-
পশুর পাড়ের দীর্ঘশ্বাস
মোঃ নাহিদুল সরদারভোর না হতেই মোংলা নদীর ঘাটে,
হাজারো স্বপ্নের ভিড় জমে খেয়াঘাটে।
কুয়াশা মোড়ানো রূপালি জলের ধারে,
ইপিজেড কর্মীরা দাঁড়িয়ে নদীর পারে।একটি মাত্র নৌকায় যখন শত মানুষের ভার,
ঠেলাঠেলি আর চিৎকার—এক বিভীষিকা পারাপার!
পায়ের তলায় কাদা, হাতে ধরা ঝোলানো ব্যাগ,
প্রতিটি সেকেন্ডে বাড়ে সময়ের প্রবল ট্যাগ।ঘাটের সিঁড়িতে ভিড়, কার আগে কে উঠবে আগে?
ডুবন্ত নৌকার ভয়ে বুকটা শুধু কাঁপে আর জাগে।
মাঝনদীতে যখন আটকে যায় পুরনো পালের নাও,
শ্রমিকরা ভাবে, “হে বিধাতা, আজ রক্ষা করে দাও!”ইপিজেডের ঘড়ি চলে বড় কড়া নিয়মে,
দেরি হলে বেতন কাটা—জীবন চলে দমে দমে।
ঘাটের জ্যামে আটকে কাটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা,
কারখানার সাইরেনে কাঁপে শ্রমিকের মনটা।রপ্তানি বাড়ে, উজ্জ্বল হয় দেশের গড়া পণ্য,
অথচ তাদের যাতায়াতটুকু আজও কেন অরণ্য?
একটি সেতু কি হবে না এই অবহেলিত কূলে?
সবাই কি রবে এই ত্যাগের কথা ভুলে?মোংলা নদীর ঢেউয়ে ভাসে কেবল আর্তনাদ,
শ্রমিকের চোখে আজও এক নিরাপদ পারের সাধ।2 Comments
Friends
A.S.M SOHEL BHUYAN
@a-s-msohelbhuyan
মো: আজিমুল হক
@azim75107gmail-com
আখি জাহান
@akhiejahan
mirza abdullah
@mirzaabdullah
Hello Hi
@hellohi
Sovab Kobi
@saifihossain
মো. আবুল হোসেন মিঞা
@abulhossain
Sharbanam Gupta
@sharbanam-gupta
চাঁদ সদাগর
@chand_sodagor
আপনার লেখাটা পড়ে মোংলার খেয়াঘাটের শ্রমিকদের কষ্টের দৃশ্যটা চোখের সামনে একদম ভেসে উঠল। আমাদের উন্নয়ন তো এদের ঘামেই গড়া, তবে যাতায়াতের এই চরম ভোগান্তি থেকে এরা কবে মুক্তি পাবে বলে আপনার মনে হয়?