-
খাটাশ ও শিয়ালের পাঠ
— মুহাম্মদ রাইস উদ্দিনখাটাশ বলে শিয়ালকে—
“কেমন আছো দোস্ত?
অনেক দিন হয়ে গেল
পাই না খেতে গোশত।”শিয়াল বলে খাটাশকে—
“বেশ তো আছি মস্ত!
গরু-মহিষ মারা গেলে
পুঁতে ফেলে আস্ত।হাঁস-মুরগির খোয়াড়
তৈরি এখন লোহার,
ভাগ্য খারাপ, তাই জোটে না
তাজা গোশতের আহার।”খাটাশ বলে— “ফটকা!
মগডালে ঐ শালিক বসা,
ঐটা ধরে মটকা!”ঝটকা খেয়ে শিয়াল বলে—
“বাঁধলো মনে খটকা!
যা না গিয়ে শালিকটাকে
ঝপাৎ করে আটকা!”খাটাশ বলে শিয়াল মশাই
আমি কি আর ডড়াই?
গাছে উঠাই আমার স্বভাব
করছি নাকো বড়াই।ঝপাৎ করে চড়লো গাছে
শালিক দিল উড়া,
হঠাৎ খাটাশ পড়লো নিচে
হাত-পা হলো খোঁড়া।শিয়াল বলে খাটাশ ভাইরে
তুই তো বড় বোকা,
কথার ছলে কেমন তোকে
দিলাম আমি ধোকা।বললো খাটাশ, ওরে শিয়াল
করলি ধোঁকাবাজি,
তোর সাথে আর নেই যে খাতির
বুঝেছি কারসাজি।4 Comments-
মোহাম্মদ রাইস উদ্দিন, এই রচনার প্রতিটি পংক্তিতে যে চাতুর্য আর প্রাণবন্ত কথোপকথন ফুটে উঠেছে তা পাঠককে বেশ আনন্দ দেয়। কাহিনীটির এই নাটকীয় মোড় এবং পশুর স্বভাবের সহজ বর্ণনা আপনার লেখায় একটি অন্যরকম আকর্ষণ তৈরি করেছে। আমাদের এই প্রাণবন্ত আসরে অন্যদের লেখাতেও নিয়মিত লাইক ও গঠনমূলক মন্তব্য করে এমন চমৎকার সৃজনশীলতা বজায় রাখুন।
Friends
খায়রুল ইসলাম
@khairulislam
Ahsanul Martin Mishor
@ahsanulmartinmishor
Ramjan ali
@ramjanali
Farhan Sadik
@farhansadik
মুহাম্মদ জে.এইচ রপ্পি
@e3be408dd3bbf0f44f453682891eb4cb
m zaman
@mzaman
Gileman Alom
@gilemanalom
Sima Nto
@simanto
Abdullah Al Ahad
@abdullahalahad


ধোঁকার ছলে বন্ধুত্বের আসল রূপ ধরা পড়ে খাটাশের পতনে …🖤