p>সর্বদা হাসাহাসি আর দস্যিপনা করে দিন কাটত মেয়েটার। হঠাৎ কোন কারণ ছাড়াই সব দস্যিপনা কমে গেল।এক নিমিষেই সব যেন চুপ হয়ে গেল যেমন তীব্র আলোর মাঝে হঠাৎ করেই আঁধার ঘনিয়ে আসে।চারপাশের সব কিচ্ছু কেমন যেন নিশ্চুপ হয়ে গেল!!!!<br />
কিন্তু কেন?<br />
এই কেন এর উত্তর টা জানার জন্য সকলেই এখন অধীর এক আগ্রহ প্রকাশ করবে! </p>
<p>২০১১ সাল&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-206968"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/206968/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">acb3af2a4d316d0a80953e013c37a5e6</guid>
				<title>কিসের অপেক্ষা 

তাহিয়াত,  ০২.১০.২০২২

মেয়েটা প্রতিনিয়তই একটু একটু করে দুর্বল হয়ে পড়ছে। কার উপর? 
ঐ যে ঐ মানুষটার উপর।যে কিনা তাকে বুঝতে শিখিয়েছে এক অন্য দুনিয়ার মানে। যে কিনা তাকে শিখিয়েছে প্রত্যেক সমস্যার পিছনে থাকা সমাধানটা খুঁজে বের করতে।
এক অপরিচিত নগরকে ঐ মানুষটা ই তো তার কাছে পরিচিত করে তুলল।মানুষটা তার কাছে এক নতুন আশ্রয়। এক নতুন নিরাপদ আশ্রয়। আর এই নতুন আশ্রয়টা আঁকড়ে ধরে রাখার লোভে মেয়েটা আজো চুপ চাপ নিজের অনুভূতিগুলোকে একের পর একে সাজিয়ে চলেছে নতুন এক রঙে। অনেক রঙিন করে সাজাচ্ছে যেন একটুও মলিন না হয়। কিন্তু এত রঙ কি আদৌ উজ্জ্বল থাকবে? নাকি এক মুহূর্তে ঝাপসা আর মলিন হয়ে যাবে? কেউ জানে না। কেউ না৷ 

আচ্ছা, ঐ মানুষটা কি বোঝে যে তার জন্য এত্ত রঙিন একটা প্রজাপতি দিনের পর দিন ডানা সাজাচ্ছে?  নাকি সে বুঝেও না বোঝার ভান করে! নাকি ইচ্ছা করেই বুঝতে চায় না। না কি....তার কাছে এই রঙিন প্রজাপতির ডানার কোন মূল্যই নেই? 
এত প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে মেয়েটার বোধহয় আর ডানা সাজানো হবে না। 
কার জন্য সাজাবে? ঐ না জানা মানুষটার জন্য? 
হ্যাঁ, ঐ না জানা মানুষটার জন্যই। 
মানুষটা জানেনা তাতে কি? সে জানে... তার ভেতরটা তো জানেই।সে তো তার নিজের মনকে বোঝেই...জানেই.... আর কি লাগে? 
একজনের জন্য যখন এত রঙিনভাবে নিজেকে সাজানো শুরু করেছে তখন তার জন্যই সাজানো শেষ করবে। 
অনেক রঙে সাজতে সাজতে সে যেন হঠাৎ করেই সব রঙ মিলিয়ে মিশিয়ে একদম ঘোলাটে একটা ঝাপসা রং দেখতে পেল।
মানুষটা কি সবকিছু সত্যিই বলেছে নাকি কেবলই এক ফালি মিথ্যে রঙের ছটা!? 
সত্যিই কি ঐ মানুষ টা অন্য কারো সাজানো রঙিন ডানা দেখবার অপেক্ষা করছে? সত্যিই কি সে ঐ রঙিন ডানাটাকেই নিজের করে নেবে? 
তাহলে এতদিনে এই মেয়েটার এত রঙ তুলির ভিড়ে সাজানো গোছানো হাজারটা রঙের ছোঁয়া....তার কি হবে? সব কি এক মুহূর্তে কালো আর সাদায় মিশে গেল?
না। কিচ্ছু ঝাপসা হবে না।
অপেক্ষা সবকিছুকে আরো রঙিন করবে।অপেক্ষা ই তো তাকে এখনো বাঁচিয়ে রেখেছে। আর রাখবেও। কত দিন,কত মাস, কত বছর, কত যুগ অপেক্ষা করতে হবে তার হিসাব টা কেউ ই জানে না। তবে মেয়েটা এটা ঠিকই জানে যে...যার জন্য এত রঙিন আয়োজন.... অপেক্ষা শেষে তা মলিন হলেও নতুন করে আর রঙ তুলিতে সাজবে না সে। কারণ তার এই রঙিন আয়োজন কেবলই ঐ বুঝেও না বোঝার ভান করা মানুষটার জন্য।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/155381/</link>
				<pubDate>Sun, 02 Oct 2022 18:22:07 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কিসের অপেক্ষা </p>
<p>তাহিয়াত,  ০২.১০.২০২২</p>
<p>মেয়েটা প্রতিনিয়তই একটু একটু করে দুর্বল হয়ে পড়ছে। কার উপর?<br />
ঐ যে ঐ মানুষটার উপর।যে কিনা তাকে বুঝতে শিখিয়েছে এক অন্য দুনিয়ার মানে। যে কিনা তাকে শিখিয়েছে প্রত্যেক সমস্যার পিছনে থাকা সমাধানটা খুঁজে বের করতে।<br />
এক অপরিচিত নগরকে ঐ মানুষটা ই তো তার কাছে পরিচিত করে তুলল।মানুষটা তার কাছে এক নতুন আশ্র&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-155381"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/155381/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">45b557e8d45a97a59d6873eb4a147885</guid>
				<title>অন্যরকম সেপ্টেম্বর, ২০২২
 তাহিয়াত
এই সেপ্টেম্বরে যা হয়েছে তা খুব অস্বাভাবিক না।আবার স্বাভাবিক বলাটাও যুক্তিসঙ্গত না।
তবে ঐ যে কথায় আছে না...শেষ ভালো যার সব ভালো তার।এজন্যই বোধহয় শেষে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারলাম। খানিকটা এক পশলা বৃষ্টির পর হঠাৎ এক চিলতে রোদের দেখা।
পরিচিত হাজারটা মুখ অপরিচিত হয়েছে। আর অপরিচিতরা পরিচিত। 
চেনা অচেনার ভিড়ে সবকিছু এক্কেবারে দম বন্ধ করে দিচ্ছিল। তবে হাপিয়ে পড়লেও হাল ছাড়িনি। হাল ছেড়ে দিলে কি দিন পার হবে নাকি? আর ২০২২ এ এসে একটা মেয়ে হাল ছেড়ে দিলে তো সেটা কটাক্ষ ছাড়া আর কিছুই না। 
এক ঘর থেকে আরেক ঘরে একা যেতে না পারা মেয়েটা এখন পায়ে হেটে সিড়ি ভেঙে ৬ তলা উঠে দিব্যি এক লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ সেরে ফেলতে পারে।
 এক মুহুর্ত মা কে ছাড়া যে থাকতে পারেনা সে ই তো এখন দিনের পর দিন মায়ের ছবি দেখে সময় কাটিয়ে দিচ্ছে। 
প্রিয় বন্ধুকে নিয়ে এখন আর হাসপাতাল যেতে অন্য কারো অপেক্ষায় থাকতে হয় না।যে মেয়েটা তার বাবা কে ছাড়া হাসপাতালের ছায়া টাও পার করেনি সে আজ একাই হাসপাতালে হাজার ভিড়ের মধ্যে থেকে তার বন্ধুর প্রেসকিপশন লিখিয়ে আনতে পারে।
নিজের হাতে যে কখনো খাবার টা প্লেটে নিয়ে খায় না সে এখন ১০৩ ডিগ্রি জ্বর নিয়ে দিব্যি রান্না করে খেয়ে সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা দিয়ে ফেলতে পারে।
ছোট্ট একটা পিপড়ার ভয়ে যে কাদত এখন সেই মেয়েই  হাজার হাজার পশুরূপী মানুষদের বর্বর আর অসভ্য নজরকে উপেক্ষা করে রাস্তা পার হয়। 
চার চাকার বাহন আর বাবার মোটরসাইকেল ছাড়া রাস্তায় যে মেয়েকে কোনদিন দেখা যায়নি সে আজ দিব্যি রিকশাওয়ালার সাথে নিয়ম করে  ভাড়া নিয়ে রীতিমতো একটা যুধ শেষ করে ভার্সিটি যায়।
 সপ্তাহের বাজারের ব্যাগটা বাবার হাত নিয়ে নানারকম সবজিগুলো যে শুধু চোখ ভরে দেখত এখন সেই মেয়েটাই প্রতিদিন &quot;আলু কত টাকা কেজি?&quot; প্রশ্নটা করতে করতে দক্ষ! 

কত অদ্ভুত তাই না? 
আবার সুন্দরও বটে।
&quot;ভয়ংকর সুন্দর &quot;

মেয়ে মানেই যে অপারগ তা কিন্তু না।
মেয়ে কে ভাংলে তো &quot;ম&quot; আর &quot;য়&quot; পাওয়া যায়... অপারগতা বা হেরে যাওয়া না। কি চমৎকারভাবে একটা মেয়ে এই দুঃসহ সেপ্টেম্বর পার করে ফেলল! মেয়েরা তো বীরাঙ্গনার জাত। অত সহজে দুর্বল হয় না। তবুও কত সহজে মেয়ের জাত সব্বার কাছে দুর্বল নামে পরিচিত! 
একটা অপরিপক্ক মেয়ের পরিণত হয়ে ওঠার খুব ছোট্ট একটা কাহিনী এটা।
এ তো কেবল এক সেপ্টেম্বর। বাকি ১১ মাস তো পড়েই আছে। সেই গল্পটা না হয় অজানায় থাক। 
তবে এই অজানা গল্পের ভিড়েই কিন্তু প্রত্যেক মেয়ের বিজয় লুকানো। হয়তো বিজয়টা তার একার না।তার বাবার,মায়ের পরিবারের সবার,পুরো সমাজের,পুরো পৃথিবীর।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/153745/</link>
				<pubDate>Thu, 29 Sep 2022 14:11:01 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অন্যরকম সেপ্টেম্বর, ২০২২<br />
 তাহিয়াত<br />
এই সেপ্টেম্বরে যা হয়েছে তা খুব অস্বাভাবিক না।আবার স্বাভাবিক বলাটাও যুক্তিসঙ্গত না।<br />
তবে ঐ যে কথায় আছে না&#8230;শেষ ভালো যার সব ভালো তার।এজন্যই বোধহয় শেষে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারলাম। খানিকটা এক পশলা বৃষ্টির পর হঠাৎ এক চিলতে রোদের দেখা।<br />
পরিচিত হাজারটা মুখ অপরিচিত হয়েছে। আর অপরিচিতরা পরিচিত।<br />
চেনা অচেন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-153745"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/153745/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>