<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | আবুল হাসনাত | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/abul-hasnat/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/abul-hasnat/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for আবুল হাসনাত.</description>
	<lastBuildDate>Wed, 10 Jun 2026 17:33:01 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">a9f50adcf2ec1d103dd275c98944c50c</guid>
				<title>নাহারের নিরর্থক কয়েকটি টুকরা গল্প

নাহার, বয়েস কত আর তের-চোদ্দ। তবে রোগাপটকা হওয়ায় মনে হয় দশ-এগারো। দুরন্ত নাহার সারাদিন এর গাছের ওর গাছের ফল চুরি করে দিন কাটায়, কখনো ভাত-তরকারিও। পড়শীদের অভিযোগ শুনতে শুনতে অতিষ্ঠ মায়ের হাতে মার খাওয়া নাহারের গা-সওয়া। প্রতিদিন মার দেবার পর মায়ের মনটাও নরম হয়ে আসে। আহারে মেয়েটা আমার বড় ভাত ভালোবাসে। কিন্তু অভাবের সংসারে যা কখনোই দুবেলা তো দূরে থাক একবেলাও জোটে না। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে বেলকা গ্রামের রহিমুদ্দির বড় মেয়ে আমাদের গল্পের নাহার। রাক্ষুসী তিস্তা তিন তিন বার তাদের বাড়ি গ্রাস করেছে, সাথে জমিজিরাতও। তাই তিন ছেলে আর সবার বড় নাহারকে নিয়ে ভূমিহীন  জুলেখা-রহিমুদ্দির অভাবের সংসার।

এখন অগ্রাহণ মাস, পুরো দমে ধান কাটা হচ্ছে। চৌধুরী বাড়িতে তাই নবান্নের উৎসব। পিঠাপুলিও তৈরী হচ্ছে সমান তালে। উৎসবে যোগ দিতে ঢাকা শহর থেকে সপরিবারে বেড়াতে এসেছে চৌধুরীর দুই ছেলে। এই চৌধুরীদের চিরস্থায়ী কামলা জুলেখা-রহিমুদ্দি। ধান লাগানো থেকে ধান কাটা, মাড়াই এমনকি বাজার হাট রান্নাবান্না সব কাজেই তারা আছে। অভাবের সময় এই চৌধুরীদের কাছেই তাদের হাত পাততে হয়। যদিও চৌধুরীদের সাহায্য মানে অগ্রিম শ্রম বিক্রি। অন্যের জমিতে কাজ করার আর তখন কোন সুযোগই থাকেনা। 

ছয়তলার বারান্দার গ্রীলে গাল ঠেকিয়ে দাড়িয়ে আছে নাহার। এখন তার নাম আর নাহার নয় &#039;ভেতো&#039;। এ বাড়িতে এসে এদের পোষা  কুকুরগুলোর মত তারও একটা নাম হয়েছে। পার্থক্য একটাই কুকুরগুলোর আগে নাম ছিলো না এখন নাম হয়েছে। আর তার একটা নাম ছিলো তারপরও নতুন নামকরন করা হয়েছে। সে নাকি বেশী ভাত খায় এজন্যই তার এই নাম। পিছনের কারন অবশ্য অন্য। গৃহকর্তীর নামও নাহার, শুধু নাহার নয় মোসাম্মৎ  কামরুন্নাহার।

চৌধুরীদের ছোট ছেলের বউ কামরুন্নাহার যখন জুলেখাকে ঢাকা নিয়ে যেতে চাইলেন তখন তার মা-বাবার পক্ষে না বলার কোন সুযোগই ছিলো না। ঢাকায় তার ভাত-কাপড়ের কোন অভাব হবেনা। তার উপর আবার মাসে মাসে বেতনও পাবে। উপরি হিসাবে বিয়েশাদিও দিয়ে দিবেন। এতো বড়ই লোভনীয় প্রস্তাব।

ভেতো নামের কারনেই কিনা নাহারকে শুধু ভাত, ডাল আর সব্জিই দেয়া হয়। মাছ-মাংশ কদাচিত তার কপালে জোটে, তাও বাসি পচা। অথচ কুকুরগুলো তার চোখের সামনেই মুরগীর কচি কচি রান চিবায়। আর সে লোলুপ দৃষ্টিতে চেয়ে থাকে। প্রায় সে স্বপ্ন দেখে ডাইনিং টেবিলে বসে সে বড় বড় মুরগীর রান চিবাচ্ছে। অথচ কোন স্বাদই পাচ্ছে না। আহারে মুরগীর রানের স্বাদ জানি কেমন!

গত বছর দূর্গা পুজোর সময় সে সারাদিন পূজা মন্ডপে পড়েছিলো। ওখানে মাঝে মধ্যে মুফতে প্রসাদ পাওয়া যায়। ওখানেই শুনেছিলো এ জীবনে পাপ করলে পরের জন্মে নাকি পশুপাখি হয়ে জন্মাতে হবে। সেও তো অনেক পাপ করেছে। কত মানুষের গাছের ফল আর রান্না করা ভাত চুরি করে খেয়েছে। তাহলে কি পরের জন্মে সেও পশুপাখি হয়ে জন্মাবে! যদি তাই হয় তাহলে আল্লাহ যেন তাকে পরজন্মে চৌধুরীদের কুকুর করেন।

যদিও গরীব মানুষের দোয়া সচরাচর কবুল হয়না তবে এবার বোধহয় খোদা তার মনের আশা পুরন করতে যাচ্ছেন। তার সারা শরীরে গরম খুন্তির ছ্যাকার জ্বলুনি আস্তে আস্তে কমে আসছে। সে বুঝতে পারছে মৃত্যুর শীতল অনুভুতি। আহারে সামনেই বহুল আকাংখিত পরজন্ম। আশ্চর্য! নাহার ভাবতেও পারেনি কুকুরে জন্য সিদ্ধ করা একটুকরো মাংস চুরিই এত সহজে তাকে পরজন্মে নিয়ে যাবে। 

কামরুন্নাহারের বাসার সামনে এখন পুলিশের গাড়ি নয় এম্বুলেন্স দাঁড়িয়ে আছে। ভিতরে সাদা চাদরে ঢাকা ভেতো ওরফে নাহার। এবার সে সত্যিকার কুকুর হয়ে জন্মানোর আশা নিয়ে ফিরে যাচ্ছে সুন্দরগঞ্জে বেলকা গ্রামে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/81985/</link>
				<pubDate>Fri, 24 Dec 2021 15:46:53 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নাহারের নিরর্থক কয়েকটি টুকরা গল্প</p>
<p>নাহার, বয়েস কত আর তের-চোদ্দ। তবে রোগাপটকা হওয়ায় মনে হয় দশ-এগারো। দুরন্ত নাহার সারাদিন এর গাছের ওর গাছের ফল চুরি করে দিন কাটায়, কখনো ভাত-তরকারিও। পড়শীদের অভিযোগ শুনতে শুনতে অতিষ্ঠ মায়ের হাতে মার খাওয়া নাহারের গা-সওয়া। প্রতিদিন মার দেবার পর মায়ের মনটাও নরম হয়ে আসে। আহারে মেয়েটা আমার বড় ভাত ভালোবাসে। কিন্তু অভাবে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-81985"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/81985/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bb9501b4649b00a0b22c6de62fafd63b</guid>
				<title>#গল্প_থেকে_উপন্যাস

একজন কিশোর এবং কিশোরী 
একমুঠো চকলেট অথবা আইসক্রিম 
জারুল, কৃঞ্চচুড়া আর রাধাচূড়ার শীতল ছায়া
অচেনা পাখির শিস, একটা পার্ক
একটি গল্পের জন্ম দেয়।

একজন তরুন আর একজন তরুণী 
হুড ফেলে রিকসায় ইতস্ততে বেড়ানো
সবুজ জমিনে মেঘ মেঘ পাহাড়ের সারি 
দু’জোড়া ঠোঁট, একটু আদর
একটি গল্পের ডানা মেলে দেয়া।

একজন পুরুষ ও নারী
একটি জমাট সংসার
সম্পর্কের টানাপোড়েন, কখনো খুনসুটি
ওয়াক ওয়াক! ট্যাঁ ট্যাঁ- শিশুর কান্না 
একটি উপন্যাসের শুরু।

একজন একলা বৃদ্ধ অথবা বৃদ্ধা 
একটি প্রাতঃ ভ্রমণ
জারুল, রাধাচূড়া আর কৃঞ্চচুড়ার শীতল ছায়া
অচেনা পাখির শিস, একটা পার্ক
তবুও শুধুই নিঃসঙ্গতা শুধুই একাকিত্ব 
একটি উপন্যাসের পরিসমাপ্তি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/63065/</link>
				<pubDate>Sat, 27 Nov 2021 03:44:56 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23গল" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#গল</a>্প_থেকে_উপন্যাস</p>
<p>একজন কিশোর এবং কিশোরী<br />
একমুঠো চকলেট অথবা আইসক্রিম<br />
জারুল, কৃঞ্চচুড়া আর রাধাচূড়ার শীতল ছায়া<br />
অচেনা পাখির শিস, একটা পার্ক<br />
একটি গল্পের জন্ম দেয়।</p>
<p>একজন তরুন আর একজন তরুণী<br />
হুড ফেলে রিকসায় ইতস্ততে বেড়ানো<br />
সবুজ জমিনে মেঘ মেঘ পাহাড়ের সারি<br />
দু’জোড়া ঠোঁট, একটু আদর<br />
একটি গল্পের ডানা মেলে দেয়া।</p>
<p>একজন পুরুষ ও নারী<br />
একটি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-63065"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/63065/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">cd49fc98ba2d43302467f7440fdc0aa7</guid>
				<title>#সাতটি_বছর_পরে_দেখা

সাতটি বছর পরে হঠাৎ হলো দেখা,
মনে হয় কতযুগ কত না বছর,
সময়ের মহাকালে স্রোতের মতন
ভেছে গেছি দুজনাই, তবু দুইজন
কতটা বদলে গেছি, কতটাই সে।
তারপর ভুলেও কি সেই সব দিন 
কখনো হয় না মনে। পথে পথে হেঁটে 
সেই সব মানুষের গল্প হয়েছিলো
যারা আজও পথ চেয়ে তোমার আশায়।
সেই পথে আরও কত জন হেঁটে যায়, 
হেঁটে যাবে আরও কত, হয়ত তারাও
সূর্যের তাপে পুড়ে আরও হবে কালো;
শীত কিংবা কখনো বর্ষায় ভিজে যাবে চোখ।
তবুও দেখো মোটে ওই সাতটি বছর,
মনে হয় কতকাল যেন তারা দেখে নাই চেয়ে,
ভাবে নাই সেই সব মানুষের কথা
যারা শুধু স্বপ্ন দেখে।
স্বপ্নরা ভেসে থাকে চোখের পাতায়।
তাদের শিশুর কান্না আমাদেরই মত;
আমরাও তাদের মতই হেসে উঠি;
তাদের রক্তের রং আমাদেরই মত;
তাদেরও পেট জ্বলে ক্ষুধার জ্বালায়;
শীতে কাঁপে, রোদে পুড়ে, বর্ষায় ভিজে;
তাদেরও ছাদ চাই মাথার উপরে।
এভাবেই কখন যে স্বপ্নে মত সাতটি বছর
ধূসর মেঘের মত একাকী ভেসে যায়;
হারিয়ে যায় আমাদের সাতটি বছর
তিন’শ চৌষট্টি হপ্তার সাতটি বছর।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/62852/</link>
				<pubDate>Fri, 26 Nov 2021 17:27:49 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23স" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#স</a>াতটি_বছর_পরে_দেখা</p>
<p>সাতটি বছর পরে হঠাৎ হলো দেখা,<br />
মনে হয় কতযুগ কত না বছর,<br />
সময়ের মহাকালে স্রোতের মতন<br />
ভেছে গেছি দুজনাই, তবু দুইজন<br />
কতটা বদলে গেছি, কতটাই সে।<br />
তারপর ভুলেও কি সেই সব দিন<br />
কখনো হয় না মনে। পথে পথে হেঁটে<br />
সেই সব মানুষের গল্প হয়েছিলো<br />
যারা আজও পথ চেয়ে তোমার আশায়।<br />
সেই পথে আরও কত জন হেঁটে যায়,<br />
হেঁটে যাবে আরও কত, হয়ত তারাও<br />
সূর&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-62852"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/62852/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8fdc41aa8cf93421ea630498c8dddb99</guid>
				<title>আবুল হাসনাত and Himadrika Jahan Shuvra are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/47817/</link>
				<pubDate>Mon, 25 Oct 2021 05:28:21 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">195a9485b6757499f8621a760edb151c</guid>
				<title>আবুল হাসনাত and Somaiya Akter are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/47600/</link>
				<pubDate>Sun, 24 Oct 2021 13:47:57 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">788da8e2555d11fe1dcf12e26460dfed</guid>
				<title>আবুল হাসনাত and ruba are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/47260/</link>
				<pubDate>Sat, 23 Oct 2021 15:47:16 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2e964f3dbdc8cedf3c3704afc7c88cc5</guid>
				<title>#বন্ধুত্ব
    #আবুল_হাসনাত 
বিদায়! তোমায় বন্ধু বলছি বিদায়!
সেই কবে নব্বইয়ের দশক
যেন সেদিনের কথা;
হেঁটেছি কত না পথ, রেখে হাত ঘাড়ে;
একসাথে ডিঙ্গিয়েছি কত না পাহাড়!
শিখেছি ভালোবাসা, 
হাঁটুতে ছুঁয়েছি হাঁটু, হৃদয়ে হৃদয়।
কেন তবে বন্ধু বলো নিতে চাও অবেলায় এখন বিদায়?
যখন পাখিরা গায় গান, বাতাসে বসন্তের ঘ্রাণ,
সুন্দরী তরুনীরা চারপাশে,
কিভাবে ভাবলে সেখানে তুমি-আমি নাই!
কত না আনন্দ আর কত না জীবনের গান
রোদে পোড়া ঘামের শরীর;
আমরা শুধু বখে যাওয়া সন্তানের মত-
ডুব দিয়ে তুলে আনি জীবনের মাদকতা আর শুধু গান।
যখন পাখিদের কলরোল আকাশে বাতাসে 
আনন্দ উৎসব আর যৌবনের গান।
শিশির ভেজা শরৎ সকালে-
শিউলি ফুলের ঘ্রাণ ভেসে আসে!
তখনই কেন সব ছেড়ে চলে যেতে চাও? 
তবু কেন বন্ধু আজ বলছি বিদায়? 
তবু কেন এখনই বিদায় বলতে হয়?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/47042/</link>
				<pubDate>Fri, 22 Oct 2021 16:31:24 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23বন" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#বন</a>্ধুত্ব<br />
    <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23আব" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#আব</a>ুল_হাসনাত<br />
বিদায়! তোমায় বন্ধু বলছি বিদায়!<br />
সেই কবে নব্বইয়ের দশক<br />
যেন সেদিনের কথা;<br />
হেঁটেছি কত না পথ, রেখে হাত ঘাড়ে;<br />
একসাথে ডিঙ্গিয়েছি কত না পাহাড়!<br />
শিখেছি ভালোবাসা,<br />
হাঁটুতে ছুঁয়েছি হাঁটু, হৃদয়ে হৃদয়।<br />
কেন তবে বন্ধু বলো নিতে চাও অবেলায় এখন বিদায়?<br />
যখন পাখিরা গায় গান, বাতাসে বসন্তের ঘ্রাণ,<br />
সুন্দরী&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-47042"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/47042/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9b1f553ca63c82b8e4502ae1a361b64e</guid>
				<title>#একটি_জাতির_মৃত্যু

বসে আছি তখন কোন কাঁদড়ের পাড়ে,
আলের উপরে;
রোদেলা দুপুরের খরখরে তাপে
কাঁচের মত দূরে দৃষ্টি শুধু কাঁপে;
ধু ধু মাঠ- হয়ে গেছে ধান কাটা সারা।
শুকনো খড়ের নাড়া 
মিশে আছে জলহীন মাটির আধারে।
নোনা দেহ রোদে পোড়া তামাটে শরীরে 
শুকিয়েছে ঘামের জল। 
দূর গ্রাম মরিচিকার মত করে টলমল;
কলতলা কোলাহল নারী ও কিশোরী
জাত নাই পাগলীটা গাঁয়ের আদুরী। 
সিঁথিতে সিঁদুর কারো হাতে সাদা শাঁখা
কারো মাথা টেনে দেয়া ঘোমটায় ঢাকা।
চেয়ে দেখি মুখে ডিম পিঁপড়ের দল
কেউ কালো কেউ লাল নেই কোলাহল।
বরষা আসবার বুঝি নেই আর দেরী
আকাশে হঠাৎ তাই বেজে উঠে ভেরী।

একপাশে মসজিদ আজানের ধ্বনি,
কেউ মানে অহিংস বুদ্ধের বানী,
মন্দিরে সাঁঝ হলে সন্ধ্যা আরতি,
গির্জায় ক্রুসে গাঁথা যিশুর মুরতি।
শান্তির গ্রাম খানা ছবির মতন
কোথায় হারালো সেই অমূল্য রতন।
মরিচিকা ছবি হওয়া সেই গ্রাম খানা
পুড়ে ছাই হয়ে আছে সকলেরই জানা।
তবু দেখ শান দেয় খড়গ-তলোয়ার
ধর্মের নামে তারা হয় জের বার। 
এখন শ্মশান হয়ে সেই গ্রাম খানা
শবদেহ টেনে টেনে হয়েছে অচেনা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/44567/</link>
				<pubDate>Sun, 17 Oct 2021 13:59:53 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23একট" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#একট</a>ি_জাতির_মৃত্যু</p>
<p>বসে আছি তখন কোন কাঁদড়ের পাড়ে,<br />
আলের উপরে;<br />
রোদেলা দুপুরের খরখরে তাপে<br />
কাঁচের মত দূরে দৃষ্টি শুধু কাঁপে;<br />
ধু ধু মাঠ- হয়ে গেছে ধান কাটা সারা।<br />
শুকনো খড়ের নাড়া<br />
মিশে আছে জলহীন মাটির আধারে।<br />
নোনা দেহ রোদে পোড়া তামাটে শরীরে<br />
শুকিয়েছে ঘামের জল।<br />
দূর গ্রাম মরিচিকার মত করে টলমল;<br />
কলতলা কোলাহল নারী ও কিশোরী<br />
জাত নাই পাগলীটা গাঁয়ে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-44567"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/44567/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>15</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>