Profile Photo

নোমান খালভীOffline

  • nomankhalovi
  • Profile picture of নোমান খালভী

    নোমান খালভী

    8 months, 1 week ago

    সহকর্মীর বিবাহ অনুষ্ঠানে স্মরণীয় দিন

    বিবাহ একটি মহৎ সুন্নাহ। বিশেষ করে ফিতনার যুগে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে জীবন অতিবাহিত করা আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি বড় নেয়ামত। আমরা সকলে একই মাদ্রাসায় কর্মরত শিক্ষক। এর মধ্যে অধিকাংশই ইতোমধ্যেই জীবনসঙ্গিনী বেছে নিয়ে সংসারী হয়েছেন। তবে আমাদের এক সহকর্মী আব্দুল্লাহ ভাই ছিলেন এখনো অবিবাহিত। অবশেষে তিনি ধৈর্যের শৃঙ্খল ভেঙে শুভ কাজে দেরি না করে গত ২৭ সেপ্টেম্বর, শনিবার পবিত্র বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

    এই উপলক্ষে তিনি আমাদের সবাইকে আন্তরিকভাবে দাওয়াত করেন। আমরাও সানন্দে সেই দাওয়াত গ্রহণ করে প্রস্তুতি সম্পন্ন করি। আমাদের সাথে ছিলেন মাদ্রাসার সম্মানিত পরিচালক মাওলানা রুহুল মতিন সাহেব, মাদ্রাসা শিক্ষা পরিচালক হাফেজ সালামত উল্লাহ সাহেব এবং অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ— মাওলানা শহীদ হুজুর, মাওলানা নোমান হুজুর, মাওলানা নেজাম হুজুর, মাস্টার রফিক স্যার ,মাস্টার রাশেদ স্যার ও পরিচালকের বড় ছেলে মোহাম্মদ। এছাড়াও শহীদ হুজুরের পরিবার এবং মাদ্রাসার এক হিতাকাঙ্ক্ষী আনোয়ার ভাইয়ের পরিবারও আমাদের সঙ্গে যুক্ত হন। আমরা উপহারস্বরূপ একটি মানপত্র এবং দুটি ফুল সঙ্গে নিয়ে যাত্রা করি।

    কক্সবাজার শহর থেকে রামুর রাইফা কনভেনশন হলে পৌঁছানোর জন্য আমরা একটি হাইস গাড়ি ভাড়া করি। দুপুর ২টার দিকে খুশির আমেজে সবাই যাত্রা শুরু করি। প্রায় চল্লিশ মিনিটের মধ্যে গন্তব্যে পৌঁছে অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করি। কিছুক্ষণের মধ্যেই সুস্বাদু মধ্যাহ্নভোজ সম্পন্ন হয়।

    ভোজ শেষে সেই মহান ব্যক্তি, যার জন্য এত আয়োজন— আমাদের সহকর্মী আব্দুল্লাহ হুজুর এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করি। তার হাতে আমরা মানপত্র ও ফুল উপহার তুলে দিই। স্মৃতির অ্যালবামে ছবি সংরক্ষণ করে আমরা আনন্দঘন মুহূর্ত কাটাই।

    অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে হঠাৎ প্রবল বর্ষণ শুরু হলেও আমরা গাড়িতে উঠে পড়ি। পথে কক্সবাজারের নয়নাভিরাম আইকনিক রেলওয়ে স্টেশনে এসে আসর নামাজ আদায় করি এবং কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরি করি। রেলওয়ে স্টেশনের দৃশ্য দৃষ্টি জুড়িয়ে দেয়। পরবর্তীতে আবার গাড়িতে উঠে মাদ্রাসায় ফিরে আসি। বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটে আনন্দঘন এ যাত্রা শেষ হয়।

    আমরা সকলে আব্দুল্লাহ হুজুর ও মর্জিনা ভাবির দাম্পত্য জীবনের স্থায়ী সুখ ও বরকত কামনা করি।

    ইতি— সহকর্মী মোহাম্মদ নোমান
    ২৯-০৯-২০২৫ ইং
    বিকাল ৪ টা ২১ মিনিট।

    3
    2 Comments
    • আন্তরিকতা, ধর্মীয় মূল্যবোধ এবং ভ্রমণের আনন্দ, সবমিলিয়ে সুন্দর উপস্থাপনা। শেষপর্যন্ত এটি আর নিছক একটি ভ্রমণ কাহিনি থাকেনি, বরং হয়ে উঠেছে শিক্ষক সমাজের মধ্যেকার পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও ভালোবাসার এক প্রতিচ্ছবি।

Skip to toolbar