-
আপনার স্বপ্নগুলো মানুষের চেয়ে পৃথিবী নামধারী নক্ষত্রই বেশী জেনেছে। যেখানে নিজের প্রাপ্যটা অন্বেষণে নিজেকেই লড়তে হয়, সেখানে আবার ভালবাসাও খুঁজে পাই। বাস্তবমুখী লোকেরা শুধু পরামর্শ ও আশ্বাস দেয়, সঙ্গে থাকে না কখনো। আপনার হিংসুটে সম্পর্কের চেয়ে সঙ্গীর প্রতি উদার মনের মন-মানসিকতা থাকা চাই। যেথায় রোজ প্রভাতে উদ্ভাসিত হবে রোমাঞ্চিত সূর্য্যমূখী ফুলেল আভা। সৌন্দর্য একদিন তোমাকে ছেড়ে যাবে, কিন্তু জ্ঞান চিরদিন তোমার সাথে থাকবে।
সময়ের নিকট একাকিত্ব টা পূর্ণতা পাওয়ার ব্যর্থ প্রচেষ্টা। যখন ইতিহাস কথা বলে, তখন দৃঢ়তা কি আদৌ ঘটেছে, না ঘটেনি। কারণ মাতৃত্বের জন্য যেমন পিরিয়ডের প্রয়োজন ঘটে, তেমনিভাবে এক জীবনে নয় বারংবার আসে এ পূর্ণতা।
যে জন সময়ের মাধুরতা বুঝতে অক্ষম, চিৎকারে চামচিকাও সে সময়ে উদগ্রীব হয়ে উঠে বাস্তবারত্ন সাধনে। আপনি চাইলেই বিজয়ী হতে পারবেন না, স্পর্শহীন ভাবে বেঁচে থাকাটা বড় কথা, তবেই প্রশান্তি মিলবে হৃদয়ের ক্যানভাসে আঁকা চিত্রনাট্যে।
ওহে প্রেমিকা!!
যে মেয়েটা সদ্যস্নান সেরে এলো গায়ে হলুদের, সে রমনী গল্পে না থাকলেও রবে কবিতায়, রান্নাঘরে না থাকলেও ছাদের জমিয়ে রাখা অন্ধকারে থাকবে, রোদ্দুরে না থাকলেও বয়ে রবে সুমদ্দুর প্রান্তরে। বিদ্যমান ছিল,আছে, থাকবে ঝড়ের তীব্রতায়।যে কবিতার অন্তজ্বালে প্রস্ফুটিত হয় প্রেমিক বন্ধুর অনুসন্ধান, সে প্রেমিকা আমার ফ্রেন্ডলিস্টে না হোক। কবিতা হোক মৃত্তিকা সংলগ্ন মানুষের স্বপ্নচূড়া বাঁচিয়ে রাখার পাঠ্যপ্রেম। যার মাধ্যমে একধরনের আশাহত মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী মধুবালা তির্যক হাসিতে ফেটে পড়ে।
পৃথিবীতে অসুন্দর কেউ নাই। আমাদের দেখার চোখটাই ভিন্ন। সবার মধ্যে আলাদা আলাদা নিজস্ব একটা সৌন্দর্য আছে। আমার মনে হয় যারা সুখী হতে চায় (ছেলে হোক বা মেয়ে হোক) তাদের উচিৎ সৌন্দর্যকে প্রায়োরিটি না দিয়ে সুন্দর মনকে প্রায়োরিটি দেয়া।
মনের সৌন্দর্যই প্রকৃত সৌন্দর্য। সকলের দৃষ্টিশক্তি রয়েছে কিন্তু অন্তর্দৃষ্টি কত জনের আছে। তাই আগে মন সুন্দর করতে হবে। মন সুন্দর হলে সবকিছুই সুন্দর লাগবে।সুন্দর পোলা তুমি কই…!!
তুমি দেখতে পাও না কেন…
এই খানে একটা রুপূবতী মেয়ে আছে।
সুন্দরী মেয়েরা বেশিরভাগ চলনাময়ী হয়। যার মন সুন্দর তার সবকিছুই সুন্দর, কারণ সেই সবকিছুই ভালো ভাবেই নেয়।মনে রেখে দিও;
বন্ধুত্বের বন্ধন আমৃত্যু বহমান। যে নদীর তীরে অবস্থিত বহমান স্রোত, বিপরীতে সুন্দর মনের মানুষ, সেখানে আবার কেন সুন্দর শরীর আকর্ষণীয়।
কিন্তু ভন্ডরা বলেন উল্টো কথা…কোনঠাসা সময়ের অন্ধকার পেরিয়ে যে তারুণ্য ছুটে চলে নতুন আলোর সন্ধানে, ভোরের দেখা তো সবার আগে সেই পায়। যদি পূর্ণতা অর্জনেই মাপকাঠি হয়, তবে সাধনা সংক্ষেপিত।
তারুণ্যে ভরা শক্তিতে স্বপ্ন হোক মহাবিশ্বের মত বিশাল।
সে ভূপৃষ্ঠে আবাস আমার।
মসজিদে-মন্দিরে,শহরে-বন্দরে, প্রান্তরে চত্তরে, সবুজের সমারোহ যে ক্যাচমেন্ট। সেথায় রোজ সন্ধ্যাবেলায় আড্ডা মিলে উদীয়মান সূর্যরশ্মির মতো স্বপ্নবাজদের।স্বপ্নেরা ডানা মেলুক,বিস্তৃত হোক দিগন্ত। ভালোবাসার অম্লানে জুড়ে যাক সময়ের সাহসী তারুণ্য। যেখানে শান্ত-সুন্দর-স্নিগ্ধ দৃশ্যাবলি প্রতিনিয়ত আমাদের চোখের সামনে ভেসে উঠছে।
সাহিত্যের অন্যতম প্রধান সিগমেন্ট হলো নির্বুদ্ধিতার বাতায়ন, যেখান হতে উপস্থিত রচনা সৃষ্টির চেষ্টা। সাহিত্য সাময়িকী ফরেন পলিসি ফোরামের নিকটবর্তী স্থানে অভিযান চালিয়ে তাকে স্বর্গগত জীবন দান করে।
সব অলংকার দ্যুতি ছড়ায় এবং উদ্দীপ্ত করে উষ্ণতায়, আলো আর আকাঙ্ক্ষায়। ম্যাটাফিজিকাল কবিরা তাঁদের ভাব প্রকাশের অঙ্গাবরণ নিয়ে তেমন একটা ভাবতেন না। তাই তারা স্বভাবে কম ভাবুক পাঠকদের দৃষ্টি আকর্ষণে ব্যর্থ হয়। কারণ এ ধরনের পাঠক ভাব প্রকাশ অপেক্ষা ভাব প্রকাশ সৌন্দর্যের প্রতিই আকৃষ্ট বেশি।
আলোর কাব্যিক বিচ্ছুরণ; বহু বর্ণিল আলোও কি খুঁজে পাবে আকাশের মতো উজ্জল-শ্যামল, অযুত, নিযুত যত সব নক্ষত্র সচল। ঘৃণাবোধ সুখের অন্তরায় তবু জীবনে তাই ঘটে যায়। তাহলে কি প্রাচুর্য আর আভিজাত্য বৃথা সব।
জীবন হলো মৃত্যুর কাছে থেকে ধার নেয়া কিছু সময়, যেথায় পূর্ণতা পাওয়াটা খুব ইচ্ছে করে চাইছিলাম। বিপরীতার্থে যার মন মানসিকতা যেমন, সে অন্যকে ভাবেও তেমন। একেবারে অবাস্তব নয়,তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিপরীত হয়।
মনের জিঘাংসা চরিতার্থ:
খুব সাধারণ সুখী প্রেমিকারা মূলত ক্যামন হয়?
তারা কি এক পায়ে নুপুর, হাত ভর্তি চুড়ির বদলে ফুল আর দু’চোখ ভর্তি মোহের বদলে মায়া নিয়ে জন্মায়?আমরা দৈবক্রমে প্রেমে পড়ি, আবার নিয়মিত পছন্দ করে প্রেমে থাকি। এটা কঠিন আমি অনেক সময় নষ্ট করেছি এবং নৈমিত্তিক প্রক্রিয়াটিতে নিজেকে কার্যত সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করেছি। আরও ভালো দিন আসছে, আপনি দুর্দান্ত সাহস আর অসাধারণ নৈপুণ্যে যোগ্যতার মধ্য দিয়ে গেছেন। এখন আপনার জন্য সূর্যালোক এবং শান্তির সময়, যেটা কিনা উৎসাহী করে তোলে ব্যক্তিত্বকে। মধুরতা আস্বাদন হয় পরিবার থেকে। অন্যদিকে মৃত্তিকার প্রতি ভালোবাসা জন্মে মা থেকেই ।
মানুষ কাছে আসবে, পাশে বসবে, সুখে দুঃখের আলাপ করবে, মায়া বাড়াবে আবার একদিন হঠাৎ করে হারিয়ে যাবে, পৃথিবীতে চিরস্থায়ী বলে সত্যি কিচ্ছু নাই।
হুমম!!
নির্ঘুম রাত্রিগুলোর যন্ত্রণা তাকে আর বুঝাতে পারলাম না। হয়তো এটাই আমার ব্যর্থতা। ধরে নেয়ার তো প্রশ্নই আসে না, সে তো আসলেই ভালোবাসে নি। তবে সে নিখুঁত একটা অভিনয় করে গেছে যেটা পারফেক্ট একজন অভিনেতা করতে ও হিমশিম খায়।মানুষের ব্যস্ততা অবিরাম অন্তহীন,
আর এই ব্যস্ততার মাঝেই খুঁজে নিতে হয় জীবনকে উপভোগ করার একবিন্দু সময়।সুন্দর ছিল দিনগুলি…
আফসোস বৃষ্টি শেষে যেমন মেঘ আড়াল হয়ে যায় তেমন করেই দিনগুলো কিভাবে যেন হারিয়ে গেলো। শত কান্না করলেও ফিরে আসবেনা ফেলে আসা ছেলবেলার সেই মধুর
ক্ষণগুলো, যেখানে ছিলো সবুজ পাতার মতো সজীবতা, নির্মল আনন্দে ভরা জীবনের উচ্ছ্বাস।সবই এখন জীবনের আবরণে সোনালি দিনের শুধুই স্মৃতি যা কখনো কান্নার রোলে ঝুঁকে পড়ে, আবার কখনো যুগিয়ে দেয় সম্মুখ এগিয়ে যাবার উদ্দাম প্রেরণা। সবার ভাগ্যে সব ইচ্ছে পূর্ণতা পায় না, আপনাদের এই দৃঢ়তা অটুট থাকুক।
আমার এক বন্ধু বলেছিলেন-
ভাই হে আর যাই করিস, বিয়ে করিস না।
বন্ধুকে বলেছিলাম,
নিজে তাহলে বিয়ে করলে কেন?
উত্তরে বন্ধু’বর কাঁচুমাঁচু মুখে বলেছিলেন;
আর করব না…!!প্রেম ভালোবাসা এসব বিষয়ে আমাদের দেশের বর্তমান জেনারেশন অনেক এগিয়ে গেছে, না মেনে উপায় নেই। অনেকটা বলা চলে আমরা পশ্চিমা সংস্কৃতির অনেক নিকটবর্তী।
এই দিক দিয়ে পশ্চিমা সংস্কৃতির অনেক নিকটবর্তী হলেও হাজার বছর পিছিয়ে আছি পশ্চিমা মেধা শক্তির বাহুবল থেকে।
আমাদের ভাবসাব দেখে মনে হয়, প্রিয়জন হিসেবে কাউকে পাওয়া এর কারণ ভাগ্যেই নেই । সেজন্যই বোধ করি অনেকেই এদেরকে সফল সুন্দর ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের তকমায় ভূষিত করেছেন। আমাদের বাবা মায়েরা সেই সৌভাগ্য অর্জন করেননি! আর আমরাও আকাশ থেকে টপটপ করে বৃষ্টির মতো পড়েছি।
ভালোবাসা সুন্দর, তার চেয়েও সুন্দর ভালোবাসার মানুষটির হাত ধরে সারাজীবন আগলে রাখা যা সবার ভাগ্যরেখায় জুটে না। শেষার্ধে কামনা অপূর্ণতা ঘুচে যাক, পূর্ণতা পাক সফল ভালোবাসায়।
” সর্বাঙ্গীণ রুপে এক অদম্য শক্তি”
আমি চিরকালের জন্য তোমার ভালোবাসা হতে চাই, বিরতি বা ক্ষয় ছাড়া। যখন নদীগুলো সব শুকিয়ে পাহাড়ে পরিণত এক সমতল বাক পেরিয়ে উঁচুতে নিমজ্জিত। যখন শীতকালে হিমবাহ প্রবাহিত হয় বজ্রধ্বনিতে। যখন গ্রীস্মে বরফ পড়ে, যখন স্বর্গ এবং পৃথিবী মিশে যায় এক কাতারে। ততক্ষণ পর্যন্ত না যতক্ষণ পর্যন্ত প্রেয়সীর কাছ থেকে বিরতি নেব। সর্বাধিক ভাল সম্পর্ক তখনই সংগঠিত হয়, যখন দু’জন প্রেমিক বন্ধুর মতো আচারণ করে।যারা স্বর্গগত তারা এখনো জানে স্বর্গের চেয়ে প্রিয়; প্রিয় মাতৃভূমি। কারণ মাতৃত্বের স্বাদ নেবার পূর্বেই তাকে স্বর্গগত জীবন নামক শব্দের পরিচিতি জানার প্রয়োজন পড়ে। বিপরীতার্থে জীবনটা বুঝি এমনই পাহাড়ের রাস্তাগুলোর মতো, যার প্রতিটি বাক পেরিয়ে বাধাগ্রস্ত হতে হয়, তবুও ছুটতে হয় চূড়ায় পৌঁছে গোধূলি ছোবার আশায়।
প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম বয়ে যাক ইতিহাসের ছোঁয়া। যেথায় থাকবেনা কোন প্রকার হীনমন্যতা, রবে ইচ্ছা শক্তির বহিঃপ্রকাশ। কিন্তু যে মানুষ সভ্য সমাজের ভাষ্য অল্প কথায় বুঝতে পারে না, তাকে ইতিহাসের জীবন কাব্য নামা লিখে দিলেও বুঝবে না।
বিখ্যাত ইংরেজি সাহিত্যিক ফ্রান্সিস বেকন বলেন- প্রেম হলো নির্বুদ্ধিতার ফসল। যেখানে লুকোচুরিই মুখ্য ভূমিকা পালন করে। আমরা জানি লুকোচুরিই তো প্রেমের রোমান্স। যেদিন থেকে প্রেম স্বীকৃতি পেয়ে যায়, প্রেমের প্রকৃত রসাদ সেদিন থেকেই নষ্ট হয়ে যায়। কারণ প্রকৃতি প্রেমিকার চেয়েও অতি সুন্দর। ফলে এখানেই সৌহার্দ্য, লিস্পার ব্যাতয় ঘটে প্রকৃতিমনা প্রেমিকদের।
ভালোবাসাটা ঠিক এখানেই!!
তুমি যাকে ভালোবাসো জরুরী না সে তোমাকে আজীবন মুগ্ধ করবে, এটা অতীব জরুরী যে মুগ্ধতা হারিয়েও সে তোমাকে স্নিগ্ধতায় আগলে রাখবে। যেখানে ভালোবাসা পেন্সিলে আঁকা একটি চিত্রকর্মের নাম, যার কোনো অংশই রাবার দিয়ে মুছে ফেলা যায় না। অথচ প্রেমিকযুগল ভালোবেসে গড়তে চায় পৃথিবীর রূপরস গন্ধের সংসার। যাহা ক্ষণকাল মঞ্চপরে, দিনশেষে মৃত্যুতে একাকার।মগ্নমনে স্বপ্নরচে নীড় বাধবার। যে বাসন্তী বৃষ্টির সুর রৌদ্রছায়ায় ঘাসের মাঝে, সে বসন্তে কোকিল ডাকে সুমধুর কন্ঠে। সে সুরের উন্মত্ততা আমাদের অধর হতে প্রবাহিত কর। বাসন্তী প্রেম আজন্ম, তবে মুগ্ধতা আপেক্ষিক। যার ভাবাবেগ অমর হয় বিরহে বা বিচ্ছেদে। তাই সত্যিকারের প্রেমের অমরত্ব ইতিহাসে না, টিকে থাকার মাঝেই সত্যিকারের প্রেমের নিবেদন।
নৈমেত্তিক খুঁনসুটির অন্তরালে ব্যস্ত নগরীর প্রাশ্চিত্যে ঘটে রোমান্টিক প্রখরতা। বিচ্যুত হয় নৈতিক অবক্ষয়। উষ্ণতা ফিরে আসুক সমাজের সুশীতল রঙ্গিণ আঙ্গিনায়। উদ্ভব হোক তারুণ্যের জয়ধ্বনি সংবলিত পোস্টার। খুঁজে পাক মুক্ত বাতাসের নির্যাস।
বাংলা ছ’ঋতু প্রবাহের সবচেয়ে রঙিন মাস ফাল্গুন। শীতের শেষার্ধে গাছে গাছে নতুন পাতা এবং বাহারি রঙিন ফুলের সমারোহে ছেয়ে যায় চারপাশ। আর সেই অপার প্রাকৃতিক সম্মোহনে পাখ-পাখালির কলতানে মুখরিত থাকে প্রকৃতি। বসন্তের হাত ধরে মানুষের মনোজগতেও আসে অপার পরিবর্তন, সবসময় এক আনন্দ হাওয়া বইতে থাকে তরুণ-তরুণীদের হৃদয়ে। পুরাতন জরা-জীর্নতাকে মুছে দিয়ে গাছে গাছে জন্মে নতুন পাতা, ফাল্গুন হৃদয়ে সঞ্চার করে নতুন নতুন আশার।
বসন্ত কালের সৌন্দর্য ও শোভা আমাদের মনকে সব সময় হরণ করে। ঋতুরাজের রাজা বসন্ত, তাই বসন্তকালকে বলা হয় ঋতুরাজ। বাংলা ঋতু চক্রের সব থেকে শেষ ঋতু হলো বসন্ত। ফাল্গুন ও চৈত্র দু’মাস হলো বসন্ত। বসন্তের নাতিশীতষ্ণ আবহাওয়া, প্রাকৃতিক দৃশ্য সকলের মনে প্রাণে ফিরে আনন্দের শিহরণ। পাতা ঝরা গাছগুলোতে নতুন পাতা গজায়, আম গাছগুলো ফুলে-ফুলে মকুলে ভরে যায়। বসন্তের বাতাস দক্ষিনাঞ্চল দিক দিয়ে বইতে থাকে। এ বাতাস শরীর মনকে উদার করে দেয়, শরীরের জাগে ভালোবাসার শিহরণ, মনে দোলা দেয় প্রেমের আনাগুনা। মনকে সব সময় উদাস করে দেয়।
বসন্ত যেন এক নবযৌবনের প্রতীক, যার কারণে এখানে সবাই নব উদ্যমে সাঝে, সবার ভিতরে বিরাজ করে আলাদা একটা আবেগ অনুভতি, মনটা থেকে ফুরফুরে সব কাজেই যেন লেগে থাকে ভালবাসা।
কোনো এক মিষ্টি বসন্তের দিনে ইরাকে দেখতে গিয়েছিলাম। ইরাদের বাড়িটা দাড়িয়ে আছে এক প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা গ্রাম্য পরিবেশে। বসে আছি একটি সুসজ্জিত ঘরে। ইরা এক গ্রাম্য ললনা, ধীর পদচালনায় এলো হবু বরের পিপাসু চোখের সামনে। আমরা (হবু বর পক্ষ) ইরাকে দু’ নয়নভরে দেখলাম।
তার কোমর পর্যন্ত ভরপুর কেশরাশী, যেন তারুণ্যের মায়াজালে ঠোঁট দুটো পরিপূর্ণ এক যৌবনে ভরা ফুটন্ত গোলাপের পাপড়ি। ইরার মুখটি যেন পূর্ণশশী বন্দনা। তার অঙ্গে-ভঙ্গে যেন বসন্তময় যৌবনবতী গ্রাম্য ললনার হাতছানি। তবুও শুধু ইরার মৃগনয়না দুটি চোখ কেন আমায় পাগল করে দিলে?
ইরার মৃগনয়না চোখ দুটি দেখে আমি পছন্দ করেছিলাম। তাহার ঐ চোখ দুটির মধ্যে আমি বসন্তের সম্পুর্ন যৌবনকে দেখেছি। ঐ চোখ দুটো আমাকে স্তম্ভিত করে। কিছুতেই জোৎস্নার চোখ থেকে আমার দৃষ্টিকে সরাতে পারলাম না। তাহার হরিণী চোখ এ হৃদয়ে আগান্তূক প্রেমের জন্ম দিল। এ কেমন প্রেম, কেমন ভালবাসা, কি আছে তোমার দ্রোহে?
চোখে যা দেখে তার প্রেমে পড়েছি, সে ছিলো আমাদের প্রথম উপন্যাস। সেদিন আমি ঐ ফুলের স্তবকের দিকে চেয়ে ছিলাম না, আমি তাকিয়ে ছিলাম মৃগনয়না ইরার চোখের দিকে কারণ ইরার চোখ দুটো সেদিন যে ফুলের স্তবকের থেকেও বেশি সুন্দর লাগছিল। দুজনের মাঝে একটা ফুলের স্তবক দুজনেই ঐ স্তবকের দিকে চেয়ে আছি।
প্রিয়তমা আমার!!
তোমার চোখে দেখেছিলাম যৌবনের এক উন্মত্ত উন্মাদনা, উপাখ্যান। তোমার চোখে যে প্রেম, যৌবন, আছে গভীর ভালোবাসা তোমাকে না দেখলে জানতাম না। তুমি তো আমাকে দিয়েছো জীবনের পূর্ণতা, দিয়ছো একঝাক প্রেমিক জীবনের দিশা। তুমি আমাকে সব কিছু দিয়েছো, পূর্ণতা পেলে কোথা…??আমাকে দিলে শুধু ত্যাগ-তিতীক্ষা, বিনিময়ে আমি তাহার অসীম ধৈর্যের কাছে পরাজিত। যে লিপ্সা ইরা আমাকে দিয়েছে আমিও যে সেই প্রেমে তাকে মাসিয়ে দিতে চাই। আমি কি সত্যিই তোমাকে ভালোবাসতে পেরেছি, দিয়েছি কি ভালোবাসার মূল্য, আমি ইরাকে শুধু কাঁদিয়েছি, দেইনি এক মুঠো সুখ, সে কি আমার হৃদয়ে তার সুখের বাসা বাঁধতে পেরেছে?
প্রার্থনা করো বিধাতার কাছে, জন্মান্তর তুমি যেনো আমার ভালবাসার প্রিয় জীবনসঙ্গিনী হয়ে হয়ে থাকবে। যে সঙ্গিনী তার সাথীকে মনে প্রাণে সবকিছু দিয়ে খুব ভালোবাসে। স্বপ্ন, আবেগ, অনুভূতি আর অভিমান যা প্রত্যেক মানুষকে দুঃখ অথবা সুখের সাগরে প্রতিনিয়ত ভাসায়।
মানুষের সাথে সাথে প্রকৃতিরও চরিত্র পরিবর্তন হচ্ছে। মানুষের মতো মানুষই দেখা যায় না তারপর আসে বসন্তের কথা। কারন মানুষ এখন যে পরিমান রূপ পরিবর্তন করছে তাতে বসন্ত নিজেই সন্দীহান তাই বাসন্তী লিপ্সার দেখা নেই। তোমার ওই শুভ্রচিন্তে আগান্তুক বসন্ত সকালে পৃথিবীতে অনেক রহস্যময়ী ঘটনা আছে, সেইসব রহস্যের একটা হচ্ছে মানবিক সম্পর্ক।
হৃদয়ে যে বসন্ত আসে, সে বসন্তের নাম দ্বীন। এবার ভিন্ন কিছু হোক, জাগরণের এই জাগ্রত জোয়ারে, নতুন করে লেখা হোক জীবনের জ্যামিতি। বেলা ফুরাবার আগে, আজ তবে ফেরা হোক নীড়ে।
ক্যাচমেন্ট রচনা: ১৩.০২.২০২২শিক্ষার্থী,
মুহাম্মদ ওসমান গনি
ইংরেজি সাহিত্য বিভাগ
সরকারি তিতুমীর কলেজ, ঢাকা।3 Comments
Friends
শোয়েব ইবনে শাহীন
@abir-shoaib
Araf-Abarar
@araf-abarar
A-K.-Niloy
@a-k-niloy
SHUBIR KUMER NATH
@shubir70
Naim-Nawhaad
@naim-nawhaad
Mehrin Islam
@mehrinislam102
বিদ্যুৎ সরকার
@biddut-sarkar
Dipok-Basu
@dipok-basu
স্বর্ণালী সরকার
@shornali-sarkar




সুন্দর লেখনী