Profile Photo

bithy 123 bithyOffline

  • bithy123bithy
  • Profile picture of bithy 123 bithy

    bithy 123 bithy

    • 3 weeks, 6 days ago

    আজঅসমাপ্ত সংলাপ
    ফাতেমা সিনথিয়া

    একজন কবিকে বলছি, সে যেন আমার প্রশ্নের জবাব দিয়ে যায়,
    আমার জানতে চাওয়া কথাগুলো বলে যায়, তাঁকে বলো, সে যেন চলে না যায়।
    এ জগত সংসারে সে একজন কবি,
    কলম ধরলেও কবি হওয়া যায় না।
    তার কাছে কিছু প্রশ্ন রয়ে গেছে যে আমার।
    সে কোথা হতে এসেছে?এ মহাকাল,
    শত জনমের যে শূন্যতা, যে অনুরাগ,বাতুলতা, যে বাঁধনে বাঁধা সবাই, সেও কি তাদের মধ্যে একজন নয়? তার কি মন চায় নি একটা ঘরে কোনো এক রমণীর সাথে বনিবনা হোক? সে হতে পারত কোনো ছকে বাঁধা মানুষ?
    কিন্তু, কবি কেন হলো?
    তার একটা কবিতা আমি পড়ব, নিয়ে এসো।
    পড়ে যদি বুঝতে পাড়ি, সে কেন কবি হলো, কেন এ জগতের সাথে তার লেনদেন কম?
    তাহলে আমার কৌতূহলী মন একটু শান্তি খুঁজে পাবে।
    হ্যা, এলো চিঠি, একটা চিঠি,হয়ত এই সামান্য নারীর কথার জবাব সে কবি দিয়েছে।
    বাসন্তী রঙের খামের ভেতর সবুজ রঙের চিঠি।
    আমি খুব উতসাহ নিয়ে ধীরে ধীরে চিঠি বের করি, সংলাপ আকারের সে চিঠি।
    পড়তে থাকলাম কিছু সময় ধরে দাঁড়িয়ে,কিছু ঘটনা, কিছু কথা,আবেগ,স্মৃতির পাতায় হাজার ভাষা যেন একটা সুরে গেঁথেছেন উনি।
    চোখে জল চলে এলো,জানতে পারি,উনি কেন কবি।
    সময় যেমন করে তার নিজস্ব গতিতে চলতে থাকে,কিছু কেড়ে নেয়, কিছু ফিরিয়ে দেয়,কিছু শিক্ষা দিয়ে যায়।
    যেজন্য মানুষ কখন কে কি করে,কোন ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে কোন পথে চলতে থাকে,
    তার কোনো সূচি নেই।
    সেও ভালোবাসতে জানত, তার ও স্বপ্ন ছিল, কিন্তু, নিয়তির নিঠুর পরিণতি,স্বপ্নভঙ্গ আরো কত কিছুর প্রতিফলনে আজ উনি একজন কবি।
    পুরো চিঠিই যেন কোনো কথা বলছে, সেখান থেকে হাসি, কান্না, মন ভাঙার
    অনুভুতি,কাছের মানুষের দেওয়া আঘাত- এইসব কিছুই তার ইন্ধন জোগায় কবি হওয়ার জন্য।
    কোনো এক মুহূর্তে তিনি কবি হননি।
    তার লেখা শেষ শব্দগুলো,

    ” থেমে যেও না, থেমে যেও না,
    এ জগত সংসার জুড়েই রয়েছে নিখুঁত বৈজ্ঞানিক ইতিকথা,গতি।
    কারুর মায়ায় নিজেকে বেঁধে রেখো না, যে মুক্তি চায়, তাকে মুক্তি দাও।
    যেমন পায়রা উড়িয়ে দেয়া হয় নীল আকাশে।
    তুমিও পারবে, যেমন আমি পেরেছি,
    এ বিশ্ব চরাচরে চেয়ে দেখ, কারুর মায়ায় কেউ আটকে নেই।
    আবার বলছি,তুমি পারবে।
    গহীন আঁধারের বুক চিরে,বুনো ঝোপঝাড় এর গন্ধ,আঁধার সব উপেক্ষা করে,তবুও সুর ওঠে,গান বাজে,ফুল ফোটে, চেয়ে দেখ।

    তাই থেমে যেও না,লিখ লিখ
    অসমাপ্ত সংলাপ।
    লিখ, কোনো এক প্রচন্ড ঝড়ের কবলে নাবিক কিভাবে সামাল করে,
    যুদ্ধের সময় কেন মা কোনো চিন্তা না করেই তার সন্তানকে পাঠায় দেশ রক্ষা করতে?
    কেন কত ফুল ফুটে আছে আর কত ঝড়ে পড়ে,সে হিসেব কেউ রাখেনি?
    কেন সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য রক্ত দিয়েও সেই মিথ্যেই মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকে?
    কেন সমুদ্রের অতল গহ্বরে এতকিছু,আর তুমি জানোই না?
    কেন পাহাড় ভাঙার গান শুনতে পেলাম না?
    কেন মায়ের ছেড়া শাড়ি?
    শহীদের পিতার আর্তনাদ কেন ক্ষমতালোভীরা শোনে না?
    খোঁজ,খোঁজ, এগুলোই খোঁজ,কলমের আঘাতে ক্ষত বিক্ষত হোক জালিমের
    তলোয়ার।
    আমি যে কবি, কেন কবি, জানতে চাইলে শোনো,কান পেতে সেই আওয়াজ শোনো।
    যে আওয়াজ আছে মৃত্তিকার অতল গহ্বরে,
    যে আওয়াজ আছে সন্তান হারা মায়ের কণ্ঠে,
    যে আওয়াজ আছে শহীদের রক্তাক্ত জখম হওয়া কাপড়ে।
    জিজ্ঞাসা কর,প্রশ্ন কর,জবাব চাও,কি হয়েছিল ওদের সাথে।
    কেন যুগে যুগে বিশ্বাসঘাতকগুলো আরামে আছে?
    খোঁজো,খোঁজো,খোঁজ কর।
    কলম ধর,ধর,ভয় নেই তোমার।
    তোমার পেছনে এরা সবাই,আমি হঠাত কবি হইনি।
    তুমি ঠিকই বুঝেছ, আমায় ইন্ধন জোগায় কিছু ঘটনা,কিছু অশ্রু,কিছু যুদ্ধ,কিছু কথা।
    কবির ভাষায় কথা শুনে আমার দু চোখে ছলছল করে উঠল।
    তিনি আরো লিখেছেন,
    গভীর সমুদ্রের বুকে আছড়ে পড়ে ঢেউয়ে, সেখানে নাবিক কি করে টিকে থাকে?
    সন্তান হারা মা কেন খোকা ফিরবে বলে পথের পানে তাকিয়ে থাকে?
    যেন আদিগন্ত নগ্ন পদধ্বনি শোনা যায়?
    কেন অপেক্ষা করতে করতে গোলাপের পাপড়ি শুকিয়ে গেছে কিন্তু সে আসে নি?
    এ নিখিল বিশ্ব জুড়ে কিসের এত আর্তনাদ, এসো,কেউ এসো, একটা মোমবাতি নিয়ে এসো।
    কেউ কি আসলেই আসে?
    কেন আদিনিবাস ভেঙে নগর, সভ্যতা মানবতা গ্রাস করেছে?
    পাথরে কেন চেয়ে আছে, কেন পূর্বপুরুষদের রক্ত, সংগ্রাম,কাহিনি বলতে চাচ্ছে?
    থেকে থেকে কেন ম্লান হয়ে যায় সত্যের তরবারি?”

    আমি পড়ি আর ভাবি,
    কবি, হায় কবি, যে দিগন্ত জুড়ে তোমার দৃষ্টি, যে মহাকাল তুমি লিখেছ,যে অন্তর আত্মা তোমার,
    আমি কবি হতে পারব কি না, তা জানি না।
    কিন্তু, সত্যের সন্ধানে এসে পরেছি।
    তুমি গভীর থেকে গভীরে গিয়েছ,
    আমার বন্ধ চোখের পাতা খুলে দিয়েছ,
    আমাকে কবি মন কেমন হয়, তা বুঝিয়ে দিয়েছ।
    তুমি ধন্য, তুমি ধন্য,
    আমিও কিছু লিখে যাব তোমার জন্য,
    এখন নয়, চিঠি পড়ে শেষের দিকে।

    তুমি আরো লিখেছ,
    এ সমাজ, সভ্যতা ধ্বংস করেছে যে লুটেরা, যাদের হাতে মোমবাতি নেই,
    ন্যায় বিচারের নামে ওরা প্রহসন চালু করেছে।
    একদিন নিয়তি ও ওদের নিয়ে প্রহসন করবে, ওদের কান্না দেখে হাসবে।
    কিছু সময় অপেক্ষা কর, দেখতে পাবে, কোনো হিসেব থাকে না বাকি,
    বাকির খাতার সব হিসেব একদিন পূর্ণ হবে।

    যে জমিন ভিজেছিল শহীদের রক্তে, সেই একই সময়ে, কোনো ঘটনা, কোনো শক্তিশালী ঝড় এসে বিচার করবে।
    রক্ত, রক্ত,
    তখন রক্ত ঝরবে সেই জালিমের, সব ঋণ শোধ হয়ে যাবে।
    যত ঋণ আছে-
    সেই শহীদের রক্তের দাগ, মায়ের অশ্রু,বোনের আর্তনাদ, সেই রক্ত মাখা কাপড়, হুম, সব হিসেব চুকিয়ে দিয়ে
    নিয়তি বিচার করবে।
    তুমি মিলিয়ে নিও আমার কথা।

    আঁধারের বুক চিরে ছোট্ট খুকির আর্তনাদ শোনা যায়,
    কেউ এগিয়ে আসেনি, কেউ না।
    তার শিশুবেলা শেষ হওয়ার আগেই সে ঐ নরপিশাচ এর বিকৃত ভোগের সামগ্রী হয়েছে।
    তার রক্তাক্ত জামা, ক্ষতবিক্ষত নিথর দেহ, ছেড়া চুল তার মা দেখেছে।
    তবুও আলো হাতে কেউ এগিয়ে আসেনি, শুধুই মিথ্যে বুলি,ফাঁকা আওয়াজ, মন ভোলানো কথা।
    আমি আমার কলমের কালির আঁচড় কেটে যদি একটু আলো জ্বেলে দিতে পারি,
    তাই আমি কবি।

    গভীর সমুদ্রের বুকে যে ঢেউ খেলানো মায়াবতীর খেলা,
    ওতে নাবিক লড়ে যায়, প্রতিনিয়ত ।
    সমাজ ও সভ্যতা টিকে থাকে এভাবেই।
    এ লড়াই আদি অন্তহীন,চিরন্তন।
    শরীরের ঘাম দিয়ে, শক্তি নিংড়ানো লড়াই,এ জগত সংসার জুড়েই এ যুদ্ধ।
    এ টিকে থাকার লড়াই বটে।
    যতক্ষণ বুকে শ্বাস আছে,এ লড়াই ও আছে।
    এতটুকুও ছাড় নয়, কোনো আপোস নয়,শুধু লড়াই আর লড়াই।
    পাথরে আগুন ধরিয়ে যে লড়াই শুরু হয়েছে,তা এখনো শেষ হয়নি।

    যে বধূ চুলে বিনুনী গেঁথে ফুলের মালা দিয়ে সাজে, বেনারশি শাড়ি পড়ে,ঘোমটা টেনে দেয়,
    তার হাতেই আত্মরক্ষার জন্য ঢাল-তলোয়ার দেখা যায়।
    হ্যাঁ,এটাই বাস্তব।
    যেখানে কোমলতর ফুল ফোটে,সেই খানেই রাতের যবনিকা কাটে না,ভোর ও হয় না।
    শুধুই অপেক্ষা আর অপেক্ষা।
    একটা দীর্ঘ সময় পর্যন্ত, তারপরে ভোর হয় ধীরে ধীরে, পক্ষীকূল ডানা মেলে উড়ে যায়।
    ভোর তো হওয়ারই ছিল, কিন্তু,সেই পরমসত্তা,উনি ধৈর্যের পরীক্ষা নিলেন।

    কবি, হায় কবি!দুচোখে জল ছলছল করে উঠল তোমার লেখা পড়ে।
    আমি পুরো চিঠি পড়তে চাই।

    ” কবি হতে হলে সমুদ্রের উত্তাল ঢেউ দেখতে হবে? কিন্তু,খালি চোখে নয়।
    কবি হতে হলে,সূর্যের সোনালি আভায় নিজের মুগ্ধতা মিলিয়ে নেবে,
    বনে বাদাড়ে ঘুরে ওখানে পরিচিত হতে হবে,
    কোনো এক মা, তার সন্তানের জন্য অপেক্ষয় আছে, আমায় যেতে হবে।
    তার চোখের দিকে তাকিয়ে না বলা কষ্ট বুঝে নিতে হবে।
    তবেই আমি কবি।
    ছোট্ট কিশোরীর ঘুঙুর পায়ে যে আওয়াজ,যা দুর্লভ, তা শুনতে হবে।
    তুমিও যদি কবি হতে যাও,
    বলছি,শোনো,
    এ লোকালয় ছেড়ে যেতে হবে না।
    আমি সে কথা বলিনি
    তৃতীয় নয়ন খুলে রেখ,হ্যাঁ,তৃতীয় নয়ন খুলে দাও।
    প্রতি ভাঁজে ভাঁজে যে রহস্য,তা খুঁজে পেতে যেন বেগ পেতে না হয়।
    আর প্রেম,প্রেম সন্ধান কর।
    প্রেম,যা না থাকলে এ মহাকাল বিনাশ হয়ে যেত।
    পৃথিবী আর তার আশেপাশের যা কিছু,যত কিছু সবই প্রেম।
    এ পৃথিবীর সাথে আমাকে-তোমাকে বেঁধে দিয়েছে প্রেম।
    এ প্রেম বুঝতে হবে,
    এজন্য দুর্লভ কিছুই করতে হবে না।
    আমি আবার ও বলছি,তৃতীয় নয়ন খুলে রাখ।

    তুমিও কবি হতে পারবে,হ্যাঁ,পারবে,
    এ জগত সংসার, নির্মম সত্য,বিশ্বাস ঘাতকতা, ক্ষত বিক্ষত চিন্হ তোমায় কবি করে তুলবে।
    কিন্তু,মনে রেখ যে যুবা যে যে মিথ্যে ভালোবাসি বলে তোমায় ছুড়ে ফেলে দিয়েছে,
    না তুমি তাদের কাছে যাবে, না তাদের তোমার কাছে আসতে দেবে।”

    কবি,হায় কবি,
    চিঠি পড়ে শেষ করেছি।
    কিন্তু,চোখের জল বাঁধ ভেঙে ঝড়ে পড়ে,দু গাল বেয়ে অশ্রু নামছে।
    আমার সব প্রশ্নের উত্তর আমি পেয়েছি।
    ওগো কবি,
    জীবনের একটা পর্যায়ে যেখানে আমরা সবাই হেরে যাই, তা যত্ত শক্ত লোক হোক না কেন।
    জ্বলে পুড়ে রুপো যেমন হয়,তুমিও তেমন কবি।
    তোমার কথা মনে রইলো,
    তোমার বাণী গেঁথে দিয়েছি,
    তোমার কষ্ট নিজের মত করে বুঝে নিয়েছি।
    তোমায় আমার আরাধ্য মেনেছি।
    ওগো কবি, হায় কবি,
    পাহাড় ভাঙার গান শুনতে যে ওখানে যেতে হয় না,তুমিই শেখালে।
    তুমি তো সেই কাননের ফুল, যা ফোটে ভোর হওয়ার আগেই।
    বনের প্রকৃতি দেখতে হলে তৃতীয় নয়ন লাগে,
    তুমি মায়ের চোখের অশ্রু মুছে দিলে ভালোবাসি।
    ওগো কবি,
    এতদিন শুধু কবিই বলেছি,
    আমার আরাধ্য তুমি।

    তুমি মাটির বুক চিরে বৃক্ষ জন্ম নেওয়ার গল্প শুনেছ,
    তুমি মায়ের চোখের যে অশ্রু তা দেখেছ,
    তুমি সৈনিকের যুদ্ধে যাওয়ার যে উন্মাদনা তা দেখেছ,
    তুমি ফুলের মালা নিয়ে প্রেমিকার অপেক্ষার প্রহর গুণে যে কষ্ট,তা দেখেছ,
    তুমি গ্রাম্য, নগ্ন শিশুর উচ্ছ্বল হাসি শুনেছ,
    তুমি স্বামীহীনা নারীর প্রতি সহিংসতা দেখেছ,
    তুমি শহীদের রক্তের দাগ শুকিয়ে যে লক্ষ লক্ষ প্রাণ জেগে উঠতে থাকে তা দেখেছ,
    তুমি ফুল ঝড়ে পড়ার কষ্ট দেখেছ,
    পাতালের গুহার নীরব কান্না শুনেছ,
    বিধবা মায়ের আঁচল সাদা তা দেখেছ
    তাই তুমি কবি।
    আমার আরাধ্য,
    তুমি রয়ে যাবে যুগ থেকে যুগান্তকারী নায়ক হিসেবে।
    আর আমরা বিলুপ্ত হয়ে যাব,
    তুমি তখন ও বেঁচে থাকবে,
    যখন তোমার দেহ মাটির নিচে পঁচে গলে যাবে।
    হ্যাঁ,এটাই সত্যি, বাস্তব কথা।

    এসো, আমার আরো প্রশ্নের জবাব দিয়ে আমায় ধন্য করো,
    আমি যে তোমার পরম ভক্ত,
    শুধু জ্ঞানের সমুদ্রে এক টুকরো নুড়ি পাথর হয়ে থাকতে চাই।

    আমার পরবর্তী প্রশ্নগুলো,
    তুমি কি দর্পণে মুখ দেখো না?
    বসন্তের বাতাস কি তোমার মনে সারা দেয় না?

    পড়ে দেখুন। একটি কবিতা দিচ্ছি:

    3
    4 Comments
    • আপনার লেখা এই গদ্যটি পড়ে একদম মুগ্ধ হয়ে গেলাম, বিশেষ করে কবির অনুভূতির গভীরতা যেভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন তা সত্যিই এক কথায় অসাধারণ। এমন আবেগঘন ও জীবনমুখী লেখাগুলো আমাদের চারপাশের অনেক না বলা কথাকেই যেন সুন্দরভাবে সামনে নিয়ে আসে। এই গ্রুপটিকে প্রাণবন্ত রাখতে আপনার পছন্দের লেখায় রিঅ্যাকশন দিন এবং অন্য লেখকদের কাজেও নিয়মিত মন্তব্য করুন, এতে আমাদের সবার উৎসাহ আরও বেড়ে যাবে।

    • কবিতাটির ভেতরে এক ধরনের অসমাপ্ত প্রশ্ন আছে, আর সেটাই এর সৌন্দর্য বাড়িয়েছে।

    • bithy 123 bithy, আপনার এই দীর্ঘ ও গভীর ভাবনার উপস্থাপনটি পাঠ করে মানবজীবনের বিচিত্র সব টানাপোড়েন ও অনুভূতির এক দারুণ প্রতিফলন দেখতে পেলাম। বিশেষ করে কবির দায়বদ্ধতা এবং চারপাশের অব্যক্ত আর্তনাদকে কলমের ডগায় তুলে ধরার বিষয়টি আপনি খুব সংবেদনশীলভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন, যা এক মুহূর্তের জন্য হলেও আমাকে স্মৃতিকাতর করে তুলেছে। আপনি কি গ্রুপে অন্যদের লেখাগুলোতেও নিয়মিত আপনার সুন্দর মন্তব্য ও ভালোবাসা ছড়িয়ে দেবেন, যাতে আমাদের এই লেখার আড্ডাটি আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে?

    • কবিতা এখানে শুধু শব্দ নয়,অশ্রু, সত্য আর প্রতিবাদের আলো জ্বালানো এক জাগ্রত বিবেক

Skip to toolbar