Profile Photo

মো: নাজমুল আখতারOffline

  • Faith
  • গাছকথা
    লেখক : মোঃ নাজমুল আখতার।

    এই ভবন প্রাঙ্গণে যারা আসে তাদের অধিকাংশই জায়গা-জমি সংক্রান্ত দলিল দস্তাবেজ হালনাগাদ করতে আসেন। এখানকার মুহুরীদের কথার বাচনভঙ্গি দেখলেই বুঝতে পারবেন তারা কতোটা ব্যস্ত সময় পার করছে, তাদের সাথে কথা বলতে চাইলেও আপনার পর্যাপ্ত সময় নিয়ে এখানে আসতে হবে। কাগজপত্রসহ সব কিছু ঠিকঠাক ভাবে গোছাতে ও বিভিন্ন অফিস কক্ষ ঘুরতে ঘুরতে তাদের যে কত কষ্ট করতে হয় সেটা না হয় নাই বললাম! ওদিকে সম্মানিত রেজিস্ট্রার মহোদয় আপনার জায়গা জমি দলিলের সমস্ত কাগজপত্র পরোখ করে দেখে আপনাকে স্ব-শরীরে সামনে রেখে দলিলের পাতাগুলোতে সহি-স্বাক্ষর করে দিবেন।

    ওহফ্ বাঁচা গেলো! বছরের পর বছর কত কষ্টই না করেছি নিজের নামে এক টুকরো জায়গা হবে বলে। নিজের সুখ শান্তির কথা বাদই দিলাম অন্ততপক্ষে নিজের সন্তান যেন ভবিষ্যতে ভালোভাবে বসবাস করতে পারে তার জন্য তো একটা সু-ব্যবস্থা হলো। মাথা হতে বড় একটা দুঃশিন্তা দূর হলো। অনেক ক্লান্ত হয়ে গেছি, যাই ওই পুরাতন বিল্ডিংটার কাছে গিয়ে চা দোকানটায় একটু বসে চা খেয়ে নেই।

    এই ভবনটা তো অনেক পুরাতন মনে হচ্ছে, দেওয়ালের গায়ে ঘন শ্যাওলা জন্মেছে, মাঝে মাঝে দেওয়ালও ফেটে গেছে, ইটের প্রতিটি ধাপে বালু ও সিমেন্ট ক্ষয় হয়ে যাচ্ছে, মনে হচ্ছে পরিত্যক্ত কোন ভবন হবে।

    এটা কি! কি আশ্চর্য! এতগুলো শিকড় কিসের? পুরো দেওয়ালকে শিকড় দিয়ে জুড়িয়ে মাথাটা উঁচু করে সে বেঁচে আছে..

    3
    4 Comments

Friends

Profile Photo
Rasel Kabir
@raselkabir
Profile Photo
Jahangir Mohammad
@jahangirmohammad
Profile Photo
Taufiq al sadif
@483-taufiq-al-sadif-roll-483
Profile Photo
sayed sajib
@sayedsajib
Profile Photo
Md. Ziaur Rahman
@md-ziaurrahman
Profile Photo
prantik aronno
@prantikaronno
Skip to toolbar