-
(ছোট গল্প )
দুটি গোলাপের বিলাপ.
মুহাম্মদ রাইস উদ্দীন
এক
শিশিরের টুপটাপ শব্দশোনা যায় এ যেন ভোরের আগমন বার্তা । মুয়াজ্জীনের আজানের পূর্বেই রহিমা খালার মোরগটা আজান দিয়ে দিল । কনকনে বাঘ কাপানো শীতে হয়তো মুয়াজ্জীন অলসতা করে এখনো উঠেনি। ভোর হওয়ার পূর্বেই গাছি গাছ থেকে রসের হাড়ি গুলি নামিয়ে নিয়ে চলে যায় । সপ্তাহ খানেক হল খেজুর গাছগুলো ছন্দু গাছি এসে জুড়েগেছে ‘সারা রাত ঘুমায়নি সুলতানা ! গাছিকে ধরে আজ সে রস খাবেই । -একি! এখনো আজান হয়না কেন ? ভাবছে সুলতানা ।
আল্লাহর বড়ত্ ঘোষনা করে হঠাৎ মুয়াজ্জীন আজান ফুঁকাচ্ছে আল্লাহু আকবার ধ্বনিতে চারদিক মুখরিত হয়ে গেল । বিছানা ছেড়ে হুড়মুড় করে উঠেগেলেন আসরাফ তালুকদার পিতার পিছনে পিছনে সুলতানাও উঠে গেল ।
-কি ব্যাপার মা ! তুমি এই শীতের মধ্যে উঠেছ কেন? -রস খাব !
দেখ পাগলীর কান্ড ! প্রথম পনের দিনের রস গাছি নিজেই নিবে যে, পরের পনের দিন
আমাদেরকে দিবে । হেসে বললেন তালুকদার । -এক সপ্তাহ ধরে গাছি ভোর নাহতেই রস নিয়ে চলে যায়। আমার বুঝি রস খেতে ইচ্ছে
করে না ?
ঠিক আছে তুমি লক্ষী মেয়ের মত শুয়ে থাক। আমি গাছিকে তোমার জন্য এক হাড়ি রস
রেখে যেতে বলবো। -সত্যি বলছো তো বাবা ?
হ্যা সত্যি বলছি, আমি কি কখনো মিথ্যে বলেছি ? এবার তালুকদার ঘর থেকে বেরিয়ে আঙ্গিনায় গিয়ে দাঁড়ালো । কুঁয়াশায় কিছুই দৃষ্টি গোচর হচ্ছে না ঠাহর করে করে মসজিদের দিকে এগুচ্ছে । এমনিতেই শীতের প্রকোপ তার পর হিমেল হাওয়া এসে শরীরে লাগছে ‘হঠাৎ সামনে কিসের যেন আওয়াজ । ধমকে দাড়ালেন আসরাফ তালুকদার । -কে?
আমি ইছহাক। আচ্ছালাম ওয়ালাইকুম ! সালামের জবাব দিয়ে তালুকদার ভালকরে তাকালেন । তখন কুঁয়াশা ক্রমেই কমে আসছিল । সাথে ইছহাক মৃধার একমাত্র ছেলে সৃজনকে দেখে তার হৃদয় বিগলিত হয়ে গেল । কাঁধে হাত রেখে তালুকদার
বললেন “সাবাস্ বেটা। তোমার যদি সারাদেশের ছেলেরা নামাযী হয়ে যেত তাহলে আল্লাহররহমত বরকত ও নেয়ামতে দেশটা ভরপুর হয়ে যেত। -সব আপনাদের দোয়া ভাই সাহেব। ইছহাক মৃধা বললেন ।
সরু রাস্তা দুপাশে সরষে ক্ষেত। দুব্বা ঘাসের উপর শবনম । পায়ে চটি জুতা । শিশিরের পানি আর কাঁদা মাটিতে হোচট খেতে খেতে সকলে মসজিদে গিয়ে উপস্থিত । প্লাসটিকের অনেক গুলি অজুর বদনা টিউবওয়েলের সামনে সারি বদ্ধকরে সাজিয়ে রাখা হয়েছে । ওখান থেকে বদনা নিয়ে তালুকদার সাহেব টিউবওয়েলের কাছে পানি ভরতে
গেলেন। -আমাকে দিন আমি ভরে দিচ্ছি । সৃজন টিউবওয়েলে চাপদিতে চাইলো।
না না বাবা! তুমি ছোট মানুষ পারবেনা বরং তোমার বদনাটা নিচে ধর আমি চাপ দিচ্ছি ।
তালুকদার সৃজনের সহানুভূতি ও শ্রদ্ধা দেখে বেশ খুশি হলেন ।
-এই শীতের মধ্যে ঠান্ডা পানি দিয়া অজু কইরা নামায পড়তাছি শেষকালে যদি বেহেস্তডা না পাই তাইলে খাইলাম নি একটা ধরা ? ঐ মুসুল্লির মূখে এমন কথা শোনে তাজ্জব বনে গেলেন তালুকদার সাহেব -নামায যদিও বেহেস্তের চাবিকাঠি “কিন্তু নামাযের সাথে সাথে সকল যায়গায় সকল কাজে
যদি আমরা আল্লাহকে মেনে চলি তবে অবশ্য অবশ্যই বেহেস্ত পাব ! মসুল্লির মুখ থেকে আর একটি কথাও বের হলোনা সুন্নত পড়ার তাগিদে সবাই তারাতারি অজুকরে মসজিদে ঢুকলেন । অন্ধকার এখনো কেটে যায়নি কুঁয়াশা একটু একটু রয়েছে । মসজিদের সীমানা জুড়ে রয়েছে আম জাম লিচুগাছ আরও রয়েছে নানা ফলের গাছ । মসজিদের সামনে রয়েছ ফুলে বাগান ‘তাতে ফুটেছে হাসনা হেনা বকুলশেফালী গোলাপ বেলী ও আরও অসংখ্য সৃগন্ধি ফুলের সুবাসে সকল মুসুল্লিদের মন ভরে যায় ‘এ যেন এক বেহেস্তী পরিবেশ ।
দু7ই
মসজিদের পিছনে ঘাট বাঁধানো পুকুর। মসজিদের পাশেই রয়েছে মক্তব ভোর বিহানে গ্রামের সকল ছেলে মেয়েরা মক্তবে আসে আরবী শিখার জন্য । পুকুরে অজুকরতে গিয়ে সুলতানা কাপড় ভিজিয়ে ফেলেছে ।
-তোকে কতবার বলেছি ছিপারা খানা মক্তবে রেখে যেতে এখন ভিজে গেলতো ? উত্ত দিজীর বেত খেলে বুঝবে কতমজা ? সৃজনের রাগ দেখে সুলতানা একটু অভিমানের সূরে বললো “উস্তাদজী মারলে আমাকে মারবেন ‘ব্যাথা পেলে আমি পাব ! তু qমি রাগকরছ কেন ? -তুমাকে মারলে আমার ভিষন খারাপ লাগে তাই । -তাই বুঝি ?
আলিফ, বা, তা, ছা, আলিফ যবর আ- বা যবর বা-তাবের তা- সকল ছাত্রছাত্রীর একসাথে পড়ার শব্দে মক্তব মুখরিত হয়ে উঠেছে । উস্তাদজীর হাতে একটা শক্ত নিমের ঢাল ওটা দিয়ে পড়া না শিখলে পিটুনি দেন । এবার ধমক দিয়ে সবাইকে চুপকরতে বললেন । বেগম এদিকে এস। পড়া শিখেছ ? গ্রামের অতিসহজ সরল মেয়ে বেগম । বয়স পনের ষোল মাথায় কিচ্ছু নেই একেবারে গুবর ‘তবে পড়ায় বেশ আগ্রহী হস্তাদজী আবার প্রশ্ন করলেন “পড়া হয়েছে ?-জী-না উস্তাদ!
-কেন?
-মনে থাহেনা কি করমু উস্তাদ
-খাইতে মনে থাকে ? আজকে আবার পড়া বলে দিচ্ছি কাল শিখে না আসলে দশ বেত
খেতে হবে । বল আলিফ
বেগমঃ বল আলিফ’ উস্তাদজী : আরে পাগলী বল বলতে হবেনা শুধু বল আলিফ বেগম : আরে পাগলী বল বলতে হবেনা শুধু বল আলিফ ! উস্তাদজী যা বলে বেগমও তাই বলে ।মকলে এক সঙ্গে খিল খিল করে হেসে উঠলো। উস্তাদজী এবার যারা ছিপারা এবং কোরআন তালিম নিচ্ছে তাদেরকে রেখে বাকি সবাইকে ছুটিদিয়ে দিলেন ।সুলতানা আজ ছিপারা রেখে কোরআন হাতে নিবে ‘তাই তালুকদার সাহেব বাজার থেকে মিষ্টি আর বাড়ি থেকে বিন্নিধানের খই নিয়ে এসেছেন। সুলতানার পড়ার উন্নতিতে সব চেয়ে বেশি খুশি যেন সৃজন ! কিশোর মন তার আনন্দে উৎফুল্লিত! মক্তব ছুটি হয়ে গেল উভয়েএকত্রে দৌড়াতে দৌড়াতে বাড়ীর দিকে ছুটলো । ঘন্টা খানেক পর সকালের নাস্তা খেয়ে আবার স্কুলে রওয়ানা হতে হবে । স্কুল থেকে কলেজ পর্যন্ত একই সাথে লেখাপড়াকরে আসছে ওরা । দুজনের মধ্যে একটা গভির সম্পর্ক গড়ে উঠেছে ‘ওরা যেন নিঃস্পাপ মানব মানবী! মনে কোন পাপ নেই, নেই কোন পঙ্কিলতা । ইতি মধ্যে কিছু কানাঘুষা ও করতে শুরু করে দিয়েছে লোক জনে কার কথা কে শোনে ? ওসব গুজবের তোয়াক্কা করেনা ওরা। স্কুলে যেমন মেধা তালিকায় ছিল ওরা প্রথম এবং দ্বিতীয় তেমনী কলেজেও ওরা একে অপরের সাথে পাল্লা দিয়ে লেখা পড়া করে যাচ্ছে। দেখতে দেখতে প্রথম বর্ষ শেষ হয়ে গেল । লোকজনের মুখে বিষ ছড়া ছড়িও দিন দিন বেড়ে চললো সুলতানা সত্যিই যেন বেহেস্তী হুর নাহয় গুলেমান ।তার গোলাপের মত ঠোট মুক্তার মত দাঁতের হাসি যে কোন যুবকের ঈর্ষার কারন। সৃজনও কম সুন্দর নয় ‘এমন সুদর্শন যবককে ঘিরে দুচার জন যুবতী স্বপ্ন দেখেনা এমন হতেই পারেনা । তার পর লেখা পড়ায় তাদের সমকক্ষ কেউ নেই । এসকল কারনে কিছু যুবক যারা সুলতানার পাগল । পির দিকে কিছু মেয়েও যারা সৃজনের আশেকী এই উভয় দল মিলে কুৎসা রটানো শুরু করলো । সৃজন এবং সুলতানার সূরাহা কিভাবে করা যায় তা নিয়ে জল্পনা কল্পনা শুরু করে দিলো
(তিন)
সকালে এক পশলা বৃষ্টি হয়ে গিয়েছে আকাশটা স্বচ্ছ আয়নার মত পরিস্কিার নীল আকাশে একটা বকের ঝাঁক উত্তর থেকে দক্ষিণে উড়ে যাচ্ছে হয়তো ঝর হওয়ার সম্ভাবনা -আজ কলেজে যাওয়ার দরকার নেই
-কেন বাবা ? প্রশ্ন করে সুলতানা। তালুকদার সাহেব দরদ কন্ঠে বলেন ” মা’ আজ ঝড় তুফান হতে পারে ।
-তাতে কি হয়েছে? পথের সবকটা বাড়িঘরতো আমার নিজের বাড়ি ঘরের মত। তাছাড়া আমিতো একা নই বাবা। সুলতানার কথা শোনে তালুকদার সাহেব বুঝতে পারলেন মেয়ে তার কলেজ মিছ করতে রাজি নয়। বইখাতা গুলো গুছিয়ে নিয়ে কলেজের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলো সুলতানা। বাড়ি থেকে কলেজ প্রায় সাড়ে তিন মাইলের পথ ।নদীর পাড় ঘেষে রাস্তা বর্ষা কালে স্কুলে যেতে খুব অসুবিধে হয়। নদীর নাম কালি গঙ্গা ধলেশ্বরী বুড়িগঙ্গার শাখা এসে মিসেছে যেখানে, সেখানেই খেয়া পারাপার হতে হয়। অন্যেরা সকলে খেয়া পার হয়ে ওপারে চলে গিয়েছে। একটি মাত্র খেয়া তাই এপার থেকে ওপারে যেতে এবং আসতে প্রায় এক ঘন্টার ফের নদীর পাড় কাশ ফুলে ফুলে ভরা এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রয়েছে সুলতানা কাশ ফুলের অনিন্দ সুন্দর্য্যের দিকে আর ভাবছে অনাগত ভবিশ্যতের কথা হঠাৎ কার যেন মৃদু স্পর্শ! কে ? ও তুমি ? আমাকেতো ভয়ই পাইয়ে দিয়েছিলে। সৃজন সাইকেলটা স্ট্যান্ডের উপর ভর করিয়ে দাড় করালো ।
—জানো আজ ঘুমটা একটু বেশি হওয়াতে দেরি হয়েগেছে -সকালে য়ে সুন্দর বৃষ্টি হলো তাতে ঘুম একটু বেশি হওয়াটাই সাভাবিক বললো সৃজন । অনেক দিন যাবৎ কিছু কথা মনের ভিতর জমা হয়ে রয়েছে সময় ও সুযোগের অভাবে শত চেষ্টায়ওবলা হয়নি। আজ সুলতানাকে কাছে পেয়ে সৃজনের হৃদয় একবারে খুশিতে গদ গদ ভালকরে সুলতানার দিকে তাকলো সৃজন! কিছু একটা বলতে চায়সে ! কিন্তু কি যেনো ভেবে আবার নিরব হয়ে গেল ।
-কি ব্যাপার ? কি যেনো বলতে গিয়ে থেমে গেলে যে ? সৃজনের চোখে দিকে তাকায় সুলতানা ! দ্বীপ্ত ডাগর চোখ চেহারায় যেনো অসংখ্য অনুচ্চরিত কথা ।সুলতানা তীব্র উদগ্রীব হয়ে অপেক্ষা করছে সৃজনের মুখথেকে সেই অব্যাক্ত কথামালা থেকে কিছু কথা শুনার জন্য। হৃদয়ে তার উত্তাল ঢেউ তন্ত্রীতে ঝর উঠেছে । বুকের ভিতর টা যেন নতুন এক অনুভূতির ছোঁয়া পেতে চায়। কিছুটা নিরবতা তারপর ইস্ততা করে বলেই ফেললো সৃজন ।-তুমি এত সুন্দরী আমি এই মাত্র লক্ষ্য করলাম ।স্রষ্টার প্রশংসা করে শেষ করা যাবেনা যিনি তোমাকে এত অপূর্ব করে সৃষ্টি করেছেন ।
– তুমি আমাকে কোন দিন ভাল করে দেখেছ বলতো ? একটু অভিমান করে বললো সুলতানা । একজন সুন্দরী যুবতী মেয়ে কাছে পেয়ে এমন কোন পুরুষ আছে কি? যে তার আপাদ মস্তক ভাল করে তাকিয়ে দেখেনা ?
-এই তো আমি রয়েছি। যার সাথে কৈশর থেকে যৌবন পর্যন্ত বেড়ে উঠলাম তাকে কোন দিন ভাল করে একবারও দেখলামনা তার মধ্যে এতটা বছরে কতটা পরিবর্তন পরিবর্ধন হলো। জানো? তোমাকে নিয়ে অনেক দিন ধরে ভাবছি। মনে হয় তোমার আর আমার মধ্যে মনের অজান্তেই একটা সেতু বন্ধনের সৃষ্টি হয়েগেছে । একলা যখন বিছানায় শুয়ে পড়া পড়ি করি, কিষের যেন একটা অভাব অনুভব করি ‘বারংবার মনে পরে শুধু তোমার কথা। কথা গুলো তখন সুলতানার হৃদয়ে গভির ভাবে নাড়া দেয়। তারও ঐ একই অবস্থা। কিন্তু সে চেপে যাচ্ছে অতিকষ্টে কথায় আছে’ নারীদের বুকফাঁটে তো মুখফোটেনা । এতক্ষনে ঘেঁয়া এসে গেছে এপারে ।উভয়েই তাড়াতাড়ি খেয়া নৌকায় উঠে বসলো । পরান মাঝি বাঁশের লগিদিয়ে খোঁচা মেরে নৌকা ভাসিয়ে দিল । পায়ের তালে তালে বৈঠায় চাড় দিচ্ছে আস্তে আস্তে যেন ভব নদী পাড়ি দিচ্ছে । মূখেতার কোন কথা নেই চুল গুলো পেঁকে সাদা ধব ধবে ।কালী গঙ্গার ভাঙ্গন গড়ন সে প্রতক্ষ ভাবে দেখে আসছে কত ঝড় তুফানে এই খেয়া নৌকাটি এপার থেকে ওপারে নিয়েছে। এখন শরীরে বার্ধক্যের ছাপ বিশাল এ দেহে আগের মত আর শক্তি নেই। তবু চলছে জীবন প্রবাহ !খেয়া নৌকা থেকে নেমে ওরা হাটছে একহাতে সাইকেলের হ্যান্ডেল আর এক হাতে সুলতানার কোমল হাতের স্পর্শ সৃজনের সমগ্র শরীরে যেন শিহরন জাগে । দু পাশে ঘন পাম গাছ অদুরে সবুজ ধান ক্ষেত মাঝেমধ্যে দুএকটা তালগাছ দৈত্যের মত দাড়িয়ে রয়েছে । সড়কের এপাশ থেকে একটা খরগোশ ওপাশে দ্রুত চলে গেল সুলতানার চোখ খরগোশের গতি লক্ষ্য করলো সুলতানা সৃজনকে উদ্দেশ্য করে বললো ” এই ! তুমি সাইকেল চালিয়ে যাওনা! অন্ততো তোমার ক্লাশটাতো মিছ হতোনা -কেন! আমার কথা কি তোমার পছন্দনীয় নয় ?
-আমি কি তাই বললাম ? -তাহলে কি আমাকে তোমার অপছন্দ ?
-আমাকে দেখে কি তোমার তাই মনে হয় ?
-না কিন্তু ভয় হয় !
-কেন কিসের ভয়?
-তোমাকে হারানোর ভয় ! জানো তোমাকে আমি কোনকিছুর বিনিময়েও হারাতে চাইনা । এবার সুলতানা গম্ভির কন্ঠে বললো ” আমিও তোমাকে না পেলে বাঁচবোনা সৃজন! তুমি আমার হৃদয় জুড়ে রয়েছো জীবন মরনে তুমি আমার । আমার ভালবাসা যেন তোমার জীবনকে সমস্ত ভয়ভীতি থেকে নিরাপদ রাখে । সৃজনের চোখ দুটোতে আশার আলো জ্বল জ্বল করে জ্বলেউঠলো । মনের অজান্তে দুজনের হাত একত্রিত হয়ে গেল একটু হালকা পরশ তার পর মৃদু চাপ ! ওরা ধীরে চলছে কলেজের পথে ! শান্ত পকৃতি ।
(চলবে)3 Comments-
মোহাম্মদ রাইস উদ্দীন, আপনার লেখাটিতে গ্রামের স্নিগ্ধ সকাল ও কিশোর-কিশোরীর নির্মল অনুভূতির যে চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন, তা বেশ মায়াভরা এবং হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়ার মতো। গল্পের পরবর্তী অংশগুলোতেও এমন সহজ-সরল বর্ণনার ধারা বজায় রাখতে পারেন, আর সেই সাথে গ্রুপের অন্য লেখকদের লেখায় আপনার মন্তব্য বা ভালোবাসা ছড়িয়ে দিলে আমাদের এই আড্ডা আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে।
Friends
খায়রুল ইসলাম
@khairulislam
Ahsanul Martin Mishor
@ahsanulmartinmishor
Ramjan ali
@ramjanali
Farhan Sadik
@farhansadik
মুহাম্মদ জে.এইচ রপ্পি
@e3be408dd3bbf0f44f453682891eb4cb
m zaman
@mzaman
Gileman Alom
@gilemanalom
Sima Nto
@simanto
Abdullah Al Ahad
@abdullahalahad


নিষ্পাপ ভালোবাসার পথে প্রকৃতি আর অনুভূতি …..🤍🖤