<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | SK MUNTASIM FUAD | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/detyi89/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/detyi89/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for SK MUNTASIM FUAD.</description>
	<lastBuildDate>Sun, 25 Oct 2026 19:03:08 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">0d7154f4b0d8d896d9aa1c9bb5242487</guid>
				<title>একদা  এক ছাত্র তার উস্তাদের কাছে প্রশ্ন করলো, 
-গুরুজি জীবনে সফলতার জন্য কোনটা গুরুত্বপূর্ণ? ফলাফল নাকি উস্তাদ? 

জবাবে উস্তাদ বললেন , দেখো ফলাফল স্থান, কাল, পাত্র ভেদে বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ কেউ লিখিত পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করতে পারে, আবার কেউ বেসিকে ভালো ফলাফল করতে পারে, কেউ আত্ম উন্নয়নে ভালো ফলাফল করতে পারে, আবার কেউ অর্থনৈতিক ম্যানেজমেন্টে ভালো ফলাফল করতে পারে, কেউ গবেষণায় ভালো ফলাফল করতে পারে,আবার কেউ নেতৃত্বে ভালো ফলাফল করতে পারে তুমি কোনটা ভালো পারো সেটা আগে দেখো। সফলতার পথ অনেকগুলো। যে কোনো একটিতে তুমি সফল হতে পারো। আর এজন্যই উস্তাদ প্রয়োজন, ফলাফল নয়। একজন উপযুক্ত উস্তাদের কাছে থেকে তুমি যতটুকু সঠিক পরিবেশে শিখতে পারবে তাই তোমার জীবনে কাজে লাগবে। আজ হয়তো তুমি কাজে লাগাতে পারছো না তোমার অনভিজ্ঞতার জন্য কিন্তু এখান থেকে দশ বছর পর হয়তো এই দক্ষতাই তোমাকে সাফল্যের চুড়ায় নিয়ে যেতে পারে। এজন্য উস্তাদ বা শিক্ষক গুরুত্বপূর্ণ ফলাফলের থেকে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/223547/</link>
				<pubDate>Wed, 04 Dec 2024 02:14:38 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>একদা  এক ছাত্র তার উস্তাদের কাছে প্রশ্ন করলো,<br />
-গুরুজি জীবনে সফলতার জন্য কোনটা গুরুত্বপূর্ণ? ফলাফল নাকি উস্তাদ? </p>
<p>জবাবে উস্তাদ বললেন , দেখো ফলাফল স্থান, কাল, পাত্র ভেদে বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ কেউ লিখিত পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করতে পারে, আবার কেউ বেসিকে ভালো ফলাফল করতে পারে, কেউ আত্ম উন্নয়নে ভালো ফলাফল করতে পারে, আবার কেউ অর্থনৈতিক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-223547"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/223547/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a8715c74b28cbf33f3503a8803ec0a8a</guid>
				<title>ইনশাআল্লাহ আসন্ন খেলাফত ব্যবস্থায় আদমীদের ৪টি বিষয়ে সুনিশ্চিত করবে ইনশাআল্লাহ। 

১। শান্তি

২। নিরাপত্তা

৩। সুন্দর জীবন

৪। সম্পদের সুব্যবস্থা এবং বন্টন</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/223546/</link>
				<pubDate>Wed, 04 Dec 2024 02:12:39 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ইনশাআল্লাহ আসন্ন খেলাফত ব্যবস্থায় আদমীদের ৪টি বিষয়ে সুনিশ্চিত করবে ইনশাআল্লাহ। </p>
<p>১। শান্তি</p>
<p>২। নিরাপত্তা</p>
<p>৩। সুন্দর জীবন</p>
<p>৪। সম্পদের সুব্যবস্থা এবং বন্টন</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e0b5b74ec3340b5bccf807f6c651f96d</guid>
				<title>একসময়ের খামখেয়ালি ছেলেটা এখন ক্যারিয়ার নিয়ে চিন্তায় বিনিদ্র রজনী কাটায়।ভাবতে অবাক লাগে যে ছেলেটা ৮ বছর ধরে অনবরত খারাপ করেও কিছু মনে করে না,সে একটা সামান্য খারাপের কারনে মন খারাপ করে বসে থাকে।যে ছেলেটা একসময় সাইকেল নিয়ে ঘুরে বেড়াত এখন সে সারাদিন বাসা থেকে বের হয় না।বড়ই একসময়ের খামখেয়ালি ছেলেটা এখন ক্যারিয়ার নিয়ে চিন্তায় বিনিদ্র রজনী কাটায়।ভাবতে অবাক লাগে যে ছেলেটা ৮ বছর ধরে অনবরত খারাপ করেও কিছু মনে করে না,সে একটা সামান্য খারাপের কারনে মন খারাপ করে বসে থাকে।যে ছেলেটা একসময় সাইকেল নিয়ে ঘুরে বেড়াত এখন সে সারাদিন বাসা থেকে বের হয় না।বড়ই অদ্ভুত।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/7341/</link>
				<pubDate>Fri, 16 Apr 2021 03:56:52 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>একসময়ের খামখেয়ালি ছেলেটা এখন ক্যারিয়ার নিয়ে চিন্তায় বিনিদ্র রজনী কাটায়।ভাবতে অবাক লাগে যে ছেলেটা ৮ বছর ধরে অনবরত খারাপ করেও কিছু মনে করে না,সে একটা সামান্য খারাপের কারনে মন খারাপ করে বসে থাকে।যে ছেলেটা একসময় সাইকেল নিয়ে ঘুরে বেড়াত এখন সে সারাদিন বাসা থেকে বের হয় না।বড়ই একসময়ের খামখেয়ালি ছেলেটা এখন ক্যারিয়ার নিয়ে চিন্তায় বিনিদ্র রজনী কাটায়।ভাব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-7341"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/7341/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">875480f792861c761b33ac57e0b08db9</guid>
				<title>প্রতিটা ইনট্রোভার্টেরই আলাদা একটা জগত থাকে।
আর মূলত একটা ইনট্রোভার্টের মনের ভেতর কি চলছে সেটা আপনি মোটেও ধরতে পারবেন না।আপনি শুধু জানবেন ঠিক ততটা যতটা সে চায় আপনি জানুন।আপনার মনে হতে পারে যে একটু একটু করে আপনি তাকে চিনতে পারছেন কিন্তু তা না। আসলে সে একটু একটু করে আপনাকে একটা ছবির খন্ডাংশগুলো দিচ্ছে।দিন শেষে যে ছবিটা তৈরি হবে সেটা তারই আকা।

অনেকেই ইনট্রোভার্টদের দোষ দেয় যে তারা মানুষের সাথে মিশতে পারে না।এই কথাটা একদম ভুল।তারা আসলে চায় না। যত বেশি মানুষ জীবনে আসবে ঠিক তত বেশি মানুষ জীবন থেকে চলে যাবার সম্ভাবনা থাকে।ঠিক ততটাই হার্ট হবার পসিবিলিটি থাকে।ঠিক এই রিস্কটাই সে নিতে চায় না।
নইলে একটা ইনট্রোভার্ট যখন কারো সাথে মিশে যায় ,যখন তার কমফোর্ট জোনের ভেতর চলে আসে তখন দেখা যায় তার আসল রূপ।সেটা মোটেও চুপচাপ লোনলি একটা মানুষ নয়।সেটা হয় এমন একটা চটপটে দূরন্ত স্বভবের ডানপিটে চরিত্র যে রূপটা সে সবার জন্য রাখে না। ইভেন একটা এক্সট্রোভার্টকেও হার মানিয়ে যায়।

আমার মতে প্রত্যেকটা ইনট্রোভার্ট আসলে একেকটা হাইলি এক্সট্রোভার্ট।এরা যখন রাতের আড্ডায় হুট করে তাদের এই রুপে চলে যায় কিংবা বাসায় তাদের কথার ফুলঝুরি ছোটায় তখন যেন একেকটা এক্সট্রোভার্টেরও কান ঝালাপালা হতে বাধ্য।
তবে ইনট্রোভার্টরা সোশাল ইন্টার্যাকশনে মাঝে মধ্যে খুব টায়ার্ড হয়ে পড়ে এবং এদের নিজের জগতে ফিরে গিয়ে নিজেদের রিচার্জ করে নিতে হয়।এরা একা হাসতে পারে, নিজেদের সাথে কথা বলতে পারে এবং ঘন্টার পর ঘন্টা একা থেকে কাটিয়ে দিতে পারে যেটা এক্সট্রোভার্টরা কখনোই পারে না। 
আবার বোরডোম খুব বড় একটা ইস্যু ইনট্রোভার্টদের জন্য। মাঝে মাঝে তারা এতটাই বোরড হয়ে যায় তাদের লাইফে যে অযাচিত পাগলামী,হেভি মুড সুইংস আর মেজাজ খারাপ হয়ে থাকে। তখন আবার এ থেকে মুক্তি পাবার জন্য নতুন নতুন ওয়ে খুজে নিতে হয়।বেস্ট অপশন হয় পছন্দের জিনিস খাওয়াদাওয়া অথবা ট্রাভেলিং।সব ঠান্ডা হয়ে যায়।
হাই হ্যালো দেয়া,কুশল বিনিময় ইন্ট্রোভার্টদের জন্য মারাত্নক এক সমস্যা। অনেক সময় বাধ্য হয়ে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে করতে হয়।অভ্যাস করে নিতে হয়।পাশ দিয়ে যাবার সময় দেখেও না দেখার ভান করে চলে যেতে পারে কিন্ত তার মানে এই না তাকে ঘৃণা করে।তার মানে জাস্ট এই যে এখন কথা বলতে ইচ্ছা করছে না।দেখাই তো যাচ্ছে ভালো আছে।ভালো আছো কিনার উত্তর আবার খারাপ আছি বলে নাকি কেউ? প্রতিদিন এক কথা বার জিজ্ঞেস করতে হবে কেন?

ইন্ট্রোভার্টদের খুব বেশি ট্রাস্ট ইস্যু থাকে। এরা তদেরই বেশি ইরিটেট করে যাদের এরা মনে প্রাণে বিশ্বাস করে।এদের বিশ্বাস প্রকাশ করার ভাষাটা অন্য সবার থেকে আলাদা।
খুব সামন্য একটা পরিবর্তন ,সামান্য একটা ভঙ্গি,খুবই সামান্য একটা কারণ একটা ইনট্রোভার্টের সারাদিন কে নষ্ট করে দিতে পারে। আপাতদৃষ্টিতে বাইরে থেকে এদের খুব রুড এবং স্ট্রং মনে হয় কিন্ত ভেতর থেকে এরা ঠিক ততটাই নরম।সামান্যতে মন খারাপ হয়ে যায়।নিজের ফিলিংস খুব ভালোভাবে লুকিয়ে রাখতে পারে এবং সেটা খুব বেশি অভিয়াস না হলে কারো চোখেই পড়ে না।চোখের পানি সহজে আসে না এদের আবার মাঝে মাঝে নির্জনে ঠিকই কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে। 
কষ্ট পেয়ে হাসতে পারে। সুন্দর করে বলতে পারে “কিছু হয়নি,ইটস ওকে।” এরা ভীড়ের মাঝেও একা হয়ে যায়। সবার মাঝখানে থেকেও যেন সবার চোখের অন্তরালে।

চোখে চোখ রেখে কথা বলতে পারাটা হার্ড এদের জন্য।প্রতিটা চোখের ইশারা এদের মস্তিষ্কে প্রসেস হতে থাকে। সেটা প্রসেস হতে যে ক্ষুদ্র ন্যানো সেকেন্ডের প্রয়োজন হয় সেটা তাকে অন্য ভাবনায় নিয়ে যায়।মুখে একটা বলছেন কিন্ত চোখ দেখে ঠিকই বুঝে ফেলবে আপনি মিথ্যা বলছেন।তবুও সেটা লুকিয়ে দিব্যি হাসি দিয়ে যায়। 
একটা মানুষ যখন অল্প বয়সেই আনেক ভালো থাকতে গিয়ে ,মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার করতে গিয়ে পদে পদে হার্ট হয়,বুলিইং এর শিকার হয় এবং গাদা গাদা অভিজ্ঞতা অর্জন করে ভেতর থেকে অনেক বয়সের অধিকারী হয়ে যায়,এবং এত হার্ট হবার পরও নিত্যদিনের ছোট ছোট কষ্ট সহজে ভুলে যেতে না পেরে নিজেকে একটা গন্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ করে ফেলে এবং নিজের জগতে হারিয়ে যায় তখন তাকে সেখান থেকে বের করে আনার সাধ্য কারো থাকে না। 
তখনই সে ইনট্রোভার্ট হয়ে যায়।আর ইনট্রোভার্ট দের পৃথিবীতে মানুষ সব থেকে বেশি ভুল বুঝে।ভুলভাবে তাদের সম্পর্কে ধারণা পোষণ করে। ওইযে কাউকে দেখে হাসি দিয়ে কথা বলতে না পারলে বা গ্রেট ইমপ্রেশন তৈরি করতে না পারলে একটা ট্র্যাডিশনই আছে যেখানে মানুষ তাদের অল্পতে জাজ করে বসে থাকে।

তারা ঠিকই অন্যেরটা বুঝে নেয়, কিন্ত তাদের না বলা কথাগুলো বুঝতে পারার ক্ষমতা থাকে খুবই কম মানুষের।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/7340/</link>
				<pubDate>Fri, 16 Apr 2021 03:49:51 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রতিটা ইনট্রোভার্টেরই আলাদা একটা জগত থাকে।<br />
আর মূলত একটা ইনট্রোভার্টের মনের ভেতর কি চলছে সেটা আপনি মোটেও ধরতে পারবেন না।আপনি শুধু জানবেন ঠিক ততটা যতটা সে চায় আপনি জানুন।আপনার মনে হতে পারে যে একটু একটু করে আপনি তাকে চিনতে পারছেন কিন্তু তা না। আসলে সে একটু একটু করে আপনাকে একটা ছবির খন্ডাংশগুলো দিচ্ছে।দিন শেষে যে ছবিটা তৈরি হবে সেটা তারই আকা।</p>
<p>অন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-7340"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/7340/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>11</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e3608d06799df7d60353494287d04384</guid>
				<title>যেকোন সুন্দর কিছু  পবিত্র কিছুকে ভালো লাগা ই স্বাভাবিক। সেটা মানুষ বা বস্তু যেকোন কিছু হতে পারে। আবার inner beauty বা ব্যক্তিত্ব ও হতে পারে। সেটা প্রকাশ করা দোষের কিছু নয় একদম ই। আবার ধরুন জিনিস বা সেই মানুষ টাকে আপনি পেলেন না তখন জবরদস্তি করাটা মেন্টাল প্রেশার দেওয়া টাও অন্যায়। তাজমহল সুন্দর। সেটাকে ভালো লাগাটাই স্বাভাবিক কিন্তু তাকে নিজের বেডরুম বানাতে চাওয়া টা কিন্তু অন্যায়। তাই মানুষ হোক হোক বা বস্তু কাউকে ভালো লাগলে বলে ফেলুন। ভালোকে ভালো বলা দোষের না। কিন্তু রিজেক্ট হলে তাকে অসম্মান না করে সম্মান করুন৷ হৃদয়ের গভীরতম স্থানে সংরক্ষণ করে রেখে দিন। কিছু কিছু কষ্টের অনুভূতির মধ্যে ও রোমা</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/7339/</link>
				<pubDate>Fri, 16 Apr 2021 03:47:52 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>যেকোন সুন্দর কিছু  পবিত্র কিছুকে ভালো লাগা ই স্বাভাবিক। সেটা মানুষ বা বস্তু যেকোন কিছু হতে পারে। আবার inner beauty বা ব্যক্তিত্ব ও হতে পারে। সেটা প্রকাশ করা দোষের কিছু নয় একদম ই। আবার ধরুন জিনিস বা সেই মানুষ টাকে আপনি পেলেন না তখন জবরদস্তি করাটা মেন্টাল প্রেশার দেওয়া টাও অন্যায়। তাজমহল সুন্দর। সেটাকে ভালো লাগাটাই স্বাভাবিক কিন্তু তাকে নিজের বেডরু&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-7339"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/7339/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>