<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | রায়হানা জাকিয়া (নিঃসঙ্গ অ্যালবাট্রস) | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/alonelyalbatross/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/alonelyalbatross/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for রায়হানা জাকিয়া (নিঃসঙ্গ অ্যালবাট্রস).</description>
	<lastBuildDate>Tue, 16 Jun 2026 02:06:20 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">4e625d011a785983ab39e5d8b3bcda40</guid>
				<title>ফেইসবুকের ফুফা কাহিনী
~রায়হানা জাকিয়া

আশির দশকের প্রেমিক চাচা,
হঠাৎ এখন online বাঁচা।
বউ রাগ করলে status দেয়—
“মানুষ চিনতে ভুল হয়!”

সকালে ঝগড়া, দুপুর পোস্ট,
রাতে আবার “family first”!
নাই কথাতেই live এ আসে,
“বন্ধুরা, আজ খুব কষ্টে আছি…”

পাঁচ মিনিট পর check-in দেয়—
“Life is beautiful” কফি শপে বসে।
কারো সাইডে তার ছিঁড়লে ভাই,
জ্ঞান দেয় সে মহাজ্ঞানী সেজে তাই—
“নারীজাতি এমনই হয়!”
পরদিন আবার inbox ভরায়।

ছেলের রেজাল্ট, মেয়ের কান্না,
সবই এখন public জানা।
ঘরের খবর online গেলে,
পাড়া তো হাসবেই নীরব ছলে।

জ্যোতিষ তো বলে— শনি ও বুধের খেলা,
মনটাও নাকি হয় উথলা।
কিন্তু সত্যি বলতে গেলে শেষে,
mobile-ই বেশি ঘুরায় পেঁচে।

তাই ওহে চাচা, ওহে খালা,
ওহে ভাই ও বোনেরা,
সব কথা আর দিও না জ্বালা।
কিছু দুঃখ থাক ঘরের মাঝে,
শান্তি থাকে সম্পর্ক সাজে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/254214/</link>
				<pubDate>Sat, 13 Jun 2026 11:27:26 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ফেইসবুকের ফুফা কাহিনী<br />
~রায়হানা জাকিয়া</p>
<p>আশির দশকের প্রেমিক চাচা,<br />
হঠাৎ এখন online বাঁচা।<br />
বউ রাগ করলে status দেয়—<br />
“মানুষ চিনতে ভুল হয়!”</p>
<p>সকালে ঝগড়া, দুপুর পোস্ট,<br />
রাতে আবার “family first”!<br />
নাই কথাতেই live এ আসে,<br />
“বন্ধুরা, আজ খুব কষ্টে আছি…”</p>
<p>পাঁচ মিনিট পর check-in দেয়—<br />
“Life is beautiful” কফি শপে বসে।<br />
কারো সা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-254214"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/254214/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">674aa36507fdd8fae67c40b4b3f25630</guid>
				<title>তারিখ : জানুয়ারি ২০, ২০২৬
~ Raihana Zakiah 
চেহারাটা দেখলে প্রথমেই যে জিনিসটা চোখে পড়ে—
নির্ভার আত্মবিশ্বাস। লাল পর্দার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটা যেন নিজেই এক নীরব দৃশ্য, যেখানে আলো পড়ে চোখে, আর চোখে জমে থাকে গল্প। এই মানুষটার চোখে আছে এক দৃঢ়তা, কিন্তু তার ভেতরে লুকিয়ে আছে অদ্ভুত এক কোমলতা—যেন শক্ত কণ্ঠের ভেতরেও কোনো এক অজানা কবিতা শ্বাস নেয়। দাঁড়ির ছায়ায় সময়ের পরিণত ভাব, ভাঁজহীন কপালে দায়িত্বের রেখা। সে যেন নিজের স্বপ্নগুলোকে আগলে রেখেছে খুব যত্ন করে, ঠিক যেভাবে আমি নিজের গল্প গুলোকে, কবিতাগুলোকে আগলে রাখি।
এই মানুষটা ভালোবাসলে, সে ভালোবাসবে থিয়েটারের মতো— আলো-আঁধারির ভেতর দিয়ে, নীরব বিরতির মধ্যেও গভীর। তার ভালোবাসা হইচই করবে না, কিন্তু মঞ্চ ছাড়ার পরেও মনে রয়ে যাবে দীর্ঘ সময়। সে এমন একজন, যাকে দেখে মনে হয়— ভালোবাসা মানে শুধু অনুভূতি নয়, ভালোবাসা মানে দায়িত্ব, ভালোবাসা মানে
শেষ দৃশ্যের পরেও দাঁড়িয়ে থেকে তালি পাওয়া।
আর তাই, এই চেহারার দিকে তাকালে রোমান্স চিৎকার করে না— ধীরে এসে পাশে বসে, নীরবে হাত ধরে। দিনশেষে যেন মনে হয়, ভালোবাসা এমনই হওয়া উচিত।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/237266/</link>
				<pubDate>Fri, 23 Jan 2026 17:45:02 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তারিখ : জানুয়ারি ২০, ২০২৬<br />
~ Raihana Zakiah<br />
চেহারাটা দেখলে প্রথমেই যে জিনিসটা চোখে পড়ে—<br />
নির্ভার আত্মবিশ্বাস। লাল পর্দার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটা যেন নিজেই এক নীরব দৃশ্য, যেখানে আলো পড়ে চোখে, আর চোখে জমে থাকে গল্প। এই মানুষটার চোখে আছে এক দৃঢ়তা, কিন্তু তার ভেতরে লুকিয়ে আছে অদ্ভুত এক কোমলতা—যেন শক্ত কণ্ঠের ভেতরেও কোনো এক অজানা কবিতা শ্ব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-237266"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/237266/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">27b5120d6e3d69e54db9dfc33730617f</guid>
				<title>আমরা বিপরীত, তবু একে অপরের প্রতিচ্ছবি,
আমি চাই স্থায়ী মাটি, স্পর্শ আর আশ্রয়,
তুমি চাও আত্মা, মৃত্যু-পুনর্জন্মের মতো প্রেম।
চাঁদ মুখোমুখি দাঁড়িয়ে প্রশ্ন করে—
ভালোবাসা কি শান্তি, না গভীর ক্ষত?
আমরা উত্তর দিই না,
শুধু একে অপরের দিকে তাকিয়ে থাকি—
কারণ কেউ শান্তি বোঝে না গভীরতা ছাড়া,
আর কোন গভীরতা টিকে না স্থিরতা ছাড়া।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/236529/</link>
				<pubDate>Sun, 28 Dec 2025 18:11:44 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমরা বিপরীত, তবু একে অপরের প্রতিচ্ছবি,<br />
আমি চাই স্থায়ী মাটি, স্পর্শ আর আশ্রয়,<br />
তুমি চাও আত্মা, মৃত্যু-পুনর্জন্মের মতো প্রেম।<br />
চাঁদ মুখোমুখি দাঁড়িয়ে প্রশ্ন করে—<br />
ভালোবাসা কি শান্তি, না গভীর ক্ষত?<br />
আমরা উত্তর দিই না,<br />
শুধু একে অপরের দিকে তাকিয়ে থাকি—<br />
কারণ কেউ শান্তি বোঝে না গভীরতা ছাড়া,<br />
আর কোন গভীরতা টিকে না স্থিরতা ছাড়া।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f40c5f2cb4d79824ea384bf773fcd975</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/236297/</link>
				<pubDate>Fri, 19 Dec 2025 17:43:20 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ceae4bda2b08d93878a48dba0a96df64</guid>
				<title>আমি মাঙ্গলিক, তুমি বৃষের অধিপতি 
~ (নিঃসঙ্গ অ্যালবাট্রস)

আমি বৃশ্চিক— বিষণ্ণ নীহারিকার গভীর ছায়া,
রক্তে মঙ্গল জ্বলে, লাল অগ্নি-ধ্রুবতারার ভাষা।
তুমি বৃষ— সবুজ ধরণীর ধীর মাধুর্য,
শুক্রের কণ্ঠে বাঁশির সুর, কোমল দীপ্তি ভালোবাসা।
আমি মাঙ্গলিক, তুমি বৃষের অধিপতি 

শুরুতে সব ছিল ছায়াপথের দোহাই,
মঙ্গল-শুক্র দিশাহীনেও আকর্ষণে বাঁধা।
তুমি বলেছিলে, “তোমার আগুনে আমি গলব,”
আমি ভেবেছিলাম, “তোমার স্নিগ্ধতায় ধুয়ে যাবে আমার যন্ত্রণা।”
আমি মাঙ্গলিক, তুমি বৃষের অধিপতি 

কিন্তু গ্রহেরা জানে— আগুন আর অমৃতের মিলনে
গোপনে পুড়ে যায় জোতির্বৃত্তের কড়চা;
রাশি বদলালে কক্ষপথে ওঠে তাপ ও চাপ,
মঙ্গল দ্বন্দ্ব ছড়ায়, শুক্র শান্তি চায়—
এই বিপরীত স্রোতে অমোঘ ফাটল আঁকে ভাগ্য।

সেই ফাটল ধরে জ্যোৎস্না নেমে এলে
আমরা দেখলাম— একে অপরের চোখে নক্ষত্রের ভাঙন;
তুমি টের পেলে মঙ্গল-অভিমান,
আমি শুনলাম শুক্র-নৈঃশব্দ্যের দীর্ঘশ্বাস।

অতঃপর নক্ষত্র ছুটে গেল নিজস্ব বৃত্তে—
বৃশ্চিকের অতল জলে ডুবে রইল আমার অসীম আগুন,
বৃষের উর্বর মাটিতে তুমি বুনলে নতুন স্বপ্ন।
হয়তো, 
আমি মাঙ্গলিক, তুমি বৃষের অধিপতি বলে।

তবু প্রতিটি লাল গ্রহোদয়ের রাতে
আমি শোনার চেষ্টা করি তোমার শুক্রের মৃদু সঙ্গীত,
ভাবি— যদি কোনো মহাজাগতিক মীমাংসা
আরও একবার রাশি ফিরিয়ে আনে,
আগুন আর অশ্রু-স্নিগ্ধ ওই গাওয়া-না-হওয়া প্রেম
হয়তো আবার ফুটবে নক্ষত্রভরা গোধূলিতে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/229980/</link>
				<pubDate>Tue, 03 Jun 2025 10:29:14 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমি মাঙ্গলিক, তুমি বৃষের অধিপতি<br />
~ (নিঃসঙ্গ অ্যালবাট্রস)</p>
<p>আমি বৃশ্চিক— বিষণ্ণ নীহারিকার গভীর ছায়া,<br />
রক্তে মঙ্গল জ্বলে, লাল অগ্নি-ধ্রুবতারার ভাষা।<br />
তুমি বৃষ— সবুজ ধরণীর ধীর মাধুর্য,<br />
শুক্রের কণ্ঠে বাঁশির সুর, কোমল দীপ্তি ভালোবাসা।<br />
আমি মাঙ্গলিক, তুমি বৃষের অধিপতি </p>
<p>শুরুতে সব ছিল ছায়াপথের দোহাই,<br />
মঙ্গল-শুক্র দিশা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-229980"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/229980/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">dbaedf19d6d1804e947149d1b187d8f1</guid>
				<title>শব্দহীন ভাষায় বলি,
তুমি যেন এক পূর্ণিমা রাতের দীপ্তি,
আমি শুধু তোমার ছায়ার মতো,
তোমার কাছে ছুটে চলা এক নীরব ঝরনা।
তোমার চোখের গভীরতায়,
হারিয়ে গেলো আমার অস্থিরতা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/224890/</link>
				<pubDate>Sun, 12 Jan 2025 13:09:31 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শব্দহীন ভাষায় বলি,<br />
তুমি যেন এক পূর্ণিমা রাতের দীপ্তি,<br />
আমি শুধু তোমার ছায়ার মতো,<br />
তোমার কাছে ছুটে চলা এক নীরব ঝরনা।<br />
তোমার চোখের গভীরতায়,<br />
হারিয়ে গেলো আমার অস্থিরতা।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c8392cef757a68b0d1e202d6159f7113</guid>
				<title>এক প্রেম, যা থাকতে পারে না

এই প্রেমের গল্প আজীবন গল্পে বলতেই হবে।
সন্ধ্যার নীরব ঘনায়, কিরোলোস, তোমায় পেলাম,  
এক অচেনা মুখ, কোমল ও সত্য সে চাহনায়।  
নদীর মতো গভীর, গভীর সেই চোখ,  
তোমার সান্নিধ্যে খুলে গেল হৃদয়ের শোক।  

তুমি এসেছিলে বালির দেশ থেকে, সূর্যের আলোয়,  
এক বিশ্বাসে বদ্ধ, অথচ নিঃশব্দ সেই আলোয়।  
আমি সবুজ নদীর কোল, প্রার্থনার ভিন্ন পথে,  
অদেখা সে অঙ্গীকারে, মন বাঁধা আপন মোহে।  

তবুও সেই ক্ষণে, ভেঙে গেল সব সীমা,  
তোমার কথায় শুনলাম স্বপ্নের ঝরনা।  
এক অপরিচিত বাতাসে গোপনে ফিসফিস,  
স্বপ্ন, যা মুখে আনতে সাহস ছিল নিঃশেষ।  

তুমি চাইলে যেন পাশে থাকি তোমার,  
আমার উষ্ণতায় তোমার স্পর্শের আদর।  
জড়াতে চেয়েছিলে আমায় এই ক্ষণিকের জন্য,  
তবুও দূরত্বে বাঁধা পড়ল সেই মধুর অনুভূতি।  

নীরব এক প্রেম, নিষিদ্ধ আগুনের মতো,  
ধীরে ধীরে জ্বলছে, দোষের নামহীন স্রোতে।  
আমরা প্রতিজ্ঞা করলাম, বাঁধবো না এই প্রেম,  
তবুও হৃদয় মানলো না কোন সংযমের সীমা।  

এভাবে পথ চললাম কাঁচের মাটিতে,  
চুরি করা মুহূর্তে, প্রেম মুক্তি পেল পরতে।  
জানতাম, একদিন ছেড়ে যাব পথ,  
বিশ্বাস ও পরিবারের ভারে, সে আলিঙ্গন হবে মৃত।  

তবুও আজ রাতে, রাখি এই নীরব প্রতিজ্ঞা,  
এই স্থানেই, এই মুহূর্তে, নিঃশব্দে প্রেমের ছন্দ।  
সময় হয়তো রক্ষা করতে পারবে না এই ভালবাসা,  
তবুও হৃদয় আর ফিরিয়ে নিতে চায় না তা।  

হয়তো কোন এক জন্মে, নব জীবনকালে,  
বিশ্বাসের মুক্ত আকাশে আবার মিলবে অন্তরালে।  
তখন দূর দেশের কাহিনীতে গল্পের ঢেউয়ে,  
পাবো একে অপরের আত্মাকে চিরন্তন প্রাতে।  

ততদিন স্বপ্নে আসো তুমি,  
ছায়ার প্রান্তে যেখানে জগতের গোপন সুর বাজে।  
যদিও নিষিদ্ধ, যদিও সময় হিমশীতল,  
এই প্রেমের গল্প আজীবন গল্পে বলতেই হবে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/222433/</link>
				<pubDate>Sun, 03 Nov 2024 09:52:03 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>এক প্রেম, যা থাকতে পারে না</p>
<p>এই প্রেমের গল্প আজীবন গল্পে বলতেই হবে।<br />
সন্ধ্যার নীরব ঘনায়, কিরোলোস, তোমায় পেলাম,<br />
এক অচেনা মুখ, কোমল ও সত্য সে চাহনায়।<br />
নদীর মতো গভীর, গভীর সেই চোখ,<br />
তোমার সান্নিধ্যে খুলে গেল হৃদয়ের শোক।  </p>
<p>তুমি এসেছিলে বালির দেশ থেকে, সূর্যের আলোয়,<br />
এক বিশ্বাসে বদ্ধ, অথচ নিঃশব্দ সেই আলোয়।<br />
আমি সবুজ নদীর কো&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-222433"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/222433/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9dcb69651ddc214423a2a78552b63033</guid>
				<title>রায়হানা জাকিয়া (নিঃসঙ্গ অ্যালবাট্রস) changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/222315/</link>
				<pubDate>Wed, 30 Oct 2024 19:43:50 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">335f1e6e9e7a9447a333527ad63b6449</guid>
				<title>মা
~~~~~~~~~~~~~~
পর্ব - ১
বিপ…বিপ…বিপ…বিপ…বিপ…  
সকালটা শুরু হল ঘড়ির এলার্মের শব্দে।
কম্বলের নিচে বড় একটা অবয়ব একটু নড়ল এবং বিরক্তিভরা স্বরে ফিসফিস করে বলল,  
“উফ… বন্ধ... কর।”  
সাথে সাথে কেউ একজন অ্যালার্ম বন্ধ করে দিল। সেটা ছিল জুলি।  
ভোর ৬টা বাজে। ভারী পর্দা সূর্যের আলো আটকে রেখেছে, তাই ঘরটি এখনও অন্ধকার। ছোট একটি ঘর, তবে সুন্দরভাবে সাজানো। আইস পার্পল রঙের দেয়াল, ফ্রোজেনের দুর্গ ও তুষারফুলের সুন্দর ছবি দেয়ালে টানানো। দেয়ালটি যতবার দেখে, জুলি ততবারই গর্ব বোধ করে, কারণ এই ছবিগুলি আর কেউ নয়, স্বয়ং  তার মেয়ে এঁকেছে। ঘরের ভারী পর্দাগুলি গাঢ় বেগুনি রঙের। ঘরে একটি বিছানা এবং তার উল্টোদিকে একটি স্টাডি টেবিল রয়েছে, যদিও টেবিলটি একটু এলোমেলো। টেবিলের পাশে একটি বড় বইয়ের আলমারি, যেখানে অনেক বই রাখা আছে, বেশিরভাগই উপন্যাস। সিলিং থেকে বিশেষ কায়দায় ঝুলানো ছোট ছোট গাছের টবও রয়েছে ঘরে। সম্পূর্ণ তার মেয়ের কাজ। কেউ ঘরে ঢুকলে বলবেই, ‘ওয়াও, কত সুন্দর!’
জুলি নিঃশব্দে জানালার দিকে এগিয়ে গেল। সে পর্দা সরিয়ে জানালা খুলল। আর একটা শীতল হাওয়া রুমে এসে ঢুকলো। সুন্দর মিষ্টি একটা ঘ্রাণ এল। শীতের সকালে হালকা রোদ উঠলে ঠিক যেমনটি পাওয়া যায়, এই ঘ্রাণকেই সম্ভবত বলা হয় &#039;স্মেল অফ সান&#039;। জুলি বুক ভরে ঘ্রাণ নিল। এরপর পেছন ফিরে তাকাতেই নজর পড়ল তার মেয়ের স্টাডি টেবিলে। টেবিলের দিকে তাকাতেই একটু অবাক হল, কারণ তার মেয়ে পরিচ্ছন্নতা খুব বেশি পছন্দ করে এবং কোনও জিনিস এলোমেলো হলে ঘৃণা করে, বিশেষ করে তার নিজের ঘরে। তার ঘর সব সময় পরিপাটি থাকতে হবে। না হলে, সে এত রেগে যায় যে তাকে শান্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। কিন্তু তারপর জুলি মনে করল, তার মেয়ে নিশ্চয়  সারারাত পড়াশোনা করেছে তার আসন্ন পরীক্ষার জন্য, আর এত ক্লান্ত ছিল যে বিছানায় যাওয়ার আগে টেবিলটিও ঠিক করতে পারেনি। তার মেয়ে এপ্রিল, একাদশ শ্রেণির ছাত্রী, খুব মেধাবী।
জুলি হাসল এবং টেবিল ঠিক করতে এগিয়ে গেল। হাসিমুখে নিজের আপনমনে বলল,  
“ঠিক আছে, মা। আমি ঠিক করে দিচ্ছি।”  
টেবিল ঠিক করার পর, সে বিছানার কাছে গিয়ে বসে পড়ল। বিছানার কম্বলের নিচে লুকিয়ে থাকা অবয়বের দিকে তাকিয়ে হালকা হাসি ফুটল তার মুখে। সে হাত দিয়ে আস্তে আস্তে নাড়া দিল।  
“ওঠো, মা। এখন ৬:১০ বাজে। ওঠো।”  
এপ্রিল বিরক্ত হয়ে কম্বলের ভিতর থেকেই ফিসফিস করে বলল,  “মা, আমাকে ঘুমোতে দাও।”  
জুলি হাসিমুখেই বলল, “এমন বল না। উঠো, মা।”  
“বলেছি তো, ঘুমোতে দাও!”  এইবারও এপ্রিল বিরক্ত হয়ে উত্তর দিল।  
“কিন্তু তোমার দেরি হবে, মা।”  
“থামো, বলেছি ‘বেরিয়ে যাও’!!!”  
এপ্রিল চিৎকার করে উঠল, জুলি থমকে গেল। এরপর এপ্রিল বিছানা থেকে উঠে মায়ের হাত ধরে ঘর থেকে টেনে বের করে দিল। তারপর ঘরের দরজা তার মুখের উপর বন্ধ করে দিল।
জুলি এতটাই হতবাক হয়েছিল যে কী ঘটল সেটাই প্রথমে বোঝেনি। এগুলি এত দ্রুত ঘটল যে সে কিছুক্ষণের জন্য পুরো ঘটনাটি বুঝতেই পারেনি। সে দরজায় হাত রেখে বলল,  
“কিন্তু মা, তোমার দেরি হবে।”  
কিন্তু দরজার ওপাশ থেকে কোনো উত্তর এল না। মনে হল তার মেয়ে আর কোনো উত্তর দিতে চায় না। জুলির চোখে অশ্রু জমতে লাগল। কিন্তু সে নিজেকে কোনোরকমে সামলাল। অনেক কষ্টে নিজেকে সামলে, অন্য ঘরের দিকে তাকাল। সেখানে দুটি ছোট ঘর পাশাপাশি রয়েছে। পাশের ঘরটির সামনে দাঁড়িয়ে আবারও চোখ ভিজতে শুরু করল। সে গভীর শ্বাস নিল এবং মুখে হাসি আনল। আর সেই হাসি নিয়েই দরজা খুলল। এই ঘরটি আগের থেকে ছোট এবং বেশ মজার। দেয়াল সবুজ রঙের, এবং দেয়ালে আঁকা রয়েছে গাছ, পাখি ও প্রাণীর ছবি। সে ঘরে ঢুকে দেখল তার ছেলে স্টাডি টেবিলে মাথা রেখে ঘুমাচ্ছে। সে হাসল এবং চুপিচুপি টেবিলের কাছে গিয়ে মাথায় হাত রাখল। উষ্ণ স্বরে বলল,  
“ওঠো, আমার ছোট্ট খরগোশ। তোমার স্কুলে দেরি হয়ে যাবে।”  
ছেলে মাথা তুলে মায়ের দিকে তাকাল।  
“সুপ্রভাত, মা।”  
বলেই মাকে জড়িয়ে ধরল।  
“সুপ্রভাত, আমার ছোট্ট খরগোশ।”  
“মা, তুমি কেন চোখের জল আটকানোর চেষ্টা করছ?”  
ছেলে আলিঙ্গনমুক্ত হয়ে মায়ের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করল,  
“কী হয়েছে, মা?”  
জুলি জানত, যতোই চেষ্টা করুক, তার ছেলেকে সে বোকা বানাতে পারবে না। চোখে আবারও অশ্রু ভেসে উঠল। সে অন্যদিকে তাকিয়ে এটা লুকানোর চেষ্টা করল। একমাত্র এই বাচ্চা ছেলেটি তার মা&#039;কে অনেক ভালোবাসে, আর মায়ের কষ্ট সহ্য করতে পারে না। ছেলেটি বলল, “জানি।”  
জুলি হতভম্ব হয়ে বলল, “কী?”  
“আবার কিছু হয়েছে। সে আবার কিছু করেছে, তাই না?”  
“না, আমার লক্ষ্মীটি, কিছুই হয়নি। শুধু একটু মাথাব্যথা।”  
ছোট ছেলেটি ভ্রু কুঁচকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করল, “সত্যি?”  
“একদম।”  
“তাহলে একটু হাসো তো, আমি তোমার হাসি দেখতে চাই।”  
এবার জুলি সত্যিকারের হাসি হাসল।
“ঠিক আছে, এখন উঠে তৈরি হয়ে নাও। তোমার পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হবে আজ। সেজেগুজে তৈরি হও, আমার খরগোশছানা।”  
“হ্যাঁ, আমি নিশ্চিত যে আমি প্রথম হব।”  
“আমার খরগোশ, ঠিক তাই।”  
সে ছেলেকে বুকে জড়িয়ে ধরল। কিন্তু ঠিক তখনই অন্য ঘর থেকে এপ্রিল চিৎকার করে ডাকল,  
“মা, তাড়াতাড়ি এসো!”  
জুলি ছুটে ঘরে ঢুকল। দেখল, এপ্রিল তার চুল এলোমেলো অবস্থায় ইউনিফর্ম পরে হয়রান হয়ে কিছু একটা খুঁজছে।  
“কী হয়েছে, মা?”  
“তুমি আজ সকালে আমার জিনিসে হাত দিয়েছো? আমার খাতাটা কোথায় লুকিয়েছ?!”  
“আমি লুকাইনি।”  
“ওহ, নাটক বন্ধ করো!! তাড়াতাড়ি বলো, খাতাটা কোথায়?!”  
“ঠিক আছে, আমি সাহায্য করছি।”  
“না, আর কোনও সাহায্য চাই না। বেরিয়ে যাও।”  
“কিন্তু আমাকে সাহায্য করতে দাও, মা।”  
“না, বেরিয়ে যাও।”  
জুলি তার মেয়েকে সাহায্য করার চেষ্টা করলেও সে আর সুযোগ দিল না। সে মায়ের হাত ধরে তাকে আবার ঘর থেকে টেনে বের করে দিল।  
“বেরিয়ে যাও। আর আমার সামনে আসবে না।”  
এবং আজ দ্বিতীয়বারের মত দরজাটা জোরে জুলির মুখের ওপর বন্ধ করে দিল।  
জুলির চোখ কান্নায় ভরে উঠল। কী ভুল করেছিল সে? কেন তার মেয়ে তার সাথে এমন আচরণ করে? সে তো কেবল সাহায্য করতে চেয়েছিল। সে ঠোঁট কামড়ে কান্না আটকে রাখতে চেষ্টা করল, কিন্তু ব্যর্থ হল।
তীব্র কান্নায় ভেঙে পড়েছিল সে, যখন শুনতে পেল পদশব্দ ধীরে ধীরে তার দিকে আসছে, যেন কেউ খুব সাবধানে এগিয়ে আসছে, তাকে যেন জুলি ভয় না পায়। সে যতটা সম্ভব নীরবে কাঁদতে থাকল।  
ধীরে ধীরে সেই পদশব্দ আরও কাছে এসে থেমে গেল, একেবারে তার সামনে। কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে রইল সেই জায়গায়। জুলি জানে, কে এসেছে। তাই মুখ তুলে তাকাল না।  
তারপর সেই পদশব্দের মালিক তাকে গভীর মমতায় জড়িয়ে ধরল, এবং এই উষ্ণ আলিঙ্গনে সে আরও ভেঙে পড়ল।  
তার কান্না আরও প্রবল হয়ে উঠল, এবং সে সেই আলিঙ্গনে নিজেকে আরও হারিয়ে ফেলল।  
সেই পদশব্দের মালিক গভীর নিশ্বাস ছেড়ে মৃদুস্বরে বলল,  
&quot;মা, কেঁদো না, প্লিজ...&quot;
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
চলবে...
মা
নি:সঙ্গ সামুদ্রিক পাখি
©&#xfe0f; All rights reserved
সম্পূর্ণ পশ্চিমা প্রেক্ষাপটে লেখা এই গল্পটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক যদিও এমন সামাজিক গল্প লিখতে গেলে অনেকেই দাবি করেন এই ঘটনা আপনাদের জীবন থেকে নেয়া, কিন্তু বিষয়টি মোটেও এমন নয়। কাউকে কষ্ট দেয়া আমার উদ্দেশ্য নয়। আশা করছি গল্পটি  সবার ভালো লাগবে। গল্প সম্পর্কে যেকোন মন্তব্য কমেন্ট সেকশনে করুন। ধন্যবাদ সবাইকে।&#x2764;&#xfe0f;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/222311/</link>
				<pubDate>Wed, 30 Oct 2024 19:24:17 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মা<br />
~~~~~~~~~~~~~~<br />
পর্ব &#8211; ১<br />
বিপ…বিপ…বিপ…বিপ…বিপ…<br />
সকালটা শুরু হল ঘড়ির এলার্মের শব্দে।<br />
কম্বলের নিচে বড় একটা অবয়ব একটু নড়ল এবং বিরক্তিভরা স্বরে ফিসফিস করে বলল,<br />
“উফ… বন্ধ&#8230; কর।”<br />
সাথে সাথে কেউ একজন অ্যালার্ম বন্ধ করে দিল। সেটা ছিল জুলি।<br />
ভোর ৬টা বাজে। ভারী পর্দা সূর্যের আলো আটকে রেখেছে, তাই ঘরটি এখনও অন্ধকার। ছোট একটি ঘর, তবে সুন্দরভ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-222311"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/222311/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f1c46136075fb3f5ac9e3154f513d727</guid>
				<title>রায়হানা জাকিয়া (নিঃসঙ্গ অ্যালবাট্রস) changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/209311/</link>
				<pubDate>Tue, 13 Feb 2024 07:51:15 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c6d941a494710b274c170014ff89576b</guid>
				<title>স্মৃতি বৃক্ষের প্রতিটি পাতা ঝরে পড়তে শুরু করেছে। আকাশও আজ কষ্ট করে মুখে হাসি নিয়ে অনবরত অশ্রু ঝাড়াচ্ছে। এই ভূমি, হয়তো কোন একদিন আমায় ভুলে যাবে। হয়তো কিছুদিন পরে বাসার গেইটে বসে থাকা কুকুরগুলো প্রতিদিন এসে এসে আমায় খুঁজবে।
একটু খাবার পাওয়ার আশায় &#039;ঘেউ&#039; করে উঠবে, সাড়া না পেলে গেইটের সামনে বসেই কান্না করবে।
এর কিছুদিন পর, আবার বসন্ত আসবে। স্মৃতি বৃক্ষে নতুন-সতেজ পাতা, ফুল ফুটবে। গোধূলির লগ্নে হয়তো একটি অদ্ভুত সুন্দর রং ফুটে উঠবে। কিন্তু, এই ভূমি, আসলেই কী এই ভূমি আমায় ভুলে যাবে???</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/209310/</link>
				<pubDate>Tue, 13 Feb 2024 07:47:05 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>স্মৃতি বৃক্ষের প্রতিটি পাতা ঝরে পড়তে শুরু করেছে। আকাশও আজ কষ্ট করে মুখে হাসি নিয়ে অনবরত অশ্রু ঝাড়াচ্ছে। এই ভূমি, হয়তো কোন একদিন আমায় ভুলে যাবে। হয়তো কিছুদিন পরে বাসার গেইটে বসে থাকা কুকুরগুলো প্রতিদিন এসে এসে আমায় খুঁজবে।<br />
একটু খাবার পাওয়ার আশায় &#8216;ঘেউ&#8217; করে উঠবে, সাড়া না পেলে গেইটের সামনে বসেই কান্না করবে।<br />
এর কিছুদিন পর, আবার বসন্ত আসবে। স্মৃতি বৃ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-209310"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/209310/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4a9f23e806e5999f5ab41687c708708f</guid>
				<title>বাড়ি নম্বর ২০২
পর্ব-১
নাম আমার অরিত্রি। বাসা, সে কথা জেনে কী হবে? বরং বর্তমান ঠিকানা জিজ্ঞেস করুন, জবাবে  বলবো, আমি বনানী এলাকায় এক আবাসিক কলেজে ভর্তি হয়েছি। পড়াশোনার পাশাপাশি থাকা-খাওয়ার মোটামুটি ভালো ব্যবস্থা দেখেই ভর্তি হওয়া। তবে বিভিন্ন কলেজের &#039;Ragging System&#039; এর কাহিনি শুনে শুনে এমন অবস্থা হয়েছিল যে আমার মনে রীতিমতো এক আতংক ছিল আমার রুমমেট বা ফ্ল্যাটমেটরা না জানি কত অত্যাচারী হবে। যাইহোক, ভাগ্যগুণে ভালো ফ্ল্যাটমেট পেয়ে আমি তো খুশিতে আত্মহারা। আমরা মোট ৬জন মিলে একটি ফ্ল্যাটে উঠেছি। আমার রুমমেট, নাম তার উর্বশী, বেশ পড়ুয়া মেয়ে, আর সবসময় টেকনোলজি নিয়ে মেতে থাকে, এককথায় সে আস্ত একটা Nerd। তবে বেশ লক্ষ্মী মেয়ে। আমার পাশের রুমে থাকে ২জন সিনিয়র আপু, হৃদিতা ও অর্পিতা। তার পাশের রুমে থাকে আরও ২জন, জয়ী ও শশী, আমার ব্যাচমেট। এই ২জন একদম জলজ্যান্ত কার্টুন। এদের জল্পনা-কল্পনা থেকে শুরু করে স্বাভাবিক কথাবার্তাও শুনে হাসাহাসি না করে থাকতে পারবেন না। আর এদের এইসব বুদ্ধি শিখিয়ে দেন আমাদের ২জন শ্রদ্ধেয় বড় আপা। সব মিলিয়ে আমাদের মনোরঞ্জনের কোন শেষ নেই। আরও একটি জিনিস জেনে রাখা ভালো, আমার এই ফ্ল্যাটমেটদের সবাই খুব এডভেঞ্চারপ্রিয়। কিন্তু এতকিছু সত্ত্বেও পুরো হোস্টেলে আমাদের সুনাম রয়েছে। সকলের মুখে মুখে শোনা যায় আমাদের প্রশংসা, আর তারা আমাদের &#039;লক্ষ্মী মেয়েগুলো&#039; নামে আখ্যায়িত করেছেন। এ গেল আমাদের হোস্টেলের আলাপ। এখন আমাদের কিছু এডভেঞ্চারের অভিজ্ঞতা শুনাবো। 
প্রায় প্রতি সপ্তাহের একটি বিশেষ দিনে আমরা ফ্ল্যাটমেটরা আমাদের পড়াশোনা শেষ করে একসাথে বসি, এরপর ঘন্টার পর ঘন্টা চলে আড্ডা, চা-পার্টি, সিনেমা দেখা ইত্যাদি ইত্যাদি। এমনই এক রাত ছিল সেদিন। সময়টা ঠিক মনে নেই, রাত দুইটা-আড়াইটা হবে হয়তো। আমরা ৬জন আমার রুমে বসে &#039;দ্য রিং&#039; নামক একটি সিনেমা দেখছিলাম, হলিউডের রহস্য-ভৌতিক একটি ঘটনার অবলম্বনে তৈরি করা। সিনেমা দেখার জন্য ভৌতিক একটি পরিবেশ তৈরি বিষয়টি আবশ্যক। আর এজন্যই আমরা রুমের সব দরজা-জানালা লাগিয়ে, পর্দা টেনে দিয়ে, সব লাইট-ফ্যান বন্ধ করে সিনেমা দেখতে বসেছি। সিনেমা দেখা শেষে আমরা আবার আড্ডা দেওয়া শুরু করলাম। আমি সচরাচর চুপচাপ হয়ে বসে থাকি, কথা তেমন একটা বলতে পছন্দ করি না। বরং অন্যের কথা শুনতেই বেশি পছন্দ করি। সেদিন কী মনে হয়েছিল কে জানে? আমি বললাম,  &quot;আজ তোমাদেরকে একটি গল্প শোনাবো।&quot; -এ বলে আমি আমার বিছানা ছেড়ে উঠে গিয়ে জানালার পর্দা সরিয়ে জানালা খুলে দিলাম। আর সাথে সাথে ডিসেম্বরের হিমশীতল হাওয়া এসে রুমে ঢুকল। জানালার ধারে আমার পড়ার টেবিলে একটি তুলসীগাছ এর টব রাখা ছিল, ঠান্ডা বাতাস রুমে এসে তুলসীগাছের ঘ্রাণ ছড়িয়ে দিল। পুরো রুম এখন  তুলসীগাছের ঘ্রাণে ম-ম করছে। আমি দীর্ঘ একটি শ্বাস নিয়ে আবার ছেড়ে দিলাম। এরপর পেছন ফিরে চেয়ে  দেখি সবাই আমার গল্প শোনার জন্য প্রস্তুত হয়ে বসে আছে। আমি আবার এসে বিছানায় উঠে বসলাম। জানালার দিকে মুখ করে এরপর বলতে শুরু করলাম, 
&quot;ধরো, আমরা যে এলাকায় আছি, এই এলাকার-ই কোন এক বিল্ডিং এর ছাদ থেকে ঠিক বিল্ডিং বরাবর নিচের দিকে একজন মধ্যবয়ষ্ক লোক পড়ে গেল। কিছুক্ষণের মধ্যে লোকজন জড়ো হল। একটু পরে পুলিশ...&quot;
বলতে গিয়ে হঠাৎ আমার কথা আটকে গেল। আমি জানালা দিয়ে দেখলাম আমাদের হোস্টেল বিল্ডিংয়ের ঠিক সামনে যে বিল্ডিংটি আছে, তার ছাদ থেকে কিছু একটা হুট করে পড়ে গেল। নিচে পড়তেই জোরে শব্দ হল। হয়তো দিনের বেলা হলে শব্দ এতটাও জোরালো হত না। গভীর রাতে, তাও আবার গল্প শোনাবো বলে পরিবেশ একদম নিঃস্তব্ধ ছিল। হয়তো সেজন্যে এত জোরে শব্দ শোনা গেছে। রুমের নিরবতা ভেঙ্গে যাওয়ায় আমার ফ্ল্যাটমেটরা বলে উঠল, &quot;হঠাৎ কী হল?&quot; -বলে উঠে গিয়ে জানালার ধারে দাঁড়ালো। ওরা কী কী যেন বলছে। কোন কথাই আমার কানে ঢুকছে না। আমি ওদের পেছনে গিয়ে জানালার ধারে দাঁড়ালাম। আর দেখলাম আমাদের সামনের বিল্ডিংয়ের সামনে যে ব্যাডমিন্টন খেলার কোর্ট আছে, সে কোর্টের এক কোণায় পড়ে রয়েছে একজনের উপুড় হয়ে থাকা নিথর শরীর। আর তার লাল রক্তের স্রোতে ভেসে যাচ্ছে ব্যাডমিন্টন কোর্ট। 
অনুভব করলাম মেরুদণ্ড বেয়ে একটি ঠান্ডা শিহরণ বয়ে গেল। সবাই ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে আমার দিকে তাকিয়ে ছিল। যে দৃশ্য আমাদের সামনে রয়েছে, তা এখন আমার ফ্ল্যাটমেটদের মনে সৃষ্টি করছে ভয়, আতংক ও অবিশ্বাস ; আমার প্রতি। নিচে একটি লাশ পড়ে রয়েছে, আর সবকিছু হয়েছে একদম আমার শোনানো গল্পের মতো।
[চলবে...]
বাড়ি নম্বর ২০২
নিঃসঙ্গ সামুদ্রিক পাখি 
©&#xfe0f;All Rights Reserved
এটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক একটি গল্প। তাই কারো জীবনের  সাথে মিল পাওয়া একটি কাকতালীয় বিষয় ছাড়া আর কিছুই নয়।
গল্পটি ভালো লেগে থাকলে অবশ্যই লাইক, রিয়েক্ট দিন এবং গল্প প্রসঙ্গে যেকোনো মন্তব্য নিচে comment section এ করুন।
ধন্যবাদ সকলকে।&#x2764;&#xfe0f;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/207803/</link>
				<pubDate>Tue, 05 Dec 2023 17:47:06 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বাড়ি নম্বর ২০২<br />
পর্ব-১<br />
নাম আমার অরিত্রি। বাসা, সে কথা জেনে কী হবে? বরং বর্তমান ঠিকানা জিজ্ঞেস করুন, জবাবে  বলবো, আমি বনানী এলাকায় এক আবাসিক কলেজে ভর্তি হয়েছি। পড়াশোনার পাশাপাশি থাকা-খাওয়ার মোটামুটি ভালো ব্যবস্থা দেখেই ভর্তি হওয়া। তবে বিভিন্ন কলেজের &#8216;Ragging System&#8217; এর কাহিনি শুনে শুনে এমন অবস্থা হয়েছিল যে আমার মনে রীতিমতো এক আতংক ছিল&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-207803"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/207803/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d74225010d052821f85c73875cb8dcd2</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/207237/</link>
				<pubDate>Fri, 17 Nov 2023 19:51:22 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">611e483a17a0818aa51c5c3a20706dea</guid>
				<title>রায়হানা জাকিয়া (নিঃসঙ্গ অ্যালবাট্রস) changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/207235/</link>
				<pubDate>Fri, 17 Nov 2023 19:48:08 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5938dd74d2b94ea15f0b8b3ed793019e</guid>
				<title>এ কেমন প্রেম? 
 
জীবনের শেষ ক&#039;টি দিনে 
মনে পড়ছে আমার প্রথম প্রেমের কথা। 
এ কেমন প্রেম? 
প্রথম সাক্ষাতেই- অন্তরে গেঁথেছিলাম,
কত স্বপ্ন, কত কল্পনা ;
তুষার-শুভ্র জলে ভাসিয়ে দিয়েছিলাম-
তোমার উদ্দেশ্যে লেখা ; নীল পদ্মপাতার চিঠি।
সে যে আমার প্রথম প্রেম। 
বহুদিন কেটে গেল,
যুগ-যুগান্তর পেরিয়ে গেল,
আজও ঠিকই পড়ে মনে-
প্রথম মিলনের স্মৃতি,
যেন তা চিরস্থায়ী রঙে রাঙা আল্পনা।
আজও পড়ে মনে -
দুজনে ধূসর মেঘের ভেলায় চড়ে গিয়েছিলাম;
রক্তিম সূর্যের নিকটে, গোধূলির লগ্নে। 

(অসমাপ্ত)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/207005/</link>
				<pubDate>Sun, 12 Nov 2023 08:38:42 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>এ কেমন প্রেম? </p>
<p>জীবনের শেষ ক&#8217;টি দিনে<br />
মনে পড়ছে আমার প্রথম প্রেমের কথা।<br />
এ কেমন প্রেম?<br />
প্রথম সাক্ষাতেই- অন্তরে গেঁথেছিলাম,<br />
কত স্বপ্ন, কত কল্পনা ;<br />
তুষার-শুভ্র জলে ভাসিয়ে দিয়েছিলাম-<br />
তোমার উদ্দেশ্যে লেখা ; নীল পদ্মপাতার চিঠি।<br />
সে যে আমার প্রথম প্রেম।<br />
বহুদিন কেটে গেল,<br />
যুগ-যুগান্তর পেরিয়ে গেল,<br />
আজও ঠিকই পড়ে মনে-<br />
প্রথম মিলনের স্মৃতি,<br />
যেন ত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-207005"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/207005/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5e45800a1a708cbd8397a91a41e4b1d7</guid>
				<title>হিমছড়ির যে পাহাড়টি সবচেয়ে উঁচু, যেখানে দাঁড়িয়ে আকাশের রঙবেরঙ এর খেলা দেখা যাবে, যেখানে দাঁড়িয়ে থেকে জলপ্রপাত দেখা যাবে, যতদূর চোখ যায় শুধু সবুজ গাছপালা দেখা যাবে , যেখানে দাঁড়িয়ে থেকে সমুদ্রের গর্জন শোনা যাবে, যেখানে দাঁড়িয়ে থেকে ভরা পূর্ণিমার রাতে জোছনার আলোয় সমুদ্রের কালো ঢেউ চিকচিক করতে দেখা যাবে, যেখানে শীতের সকালে কুয়াশার চাদরে জড়ানো প্রকৃতি দেখা যাবে, যেখানে সূর্যোদয়ের সময় সূর্যের  সরু আলোকরশ্মিগুলোকে কুয়াশার চাদর ভেদ করে বেরিয়ে আসতে দেখা যাবে, এমন এক জায়গায় আমি ছোট একটি বাংলো বাড়ি বানাবো। সেই বাড়ির বারান্দায় পাখিরা এসে গান করবে, আমি সেই গান কান পেতে শুনবো। আমার বাড়ির চারপাশে রাধাচূড়া  , কৃষ্ণচূড়া,  শিমুল, শিউলি ফুলের গাছ থাকবে । আর আমার বাড়ির উঠোনে সেইসব গাছের পাতা ও ফুলের পাপড়ি পড়ে থাকবে । কখনও বা বর্ষার মৌসুমে বারান্দায় বসে চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে বৃষ্টি উপভোগ করব। কখনও বা বসন্তের মৌসুমে কৃষ্ণচূড়া গাছের নিচে বসে বই পড়ব। কখনও বা ভোরে, কখনও বা বিকেলে হাটতে বের হয়ে যতদূর মন চায়, শুধু হাটতেই থাকবো, আর মনে মনে ভাববো
          
         &quot;এই পথ বুঝি  আর শেষ না হয় 
                                                তবে কেমন হয় ?&quot;

কিন্তু আদৌ কি এমন কোনো জায়গা আমি খুঁজে পাবো???</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/169845/</link>
				<pubDate>Mon, 31 Oct 2022 06:46:02 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>হিমছড়ির যে পাহাড়টি সবচেয়ে উঁচু, যেখানে দাঁড়িয়ে আকাশের রঙবেরঙ এর খেলা দেখা যাবে, যেখানে দাঁড়িয়ে থেকে জলপ্রপাত দেখা যাবে, যতদূর চোখ যায় শুধু সবুজ গাছপালা দেখা যাবে , যেখানে দাঁড়িয়ে থেকে সমুদ্রের গর্জন শোনা যাবে, যেখানে দাঁড়িয়ে থেকে ভরা পূর্ণিমার রাতে জোছনার আলোয় সমুদ্রের কালো ঢেউ চিকচিক করতে দেখা যাবে, যেখানে শীতের সকালে কুয়াশার চাদরে জড়ানো প&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-169845"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/169845/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>