<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Azaha Sultan | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/azahasultan/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/azahasultan/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Azaha Sultan.</description>
	<lastBuildDate>Wed, 21 Oct 2026 05:40:46 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">1ab83ed255fae7a4d689dbe376438ccc</guid>
				<title>মৃত্যুদণ্ড 

তোমার ক্ষমা নেই—
না, কোনো ক্ষমা নেই
তোমাকে মরতেই হবে 
তুমি দেশদ্রোহী! 

তোমাকে ক্ষমা করলে 
আঠারো কোটি মানুষের প্রতি 
করা হবে চরম অবিচার 
তোমাকে মরতেই হবে! 

ফায়ারিং স্কোয়াডে 
কিংবা প্রকাশ্যে ফাঁসির মঞ্চে— 
ঐ ক্রান্তির ময়দানে 
নয়তো এ নগরের ল্যাম্পপোস্টে ঝুলিয়ে—
তোমাকে মরতেই হবে! 

এই দেশকে তোমরা 
জাহান্নামের জ্বলন্ত কুণ্ডে ঠেলে দিয়েছ 
সেই লেলিহান অগ্নিকাণ্ডের পথপ্রদর্শক তুমি—
হ্যাঁ, তুমি ও তোমরা 
বেইমানকে মাফ করা বোকামি—
তোমাকে মরতেই হবে! 
১৫/১০/২০২৬—মানামা, আমিরাত
--আযাহা সুলতান</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/285528/</link>
				<pubDate>Sat, 17 Oct 2026 11:03:50 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মৃত্যুদণ্ড </p>
<p>তোমার ক্ষমা নেই—<br />
না, কোনো ক্ষমা নেই<br />
তোমাকে মরতেই হবে<br />
তুমি দেশদ্রোহী! </p>
<p>তোমাকে ক্ষমা করলে<br />
আঠারো কোটি মানুষের প্রতি<br />
করা হবে চরম অবিচার<br />
তোমাকে মরতেই হবে! </p>
<p>ফায়ারিং স্কোয়াডে<br />
কিংবা প্রকাশ্যে ফাঁসির মঞ্চে—<br />
ঐ ক্রান্তির ময়দানে<br />
নয়তো এ নগরের ল্যাম্পপোস্টে ঝুলিয়ে—<br />
তোমাকে মরতেই হবে! </p>
<p>এই দেশকে তোমরা<br />
জাহান্নামের জ্বলন্ত কুণ্ডে ঠেলে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-285528"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/285528/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ab9267925e59be964b18a4cf512a18a6</guid>
				<title>পুনর্জন্ম 

হাজার বছর পরে 

হয়তো আবার দেখা পাবে আমার 
এ করুণার বাসভূমে হয়তো আর আসব না ফিরে 
এ বাংলার লোকালয় তখন হয়তো রবে না 
রবে না হয়তো এদেশের কোনো চিহ্নপ্রতীক 

রবে না 

রবে না হয়তো জাতিভেদের কোনো ভেদাভেদ 
রবে না রবে না হয়তো মানুষে মানুষে বিবেদ-বিদ্বেষ 
রবে না মৃত্তিকায় কেউ রবে না অট্টালিকার আত্মগরিমায় 
ধনীগরিব উঁচুনিচু আর্য-অনার্য প্রভেদ ভুলে মনুষ্যজাতি হবে এক 

তখন? 

তখন হয়তো পৃথিবীর আরেক দেশে জন্ম হবে আমার অন্যরূপে 
তুমি হবে আরেক—হয়তো রবে দূরে—কিবা—তবু হৃদয়ের কাছে 
তোমার আঙিনার হলুদবনের গুলঞ্চলতার ফুলটিরে ভালোবাসবে তুমি 
হয়তো সে আমি, অনুভবে সকল অনুভূতি করবে বন্ধু স্মরণ—

তখন 

খেয়াল করো ওই পথের ধারে কলমিডাটায় বসে আছে যে-ফড়িং 
তোমার বাড়ির উঠোনে শজনেগাছে বসে আছে যে-হলুদ পাখিটি 
কিবা বসে আছে পেয়ারাডালে—বারবার উঁকি দিচ্ছে ওই ঘুলঘুলিতে 
অথবা তোমার চলার পথে দ্রোণফুল হয়ে জড়িয়ে আছে পায়ে 

টের পাবে না তুমি 

যে-ভালোবাসার সমাধি হতে চলে যাচ্ছি আজ প্রেমহীন গহিনারণ্যে 
জেনে রেখো প্রিয়, সেখানে হবে হয়তো আমার বেদনার কবর—
এই যে এ বিদায়ের পল, এই যে এ অপূর্ণ ভালোবাসাবিকল 
যদি কখনো পূর্ণ হয়—হতে পারে—হবে তবে ওই ধরাধামে 

অথবা না হোক কবে 

এ জগজ্জড়তার ছত্রছায়ায় চাই না একবিন্দু ঠাঁই 
চাই না নির্দয়ের কাছে করুণার কড়িমাত্র পাথেয় 
চাই না বিরূপ এ চরাচরে মানবরূপে জন্ম নিই আবার 
ধর্মান্ধতার জাঁতিকলে বলির মৃগ হতে চাই না পুন 

বন্ধু তবে 

আমায় যদি মনে পড়ে কবে—দেখো ওই নক্ষত্রের প্রাঙ্গণে 
জোনাকির আলোর মতো জ্বলছে মিটিমিটি—দলেদলে করছে নর্তন 
হয়তো সেখানে আমি একজন ভালোবাসার মশাল জ্বেলে 
প্রিয়তমের প্রতীক্ষায় বসে আছি আহ্লাদে শুধু আহ্লাদের ঘরে 

মনে রেখো 

সেদিন ফুটবে না আর কোনো বেদনার নীলোৎপল 
আসবে না আর কোনো বিদায়ব্যথার করুণমুহূর্ত 
যেতে হবে না দূরে—অনেক দূরে প্রিয়জন ছাড়ি 
আজ যেতে বাধ্য—নেই কোনো উপায়—কোনো সামর্থ্য 

বন্ধু যাই 

অপরাধী আমি নই—তবে ভাবো যদি অপরাধী 
মানি বিধিলিখন, ধন্য তবে ধিক্কারের বাণী যদি পাই 
আবার জন্ম যদি সত্যি হয় চাই না এ হিংস্রজীবন 
পুনর্জন্মে যদি আসি মাছরাঙা হয়ে ওই নদীটির কিনারে 

ধন্য সেই জনম

—আযাহা সুলতান</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/284021/</link>
				<pubDate>Sat, 10 Oct 2026 11:13:59 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>পুনর্জন্ম </p>
<p>হাজার বছর পরে </p>
<p>হয়তো আবার দেখা পাবে আমার<br />
এ করুণার বাসভূমে হয়তো আর আসব না ফিরে<br />
এ বাংলার লোকালয় তখন হয়তো রবে না<br />
রবে না হয়তো এদেশের কোনো চিহ্নপ্রতীক </p>
<p>রবে না </p>
<p>রবে না হয়তো জাতিভেদের কোনো ভেদাভেদ<br />
রবে না রবে না হয়তো মানুষে মানুষে বিবেদ-বিদ্বেষ<br />
রবে না মৃত্তিকায় কেউ রবে না অট্টালিকার আত্মগরিমায়<br />
ধনীগরিব উঁচুনিচু আর্য-অনার্য&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-284021"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/284021/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>12</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">14081ead9dda193e952de7a6e1d912e4</guid>
				<title>বন্ধুত্ব ও স্বার্থপরতা 

বন্ধুত্বের মধ্যে স্বার্থপরতা থাকতে নেই 
স্বার্থপর কারও বন্ধু হওয়ার যোগ্য নয় 
স্বার্থপর কারও উপকারও করবে না 
সে সবখানে স্বার্থ খুঁজবে—সম্পর্ক তার কাছে গৌণ 
ভাই হোক বন্ধু এমন লোক থেকে দূরত্ব ভালো 

শোনো, বন্ধুত্ব এমন এক জিনিস 

যে তার মর্ম বুঝে তার কাছে সেটা ইমান—
বন্ধুত্বের জন্যে সে জান দিতেও পারে—আলবত নিতেও পারে 
স্বার্থপর বন্ধুত্বের মর্ম কী বুঝে? ইমানও কী বুঝে? 
স্বার্থপরের কাছে সম্পর্ক মূল্যহীন—
স্বার্থের জন্যে সে খুন করতে পারে প্রেমিকেরও</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/281809/</link>
				<pubDate>Sun, 04 Oct 2026 10:33:48 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বন্ধুত্ব ও স্বার্থপরতা </p>
<p>বন্ধুত্বের মধ্যে স্বার্থপরতা থাকতে নেই<br />
স্বার্থপর কারও বন্ধু হওয়ার যোগ্য নয়<br />
স্বার্থপর কারও উপকারও করবে না<br />
সে সবখানে স্বার্থ খুঁজবে—সম্পর্ক তার কাছে গৌণ<br />
ভাই হোক বন্ধু এমন লোক থেকে দূরত্ব ভালো </p>
<p>শোনো, বন্ধুত্ব এমন এক জিনিস </p>
<p>যে তার মর্ম বুঝে তার কাছে সেটা ইমান—<br />
বন্ধুত্বের জন্যে সে জান দিতেও পারে—আলবত নিতেও প&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-281809"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/281809/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fd2743cf342c8365e8cb6657929980db</guid>
				<title>সমাধিলিপি 

এই জীবনের শেষে আমাকে তুমি দেখতে পাবে না আর 
এখানে গুলঞ্চলতা আর ঘাসে শুয়ে থাকব আমি চিরকাল 
মিশে থাকব পৃথিবীর রূপরঙে—দেখব পথিকের হাঁটাচলা 
শুনব কোলাহল তোমাদের—এপথে আমিও হেঁটেছি তবে 

আমাকে দেখতে পাবে না আর কোনো আসরে—আড্ডাতে
দাঁড়াও বন্ধু এই সমাধিস্থলে একবার—জন্ম তোমার বাংলায়? 
আমিও এমাটির সন্তান—পৃথিবীর একজন—তোমাদের মতন
আমারও স্বপ্ন ছিল—ফিরে আসতে হয় সবকিছু অপূর্ণ রেখে 
৩০/৯/২০২৬—মানামা, আমিরাত</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/280512/</link>
				<pubDate>Wed, 30 Sep 2026 12:48:12 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সমাধিলিপি </p>
<p>এই জীবনের শেষে আমাকে তুমি দেখতে পাবে না আর<br />
এখানে গুলঞ্চলতা আর ঘাসে শুয়ে থাকব আমি চিরকাল<br />
মিশে থাকব পৃথিবীর রূপরঙে—দেখব পথিকের হাঁটাচলা<br />
শুনব কোলাহল তোমাদের—এপথে আমিও হেঁটেছি তবে </p>
<p>আমাকে দেখতে পাবে না আর কোনো আসরে—আড্ডাতে<br />
দাঁড়াও বন্ধু এই সমাধিস্থলে একবার—জন্ম তোমার বাংলায়?<br />
আমিও এমাটির সন্তান—পৃথিবীর একজন—তোমাদের মতন<br />
আমারও স্বপ্ন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-280512"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/280512/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b42218d59d0c8e1a006034b7e9874fa9</guid>
				<title>গান—শঙ্খবীণা

কোন দেশে জন্মেছি আমি? একি আমার স্বাধীন জন্মভূমি? 
হায় হায় আমি জন্মেছি কোথায়! 
এরচেয়ে তো ভালো বলা যায়—আফ্রিকা—সাহারা মরুভূমি? 
কোন দেশে জন্মেছি আমি? একি আমার স্বাধীন জন্মভূমি?।

নাই নাই—আমার ঘরে শান্তি নাই—দেশে শান্তি নাই—বলব কী? 
মরণ মারনের খেলা চলছে সারাবেলা! 
নিরাপদ নেই শিশু—নিরাপদ নেই নারী—না কিশোর-কিশোরী?
কোন দেশে জন্মেছি আমি? একি আমার স্বাধীন জন্মভূমি?। 

চুরিডাকাতি লুঠপাট রাহাজানি বলাৎকার ধর্ষণ খুনোখুনি! 
দেশটা রাক্ষুসে ভরে গেছে অমানুষে! 
মৃত্যুনগরীর আমি নাগরিক—আমার দেশ হায়েনায় জিম্মি!
কোন দেশে জন্মেছি আমি? একি আমার স্বাধীন জন্মভূমি?। 
২৪/৯/২০২৬—মানামা, আমিরাত</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/278946/</link>
				<pubDate>Sat, 26 Sep 2026 14:39:06 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গান—শঙ্খবীণা</p>
<p>কোন দেশে জন্মেছি আমি? একি আমার স্বাধীন জন্মভূমি?<br />
হায় হায় আমি জন্মেছি কোথায়!<br />
এরচেয়ে তো ভালো বলা যায়—আফ্রিকা—সাহারা মরুভূমি?<br />
কোন দেশে জন্মেছি আমি? একি আমার স্বাধীন জন্মভূমি?।</p>
<p>নাই নাই—আমার ঘরে শান্তি নাই—দেশে শান্তি নাই—বলব কী?<br />
মরণ মারনের খেলা চলছে সারাবেলা!<br />
নিরাপদ নেই শিশু—নিরাপদ নেই নারী—না কিশোর-কিশোরী?<br />
কোন দেশে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-278946"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/278946/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ec04c8e42d640f42b61216112b6e4141</guid>
				<title>প্রশ্ন থেকেই সৃষ্টি 

বিজ্ঞান যেভাবে এগোচ্ছে ধর্ম কি একদিন বিলীন হবে? 
তাকে প্রশ্ন করতে দাও—তার প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করো—
প্রশ্ন থেকেই সৃষ্টি—অন্ধের লাঠিতে থাকে না চোখ 
চোখ থাকতে লাঠি দিয়ে পথ হাতিড়িও না 

জ্ঞান কী? আত্মোপলব্ধি—সবার কাছে আছে? 
ধর্ম হোক বিজ্ঞান অন্ধের মতো বিশ্বাস করো না কারে—কাউকে 
বিবেকের বিচারাসনে বসে বিবেকের আওয়াজ শোনো
শুনতে পেলে তুমি বিবেকবান—বিবেক তোমার জাগ্রত 

বিশ্বজাহান কীভাবে সৃষ্টি হলো? 
এমনি এমনি? বিকট শব্দে? তুমি শুনেছ? দেখেছ? জানলে কীভাবে? 
আজকের সত্য কালকে তো মিথ্যাও হতে পারে? পারে না? 
গবেষণাগার দুনিয়ার—গবেষকও মানুষ—মানুষের ভুল অনিবার্য 

এই ছায়াপথের যত দূরত্ব—তারকা-গ্রহ
কোটি বছরে অতিক্রম করা যাবে আলোকবর্ষের কোনো নক্ষত্র? 
অঙ্কের দপ্তর—যন্ত্রের পরীক্ষা—দুটোতেই থাকবে ভুল 
কাঁপা হাতে মাপা যায় না তরলপদার্থ 

তুমি বলছ ঈশ্বর নেই? ও বলছে আছে? যুক্তি? 
দুজনের কেউই প্রমাণ দিতে পারবে না—ঈশ্বর আছে কি নেই 
তবে? দুটোই ভিত্তিহীন—অমূলক বিতর্ক—আত্মা কী বলে শোনো—জ্ঞান খাটাও—
এটাই আসল—যার কর্তব্য যেটা সততায় পালন করো—অন্ধের বিশ্বাস থেকে সরে 
৮/৯/২০২৬—মানামা, আমিরাত 

—আযাহা সুলতান</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/277546/</link>
				<pubDate>Wed, 23 Sep 2026 11:07:34 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রশ্ন থেকেই সৃষ্টি </p>
<p>বিজ্ঞান যেভাবে এগোচ্ছে ধর্ম কি একদিন বিলীন হবে?<br />
তাকে প্রশ্ন করতে দাও—তার প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করো—<br />
প্রশ্ন থেকেই সৃষ্টি—অন্ধের লাঠিতে থাকে না চোখ<br />
চোখ থাকতে লাঠি দিয়ে পথ হাতিড়িও না </p>
<p>জ্ঞান কী? আত্মোপলব্ধি—সবার কাছে আছে?<br />
ধর্ম হোক বিজ্ঞান অন্ধের মতো বিশ্বাস করো না কারে—কাউকে<br />
বিবেকের বিচারাসনে বসে বি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-277546"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/277546/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6c85ecd7d5944797edf2bbce1387ae54</guid>
				<title>ঈশ্বরের জবাব 

“তুমি আছ ঈশ্বর? কোথায়? শুনতে কি পাও আমার ডাক? নাকি নেই?” 

“তোমার অন্তর কী বলে? চারি পাশের দর্শন কী বলে? জ্ঞান কী বলে? 
ধ্যান করেছিলে কখনো? মনের মনে ডুব দিয়েছিলে? বাতাস দেখেছ কি? 
আকাশের দিকে তাকাও—আবার তাকাও—খুঁত দেখতে পাও? 
জমিনে দেখো, খালের পাড়—পাহাড়পর্বত—ক্ষুদ্র নদীনালা হতে সমুদ্র—দেখেছ? 
আসমান-জমিনে কোথাও বিশৃঙ্খলা দেখতে পাও? 
আমি না থাকলে এসব শৃঙ্খলাবদ্ধ কীভাবে? তুমি কোত্থেকে এলে? কেন এলে? 
তোমার এই এত সুন্দর—এত সুশ্রী অবয়ব অন্যকোনো জীবে আছে? 
ভাবো, দেখো—দেহের গঠন যদিওবা এক—
আমি সুশ্রী বলে মানবজাতি সুন্দর 
কীটপোকার দিকে তাকাও—বিশ্রী ও ভয়ংকর জন্তুটিকে দেখো 
পরিবর্তনের ফলে তুমি কি হতে পারতে না ওসব বিশ্রী কীটপতঙ্গ? জীবজন্তু?” 

“তারা বলে—কোটি কোটি বছর ধরে বিবর্তনে আজকের রূপান্তর!” 

“কাঁচ ভেঙে কোটি বছরে জোড়া লাগে? বিশ্ব যে একটি নিয়মের ধারায় চলছে 
তারা এই জ্ঞান পেল কীভাবে? কে দিয়েছে তাদের এই চিন্তাশক্তি? 
তারা কীসে গবেষণা করে? আমার কিতাব পড়েনি? মানে না? বিশ্বাস করে না? 
নবিগণ কেমন? নবিরাসুলদেরকে তাদের পূর্বপুরুষেরা দেখেনি? মেলামিশা করেনি? 
জিব্রাইল কে? নবিরা তো তাকে দেখেছে? কী? দেখেনি? কথোপকথন হয়নি তাদের? 
বিবর্তনের ফলে তারা যা মানবরূপান্তর ধারণা করছে সেটা তাদের অলীক কল্পনা 
এদের কিছু সংখ্যক বিলুপ্ত হলেও বেশিরভাগ এখনো বিদ্যমান—চারি দিকে চোখ ঘুরিয়ে দেখো 
বীজ খুবই ক্ষুদ্র—যখন প্রকাণ্ড মহীরুহরূপ ধারণ করে তখন বীজের নিশানা থাকে? থাকে না 
কোথায় খুঁজে পাবে তুমি এই গাছটি যে ক্ষুদ্র একটা বীজ ছিল? 
বীজের প্রমাণ না পেলে বলবে—এটা এমনি এমনি হয়ে গেল? 
বিন্দু থেকে সিন্ধু করনেওয়ালা আমি—প্রকৃতি না...” 

“তা হলে দুঃখ কেন চিরস্থায়ী? সুখ কেন ক্ষণস্থায়ী? শান্তি কী? কীভাবে মিলে?” 

“তোমার দুঃখ আছে? সুখ কি একটুও পাওনি জীবনে? 
শান্তি কী তুমি বলো? কীভাবে মিলতে পারে তোমাকে তো জ্ঞান দেওয়া হয়েছে—চিন্তা করো 
সুখদুঃখ, রোগশোক, শান্তি-অশান্তি, অভাব-অনটন না থাকলে তুমিও কি মানতে আমি আছি? 
শান্তি বলে দুনিয়াতে ভোগের কোনো পণ্য নেই 
এটা জন্নাতেরই অংশ—কিছুটা দুনিয়াতে মিলে 
হাঁ, সুখদুঃখ ও রোগশোক দুনিয়ারই বস্তুবিশেষ 
তোমরা জান্নাতি হও শান্তি অনুভব করতে পারবে 
আমি আছি বললে তোমারই লাভ, আমি নেই বললে আমার কোনো ক্ষতি নেই 
তোমাকে চক্ষু, নাককান, কণ্ঠ, অন্তর দেওয়া হয়েছে, জ্ঞান ও বুদ্ধিবিবেক দেওয়া হয়েছে 
তুমি চিন্তা করে দেখো—এখানে তুমি চিরস্থায়ী কি না? হতে পারবে? 
তোমাকে মাথাখাটানোর দক্ষতা দেওয়া হয়েছে বলে নিজেকে ভেবো না তুমি প্রকাণ্ড...” 

“এই যে দেশে দেশে যুদ্ধ চলছে—
এত নরনারী, শিশু, বৃদ্ধবৃদ্ধা—নিরীহ মানুষজন মরছে—মারা যাচ্ছে 
তুমি কি তাদের প্রতি একটুও সদয় হবে না? 
তুমি চাইলে তো সবকিছু মুহূর্তের মধ্যেই রুখে দিতে পারো? 
অন্যায়কারী ও জুলুমবাজকে ধ্বংস করে দিতে পারো? পারো কি না?” 

“আমার জন্যে কিছুই অসম্ভব না—সুযোগ দেওয়া আমার নীতি—ছেড়ে দেওয়া না 
আমার কোনো ধর্ম নেই—তুমি ভালো করলে সেটা তোমার ধর্ম—আমার কাছে গ্রহণযোগ্য
আমি গুটিয়ে নেব একদিন সব আমার মুঠে 
মানুষের কল্যাণে আমি সৃষ্টি করেছি সব—মানুষকে ভালোবেসেছি বলে 
মানুষ ক্ষণকালের জীবন পেয়ে আমাকেই অস্বীকার করলে—নিজেকে ভেবে নিলে স্বয়ম্ভু 
তোমরা মনে করছ আমি কোথাও নেই? এমনি এমনি হয়ে যাচ্ছে সব? 
যুদ্ধক্ষেত্রে আমি নেই? ধ্বংসের লীলাভূমিতে আমি নেই? 
আমি সঙ্গ দিই জুলুমবাজের? 
নীরব থাকি অন্যায় দেখে? বিচার করি নিরীহের? 
তোমরা কি মনে করো আমি নাইনসাফি করি সবখানে? মোটেই না—
কামড় তো একটা পিঁপড়ায় দেয়...মানুষের কর্মদোষেই মানুষকে আমি ত্যাগ করি...” 
—আযাহা সুলতান</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/273222/</link>
				<pubDate>Sat, 12 Sep 2026 11:45:29 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ঈশ্বরের জবাব </p>
<p>“তুমি আছ ঈশ্বর? কোথায়? শুনতে কি পাও আমার ডাক? নাকি নেই?” </p>
<p>“তোমার অন্তর কী বলে? চারি পাশের দর্শন কী বলে? জ্ঞান কী বলে?<br />
ধ্যান করেছিলে কখনো? মনের মনে ডুব দিয়েছিলে? বাতাস দেখেছ কি?<br />
আকাশের দিকে তাকাও—আবার তাকাও—খুঁত দেখতে পাও?<br />
জমিনে দেখো, খালের পাড়—পাহাড়পর্বত—ক্ষুদ্র নদীনালা হতে সমুদ্র—দেখেছ?<br />
আসমান-জমিনে কোথাও বিশৃঙ্খলা দেখতে পাও&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-273222"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/273222/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>12</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c36a0cacef5f675645d088484193125a</guid>
				<title>সম্ভাবনা 

দুনিয়ার রূপ এভাবে বদলাতে বদলাতে 
দুনিয়া হয়তো একদিন বিরূপে রূপান্তর হবে 

ভাবছি 

আজ থেকে কিবা এক-দুই হাজার বছর পরে 
কী হবে দুনিয়ায় কে জানে—ভাবনায় মিলছে না ফল  

হয়তো 

কত কী সৃষ্টি হবে কল্পনার অতীত 
সৃষ্টি হবে মহাবিশ্বের মহারহস্য হয়তো 
স্বর্গশান্তির লোকালয় হবে আরেক গ্রহ 
সদানন্দের অদ্ভুত অদ্ভুত উদ্ভাবনে 

সম্ভব 

হাতটেনে চন্দ্র ছুঁবে পৃথিবীর মানুষ 
মঙ্গল হবে হয়তো একদিন মধুচন্দ্রিমানগর 

কিংবা 

কোনো সংঘাতে ধ্বংসের পথে দুনিয়া 
নিশ্চিহ্ন হতে চলেছে কোনো গ্রহবিপাকে 
১১/৩/২০১৬—মানামা, আমিরাত 
--আযাহা সুলতান</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/268486/</link>
				<pubDate>Tue, 01 Sep 2026 20:50:48 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সম্ভাবনা </p>
<p>দুনিয়ার রূপ এভাবে বদলাতে বদলাতে<br />
দুনিয়া হয়তো একদিন বিরূপে রূপান্তর হবে </p>
<p>ভাবছি </p>
<p>আজ থেকে কিবা এক-দুই হাজার বছর পরে<br />
কী হবে দুনিয়ায় কে জানে—ভাবনায় মিলছে না ফল  </p>
<p>হয়তো </p>
<p>কত কী সৃষ্টি হবে কল্পনার অতীত<br />
সৃষ্টি হবে মহাবিশ্বের মহারহস্য হয়তো<br />
স্বর্গশান্তির লোকালয় হবে আরেক গ্রহ<br />
সদানন্দের অদ্ভুত অদ্ভুত উদ্ভাবনে </p>
<p>সম্ভব </p>
<p>হাতটেনে চন্দ্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-268486"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/268486/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a8c2242be5166f3a1501f410b90bae3f</guid>
				<title>সাদা মানচিত্র 

১. শৈশবের প্রকৃতি 

আমাদের বাড়ির পিছে 
অপূর্বতার এক মায়াময় প্রকৃতি 
খেলা করত আমাদের সাথে 
ভুলতে পারি না হিজলগাছটির ছায়া

২. স্মৃতির দেয়াল 

দেয়ালে টাঙানো বাড়িটি 
একটি বিলীন হওয়া গ্রামের শোক 
আমাদের মোনালিসা সম্পদ 
শিল্পীর রংতুলিতে আঁকা মনোহর ছবি

৩. বিলুপ্ত পৃথিবী 

আবহাওয়ার ধ্বস্তে বিধ্বস্ত পৃথিবী 
দেখছি মিটে যাচ্ছে—যাবে অনেক পথের চিহ্ন? 
বিরূপপ্রকৃতি গ্রাস করছে মানুষের ঠিকানা 
এটাই সেই মুছে যাওয়া মানচিত্র? 

৪. ক্ষতের নিঃসঙ্গতা 

আঘাত হয়—হবে সব সময় ক্ষতস্থানে 
বুকে বইতে থাকবে দরদের অশ্রুস্রোত 
দেখার বান্ধব কেউ থাকে না এখানে 
ঘুরেফিরে খুঁজে পাবে নিজেকে

৫. প্রকৃতির আর্তনাদ 

হাওয়ায় মিশাচ্ছে বিষ কে? 
জলবায়ু পরিবর্তন হচ্ছে দ্রুততম 
বনজঙ্গল ধ্বংস করে মঙ্গল চাচ্ছে কারা? 
কেউ ভাবছে না কালকের পৃথিবীর কথা! 

৬. বাস্তুহারা নীরবকান্না 

ক্রমাগত ভেঙে যাচ্ছে ভিটেমাটি 
কূলে বসে পলকহীন দেখছি শুধুই 
ডুবে যাচ্ছে খেতফসল খামারবাড়ি 
তারপর নিরাকার এক মহাশূন্যতা 

—আযাহা সুলতান</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/265740/</link>
				<pubDate>Tue, 25 Aug 2026 18:21:36 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সাদা মানচিত্র </p>
<p>১. শৈশবের প্রকৃতি </p>
<p>আমাদের বাড়ির পিছে<br />
অপূর্বতার এক মায়াময় প্রকৃতি<br />
খেলা করত আমাদের সাথে<br />
ভুলতে পারি না হিজলগাছটির ছায়া</p>
<p>২. স্মৃতির দেয়াল </p>
<p>দেয়ালে টাঙানো বাড়িটি<br />
একটি বিলীন হওয়া গ্রামের শোক<br />
আমাদের মোনালিসা সম্পদ<br />
শিল্পীর রংতুলিতে আঁকা মনোহর ছবি</p>
<p>৩. বিলুপ্ত পৃথিবী </p>
<p>আবহাওয়ার ধ্বস্তে বিধ্বস্ত পৃথিবী<br />
দেখছি ম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-265740"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/265740/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1c0852bc3fec94c46ffbbe9300eec13d</guid>
				<title>এক হাজার বছরের সীমানা 

আর বড়জোর বাঁচতে পারি কিছুক্ষণ?
হয়তো কিছুদিন? কিবা পঞ্চাশ—একশ বছর?
এক হাজার বছর বাঁচা কি সম্ভব?
তারপর? একদিন নিশ্চিহ্ন হবে এ দরবার? ঐ হাটবাজার?



কোথায় ঠিকানা? হিসাবের খাতায় বারবার শূন্য
জীবনমাঠে ধেয়ে আসছে আঁধার! রাজনীতির মাঠে চলছে এখনো নৃত্য?
মৃত্যুর ডাক শোনা যাচ্ছে না কোলাহলে
আনন্দে মাতোয়ারা আজও দেশ—দশ—পৃথিবী!



ভাবছে কি কেউ কালকের কথা? বুঝছে কি কেউ?
এমাত্র খবর পেলাম কানপেতে—বাতাসে—সময় খুব সন্নিকটে—
এক হাজার বছরের সীমানা যদি হয় পৃথিবীর আয়ু?
চোখের পলকে ঘুরে আসতে পারে না পঞ্চাশ হাজার বছর?



এই নদীপাড়ের ঠিকানা—মর্ত্যবাসের জিন্দেগি—
ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে চলেছে? মিলিয়ে যাবে দিগন্তে?
পৃথিবীর গতি কী হবে? চিন্তা কি করছে কোনো চিন্তক? প্রগতিশীল কেউ?
হাজার হাজার গবেষণায় ওঠে আসছে হাজার হাজার তথ্যমত!



আমার কবরে না চড়াক কেউ একটি গোলাপ কিবা একগুচ্ছ রক্তকুসুম
তবু চিন্তাশীল—পরবর্তী প্রজন্ম আর প্রজন্মের জন্যে চিন্তা করে যাচ্ছি—
এক...দশ...পঞ্চাশ...লক্ষ বছর পরে কি বিলুপ্ত হবে মানবজাতি?
দুনিয়ার বেগতি—আমরাই গুটাচ্ছি—ঈশ্বরও গুটিয়ে নেবে দপ্তর!



জলবায়ু পরিবর্তন, পারমাণবিক যুদ্ধ, অনিয়ন্ত্রিত দূষণ,
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মহামারী, উল্কাপিণ্ড, আগ্নেয়গিরি, সূর্যের মৃত্যু,
চৌম্বক ক্ষেত্রের পতন, প্রাকৃতিক বিপর্যয়...ঈশ্বরও বলেছেন—কেয়ামত নিশ্চিত
তোমরাও বলছ...আমরাও দেখছি আলামত—পৃথিবীর ধ্বংস সুনিশ্চিত?
—আযাহা সুলতান</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/264137/</link>
				<pubDate>Thu, 20 Aug 2026 18:33:05 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>এক হাজার বছরের সীমানা </p>
<p>আর বড়জোর বাঁচতে পারি কিছুক্ষণ?<br />
হয়তো কিছুদিন? কিবা পঞ্চাশ—একশ বছর?<br />
এক হাজার বছর বাঁচা কি সম্ভব?<br />
তারপর? একদিন নিশ্চিহ্ন হবে এ দরবার? ঐ হাটবাজার?</p>
<p>কোথায় ঠিকানা? হিসাবের খাতায় বারবার শূন্য<br />
জীবনমাঠে ধেয়ে আসছে আঁধার! রাজনীতির মাঠে চলছে এখনো নৃত্য?<br />
মৃত্যুর ডাক শোনা যাচ্ছে না কোলাহলে<br />
আনন্দে মাতোয়ারা আজও দেশ—দশ—পৃথিবী!&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-264137"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/264137/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fbe0ce30b968f02202d98c4ccabebf75</guid>
				<title>জীবনদর্শন 

১. গন্তব্যহীন পথ 

এ রাস্তার শেষে কোনো গন্তব্য নেই—
ধোঁকা দিতে দিতে ধোঁকাবাজ কে? 
দিনের পরে আসে রাতের আঁধার 
এবার তুমি চলতে পারো গন্তব্যহীন পথে

২. সততার অবস্থান 

আমি বেশি সত্যবাদীর দলে নেই 
না আছি চরম মিথ্যাবাদীর দলে 
মদের বাজারে দুধের দোকান খুলে 
সততার অভিনয় করি না শঠতার নাট্যমঞ্চে

৩. পাথরের রাজ্যে শিশমহল 

দুনিয়াকে আপন মনে করেছিলাম আমি 
জানিনি দুনিয়া প্রথম থেকেই আমার বেগানা 
পর তো পর—আপন মানুষ যেখানে পাথর 
সেখানে গড়তে গেলাম ভালোবাসার শিশমহল

৪. বিদায়ীর জবানবন্দি 

আমার জানাজায় শরিক হয়েছ তুমি? তোমরা? 
ভেবে দেখো তোমাদের কী ভূমিকা ছিল আমার জীবনে? 
তোমাদের দেওয়া সুখ জমা রেখে এসেছি প্রতিদানের সিন্দুকে—
মনের অশ্রু আমারও সমুদ্র হয়েছিল সাহারা মরুভূমিতে 
—আযাহা সুলতান</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/263492/</link>
				<pubDate>Tue, 18 Aug 2026 19:26:28 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>জীবনদর্শন </p>
<p>১. গন্তব্যহীন পথ </p>
<p>এ রাস্তার শেষে কোনো গন্তব্য নেই—<br />
ধোঁকা দিতে দিতে ধোঁকাবাজ কে?<br />
দিনের পরে আসে রাতের আঁধার<br />
এবার তুমি চলতে পারো গন্তব্যহীন পথে</p>
<p>২. সততার অবস্থান </p>
<p>আমি বেশি সত্যবাদীর দলে নেই<br />
না আছি চরম মিথ্যাবাদীর দলে<br />
মদের বাজারে দুধের দোকান খুলে<br />
সততার অভিনয় করি না শঠতার নাট্যমঞ্চে</p>
<p>৩. পাথরের রাজ্যে শিশমহল&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-263492"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/263492/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fab857237940863c3c46a6e546237f15</guid>
				<title>Azaha Sultan and খালেদা আক্তার are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/262324/</link>
				<pubDate>Sun, 16 Aug 2026 11:35:45 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b5e420db76f2da8d86d14ee1262333a4</guid>
				<title>অমর তুমি বঙ্গে

পনেরই আগস্ট

ঘাতকের বুলেটে যদিওবা নিয়ে গেল প্রাণ
তোমার
নিতে পারেনি তোমাকে
তুমি রয়ে গেলে বাংলার বুকে—আছ—থাকবে যুগযুগ ধরে
চিরকাল—চিরগৌরবের সাথে
বাংলাদেশের আনাচেকানাচে—প্রতিটি ঘরে-ঘরে
বাংলা ও বাঙালির প্রাণে চির অম্লানে
তোমাকে ম্লান করতে পারবে না কোনো নতুন ইতিহাস

তুমি প্রাগৈতিহাসিক

উদিত হয়েছিলে ধ্রুবতারা হয়ে বাংলার আকাশে একদিন
তোমার নাম চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে বিশ্ববঙ্গহৃদয়ে
তুমি নক্ষত্র বাংলার
তোমাকে মুছতে হলে মুছতে হবে বাংলার মানচিত্র
মুছতে হবে বঙ্গসাহিত্যভাণ্ডার—গান, গল্প, কবিতা, নাটক, চলচ্চিত্র যত ইতিহাস
তোমার দরদভরা বজ্রকণ্ঠের আওয়াজ এখনো ধ্বনিত হয় আকাশে-বাতাসে
ধ্বনিত হবে সকল ক্রান্তির ময়দানে
তুমি যুগেযুগে আসবে-যাবে বিপ্লবীর জ্বালাময়ীরূপে—

শেখ মুজিবুর রহমান

বাংলার মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক
তোমার ভাস্কর্য ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া যাবে
মূর্তি ভেঙে বিলীন করা যাবে
মুছে ফেলা যাবে দেয়ালের লিখন
ভেঙে চুরমার করা যাবে স্মৃতিস্তম্ভ—বত্রিশের মতো ইটপাথরের ঘর
অন্তরের লিখন মুছবে কে?
তোমার কীর্তি—তোমার নাম—যশখ্যাতি মুছে দেবে কিছু চণ্ডাল?
তোমার শানিতকণ্ঠ রোধ করা যাবে?
পদ্মা, মেঘনা, যুমনা শত নদনদী যত দিন বইবে বঙ্গে
তুমি ছাড়া ইতিহাস রচনা হবে?

তুমি হৃদয়েশ্বর

হৃদয়ের বাজারে ঈশ্বরের মৃত্যু নেই
সভা-সেমিনার, ভাষণ-বক্তৃতা, মিছিল-মিটিং বন্ধ করা যাবে
প্রতিবাদের কণ্ঠ রোধ করা যায় না—যাবে না কোনোকালে
তোমার ত্যাগের তুলনা নেই বাংলার জমিনে
তুমি কীর্তিমান
তোমার কীর্তির স্মৃতিস্তম্ভ হবে বাংলার বুকে—প্রতিটি মোড়ে মোড়ে
তোমার কর্মনীতি বাঙালিকে দিয়ে যাবে আজীবন অনুপ্রেরণা
তোমার কণ্ঠধ্বনির প্রতিধ্বনি হবে প্রতিটি যুদ্ধক্ষেত্রে
প্রতিটি যুদ্ধের ময়দানে হবে রণন
জোগাবে সমস্ত যোদ্ধার মনে অসীম সাহস
তুমি সংগ্রামীর অনুপ্রেরণার শক্তির মূর্তপ্রতীক
তোমার আদর্শ—তোমার সম্প্রীতি জগতে অতুল্য

তুমি প্রিয়জন বাঙালির

তোমার মতো নেতা আর আসবে না এদেশে
হবে না জন্ম পৃথিবীতে
তোমার হারানো শোকে আজ শোকান্বিত বাংলা
তোমাকে ভুলা যাবে না
ভুলা যাবে না এ শোকের দিন
সেই বিভীষিকাময় কালোরাত—
কারবালার মতো মাতমি অধ্যায়

তুমি মহান—বাংলার স্থপতি 

বাঙালি অকৃতজ্ঞ জাতি 
কেউ মানুক বা না মানুক তুমি “জাতির জনক” 
বাংলাদেশের জাতীয় সম্পদ 
যত দিন বইবে নদনদী আবহমান বাংলায়
তত দিন বঙ্গবন্ধু অমর তুমি বঙ্গে...
—আযাহা সুলতান</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/261958/</link>
				<pubDate>Sat, 15 Aug 2026 15:23:04 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অমর তুমি বঙ্গে</p>
<p>পনেরই আগস্ট</p>
<p>ঘাতকের বুলেটে যদিওবা নিয়ে গেল প্রাণ<br />
তোমার<br />
নিতে পারেনি তোমাকে<br />
তুমি রয়ে গেলে বাংলার বুকে—আছ—থাকবে যুগযুগ ধরে<br />
চিরকাল—চিরগৌরবের সাথে<br />
বাংলাদেশের আনাচেকানাচে—প্রতিটি ঘরে-ঘরে<br />
বাংলা ও বাঙালির প্রাণে চির অম্লানে<br />
তোমাকে ম্লান করতে পারবে না কোনো নতুন ইতিহাস</p>
<p>তুমি প্রাগৈতিহাসিক</p>
<p>উদিত হয়েছিলে ধ্রুবতারা হয়ে বাংলার আকাশে একদিন<br />
তোমার&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-261958"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/261958/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3aacff77bd0be8693882a96a8be16da1</guid>
				<title>পাঁচ পর্ব 

১. কবি ও জীবন 

কবির জীবন মহাকাব্য—কবিতার ভাণ্ডারে 
জীবনের গল্প লিখা হলে তবু বাকি থাকবে 
আমি কোনো কবিটবি নই 
কবিরা কঙ্কালে খুঁজে সুন্দর 
কাকে মিলাতে পারে কোকিলের স্বর 

২. মানুষ ও ধর্ম  

মানুষের অনেক ধর্ম—তাইত মানুষ 
ঈশ্বরের ধর্ম কী? আমার হুঁশ 
অস্বীকার করা সহজ 
মেনে নেওয়া কাজ কঠিন 
মানুষের ধর্ম—ধ্যানধারণা এতটাই ক্ষীণ 

৩. ক্ষুদ্রতা ও বাস্তবতা 

অণুজীব বাঁচতে পারে না বেশিক্ষণ 
লাফায় বেশি যার ক্ষুদ্র মন 
দুনিয়ার পরিস্থিতি—
অল্পপানির মাছ গভীরজলে সাঁতারে বেশি 
পিপীলিকার পাখা হয়...ভুলে যাই কথাটি 

৪. জ্ঞান ও বিবেক 

হাজার অধ্যয়নে যার বাড়ে না জ্ঞান 
সে-ই ধ্বংসক হয়—ভয়ংকরী বিদ্যান 
অল্পজ্ঞানে বুঝে যে বেশি 
অল্পবিদ্যা...বলতে নেই 
বিবেকী যে সবচেয়ে বড় শিক্ষিত সে 

৫. কাঠিন্য ও কোমলতা 

বুকে এত কান্না কেন রে বুঝি না 
কীজন্যে কাঁদে মন জানি না—
আমিও মানুষ—তুমিও মানুষ 
ফুলের আঘাতে আমি ব্যথা পাই 
কামানের গোলাতে তোমার দরদ নাই</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/260126/</link>
				<pubDate>Mon, 10 Aug 2026 09:09:37 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>পাঁচ পর্ব </p>
<p>১. কবি ও জীবন </p>
<p>কবির জীবন মহাকাব্য—কবিতার ভাণ্ডারে<br />
জীবনের গল্প লিখা হলে তবু বাকি থাকবে<br />
আমি কোনো কবিটবি নই<br />
কবিরা কঙ্কালে খুঁজে সুন্দর<br />
কাকে মিলাতে পারে কোকিলের স্বর </p>
<p>২. মানুষ ও ধর্ম  </p>
<p>মানুষের অনেক ধর্ম—তাইত মানুষ<br />
ঈশ্বরের ধর্ম কী? আমার হুঁশ<br />
অস্বীকার করা সহজ<br />
মেনে নেওয়া কাজ কঠিন<br />
মানুষের ধর্ম—ধ্যানধারণা এতটাই ক্ষীণ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-260126"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/260126/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>9</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">07f4a0b4e08c78b7f5a432245ae235bb</guid>
				<title>চার অধ্যায় 

১. প্রেমের ভুল অনুবাদ 

হৃদয়ক্ষরণের রক্ত আমার 
টকটকে লাল—বইছে জলের মতো 
বাঁধভাঙা খাল 
ঠোঁটে ভেজা খামে পাঠালাম ভালোবাসার চিহ্ন 
প্রেয়সী পেল তাতে মদের গন্ধ! 

২. নিয়তির নির্মম পরিহাস 

অতিরিক্ত কপাল খারাপ—
প্রিয়াকে উপহার দিলাম মেস্কজাফরান 
প্রিয়া শোঁকালে হয় বিষের ঘ্রাণ! 
মনেতে জিয়েলু সে আগুনের কুণ্ড? 
অমৃত চিনে কে আর ক-জনে বলো? 

৩. হৃদয়ে গভীর ক্ষত 

পিঠের দরদ সওয়া যায় 
সওয়া যায় না বুকের ব্যথা 
পাথরের চেয়ে ফুলের আঘাত মারাত্মক 
আপন থেকে বেগানা ভালো—বেগানা থেকে বন 
তারপর কবর&#124; 

৪. না-বোঝার বেদনা 

কেউ বুঝুক বা না বুঝুক 
দুঃখ লাগে না বড়বেশি 
কেউ কারে বুঝে না—এটাই নিয়মের পৃথিবী 
হৃদয়জনে না বুঝলে? 
এরচেয়ে বড় দুঃখ আর কী 

—আযাহা সুলতান</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/259598/</link>
				<pubDate>Wed, 05 Aug 2026 19:58:07 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>চার অধ্যায় </p>
<p>১. প্রেমের ভুল অনুবাদ </p>
<p>হৃদয়ক্ষরণের রক্ত আমার<br />
টকটকে লাল—বইছে জলের মতো<br />
বাঁধভাঙা খাল<br />
ঠোঁটে ভেজা খামে পাঠালাম ভালোবাসার চিহ্ন<br />
প্রেয়সী পেল তাতে মদের গন্ধ! </p>
<p>২. নিয়তির নির্মম পরিহাস </p>
<p>অতিরিক্ত কপাল খারাপ—<br />
প্রিয়াকে উপহার দিলাম মেস্কজাফরান<br />
প্রিয়া শোঁকালে হয় বিষের ঘ্রাণ!<br />
মনেতে জিয়েলু সে আগুনের ক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-259598"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/259598/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e5de4e5f684ee2468fdb005ff2854d4d</guid>
				<title>জীবন 

বুঝল না—
মনের দরদ কেউই বুঝল না 
এ সংসারে কেউ কারে বুঝে না—বুঝতে চায় না—চায়ও না 
দুনিয়ার অগোচরে দুঃখটা থাকে—রাখতে হয় হাসির আড়ালে 
জীবনের গান গাইতে হয় সুখের প্রদর্শনে 

ছোটবেলায় মা’র সাথে কত গিয়েছি নানার বাড়ি 
এখানে-ওখানে—
কত শুনেছি আদেশবাণী 
‘তুমি ছোটমানুষ বড়দের কাছে বসতে নেই 
বড়দের কথা শুনতে নেই’ 
এই কথাটাই শুনেছি বেশি 
আজও বুঝিনি কথাটার প্রকৃত অর্থ কী 

কত শালিসবিচার 

গ্রামের কত ঝগড়াঝাটি 
কত দেখেছি, শুনেছি, 
বোঝার অনেক চেষ্টা করেছি 
শুধু ‘আপনবাঁচা’ বুঝেছি—
সাপ মরুক না আঘাতে কেউ পার হচ্ছে 
কেউ সত্য বললে কেউ টুঁটি চেপে ধরছে তার 
তামাশা দেখাতে কেউ আগুনে দিচ্ছে তেলের ছিটা 
কেউ দুমুখে ফুঁকছে দুদলে কানপড়া 
তুমুল তর্কে কেউ কেউ পক্ষাবলম্বনে কথা বলছে পাক্কা বেইমান 
মারমুখো কেউ কেউ গালাগালি আর হাতাহাতিতে উপক্রম 
বিবাদের লেঠা বিবাদেই থাকছে—হচ্ছে না এতটা সমাধান 

চলছে আরও বেড়ে 
কেউ কারে পুছলে মিলছে সান্ত্বনা 
‘তোমরা অইসব বুঝবে না বাবা’ 
সত্য বলতে পারে না এমন দুর্বল ইমানের প্রতি আফসোস 
সত্য বলতে পারে না এমন বাকশক্তিহীন মানুষের প্রতি আফসোস 

আফসোস! আফসোস! 

তখন আমার বয়স কি—আট কিবা নয় 
আজ আটান্ন বছরের বয়সী আমি 
এখনো বুঝতে পারি না এবং পারছি নে 
মানুষ কেন তুচ্ছ বিষয়ে লড়াই করে 
একটু কিছুতে লাঠালাঠি ও রক্তক্ষয়ী দাঙ্গাফ্যাসাদে নেমে আসে 
জায়গাটা অবিকল খিল আজও পড়ে আছে 
আলটা এখনো বাঁকা রয়ে গেছে 
যার জন্যে সেই আটচল্লিশ বছর আগে 
মারা গিয়েছিল আফ্রিনদের বাবা গোবিধন 
আর সামন্তাদের দাদা সুমন শেঠ 
আজও অমন অনর্থের লড়াই দেখি! 

‘হৃদ্যিতা’ অর্থাৎ ছোটখালার বিয়ে 

সবাই যার যার কাজে, খোশমেজাজে ও গল্পগুজবে মশগুল 
এককোণে চুপটি করে বসা ছোট্ট বাবুটিরে কেউ দেখে না 
পুছে না ‘বাবু কিছু খেয়েছ কি? খাবে নাকি?’ 
বড়রা বড়দের খাতিরদারিতে ব্যস্ত! 
‘দাদা এসেছেন? আসুন আসুন—
বিনয়, দাদার জন্যে ঐ চেয়ারটা এনে দেয় 
দাদা এখানে বসুন’ 

দাদা খুব নামি মানুষ 

ভেতরঘরে আরও জলুস 
‘মেজোবু! আর কিছু খাবে? চা আরেক কাপ দি?’ 
‘না রে সানু বরং আমায় আরেক খিলি পান দে 
আমাদের মহেষখালির পানগুলো-না—তুলনা হয় না’ 

মেজো আপার স্বামী অনেক বড় পয়সাওয়ালা 

ওদিকে খাওয়াদাওয়া প্রায় শেষের দিকে 
কেউ কেউ চলেও যাচ্ছে 
বিদায়ের মুহূর্ত 
‘একটা সিগারেট নিন বেয়াই সাহেব 
মাথাধরাটা একটু হালকা হয়ে আসবে 
কী দেখছেন? 
বিলেতি ব্র্যান্ড—সেন্ট একেবারে আলাদা’ 

ওসব তখন বুঝিনি 
সামর্থ্যবানদের খাতিরদারি! 
সেই আদিকাল থেকেই চলে আসছে 
আজও চলছে 
চলবেই 

কিছু জিনিস চালু হলে চলতেই থাকে 

চোখের সামনে কতটা বছর পার হয়ে গেল 
বয়স বাড়ল মনে হয় 
ছোটমানুষ বড় হলাম নাকি 
বউ এলো ঘরে 
তারপর এক-দুই-তিন-চার ছেলেমেয়ে 
ঘর ভরে গেল হইহুল্লোড়ে 
ছেলেমেয়ে বড় হচ্ছে 
হলো—
কেউ বিএ তো কেউ এমএ 
পরামর্শ এখন তারাই তারাই চলে 
যা ভুল করেছি নাকি এ জীবনে 
মাশুল গুনতে গেলে দশ জনম যথেষ্ট নয় 
আমার মতো ভুল বোকাও করবে না নিশ্চয়! 
‘তুমি বুঝবে না বাবা’ 
কথায় কথায় আজকাল আমি কিচ্ছু বুঝি না 

থাক গে—কোনো দুঃখ নেই 

মেয়ের বিয়ে হলো সম্ভ্রান্ত ঘরে—বিরাট পরিবারে 
বছর দুয়েক কেটেছে 
আসা-যাওয়ায় জেনেছি খুব সুখে আছে 
মনটা ভরে যায় শান্তিতে 
একদিন বড্ড ইচ্ছে হলো মেয়েটিকে দেখতে 
দেখলাম—
শ্বশুরশাশুড়ি যেমন তারচেয়ে জামাই আর ভাইয়েরা 
হরদম টুকিটাকি চলছে তো চলছেই 
বললাম, একেমন কুলীনতা? 
এখানেই তো বড় যুদ্ধের বার্তা! 
মেয়ে বলল ‘তোমার বোঝার দরকার নেই বাবা’ 

দুঃখটা রয়ে যায়—রয়ে গেল এখানেই 

আমি তো চাইনি কারও কাছে কিছু পেতে 
অর্থকড়ি—এতখানি ধনসম্পদ 
চাইনি কারও কাছে গিয়ে হাঁটুগেড়ে খেতে 
হাঁ, চেয়েছি একটু আদর-মহব্বত 
পাইনি বলে দুঃখ নেই এতটা 
সবকিছু সহজে হয় না বলে দুঃখিত হওয়া যায় না 

জীবন আসলেই বৈচিত্র্য? বিচিত্রময়?

আমার জীবনটা কেটেছে ভাগ্যের বড় নির্মম পরিহাসে 
যাকেই আপন মনে করেছি তাকেই রূপ পালটাতে দেখেছি 
যাকেই মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেছি সে-ই মেরেছে পিঠে ছুরি 
পরের কথা ছেড়ে দিলাম—পর তো পর—
আপনজন কেউই আপন হলো না—আপন হয় না! 
আত্মীয়-স্বজন বন্ধুবান্ধব দূরে—
কাছের জন—মা-বাবা ভাই-বোনের রূপ— স্বার্থে ও ব্যর্থে দেখা যায়—যাবে 
রোগেশোকে বোঝা যায় নিজে কন—নিজের কে! 

এটাই নাকি জীবন? 

জীবনের এই তিক্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে নীরস এ পৃথিবী থেকে চলে যাব একদিন নীরবে—
কেউ দুঃখ পাবে না আর 
কারে দুঃখ দিতে আসব না আর এ পৃথিবীতে
জানি, কেউ আমাকে নিয়ে বিব্রত থাকতে আসেনি ধরায় 
আমিও মানি, আমিও কাকে নিয়ে ব্যতিব্যস্ত থাকতে আসিনি জগতে 
পৃথিবীটা নিজের নিজেরই চিন্তক—নিজের নিজেরই মঙ্গলের সাধক 
মানুষ কেবলই নিজের ভালো বুঝে—নিজের ভালোর ভিত্তিতে চলে 
স্বার্থ যেখানে বড় নয় সেখানে কেউই পা রাখে না 

আমার বুঝতে দেরি হলো বটে 

সব বেদনা ভুলে 
বাকি জীবনটা কাটাতে চেয়েছিলাম...
হঠাৎ ‘সান্ত্বনা’ চলে গেল পৃথিবী ছেড়ে 
আমি বিমর্ষ রয়ে গেলাম নিরানন্দের কৃষ্ণকুটিরে 
নির্জনতা আমায় গ্রাস করেছিল বলে 
তারপর ছেলের বউ এলো ঘরে—ধুমধামে 
মনে করলাম, আবার ভরে ওঠবে ঘর সেই ভরপুর কোলাহলে 
আস্তে আস্তে সংসারের সৌন্দর্য ফুটে ওঠছে বিষণ্নতার রঙে 

আমার স্থান হয় ভবঘুরে! 

ঘুরতে ঘুরতে কোথায় এলাম কে জানে 
আর পারছি নে সামনে যেতে 
ক্লান্ত ও পরিশ্রান্ত এবং রোগাক্রান্ত দেহের প্রতিটি অঙ্গ মনে হচ্ছে বিকল 
এ অশ্বত্থের ছায়াতলে অনুভব করছি কিছুটা শান্তি আর একটু সোয়াস্তি 
সামনে যত দেখছি ধু-ধু মাঠ 
পেছনদিকে বহতা নদী 
মাথার ওপর নিঝুমদুপুর 
চার দিকে খাঁখাঁ শূন্যতা 
শুধু শুনছি পাখিদের কলরব—চেঁচামেচি 

মনে পড়ছে—

চোখের সামনে ভেসে ওঠছে খেলাধুলার আবছায়াটা 
শৈশব—সেই কৈশরের দিনগুলি—
শাপলার বিলে দলবেঁধে শাপলাতোলা—হাসিঠাট্টা—জলকেলি  
দুরন্তপনা 
মান-অভিমান—
‘ঐ গাধাটারে পুছলে কী, সে কী বুঝে বেঙের ছাতা কী’ 
অর্ধছুটিতে কিবা শেষছুটির পরে 
স্কুলের পশ্চিমের বটতলায় সেকি জমত আড্ডাআড্ডি 
মনে পড়ছে স্কুলজীবনের স্মৃতি—ছাত্রবেলা—
মনে পড়ছে সহপাঠী বন্ধুবান্ধবের কথা 
দেখতে বড্ড ইচ্ছে হচ্ছে কারে কারে 
জানতে বড়ই ইচ্ছে হচ্ছে সকলের কথা—
সকলেরে মনে পড়ছে 
সকলের জন্যে প্রাণ কাঁদছে 

কে কেমন সুখে আছে জানি না 

প্রার্থনা করি সুখী হোক সকলে 
তবে—আমার মতো সুখী না হোক কেউ জীবনে 
কে যেন আমায় হাতছানি দিয়ে ডাকছে 
চোখের পাতা চিরতরে বন্ধ হয়ে আসছে—
চারি দিকে অন্ধকার আর অন্ধকার
—আযাহা সুলতান</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/259347/</link>
				<pubDate>Mon, 03 Aug 2026 02:46:53 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>জীবন </p>
<p>বুঝল না—<br />
মনের দরদ কেউই বুঝল না<br />
এ সংসারে কেউ কারে বুঝে না—বুঝতে চায় না—চায়ও না<br />
দুনিয়ার অগোচরে দুঃখটা থাকে—রাখতে হয় হাসির আড়ালে<br />
জীবনের গান গাইতে হয় সুখের প্রদর্শনে </p>
<p>ছোটবেলায় মা’র সাথে কত গিয়েছি নানার বাড়ি<br />
এখানে-ওখানে—<br />
কত শুনেছি আদেশবাণী<br />
‘তুমি ছোটমানুষ বড়দের কাছে বসতে নেই<br />
বড়দের কথা শুনতে নেই’<br />
এই কথাটাই শুনেছি বেশি<br />
আজও বুঝিনি কথাটার প&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-259347"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/259347/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">98b6cec40f501fbb2e3ba8959a7612d1</guid>
				<title>Azaha Sultan changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/259250/</link>
				<pubDate>Sat, 01 Aug 2026 19:47:57 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">388db8a3221dcdcf3e086f4c1b98c41a</guid>
				<title>সহজ পঙক্তি কঠিন ভাষা 

আমি ভালো হতে চেয়েছি—অনেক চেয়েছি 
প্রকৃতির নির্মমতায় ভালো হতে দিলো না আমায় 
পৃথিবীকে আপন করে নিতে চেয়েছি—খুব চেয়েছি  
পৃথিবী আমাকে জীবন দেখিয়ে মৃত্যুকূপে দেয় ফেলি 

মানুষ হয়েও বাঁচা গেল না মানুষের মতো আর 
বিশ্বাস করেছি যারে ঈশ্বরের মতো দেবতার রূপে প্রতারিত করে সে
সবকিছু ভুলে—প্রণয়িনীর কাছে চাইছি এই—এতটুকু শান্তি 
বিষের ছোঁয়া অনুভব করেছি ভালোবাসার চুমে 

আমার ভাগ্যদপ্তরের চ্যাপ্টারে লিখেনি বিধি মঙ্গল? 
জীবনের জঙ্গলে মিলেছে তাই বিষবৃক্ষের ছায়া? 
বেহদ্দ বোকা আমি—বুঝেছি ধরণিতে সব ফলবান গাছ! 
কপালের লিখন খণ্ডানো যায় না? লেখনী ভেঙে অস্ত্র বানানো যায়? 

আপন ভেবে যারেই জড়িয়ে ধরেছি গভীর আলিঙ্গনে 
পিঠে মারতে ছুরি দ্বিধা করেনি সে আপনালির মাধ্যমে 
বুঝেছি শেষে—বুকে টেনে নেওয়া যায় হৃদয়ের কাতারের শত্রুকে—
বন্ধু দূরে—পাশে স্থান দিতে নেই বিশ্বাসঘাতক বেইমান আপনজনকেও 

ভাইয়ের বন্ধনের চেয়ে বড় কোনো বন্ধন নেই? 
স্বার্থে বুঝে পাবে ভাইয়ের বন্ধন কী—কত প্রকার তবে 
ভুলের থেকে শিক্ষা নিলে শিক্ষিত হওয়া যায় জীবনে? 
বোকামির মতো ভুল করলে আফসোস থেকে যাবে মরেও
—আযাহা সুলতান</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/258998/</link>
				<pubDate>Wed, 29 Jul 2026 21:57:38 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সহজ পঙক্তি কঠিন ভাষা </p>
<p>আমি ভালো হতে চেয়েছি—অনেক চেয়েছি<br />
প্রকৃতির নির্মমতায় ভালো হতে দিলো না আমায়<br />
পৃথিবীকে আপন করে নিতে চেয়েছি—খুব চেয়েছি<br />
পৃথিবী আমাকে জীবন দেখিয়ে মৃত্যুকূপে দেয় ফেলি </p>
<p>মানুষ হয়েও বাঁচা গেল না মানুষের মতো আর<br />
বিশ্বাস করেছি যারে ঈশ্বরের মতো দেবতার রূপে প্রতারিত করে সে<br />
সবকিছু ভুলে—প্রণয়িনীর কাছে চাইছি এই—এতটুকু শান্তি<br />
বিষের&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-258998"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/258998/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ea45af9b3671739e3bf0bb7dd855826c</guid>
				<title>হাজার পৃষ্ঠার চিঠি 

প্রতিদিন তোমার ঠিকানায় এক পৃষ্ঠার চিঠিপ্রেরক আমি 
প্রতিদিন তার আশ্রয় ছিল জানি ছেঁড়াকাগজের ছিন্নস্তূপে? 
হাজার পৃষ্ঠার চিঠি লিখে ক্লান্ত হয়েছিলাম আমি অশেষ 
তোমার কৌতূহল জন্মেনি একবারও ডাস্টবিনের কোণে? 

হীরে যখন পেয়ে যায় কেউ সহজে—বুঝে না হীরের মূল্যটি কী 
হারিয়ে গেলে কী আফসোস—পাগলের মতো খুঁজেফিরে দিনরাত 
আমাকে ভালোবাসলে? না বাসলেও দুঃখ নেই আমার মোটেও 
কী বোকা আমি আমার সমাধির ওপর বানাতে গেলাম তাজমহল 

জীবন থেকে জীবনে অনেক কিছু জানার ও শেখার থাকে বাকি 
জানতে পারলে অনেকে অপরাধী—অনেকের গর্বে ফুলে ওঠে বুক 
তোমার চিঠি পড়ে আকাশ থেকে পড়েছি একবার নয়—বারবার
ভাগ্যলিপি লিখা হয় একই কলমে—দুখী হলাম তোমার দুর্ভাগ্যে—

দুঃখিত, আমার ফেরা হবে না আর—আমি নেই আর সেই জীবনের 
সেই জীবন আর ফিরে আসে না যদিওবা থাকি অপেক্ষায় জীবনভর
তবু জেনো—তোমার চাহাতে লক্ষ বছর ধরে কাঁদবে আমার সমাধি—
কালোসিন্দুকে বন্দি পড়ে—হোকবা হাজার পৃষ্ঠার চিঠির আফসোসে 
—আযাহা সুলতান</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/258638/</link>
				<pubDate>Sat, 25 Jul 2026 09:24:37 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>হাজার পৃষ্ঠার চিঠি </p>
<p>প্রতিদিন তোমার ঠিকানায় এক পৃষ্ঠার চিঠিপ্রেরক আমি<br />
প্রতিদিন তার আশ্রয় ছিল জানি ছেঁড়াকাগজের ছিন্নস্তূপে?<br />
হাজার পৃষ্ঠার চিঠি লিখে ক্লান্ত হয়েছিলাম আমি অশেষ<br />
তোমার কৌতূহল জন্মেনি একবারও ডাস্টবিনের কোণে? </p>
<p>হীরে যখন পেয়ে যায় কেউ সহজে—বুঝে না হীরের মূল্যটি কী<br />
হারিয়ে গেলে কী আফসোস—পাগলের মতো খুঁজেফিরে দিনরাত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-258638"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/258638/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">980f804dd02ded4666ddd8c1fc40adb5</guid>
				<title>কুহেলীনা মিত্র 

এ শহরে সেস্বপ্নের বাড়িটি আজও বানাতে পারিনি 
যেস্বপ্নের বাড়িতে তুমি আসতে—দেখা করতে চুপিচুপি—
শানবাঁধানো পুকুরঘাট—খালি পায়ের নূপুরের আওয়াজ 
স্বর্গনগরের প্রাচীরঘেরা কাননবাড়ির বাসিন্দা তুমি?

লক্ষ বছর ধরে খুঁজছি আমি সেই বাড়িটির ঠিকানা
লক্ষ বছর ধরে ঘুরছি আমি লক্ষ্যগ্রহের কক্ষপথে 
আমাদের কথাবার্তা—দেখাসাক্ষাৎ শুধুই কি অন্তরালে?
সত্যি? প্রেম নিঃশেষ হয়? ফিকে হয়ে আসে বাস্তবে? 

আমাকে ভালোবাসলে না? না বাসলেও বাসলে 
দুঃখ নেই, আমি ভালোবাসি—বাসব ‘কুহেলীনা মিত্র’কে 
‘সত্যিই?’ প্রমাণ হাজার—হাওয়ার কাছে জিজ্ঞেস করো 
হাওয়াকে তো ঘুষ দেওয়া যায় না প্রিয় আর—যায়? যাবে? 

তোমাকে ও-প্রশান্ত কিনে দেবো একদিন—বাস্তবে দেখো 
ও-সাগরের দাম কত হবে? সাগর কি বিক্রি হবে? তবে? 
তা হলে এ শহরটা তোমার ‘হা-হা-হা’ হাসছ? হেসো না 
তোমার হাসির কাছে ওয়াশিংটন ডিসির মূল্য কিছুই না 

এ শহর—নদী—পাহাড়—পর্বতমালা—খনিজ—যতই হোক-না দামি 
তোমার পায়ের কাছে লুটানো যায় কোহিনুর—রাজ্যের রাজমুকুট 
আমারও ছিল বোধহয়? দেশ-দশ-সংসার—বাড়িঘর—প্রিয়—পরিজন 
তোমাকে দেখার পর ভুলে গেছি সব—ভুলে গেছি আমি কে 
—আযাহা সুলতান</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/257668/</link>
				<pubDate>Wed, 15 Jul 2026 07:10:35 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কুহেলীনা মিত্র </p>
<p>এ শহরে সেস্বপ্নের বাড়িটি আজও বানাতে পারিনি<br />
যেস্বপ্নের বাড়িতে তুমি আসতে—দেখা করতে চুপিচুপি—<br />
শানবাঁধানো পুকুরঘাট—খালি পায়ের নূপুরের আওয়াজ<br />
স্বর্গনগরের প্রাচীরঘেরা কাননবাড়ির বাসিন্দা তুমি?</p>
<p>লক্ষ বছর ধরে খুঁজছি আমি সেই বাড়িটির ঠিকানা<br />
লক্ষ বছর ধরে ঘুরছি আমি লক্ষ্যগ্রহের কক্ষপথে<br />
আমাদের কথাবার্তা—দেখাসা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-257668"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/257668/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ffd4ca3290a85e10d5cfab7116a32255</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/257357/</link>
				<pubDate>Sun, 12 Jul 2026 08:39:22 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1d511f3297e41d7e07eb37d5f839d5dd</guid>
				<title>চৌত্রিশ চুরাশি রোড

চৌত্রিশ চুরাশি রোডে আমি এখনো আছি 
তুমি ছিলে নাকি ছত্রিশ ছাপ্পান্নতে শুনেছি? 
তবে কৃষ্ণানন্দের নীলপ্রাসাদে 
এখন আছ নাকি বেশ সুখেতে? 
কেন বেছে নিলে শুনি? পতিত এ জিন্দেগি? 
চৌত্রিশ চুরাশি রোডে আমি এখনো আছি॥ 

অমন করার কথা বলো, ভাবলে কী করে? 
বলো? কী সুখ পেলেই তবে অমন করে? 
সুখের চেয়ে শান্তি ভালো 
মনে রাখার দরকার ছিল, 
বলতে পারি আর আগের মতো ভালোবাসি? 
চৌত্রিশ চুরাশি রোডে আমি এখনো আছি॥ 

এমন অপরাধ কি করেছি? অপরাধী জানলে? 
নিজেকে অন্ধমহলে বন্দি করতে বাধ্য হলে? 
আমার ঠিকানা তুমিই জানো 
সরাসরি নাহয় অন্য কোনো? 
জিজ্ঞেস নাহয় করতে অচেনার মতোও যদি?
চৌত্রিশ চুরাশি রোডে আমি এখনো আছি॥ 

অন্তত এই—এতটুকুই তো জানাতে পারতে 
সামনে পা রাখার-কি-বাড়ানোর আগমুহূর্তে? 
আমার নাহয় অভিমান ছিল এত 
তুমি কেন পুড়লে আগুনে জীবন্ত? 
ফাঁসির দণ্ডে দণ্ডিত করলেও ছিল না দুঃখটি! 
চৌত্রিশ চুরাশি রোডে আমি এখনো আছি॥ 

ভালো শুধু বেসেছিলাম তোমাকেই রাহি 
তুমি শুধু দোষ দেখলে ভালোবাসা না দেখি! 
তোমার কসমে আবদ্ধ যে-মনটা 
ভাবতে পারে অন্য কোনো রাস্তা? 
তুমি তো বেছে নিতে পারলে অন্য জিন্দেগি?
চৌত্রিশ চুরাশি রোডে আমি এখনো আছি॥ 
—আযাহা সুলতান</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/257263/</link>
				<pubDate>Sat, 11 Jul 2026 08:55:14 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>চৌত্রিশ চুরাশি রোড</p>
<p>চৌত্রিশ চুরাশি রোডে আমি এখনো আছি<br />
তুমি ছিলে নাকি ছত্রিশ ছাপ্পান্নতে শুনেছি?<br />
তবে কৃষ্ণানন্দের নীলপ্রাসাদে<br />
এখন আছ নাকি বেশ সুখেতে?<br />
কেন বেছে নিলে শুনি? পতিত এ জিন্দেগি?<br />
চৌত্রিশ চুরাশি রোডে আমি এখনো আছি॥ </p>
<p>অমন করার কথা বলো, ভাবলে কী করে?<br />
বলো? কী সুখ পেলেই তবে অমন করে?<br />
সুখের চেয়ে শান্তি ভালো<br />
মনে রাখার দরকার ছিল,&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-257263"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/257263/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3c4a2dee61290240b8cb0bd05c54e95d</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/256729/</link>
				<pubDate>Mon, 06 Jul 2026 08:26:14 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ddec4567a4f28c9beb19e7b1a683f639</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/256728/</link>
				<pubDate>Mon, 06 Jul 2026 08:24:33 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6362e56dbb294d706cfbe7a6d5402bbd</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/256709/</link>
				<pubDate>Mon, 06 Jul 2026 02:00:22 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b6bd2f3b23f3ed87ab959738c9a1e75b</guid>
				<title>লালপ্রাসাদের কারাগার
১ 
জীবনের সার্থ খুঁজতে খুঁজতে ক্লান্ত আমি অবশেষ 
বাঁচার অর্থ খুঁজে পেয়েছিলাম একটু ইন্দ্রিলার আঁচলে 
আমার খোঁজ তবু জারি থাকল জীবনের পথে 
মরণের রূপ কী দেখেছি এবার ইন্দ্রিলার চোখে!
২ 
আমার বিশ্বাস ছিল দুনিয়াকে অন্ধের মতো 
দুনিয়া আমাকে জীবন বলে ধাক্কা দেয় মৃত্যুকূপে! 
আমি অন্ধকারে ডুবতে ডুবতে বুঝেছি এটুকু—
ঠোঁটে মধু যাদের তাদের বিশ্বাস করা বোকামি 
৩ 
সঞ্জনাদের হাসি—কানাঘুষা—রাগ—বেচারা মানুষ বেহদ বোকা
রঞ্জনার একরত্তি অভিলাষের দহলিজে অনেকে জান দেয়! 
অভিযোগ—তার একান্ত ইচ্ছের অধীনে এত এত অবহেলা?
সঞ্জনাদের বলি—রঞ্জনা আমার ভাগ্যচক্রের পথে কক্ষচ্যুত তারা 
৪ 
কারও নীরবতায় ভয় কেন? দাবানল হতে পারে মনের আগুন? 
নিজের মনে নিজেই পুড়ে হবে ছাই—পোড়াবে না কার সুখের বাসর 
কেউ পৃথিবীর এই—এতটু—এতটুকু উপকারও যদি করতে না পারে 
পৃথিবীর অপকার ও অপকারের কারণ হওয়া তার অধিকার নেই 
৫ 
আমায় দেখে বুঝে—ভাবে—সুখে মদিরা পান করি রাতভর 
আমি কী বুঝি অন্ধকুটিরের জিন্দেগি ও জীবনযাপন 
হাসিতে শুধু পরিহাস দিনভর—খুঁজে কে রহস্য? 
কী সুখে বেঁচে আছি আমি লালপ্রাসাদের কারাগারে 
৩০/৩/২০২৩—ডি সি রোড, চট্টগ্রাম 
—আযাহা সুলতান</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/256696/</link>
				<pubDate>Sun, 05 Jul 2026 18:07:45 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>লালপ্রাসাদের কারাগার<br />
১<br />
জীবনের সার্থ খুঁজতে খুঁজতে ক্লান্ত আমি অবশেষ<br />
বাঁচার অর্থ খুঁজে পেয়েছিলাম একটু ইন্দ্রিলার আঁচলে<br />
আমার খোঁজ তবু জারি থাকল জীবনের পথে<br />
মরণের রূপ কী দেখেছি এবার ইন্দ্রিলার চোখে!<br />
২<br />
আমার বিশ্বাস ছিল দুনিয়াকে অন্ধের মতো<br />
দুনিয়া আমাকে জীবন বলে ধাক্কা দেয় মৃত্যুকূপে!<br />
আমি অন্ধকারে ডুবতে ডুবতে বুঝেছি এটুকু—<br />
ঠোঁটে মধ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-256696"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/256696/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">68913272c0604cb9a09c4a4521c5ebc9</guid>
				<title>চার পঙক্তি আট অধ্যায় 
১ 
আমিও চলে যাব—তুমিও যেতে হবে 
আমি দিচ্ছি ভালোবাসার প্রতিশ্রুতি—
তুমি? পশ্চাতিরা পাবে তবে সুপথ 
কাঁটাহীন সুবিন্যস্ত এক পৃথিবী 
২ 
ভয়ংকর পরিস্থিতি? রক্তাক্ত ভূমি? 
চারি দিকে মৃত্যু আর মৃত্যুর উৎসব? 
এভাবে নিঃশেষ হতে হতে 
দুনিয়াটা গুটিয়ে আসবে গর্তে 
৩ 
গাড়ি হাঁকাচ্ছি দূরগমনের যাত্রায় 
অস্পষ্ট একটি শব্দ—যাচ্ছি কোথায়? 
শুনছি বহু শব্দের কোলাহল—
নৈঃশব্দযাত্রা শুধু একটি পালকের 
৪ 
তোপকামানে কীসের এত ভয়? 
আগুন তার স্পষ্ট দেখা যায় 
মশাকে ভাবছি কেন নগণ্য? 
নমরুদের মৃত্যু অনিবার্য 
৫ 
দাবদাহ উত্তাপে—শৈত্যপ্রবাহে 
ধৈর্যহারা কেন—কোনো প্রতাপে? 
রাখতে হবে দৃঢ় মনোবল—
সূর্যটা কখনো মেঘের আড়ালে থাকে 
৬ 
হৃদয়ের বাজারে অর্থসম্পদ তুচ্ছ 
অর্থের যুদ্ধে জয় করা যায় না হৃদয় 
ভালোবাসা দিয়ে যাও পৃথিবীকে 
ভালোবাসা পাবে চিরকাল
৭ 
অসীম জগৎ—এতে ক্ষুদ্র কণা—
হতে পারে সর্বস্ব—হতে পারে সব 
একটি গাছে বনে লক্ষ কাঠি 
একটি কাঠি লক্ষ গাছের বিনাশক 
৮ 
বোকাদের সভায় জ্ঞানীর আগমন? 
হিতোপদেশ দিয়ে দেখো আশিটা বছর 
সভা ভাঙলে জ্ঞানীকে পাবে 
বড় বোকাদের একজন 
১৪/৫/২০১৯—ডি সি রোড, চট্টগ্রাম
—আযাহা সুলতান</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/256482/</link>
				<pubDate>Fri, 03 Jul 2026 04:09:52 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>চার পঙক্তি আট অধ্যায়<br />
১<br />
আমিও চলে যাব—তুমিও যেতে হবে<br />
আমি দিচ্ছি ভালোবাসার প্রতিশ্রুতি—<br />
তুমি? পশ্চাতিরা পাবে তবে সুপথ<br />
কাঁটাহীন সুবিন্যস্ত এক পৃথিবী<br />
২<br />
ভয়ংকর পরিস্থিতি? রক্তাক্ত ভূমি?<br />
চারি দিকে মৃত্যু আর মৃত্যুর উৎসব?<br />
এভাবে নিঃশেষ হতে হতে<br />
দুনিয়াটা গুটিয়ে আসবে গর্তে<br />
৩<br />
গাড়ি হাঁকাচ্ছি দূরগমনের যাত্রায়<br />
অস্পষ্ট একটি শব্দ—যাচ্ছি ক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-256482"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/256482/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f7f5fbbc558028a5cfaa2bf21ff233ff</guid>
				<title>হঠাৎ দেখা 

একদিন দেখেছি যারে 
হিমানীর দেশে হিমছড়ি পর্বতচূড়ায় 
অনেক খুঁজেছি তারে—শ্রীকান্তনগরে—
শ্রীলেখা হয়ে শঙ্খদেবের বাজার 
তারাবিবির হাট থেকে চন্দ্রবানের ঘাট 

অনেক দেখেছি সুন্দরী—
বড়রেখা ছোটবাড়ি গুমধুম শিলাছড়ি চষে 
দেখেছি—অনেক এসেছে কাছে 
বসেছে? বসেছেও পাশে 
পুছেনি তার মতো “এসেছেন কোত্থেকে?” 
চায়নি চাতকীর মতো তৃষাতুর নয়নে—অপূর্ব চাহনে 

হায়—আবার যদি হতো দেখা হঠাৎ—জীবনের বাঁকে 
লাজলজ্জা ভুলে বলা যেত হয়তো পোষিত গোপনীয়তা নিঃসঙ্কোচে—
বিধাতার অপূর্ব সৃষ্টি “তুমি, তুমি শুধু তুমি” 
আজ থেকে তোমার নাম “অপূর্বেশ্বরী”

শান্তাহারের অই নির্জন পুকুরঘাটে বসে 
মনের লুকানো কথা বলা হতো মেলা তার শিশিরভেজা পাদপদ্মে হাত রেখে 
ভালোবাসা দুঃখ দেয়—ভালো লাগা আরও—হঠাৎ দেখা ভীষণতর—
সম্মতির মাথা নেড়ে হয়তো বলত সে “কেন বলেননি তখন তা হলে?” 

লজ্জায় গলে যেতাম হয়তো হিমালয়ের বরফের মতো 
ভেসে যেতাম কিবা কর্ণঝরা হয়ে মুক্তাঝরা হাসিতে 
জীবনের হারানো সব দুঃখযন্ত্রণা ভুলে— 
সান্ত্বনার বাহুডোরে হারিয়ে যেতাম—হয়তো খুঁজে পেতাম কিছুটা শান্তি 
ছুটতাম আবার কামনার হাতধরে হিমাচলভ্রমণে—সমুদ্রদর্শনে—

হাওয়ায় উড়ন্ত চুলরাশি পড়ত তার মুখে আসি 
বারবার সরিয়ে দিতে দিতে আদর হতো এতখানি 
হয়তো বলত সে সঙ্কোচে “এত ভালো কেউ বাসতে পারে?” 
মৃদুহেসে কর্ণচুমে বলা হতো কানেকানে—
রাজ্য ত্যাগের ক্ষমতা থাকে যে-চোখের ভেতরে 
রাজত্ব ত্যাগ করা যায় ও-চোখের চাহনির চাহাতের আকর্ষণে 
১১/১১/২০১১—হিমছড়ি, কক্সবাজার 

—আযাহা সুলতান</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/256201/</link>
				<pubDate>Wed, 01 Jul 2026 04:31:34 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>হঠাৎ দেখা </p>
<p>একদিন দেখেছি যারে<br />
হিমানীর দেশে হিমছড়ি পর্বতচূড়ায়<br />
অনেক খুঁজেছি তারে—শ্রীকান্তনগরে—<br />
শ্রীলেখা হয়ে শঙ্খদেবের বাজার<br />
তারাবিবির হাট থেকে চন্দ্রবানের ঘাট </p>
<p>অনেক দেখেছি সুন্দরী—<br />
বড়রেখা ছোটবাড়ি গুমধুম শিলাছড়ি চষে<br />
দেখেছি—অনেক এসেছে কাছে<br />
বসেছে? বসেছেও পাশে<br />
পুছেনি তার মতো “এসেছেন কোত্থেকে?”<br />
চায়নি চাতকীর মতো তৃষাতুর নয়ন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-256201"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/256201/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f5f478ff14791e65dd0cfed600cdce7d</guid>
				<title>দেশদ্রোহী 

আর কত? 

আর কত লাশ? সন্তানের লাশ বহন করবে বাবা-মায়? 
আর কত লাশ গর্ভে ধারণ করতে পারে দেশ? আর কত? 
আর কত মজলুমের অশ্রু ঝরলে ব্যথিত হবে আকাশ? ব্যথিত হবে বাতাস?
আর কত অসহায়ের মাতমে ভারী হলে কাঁপবে জমিন? কাঁপবে জীবন? 
আর কত? আর কত? নীরব ও নীরবতায় কাটবে সুধী ও সুখীজন?
আর কত মানুষ মরলে তোমার ও তোমাদের আফসোস হবে জনাব? 
আর কত হিংস্র আক্রমণ? ভাঙচুর? হত্যা? জ্বালাওপোড়াও? আর কত? 
এত হিংসুটে কেন মহোদয়? এদেশ কি একা তোমাদের? এদেশের নাগরিক কি তারা নয়? 
চিন্তা নেই, সময় আসছে—আসবে—প্রকৃতি ফেরত দেয় সবকিছু 

গণশত্রু?

অবশ্যই, তোমরা দেশের শত্রু! দশের শত্রু! তোমরা গণশত্রু! গণহত্যাকারী! 
তোমাদের বিচার করবে আগামী, ইতিহাস লিখবে ঐতিহাসিক পটভূমি 
আজকের পরিস্থিতি তোমাদের সহায়ক হলেও কালকের নীতিনির্ধারক তোমাদের ফাঁসি দেবে 
মনে রেখো, জেনো রেখো, কর্মফল তৎক্ষণাৎ মিলে না 
যেমন ইতিহাসও রচিত হয় না তৎক্ষণাৎ—হয় কি? 
বাস্তবতা খুবই কঠিন—মানুষ মরণশীল হলেও মানুষের কর্মফল ধ্বংসপ্রাপ্ত নয় 

দেশদ্রোহী? 

হাঁ, হাঁ, তুমি! তুমি! তোমরা! তোমরা সকলেই! 
তোমাদের কঠিন বিচার হবে! কী? হবে না কি মনে করো? 
রাজনীতির ময়দানে আজ অবাধে দৌড়াও কাল মৃত্যুর দিনও আসছে 
বিচারের মাঠে “হায় আমার কী হবে” “ইয়া নাফসি” “ইয়া নাফসি” বলেও কথা—
কোনো ধর্মই অশান্তির কথা বলে না, কোনো ধর্মেই “মার মার” “কাট কাট” শব্দ নেই
ধর্মের কোনো লেবাসও নেই, লেবাসে মানুষ সাধুও নয়, শয়তানও ভালো লেবাসধারী হয়ে থাকে 
মুখোশের আড়ালে ধোঁকা দিচ্ছ কারা? তোমরা দেশদ্রোহী! তোমাদের গণরায়ে হত্যা করা জায়েজ—ন্যায়সঙ্গত... 

—আযাহা সুলতান</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/255597/</link>
				<pubDate>Thu, 25 Jun 2026 09:21:44 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দেশদ্রোহী </p>
<p>আর কত? </p>
<p>আর কত লাশ? সন্তানের লাশ বহন করবে বাবা-মায়?<br />
আর কত লাশ গর্ভে ধারণ করতে পারে দেশ? আর কত?<br />
আর কত মজলুমের অশ্রু ঝরলে ব্যথিত হবে আকাশ? ব্যথিত হবে বাতাস?<br />
আর কত অসহায়ের মাতমে ভারী হলে কাঁপবে জমিন? কাঁপবে জীবন?<br />
আর কত? আর কত? নীরব ও নীরবতায় কাটবে সুধী ও সুখীজন?<br />
আর কত মানুষ মরলে তোমার ও তোমাদের আফসোস হবে জনাব?<br />
আর কত হিংস্র আক্রমণ?&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-255597"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/255597/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fc824b8df0bebeca918014fdf39ebefc</guid>
				<title>ফেরা হলো না

ফেরা হলো না আর সেই শহরে

তেষট্টিটি বছর গুজরে গেছে—এভাবে গুজরে যায় দিন দিনেদিনে
মুছে যায় স্মৃতি—দেয়ালেরও লিখন
বউবাজারের নিখিলচন্দ্র রোডের বাড়িটি এখনো আছে?
কি জানি, জোছনার উঠোনে নীলাদ্রির দরদ এখনো উছলে পড়ে? কে জানে?
এখনো বলে ওঠে? উপদেশ দেয়? ব্যথার পাহাড় কিনতে নেই

ফেরা হলো না আর সেই শহরে

দেখা হলো না আর আকিনের সংসার কোনো অজুহাতে—
আমি তো শেষপ্রান্তে—হয়তোবা দেখা হবে না আর
হয়তো তার মন এখনো ঘুরে? ঝাউতলা হয়ে সেই গলিটির ভেতরে?
বাতাস বলে যায় কানেকানে, সে এখনো বুকপেতে আছে—নীরবতার মাঝে—
নিরালার পাশের জানালা খুলে দূরদিগন্তে চেয়ে—দোলনার পাশে বসে এখনো কাঁদে

ফেরা হলো না আর সেই শহরে

ফেরা হয় কি আর ফিরতে চাইলেও?
তবে কি ফুটে না—ফুটবে না ঘাসফুল? ফলবে না ডুমুরফল?
কারও বিচ্ছেদে আসমান আঁকতে পারে বেদনার নীলচিহ্ন—দরদের লালনিশান
সময়যন্ত্র থেমে গেলে থেমে যায় না সময়—থেমে যায় না কক্ষে গ্রহের ঘূর্ণন
বিরহ মানেই রুখে যাওয়া নয় জীবন—হাসির আড়ালে থাকে ক্ষতের চিহ্নমাত্র...
—আযাহা সুলতান</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/255458/</link>
				<pubDate>Wed, 24 Jun 2026 07:41:01 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ফেরা হলো না</p>
<p>ফেরা হলো না আর সেই শহরে</p>
<p>তেষট্টিটি বছর গুজরে গেছে—এভাবে গুজরে যায় দিন দিনেদিনে<br />
মুছে যায় স্মৃতি—দেয়ালেরও লিখন<br />
বউবাজারের নিখিলচন্দ্র রোডের বাড়িটি এখনো আছে?<br />
কি জানি, জোছনার উঠোনে নীলাদ্রির দরদ এখনো উছলে পড়ে? কে জানে?<br />
এখনো বলে ওঠে? উপদেশ দেয়? ব্যথার পাহাড় কিনতে নেই</p>
<p>ফেরা হলো না আর সেই শহরে</p>
<p>দেখা হলো না আর আকিনের সংসার কোনো অজুহাতে—<br />
আমি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-255458"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/255458/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">909f15c2f7b62895db4ea7cc21f0f44f</guid>
				<title>Azaha Sultan changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/254983/</link>
				<pubDate>Sun, 21 Jun 2026 01:58:29 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bd388c236a342fd900f1845afec739af</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/254982/</link>
				<pubDate>Sun, 21 Jun 2026 01:51:02 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1932662a91fc532a1b7802da2c3723e5</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/254980/</link>
				<pubDate>Sun, 21 Jun 2026 01:36:41 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3121028b154383f6d56d6279c0b91707</guid>
				<title>আবার 
১ 
আমাকে দেখে আর মুখ লুকাতে হবে না তোমার 
হুঁচোট আর কত খাবে তাড়াহুড়ো করে মুখ লুকোতে গিয়ে 
চলে যাব অচিরেই অবজ্ঞার এ শহর ছেড়ে দূরে—অনেক দূরে 
আমাকে মশাল জ্বেলেও খুঁজে কোনো দিন পাবে না আর 
তুমি সুখে থেকো—তোমার সুখের জন্যে আমার এ প্রস্থান 
সুখ যদিওবা দিতে পারিনি—দুঃখ বিন্দুপরিমাণ রেখে যাব না তবে 
তবে? আমার কবরে ভালোবাসার চুমে একটি গোলাপ নাইবা দিলে 
শুনে—ঘৃণার আগুনটি নিভায়ো তবে দুফোঁটা চোখের পানি ফেলে 
এতটুকু আবদার—তারপর নাহয় ভুলে যেয়ো চিরতরে আমাকে আবার 
তোমাকে দুঃখ দিতে কখনো আর আসব না এই পৃথিবীতে 
২ 
আমাকে খুঁজছ? খুঁজতে পারো—পাবে না আর জগৎ চষে 
আমি হাসতে হাসতে ভেসে এসেছি সেদিন কান্নাবানের জলে 
অই নক্ষত্রের দেশে—চিরকুয়াশার আঁধার নগরে আমার বাস 
নিশিথে ফুটে যে-কুসুম তারই ঘ্রাণে হয়তো হয়তোবা 
অনুভূত হতে পারে আমার ঘ্রাণ একদিন সত্যিকারের হৃদয়ে 
ফুটফুটে জোছনার আবছায়াতে আমার ছায়া দেখবে না আর 
অই যে তোমার চলাচলের পথে—পদ্মদিঘির কালোজলে 
রক্তকমল হয়ে ফুটছি আমি আবার—তোমার হাঁটাচলা চাহাতে 
হয়তো ঘাসফুল—চোরকাঁটা জড়ায়েছি তোমার লাল-পাড়-শাড়িতে 
টের পাবে না তুমি—ভুঁইফোঁড় দলে যাচ্ছ কিবা যাবে বারবার 
৩ 
আমাকে দেখেও হয়তো চিনতে পারবে না আর 
এখানে—আমি ছায়াহীন বালিকার নিগূঢ় প্রেমে মজে 
দিনরাত খেলব—খেলছি লুকোচুরি বেদনার বাগানে 
সেখানে—দূরে—বহুদূরে—হয়তো আরও দূরে 
চিরকুমার-কুমারীদের দলে ছুটছি সমান্তরালের ময়দানে 
এ জীবনের না পাওয়ার বেদনা হয়তো সেদিনও রবে 
থাক-না তবে—আবার আমি তোমার কথা মনে করে 
হাসনাহেনা হয়ে ফুটতে পারি মোহনলালের কার্নিশে 
তার ঘ্রাণের টানে তুমি যখন পাগল হবে মৃগহরিণীর মতো 
তোমার অস্থিরতায় আমিও দোলব অস্থিরে—কস্তুরি-সুগন্ধে 
৪ 
আমাকে অনুভব করতে পারো—পারবে না হয়তো 
আমি তোমার হাসির ঝলকে মুক্তোঝরা ঝরতে ঝরতে 
সুখাকুল সুখে সমুদ্রতল গভীরতলে ডুবে যাচ্ছি কিবা যাব 
কিবা আবার ভেসে ওঠছি—ওঠব তোমার নাম ধরে 
সৃষ্টির সমস্ত রঙে মিশে গিয়ে আবার আমি রাঙাতে আসছি 
আসব—আসব না সাজাতে আর বিষাদের রংহীন সংসার 
আমার কথা নাইবা মনে রাখলে তুমি—নাইবা রাখলে স্মরণ 
আমি তোমার কথা মনে করে আসছি—আসব আবার 
ভুলে যাব সেদিন বিরহজ্বালার সেসব—অইসব নীলদংশন 
দেখব বিস্ময়ে নিশ্চয়তার অভূতপূর্ব আদর আর আদর 
৫ 
আমাকে দেখতে পাবে—অন্যমনে হয়তো অন্যরূপে—
তোমার শুভ্রজীবন রাঙানো হবে যখন চিরচিত্রণের বিচিত্রে 
কানিজের সৎপুত্র মালিজের সাথে কিবা ভ্রাতুষ্পুত্র জগনে 
অথবা সোয়াতির আগপুত্র সুখেন্দ্রের সঙ্গে দুনিয়া এককরে 
প্রার্থনারত ভ্রমর এক আত্মহারা দেখো—দেখবে পুষ্পনিকুঞ্জে 
যাত্রা শুভ হোক—ভেনিস শহরের কিবা সিলন-সেরেনদ্বীপের 
অথবা হিমালয় থেকে হিমাচল—নীলগিরি নীলাদ্রি জাফলঙের 
মধুঝরা সেই মধুচন্দ্রিমার অই প্রমোদনগরের ঘাটে ঘাটে 
তোমার স্বর্গসুখের সংসারে—আনন্দঘন-মুহূর্তের একান্ত কুঠরিতে 
ভূত হয়ে দাঁড়াব না—দাঁড়াবে না কখন আমার ছায়া ভয়ংকরে 
৬ 
আমাকে হয়তো দেখতে পাবে তুমি আবার—পাবে না হয়তো—
ˆবরৎ বেইজিং বার্লিন বার্ন বুখারেস্ট বেগাওয়ান মানামা মস্কো মস্কাট 
রিয়াদ আবুধাবি সিউল সিডনি রোম প্যারিস লন্ডন টোকিও ওয়াশিংটন—
এ বেতবনে বাঁশঝাড়ে হিজলতলায়—ডুমুরের ঝুঁকেপড়া ভাসাডালে 
‘ডাক’ ‘ডাক’ ডাকছে দেখবে ডাহুক এক প্রিয়তমে প্রিয়তমায় 
কিবা খঞ্জন এক পুচ্ছ নাচাচ্ছে মহেন্দ্রদেবের ডেউয়াগাছটিতে 
হয়তো জলপিপি এক ওড়ছে দেখবে তোমার মাথার ওপরে 
কিবা ঘুঘু শালিক দোয়েল এক খুঁটছে দানা জগেন্দ্র উঠোনে 
‘দূর’ ‘দূর’ করে দূরে তাড়াচ্ছ তুমি তারে বারবার বারেবারে 
বারবার আমি আসছি ধেয়ে—আসছি তোমার মূঢ়দৃষ্টে আবার 
—আযাহা সুলতান</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/254979/</link>
				<pubDate>Sun, 21 Jun 2026 01:34:52 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আবার<br />
১<br />
আমাকে দেখে আর মুখ লুকাতে হবে না তোমার<br />
হুঁচোট আর কত খাবে তাড়াহুড়ো করে মুখ লুকোতে গিয়ে<br />
চলে যাব অচিরেই অবজ্ঞার এ শহর ছেড়ে দূরে—অনেক দূরে<br />
আমাকে মশাল জ্বেলেও খুঁজে কোনো দিন পাবে না আর<br />
তুমি সুখে থেকো—তোমার সুখের জন্যে আমার এ প্রস্থান<br />
সুখ যদিওবা দিতে পারিনি—দুঃখ বিন্দুপরিমাণ রেখে যাব না তবে<br />
তবে? আমার কবরে ভালোবাসার&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-254979"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/254979/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4ccc13d12aff3317b131e2b0bcbe9bab</guid>
				<title>পুনর্জন্ম 

হাজার বছর পরে 

হয়তো আবার দেখা পাবে আমার 
এ করুণার বাসভূমে হয়তো আর আসব না ফিরে 
এ বাংলার লোকালয় তখন হয়তো রবে না 
রবে না হয়তো এদেশের কোনো চিহ্নপ্রতীক 

রবে না 

রবে না হয়তো জাতিভেদের কোনো ভেদাভেদ 
রবে না রবে না হয়তো মানুষে মানুষে বিবেদবিদ্বেষ 
রবে না মৃত্তিকায় কেউ রবে না অট্টালিকার আত্মগরিমায় 
ধনীগরিব উঁচুনিচু আর্য-অনার্য প্রভেদ ভুলে মনুষ্যজাতি হবে এক 

তখন? 

তখন হয়তো পৃথিবীর আরেক দেশে জন্ম হবে আমার অন্যরূপে 
তুমি হবে আরেক—হয়তো রবে দূরে—কিবা—তবু হৃদয়ের কাছে 
তোমার আঙিনার হলুদবনের গুলঞ্চলতার ফুলটিরে ভালোবাসবে তুমি 
হয়তো সে আমি, অনুভবে সকল অনুভূতি করবে বন্ধু স্মরণ—

তখন 

খেয়াল করো ওই পথের ধারে কলমিডাটায় বসে আছে যে-ফড়িং 
তোমার বাড়ির উঠোনে শজনেগাছে বসে আছে যে-হলুদ পাখিটি 
কিবা বসে আছে পেয়ারাডালে—বারবার উঁকি দিচ্ছে ওই ঘুলঘুলিতে 
অথবা তোমার চলার পথে দ্রোণফুল হয়ে জড়িয়ে আছে পায়ে 

টের পাবে না তুমি 

যে-ভালোবাসার সমাধি হতে চলে যাচ্ছি আজ প্রেমহীন গহিনারণ্যে 
জেনে রেখো প্রিয়, সেখানে হবে হয়তো আমার বেদনার কবর—
এই যে এ বিদায়ের পল, এই যে এ অপূর্ণ ভালোবাসাবিকল 
যদি কখনো পূর্ণ হয়—হতে পারে—হবে তবে ওই ধরাধামে 

অথবা না হোক কবে 

এ জগজ্জড়তার ছত্রছায়ায় চাই না একবিন্দু ঠাঁই 
চাই না নির্দয়ের কাছে করুণার কড়িমাত্র পাথেয় 
চাই না বিরূপ এ চরাচরে মানুষরূপে জন্ম নিই আবার 
ধর্মান্ধতার জাঁতিকলে বলির মৃগ হতে চাই না পুন 

বন্ধু তবে 

আমায় যদি মনে পড়ে কবে—দেখো ওই নক্ষত্রের প্রাঙ্গণে 
জোনাকির আলোর মতো জ্বলছে মিটিমিটি—দলেদলে করছে নর্তন 
হয়তো সেখানে আমি একজন ভালোবাসার মশাল জ্বেলে 
প্রিয়তমের প্রতীক্ষায় বসে আছি আহ্লাদে শুধু আহ্লাদের ঘরে 

মনে রেখো 

সেদিন ফুটবে না আর কোনো বেদনার নীলোৎপল 
আসবে না আর কোনো বিদায়ব্যথার করুণমুহূর্ত 
যেতে হবে না দূরে—অনেক দূরে প্রিয়জন ছাড়ি 
আজ যেতে বাধ্য—নেই কোনো উপায়—কোনো সামর্থ্য 

বন্ধু যাই 

অপরাধী আমি নই—তবে ভাবো যদি অপরাধী 
মানি বিধিলিখন, ধন্য তবে ধিক্কারের বাণী যদি পাই 
আবার জন্ম যদি সত্যি হয় চাই না এ হিংস্রজীবন 
পুনর্জন্মে যদি আসি মাছরাঙা হয়ে ওই নদীটির কিনারে 

ধন্য সেই জনম 
—আযাহা সুলতান</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/241638/</link>
				<pubDate>Sun, 29 Mar 2026 08:12:03 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>পুনর্জন্ম </p>
<p>হাজার বছর পরে </p>
<p>হয়তো আবার দেখা পাবে আমার<br />
এ করুণার বাসভূমে হয়তো আর আসব না ফিরে<br />
এ বাংলার লোকালয় তখন হয়তো রবে না<br />
রবে না হয়তো এদেশের কোনো চিহ্নপ্রতীক </p>
<p>রবে না </p>
<p>রবে না হয়তো জাতিভেদের কোনো ভেদাভেদ<br />
রবে না রবে না হয়তো মানুষে মানুষে বিবেদবিদ্বেষ<br />
রবে না মৃত্তিকায় কেউ রবে না অট্টালিকার আত্মগরিমায়<br />
ধনীগরিব উঁচুনিচু আর্য-অনার্য প্রভেদ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-241638"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/241638/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>